• টইপত্তর  অন্যান্য

  • কীভাবে নাস্তিক হলাম

    সিকি লেখকের গ্রাহক হোন
    অন্যান্য | ১৩ মে ২০১৫ | ১৫৪৮ বার পঠিত | জমিয়ে রাখুন
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • সিকি | 132.177.172.33 | ১৩ মে ২০১৫ ১৯:৩৭676092
  • গুরুতে অনেকেই আছেন যাঁরা সোচ্চার বা নীরব নাস্তিক। প্রত্যেকের এই আস্তিক্যবাদের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবার কাহিনি আলাদা আলাদা, কারণ সকলের বেড়ে ওঠা বিভিন্ন সময়ে, বিভিন্ন পরিবেশে, বিভিন্ন ব্যক্তিগত ও সামাজিক ব্যাকগ্রাউন্ডে।

    খুব ব্যক্তিগত না হলে সেই সব অ্যাকাউন্টগুলো এখানে থাকুক ডকুমেন্টেড।

    কল্লোলদার পোস্ট দিয়েই শুরু করছি।
  • সিকি | 132.177.172.33 | ১৩ মে ২০১৫ ১৯:৩৮676281
  • কল্লোল

    আমি কেন নাস্তিক।
    ছোট বেলায় ঠাকুর্দা আর দিদিমাদের কাছে রামায়ণ মহাভারতের গল্প শুনে বড় হয়েছি। আমার যতদূর মনে পড়ে আমার ঠাকুর্দা আমায় ১৯৬৩ সালে আমায় কৃত্তিবাসী রামায়ণ আর কাশীদাসী মহাভারত উপহার দিয়েছিলেন। বইগুলো ওনার কেনা ঢাকায় থাকতে। সেগুলোই আমায় উপহার দিয়েছিলেন। ধণপতি ও শ্রীমন্ত সওদাগরের গল্পও শুনেছি মা-দিদিমার কাছে। এছাড়া পুরাণের গল্প, ঈশপের গল্প, জাতকের গল্প পড়েই কেটেছে ছোট বেলা। এর পাশাপাশি রুশ ছোটদের সাহিত্য, জুলেভার্ণ, আর্থার কোনান ডায়েল, ঘানাদা, টেনিদা আর হর্ষবর্ধন-গোবর্ধন-রিণিও ছিলো। বাড়িতে মা বৃহষ্পতিবার লক্ষীপূজো করতেন, লক্ষীর পঁচালী পড়ে। পরিবারে ধর্মীয় অনুষ্ঠান বলতে ওটুকুই। ঠাকুর্দা মারা যাওয়ার পর (১৯৬৪) ওনার শ্রাদ্ধই আমার প্রথম কোন ধর্মীয় অনুষ্ঠান কাছ থেকে দেখা। তখনই শুনেছি পিতৃলোক, প্রেতলোকের কথা। আত্মা একলোক থেকে আরেক লোকে ভ্রমণ করে।
    এগুলোর প্রতি বিশ্বাস বা অবিশ্বাস কোনটাই তত প্রবল ভাবে বিরাজ করতো না।
    এরপর ক্লাস সিক্সে পড়তে মার্কসবাদে হাতে খড়ি। ছোটদের রাজনীতি আর ছোটদের অর্থনীতি নামে দুটো RSP প্রকাশনার বই দিয়ে। সেই থেকে ধীরে ধীরে ভগবান-ধর্ম ইত্যাদিতে আস্থা হারানো। এমনকি ভাগ্য-টাগ্য নিয়েও অবিশ্বাস দৃঢ় হয় ঐ সময়ে।
    কিন্তু তার পাশে পাশে মায়ের মাসিকের কারণে কোন কোন বৃহষ্পতিবার লক্ষীর পাঁচলী পড়েছি। মামাবাড়ির সত্যনারায়ণ পূজোর সিন্নি খেয়েছি। প্রত্যক শণিবার-মঙ্গলবার কালীঘাটের প্যাড়া দিব্যি হাত পেতে, কিন্তু মাথায় না ছুঁইয়ে খেয়েছি। হ্যাঁ, মাথায় প্রসাদী ফুল ছোঁয়াতে আপত্তি করতাম। মায়ের সাথে, দিদিমার সাথে ভগবানের অনস্তিত্ব নিয়ে ঝগড়া করতাম। এটা অবশ্য নানান বন্ধুদের সাথেও হতো। একটা কথা সেই সব বন্ধুদের গর্ব করে বলতাম যে, বিপদে পড়লে আমার নিজের চেষ্টতেই তার থেকে বেরিয়ে আসতে পারবো বা পারবো না। তার জন্য মাকালী বা বাবাকালীকে ডাকবো না।
