• মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • DP | 342323.176.23900.73 (*) | ১৫ জানুয়ারি ২০১৯ ০৫:৪৮50220
  • পোস্টের বক্তব্য লজিকালি কারেক্ট, পলিটিক্যালি ইনকারেক্ট। চপ বা পকোড়া ভেজে রেজগারের মত। আমি পলিটিক্যাল কারেক্টনেস খুইয়ে খাপের সম্মুখীন হতে চাইনা।
  • DP | 342323.176.23900.73 (*) | ১৫ জানুয়ারি ২০১৯ ০৫:৫২50221
  • যদিও এই ইন্টার্ন নিয়োগ আখেরে শিক্ষাব্যবস্থারই ক্ষতি করবে, আরও বেশী করে ইনএফিশিয়েন্ট হিউম্যান রিসোর্স তৈরী হবে। এফিসিয়েন্সি না থাকলে তাকে দিয়ে ক্রনিইজম বজায় রাখা খুব সহজ। HRD মিনিস্ট্রি আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকেই বেসরকারী কলেজে বিএ, বিএসসি, বিকম পড়ানোর অনুমতি দিতে চলেছে। ডিগ্রি ব্যবসা ভালই চলবে।
  • sswarnendu | 9002312.132.674512.236 (*) | ১৬ জানুয়ারি ২০১৯ ০১:১৪50225
  • DP র চপ বা পকোড়া ভেজে রোজগারের মতটা ঠিক বুঝলাম না।
  • sm | 2345.110.783412.234 (*) | ১৬ জানুয়ারি ২০১৯ ০১:৩৪50226
  • পিটির সঙ্গে সহমত।শিক্ষকদের উপস্থিতির হার কমেছে।কিন্তু সমগ্র রিপোর্টটা পড়লে ওভার অল ইম্প্রেশন, পব খুব ভালো পারফমেন্স দেখিয়েছে।মেয়েদের শিক্ষার হার,পারফরমেন্স,কম ড্রপ আউট,তাক লাগানো উন্নতি।
    আপনি পুরো রিপোর্ট টি সযত্নে চেপে গেলেন।
    কৌশলী খেলোয়াড় মশায়,আপনি।
  • এলেবেলে | 2345.110.233423.106 (*) | ১৬ জানুয়ারি ২০১৯ ০২:০২50227
  • 'শিক্ষাব্যবস্থার বারোটা বেজেছে ২০১১ থেকেই' এটা ঠিক কীসের ভিত্তিতে ঠিক হল তা মালুম হল না। মানে ২০১১র আগে সবকিছুই অতি উত্তম ছিল?

    সেই সময়ে ষষ্ঠ শ্রেণির অঙ্ক বইয়ের ভুল শুধরাতে এক অধ্যাপককে সব শেষে বুদ্ধবাবুর দ্বারস্থ হতে হয়েছিল এবং পরের বছর ষোল বা বারো পাতার একটি সংযোজনী যুক্ত হয়েছিল। ২০১১র ঢের আগে নিরুপম সেন দু হাজারে না 'পোষালে' শিক্ষকদের চাকরি ছেড়ে দিতে বলেছিলেন কারণ ওই বেতনে চাকরি করার জন্য বেকারেরে নাকি লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন সেই সুবর্ণ সময়ে। তারও আগে কান্তি বিশ্বাসের আমলে শিক্ষকদের গৃহশিক্ষকতা না করার জন্য মুচলেকা দিতে হয়েছিল এবং সেই মুচলেকা দেওয়ার পরেও গৃহশিক্ষকতা অব্যাহত ছিল। ওই সুবর্ণ সময়েই সারা দেশের সর্বোচ্চ ৯৮ শতাংশ ছেলেমেয়ে প্রাইভেট টিউশন যে দুটি রাজ্যে নিত তার একটি বাংলা এবং অন্যটি ত্রিপুরা। ওই সময়েই প্রাইমারিতে পাশ-ফেল না থাকায় প্রায় অক্ষরজ্ঞানহীন অনেকেই ড্যাং ড্যাং করে পঞ্চম শ্রেণিতে ভর্তি হত এবং তখনও এইগুলো সত্যি ছিল -
    #পঞ্চম শ্রেণির পড়ুয়াদের ৫০ শতাংশের কিছু বেশি দ্বিতীয় শ্রেণির পাঠ্য পড়তে পারে।
    #দ্বিতীয় শ্রেণির পাঠ্য পড়তে পারে, অষ্টম শ্রেণির এমন পড়ুয়ার সংখ্যা কমেছে।
    #বিয়োগ করতে পারে, তৃতীয় শ্রেণির এমন পড়ুয়ার সংখ্যা কমেছে।
    #ভাগ করার কুশলতা কমছে অষ্টম শ্রেণির পড়ুয়াদের মধ্যে।
    আর ২০১১তে শিক্ষিকাদের সিসিএল চালু ছিল না বলে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের নিয়মিত স্কুলে উপস্থিতির হার খানিকটা ভদ্রস্থ ছিল।

