ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • ভাঙর - আরেকটা নন্দীগ্রাম?

    s
    অন্যান্য | ১৮ জানুয়ারি ২০১৭ | ২৪৬৪ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • sm | 53.251.91.253 | ২০ জানুয়ারি ২০১৭ ১২:০১726777
  • চমৎকার !এর অর্থ হলো একজনের জমির অধিকার কেড়ে অন্যদের বিলিয়ে দেওয়া।কিন্তু সরকারের কি টাকা কম পড়িয়াছিল?জমি কিনে নেয় নি কেন?
    পাট্টা দেয়া জমি যখন মালিকরা হাতবদল করলো তখন কবি কেন নীরব?
    পব র অধিক জনসংখ্যার চাপ সামলানোর দায়িত্ব কি খালি জমি ও বাড়ির মালিকদের একচেটিয়া?
  • s | 60.158.182.25 | ২০ জানুয়ারি ২০১৭ ১২:১৮726778
  • কি সাংঘাতিক! এর থেকে আভাস পাওয়া যায় ওখানে গ্রাউন্ডে কি ঘটছে। নন্দীগ্রামের মত গুজব ছড়াচ্ছে।
  • PT | 213.110.242.8 | ২০ জানুয়ারি ২০১৭ ১২:২৬726779
  • এসব নিয়ে আলোচনা করতে গেলে সব পক্ষকেই বিস্তর পড়াশুনো করতে হবে। পড়াশুনোর সময়ের অভাব থাকলে আলোচনা চায়ের দোকানের দিকে গড়াবে।

    শুধু এইটুকুই বলে রাখি যে land-reform সংবিধান সম্মত ও সেটার প্রয়োগ পদ্ধতি রাজ্যের দায়িত্ব। কিন্তু কি করা হবে সেটা তো শেষ পর্যন্ত রাজ্যসরকারের রাজনৈতিক অবস্থান ও সদিচ্ছার ওপরে নির্ভরশীল।
    "Part IV of the Directive Principles of State Policy also indirectly mandates the government to take measures for land reforms to achieve an egalitarian society." সংবিধান মনে করছে যে land-reform- করলে egalitarian সমাজ তৈরি হতে পারে। এখন egalitarian সমাজ চাওয়া না চাওয়া তো যার যার রাজনৈতিক বিশ্বাসের ওপরে নির্ভর করে।

    তবে যারা একদা মনে করেছিল যে "এর অর্থ হলো একজনের জমির অধিকার কেড়ে অন্যদের বিলিয়ে দেওয়া" তারা fundamental rights to property নিয়ে আইন আদালত করেছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্তঃ "...the first amendment of the constitution was passed that amended the constitution and secured the constitutional validity of zamindari abolition laws passed by states."
    আর এসব কান্ড বামেরা বেজায় শক্তিশালী হওয়ার আগেই ঘটছিল।

    এই প্রসঙ্গে আমার এর চাইতে আর বেশী কিছু জানা নেই।
  • sm | 53.251.88.182 | ২০ জানুয়ারি ২০১৭ ১৩:০০726780
  • ধুত্তরি,রাজ্যের পাতা খুলে আর লিংক দিয়ে কি লাভ হবে? প্রশ্ন তো সরকার অতিরিক্ত জমি বাজার মূল্যে কিনে নেয় নি কেন?
    পাট্টা দেয়া জমি হাতবদল হচ্ছে কেমন করে;এইসব আর কি।
    আম্বানি/টাটা/বিড়লা বা সুপাররিচ দের একটা নির্দিষ্ট আয়ের পর টাকা কড়ি রাষ্ট্রের অধীনে নিয়ে নিলে আমার অন্তত আপত্তি নাই।কিন্তু হচ্ছে কি?
  • PT | 213.110.242.8 | ২০ জানুয়ারি ২০১৭ ১৩:২২726781
  • সংবিধান নিয়ে তক্ক করার ক্ষমতা আমার নেই!
  • sm | 53.251.88.182 | ২০ জানুয়ারি ২০১৭ ১৩:২৬726782
  • তক্কো করেন কেন সেটাই তো বিরাট প্রশ্ন । সরকার টাকা খরচ করে জমি কিনবে;এতে সংবিধান কোনো আপত্তি করেনি তো?
  • PT | 213.110.242.8 | ২০ জানুয়ারি ২০১৭ ১৩:৫০726783
  • সরকার যদি বেআইনি কিছু করে থাকত তাহলে যাদের জমি নেওয়া হয়েছিল তারা আইনের সাহায্য নিলেই পারত।
    তাবে আমার মত নির্বোধের সঙ্গে আপনার তক্ক করার যে কি প্রয়োজন সেটা সত্যি আমার একেবারেই বোধগম্য নয়!
  • বিজ্ঞজন | 116.51.131.185 | ২০ জানুয়ারি ২০১৭ ১৪:০২726784
  • বড় ভুল হয়েছে। রাজ্যটাকে বিরোধীশূন্য করে দেওয়াটা ঠিক হয়নি। প্রথমে তো কিছুদিন বিরোধীর অভাবে পুলিশকেই বিরোধী সাজতে হল। মার খেতে হল, টেবিলের তলায় লুকোতে হল, মার হজমও করতে হল। এখন তারা শিখে গেছে, কর্তব্য বলে কিছু হয়না, ও সব মায়া। কর্তব্যকে ছুঁড়ে ফেলে তারা বশ্যতা ও আনুগত্যের মন্ত্র নিয়েছে। তারা আর এমন কিছু করেইনা যাতে তারা কোন বিরোধিতা করছে বলা যায়।পুলিশের পর বিরোধী সাজানোর চেষ্টা হল আদালত ও সেনাবাহিনীকে। তেমন জমলোনা। কিন্তু হাত তো নিসপিস করেই, অতএব তুলে নাও হাতিয়ার, শুরু করো যদুবংশের নতুন মুষল পর্ব। শুরু হয়ে গেছে ভাঙ্গড়ে, এখানে, ওখানে।