    প্রথম ধাক্কা খাই আমার এক মুসলমান বন্ধুর কাছে। ১৯৬৯। মানুষ পা রেখেছে চাঁদে। সেটাকে আলাউদ্দীন আহমেদ তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিলো - সিনেমায় কতকিছু দেখানো যায় বলে। প্রসঙ্গতঃ আলার বাবা বেচু আহমেদ ছিলেন টালিগঞ্জ স্টুডিও পাড়ার মেকাপ আর্টিস্ট ও এক্স্ট্রা সাপ্লায়ার। ওকে কিছুতেই বোঝাতে না পেরে বড় মনোকষ্টে ছিলাম। কিন্তু সেই প্রথম যুক্তির ওপর আবেগের/বিশ্বাসের জয় সূচিত হতে দেখলাম। সেই থেকে ধর্মের ভূমিকা নিয়ে উৎসাহী হয়ে উঠি। এবং শেষ পর্যন্ত নিপীড়িত মানুষের কাছে ধর্মের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে কিছু ধারানার জন্ম হয়েছে। অনেকেই ধূনো দিয়েছেন এতে। একজন হেমাঙ্গদা(বিশ্বাস)। ওনার কাছে যখন নামাজ আমার হইলো না আদায় গানটি শিখি তখন স্বাভাবিক্ভাবেই প্রশ্ন ছিলো এই গানটা কেন গাইবো? উনি বলেছিলেন, এটা একজন নিপীড়িত মানুষের সারাদিনের হাড়ভাঙ্গা খাটুনির বয়ান। এতো পরিশ্রম করতে হয় শুধু কোনমতে বেঁচে থাকার জন্য যে ভাগবানকে ডাকার ফুরসৎ হয় না তার। তার কাছে আমরা মার্কসবাদ নিয়ে পৌঁছাতে পারিনি সেটা আমাদের ব্যর্থতা। সে আর কার কাছে তার দুঃখের কথা বলবে।
    পরে গৌতম ভদ্রের হাত ধরে ধর্ম-বিশ্বাস-অতিকথা নিয়ে পড়াশোনা এই ধারনার ভিতকে আরও পাকা করেছে, নাস্তিক হয়েও।
  • dc | 132.164.233.217 | ১৩ মে ২০১৫ ২০:২৪676392
  • আমার বাবার দিকে সবাই খুব আস্তিক, আর মায়ের দিকে অনেকেই নাস্তিক। আমার বাবা রীতিমত ধ্যান ট্যান করতো, একজন গুরুদেবও ছিল যার কাছে দীক্ষা নিয়েছিল। কেন জানিনা, ছোটবেলা থেকেই আমি বাবাকে ঠাকুর বা ধর্ম বিষয়ে অনেক প্রশ্ন করতাম, বিশেষ করে রাত্রে খাবার টেবিলে আমরা সবাই মিলে আলোচনা আর তর্ক করতাম। বাবা হয়তো বললো আগেকার দিনে যোগবলে অনেক কিছু জানা যেত, সূক্ষ্মদেহে বিচরন ইত্যাদি, আর আমি হয়তো বল্লাম তা কি করে সম্ভব, বিজ্ঞানীরা দেখিয়েছে আত্মা বলে কিছু নেই, ইত্যাদি। মা আমাকেই বেশী সাপোর্ট করতো। ছোটবেলায় এই তর্কগুলো আমরা সবাই বেশ উপভোগ করতাম আর এইভাবেই আস্তে আস্তে আমি একেবারেই যাকে বলে নাস্তিক হয়ে গেলাম। আর আমার দাদু, মানে মায়ের বাবা, ওনার থেকেও জ্ঞান-বিজ্ঞানএর অনেক কিছু জানতাম, যোগবল ইত্যাদি কেন হয়না, জ্যোতিষী-হোমিওপ্যাথি কেন ভুলভাল