    আমার সহকর্মী ছিলেন পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি, অঙ্কের শিক্ষক। মাসের সাত বা আট তারিখ বেতনের দিন তিনি ঘড়ি ধরে ১১টায় উপস্থিত হতেন, চক-ডাস্টার নিয়ে প্রথম দুটি ক্লাস নিয়ে পকেটে বেতনের টাকাটি ঢুকিয়ে সেই যে স্কুল চত্বর ছাড়তেন, পরের মাসের বেতনের আগের দিন পর্যন্ত তাঁর টিকিটি দেখা যেত না। এটা কিন্তু ১৯৯০এর ঘটনা!

    তো সব মিলিয়ে ভিত্তিবর্ষ কেন ২০১১ই হল?
  • sm | 2345.110.234512.143 (*) | ১৬ জানুয়ারি ২০১৯ ০২:৫৪50222
  • শিক্ষা ব্যবস্থা কি ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে?মাধ্যমিক পাশ যেখানে ন্যূনতম যোগ্যতা,সেখানে প্রাইমারি স্কুলে কলেজ গ্র্যাজুয়েট পড়ালে কি ক্ষতি?
    কেন্দ্রীয় সরকারী স্কুলেও এড হক বেসিসে শিক্ষক নেওয়া হয়।
  • PT | 340123.110.234523.22 (*) | ১৬ জানুয়ারি ২০১৯ ০৫:১৫50223
  • শিক্ষাব্যবস্থার বারোটা বেজেছে ২০১১ থেকেই। কাজেই ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আর কিছু নেই। যিনি মিড ডে মিল রাঁধেন তিনি খিঁচুড়ি চাপিয়ে অথবা যিনি টোটো চালান তিনি কিছুক্ষণের জন্য টোটো গ্যারেজ করে ক্লাশ নিলেও খুব একটা ইতর বিশেষ হবে না।

    #যে-ক’টি রাজ্য পড়ুয়াদের হাজিরার দিকে থেকে নীচের দিকে রয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ তাদের অন্যতম।
    #এ রাজ্যে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের নিয়মিত স্কুলে উপস্থিতির হারও কম।
    #পঞ্চম শ্রেণির পড়ুয়াদের ৫০ শতাংশের কিছু বেশি দ্বিতীয় শ্রেণির পাঠ্য পড়তে পারে।
    #দ্বিতীয় শ্রেণির পাঠ্য পড়তে পারে, অষ্টম শ্রেণির এমন পড়ুয়ার সংখ্যা কমেছে।
    #বিয়োগ করতে পারে, তৃতীয় শ্রেণির এমন পড়ুয়ার সংখ্যা কমেছে।
    #ভাগ করার কুশলতা কমছে অষ্টম শ্রেণির পড়ুয়াদের মধ্যে।
    https://www.anandabazar.com/state/attendance-of-teacher-and-students-are-very-poor-in-west-bengal-says-centre-s-report-1.933542
  • মানিক | 78900.84.6767.126 (*) | ১৬ জানুয়ারি ২০১৯ ০৫:২৪50224
  • ট্রেনি শিক্ষকের চাকরি কতদিনের সেটা বলেছে?
  • sswarnendu | 2367.202.128912.199 (*) | ১৬ জানুয়ারি ২০১৯ ০৭:৫০50228
  • @এলেবেলে,

