• টইপত্তর  অন্যান্য

  • ব্যাঙ, লামা ও হানুদার গল্প

    Abhyu
    অন্যান্য | ১২ জানুয়ারি ২০১৬ | ১৩১২ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন পুনঃপ্রচার
আরও পড়ুন
তাল - Abhyu
আরও পড়ুন
দাবা - Ruy Lopez
আরও পড়ুন
ইউরো ২০২০  - b
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Lama | 213.99.211.18 | ১৩ জানুয়ারি ২০১৬ ১৭:৩৩688803
  • ছাদের গরুর ব্যাপারটা তেমন কিছু নয়। ছোটবেলায় যেবার পক্স হল সেবার একটা ঘরে আলাদা থাকছিলাম, প্রধাণত মশারির ঘেরাটোপে। মা অনেক রাত অবধি মশারির বাইরে দাঁড়িয়ে আমার ঘুমিয়ে পড়ার জন্য অপেক্ষা করত, তারপর আমি একসময় ঘুমের ভান করা শুরু করলে মা ঘুমোতে যেত। মা ঘুমিয়ে পড়েছে এই ব্যাপারে নিশ্চিন্ত হবার পর আমি একটা গল্পের বই খুলে বসতাম। এরকম কদিন চলার পর ছাদের ওপর একটা খটখট হেঁটে চলার আওয়াজ পেলাম একদিন। তারপর থেকে রোজই শব্দটা পাওয়া যেতে লাগল। কিন্তু বাইরের ঠান্ডা হাওয়া গায়ে লাগানো বারণ ছিল বলে বেরিয়ে দেখা আর হচ্ছিল না। অবশেষে পক্স সেরে যাবার পর আমি আর বাবা ছাদে গিয়ে দেখি এক ব্যাআ গরু। কিন্তু ছাদটা ন্যাড়া ছাদ, গরুকে নিজেদের উপস্থিতি জানান দিলে যদি পালাতে গিয়ে পড়ে যায় সেই ভেবে সে রাতে চুপচাপ নেমে এলাম। ভোর হবার পর দেখি গরু নিজেই ধীরে সুস্থে সিঁড়ি দিয়ে নেমে বাঁশের বেড়ার (ত্রিপুরার প্রায় সব বাড়িতেই বাঁশের বেড়া থাকে) একটা ভাঙ্গা অংশ দিয়ে গলে বেরিয়ে গেল। ঝোপঝাড়ে ঢাকা থাকার ফলে আমরা আগে বুঝতে পারি নি যে বেড়ার ঐ অংশটা ভেঙে গিয়েছিল। সেদিনই লোক ডেকে বেড়া মেরামত করার পর থেকে আর ছাদে আওয়াজ হয়নি।
  • de | 69.185.236.52 | ১৩ জানুয়ারি ২০১৬ ১৭:৪০688805
  • যাঃ - গুল!! ঃ))
    বাড়ির্দজ্জা সারারাত্তির খোলা থাকতো নাকি?
  • | 12.50.134.39 | ১৩ জানুয়ারি ২০১৬ ১৭:৪০688804
  • বাহ! গরু রাতের শোভা দেখতে নিয়মিত ছাতে!!! ঘাস নেই যদিচ....

    এবার না-গরু....
  • Lama | 213.99.211.18 | ১৩ জানুয়ারি ২০১৬ ১৭:৪৫688806
  • আমার শ্বশুরমশাই আবার সত্যজিত রায়ের ভক্ত। শাখাপ্রশাখার গল্প করতে করতে এত উত্তেজিত হয়ে পড়েন যে মনে হয় শোলের গল্প শুনছি।

    তা সত্যজিত রায় যখন খুব অসুস্থ তখন উনি সিদ্ধান্ত নিলেন যে মানিকদা চলে গেলে উনি এত দুঃখ পাবেন যে সেদিন রাতে খাবেন না। সেইজন্য নৈশ উপবাসের প্রস্তুতি হিসেবে তাঁকে রোজ ভালমন্দ খাওয়ানো হতে থাকল। ফলতঃ সত্যজিৎবাবুর শেষ দিনগুলো উনি মনে খুব দুঃখ পেলেও জিভে কোনো দুঃখ পেতে হয় নি।

    যাই হোক, মানিকদা তো সজ্ঞানে সাধনোচিত ধামে গমন করলেন। সেদিন রাতে আমার দাদাশ্বশুর ডাইনিং টেবিলে জিগালেন 'দেবু কই?'