    আজ কয়েকটা বিরোধীকে টিকিয়ে রাখলে কত কাজে আসতো? দূরদৃষ্টির অভাব নিতান্ত।
  • sm | 53.251.88.182 | ২০ জানুয়ারি ২০১৭ ১৪:২১726785
  • সরকারে যে থাকে ;সে কোনদিন বে আইনি কাজ করে না বা করতে পারেনা। সিঙ্গুরে/নন্দী গ্রামে কোনো বে আইনি কিছু হয়েছে কি?বুদ্ধ বাবুর সরকার জমি অধিগ্রহণ করেছিলেন-আদালত বললো আইনত সিদ্ধ নয়। তাতে কি এসে গেলো?
  • h | 213.132.214.84 | ২০ জানুয়ারি ২০১৭ ১৫:১৯726787
  • কাউকে কন্ভিন্স করাটা তর্কের উদ্দেশ্য ই না। মোটামুটি অবজেক্টিভিটির চর্চাটা রাখা টা উদ্দেশ্য। এস এম বা কেউই কিছুতেই কনভিনসড না হলে বয়ে গেলো ঃ-))))

    রতন খাসনবিশ এর পেপারে ই পি ডাব্লিউ (২০০৮ সেপ্টেম্বের ??) তে তিনটে কথ বলা হয়েছিল, প্রোডাকশন এর দিক থেকে, এবং সেটা তখন্কার সরকারি ডেটা দিয়েই। (প্যারাফ্রেজ্ড, ভুল হলে অরিজিনাল পেপার টা পড়ে নেবেন)

    ১ - ৮০ র দশকে পশ্চিমবঙ্গে ফুড গ্রেনের প্রোডাকশন বাড়ে। তিনটে কারণকে অ্যাট্রিবিউট করা যায়। উচ্চফলনশীল বীজের বেটার ডিসট্রিবিউশন/ব্যাবহার / ক্ষুদ্র সেচ এর বৃদ্ধি / আর ভূমি সংস্কার - অ্যাজ অ্যান ইনসেন্টিভ ফর সাবসিস্টেন্স ফার্মার।
    ফুড গ্রেন ক্রাইসিস এর ফ্রিকোয়েন্সি কমে, যে টা বছর দশ পনেও পরে, স্টোরেজ এর সমস্যা য় ট্রান্সফর্ম্ড হবে।
    ২- এই গ্রোথ ট্রেন্ড টা ৯০ এর দশক থেকে কম তে আরম্ভ করে। ক্রপ / শস্য তে অবশ্য পার্থক্য আছে। এটা সারা দেশেই এসময়ে কমে। গ্রোথ কিছু কিছু বছর ৩% এর নীচে হয়, স্ট্যাগনেশন এর ভয় পেতে আরম্ভ করে সরকার।
    ৩। ২০০০ এর দশকে গ্রোথ ট্রেন্ড আর নামে নি বেশি কিন্তু বাড়েও নি

    এর পরে আমার সংজোযন হল - তখন থেকে অন্য ইন্ডাস্ট্রির বেশি ইন্সেন্টিভ কাজ করতে থাকে, এবং শহরের দিকে মাইগ্রেশন ও বাড়ে, প্লাস আর্বানাইজেশন ও বাড়ে, সুতরাং এটা বোঝা অসম্ভব অন্য স্টাডি ছাড়া, এগ্রিকালচার ফুল ক্যাপাসিটিতে ছিল কিনা বা ল্যাক অফ ইন্সেন্টিভ্স, বীজের দাম, সারের দাম, লেবার রিক্রুইটমেন্ট এ অন্য ইনডাস্ট্রির সঙ্গে কম্পিটিশন বাড়ার প্রভাব কতটা, আবার মেকানাইজেশন যেটা সবসময়েই বাড়ছে, সেটা দিয়ে যথেষ্ট উপকার হল কিনা।
    এবং এর পরের প্রশ্ন হল জমি র নেচার পরিবর্তন। কৃষি জমিকে, বিশেষত বড় /চওড়া হওয়া নতুন রাস্তার পাশের জমিকে ল্যান্ড শার্ক রা ক্রমাগত রিয়েল এস্টেট বা কমারশিয়াল ইউসেজ এর জন্য জমিতে কনভার্ট করতে থাকে। এর উপরে রেগুলেশন ছিল না, (কমন মেঠড হল, পরিবেশ উন্নয়ন দেখিয়ে, গাছ লাগিয়ে , প্লান্টেশনের ব্যাবসা দেখিয়ে, তার পরে ৫ বছর চাষ না করে, তার পরে রিয়েল এস্টেট করা) কারণ এটা কেই উন্নয়ন বলে মনে করা হত, সরকারী পলিসি তেও, পাবলিক পারসেপশনেও। মুক্তাঞ্চাল করে এলাকা ঘিরে, তাতে অনুঅন্নয়ন টাকেই অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করার যে মাঐস্ট নীতি/কৌশল সেটা এখানেই ফান্ডামেন্টালি বিরোধী। এর তো অবশয়ি অনুন্নয়নের সঙ্গে, জাতি এলাকা ভিত্তিক ডিসক্রিমিনেশনের সঙ্গে চিকেন এগ সম্পর্ক আছে।