    ওমন হয় ... :) আপনি বুঝি গুরুতে নতুন?
    সিপিয়েম আমলে গাছে গাছে ফুল ছিল, ডালে ডালে পাখি ছিল... জানেন না? :D :D :D
    তার মানে আপনি নিশ্চয়ই তিনু :P
  • মানিক | 78900.84.6767.126 (*) | ১৭ জানুয়ারি ২০১৯ ০১:১১50237
  • ন্যাড়াবাবু মোটেই সবাইকে ব্যক্তি আক্রমণ করেন না। সেই মৃনাল সেন, তারপর পিটিবাবু।

    পিটিবাবুর কি কপাল!!
  • sm | 2345.110.783412.101 (*) | ১৭ জানুয়ারি ২০১৯ ০৩:১৩50229
  • http://www.epaper.eisamay.com/Details.aspx?id=45779&boxid=36655.
    এই সময়ের রিপোর্ট।স্কুলছাত্রীদের ড্রপ আউটে অভাবনীয় সাফল্য পব এর।2006 সালে প্রায় 24 শতাংশ,2010 সালে 18 শতাংশ থেকে কমে 2018 সালে প্রায় 5 শতাংশ মতন হয়েছে।
    বড় রাজ্যের মধ্যে পব এর স্থান কেরালা ও তামিলনাড়ুর পরেই।
  • DP | 238912.66.89.72 (*) | ১৭ জানুয়ারি ২০১৯ ০৩:৩৫50238
  • //শিক্ষা ব্যবস্থা কি ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে?মাধ্যমিক পাশ যেখানে ন্যূনতম যোগ্যতা,সেখানে প্রাইমারি স্কুলে কলেজ গ্র্যাজুয়েট পড়ালে কি ক্ষতি?
    কেন্দ্রীয় সরকারী স্কুলেও এড হক বেসিসে শিক্ষক নেওয়া হয়//

    ন্যূনতম যোগ্যতা মাধ্যমিক পাশ না, এখন এইচএস, সঙ্গে ডিএলএড বা বিএড। শিক্ষা ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হবে কারন এই বেতনে ভাল কেউ যাবেনা। যদি যায়ও সে এখানে নিশেষ শ্রম দেবেনা। তাছাড়া যে সমস্ত গ্র্যাজুয়েট এখন বেরোচ্ছে তাদের কি আদৌ কোন স্কিল ডেভেলপমেন্ট হচ্ছে? এরা যাদের পড়াবে তাদেরও স্কিল ডেভেলপমেন্ট সেরকমই হবে। সরকারী স্কুলে শিক্ষার্থী কমবে, বেসরকারীর রমরমা আরও বাড়বে। প্রাইভেট কলেজের 'ডিগ্রি বিক্রি' বাড়বে। আল্টিমেট কোয়ালিটি অব হিউম্যান রিসোর্স আরও পড়বে।
  • DP | 238912.66.89.72 (*) | ১৭ জানুয়ারি ২০১৯ ০৩:৩৯50239
  • ঐ যে কেন একজন বলেছিল চাইলে চপ ভেজেও উন্নতি করা যায়, আর একজন বলেছিল পকোড়া ভেজে যিনি রোজগার করেন সেটাও রোজগার। এবার কথা দুটো লজিক্যালি ঠিক, পলিটিক্যালি মারাত্মকভাবে ইনকারেক্ট। অতএব 'ওরা সবাইকে চপ ভাজতে বলেছে' বলে তোলপাড়। আমার এই কমেন্ট নিয়েও না খাপ বসে যায় এবার।
  • DP | 238912.66.89.72 (*) | ১৭ জানুয়ারি ২০১৯ ০৩:৪০50240
  • আগের কমেন্ট sswarnendu এর কমেন্টের উত্তরে।
  • sm | 2345.110.783412.134 (*) | ১৭ জানুয়ারি ২০১৯ ০৩:৫০50241
  • আমার মতামত একটু ভিন্ন।আমাদের আমলে কলেজে পার্শ্ব শিক্ষক নিয়োগ হতো,হাজার দুয়েক টাকা বেতনে।এনারা বয়সে তরুণ হতেন,বেশী সিরিয়াসলি ক্লাশ নিতেন।
    দুটো কারণ; সদ্য পাশ করে বেড়িয়েছেন বলে নলেজ আপডেটেড থাকতো,পার্মানেন্ট নন বলে কাজের তাগিদ বেশি ছিল এবং ভালো পড়াতে পারলে,টিউশন জুটবে বলে আগ্রহ বেশি ছিল।
    আপনার সঙ্গে একটা বিষয়ে একমত যে প্রাইমারি পড়াতে ডি এড বাঞ্চনীয়।নিদেন বি এড হলেও চলবে।
    তা আজকের দিনে স্নাতক বা গ্র্যাজুয়েট দের অনেকের ই
    এসব ডিগ্রি করা থাকে।
    না থাকলেও,তারা আন্ডার সুপারভিশনে থাকবেন।
  • এলেবেলে | 2345.110.891223.0 (*) | ১৭ জানুয়ারি ২০১৯ ০৪:৩৩50242
  • @স্বর্ণেন্দুবাবু, হ্যাঁ আমি গুরুতে কিছুটা নতুনই বটে তবে আপনার মনে না থাকলেও আপনার সাথে আমার প্রথম আলাপ হয়েছিল 'ভাতের থালায় লুকিয়ে আছে সাদা শয়তান' টইটিতে। পিটি অধ্যাপক মানুষ, পড়াশোনা করা প্রাজ্ঞ ব্যক্তি, তাঁর সাথেও ওই ২০১৬র নির্বাচনের পর পরই পরিচয়। তিনি আমাকে না চিনতেও পারেন। তবে কেবল মাত্র হীরাভ টই ছাড়া অন্যত্র ওঁর মন্তব্য আমি মনোযোগ সহকারেই পড়ি। মুশকিল হচ্ছে এখানে যাঁরা আলোচনা চালাচ্ছেন তাঁরা বোধহয় সরকারি স্কুলের শিক্ষাব্যবস্থা সম্পর্কে সম্যক অবহিত নন, সবাই ডাক্তার-অধ্যাপক (এলেবেলে ছাড়া)।