    পুরো বৃত্তান্ত শুনে কিছুক্ষণ গুম হয়ে থাকার পর হুংকার ছাড়লেন "আরে, তুই না খাইলে কি মড়া জ্যান্ত হইব?"
  • Lama | 213.99.211.18 | ১৩ জানুয়ারি ২০১৬ ১৭:৪৬688807
  • দরজা কই, ভাঙা বেড়া বললাম তো। আর ছাদে ঘাস না থাকতে পারে, টবের গাছগুলো ছিল না বুঝি?
  • de | 69.185.236.52 | ১৩ জানুয়ারি ২০১৬ ১৮:০০688808
  • গোরু পাইপ বেয়ে ছাতে উঠলো? এক্ষপার্ট বলতে হবে!!
  • Kaju | 131.242.160.210 | ১৩ জানুয়ারি ২০১৬ ১৮:০৩688809
  • গল্পে গরু গাছে উঠতে পারে আর পাইপ বেয়ে ছাদে উঠতে পারবে না কেন?
  • byaang | 132.172.82.245 | ১৩ জানুয়ারি ২০১৬ ২০:১২688810
  • সবে সবে বিয়ে হয়েছে। বিয়ের সাতদিনের মধ্যেই নতুন বর আর নতুন বউ চলে গেল অন্য এক শহরে। সেই সাতদিনের মধ্যে সদ্য শাশুড়ি অনেকবার চেষ্টা করেছিলেন তাঁর গুরুর আশ্রমে একবারের জন্য অন্তত নতুন বউকে নিয়ে গিয়ে প্রণাম করিয়ে আনার। গুরু অবশ্য অনেকদিনই বাসাংসি জীর্ণানি বলেটলে ইথারায়িত হয়েছেন। কিন্তু আশ্রম তো রয়েইছে, আর গেলে শান্তিতে মন ভরে যায়, সদুপদেশ শুনতে পাওয়া যায়, কিন্তু নতুন বউটা কেমন একটা, কিছুতেই আশ্রমে এল না। শাশুড়ি কম চেষ্টা তো আর করেন নি। বাসি বিয়ের দিন সন্ধ্যেবেলায় যখন ঘরে প্রথম বৌ এল, তাকে নিয়ে সোজা ঠাকুরঘরে যাওয়া হল। অম্নি কপাকপ একবার করে সে কপালে জোড় হাত ঠুকে নিতে লাগল প্রতিটি বিগ্রহের সামনে দাঁড়িয়ে (পার ঠাকুর একবার করে কপালে জোড় হাত ঠোকা), শাশুড়ির খুবই বলতে ইচ্ছে করেছিল "ও কেমন প্রণামের ছিরি!" কিন্তু তাহলেই ঘরশুদ্ধু সব আত্মীয়স্বজন-প্রতিবেশী সব্বাই শাশুড়িকেই ভিলেন প্রতিপন্ন করতে পারে এই আশঙ্কায় সেই মুহুর্তে আর কিছু বলেন নি। শাশুড়ি হওয়ার কি কম জ্বালা! ঠাকুর প্রণাম হয়ে গেলে যেই না গুরুর ছবিতে প্রণাম করতে বলা, ওমা শাশুড়ি স্পষ্ট দেখলেন নতুন বৌয়ের মুখে ফিকফিকে হাসি আর গুরুর ছবির দিকে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে কীসব দেখছে। আরেকবার যেই না গুরুকে প্রণাম করতে বলেছেন, বৌ কেমন সাঁৎ করে সরে গিয়ে ভারি ভক্তিভরে অনেকক্ষণ ধরে দুই দাদাশ্বশুর আর দুই দিদিশাশুড়ির (দুইদিকেরই) ছবিতে প্রণাম করল। কিন্তু গুরুদেবের প্রাপ্য প্রণামটা কী এক কায়দায় বাকিই রেখে দিল।

    বৌভাতের দিন সকালে আশ্রমে যেতে বলায় বৌ হাসি হাসি মুখে বলল "ওখানে তো আমাদের বরবৌ দুইজনের একসঙ্গে গিয়ে প্রণাম করার কথা, তাই না? খুব মজা হবে, সবাই মিলে একসঙ্গে গেলে। আমার শাড়ি খুলেটুলে গেলে তুমি একটু ম্যানেজ করে দিও। আমি এক্ষুনি শাড়ি পরে আসছি। তোমার ছেলেকে তুমিই রেডি হতে বল।"
    ছেলেও তেমনি, "না না আমি আজকে সারাদিন ঘুমোব, আমি আশ্রম-ফাশ্রম যেতে পারব না" বলে বিছানায় উপুড় হল।
    নতুন বৌও অম্নি "যাবে না মানে? জানা নেই, বিয়ের পরে প্রথম প্রথম সবকিছু জোড়ে করতে হয়? আর তোমার একার ঘুম পেয়েছে? একটু আগেই দেখলাম নিজের ঘরে নিজের খাটে ভোঁস ভোঁস করে বেলা আটটা অব্দি ঘুমোচ্ছ! আর আমি? কমপ্লিটলি নতুন একটা পরিবেশে আমি খুব ঘুমিয়েছি না? তুমি একা বিয়ে করে উদ্ধার করে দিয়েছ নাকি? আমি বিয়ে করি নি? আমার ঘুম পায় নি?" শুম্ভ-নিশুম্ভর লড়াই অম্নি লেগে যায় আর কি!
    শাশুড়ি নিরস্ত করার চেষ্টা করেন, "ওরে থাম, থাম। নতুন বৌ এরকম গলা খুলে ঝগড়া করে না। ঘরভর্তি লোকজন কী বলবে?"
    ও মেয়ে কি চুপ করার মেয়ে! "না ও কেন ঘুমোবে? ও কেন যাবে না? ওর প্রিভিলেজটা কিসের? এ কেমন বৈষম্যমূলক ব্যবহার! বিয়ের আগে রেস্তোরাঁর বিল দেওয়ার সময় তো খুব সাম্যের জয়গান গাইত। সবসময় ছেলেরা কেন বিল দেবে, আত্মসম্মানওয়ালা মেয়েরা কেন এসব সুবিধে নেয়, এসব বলেটলে আমাকে দিয়ে বিল পে করাত। আমি আশ্রমে গেলে ওকেও যেতে হবে।"
    সর্বনাশ! এ মেয়ে সিপিএম নাকি! বৈষম্য, সাম্যের জয়গান এসব কেমন ভাষা! সাহসে ভর করে শাশুড়ি শুধিয়েই ফেলেন "তুই কি এম-পার্টি ?"
    "এম-পার্টি!!!!!!! ও আচ্ছা! না না সিপিএম নই শিওর। তাহলে কি আমি সিপিআই?" নিজেই চিন্তায় পড়ে যায়।
    সেই দেখে শাশুড়ি একটু সাহস পান। আশ্রমে যাওয়ার কথা ভুলে দুপুরের খাওয়ার তদারকিতে চলে যান।

