• মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Atoz | 125612.141.5689.8 (*) | ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ ০৩:৩৪50265
  • কিন্তু তারপরেও, প্রাথমিকে ইংরেজি তুলে দেওয়া(আমাদের আর কাছাকাছি ব্যাচগুলোর সবচেয়ে সাংঘাতিক কেস ছিল, কিন্ডারগার্টেনে ইংরেজী পড়েছি আমরা, তারপর ক্লাস ওয়ান থেকে ফাইভ অবধি ইংরেজী ছিল না, ক্লাস সিক্স থেকে আবার কেঁচে গন্ডুষ ) সত্ত্বেও কিন্তু সেই সময়ে শিক্ষা বিষয়ে সিরিয়াস বাড়ির ছেলেমেয়েরা অনেকেই নিশ্চিন্তে এইসব সরকারী/সরকারী সাহায্যপ্রাপ্ত বাংলামাধ্যম স্কুলে পড়েছে, অভিভাবকরাও পাঠিয়েছে। (আমাদের সময়ে প্রাথমিকে কিন্তু পাশ ফেল ছিল, লেটার গ্রেডিং(ক খ ইত্যাদি ) এর ব্যবস্থাও ছিল )
    কোনো একটা সময় থেকে অবনমন শুরু হয়েছে, তারপরে একেবারে সাংঘাতিক অবস্থা হয়েছে। এই সময়টাই ধরতে চাইছি, কোন সময় থেকে এই ঘোর বদল শুরু হয়েছে? ১৯৯৯ , ২০০০ , ২০০১ নাকি আরো পরে?
  • PT | 340123.110.234523.24 (*) | ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ ০৩:৩৮50312
  • হ্যাঁ।
    এর সঙ্গে আরো একটা তথ্য দিয়ে রাখি। ক্যাম্পাসের সব বাচ্চারাই ইমিতে পড়ে। বাপেরা ট্যুইশনে বিস্তর খরচ করে। কিন্তু এক একটা ব্যাচে IIT-তে কোয়ালিফাই করে ১ শতাংশের কম।
  • dc | 232312.164.120112.80 (*) | ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ ০৩:৪২50266
  • আমার মনে হয় কোন একটা বছর তো নির্দিষ্ট করে বলা যাবেনা, তবে হয়তো ২০০০ এর কিছু আগে পরে থেকেই একটা শার্প ডাউনফল শুরু হয়েছে। বিশেষ করে শিক্ষাক্ষেত্রকে আখ মাড়াই কলে পরিণত করার প্রক্রিয়াটা এই বছরগুলো থেকেই চালু হয়েছে মনে হয়।
  • sm | 2345.110.783412.134 (*) | ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ ০৩:৪৫50267
  • স্পেসিফিক সময় বলা কঠিন।নব্বই এর দশক থেকেই শুরু হয়েছে।এটাই বামেদের স্বর্ণযুগ ছিল।আর এসময়টাতেই ,বা মি, সরকারি কলেজ ও হাসপাতাল থেকেও মধ্যবিত্ত জনতার মোহ কমেছে।দুটো ক্ষেত্রেই সরকার আধুনিকিরণ থেকে মুখ ফিরিয়ে ছিল।
    সরকারি বা মি তে যেমন বস্তাপচা সিলেবাস চালিয়ে যাচ্ছিলো,সরকারি কলেজ হাসপাতাল গুলোতেও,সিটি স্ক্যান,এম আর আই, ইউ এস জি/ইকো ইত্যাদি গ্যাজেট অনুপস্থিত ছিল।
    লোকজন তো বাঁচার তাগিদেই মুখ ফিরিয়েছে।
  • dc | 232312.164.120112.80 (*) | ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ ০৩:৫৫50268
  • নব্বুইএর দশকে অতোটা অবনতি হয়নি বলেই মনে হয়, অন্তত আমি নিজেই তো বিরানব্বুই উমা, কাজেই অন্তত ৯০-৯৫ সময়টাতে ক্রাইসিস শুরু হয়নি বলে মনে হয় (অবশ্য এটা আমার পার্সেপশান, আমি ভুল হতেই পারি)। আমার মনে হয় আস্তে আস্তে ক্রাইসিসের দিকে গেছে তার পরের ছয় সাত বছরে।
  • sm | 2345.110.783412.134 (*) | ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ ০৪:২৮50269
  • নব্বই এর দশক থেকে ই মির রমরমা শুরু হয়েছে। দলে দলে মধ্যবিত্তের মুখ ফেরানোটা ওই দু হাজার সালের আশ পাশ থেকেই বিসদৃশ্য ভাবে চোখে পড়ছে।
    বা মি র সুদিন আর ফিরবে না।ওটা নস্টয়ালজিয়া!