    "কিন্তু ফুল-পাখীর বদলে যেটা আগে ছিল (এমনকি ৭৭-এর আগের অন্যন্য সরকারেরের আমলেও) সেটা এড়িয়ে গেলে চলবে কি করে? এর আগের শিক্ষা ব্যব্স্থা পরিচালনা করতেন শিক্ষার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত মানুষেরা।' শিক্ষাব্যবস্থা কারা পরিচালনা করতেন সেটা আদৌ বড় ব্যাপারই নয়। সুদর্শন রায়চৌধুরী-রবি ভটচায কোনও ফ্যাক্টরই নন। মূল প্রশ্ন হচ্ছে স্কুলগুলোর পরিচালন সমিতিতে সেই স্বর্ণযুগে কারা থাকতেন? থাকতেন ছয়জন অভিভাবক প্রতিনিধি যাঁদের একমাত্র যোগ্যতা ছিল রাজনৈতিক দলের তল্পি বহন। সম্পাদক হতে পারতেন পি আই ই বা শিক্ষানুরাগী (?!!!) ব্যক্তি। থাকতেন পুর বা পঞ্চায়েত প্রতিনিধি। ছিল রক্তক্ষয়ী স্কুল নির্বাচন, ছিল প্রধান শিক্ষকের ওপর নির্বিচার খবরদারি, ম্যানেজিং কমিটির হাতে ছিল নিয়োগ ক্ষমতা (এস এস সি-র আগে পর্যন্ত)।

    এখন স্কুল নির্বাচন অতীত, বদলে আছেন দু'জন অভিভাবক প্রতিনিধি এবং অন্ততপক্ষে স্নাতক দু'জন পি আই ই। সেটা ভালো না খারাপ? সাথে যোগ হয়েছে সাইকেল-কন্যাশ্রী-বই-খাতা-ব্যাগ-টেস্ট পেপার। সেটা ভালো না খারাপ? আর দু'হাজার টাকায় স্কুলে অতিথি শিক্ষক প্রায় প্রতিটি স্কুলে দু-তিনজন পাবেনই। একটা কারণ দীর্ঘদিন নতুন নিয়োগ না হওয়া, আরেকটা কারণ দিদিমণিদের সিসিএল। সি ভাতা বাড়ানোর জন্য কাউকে আন্দোলন করতে দেখেছেন কি? দেখলে বলবেন না হয়।