    বৌভাত মিটে যায়। দুদিন বাদে আবার আশ্রমে যাওয়ার কথা বলেন।
    বৌ বলল "মা আমাকে না আজ এক্ষুনি একবার পুরোনো আপিসে যেতে হবে, গ্রুপ কোম্পানি ট্রান্সফারের কথা চলছে তো! পিএফের অনেকগুলো টাকা, ঠিকমত টান্সফার না হলে খুব মুশকিল। এখন যাই কেমন? ফিরে এসে সবাই মিলে একসাথে যাব।" ফিরল রাত আটটা বাজিয়ে।

    আবার পরদিন আশ্রমে যেতে বলায় হি হি করে হাসতে হাসতে বলল "আজ আমাকে যেতে বোলো না। হি হি হি হি আজকে আমাকে হাসি রোগে ধরেছে। কিছুতেই থামছে না। হো হো হো হো ছোটোবেলা থেকেই আমার এই অসুখ। হাসির অ্যাটাক হলে থামে না। কোনো কারণ ছাড়াই ননস্টপ হেসে যেতে থাকি। উরি বাবা রে হি হি হি হি। আজকে আশ্রমে গেলে যদি আমি ওনাদের সামনেই এরকমভাবে হাসি হ্যা হ্যা হ্যা খুব উফ্ফ বাবা গো খুব হি হি হি হি খারাপ ব্যাপার হবে। হ্যা হ্যা হ্যা"
    সর্বনাশ! এ যে ঘরে বদ্ধ উন্মাদ এল বৌয়ের বেশে। না বাবা একে আশ্রমে নিয়ে গিয়ে কাজ নেই এখন। গা টা কেমন শির শির করছে! উফ!

    এরপর আর সাহস করে বৌকে বলেন নি আশ্রমে যেতে। তারপর তো পরের দিনই হুশ করে দুজনে অন্য শহরে উড়ে গেল। সেখানে গিয়ে দুজনেই চাকরিবাকরি করে, আর ঝগড়া করে।

    কিন্তু শাশুড়ির মনে শান্তি নেই। নিতান্তই তরল স্বভাবের বৌ এসেছে, ভক্তি নেই মনে। শাশুড়ি ঠাকুরঘরে গেলে গুরুর ছবির দিকে চোখ তুলে তাকাতে পারেন না। আশ্রমে নিয়ে গিয়ে গুরুর বিগ্রহের সামনে দাঁড়িয়ে গুরুকে বৌয়ের মুখ দেখানো হল না, এতগুলো দিন হয়ে গেল। রাতে ঘুমের মধ্যেও মন খুঁতখুঁত করে।