  • হুজুগে | 785612.49.784512.39 (*) | ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ ০৪:৩১50313
  • প্রাথমিকে ইংরেজি তুলে দেওয়া নিয়ে বিতর্কে একটি তথ্য সংযোজন।
    বর্তমানে একটি সর্বভারতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান, যেটি "
    Institute of Eminence" বলে বেশ আহ্লাদিত, এর সাথে যুক্ত। আশেপাশে প্রচুর উজ্জ্বল মেধাবী বাঙালি ছেলে মেয়েদের দেখি। যতদূর জানি, সংখ্যায় সেটা প্রায় ১০০০। এখানে আসার পর প্রথম প্রথম ভাবতাম, সবাই বুঝি ই ম এ পড়া বঙ্গপুঙ্গব, পরে দেখি অ হরি, বেশিরভাগই (৯০ ভাগ) তো আমারই মতো ব ম এ তৈরি ন্যাদোস। তাই হিসেবটা ঠিক মাথায় ঢোকে না যে, প্রাথমিকে ইংরেজি তুলে দেওয়ায় যদি একটা জাতির এতো সর্বনাশই হবে, তাহলে যেকোনো সর্বভারতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠানে এত বাঙালির সংখ্যাধিক্য কেনো?

    বিঃদ্রঃ এখানে পড়াশোনার মাধ্যম ইংরেজি।
  • এলেবেলে | 2345.110.674523.71 (*) | ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ ০৪:৫৩50314
  • প্রথমত বোঝা যাচ্ছে পিটি এলেবেলের লেখা মোটে মন দিয়ে পড়েন না। না হলে এটা লিখতে পারতেন না 'সবাই তল্পি বাহক হলে হাঙামা হয় কি করে?' তল্পিবাহকদের দুটো দল, তাঁদের মধ্যে হাঙ্গামা খবরদারির অধিকার কে পাবে তা নিয়ে। সেই তল্পিবাহকরা এখনও বিদ্যমান, শুধু সংখ্যাটা কমে সাত থেকে চার হয়েছে আর স্কুলভোটের হাঙ্গামা বিদায় নিয়েছে চিরতরে।

    দ্বিতীয়ত বোঝা যাচ্ছে গুরুতে যাঁরা আলোচনায় অংশ নিচ্ছেন তাঁরা গুরুতেই প্রকাশিত আগের আলোচনা হয় মন দিয়ে পড়ছেন না, না হয় পড়েও ভুলে যাচ্ছেন। বাম আমলে ইংরেজি বিদায় তেমনই একটি চিরপ্রচলিত ভ্রান্ত তথ্য। আর ইংরেজি মাধ্যমে পড়লে যদি কলাটা-মুলোটা পাওয়া এতই সুবিধাজনক হয় তো সেখানকার মাস্টারমশাই-দিদিমণিরা এত ইলপেইড কেন?
  • dc | 232312.174.564512.40 (*) | ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ ০৫:০৯50315
  • "আর ইংরেজি মাধ্যমে পড়লে যদি কলাটা-মুলোটা পাওয়া এতই সুবিধাজনক হয় তো সেখানকার মাস্টারমশাই-দিদিমণিরা এত ইলপেইড কেন"

    এই দুটো কিন্তু অর্থোগোনাল। ইংরেজি মাধ্যমে পড়লে চাকরিক্ষেত্রে অনেক সময়ে সুবিধে হয়। আর ইংরেজি মাধ্যমের স্কুলগুলো ছাত্র থেকে এমপ্লয়ী, অর্থাত শিক্ষকদের, ইচ্ছেমতো যতোটা পারছে ঠকিয়ে যাচ্ছে। ছাত্রদের থেকে বিশাল ফি দাবী করছে, এদিকে শিক্ষকদের যতোটা কম সম্ভব মাইনে দিচ্ছে।

    এদুটোর মধ্যে সরাসরি ডিম্যান্ড-সাপ্লাই রিলেশান এইজন্য কাজ করে না যে ইংরেজি শিক্ষকরা সরাসরি ছাত্রদের সার্ভিস বিক্রি করতে পারেন না, স্কুল নামক প্রতিষ্ঠানটির মাধ্যমে বিক্রি করতে হয়।
  • PT | 340123.110.234523.7 (*) | ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ ০৫:২০50316
  • "তাহলে যেকোনো সর্বভারতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠানে এত বাঙালির সংখ্যাধিক্য কেনো?"