    এবার এই তো গেল ব্যাকগ্রাউন্ড। কিন্তু এই পরিস্থিতিতে আমি নিম্নলিখিত চিকেন এগ গুলো সম্পর্কে আলোচনা আহ্বান করছি ইন্টারেস্টেড লোকজনের কাছে।

    রাস্তা র উন্নয়ন হলেই যদি পাশে ল্যান্ড শার্ক দের ব্যাবসা গড়ে ওঠে, তাহলে, ই রাস্তার উন্নয়ন বন্ধ করা উচিত? নাকি ল্যান্ড শার্ক দের অ্যাকটিভিটি বন্ধ করতে অন্য ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। জমির চরিত্র পরিবর্তন করাটা কি ভাবে রেগুলেট করা উচিত। দ্যাখা যাচ্ছে, বেদিক ভিলেজ এর মালিক ৭০০০ বিঘে জমি ভাঙড়ে (রেজ্জাক ই বলছেন) জোগাড় করেছেন, প্রাইভেট ল্যান(চেড ব্যাংক গড়ে তুলেছেন। এই সমস্যা র সমাধান কি, গোটা ভারতে এই সমস্যা রয়েছে। বর্গার ফলে ছোটো জমির মালিক যারা ছিলেন, তাঁরাই মূল অ্যাফেক্টেড। এখন অনেকে বলেন বর্গা করে জমি র মালিকানা ভাগ হয়ে শিল্পের অসুবিধে হয়েছে। কিন্তু সেই যুক্তিতে কি অর্জিনাল ডিস্ট্রিবিউটিভ জাস্টিসের উদ্দেশ্যটি কে জাজ করা যায়? (গণতন্ত্র অনেক সময়েই ইনভেস্টমেন্ট এর বিরোধী, চীনে একটা ডিসলোকেশন করানো, এলাকাভিত্তি তে লেবার মাইগ্রেশন কন্ট্রোল করা খুব ই সোজা, কিন্তু সেটা গণতন্ত্র হলে পারা যেত না)
    আর কৃষি কে ডিসইন্সেন্টিভাইজ করার যে নীতি দীর্ঘদিন ধরে চলছে, সেটাকে তো মুক্তাঞ্চল দিয়ে ঠ্যাকানো যাবে না। তো ইত্যাদি বিষয় নিয়ে আলোচনা হোক।

    আর এই সবটাই রেগুলেশন করতে গেলে, কিন্তু সরকারের ইনটারভেন্শন ছাড়া গতি নেই, যদিও দাম নিয়ে নেগোশিয়েশন ক্রমাগত চলবে, ডিস্কনটেন্ট মেটানোর উপায় যাদি জমি জমিশন হয় তাহলেও একেবারে ডিসকন্টেন্ট থেমে যাবে কিনা, এবং প্রাইভেট ল্যান্ড ব্যান্ক যে তৈরী হয়, তার কারণ ও হল, আর্বানাইজেশন বা একটা এরিয়া কে আর্বানাইজ করার সরকারী সিদ্ধান্ত র থেকে। তো ইন্ডাস্ট্রিয়ালাইজেশন আন্দোলন করে ঠ্যাকালেও, আর্বানাইজেশন রেগুলেট করতে সরকার গুলো হিমসিম খাচ্ছে কেন, এটা কি শুধুই কায়েমি স্বার্থ? নাকি ট্রান্সজিশন মাত্র, নাকি অন্য কিছু।

    এই সব আলোচনা হোক।
  • ক্যাম্পা কোলা | 131.241.218.132 | ২০ জানুয়ারি ২০১৭ ১৫:২৪726788
  • ক্ষীঃ আশায় বাঁধি খেলাঘর...
  • h | 213.132.214.84 | ২০ জানুয়ারি ২০১৭ ১৫:৩৫726789
  • না হলেও কিছু আসে যায় না ঃ-))))
  • dc | 132.174.149.61 | ২০ জানুয়ারি ২০১৭ ১৬:০৯726790
  • h দার পোস্টটা খুব ইন্টারেস্টিং, বিশেষ করে এটা পড়ে এখানটাঃ "রাস্তা র উন্নয়ন হলেই যদি পাশে ল্যান্ড শার্ক দের ব্যাবসা গড়ে ওঠে, তাহলে, ই রাস্তার উন্নয়ন বন্ধ করা উচিত? নাকি ল্যান্ড শার্ক দের অ্যাকটিভিটি বন্ধ করতে অন্য ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। জমির চরিত্র পরিবর্তন করাটা কি ভাবে রেগুলেট করা উচিত।"