    একদিন ছেলেকেই ফোনে বললেন, "তুইও তো ওকে গুরুদেবের কথা বলতে পারিস?"
    ছেলে বলল "ওকে গুরুদেবের কথা বলতে যেও না। হাসাহাসি করবে। তারপর জানতে চাইবে, সব গুরুরাই কেন লুঙ্গি বা আলখাল্লা পরে? পাজামা বা প্যান্ট পরে না কেন? ধুতি পরলেও কেন সেটা মালকোঁচা মেরে পরে না? এসব প্রশ্নের উত্তর জানা থাকলে তবেই ওকে গুরুর কথা বোলো।"
    রাম রাম রাম রাম ! ছি ছি ছি ছিঃ ! এসব কেমন ধারা কথা! শুনলে যে গলায় দড়ি দিতে ইচ্ছে করে। এ কেমন বৌ পছন্দ করলি রে বাবা! কিন্তু ছেলেকে একথা এখন বলা যাবে না। তাই কোনোরকমে মাথা ঠান্ডা রেখে বলতে হয় "ওর বাড়িতে হয়তো সেরকম পুজোআচ্চার ভক্তি-বিশ্বাসের চল নেই। তা তুই ওকে গুরুদেবের কৃপার একটা দুটো গল্প বলিস, শুনতে শুনতে ঠিক মন ফিরবে। গুরুই নিজেই নিজের দিকে ওকে টেনে নেবেন। তুই বরং ওকে আসামের বাড়ির, আর তোর দাদুর গল্প বলিস। ঠিক মন পরিবর্তন হবে।"
    ছেলে কোনো কথা না বলে ফোন রেখে দিল।

    সেদিন রাত্তিরে খাওয়ার পরে এক পাঁজা বাসন মেজে নতুন বৌ ব্যাজার মুখে আনন্দলোকের পাতা ওল্টাতে ওল্টাতে হাই তুলছিল।
    বর মুচকি হেসে বলল "ঘুম পেয়েছে? একটা গল্প শুনবে? মা তোমাকে বলতে বলেছে।"
    "অ! ঠিকাছে বল। একটু ইন্টারেস্টিং করে বলার চেষ্টা কোরো, ওকে?"
    "শোনো তবে। আমার দাদু তখন খুব অসুস্থ , ডাক্তার জবাব দিয়ে দিয়েছে। দাদু খাটে শুয়ে আছে, পাশে মা, আরো কে কে সব আর নার্স। সবাই খুবই টেন্সড। বেলা দশটা বাজে। হঠাৎ সবাই একটা বাঁশির আওয়াজ শুনতে পেল। মা আর নার্স ছুটে বারান্দায় গেল।" এই অব্দি বলে থেমে গিয়ে হতভাগা বর একটু সাসপেন্স খাওয়ানোর চেষ্টা করল।
    বৌ হঠাৎ খচমচ করে নড়ে বসেটসে চোখ কপালে তুলে বলল, "তোমার দাদু মৃত্যুশয্যায় মানে সে তো অনেকদিন আগের কথা। তখনও করপোরেশন থেকে বাঁশি বাজিয়ে ময়লা নিতে আসত?"
    "আরে না না । করপোরেশনের ময়্লার গাড়ি না।"
    "তবে কি হিন্দু সৎকার সমিতির গাড়ি হুটার বাজিয়ে আসত তখন?"
    "আমার দাদুকে নিয়ে ঠাট্টা হচ্ছে?"
    "না না কী মুশকিল! ইয়ার্কি মারার কোনো ইন্টেনশন ছিল না আমার। গল্প আদ্ধেক বলে থেমে গেলে এই ধরণের কৌতূহলী কিন্তু প্র্যাক্টিকাল প্রশ্নের সম্মুখীন হতেই হয়।"
    "তুমি বাকিটা বলতে দিলে তো! পেশেন্স বলে কিছু কি আছে তোমার? বারান্দায় গিয়ে কাউকে দেখতে পেল না। কেউ কোথাও নেই। ঘরে ফিরে এসে দেখে দাদুও আর নেই। বুঝলে কিছু?"
    "এতে আবার বোঝার কী আছে? বারান্দায় গিয়েছিল বলে শেষ নিশ্বাস নেওয়াটা দেখতে পায় নি।"
    বর ফিক ফিক করে হাসতে হাসতে বলল "আরে তা নয়। মায়ের বিশ্বাস গুরুদেব বাঁশি বাজিয়ে দাদুকে নিয়ে যেতে এসেছিলেন।"
    এবার বৌ হাসতে হাসতে গড়াগড়ি দিতে থাকে। "বাবা গো, উরি বাবা রে! এসেছিলেন ভালো কথা বাঁশি বাজালেন কেন? পরীক্ষা শেষের ঘন্টা নাকি? "

    বৌকে প্রাণভরে হেসে নিতে দিয়ে বর আবার বলল "ছোটোবেলায় আমার মায়ের পরিবার আসামে থাকত। তখন ওখানে খুব চোরের উপদ্রব ছিল।"
    "বাঁচা গেল। চোর ! বেশ থ্রিলিং হবে তো এই গল্পটা?"
    "দাদুকে ব্যবসার কাজে প্রায়ই বাইরে যেতে হত। দাদুর খুবই দুশ্চিন্তা এতগুলো ছোট ছেলেমেয়েকে রেখে যাওয়া। যদি সেইসময় চোর আসে? দিদিমা একা কী করবেন?একদিন রাতে সবাই শুনল ছাদের উপর খট খট খট খট আওয়াজ। ছাদের এপ্রান্ত থেকে ওপ্রান্ত।" বাধ্যতামূলক সাসপেন্স ব্রেক।
    "সর্বনাশ! সত্যি ছাদে চোর পড়েছে? তারপর? তারপর?"
    "আরে ধুর! চোর না।"
    "তবে? তবে কি বাঁদরের পাল এসেছে? আসামে খুব বাঁদর। চিড়িয়াখানায় দেখ নি আসামিজ ম্যাকাক না কী একটা যেন লেখা থাকে! কিন্তু! কিন্তু, রাত্রিবেলায় বাঁদর বেরোয় নাকি? কী অদ্ভুত রে বাবা!"
    "হে হে হে হে, বাঁদর না। মায়ের বিশ্বাস সারা রাত ধরে গুরুদেব ছাদে হেঁটে পাহারা দিতেন মাদের ফ্যামিলিকে। গুরুদেব কিন্তু এর অনেক বছর আগেই মারা গেছেন।"
  • পুরানো জানিয়া চেয়ো না | 85.137.14.155 | ১৩ জানুয়ারি ২০১৬ ২১:০২688811
  • name: Byaang mail: country:

    IP Address : 132.178.193.27 (*) Date:01 Dec 2015 -- 10:05 PM

    অভ্যু, আমি যেটা করেছি। সেটা আরো খারাপ।
    ফোন করে বলেছি, আপনি ঠিক কোথায় আছে বলুন, আমি আপনাকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করছি। আপনাকে কিছুক্ষণের মধ্যে এক ক্যাব্ড্রাইভার ফোন করবে। আপনি আপনার এক্জ্যাক্ট লোকেশনটা বুঝিয়ে দেবেন ওনাকে।

    শুনে উনি শিউরে উঠে বললেন, আপনি কে? আমাকে হস্পিটালে পৌঁছে দেবেন কেন?

    আমি বলেছি, আপনি মাথা ঠান্ডা করুন। আপনার মেয়েকে তো হস্পিটালে ডাক্তাররা অ্যাটেন্ড করছে। অ্যাতো ভয় পাবেন না। আপনি কোথায় আছেন বলুন?

    উনি এত ভয় পেয়েছেন তখন, চেঁচিয়ে উঠে বলছেন আমার মেয়ে হস্পিটালে!! কী হয়েছে ওর? আপনি আমাকে সত্যিটা বলুন।

    আমি নিজেই তখন কিছু গন্ডগোল হচ্ছে আন্দাজ করে ওনার নম্বর রিপিট করলাম। নম্বর মিলে গেল। সের নাম বললাম, চিনতে পারলেন না।

    তখন আমিও খুব অবাক হয়ে গেছি। উনি তখন বললেন, আমি আমার মেয়ের খোঁজ করে আপনাকে জানাচ্ছি। খুব ভয় পেয়ে গেছিলেন।

    তারপর আমি ভুল বুঝতে পেরে ক্ষমা চাওয়ার জন্য বার বার ফোন করছি। ওনার নম্বর এনগেজড। বুঝতে পারছিলাম উনি ফোন করে মেয়ের খোঁজ নিচ্ছেন।

    যাই হোক তারপরে যখন ফোনে পেলাম উনি তখন অনেকটা আশ্বস্ত হয়েছেন মেয়ে নিরাপদে আছে জেনে।

    name: h mail: country:

    IP Address : 213.132.214.83 (*) Date:02 Dec 2015 -- 02:20 PM

    কাল ব্যাং কি কেস করেছে কল্পনা করা যায় না ঃ-)))))))))))))))))))))))) মানে কি ধরণে সিজন্ড ছড়ু হোলে এটা করা যায়। আমার শ্বাশুড়ি মা একটা সময় নিয়মিত , প্রখ্যাত অনুবাদক অধ্যাপক মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় কে ফোন করে আছা আপনি আজ ও দুধ দিলেন না, আর আছা আপনাকে কবে বলেছি, কমোড আমরা চে`?ণ্জ করবো, আর এদিকে আপনি আসছেনি না, জানেন কাল প্রিন্সিপাল আমায় কত বকেছে, সে প্রায় এক ঘন্টা ইংরেজি।।।ইত্যাদি বলতেন।

    একদিন মানব বাবু তিরিশ লিটার দুধ ও একটি কমোড নিয়ে ট্যাক্সি করে দেখা করতে আসবেন এই থ্রেট দেওয়ায় ব্যাপারটা বন্ধ হয়।

    আমার মা অবশ্যো এসব কিছু করেন না। ফোন এলে ভীষণ গাম্ভীর্য্য নিয়ে অনেক কথা বলার আধাঘন্টা পরে বলেন, ছেড়ে দিল, রং নাম্বার ছিল বোধহয়।