    একটু সাহস পেলাম।
    গোটা নব্বইএর দশক ধরে NCL, IICT, IACS (শুধু তিনটে ও শুধু কেমিস্ট্রির কথা বলছি) জায়গাতেই বাঙালী ছাত্র থিক্থিক করতে দেখেছি। এরা সব বাম আমলের শিক্ষা ব্যব্স্থার ফসল যখন কিনা বাম সরকার "শিক্ষা ক্ষেত্রে এমন কিছু স্টেপ নিয়েছিল যা পরিভাষায় অত্যন্ত সেলফ ডেসট্রাক্টিভ" ছিল!!!!!
  • PT | 340123.110.234523.7 (*) | ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ ০৫:২১50317
  • IACS-এর জায়গায় (IISC) পড়তে হবে।
  • sm | 2345.110.673412.230 (*) | ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ ০৫:৪৪50319
  • পিটি বুঝতে এতো ভুল করেন কেন?বা মি থেকে ভালো স্টুডেন্ট বেরোয় না এমন তো নয়।মাধ্যমিক,উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রচুর ভালো স্টুডেন্ট অবতীর্ণ হয়।কিন্তু সেই আগের হিন্দু, হেয়ার,টাকি বয়েজ বা বিডি স্কুল ,আছে? স্ট্যান্ডার্ড কমেছে।
    বাঁকুড়া জিলা স্কুল বা সুনীতি একাডেমির ,নরেন্দ্রপুর এর এখনো স্ট্যান্ডার্ড অতোটা কমে নি।
    কিন্তু দিন কে দিন মধ্যবিত্ত বাবা মায়ের ইন্টারেস্ট বা মি র প্রতি কমে আসছে।এর জন্য ওই বাম আমলের দিকভ্রষ্ট নীতি গুলো দায়ী। নয়তো এক এক টা নাম করা হাই স্কুলে স্টুডেন্ট সংখ্যা একশ র ও নিচে নেমে আসে?
    রিসার্চ ক্ষেত্রে বরাবরই বাঙালি স্টুডেন্ট দের দাপট ছিল। একটা কারণ হয়তো দীর্ঘ সময় ধরে পড়াশোনা চালানো ও স্বল্প স্টাইপেন্ড।
    একটি ইঞ্জিনিয়ার স্টুডেন্ট 22-23 বছরে চাকরিতে ঢুকে যায়।সুতরাং...
  • PT | 340123.110.234523.7 (*) | ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ ০৫:৫১50320
  • "বাম আমলের দিকভ্রষ্ট নীতি গুলো দায়ী"
    একটা নীতির সম্পর্কে আপনার সম্পূর্ণ ভুল ধারণা কাটানোর জন্য একটা লিং দিয়েছি। পড়ে দেখবেন।
    আম জনতা বাবা-মায়েদের কিসে ইন্টারেস্ট কমে/বাড়ে তা নিয়ে আমার মাথাব্যাথা নেই। আমি তো আর ভোটে দাঁড়াই না।
  • sswarnendu | 9002312.132.674512.236 (*) | ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ ০৫:৫৫50321
  • এখানে ইংরেজি তুলে দেওয়া প্রসঙ্গে মাতৃভাষায় শিক্ষাদানের প্রশ্ন এসেছে দেখলাম। দুটো বিষয় সম্পূর্ণ আলাদা আলাদা। মাতৃভাষায় শিক্ষাদানের অর্থ শিক্ষাদানের ভাষামাধ্যম মাতৃভাষা (এর পর থেকে বাংলা=মাতৃভাষা লিখব), মানে বিজ্ঞান, ইতিহাস, ভূগোল ইত্যাদি প্রভৃতি বাংলায় পড়ানো, তাতে ইংরেজি ভাষা হিসেবে শেখার কোন সরাসরি বিরোধ নেই। ইংরেজি তুলে দেওয়ার কারণ হিসেবে বিশেষ করে শহরের বাইরে ইংরেজি ভীতির কারণে ড্রপ আউট, পাশের হার কম থাকা ইত্যাদি কারণ দেখানো হয়েছিল। সে ঠিক কি ভুল সে অন্য তর্ক, কিন্তু তার সাথে মাতৃভাষায় শিক্ষাদানের নীতিকে না গোলানোই ভাল।
  • S | 458912.167.34.76 (*) | ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ ০৫:৫৭50322
  • NCL, IICT, IACS এগুলোতেও প্রচুর ইন্জিনিয়াররা রিসার্চ করতে যায়। পবে ইন্জিনিয়ারিং পড়তে তেমন মারাত্মক কিছু একটা ইংরেজি জানতে হয়্না। যেটুকু জানতে হয় সেটুকু সবাই খুব তাড়াতাড়িই শিখে ফেলে।