    পড়াশোনার মান? ২০১১ এবং ২০১৯এ কোনও তফাত নেই।
  • PT | 340123.110.234523.18 (*) | ১৭ জানুয়ারি ২০১৯ ০৫:২০50243
  • "স্কুলগুলোর পরিচালন সমিতিতে সেই স্বর্ণযুগে কারা থাকতেন? থাকতেন ছয়জন অভিভাবক প্রতিনিধি যাঁদের একমাত্র যোগ্যতা ছিল রাজনৈতিক দলের তল্পি বহন।"
    http://www.wbpublibnet.gov.in/node/325-এখানে প্রতি জেলার স্কুলের নাম লিপিবব্ধ আছে। কেউ স্কুলের সংখ্যা যোগ করে তাকে ৬ দিয়ে গুণ করে জানাবেন যে অবিভাবকের মোট সংখ্যা কত হয়? (এমনকি ধরেও নিতে পারেন যে ২০১১-র আগে স্কুলের সংখ্যা অর্ধেক ছিল)
    এলেবেলের কাছে এঁদের সকলের পরিচিতি ও রাজনৈতিক পরিচয় লিপিবদ্ধ আছে আশা করি।
  • এলেবেলে | 2345.110.891223.0 (*) | ১৭ জানুয়ারি ২০১৯ ০৫:৩২50244
  • এই কারণেই লিখেছি - 'মুশকিল হচ্ছে এখানে যাঁরা আলোচনা চালাচ্ছেন তাঁরা বোধহয় সরকারি স্কুলের শিক্ষাব্যবস্থা সম্পর্কে সম্যক অবহিত নন, সবাই ডাক্তার-অধ্যাপক (এলেবেলে ছাড়া)।' অবিশ্যি এটাও লিখেছি - 'পিটি অধ্যাপক মানুষ, পড়াশোনা করা প্রাজ্ঞ ব্যক্তি, তাঁর সাথেও ওই ২০১৬র নির্বাচনের পর পরই পরিচয়। তিনি আমাকে না চিনতেও পারেন। তবে কেবল মাত্র হীরাভ টই ছাড়া অন্যত্র ওঁর মন্তব্য আমি মনোযোগ সহকারেই পড়ি।' কিন্তু সেই প্রাজ্ঞ ব্যক্তিটি মুড়ি-মিছরির ফারাক করতে ব্যর্থ হলেন। প্রাথমিক স্কুলগুলোতে অভিভাবক নির্বাচন হত? শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা পরিচালন সমিতির হাতে ছিল এস এস সি-র আগে? জুনিয়র হাইস্কুলগুলোতে চারজন অভিভাবক প্রতিনিধি আর মাধ্যমিক-উচ্চ মাধ্যমিক স্কুলগুলোতে ছ'জন অভিভাবক প্রতিনিধি ধরে গুণে দেখবেন নাকি একবার তল্পিবাহকদের সংখ্যাটা?

    অভিভাবক প্রতিনিধি এখন যাঁরা হচ্ছেন এবং পি আই ই যাঁরা হচ্ছেন তাঁরা সাকুল্যে চারজন, ২০১১র আগে তা পুর/পঞ্চায়েত প্রতিনিধি ধরে ছিল সাতজন। কমিটির সমস্ত সিদ্ধান্ত নিজেদের পক্ষে আনার জন্য যে সংখ্যাটা 'যথেষ্ট' বলে বিবেচিত হত।
  • PT | 340123.110.234523.10 (*) | ১৭ জানুয়ারি ২০১৯ ০৬:০৩50230
  • একটি পোস্টিং-এর প্রত্যুত্তরে কোন নিবন্ধ লেখকের আঙুল থেকে যখন "সিপিএমের আমলে গাছে গাছে ফুল ছিল, ডালে ডালে পাখি ছিল" জাতীয় অতিকথন বেরোয় তখন গন্ধটা সন্দেহজনক মনে হয়। অবিশ্যি "গুরুতে নতুন" নই বলে এই জাতীয় নিরপেক্ষ কটাক্ষ পড়ার বিস্তর ওব্বেশ আছে।