    কিন্তু এই মেয়েটা যেন তাড়াতাড়ি ভালো হয়ে যায়।
  • হুতো | 215.174.22.27 | ১৩ জানুয়ারি ২০১৬ ২১:২৯688813
  • আরে তখনকার দিনের বাড়িতে সবসময় এত দরজা টরজার বাহুল্য থাকতো না। মানে ঘরের দরজা অবদি ঠিক আছে, সিঁড়ির দরজা বারান্দার দরজা ছাতের দরজা এতো প্যাখনা আবশ্যক ছিলনা। ঐ বাড়ির চৌহদ্দির ভেতর ঢুকতে পারলেই ছাতের সিঁড়ির অ্যাকসেস ছিল। তাছাড়া বাড়িটার সমস্তটা তখনো ঠিক পুরোপুরি তৈরী হয়নি। তবে পাড়াটা খতরনাক ছিল। পাড়ায় একজন নামকরা গুন্ডা তথা মাতাল ছিলেন, তাঁর নাম ছিল মঠ। তিনি আবার খুব সঙ্গীত রসিক ছিলেন, উপগ্রহ পরিবৃত হয়ে বিভিন্ন ভাষার ভক্তিসঙ্গীতের ব্যাখ্যা করতেন। মানে সিরিয়াসলি, তখন তো লোকে হিন্দী টিন্দি এতো জানতো না, মঠের সে বিষয়ে ব্যুৎপত্তি ছিল। আর মাকে গৃহকর্মে সহায়তা করতেন গুরুপদ'র মা। তিনি তাঁর মাতৃহীনা নাতনীকে নিয়ে বনবিভাগের কোয়ার্টারে থাকতেন, তাঁর ছেলে গুরুপদ কোন এক দুর্নীতি বা অপরাধের দায়ে নিরুদ্দিষ্ট ছিল, কিন্তু কোয়ার্টারের দখল ছিল। না থাকার অবশ্য কারনও নেই, এলাকার সব বাঘা বাঘা লোকেদের টিকি বাঁধা ছিল গুরুপদ'র মা'র কাছে। এলাকায় খুন জখম হলে (তা হতো, বলতে নেই বছরে দু তিনটে লাশ তো পড়তো, লাশ পড়ার আগে আমাদের বাড়ির উল্টোদিকে শাবল টাবলের মত প্রকাশ্য অস্ত্র নিয়ে জমায়েত হতেও দেখেছি), পুলিশ প্রথমেই কাঁচুমাচু হয়ে গুরুপদ'র মার সঙ্গে দেখা করতে যেত।

    তবে লামার গল্পের গরুরা মাঝে মাঝে গাছে ওঠে কিনা তা নিয়ে আমার কোন বক্তব্য নেই।
  • Rupert Hentzau | 117.167.108.171 | ১৩ জানুয়ারি ২০১৬ ২১:৪২688814
  • :-D :-D

    এরকম কয়েকটা টইকে পিনড পোস্ট করে রাখলে হয়। দরকার পড়লে একটু করে হেসে নেওয়া যাবে। নয়তো ক্রমশঃ আরো বিশ্রীরকম সিরিয়াস হতেই থাকবো।

    ভাবলে কেমন অবাক লাগে - পুরনো কথা অনেক মনে করেই এমন কোনো গল্প খুঁজে পাইনা। সবই কেমন ম্যাদামারা সিরিয়াস টাইপ।
  • T | 24.100.134.82 | ১৩ জানুয়ারি ২০১৬ ২২:০৯688815
  • অন্য টই ডোবাচ্ছি তাই...
  • | ১৩ জানুয়ারি ২০১৬ ২২:১১688816
  • হ্যাঁ পিনড পোস্ট-এর প্রস্তাবে ভোট দিলাম।
  • kumu | 132.161.253.132 | ১৩ জানুয়ারি ২০১৬ ২৩:৫৭688817
  • পুলিশ কাঁচুমাচু হয়ে গুরুপদর মার কাছে যেত-এইটি অসাধারণ।
  • kumu | 132.161.253.132 | ১৪ জানুয়ারি ২০১৬ ০০:৩৬688818
  • ছোটবেলায় আমরা কৃষ্ণনগরে থাকতাম।
    চারদিকে পাঁচিল ঘেরা বাড়ী,সাম্নের দিকে দুটি ও পেছনের দিকে দুটি দরজা ছিল।পেছনের দরজা দুটি কোন জন্মে ব্যবহার হত না,বন্ধ থাকত,কিন্তু পাঁচিলের অন্যদিকে আম কাঁঠাল ইত্যাদি গাছ থাকায় জায়্গটা সর্বদা কেমন অন্ধকার থাকত আর ঐ দরজা ভেঙে যে একদিন চোর আসবে সে বিষয়ে কারো কোন সন্দেহ ছিল না।দরজা দুটির বিশাল কড়াতে বিকট দেখতে তালা ঝুলত,তারোপর গরুর দড়ি,শাড়ীর পাড়,বস্তা বাঁধার দড়ি ইত্যাদি দিয়ে যথাসম্ভব শক্ত করে কড়া দুটি বেঁধে সুরক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছিল।
    কিন্তু মুনিরা খাগের/বগের কলম দিয়ে কোনকালে লিখে গেছেন নিয়তি কেন বাধ্যতে,এক ঘনকৃষ্ণ অমবস্যার রাত্রে আমাদের বাড়ীতে চোর পড়ল।
  • হুতো | 215.174.22.27 | ১৪ জানুয়ারি ২০১৬ ০০:৪৪688819
  • তারপর কি হলো?
  • Abhyu | 85.137.14.155 | ১৪ জানুয়ারি ২০১৬ ০১:৩৪688820
  • লামাদার একটা ঘ্যামা পোস্ট
    Name: Lama

