• মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • S | 458912.167.34.76 (*) | ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ ০১:০৪50297
  • অ্যাটোজ আমি সরকারি সহায়তা পাওয়া বামি ইস্কুলে পড়াশুনা করেছি। আমার ব্যাচের পরবর্তি বেশ কিছু ব্যাচের ছেলেপিলেদের চিনতাম, বিভিন্ন কারণে। তারা বেশ ভালো ছাত্র ছিলো বলেই মনে হয়। অনেকেই বেশ ভালো বাড়ি থেকেই আসতো (শুধু পয়সা নয়, যাকে আমরা মধ্যবিত্ত "ভদ্র" বাড়ি বলি)। পড়াশুনাও ভালো করতো, রেজাল্ট ভালো করার তাগিদ ছিলো। জীবনে প্রতিষ্ঠিত হওয়ারও একটা ইচ্ছে ছিলো। অনেকেই জীবনে খুব ভালো করেছে।

    আপনার অবজারভেশনটা ঠিক যে আজকে সেইসব বাড়ি থেকে আমার ইস্কুলে খুব খুব কম ছেলে পড়তে যায়। একটা বড় কারণ হলো আমাদের সময়ে সব ছেলেপিলেদেরই এন্ট্রান্স এক্জাম দিয়ে ইস্কুলে ভর্তি হতে হতো। এখন মাত্র ২৫% ছেলে এন্ট্রান্স পরীক্ষার মাধ্যমে ভর্তে হয়। বাকিরা ডাইরেক্ট, লটারির মাধ্যমে - এইসব বিভিন্ন উপায়ে ভর্তি হয়।

    এর ফলে হয়তো সরকারি ইস্কুলের মান পড়েছে। এবারে শুনলাম দুটো সরকারি ইস্কুল নাকি বন্ধই হয়ে গেছে; ছাত্র নেই। "ভদ্র" বাড়ির ছেলেদেরকে তাদের বাবা-মায়েরা বোধয় আর আমার ইস্কুলে পাঠাতে চায়্না। "ছোটোলোকদের" সঙ্গে মিশে যদি খারাপ হয়ে যায় সেই ভয়ে।

    তবে নিজের দিকে আঙ্গুল তুলেই বলি, আমার মতন যারা সারা জীবন দেশের পয়সায় পড়াশুনা করে বিদেশে চাকরী করছি এবং সেই ব্যাপারে গব্ব অনুভব করি, তাদের থেকে ছোটোলোক দুনিয়াতে আর কেউ নেই।
  • dc | 232312.164.120112.80 (*) | ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ ০১:১৭50250
  • এঃ এলেবেলে দেখছি পিটিদার ফাঁদে পা দিয়ে ফেলেছেন :d

    "শিক্ষাব্যবস্থার বারোটা বেজেছে ২০১১ থেকেই" - এটা একটা টোপ ছিল, যাতে আলোচনাটা ডাইভার্ট হয়ে যায়, এই ইর‌্যাশনাল স্টেটমেন্টটার ফলে যাতে সবাই আর কিছু ছেড়ে বাম জমানার ত্রুটি আলোচনা করতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে।