    কোন একটা জায়গার উন্নয়ন আর তার ফলে ল্যান্ড শার্ক বা ল্যান্ড মাফিয়ার আগমন, এই সমস্যা সত্যিই সারা ভারত জুড়ে। বোধায় খবরে পড়েছেন, ঠিক এই সমস্যা নিয়ে চেন্নাইতেও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। চেন্নাই আর তার আশেপাশে দীর্ঘদিন ধরে রীতি ছিল প্রোমোটাররা বেআইনিভাবে জমি কিনে বা না কিনে বাড়ি বানিয়ে বিক্রি করত। আগের বছর ম্যাড্রাস হাই কোর্ট এই ধরনের সমস্ত জমি, বাড়ির হস্তান্তর বেআইনি ঘোষনা করে দিয়েছিল আর এবছরও একই রায় বহাল রেখেছে। ফলে প্রোমোটারদের একটা বড়ো অংশ অসুবিধায় পড়ে গেছে। কিন্তু একটা ব্যপার দেখলাম, তামিল নাড়ুতে সাধারন্ত পুলিশ বা প্রশাসন কড়া, ফলে একবার কোর্টের অর্ডার বেরিয়ে গেলে পবর মতো লার্জ স্কেলে গুন্ডামি ইত্যাদি করা মুশকিল। পবতে দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসন এতো দুর্বল হয়ে গেছে যে এখন জনতা অনায়াসেই পুলিশকে আক্রমন করছে।
  • dc | 132.174.149.61 | ২০ জানুয়ারি ২০১৭ ১৬:১৫726791
  • মানে পুলিশ/প্রশাসনের ক্রেডিবিলিটি যদি একেবারে কমে যায় তাহলে ভাঙড়ে যেরকম গুন্ডামি এখন হচ্ছে আর গাজোয়ারি আগে হয়েছে সেগুলো কিভাবে বন্ধ করা যাবে?
  • sm | 57.15.131.166 | ২০ জানুয়ারি ২০১৭ ১৬:৫০726792
  • এক্সপ্রেস ওয়ের ধারে পৃথিবীর কোথাও বাড়ি, ঘর হোটেল গড়ে ওঠেনা।ভারত তথা পব ব্যতিক্রম।
    দুর্গাপুর এক্সপ্রেস এ নতুন গড়ে উঠেছে। কিন্তু গা ঘেঁষে বাড়ি ঘর হোটেল বিশেষ নাই।সুতরাং প্রশাসন চাইলে ল্যান্ড শার্ক জমি দখল করেও বিশেষ কিছু করতে পারবেনা।কৃষি জমির চরিত্র পরিবর্তন একটু এধার ওধার হলেই কোর্টের হস্তক্ষেপ বাঞ্চনীয়।
    এটা সারা দেশ জুড়ে হওয়া উচিত।ফালতু শিল্পপতি দের তোল্লাই দিলে এরকম বিশ্রী জিনিস চলতেই থাকবে।
    তাহলে ডিসি নিশ্চয় কিছুটা মানছেন,প্রশ্ন কে কড়া হতে হবে যাতে শিল্পের ও কর্মসৃষ্টির নাম করে শিল্প পতি ও প্রোমোটার রা বদামি না করতে পারে।
  • sm | 57.15.131.166 | ২০ জানুয়ারি ২০১৭ ১৬:৫৩726793
  • #প্রশাসন হবে প্রশ্ন নয়।
  • Netai | 11.38.4.12 | ২০ জানুয়ারি ২০১৭ ১৬:৫৮726794
  • প্রশাসনই এখানে প্রশ্ন বোঝা যাচ্ছিল
  • dc | 132.174.149.61 | ২০ জানুয়ারি ২০১৭ ১৭:৪৬726795
  • sm, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য প্রশাসনকে তো যতোটা দরকার ততোটা কড়া হতেই হবে। কিন্তু পবতে মনে হয় মোটামুটি ২০১০ এর থেকেই প্রশাসন কিছু করার অথরিটি হারাতে থাকে, আর পরিবর্তনের পর থেকে তো স্রেফ লুট চলছে।
  • PT | 213.110.242.24 | ২০ জানুয়ারি ২০১৭ ১৮:৪৮726796
  • "নাকি ল্যান্ড শার্ক দের অ্যাকটিভিটি বন্ধ করতে অন্য ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।"
    ইদানিং আমার মনে হচ্ছে যে এটা শুধু মাত্র আইন-শৃঙ্খলার প্রশ্ন নয়। প্রচন্ড চাহিদার কারণেই এই জোগানের ব্যব্স্থা চালু হয়েছে। পব-তে একমাত্র কলকাতাতেই "বিভৎস মজা"-র জোগান আছে। সেই তালিকায় চাকরী, চিকিৎসা থেকে বাচ্চার স্কুল, বিনোদন সব কিছুই আছে। তাই জনতা কলকাতামুখী। এবং এই জনতা শুধু মাত্র পব-র নয়, বিহার, উড়িষ্যা, উপ্র, উত্তর-পূর্বাঞ্চল সব জায়গা থেকে মানুষের ঢল নেমেছে কলকাতায়। বাংলাদেশের কথা আপাততঃ বাদ থাকল।

    কেউ যদি নিয়মিত প্যসেঞ্জার ট্রেনে যাতায়াত করেন তাহলে এই ভীড়ের বিভৎসতার বৃদ্ধি টের পাবেন। আমি হাওড়া লাইনে গত প্রায় ষোলো বছর ধরে (নিত্য নই) প্রায়শঃ যাত্রী। সন্ধ্যের দিকে হাওড়া থেকে ট্রেনে চড়তে গেলে মানুষের হিংস্রতা স্পর্শ করা যায়। একই অবস্থা হয়েছে পাতাল রেলের টালীগঞ্জ থেকে কবি সুভাষ পর্য্ন্ত ট্রেন চলাচল শুরু হওয়ার পর থেকে। রাত নটার পরেও রবীন্দ্রসদন থেকে কবি সুভাষগামী ট্রেনে চড়তে রীতিমত সংগ্রাম করতে হয়। এখনকার অবস্থা শশী থারুরের ক্যাটল ক্লাসকেও লজ্জা দেবে।