    IP Address : 127.194.237.145 (*) Date:19 Jun 2013 -- 11:27 PM

    আমার মাসীকে চোর বলেছিল 'রাত জেগে পড়লেই ভাল রেজাল্ট হয় না'
  • TB | 118.171.131.186 | ১৪ জানুয়ারি ২০১৬ ০৩:৪৫688821
  • ভীষণ দামী ওপিনিয়ান, এক্কেরে ঠেকে শিকেচে নিশ্চয়

    চোরের কতা বলচি
  • Abhyu | 85.137.14.155 | ১৪ জানুয়ারি ২০১৬ ০৬:৫৭688822
  • ব্যাংদি কই?
  • Byaang | 132.172.87.54 | ১৪ জানুয়ারি ২০১৬ ০৮:৩৬688824
  • কী হল?
  • Byaang | 132.172.87.54 | ১৪ জানুয়ারি ২০১৬ ০৮:৩৮688825
  • আমার বড়পিসির লুঙ্গিবিদ্বেষের গল্প লিখেছিলাম তো। তার মধ্যে ডাকাডাকি কেন?
  • Atoz | 161.141.84.176 | ১৪ জানুয়ারি ২০১৬ ০৮:৪১688826
  • বড়পিসির গল্প কই?
  • Byaang | 132.172.87.54 | ১৪ জানুয়ারি ২০১৬ ০৮:৫০688827
  • উড়ে গেল তো। ডাকাডাকিতে সাড়া দিতে গিয়ে।
  • Atoz | 161.141.84.176 | ১৪ জানুয়ারি ২০১৬ ০৮:৫৪688828
  • যাহ। ঃ-(
    আবার বড়পিসিকে স্মরণ কর। ঃ-)
  • kumu | 132.161.211.145 | ১৪ জানুয়ারি ২০১৬ ০৯:২২688829
  • সেযুগে বাড়ীতে চোর পড়া বেশ গা সওয়া ব্যাপার ছিল।বরম সেই প্রাকটিভি নিস্তরঙ্গ সময়ে চোর বেশ একটু উত্তেজনার খোরাক এনে দিত।কখন কিভাবে কেন চোর এসেছিল,কে খুট/টিং আওয়াজ পেয়েছিলেন,কার পিসেমশাই কত বড় দারোগা ছিলেন,কী কী জিনিস চুরি গেল,পুলিশ কীবলল এইসব চলতে থাকত যতদিন না আবার নতুন চোর পড়ে।
    তা আমাদের বাড়ীর এই চোরটির মনে হয় আমার মায়ের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্বন্ধে কোন ধারণা ছিল না।উঠোনে দাঁড়িয়ে চারদিক খুব খুঁটিয়ে দেখেও সে চুরিযোগ্য কিছুই আবিষ্কার করতে পারল না।দরজার পাপোষ,একটি দোলনা ও দুটি ঝাঁটা ছাড়া কোথাও কিছু নেই।বাথরুমে পর্যন্ত তালা।সরকারী অফিসারের বাড়ী চুরি করতে এসে পুরোনো
    পাপোষ /ঝাঁটা এইসব নিয়ে ফেরা ঠিক না,রান্নাঘরের তালা ভাঙা ছাড়া উপায় নেই এইসব ভাবতে ভাবতে বারান্দার এক কোণে কাপড় চাপা দেয়া কী র্কটা নজরে পড়ল।কাপড় সরিয়ে দেখা গেল একটি পানের ডাবর (তরুণ প্রজন্মের জন্য ডাবর হল পান সুপুরি চুন ইত্যাদি রাখার পেতলের পাত্র)।
  • kumu | 132.161.211.145 | ১৪ জানুয়ারি ২০১৬ ০৯:৪৯688830
  • এখানে বলা দরকার আমাদের বাড়ীতে কেউ পান খেত না।ডাবরটিঅন্য অনেক জিনিসের মতই দেশভাগের সময় দাশগুপ্ত পরিবারের সঙ্গে আসে।এবং দাশগুপ্তরা কখনৈ কোন জিনিস ফেলে দেয়ার নীতিতে বিশ্বাসী ছিলেন না,তাই ডাবরটি অন্তত ৫টি শহর ও ১২/১৩টি বাড়ী ঘোরার পর তখন কৃষ্ণনগরে পোস্টিং পেয়েছিল।আমার ভাই তখন নিতান্ত শিশু ,তার এক বিশেষ কাজের জন্য ওটি ব্যবহার হত,যে কারণে ইচ্ছা না থাকলেও মা রাত্রে ডাবরটি বাইরে অরক্ষিত অবস্থায় ফেলে রাখতে বাধ্য হতেন।
    এদিকে চোর ডাবরটি হাতে নিয়ে একটু থতমত হয়ে গেল,ডাবরের মধ্যে ফিনাইল,ডেটল ও অন্য কী একটা বিজাতীয় গন্ধ!!উঠোনের মাঝখানে দাঁড়িয়ে সে ডাবরটি ভাল করে দেখচে এমন সময়--
    ভ্যাঁ ১০ করে ভাইয়ের জগদ্বিখ্যাত চিৎকার(রাত্রে অন্তত ৩ বার বিনাকারণে চেল্লাত),বাড়ীশুদ্ধু সকলের ঘুম ভেঙ্গে জল,দুধ ইত্যাদি দেয়ার উপদেশ,ঐরকম আল্লাদ দিয়ে দিয়েই--,কাকার দরজা খুলে বাইরে আসা ও উঠোনে ডাবর হাতে চোর আবিষ্কার,
    ভীষণ গর্জনে বাঘের মত লাফ দিয়ে চোরকে জাপটে ধরা ,বাড়ীত অন্যান্যরাও বেরিয়ে অসমসাহসে চোরসহ কাকাকে জাপটে ধরা,আমাকে ও ভাইকে দুহাতে আগলে মায়ের উচ্চস্বরে রামরাম -এতসব ঘটতে ৫/৭ মিনিট লাগল।
  • d | 144.159.168.72 | ১৪ জানুয়ারি ২০১৬ ০৯:৫৩688831
  • চোর তাড়াতে রাম রাম !
    :-))))))