    "মধ্যবিত্ত বাবা মায়ের ইন্টারেস্ট বা মি র প্রতি কমে আসছে।এর জন্য ওই বাম আমলের দিকভ্রষ্ট নীতি গুলো দায়ী।"
    না। ইন্টারেস্ট কমে আসছে কারণ চাকরি বাকরির বাজার পাল্টেছে। আর বাবামায়েদের আয় বেড়েছে।

    আগেই বলেছি যে সরকারি ইস্কুলের মান কমে যাওয়ার জন্য ভালো ছাত্ররা অন্যত্র চলে যাচ্ছে না, বরন্চ উল্টোটা হচ্ছে।
  • S | 458912.167.34.76 (*) | ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ ০৬:০৫50323
  • শহরের বাইরে ইংরেজি ভীতির কারণে ড্রপ আউট, পাশের হার কম থাকা ইত্যাদি - এগুলো একদম ডকুমেন্টেড সত্যি। এখনো যেকোনো ইস্কুলে ছাত্র-ছাত্রিরা সবথেকে বেশি অসফল হয় অন্ক আর ইংরেজিতে।

    ইংরেজি একটা বিদেশি ভাষা, বলা-শোনা-পড়ার অভ্যেস না থাকলে নিজে থেকে শেখা বেশ কঠিন। সেরকম পরিবেশ বেশিরভাগ বাড়িতেই নেই। মফস্বলের/ গ্রামের বাবামায়েরাও পাড়েনা নিজেরা পড়াতে। ক্লাস ফাইভ অবধি বাংলায় ঠিকমত পড়তে, লিখতে, আর একটু অন্ক (যোগ, বিয়োগ, গুন, ভাগ) করতে পারলেই অনেক।

    আমার অভিভাবক কেন পয়সা দিয়ে ইমিতে পড়িয়ে আমাকে স্মার্ট বানালো না আর যে বামি ইস্কুলে পড়েছি সেখানে ক্লাস ওয়ান থেকে কেন ইংরেজি নেই - এদুটো আলাদা ব্যাপার। আমার মনে হয় প্রথমটার দোষ সেকেন্ডটায় চাপানো হয় অনেকসময়ই।
  • sm | 2345.110.673412.230 (*) | ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ ০৬:০৬50324
  • ইংলিশ তুলে দেওয়া একটা ভুল স্টেপ।ঠিক যেমন কমিটি রেকমেন্ডেড ত্রিস্তরীয় হেলথ সিস্টেম,অশ্ব ডিম্ব প্রোডিউস করেছিল।
    পাশ ফেল তুলে দেওয়া ও ফিরিয়ে আনা এমন ই একটা মকারী।সবই বিশেষজ্ঞ কমিটির রেকমেন্ডেশন মাফিক হচ্ছে।
    নোটবন্দি তেও কিছু বিশেষজ্ঞের সায় ছিল।
    সে যাকগে।ইংলিশ তুলে দিয়ে একটা লাভ হয়েছে, বেশির ভাগ পিতা মাতা এই বিশেষজ্ঞ দের বিশ্বাস করেনি ও বেশি করে ইমির দিকে ঝুঁকেছে।
    প্রকারন্তরে ব্যাঙের ছাতার মতো ইমি গজিয়ে ওঠার পিছনে,এটা বড় কারণ। কারণ দেশে প্যারালাল সিস্টেম চালু ছিল।
    ঠিক যেমন সরকারি হাসপাতালে পরিচ্ছন্নতা ও গ্যাজেট এর অপ্রতুলতা হেতু ,জনতা বেসরকারি হাসপাতালের দিকে ঝুঁকেছে।
    বরঞ্চ যদি ইংরাজি প্রাথমিক স্তরে না তুলে প্রথম দু তিন বছর
    যদি স্রেফ অডিও ভিজ্যুয়াল শিক্ষার দিকে জোর দিতো, তবে কাজের কাজ হতো।
    এমন তো নয়, যে 15 বছর ইংরাজি শিক্ষা ক্লাস সিক্স থেকে শুরু হয়েছে,তারা ইংরিজি তে চরম বলিয়ে কয়িয়ে তৈরি হয়েছেন।
  • PT | 340123.110.234523.7 (*) | ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ ০৬:০৭50325
  • "ইংরেজি তুলে দেওয়ার কারণ হিসেবে বিশেষ করে শহরের বাইরে ইংরেজি ভীতির কারণে ড্রপ আউট, পাশের হার কম থাকা ইত্যাদি কারণ দেখানো হয়েছিল।"
    এসব কারণ দেখানোর বহু বছর আগেই সর্বভারতীয় স্তরে ইংরিজি অনেক পরে শুরু করার পরামর্শ দিয়েছিল কোঠারি কমিশন।