    তাই জমির চরিত্র বদল মানুষের চাহিদার কারণেই হচ্ছে আর হতেই থাকবে। এর কোন তিনো-সিপিএম নাই। সব দলের নেতারাই তাদের সমর্থকেদের চাপেই জমির চরিত্র বদলের নানাবিধ ফাঁক তৈরি করে দেবে।
  • h | 213.99.211.135 | ২০ জানুয়ারি ২০১৭ ১৯:০৪726798
  • এস এম যেটা বলছেন - "এক্সপ্রেস ওয়ের ধারে পৃথিবীর কোথাও বাড়ি, ঘর হোটেল গড়ে ওঠেনা।ভারত তথা পব ব্যতিক্রম।
    দুর্গাপুর এক্সপ্রেস এ নতুন গড়ে উঠেছে। কিন্তু গা ঘেঁষে বাড়ি ঘর হোটেল বিশেষ নাই।সুতরাং প্রশাসন চাইলে ল্যান্ড শার্ক জমি দখল করেও বিশেষ কিছু করতে পারবেনা।কৃষি জমির চরিত্র পরিবর্তন একটু এধার ওধার হলেই কোর্টের হস্তক্ষেপ বাঞ্চনীয়।
    এটা সারা দেশ জুড়ে হওয়া উচিত।ফালতু শিল্পপতি দের তোল্লাই দিলে এরকম বিশ্রী জিনিস চলতেই থাকবে।
    তাহলে ডিসি নিশ্চয় কিছুটা মানছেন,প্রশ্ন কে কড়া হতে হবে যাতে শিল্পের ও কর্মসৃষ্টির নাম করে শিল্প পতি ও প্রোমোটার রা বদামি না করতে পারে।"

    কয়েকটা কথা - কনভিন্স করার জন্য না

    ক - দুর্গাপুর এক্স্প্রেসোয়ে র ধারে বড় শিল্প শহর যেখান থেকে গড়ে উঠেছে (পানাগড় অনওয়ার্ড্স) সেখান থেকেই রাস্তার ধারেই সব কিছু। সিঙ্গুর গড়লেই, পালসিত এর আগেও সেটা হত। সোমেন মিত্র রা বড় আশা করে জমি কিনে রেখেছিলেন।
    খ - আমাদের দেশের এক্সপ্রেসোয়ে এর একটা বড় সমস্যা হল, আন্ডারপাস এবং প্রপার একজিট/Rাউন্ড অ্যাবাউট নেটওয়ার্ক আস্তে আস্তে গড়ে উঠছে। তাই, পাশের সার্ভিস রোড বা আগের রুরাল রোড ব্যাবহার করেই যেতে হয় লোক কে, পাশের গ্রামের লোকদের। দুটো বড় ট্রেডিং টাউন লিংক্ড হলে তাঁরা কম সুবিধা পান, বা তাঁদের সুবিধেটা প্ল্যানার দের খেয়াল থাকে না, এটা নিয়ে আমি নানা জায়গায় লিখেছিলাম, অ্যাক্সিডেন্ট ও বাড়ে, মুরারই-পানাগড় হাই রোডে প্রথম লক্ষ্য করি। এবং সে কারণেই ট্রাভেলার্স ইকোসিস্টেম একটা গড়ে ওঠে, যেটা আমাদের দেশে অনেক জায়গাতেই আমেরিকার মত গড়ে উঠছে। ধাবা/মোটেল/কাফে নেটওয়ার্ক। ট্রাক বেশি চললে, সেখানে দেহ পসারিনী ও এই কেনা বেচার অঙ্গ। তো এদের কেটার করাটাই উদ্দেশ্য ল্যান্ড শার্ক দের, এবং এখানে ফ্ল্যাট ব্যাবসাও হয় ও হবে। কারণ সোশাল হাউজিং নাই। পশ্চিমবঙ্গে ছোটো টাউনে ফ্ল্যাটের ব্যাবসা রাস্তার পাশেই গড়ে উঠেছে, মিঠুনের রেনেসাঁ থেকে বোলপুরের নতুন ফ্ল্যাটকাল্চার পর্যন্ত। আরো বাড়বে।
    গ - আমেরিকার কথা বললাম। আমেরিকার বড় রাস্তা তৈরী ১৯৫০স এ শেষ হয়ে গেছিলো। রেল নেটওয়ার্ক কে বাড়তে না দেওয়ার চক্রান্ত ও তার পার্ট ছিল গাড়ি ম্যানুফ্যাকচারার দের লবির থেকে। কিন্তু আমেরিকা য় একটা ঘটনা ছিল, সেটা হল, যে অঞ্চল টা ফার্ম ল্যান্ড সেখান থেকে পপুলেশন ইন্ডাস্ট্রিয়ালাইজেশনের প্রথম দিক থেকেই সেখানে পপুএশন কমে যায়। এই যে ভাগ টা। গরীব লোক বড় শহরে থাকবে সোশাল সার্ভিস এর উপরে নির্ভর হয়ে , মধ্যবিত্ত রা(সাদা রা মূলতঃ) আমেরিকান বিউটির মত সাবার্ব খুঁজবেন কালোদের ছোঁয়া বাঁচিয়ে পরিবার গড়ার জন্য, আর খুব বড়লোক প্লেন ওয়ালা ফার্মার রা ফার্মিং করবে, বা কমিউনিটি ফার্মিং চলবে সম্পূর্ণ অন্য অঞ্চলে , এই আঞ্চলিক ভাগ টা বহুদিন আগে থেকে হয়েছে। ফিনান্সিআল ক্যাপিটালিজম এ এই ভাগ তীব্রতর হয়েছে, গ্রামে কেউ ফেরেনি, ইন্ডাস্ট্রিয়াল টাউন মরে গেলেও(ডেট্রয়েট), তাদের ছেলেমেয়েরা নিউ ইকোনোমির শহরে পাড়ি দিয়েছে। এর মানে হল, ভারতের থেকে সমস্যা ঠিক উল্টো। প্রচুর মানুষের বাস বড় ইম্পর্টান্ট কৃষি অঞ্চলে কম, ডেসিগনেটেড ফার্ম ওয়ার্কার ছাড়া, যেটা টেক্শাসে একটা ইসু। মেস্কিকান লেবার রা চাগরিও পান। ইত্যাদি।
    ব্রিটেনে, ইউরোপে এক্স্প্রেস্স ওয়ে নতুন কনসেপ্ট হলেও, রোড নেট ওয়ার্ক বড় সিভিল প্রোজে্ত, ৫০স এ শেষ, হাতে গোণা হাই স্পীড ট্রেন আর নতুন ইউরো হাইওয়ে গুলো ছাড়া। আর একটা বোধ্হয় বার্মিংহাম - সাউথ রোড হয়েহ্হে নতুন রাস্তার মধ্যে। কিন্তু পপুলেশন প্যাটার্ন টা সেম হওয়ার কারণে এই সমস্যা কম। তবু বড়লোক ল্যান্ডেড জেন্ট্রি দের সংগঠন ভালৈ শক্তিশালী। এস এম এর মতই তাঁদের কৃষি ও পরিবেষ বাঁচানোর শ্লোগান রয়েছে, তবে তার সঙ্গে ফক্স হান্টিং এর অধিকারের দাবীও আছে, আর ইন্হেরিটান্স ট্যাক্স এর বিরোধিতা রয়েছে। যেটা বোঝা যায় তারা পুরোনো বেনেফিশিয়ারি, নতুন সিস্টেম এর কাছে জায়গা ছাড়তে রাজি নন, প্রোগ্রেসিভ ট্যাক্স দিতেও রাজি নন, অতএব যথেষ্ট লো ট্যাক্সেশনে তাঁরা বড় প্রপার্টি সহ রয়েছেন, ইন্ডাস্ট্রিয়ালাইজেশনের ফলে গরীবেরা মূলতঃ শহরে। ১৮৫০স থেকে। সেটাই ক্যাপিটালিজম এর মূল দিক। জার্মানী/ফ্রান্স/স্পেন ও তাই। এবং বড় ফার্ম এর সঙ্গে বিগ রিটেল এর নিবিড় সম্পর্কে হাই মেকানাইজ্ড প্র্যাক্টিস এ, সেটা প্রায় সেল্ফ সাস্টেনেবল ভিলেজ ইকোনোমি। এবং তাই হেভিলি সাবসিডাইজ্ড, অলিভ/চীহ/হ্যাম এর ব্যাবসা।