    এই ট্রোলিংটা আগে পিটিদা হীরাভ টইতে করতো, এখন কেউ আর ওই টইটাকে পাত্তা দেয় না বলে অন্য টইতে গিয়ে করে। পারলেই অন্য টইতে গিয়ে এরকম একটা সুইপিং স্টেটমেন্ট করে দেয় যাতে আলোচনাটা ঘুরে গিয়ে বামেদের ক্রিটিসিজম শুরু হয়ে যায়। এই ফাঁদটা এড়িয়ে চলার চেষ্টা করবেন।
  • S | 458912.167.34.76 (*) | ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ ০১:১৯50298
  • আমাদের দেশে ঝাঁ চকচকে প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরী করতে গেলে (ঐ যাদের বিশাল অফিসে কাঁচ লাগানো দেওয়াল আর দামী টাইলস লাগানো মেঝে হয়, অথচ ট্যাক্স দিতে গেলে গলা শুকায়) ইংরেজি জানতে হয় বৈকি। শুধুমাত্র ইংরেজি জানলেই হয়্না, সেটা ইমি ইস্কুলে যে ভুল অ্যাকসেন্টে শেখানো হয় সেই অ্যাকসেন্টেই বলতে হবে। শুধুমাত্র তাই নয় আপনাকে ভালো দেখতে শুনতেও হতে হবে। নইলে আপনাকে বড্ড বেমানান লাগবে ঐ সুন্দর অফিসগুলোতে। আপনাকে দেখে যেন অফিসের মেঝের মতই চকচকে মনে হয়। যে ফিনাইল দিয়ে মেঝেগুলোকে রোজ পরিস্কার করে, সেই একই ফিনাইল দিয়ে নিজের বোধ ও বুদ্ধিকে রোজ পরিস্কার করতে রাজি হতে হবে। ফ্যামিলি ব্যাকগ্রাউন্ড, মানে কাস্ট, যেন ভালো হয়। প্লিজ মুসলমান হবেন না, ক্রিস্চান হলে খুব ভালো কথা। আর খবরদার যেন ইন্টারজেনারেশনাল ম্যালনিউট্রিশানের আন্দাজও না পাওয়া যায় আপনাকে দেখে। এইগুলো থাকলে তবেই আপনাকে গুরুত্বপুর্ণ পদে চাকরী দেওয়া হবে যেখানে আপনার গুরুত্ব এবং পদের সঙ্গে কন্কালের বগলের চুলের সংখ্যার কোনো পার্থক্য থাকবেনা।
  • sm | 2345.110.893412.182 (*) | ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ ০১:২৬50299
  • সিকি কে লিংকটা পড়তে দিলাম।অবিশ্যি বুঝবে কি না কে জানে?
  • Atoz | 125612.141.5689.8 (*) | ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ ০১:৩৬50251
  • কিন্তু একটা বিশাল গন্ডগোল কোথাও হয়ে গেছে। এটা কবে থেকে হল? ২০০০? ২০০১?
    আমাদের স্কুলগুলো এখন সম্পূর্ণ অন্যরকম। আমাদের সময়ে যেসব সরকারী বা সরকারী সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলগুলোতে আমাদের মতন সাধারণ মধ্যবিত্তরা তো বটেই, বিশিষ্ট উচ্চমধ্যবিত্তরাও নিশ্চিন্তে ছেলেমেয়েদের ভর্তি করতেন, এখন সে নাকি মানে ভাবাও যায় না। নিজেরাই শিক্ষক বা শিক্ষিকা আজ, অথচ নিজের ছেলেমেয়েদের ওই স্কুলে ভর্তি করতে পারছেন না, এরকম অনেকের কাছে তাদের নিজের মুখেই শুনলাম। স্কুলগুলোর অবস্থা একেবারে ধ্বংসোন্মুখ । একেবারে প্রথম প্রজন্মের শিক্ষার্থী, অত্যন্ত নিম্নবিত্ত যাদের আর অন্য অপশন নেই, তাঁরাই ওখানে ছেলেমেয়েদের দিচ্ছেন।
    সম্প্রতি রিইউনিয়ন হল স্কুলে, আমাদের ব্যাচের যারা যারা এসেছিল অনেকেই স্কুলে পড়ায় এখন। সকলেই প্রায় এইরকমই একটা অবস্থার কথা বলল। একজন নিজের ছেলেকে ভর্তি করেছে সত্তর হাজার ডোনেশন দিয়ে এক প্রাইভেট স্কুলে। আর একজন নিজের মেয়ের জন্য ওরকমই স্কুলের খোঁজখবর শুরু করেছে।
  • | 2345.107.6778.15 (*) | ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ ০১:৩৯50300
  • হা হা হা হা হা হা হা হা
  • PT | 340123.110.234523.6 (*) | ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ ০১:৫২50252
  • @এলেবেল
    "অভিভাবক নির্বাচনে হাঙামার খবর পড়েননি - এটা বিশ্বাস করছি না।"
    সবাই তল্পি বাহক হলে হাঙামা হয় কি করে? তবে ক্ষেত্র সমীক্ষা যদি বলেন আমার ঘরের পাশের হিজলী হাই স্কুলে অথবা আমার নিজের স্কুল ঢাকুরিয়া রামচন্দ্র বিদ্যালয় (যেখানে আমার স্কুলের বন্ধু একজন শিক্ষক) অথবা আমার পাড়ার স্কুল রামকৃষ্ণ বিদ্যালয়ে গত কুড়ি বছরে এমনটি মনে রাখার মত ঘটনা ঘটেছে বলে মনে করতে পারি না। তবে এই তিনটে বাদ দিয়ে বাকি আর সব স্কুলে হাঙামা ঘটে থাকতেই পারে। আমি তো আর সব জায়গাতে ছিলাম না।