সেসব দাদুর কাছে শিখতাম আর সেই নিয়ে আবার বাবার সাথে তর্ক করতাম। তবে আমার দাদু ডেডিকেটেড কম্যুনিষ্ট ছিল আর সেই নিয়ে ভদ্রলোককে অনেক জ্বালিয়েছি ঃ-( পৃথিবীর সব দেশে কম্যুনিসম শেষ হয়ে গেছে, এসব বলে খেপাতামও খুব। তাই নাস্তিকতার গল্প বলতে গেলে দাদুকে খেপানোর কথাও মনে পড়ে যায়। তবে অনেকটা বড়ো হয়ে, নানান রাজ্যে ঘুরে, অনেক লোকের সাথে কথা বলে এখন মনে হয় এই নাস্তিকতা-আস্তিকতা ঠিক সাদা কালো ব্যাপার না। যেটা আরেকটা টইতে বল্লাম, বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গির মতো ধর্ম বিশ্বাসও বোধায় মানুষের বেসিক প্রয়োজন। না হলে গত পাঁচশো বছরে ধর্ম উঠে যেত, নাতো সংকুচিত হতো। কিন্তু সেটা হয়নি। কাজেই আজকের দিনে ধর্ম নিয়ে যে বাড়াবাড়ি চতুর্দিকে দেখা যায় সেটা অনেক ধৈর্য্য সহকারে মোকাবিলা করতে হবে। ধর্মকে সম্পূর্ণ উঠিয়ে দেওয়াও বোধায় কখনো সম্ভব হবেনা, যদিও পাবলিক স্পেস থেকে প্রাইভেট স্পেসে কোনদিন নিয়ে যাওয়া সম্ভব হলেও হতে পারে।
  • sm | 53.251.88.53 | ১৩ মে ২০১৫ ২১:৫৪676503
  • dc , র পোস্ট টা ভালো লাগলো। কিন্তু,সাদা বাংলায় নাস্তিক মানে কি? যেনারা ইশ্বরের অস্তিত্বে বিশ্বাস করেন না তাই তো?
    ধর্ম তো অনেক পরের জিনিস। মনুষ্য সৃষ্ট কয়েকটি অনুশাসন মাত্র। সেদিক থেকে দেখতে গেলে নাস্তিকতাও এক ধরনের ধর্মই বটে।
    আমি যেমন ধর্মীয় অনুশাসনে অত বিশ্বাসী নই। মানে পালন করলেও চলে, না করলেও তাই।তবে ইশ্বরের অস্তিত্বে সামান্য হলেও বিশ্বাসী। কারণ বিপদে আপদে ভগবান কে ডাকি। অনেক সময় মনের জোর ও শান্তি পাই।
    অনেক দিন আগে পরা বাইবেল এর একটা গল্প মনে পড়ে যাচ্ছে।
    এক ব্যক্তি সমুদ্রের সৈকতে পদচারণা করছেন। হটাত দেখতে পেলেন তাঁর পায়ের ছাপের সঙ্গে আরো এক জোড়া পায়ের ছাপ। ওই ব্যক্তি কিছুই বুঝতে পারলেন না। রাত্তিরে স্বপ্ন দেখলেন, ইশ্বর বলছেন, মাই সন, ওটা আমার পায়ের ছাপ। মানে সর্বদা আমি তোমার সঙ্গে আছি।
    কিছুদিন পরে ওই ব্যক্তি ভয়ানক বিপর্যয়ের মধ্যে পড়লেন। দিন যেন আর কাটতেই চায় না। একদিন খুব ক্লান্ত হয়ে ওই সমুদ্র সৈকতেই পদচারণা করতে গিয়ে লক্ষ্য করলেন , আর একটা পায়ের ছাপ আর নেই।ভয়ানক অভিমান হলো; বিপদের দিনে ইশ্বর তাঁর সঙ্গ ত্যাগ করেছেন বলে।
    রাত্তিরে আবার স্বপ্ন দেখলেন,ইশ্বর শান্ত গলায় বলছেন মাই সন, এবারকার পায়ের ছাপ টা ছিল শুধুই আমার ।
  • dc | 116.208.142.85 | ১৩ মে ২০১৫ ২২:১৯676614
  • "সেদিক থেকে দেখতে গেলে নাস্তিকতাও এক ধরনের ধর্মই বটে।"