    অতএব তুলনা করতে গেলে এগুলো একটু খেয়াল রাখতে হবে। আমাদের দেশে স্বাধীনতার আগের সাবসিস্টেন্স ফার্মার এর অবস্থা বা ল্যান্ড রিফর্ম ছাড়ুন যেখানে ভাগ চাশের ব্যবস্থা রেগুলেট করা যায় নি, বা এগ্রি লেবার এর ওয়েজ এর উন্নতি হয় নি, সেখানে কৃষি ব্যবস্থা র বড় বড় সমস্যা রয়েছে, তার সঙ্গে কৃষিতে ইনসেন্টিভ্স বা বাছা ইনসেন্টিভ এর সমস্যা হয়েছে। সেচ এর সমস্যা রয়েছে, প্রি মডার্ন (ফিউডাল কথাটা নানা সমস্যায় ব্যবহার করছি না) ওয়ার্ক রিলেশনশিপের সমস্যা রয়েছে। এস এম সেগুলি রক্ষা করতে আগ্রহী কিনা বোঝা যাচ্ছে না, যদিও ব্যক্তিগত মতামত ইম্পর্টান্ট না। ফ্যাক্ট্স টা ইম্পর্টান্ট।

    অতএব পোলিটিকাল এম্পাওয়ারমেন্ট এর পোলিটিকাল ও ডেমোক্রাটিক একটা কাম্পালসন ছিল ও আছে। আমাদের দেশে কন্ট্রাক্ট ফার্মিং বড় করে শুরু হলে তখন এগ্রিকালচারাল লবি র সঙ্গে বিঅ রিটেল লবির একটা স্বার্থের মিলন ঘটবে, তখন অন্য কথা শোনা যাবে, কারণ কৃষিকে প্রফিটেবল করার ঐ একটি রাস্তাই সরকার পলিসি গত ভাবে খোলা রেখেছেন।

    আর শিল্পপতি দের তোল্লা প্রসঙ্গে। ভারতে এখনো মনসুন ভালো না হলে ইনডাস্ট্রিয়াল আউটপুট ভালো হয় না, সার্প্লাস শিল্পে আসে না, ট্রেডে আসে না, কনজাম্প্শন ও কমে। তাই পুরোনো আন্দাজে এস এম এর উষ্মা স্বাভাবিক। তেমন ই আর্বানাইজেশন এর সঙ্গে ইন্ফ্রাস্ট্রাকচার ও লিভিং স্ট্যান্ডার্ড এর যোগাযোগ ও তার সঙ্গে ইন্ডাস্ট্রিয়ালাইজেশন এবং এম্প্লয়মেন্ট এর সম্পর্ক রয়েছে। আর শহর জেনেরালি আউটসাইডার কে যে কাল্চার্ল ও একোনোমিক মোবিলিটি দেয়, সেটা গ্রামীন ব্যাবস্থা দিতে পারে না , এটার সঙ্গে পলিসির সম্পর্ক ঠিক প্রতিষ্ঠিত না, কালচারের হয়তো সম্পর্ক রয়েছে।