    "তাঁরা রাজনৈতিক পক্ষপাতদুষ্ট ছিলেন না বলছেন"
    এমন কথা বলিনি তো!! তবে কিনা এসব দেগে দেওয়া বহুদিন ধরেই চলছে। এই দেখুন না এখনো বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ্যতাহীন রসায়নের অধ্যাপক যারা নাকি শুধু মাত্র তল্পিবাহক হওয়ার জন্য চাকরী পেয়েছিল বলে গুরুতে কথিত, তাদের এখনো খুঁজে বেড়াচ্ছি।

    @পাটকেল
    নিজের কিছু বলার থাকলে বলুন। সুইপিং রিমার্ক না করে স্পেসিফিক উদাহরণে যান। নিজেকে ডিফেন্ড করতে সমস্যা হবে। খেয়াল করে দেখবেন যে যারা অর্ধসত্য/মিথ্যে তথ্যের প্রচার করত তারা বহুদিন হল আর রাজনৈতিক আলোচনাতে দৃশ্যমান নয়। আর ভেকধারি কাক বিশেষণটি একান্তই মুলোদের জন্য ব্যবহৃত-ওটি কোন ব্যক্তির উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়নি।

    @dc
    পিটি হীরাভ টইটা খোলেনি। ঐ টইটাকে কেউ পাত্তা না দিলে সেটা যে শুরু করেছিল আপনার কটাক্ষ তার দিকে নিক্ষিপ্ত হয়। আর "শিক্ষাব্যবস্থার বারোটা বেজেছে ২০১১ থেকেই" বক্তব্যটা কোন ট্রোল/ফাঁদ নয়। "একটিই পোস্ট বাকি সব ল্যম্পপোস্ট" শাসন ব্যবস্থা ২০১১ থেকে চালু হওয়ার কারণে শুধু শিক্ষাব্যব্স্থাই নয় আরো অনেক কিছুর যে বারোটা বেজেছে সেটা এরা যাওয়ার পরে বোঝা যাবে।
    কিন্তু কি আশ্চর্য!! পিটি একাই লিখে লিখে হীরাভ টইটাকে চতুর্থ খন্ডে পৌঁছে দিয়েছে!! অথবা সকলেই কেমন করে যেন পিটির ফাঁদে পা দিয়ে ফেলেছে!! আমার সকালটাকে কি ভাল যে করে দিলেন!!
    (তবে একটা উত্তরের অপেক্ষায় এখনো আছিঃ যারা যারা তস্লিমাকে তাড়ানোর জন্য বাম সরকারকে গাল দিয়েছিল তারা পরিবর্তিত পব-তে তস্লিমাকে আনানোর জন্য মোমবাতি মিছিল করছে না কেন?)
  • dc | 232312.164.120112.80 (*) | ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ ০২:০১50253
  • Atoz, শিক্ষাব্যাবস্থা বহুদিন ধরেই ভেঙে পড়ছে, শুধু পবতে না, প্রায় সারা দেশেই। প্রত্যেক রাজ্যে যে সরকার আছে সেই সরকার চেষ্টা করছে সরকারি শিক্ষাব্যবস্থা তুলে দিয়ে প্রাইভেট স্কুল কলেজগুলোকে বেশী করে প্রাধান্য দিতে। অথচ প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানগুলোতেও কিন্তু ভ্যালু ফর মানি পাওয়া যায়না, অর্থাত যা টাকা নেওয়া হয় তার সমমানের পরিষেবা দেওয়া হয় না। এটা নিয়ে কিছুদিন আগে ওয়ারে একটা লেখা পড়েছিলাম। শুধু তাই না, আরটিই অ্যাক্ট প্রায় কোথাও ঠিকমতো মানা হয় না। পবর কথা যদি বলেন তাহলে বামেরাও শিক্ষাব্যাব্স্থার অধঃপতন ঘটিয়েছিল, তার পরের সরকার আরও বেশী করে ঘটাচ্ছে।

    "তবে একটা উত্তরের অপেক্ষায় এখনো আছিঃ যারা যারা তস্লিমাকে তাড়ানোর জন্য বাম সরকারকে গাল দিয়েছিল তারা পরিবর্তিত পব-তে তস্লিমাকে আনানোর জন্য মোমবাতি মিছিল করছে না কেন?"