    না এখানে ডেফিনিশনের ভুল হচ্ছে, কোন কিছুর নেগেশন মানে তার উল্টোটা নাও হতে পারে। মানে আমি প্রতিপাদ্য ক মানিনা, তার থেকে এটা বলা যায়না যে আমি প্রতিপাদ্য না-ক মানি। আমি ইশ্বর মানিনা কারন ইশ্বরের কোন অ্যাকাডেমিক প্রুফ পাওয়া যায়নি। যদি ইশ্বরের কোন অ্যাকাডেমিক স্বীকৃত প্রমান পাওয়া যায় তো ইশ্বর মানতে আমার কোন অসুবিধে নেই। আয়াকাডেমিক বলতে একটা কন্ট্রোলড এনভায়রনমেন্ট যেটা রিপিটেবল আর এরর লিমিটের থেকে বেশী। এরকম ক্ষেত্রে ইশ্বরের অস্তিত্বের প্রমান থাকলে নিশ্চয়ই মেনে নেব। আবার এরকম ক্ষেত্রে যদি প্রমান পাওয়া যায় যে মঙ্গল গ্রহের চারধারে একটা বিরাট বড়ো কেটলি ঘুরছে তো সেটার অস্তিত্বও নিশ্চয়ই মেনে নেব। অকাট্য প্রমান না পাওয়া ওবধি আমার কাছে ইশ্বর আর বিরাট বড়ো কেটলির ফারাক নেই, দুটোই স্রেফ অনুমান। কাজেই নাস্তিকতা ধর্ম না।
  • Abhyu | 179.237.46.240 | ১৩ মে ২০১৫ ২২:৩৫676725
  • smএর বলা বাইবেলের গল্পটা খুব সুন্দর।
  • cm | 116.208.56.28 | ১৩ মে ২০১৫ ২২:৪৮676836
  • sm গল্পটা শেষ করলেন না? যদি একজনের পায়ের ছাপ ভগবানের তাহলেআস্তিকের পায়ের ছাপ কোথায় গেল?
  • sm | 233.223.159.253 | ১৩ মে ২০১৫ ২২:৪৯677058
  • প্রমান তো আপনি অনেক জিনিসেরই পান নি, তাবলে কি ঘটনা ঘটছে না? মন জিনিষ টি কি? আমি কে? বিজ্ঞান এর কি প্রামান্য উত্তর দিয়েছে? ব্ল্যাক হোল আদৌ আছে কি? বিগ ব্যাং থিওরি কি সত্য?
    একটি সেল থেকে পুরো একটি শিশু জন্মায়? তার হাত, পা, হার্ট, লিভার সব একটা সেল থেকেই হয়? কি করে একই সেল থেকে এমন আলাদা আলাদা অঙ্গ প্রত্যঙ্গ সৃষ্টি হয়? কেন তারা নির্দিষ্ট গঠন পাওয়ার পর ই থামে?দুটি মানুষের বুদ্ধি কেন আলাদা? একই পরিবারে বেড়ে ওঠা দুটি শিশু কেন আলাদা প্রকৃতির হয়?
    কেন মানুষ ই এত বুদ্ধিমান প্রাণী? বিজ্ঞান মানুষ কে যত উত্তরের সন্ধান দিয়েছে, তত বেশি জিনিষ অজানা হয়ে পড়েছে।
    লিখতে থাকুন, আরো কিছু নতুন আইডিয়া ও জিনিসের সন্ধান পাওয়া যাবে।
  • cm | 116.208.56.28 | ১৩ মে ২০১৫ ২২:৪৯676947
  • এটি আমার অতি প্রিয় গল্প।
  • dc | 116.208.9.69 | ১৩ মে ২০১৫ ২২:৪৯676093
  • নাস্তিক হিসেবে এগুলোর কোনটাই বিশ্বাস করিনাঃ