    আরেকটা কথা, এই শিল্পপতি র 'বদামি' এটার অনেকটাই পলিসির ফল। দুটি পলিসি ডিরেক্শন, রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প তৈরী হবে না, সামাজিক সুরক্ষা দেবে না, নাগরিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার কয়েকটা অঞ্চলেই হবে, এমনকি কোর থেকেও সরকার হাত গোটাবে, এটাই রাজ্যের মধ্যে প্রাইভেট সেক্টর কে টানার প্রতিযোগিতা আমাদের দেশে তৈরী করেছে। কারণ চাকরি তৈরী করার একটা সমস্যা রয়েছে। আরেকটা বদামি সম্পূর্ণ কেন্দ্রীয় সরকার গুলোর তাতে মমতা দের হাত নেই, সেটা হল, কোল ব্লক ইত্যাদি। কোন ইঞ্জীনীয়ারিং এক্স্পার্টিজ ছাড়া স্পুরিয়াস ছাগল দের কোল ব্লক বন্টন করা হয়েছে, অথচ শুধু ক্যাপটিভ ইউনিট করার জন্য দেওয়ার কথা ছিল। এনার্জি সেক্টর এ ধাষ্টামো হয়েছে, কৃষ্ণা বেসিন এর গল্প সর্বজন বিদিত। পস্কো কেস সর্বজন বিদিত। অতএব এই পলিসির জন্য জারা দায়ী তাদের রাজনৈতিক ভাবে দুর্বল করাটা র কাজ করার সময় শুধু মনে রাখা দরকার, রেশনাল ইনডাস্ট্রিয়ালাইজেশন যদি না বাড়ানো যায় কৃষির বাজার এবং উৎপাদন এ গ্রোথ সম্ভব না।
  • h | 213.99.211.135 | ২০ জানুয়ারি ২০১৭ ১৯:১৩726799
  • self sustainable village economy টার্ম টা শুধুই সার্কাস্টিক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। বড় রিটেল এর সঙ্গে সম্পর্ক থাকলে আর কিসের সেল্ফ সাসটেনেবল। আমি বলেছি এটা বোঝাতে, স্বল্প সংখ্যার পপুলেশন এর সঙ্গে তাদের যোগাযোগ এর ব্যাপারে এম্ফাসাইজ করতে, বিশেষত খুব বেশি ইন্ডাস্ট্রিয়ালাইজ্ড দেশ গুলো তে। খুব সাবসিডিও ভোগ করেন এরা। তবে কতটা সাস্টেনেবল জানি না, কারণ ওয়ালমার্ট টেস্কো রা বহুব্যবহৃত ফসল সব ই ইম্পোর্ট করে। ইংল্যান্ডে দেখেছি, ন্যাশনালিজম দামী দিয়ে আলু চীজ বিকিরি হয়, আমেরিকায় খেয়াল করিনি। ফ্রান্সে কিছু বিষয়ে লোক দেশের জিনিশ ই বেশি কেনেন। তবে কাউন্সিল এস্টেটে থাকা গরীব রা কি করেন জানি না, শস্তা যা হবে কিনবেন, ইনডাস্ট্রিয়াল ফুড , কাঁচা সব্জি / গ্রেন এর থেকে শস্তা হলে শুধু তাই করবেন। আমাদের দেশে চীনে চিকেন/চাল দেশের থেকে শস্তা হতে শুরু করলে কি হবে জানি না ভাবলে গা শিউরে ওঠে। কিন্তু এটা অনেক্দিন ধরে ইনডাস্ট্রিয়ালাইজ্ড দেশে স্বাভাবিক।
  • h | 213.99.211.135 | ২০ জানুয়ারি ২০১৭ ২১:০৬726800
  • কৃষিজমি কমাটা সমস্যা না আমি বলছি না। কিন্তু কৃষি জমি কমার সমস্যা টা কম থাকতো যদি কৃষি প্রফিটেবল হত, বা বেশি লোক কে সংস্থান করা সম্ভব হত এই সমস্যাটা কমতো। কিন্তু বোঝা দরকার, কৃষি জমি কমা সত্ত্বেও বড় গ্রেন ক্রাইসিস হয় নি, বরঞ্চ স্টোরেজ সমস্যা হয়েছে। আর এটাও মানা দরকার, পুরোনো জমি ওয়ালা লোকেরাই সবচেয়ে বেশি করে ল্যান্ড শার্ক হয়েছেন। বলতে পারেন, প ব তে, ল্যান্ড শার্ক হওয়ার সুযোগ পেয়েছে, স্মল ল্যান্ড হোল্ডার রা , এটা এক ধরণের বিচিত্র ডেমোক্রাইটাইজেশন কিন্তু, মজা করে বললে। অতএব আর্বানাইজেশন এর সুযোগ জমি ওয়ালারা নেন নি তা ঠিক না।