    আরে পিটিদা আমিও এই উত্তরের অপেক্ষায় আছি। কেন করছে না বলুন তো? ব্যাপারটা কি?
  • r2h | 342323.226.7889.160 (*) | ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ ০২:০৪50301
  • কিন্তু, ইংলিশ মিডিয়াম চাকরীর ক্ষেত্রে অ্যাডভান্টেজ পায়না? আমার তো ধারনা ছিল পায়।

    আমি আইআইটি আইআইএম এমনকি ডাক্তারী ইঞ্জিনিয়ারিং এসবের কথাও বলছি না; আমি যেমন একেবারে সাধারন কলেজে সাধারন বিষয় নিয়ে পড়েছি, চাকরীর বাজারে যার বিন্দুমাত্র দাম নেই - তাদের একটু ইংরেজী বলিয়ে কইয়ে হলে সুবিধে হয় বলেই দেখেছি।

    আবশ্যক বলছি না। আমি নিজে বাংলা মিডিয়াম, আইতিটেই কাজ করি। কিন্তু আমার নিজের অন্যান্য অ্যাডভান্টেজ ছিল।
    ভাষা প্রতিবন্ধের কারনে প্রেজেন্টেশন ইত্যাদি স্কিল ঝাড় খাওয়া দেখেছি তো। সেলসে তো ভালো রকমই দেখেছি।

    আবারও, আবশ্যক বলছিনা, অনেকেই এইসব অতিক্রম করে, কারো তীব্র জেদ থাকে, কেউ প্রবল মোটিভেটেড হয়, কারো প্রতিভা অন্যদের থেকে বেশী হয়। তবে অতিক্রম করার জন্যে একটা এফর্ট দিতেই হয় বলে আমার মনে হয়েছ।

    নিতান্তই ছোট ব্যক্তিগত পরিসরের অবজার্ভেশন, কোন তত্ত্ব নয়, ভুল হতেই পারে।
  • dc | 232312.164.120112.80 (*) | ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ ০২:১১50254
  • Atoz এই লিংক দুটো পড়ে দেখতে পারেন, একটা স্ক্রোল থেকে আরেকটা ওয়ার থেকে। শিক্ষাব্যবস্থার কি হাল হচ্ছে তার একটা ভালো ধারনা হয়ে যাবেঃ

    https://scroll.in/article/905489/huge-mismatch-between-what-indian-parents-seek-from-private-schools-and-what-they-get-finds-study

    https://www.thewire.in/education/aser-2018-report-learning-crisis

    পেরেন্টরা যা পাবে বলে আশা করে আর তাদের যা দেওয়া হয় সেই মিসম্যাচ নিয়ে লেখাটা স্ক্রোলের।

    তবে এর পরেই বোধায় পিটিদা এই টইতেও তসলিমা নিয়ে ট্রোলিং শুরু করে দেবে, কাজেই এই আলোচনা আর কতোটা এগোবে জানিনা :d
  • r2h | 342323.226.7889.160 (*) | ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ ০২:১৩50302
  • তবে, এসব যদি প্রাথমিকে ইংরেজী তুলে দেওয়া বিষয়ে হয়, তবে সেটাকে আমি আউটরাইট ভুল সিদ্ধান্ত বলতে দ্বিধা করবো। কারন ড্রপাউট আটকানো ইত্যাদিতে ইংরেজী বা পাশ ফেল তুলে দেওয়া - এসবের সদর্থক ভূমিকা আছে বলে ধারনা হয়েছে ডেটাপত্র পড়ে।

    মাতৃভাষায় শিক্ষা বড় গুরুতর জিনিস। দশরথ দেব একবার বলেছিলেন, গ্রামের ইস্কুলে মাস্টারমশাই পড়াতেন রম্ভা মানে কদলী - এইবার উপজাতি ছেলেমেয়েরা না জানে রম্ভা না জানে কদলী, আর তাদের বাড়িতে জুমিয়া মা বাবার পক্ষে পড়া বোঝানো কল্পনাতীত ব্যাপার। ফলত তিন ক্লাসের মধ্যে দুবার ফেল করে পড়াশোনার ইতি।
    ক্লাস টু'তে ফেল করে পড়া ছেড়ে দেওয়া সহপাঠী আমার নিজেরও ছিল। ক্লাস ফাইভ তো বড় গাঁট।