    "......the effective teaching of English in the lower primary classes where millions of pupils are enrolled, requires a very large number of trained teachers who are not available. ... In our opinion, this is a colossal task, the improper pursuit of which will lower rather than upgrade the standards of English at the school stage.'"
  • এলেবেলে | 2345.110.674523.71 (*) | ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ ০৬:১১50326
  • পিটি এলেবেলের লেখা মন দিয়ে পড়েন না গুরুতে, কিন্তু বোধহয় আনন্দবাজারে প্রকাশিত এলেবেলের চিঠিটি পড়েছিলেন! এলেবেলে অনেক দিন আগে গুরুর অন্য টইতে অন্য নিকে এটা নিয়ে লিখেছিল। যাই হোক। এই বাংলা-মাধ্যম-ইংরেজি মাধ্যম নিয়ে এ বছর এলেবেলের একটি বড় লেখা প্রকাশিত হয়েছে লিটল ম্যাগাজিনে। সেইটিকে সে এইমাত্র পরিমার্জিত-পরিবর্ধিত আকারে এখানে দেবে বলে মনস্থির করল। তাতে হয়তো @এসেমের ক্রমাগত সুইপিং স্টেটমেন্ট বন্ধ হলেও হতে পারে!
  • sswarnendu | 9002312.132.674512.236 (*) | ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ ০৬:১৪50327
  • "যেকোনো সর্বভারতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠানে এত বাঙালির সংখ্যাধিক্য কেনো?" --- এখন সংখ্যাটা কমে আসছে মনে হয় তুলনায় ( সামান্যই হয়ত, কিন্তু চোখে পড়ার মত ), তবে এ ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে পারসেপশন। ভুল হতে পারে। কেউ সুনির্দিষ্ট তথ্য দিলে খুবই ভাল লাগবে।

    আর আর একটা কথা হল, গবেষণা প্রতিষ্ঠানে ভিড়ই শিক্ষার একমাত্র মাপকাঠি কিনা। বস্তুত বাঙ্গালিরা এই গবেষণা প্রতিষ্ঠানে ভিড় কে যতটা মূল্য দেয়, ভারতে আর কোন জনগোষ্ঠী সম্ভবত দেয় না। এইটাও মূল লেখায় যা লিখেছি তার সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে। যে সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলটার জন্য by default পড়েই যায় পরের পর, গবেষণা প্রতিষ্ঠানে ভীড়ও বাড়ায় সেইটার কারণেই।

    কিন্তু এর মোট ফল কতদূর? গবেষণা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র ছাত্রীদের মধ্যে বাঙ্গালীর যে প্রবল সংখ্যাগরিষ্ঠতা, সেইগুলোতেই প্রফেসরদের মধ্যেও বাঙ্গালীর সেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা আছে কি? আমার ব্যক্তিগত ধারনা নেই। আবারো কেউ তথ্য যোগালে খুব ভাল হয়। কিম্বা ধরুন দেশের ( বা বিদেশের হলেও চলবে, কিন্তু তার তথ্য পাওয়া হয়ত এরও শক্ত হবে ) একেবারে প্রথম সারির গবেষকদের মধ্যে বাঙ্গালীর অনুপাত অতটাই কি? আবারো, আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতায় নয়। তাই এই পড়ে যাওয়ার প্রতি সাংস্কৃতিক ঝোঁকই বলুন কিম্বা অনুরাগই বলুন, এতে একটা স্তরে প্রচুর ডিগ্রিধারী উচ্চশিক্ষিত জনসংখ্যা তৈরি করছি, যাদের স্কিল ডেভেলপমেন্ট তুলনামূলকভাবে বেশ কম, তেমনই গবেষণা প্রতিষ্ঠানে বাঙ্গালীর প্রবল দাপট দিয়েও প্রচুর প্রথম সারির গবেষক পাচ্ছি আমরা, তাও বোধহয় নয়। সংখ্যার দাপট মাঝারি মানের গবেষকের সংখ্যায় প্রতিফলিত হওয়াটা কাজের কথা কি খুব?