    কিন্তু ফুল-পাখীর বদলে যেটা আগে ছিল (এমনকি ৭৭-এর আগের অন্যন্য সরকারেরের আমলেও) সেটা এড়িয়ে গেলে চলবে কি করে? এর আগের শিক্ষা ব্যব্স্থা পরিচালনা করতেন শিক্ষার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত মানুষেরা। "শিক্ষিত" রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের সাইড লাইনের বাইরে পাচার করে দিয়ে এই প্রথম (বোধহয়) এক "না-শিক্ষিত" কাউকে শিক্ষা ব্যব্স্থা পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। "একটি মাত্র পোস্ট, বাকি সব ল্যাম্প্পোস্ট" জাতীয় পরিচালন ব্যব্স্থা ২০১১ থেকেই শুরু-তাই শিক্ষা ব্যব্স্থার বারোটা বাজারও শুরু ঐ সময় কাল থেকে। সেজন্যেই কেউ কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সাহস দেখান না। সেই জন্যে, "মুখ্যমন্ত্রীর এই সব নির্দেশ এ দিন বেশ স্পষ্ট করেই বুঝিয়ে দিয়েছে যে, শিক্ষা দফতর মসৃণ ভাবে চালানোর প্রশ্নে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের উপরে আর পুরোপুরি ভরসা তিনি করছেন না।" শিক্ষামন্ত্রীর শিক্ষাদপ্তর চালানোর যোগ্যতা না থাকলে সামনে আরো খারাপ সময় আসছে।

    "স্কুল সার্ভিস কমিশন জানাইয়াছে, ইন্টার্ন নিয়োগের সিদ্ধান্তের প্রভাব তাহাদের কাজে পড়িবে না। ...... ‘প্যারা টিচার’ প্রথাটিই শিক্ষার মানরক্ষায় স্কুল সার্ভিস কমিশনের গুরুত্ব নষ্ট করিয়া দিয়াছে। ইন্টার্ন ব্যবস্থায় আরও ক্ষতি হইবে। কারণ, যে নিয়োগে কোনও যোগ্যতা যাচাইয়ের অবকাশ নাই, রাজনীতিতে তাহার গুরুত্ব অদ্বিতীয়। এক বার সেই দরজা খুলিলে রাজনীতি কি তাহাকে বন্ধ করিতে সম্মত হইবে? ইন্টার্ন নিয়োগের সিদ্ধান্তের পিছনে স্কুলে সম্ভবত শিক্ষকের অভাব দূর করিবার তাগিদ আছে। তাগিদ সম্ভবত কেবল শিক্ষাদানের নহে, ভোটপ্রাপ্তিরও।"
    https://www.anandabazar.com/editorial/west-bengal-government-has-decided-to-recruit-intern-teachers-1.933996

    রাজনীতি, শাসনব্যব্স্থা বাদ দিয়ে শিক্ষাব্যব্স্থার আলোচনা হয় নাকি?
  • ন্যাড়া | 1278.202.5634.85 (*) | ১৭ জানুয়ারি ২০১৯ ০৬:০৭50231
  • "এর আগের শিক্ষা ব্যব্স্থা পরিচালনা করতেন শিক্ষার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত মানুষেরা।"