    আমাদের শহরের প্রেক্ষিত বা এলিট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, জয়েন্ট এন্ট্রান্স আইটি ইত্যাদি তো বাস্তবের ক্ষুদ্র ভগ্নাংশ।
  • Atoz | 125612.141.5689.8 (*) | ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ ০২:২০50255
  • ধন্যবাদ ডিসি। লিংক দুটো অবশ্যই পড়ব।
    নিত্য শুনছি, রোজই ভয়ানক ভয়ানক সব খবর শুনছি শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে। সবচেয়ে ভয়ের যেটা লাগছে সেটা হল টাকার অঙ্ক এত বিশাল যে সেটার কথাই সবই খালি বলছে, কিন্তু সেই মহার্ঘ্য জায়গাগুলোতে পড়াশোনার আসল হাল যে কী সে বিষয়ে উচ্চবাচ্য করছে না।
  • PT | 340123.110.234523.6 (*) | ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ ০২:২৭50256
  • " টাটার পুঁজি পশ্চিমবঙ্গে ইনভেস্ট হয় নি বলে কেঁদে ভাসিয়েছিলেন"
    ধন্যবাদ! "ইন্টার্ন" শিক্ষক প্রসঙ্গে অন্য একটা কথা লিখব বলে ভাবছিলাম কিন্তু অন্যদের বক্তব্যের "ফাঁদে" পা দিয়ে সেটা লিখতে ভুলে গিয়েছি। সেটা এই মন্তব্যে মনে পড়ল।

    ইন্টার্ন নিয়োগের বেশীর ভাগ ঘটনাই ঘটবে বড় শহরের বাইরের জেলা শহর, গ্রামাঞ্চল বা প্রান্তিক এলাকায়। বিশেষতঃ যেসব এলাকায় সিন্ডিকেট করে বেকারত্ব ঘোচানোর সুযোগ বিশেষ নেই। অর্থাৎ কিনা এইসব এলাকায় চাষীর ঘরে ঘরে চাষীর সন্তানেরা স্নাতক হয়েছে এবং চাষ না করে চাকরী চাইছে। ক্লাবে ক্লাবে মদ-মাংস খাওয়ার পয়সা যে বিশাল সংখ্যক বেকারদের তুষ্ট রাখার পক্ষে যথেষ্ট নয় সেটা সম্ভব্তঃ সরকার টের পেয়েছে। অতএব ইন্টার্ন ব্যবস্থা ঘুরিয়ে বেকারভাতা দেওয়ার একটা প্রচেষ্টা মাত্র।