  • sm | 2345.110.673412.230 (*) | ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ ০৬:১৯50328
  • বাবা মায়ের আয় বাড়লেও তারা কেন ইমির দিকে বেশি ঝুঁকবেন?পব তে গরিব পরিবারের তো অভাব নেই,তারা কেন শূন্যস্থান পূরণ করতে পারছেন না?এক একটি স্কুলে,মোট স্টুডেন্ট সংখ্যা 100 এর নিচে কেন নেমে আসে?
    এখানে এখনো পর্যন্ত তিনজন খোলা প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন।তিন জনের ছেলে মেয়েই ই মি তে পড়ে।
    বাকিদের উত্তর পেলে আরো পরিষ্কার হবে ব্যাপার টা।
    লটারিতে ভর্তি করার হেতু সরকারী স্কুলের মান পড়েছে,এতো আপনি ই লিখলেন।এগুলো দিকভ্রষ্ট নীতি তো বটেই।
  • lcm | 9006712.229.0112.212 (*) | ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ ০৬:২০50329
  • স্বর্নেন্দুর এই লেখাটা পড়ে যা মানে পড়ে যা মনে হল, দরকার আরও বেশি ভোকেশ্যানাল এডুকেশন প্রোগ্রাম।
    Vocational education is education that prepares people to work in various jobs, such as a trade, a craft, or as a technician. Vocational education is sometimes referred to as career education or technical education.
    আগে আইটিআই বলে এক ধরনের স্কুল/কলেজ ছিল যেখানে ক্লাস এইট অবধি পড়ে ঢোকা যেত, বা পলিটেকনিক কলেজ যেখানে ক্লাস টেন অবধি পড়ে যাওয়া যেত। এমন দরকার অন্যান্য ফিল্ডেও - অ্যাকাউন্টিং, হসপিটাল ইন্ডাস্ট্রি, সার্ভিস ইন্ডাস্ট্রি...।

    মানে সব পড়াশোনা পন্ডিত হবার জন্য নয়, কিছু পড়াশোনা যা কিনা কাজে লাগবে, সেটিই হল ভোকেশ্যানাল এডুকেশন।
  • এলেবেলে | 2345.110.674523.71 (*) | ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ ০৬:২১50331
  • ইংরেজি ভীতির কারণে ড্রপ আউট একটি আগে থেকে ধারণা করা সিদ্ধান্তকে চাপিয়ে দেওয়া। পর্ষদ নাইন থেকে টেনে একটি বিষয়ে অসফল ছাত্রছাত্রীদের উত্তীর্ণ করার কথা সরকারিভাবে ঘোষণা করেছে। অনেক স্কুলেই সেটা দুটো বিষয়ে পর্যবসিত হয়। তারপরেও আছে মাধ্যমিকে লিনিয়েন্ট উপায়ে খাতা দেখার নির্দেশ, আছে প্রোজেক্ট বাবদ বরাদ্দ দশটি নম্বর। লিখিত পরীক্ষায় ৯০এর মধ্যে সাকুল্যে ১০ কিংবা ১২ পেলেই চলে। কারণ মাধ্যমিকে পাশের হার ঠিক রাখতে ওপর থেকে নির্দেশ আসায় ২২কে ২৫ করা হয়। এটা বাম আমলেও হত। আরেকটা কথা, ২০০৪ থেকে এ রাজ্যে ক্লাস ওয়ান থেকে ইংরেজি চালু হয়ে গেছে। তো এই ১৫ বছরে পাশ করা ছেলেমেয়েরা গাদা গাদা চাকরি পাচ্ছেন তার তথ্য কোথায় সংরক্ষিত আছে?