    হিহি, যেমন অনিল বিশ্বাস। আর কত মিথ্যে বলবেন। এবার একটু ভগবানের নাম নিন।
  • PT | 340123.110.234523.18 (*) | ১৭ জানুয়ারি ২০১৯ ০৬:০৮50245
  • আপনি আরেকটু সংখ্যাতত্ব দিয়ে বক্তব্য রাখুন। মন্তব্যগুলো ইন্জিরিতে যাকে "সুইপিং রিমার্ক" বলে সেইজাতীয় শুনতে লাগছে। আগে এই জাতীয় তক্ক বহু হয়েছে।"জুনিয়র হাইস্কুলগুলোতে চারজন অভিভাবক প্রতিনিধি আর মাধ্যমিক-উচ্চ মাধ্যমিক স্কুলগুলোতে ছ'জন অভিভাবক প্রতিনিধি" যে তল্পিবাহক-ই ছিলেন এমন তথ্যটা সন্দেহাতীতভাবে কোথা থেকে পেলেন?
  • এলেবেলে | 2345.110.891223.0 (*) | ১৭ জানুয়ারি ২০১৯ ০৬:২৯50246
  • সংখ্যাতত্ত্ব লাগবে না, ক্ষেত্রসমীক্ষা লাগবে এবং সেটা খড়গপুরের মাধ্যমিক-উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল হলেও ইতরবিশেষ হবে না। এর আগে সংখ্যাতত্ত্ব দিতে গিয়ে প্রাথমিককেও জুড়ে দিয়েছিলেন, তাই বলা। অভিভাবক নির্বাচনে হাঙামার খবর পড়েননি - এটা বিশ্বাস করছি না। পুরোদস্তুর ভোটের আবহ, স্কুল এবং সমবায় নির্বাচন ছিল মূল নির্বাচনের সেমিফাইন্যাল। দুটো দল লড়ত - এ পক্ষে ছ'জন, ওপক্ষে ছ'জন। তাঁরা রাজনৈতিক পক্ষপাতদুষ্ট ছিলেন না বলছেন? তার তথ্য পেয়ে গেছেন? না পাওয়া অবধি আপাতত এই তথ্যটা 'সন্দেহাতীত' থাকুক। কোথা থেকে পেলাম? ওই ক্ষেত্রসমীক্ষা এবং প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা থেকে। সে অভিজ্ঞতা ২৮ পেরিয়ে ২৯এ পা দিয়েছে।
  • sm | 2345.110.9005612.31 (*) | ১৭ জানুয়ারি ২০১৯ ০৬:৩০50232
  • পিটির কি হয়েছে কে জানে!এই তো আগের পোস্টে লিখলাম, স্কুল ছাত্রীদের ড্রপ আউট 2006 সালে প্রায় 24 শতাংশ থেকে কমে 2018 তে 5 শতাংশ মতন হয়েছে।
    ব্যবহার যোগ্য শৌচালয় যুক্ত স্কুলের শতাংশ হিসাবে 2011 সালে প্রায় 25 শতাংশ থেকে 2018 সালে 80 শতাংশ অবধি বৃদ্ধি পেয়েছে।
    যাই হোক, পিটির সঙ্গে সহমত যে বাম আমলে মন্ত্রী/সান্ত্রীরা বেজায় শিক্ষিত ছিলো
  • dc | 232312.174.014523.156 (*) | ১৭ জানুয়ারি ২০১৯ ০৬:৩৬50233
  • এই রে, এবার এই টইতেও ট্রোলিং শুরু হবে।
  • পাটকেল | 780112.77.9000112.26 (*) | ১৭ জানুয়ারি ২০১৯ ০৭:১৫50247
  • পিটি,
    বছরের পর বছর ধরে অন্যদের মিথ্যাবাদী, মিথ্যা প্রচারক, ভেকধারী কাক, অপসত্যের পূজারী, স্বার্থান্বেষী—- এই সব বলে একনাগাড়ে ব্যক্তি আক্রমণ করে যাবেন, ঢিল ছুড়বেন আর একটা দুটো পাটকেল ফেরত আসবে না তা কি করে হয় ।
  • PT | 340123.110.234523.4 (*) | ১৭ জানুয়ারি ২০১৯ ০৮:২৩50234
  • @sm
    "স্কুল ছাত্রীদের ড্রপ আউট ২০০৬ সালে প্রায় ২৪ শতাংশ থেকে কমে ২০১৮ তে ৫ শতাংশ মতন হয়েছে"
    ভালো খবর। কিন্তু সেটা শুধু কন্যাশ্রীর টাকা আর মিড ডে মিলের জন্য নয় আশা করি। তবে কিনা বাচ্চারা স্কুলে প্রধানতঃ লেখাপড়া করতে আসে। তাই ড্রপ-আউটের সংখ্যা কমলেও তারা যে স্কুলে আসছে না আর এলেও বিশেষ কিছু শিখছে না সেটা তো এই সংখ্যাতত্ব থেকেই বোঝা যাচ্ছে। সেখানে