    কাজেই শুধু টাটা নয়, আরো অন্যদের পুঁজির বিনিয়োগের জন্যে সকলেই কেঁদে ভাসান। ১০/১২ বছর আগে চাষীর ছেলে শুধু চাষই করবে এই জাতীয় উন্মাদ তত্ব যারা প্রচার করেছিল তারা সেই সময় আমার মত কেঁদে ভাসালে আখেরে পব-র উপকার হত।
  • dc | 232312.164.120112.80 (*) | ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ ০২:৩৩50257
  • হ্যাঁ শিক্ষাব্যাবস্থার অবস্থা সত্যিই খারাপ, আর পড়াশুনোর হাল প্রতিটা লেভেলেই খারাপ হয়ে চলেছে, সে মহার্ঘ্য হোক বা অন্য কিছু। কিছু ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে পড়ার হাল নিয়েও যা শুনি তাতে অবাক হয়ে যাই। প্রাইভেট স্কুলগুলোতেও চূড়ান্ত অব্যাব্স্থা, কর্পোরেশান বা সরকারি স্কুলেও তাই। আর তার ওপর শুরু হয়েছে ফিটজি টাইপের ট্রেনিং ইন্স্টিটিউটগুলোর দৌরাত্ম, এগুলো এখন সরাসরি প্রাইভেট স্কুলের সাথে যুক্ত হয়ে গেছে।
  • Atoz | 125612.141.5689.8 (*) | ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ ০২:৪০50258
  • ডিসি,
    এতো দেখা যাচ্ছে দিল্লির লাড্ডুর কেস। টাকা দিয়েও পস্তানো, না দিয়েও পস্তানো।
    এ পুরো দিনে ডাকাতি চলছে মশাই। ঃ-(
  • dc | 232312.164.120112.80 (*) | ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ ০২:৪১50259
  • একদম :d
  • Atoz | 125612.141.5689.8 (*) | ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ ০২:৪৭50260
  • ডিসি,
    এদিকে চেনাজানা বেশ কয়েকজন সহপাঠিনী বান্ধবী, সকলেই বেশ সিরিয়াস, উচ্চশিক্ষার ডিগ্রীও আছে প্রত্যেকের, তারা প্রাইভেট ইং-মেড স্কুলে পড়াচ্ছে মাসে দুই কি আড়াই হাজার টাকা বেতনে। কী বলবো বলুন?
    দুই দিক দিয়ে ডাকাতি চলছে। এদিকে চাকরি করতে ঢুকলে এত কম বেতন দেয়, অন্যদিকে ছিবড়ে করে টাকা নেয় ছেলেপিলেকে পড়াতে ঢোকালে।
    কোথায় যাবে মধ্যবিত্ত?
  • সিকি | 342323.233.780112.215 (*) | ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ ০২:৫০50303
  • অত কথায় কাজ কী? দেখা হলেই গালটা টিপে দেব। ক্ষিউটনেস একেবারে ওভারলোডেড
  • dc | 232312.164.120112.80 (*) | ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ ০২:৫৪50261
  • প্রাইভেট স্কুলগুলোতে যে কতোভাবে কতোজনকে ঠকায় তার হিসেব করতে গেলে পুরো দিন চলে যাবে। বেশীর ভাগ স্কুলে শিক্ষিকা-শিক্ষক দের মাইনে খুব কম, পিএফ এর ব্যাব্স্থা নেই, অনেকেই পার্মানেন্ট স্টাফ নন। এছাড়া "গ্রুপ-ডি" কর্মীদের নানান ভাবে ঠকানো হয়। ওদিকে স্টুডেন্টদের থেকে পাঁচ হাজার উপায়ে টাকা বার করার সুব্যব্স্থা রয়েছে, বইখাতা থেকে স্কুল ইউনিফর্ম সবই স্কুলের অ্যাপ্রুভড দোকান থেকে কিনতে হবে। ডোনেশান তো আছেই।
  • Atoz | 125612.141.5689.8 (*) | ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ ০৩:০২50262
  • ডিসি, এরা আখমাড়াই কল। সবার থেকেই চিপে নিয়ে ছিবড়ে করে ফেলে দিচ্ছে।
  • PT | 340123.110.234523.24 (*) | ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ ০৩:০৪50305
  • একদিকে বাংলায় শিক্ষা বাতিল করে সরকারী ইংলিশ মিডিয়ামের ঢক্কানিনাদ চলছে আর অন্য দিকে সাঁওতালি ভাষায় প্রাথমিক শিক্ষার ব্যব্স্থা করা হচ্ছে!!

    Several hundred students wrote their Class 10 board examinations under the West Bengal Board of Secondary Education (WBBSE) in the Ol Chiki script for the first time this year.......
    .........“The scope of higher education in Santhali is increasing over the past few years. Coming at this juncture, this will increase the scope of reading in Ol Chiki script and enthuse Santhali speakers to pursue higher education in their mother tongue,” Mahato said."
    https://www.hindustantimes.com/india-news/santhali-becomes-india-s-first-tribal-language-to-get-own-wikipedia-edition/story-fUP5LRZI0lEBlVGNCjW5cK.html

    সাঁওতালি ভাষায় উচ্চশিক্ষা? এটাকি কোন শিক্ষাব্যব্স্থা নাকি সেরেফ চ্যাংড়ামি করে যেখান থেকে যেমন করে হোক কুড়িয়ে-বাড়িয়ে ভোট পাওয়ার ধান্দা!!?
  • sm | 2345.110.673412.230 (*) | ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ ০৩:০৪50304
  • বঙ্গানুবাদ লাগবে?লজ্জার কিছু নেই।
  • dc | 232312.174.564512.40 (*) | ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ ০৩:২৩50306
  • আমার মনে হয় প্রত্যেকেই কিছু কিছু ঠিক কথা বলেছেন।