    ফুড ক্রাইসিস যত টা হয়েছে প্রান্তিক অঞ্চলে, অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ফেলিওর এর জন্য (জঙ্গল ইত্যাদি)। ইন ফ্যাক্ট একটা পেপার বেরিয়েছে নাম টা ভুলে গেছি লেখকের, তাঁরা দেখাচ্ছেন, যেখানে মার্কেট অ্যাকসেস বেশি, সেখানে পিডিএস এ পিলফারেশন বেশি, অথচ ধরেন ছতিশ্গড়ে কম, অথচ সার্বিক ভাবে গ্রেন সাপোর্ট তুলে দিচ্ছে। সুরক্ষা আরো কমছে, লোকে শহরে আসতে আরো বাধ্য হবে, ইনফ্রার চাহিদা আরো বাড়বে/বারছে। শুধু শিল্পপতি দের দেওয়া তোল্লাই, (বেছে বেছে, ইন্ডাস্ট্রি ও ইনডাসট্রিয়ালিস্ট সাপেক্ষে) দেওয়া আর্বানাইজেশন তথা শিল্প চাহিদা বাড়ার কারন না।
  • cm | 127.247.97.147 | ২০ জানুয়ারি ২০১৭ ২১:৪০726801
  • হাউসিং এর সমস্যা নিয়েও দুকথা বলবেন।
  • h | 52.110.182.143 | ২০ জানুয়ারি ২০১৭ ২২:৫৬726802
  • আঅপনি বলুন না, আমার বকুনির চোটে তো গুরু থাকা;-)
  • h | 52.110.182.143 | ২০ জানুয়ারি ২০১৭ ২২:৫৭726803
  • ফাকা
  • amit | 69.100.213.66 | ২১ জানুয়ারি ২০১৭ ০৩:৩৭726804
  • h, খুব ভালো লাগছে আপনার এনালাইসিস। আরো লিখুন প্লিজ। কোনোদিন বাইরের দেশের সাথে এই তুলনা গুলো এভাবে ভাবি নি, এখন ভাবাচ্ছে।
  • h | 212.142.90.136 | ২১ জানুয়ারি ২০১৭ ০৮:২২726805
  • থ্যাংক্স। এই বিষয়ে অ্যাকচুয়ালি এখানে কিন্তু অনেক বেশি ইনফর্ম্ড বিতর্ক হয়ে গেছে, অনেক বিতর্ক দেখতে পাবেন পুরোনো পেজ গুলোতে (কি করে খুজতে হয় জানি না)
  • pi | 192.66.180.159 | ২১ জানুয়ারি ২০১৭ ০৮:২৫726806
  • হানুদা, অনুসন্ধানে গিয়ে যেকোন কি ওয়ার্ড টাইপ করলে চলে আসার কথা।

    লেখো। পড়ছি আস্তে আস্তে।
  • PT | 213.110.242.4 | ২১ জানুয়ারি ২০১৭ ০৯:২৫726807
  • অন্যদেশের সঙ্গে তুলনা করে লিখতে গেলে একটা বিষয়ে সতর্ক থাকা জরুরী। আমরা এখানে একটা দেশের রাজ্য নিয়ে আলোচনা করছি যেখানকার অর্থনীতির কাঠামো নির্ধারিত হয় কেন্দ্রের নির্দেশে। কাজেই এই অব্স্থায় রাষ্ট্রায়াত্ব শিল্প থাকবে কিনা, শিল্পপতিদের বদামি কিভাবে ঠেকানো যাবে সে সব ক্ষেত্রে রাজ্যের প্রায় কিছুই করার নেই।
    (গুরুদাশ দাশগুপ্ত বহুদিন ধরে পার্লামেন্টে বড় ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন ব্যাঙ্কে অনাদায়ী ধার নিয়ে বিস্তর বক্তব্য রেখেও বিশেষ কিছু করতে পারেননি।)

    "`কিন্তু কৃষি জমি কমার সমস্যা টা কম থাকতো যদি কৃষি প্রফিটেবল হত"

    এটা নিয়ে কোনো একটা টইতে বিস্তর তথ্য দেওয়া হয়েছিল। শিল্পর জন্যে কৃষিজমি নেওয়ার যারা বিরোধীতা করে তারা এই ব্যাপারটা নিয়ে প্রায়শঃই নিশ্চুপ থাকে। এমনকি সমবায় করেও এই সমস্যার সমাধান হবে কিনা তা নিয়েও সন্দেহ আছে।

    "`আমাদের দেশে চীনে চিকেন/চাল দেশের থেকে শস্তা হতে শুরু করলে কি হবে জানি না ....."
    নব্বই-এর দশকে জাপানে চালের আমদানি সম্পুর্ণ নিষিদ্ধ ছিল। আমেরিকার চাপে জাপান বোধহয় শেষ পর্যন্ত চাল আমদানি করতে বাধ্য হয়েছে(?)।
  • h | 52.110.181.236 | ২১ জানুয়ারি ২০১৭ ১০:০২726809
  • পিটি এই পার্ট টার সঙ্গে সহমত। ইন ফ্যাক্ট কেন্দ্রীয় নীতির ফল হিসেবেই যে রাজ্যের মধ্যে প্রাইভেট সেকটর টানার প্রতিযোগিতা এটা আমিও বোঝাতে চেয়েছি। তবে সেকটোরাল ডিভাইড এর একটা গল্প আছে। চর্বিত চর্বন অ্যাভয়েড করে কিছু বলতে এখনো পারিনি চেষ্টা করছি
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লড়াকু প্রতিক্রিয়া দিন