    #যে-ক’টি রাজ্য পড়ুয়াদের হাজিরার দিকে থেকে নীচের দিকে রয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ তাদের অন্যতম।
    #এ রাজ্যে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের নিয়মিত স্কুলে উপস্থিতির হারও কম।
    #পঞ্চম শ্রেণির পড়ুয়াদের ৫০ শতাংশের কিছু বেশি দ্বিতীয় শ্রেণির পাঠ্য পড়তে পারে।
    #দ্বিতীয় শ্রেণির পাঠ্য পড়তে পারে, অষ্টম শ্রেণির এমন পড়ুয়ার সংখ্যা কমেছে।
    #বিয়োগ করতে পারে, তৃতীয় শ্রেণির এমন পড়ুয়ার সংখ্যা কমেছে।
    #ভাগ করার কুশলতা কমছে অষ্টম শ্রেণির পড়ুয়াদের মধ্যে।

    আর "শিক্ষিত" বলতে আমি ডিগ্রির কথা বলিনি-"শিক্ষার সঙ্গে যুক্ত" বোঝাতে চেয়েছি।

    @ন্যাড়া
    এইভাবে ব্যক্তি-আক্রমন করে পোস্টিং কারাটাই কি আপনার দস্তুর? তাহলে এখন থেকে আপনাকে ইগ্নোর করলাম।
  • ন্যাড়া | 0156.204.9003412.114 (*) | ১৭ জানুয়ারি ২০১৯ ০৮:২৮50248
  • পিটিবাবুকে তো আমি ব্যক্তিগতভাবে চিনিই না, ব্যক্তি আক্রমণ করব কী করে! হ্যাঁ, যদি বলতাম যে পিটিবাবু আপনার ছিরকুটি-মার্কা হাসি কিংবা হাত তো নয় যেন ময়ূর প্যাখনা মেলেছে - তাহলে বলতে পারতেন ব্যক্তি আক্রমণ। আর তাছাড়া আপনি বামপন্থী মানুষ, আপনার অত ব্যক্তিতে মায়া কেন? সমষ্টির কথা চিন্তা করুন।
  • পাটকেল | 780112.77.9000112.26 (*) | ১৭ জানুয়ারি ২০১৯ ০৯:১৬50249
  • পিটি বামপন্থী ! একথা শুনলে তো স্তালিন কবর থেকে উঠে আসবেন । পিটি তো প্রাইভেট পুঁজির প্রবল ভক্ত, টাটার পুঁজি পশ্চিমবঙ্গে ইনভেস্ট হয় নি বলে কেঁদে ভাসিয়েছিলেন ।
  • sm | 2345.110.9005612.31 (*) | ১৭ জানুয়ারি ২০১৯ ০৯:৪৬50235
  • রিপোর্টে বলা আছে কন্যাশ্রী ই ড্রপ আউট কমানোর সম্ভাব্য কারণ। প্রাক্তন শিক্ষা মন্ত্রী পার্থ দেও মনে করেন কন্যাশ্রী র একটা ভূমিকা রয়েছে।
    রিপোর্ট থেকে পরিষ্কার এই জমানায় পরিকাঠামোর উন্নতি হয়েছে।সামগ্রিক পরিস্থিতি খারাপ নয়।অন্তত আগের জমানা থেকে।
    তবে অনেক ক্ষেত্রে,উন্নতির অবকাশ রয়েছে।
  • PT | 340123.110.234523.25 (*) | ১৭ জানুয়ারি ২০১৯ ১০:২৮50236
  • অর্থাৎ কিনা বার্ষিক ৭০০ টাকা ও ১৯ বছরে ২৫০০০ টাকা বরপণ স্কুলে ড্রপ আউট কমানোর সম্ভাব্য কারণ..... আশচর্য হওয়ার কিছু নেই তো!!
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। সুচিন্তিত মতামত দিন