    পিটিদা যেটা বললো, কয়েক মাসে কাজ চালানোর মতো করে ভাষা শেখার কোর্স, সেটা অবশ্যই সম্ভব আর সেরকম কোর্স অনেক আছে। অনেকেই এভাবে অল্প কয়েক মাসে কোন নতুন ভাষা কাজ চালানোর মতো করে শিখে ফেলে, তারপর সেদেশে থেকে থেকে আরও ভালোভাবে ভাষাটা রপ্ত করে নেয়। এ আমি নিজে দেখেছি।

    sm যেটা বলেছেন, ইংরেজি ভাষা না শিখলে বা "ইংরেজি" আদবকায়দা না শিখলে আমাদের দেশে চাকরি পেতে অসুবিধে হয়, এটাও কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই সত্যি। মানে এটা খুবই আনফরচুনেট, কিন্তু এরকমই হয়ে আছে। অবশ্যই অনেকে এই বাধা অতিক্রম করতে পারে, কিন্তু অনেকে পারেও না। শুধু চাকরি পেতেই না, পদোন্নতিতেও অনেক সময়ে এটা একটা ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়ায়। বিশেষ করে ইউনিলেভার বা ই অ্যান্ড ওয়াই এর মতো কোম্পানিগুলোতে গিয়ে দেখুন, বেশ ভালো মতো ইংরেজি বলতে না জানলে এসব কোম্পানিতে মুশকিল হয় (এক্সেপশানও আছে, কিন্তু কম)।