  • S | 458912.167.34.76 (*) | ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ ০৬:২১50330
  • "লটারিতে ভর্তি করার হেতু সরকারী স্কুলের মান পড়েছে,এতো আপনি ই লিখলেন।এগুলো দিকভ্রষ্ট নীতি তো বটেই।"
    মান পড়ছে। কিন্তু দিকভ্রষ্ট নীতি তো লিখিনি।
  • এলেবেলে | 2345.110.674523.71 (*) | ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ ০৬:২৭50332
  • কারা বলছেন বাংলা মাধ্যমের স্কুলগুলোয় ছাত্রসংখ্যা ১০০-র নীচে? কারা? শুধু কলকাতা মানে পশ্চিমবঙ্গ বুঝি? এখনও এ রাজ্যের অনেক জেলায় বাংলা মাধ্যম এক ও অবিকল্প ব্যবস্থা। এ রাজ্যে এখনও অনেক স্কুলে ছাত্রসংখ্যা ১০০০এর বেশি। টাকা লাগে সারা বছরে ২৪০। শিক্ষাব্যবস্থা শুধু ভদ্রবিত্তদের জন্য বুঝি?
  • sm | 2345.110.673412.230 (*) | ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ ০৬:২৮50333
  • আরে আমি তো লিখলাম আপনি লিখেছেন লটারি হেতু সরকারি স্কুলের মান পড়ে গেছে।
    এটি কতিপয় দিকভ্রষ্ট নীতির একটি উজ্জ্বল রত্ন।এটি আমার উক্তি ও ধারণা।
    কিন্তু,বা মি র পক্ষে জনগণ তো একটু তথ্য দিলেই হয়;তাদের সন্তান সন্ততিরা কোন মিডিয়ামে পড়ছেন?
  • এলেবেলে | 2345.110.674523.71 (*) | ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ ০৬:২৯50334
  • 'ইংরেজি মাধ্যমে পড়লে চাকরিক্ষেত্রে অনেক সময়ে সুবিধে হয়' হ্যাঁ, সে তো হয়ই! তার চরম নিদর্শন ওই মাধ্যমের শিক্ষকশিক্ষিকারা!! যাঁরা ইংরেজি মাধ্যমেরই ছাত্রছাত্রী, ইংরেজি মাধ্যমেরই শিক্ষকশিক্ষিকা কিন্তু ইলপেইড। কারণ তাঁরা এখনও অবধি একটি ভদ্রস্থ সরকারি চাকরি জুটিয়ে উঠতে পারেননি।
  • PT | 340123.110.234523.7 (*) | ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ ০৬:৩১50335
  • দ্যাকো কানডো!! তালে তো এলেবেলের সঙ্গে কম কম ঝগড়া করব এখোন থেকে।
  • sm | 2345.110.673412.230 (*) | ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ ০৬:৩৪50336
  • এলেবেলে,আমি কলকাতা বা জেলার কথা স্পেসিফাই করিনি। বরঞ্চ আমার আগের পোস্ট গুলো মন দিয়ে পড়ুন,উদাহরন দিয়ে বলেছি জিলা স্কুল গুলোর মান এখন ও এতটা পড়ে নি। কিন্তু ট্রেন্ড সেইদিকেই।
    যেকোন স্কুলেই স্টুডেন্ট সংখ্যা এতো কমে যাওয়া আশঙ্কার বিষয়।এই জন্যই সরকার এইসব ধুঁকতে থাকা স্কুলগুলি ইমি তে রূপান্তরিত করছে। সাড়াও মিলছে ভালোই। এই সময়ের লিংক ও দিয়েছি। বেতন হবে মাসিক দুশ টাকার মতন-বেসরকারী ইমি স্কুলে বেতন মিনিমাম এর দশগুন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। বুদ্ধি করে মতামত দিন