    হে হে আমি একবার একটা চোরের হাত চেপে ধরেছিলাম। তারপর চোরেতে আমাতে সে কি হ্হাত টানাটানি .... একবার চোর জেতে জেতে, একবার আমি জিতি জিতি .....
  • aranya | 83.197.98.233 | ১৪ জানুয়ারি ২০১৬ ১০:১৬688832
  • অসাম :-)

    এই টই-টি খোলার জন্য অভ্যুকে অশেস সাধুবাদ
  • kumu | 132.161.211.145 | ১৪ জানুয়ারি ২০১৬ ১০:৫২688833
  • বলেছি তো ঐ সময়ে চোর পড়া/ধরার জন্য সকলের মানসিক প্রস্তুতি থাকত।তাবাদে দাশগুপ্তদের কম্বুকন্ঠে গগনভেদী চিৎকারের মধ্যে বিছানায় পড়ে থাকাও অসম্ভব।সুতরাং চারদিকের বাড়ী থেকে চাদরমুড়ি দিয়ে কাকা/জ্যাঠাবাবুরা জড়ো হলেন ও সকলে মিলে চোরকে নিয়ে থানায় চল্লেন।টিমের নেতৃত্ব দিলেন ৯০ বছরের মহাতেজী বড়ঠাকুমা"তরা পোলাপান মানুষ,গুছাইয়া সব কইতে পারবিনা।আরে ডাবরটা ল,দারোগাবাবুরে দ্যাখাইতে হইব।"
    কৃষ্ণনগর কোতোয়ালী থানা ছিল আমাদের বাড়ীর সামনেই,রাস্তার এপার ওপার।
  • kumu | 132.161.211.145 | ১৪ জানুয়ারি ২০১৬ ১১:১৩688835
  • দুঃখের বিষয় থানা পার্টি ২ মিনিটে ফিরে এল।নাকী দারোগাবাবুর দেহের বাড়ীর পুকুরে সকালবেলা জাল ফেলা হবে তাই তিনি সেখানে গেছেন,অন্য পুলুশরাও গেছে,থানা খালি।

    সরকারী অফিসারের বাড়ীতে চোর,থানা খালি,দেশব্যাপী কী ভীষণ অরাজকতা,সিএমকে একটা চিঠি দেয়া দরকার,কালসকালেই ড্রাফ্টিংটা ইত্যাদি আলোচনা করতে করতে সকলে ফিরে এলেন।ঠিক হল চোরকে রান্নাঘরের বারান্দাতে বসিয়ে রাখা হোক।সকালে যা হোক ব্যবস্থা হবে।তাই হল,বাবার অফিসের এক পিয়ন তেওয়ারী বাড়ীতে থাকত,সে পাহারায় রইল।

    সকালে উঠে দেখি ভাই যথারীতিসোয়েটার কোট ইত্যাদি চাপিয়ে গম্ভীর ভাবে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে চোরকে দেখছে। তেওয়ারী প্রবল নাকডাকিয়ে ঘুমোচ্ছে।।
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
    • কি, কেন, ইত্যাদি
    • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
    • আমাদের কথা
    • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
    • বুলবুলভাজা
    • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
    • হরিদাস পালেরা
    • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
    • টইপত্তর
    • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
    • ভাটিয়া৯
    • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
    যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
    মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


    পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। না ঘাবড়ে প্রতিক্রিয়া দিন