    তবে r2h এর সাথে একমত, এর মানে এই না যে প্রাথমিকে ইংরেজি তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত ভুল ছিল। মাতৃভাষায় শিক্ষার ব্যাব্স্থা করে আমার মনে হয়না সরকার ভুল কিছু করেছিল। তবে পরের স্টেজে ইংরেজি বলাতে শেখার জন্য কোন এভিডেন্স বেসড কোর্স চালু করা উচিত, য়ুরোপে যে ধরনের কোর্সগুলো আছে।
  • sm | 2345.110.673412.230 (*) | ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ ০৩:২৪50307
  • তাহলে কি দেখা গেল?বড় এস ও r2hএর মতে ইংলিশ মিডিয়াম হলে চাকরির ক্ষেত্রে কিছু এডভ্যান্টেজ পাওয়া যায়।
    বড় S বললেন,একসেন্ট ভুলভাল ইত্যাদি। সেতো ব্রিটিশরা অস্ট্রেলিয়ান একসেন্ট শুনে মুখ টিপে হাসে।মোদ্দা কথা হলো চাকরি টা পাওয়া যাচ্ছে কিনা।পিটির কথা মতো 6 মাসের ক্র্যাশ কোর্স করিয়ে,আমেরিকায় কোন ওভারসিজ ডাক্তার কে পেশেন্ট টাচ করতে দেবে?
  • sm | 2345.110.783412.134 (*) | ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ ০৩:২৪50263
  • প্রথমেই পিটি কে লিখি।আপনি একবগগা বাম সমর্থক।এই একচক্ষু হেতু,বাম জমানার দোষ ত্রুটি খুঁজে পান না এবং বর্তমান সরকারের সমস্ত কাজ কে খারাপ ভাবেন।এজন্য কন্যাশ্রী র মতন যুগান্তকারী প্রকল্প কে বরপনের টাকা জোগাড় ও 2 টাকা কেজি চাল কে ভিক্ষান্ন বলতে বাঁধে না।
    এটা আমার কাছে চরম নিন্ম অভিরুচির লক্ষণ বলে মনে হয়।তবে আপনার ব্যক্তি স্বাধীনতা আছে।বলতেই পারেন।তেমনি অন্য লেখক দের ও আছে।
    এতজ, বাম আমল; শিক্ষা ক্ষেত্রে এমন কিছু স্টেপ নিয়েছিল যা পরিভাষায় অত্যন্ত সেলফ ডেসট্রাক্টিভ। অনেকটা মোদি সরকারের নোট বন্দির মতন।
    যেমন,1-5অবধি পাশ ফেল তুলে দেওয়া,শিক্ষা ব্যবস্থায় পেটোয়া লোক ঢোকানো,প্রাথমিকেইংরিজি তুলে দেওয়া,সরকারি স্কুলে মেরিটের বদলে লটারি চালু করা।
    আপনি বললেন, আপনার সময়ে মধ্যবিত্ত ফ্যামিলি থেকে বা মি তে পড়তে যেতো। এখন যায় না।কিন্তু লটারি আসার পর তো মধ্যবিত্ত ফ্যামিলি চাইলেও চান্স পাবে কি পাবে না ঠিক নেই।অর্থাৎ যদি আপনার মনে ফিক্সড আইডিয়া থাকে,মধ্যবিত্ত ফ্যামিলি মানে পড়াশোনার ব্যাপারে সিরিয়াস,কিন্তু নিন্ম মধ্যবিত্ত অতটা নয়,তাহলে আলোচনা এড়ানো যায়।
    কিন্তু আমার মতে মধ্যবিত্ত নিজেই কয়েকটি কারণ বশত বা মি থেকে সরে এসেছে।
    এক, ভালো ইংলিশ না শিখলে দেশে বিদেশে চাকরি পাওয়া কঠিন।স্মর্তব্য,বাম আমলে প্রাথমিকে ইংলিশ তুলে দেওয়ায় হয়েছিল।
    দুই,কম্পিটিশনের মানসিকতা গড়ে তোলা। স্মর্তব্য,বাম আমলে পাশ ফেল তুলে দেওয়া হয়েছিল।
    তিন,বেহাল পরিকাঠামো ও আধুনিকিরণ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া।বর্তমানে একটি ভালো ই মি স্কুলে সেভেন এইট থেকে ভালোমতন কম্পিউটার শিক্ষা দেওয়া হয়।
    সুতরাং বিভিন্ন সঙ্গত কারণে মধ্যবিত্ত ;বা মি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে।ডিসি বা ডিডি তাদের পোস্টে দ .ভারতে রিজিওনাল মিডিয়ামের স্কুল গুলোতে ছাত্র সংখ্যা হ্রাসের ও গুরুত্বহীনতার কথা লিখেছেন।
    অত: কিম।বর্তমান পরিস্থিতিতে রাজ্য সরকার যে সকল বিদ্যালয় গুলোতে খুব কম ছাত্র সংখ্যা,সেখানে ই মি চালু করেছে বা ভবিষ্যতে আরো করবার ইচ্ছা আছে।
    দমদমে অরবিন্দ ইনস্টিটিউট,কলকাতায় মেট্রোপলিটন ইন্সটি প্রভৃতি।কাজ শুরু হয়ে গেছে। মাসিক বেতন 200 টাকার কাছা কাছি। হয়তো এটাই ভবিষ্যতে মাইলস্টোন হবে।
  • dc | 232312.174.564512.40 (*) | ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ ০৩:২৬50308
  • আমার মেয়ে ইংরেজি মাধ্যমে পড়ে, সিবিএসই বোর্ডে। অনেক আগে থেকেই ঠিক করা ছিল যে ইমিতে দেওয়া হবে।
  • ন্যাড়া | 1278.202.5634.85 (*) | ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ ০৩:২৬50264
  • দাবীটা কী? খোঁড়াকে খোঁড়া, কানাকে কানা, পিটিকে ইন্টালেচুয়ালি ডিজনেস্ট বলা যাবে না? ইল্লি আর কী!
  • sm | 2345.110.673412.230 (*) | ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ ০৩:৩০50309
  • আমার মেয়েরাও তাই।অবিশ্যি তাদের স্কুলিং বিদেশে শুরু হয়েছিল।না হলেও ইমি তেই দিতাম এবং অবশ্যই।
  • PT | 340123.110.234523.24 (*) | ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ ০৩:৩১50310
  • আমার ছেলেরা ইমিতে পড়েছে কিন্তু বাংলা পড়েছে তার সঙ্গে। অপশন কিছু নেই। ক্যম্পাসে যা পাওয়া যায়।
  • sm | 2345.110.673412.230 (*) | ১৮ জানুয়ারি ২০১৯ ০৩:৩৩50311
  • মানে সেকন্ড ল্যাঙ্গুয়েজ বেঙ্গলি বলছেন?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঝপাঝপ মতামত দিন