    ইশ্বর আছে।

    আফ্রিকায় বেগুনি জিরাফ আছে।

    থর মরুভূমির মাঝে একটা লুকনো জায়গায় একটা আইসক্রিমের পাহাড় আছে।

    ছেলেরা হেলেরা মঙ্গল আর মেয়েরা শুক্র গ্রহ থেকে এসেছে।

    এরকম আরো অনেক বাক্য।

    তাহলে এগুলোর মধ্যে কোনগুলোকে আমার ধর্ম বলবেন? ঃ-)
  • dc | 116.208.9.69 | ১৩ মে ২০১৫ ২২:৫৩676182
  • sm ঠিক বলেছেন, অনেক কিছুর প্রমান এখনো পাওয়া যায় নি। তাই সেগুলো হাইপোথিসিস বলা হয়।
  • sm | 233.223.159.253 | ১৩ মে ২০১৫ ২২:৫৪676193
  • ইশ্বর তাঁকে বিপদের দিনে বয়ে বেড়িয়েছেন!তাই পায়ের ছাপ পড়েনি।
    কিন্তু বিলিয়ন ডলারের প্রশ্ন হলো, ইশ্বর তাঁকে এত কষ্টের মধ্যে ফেললেন কেন? হোআই ? জবাব চাই, জবাব দাও।
  • কল্লোল | 111.63.198.137 | ১৩ মে ২০১৫ ২২:৫৬676204
  • প্রমাণ আর উত্তর দুটোর মূলগত ফারাক আছে।
    যমজরা মানুষ হিসাবে আলাদা হয়, এর প্রমাণ তো আছেই। কিন্তু কেন হয় তার ব্যাখ্যা/উত্তর আজ হয়তো নেই।
    আশা করি বোঝা গেলো।
  • sm | 233.223.159.253 | ১৩ মে ২০১৫ ২৩:০২676215
  • উঁহু! মানব না। এভোগ্রাদর হাইপোথিসিস নির্জলা সত্যি। কেলভিন স্কেল অনুযায়ী মহাবিশ্বে মাইনাস ২৭৩ ডিগ্রির নিচে কিছু থাকতে পারে না। তাবলে আমার ওপরের কোশ্চেন গুলোতে, বিজ্ঞান যে হাইপোথিসিস নামাবে , তা অভ্রান্ত নয়; ইটা আমার বিশ্বাস ।
    বিজ্ঞানের হাইপোথিসিস অনুযায়ী ই মহাবিশ্বে প্রাণ থাকা অসম্ভব নয়। হয়ত মানুষের চেয়েও অনেক অনেক বেশি উন্নত প্রাণী আছে। তাদের বিজ্ঞান হয়ত আমাদের মতন নয় ই।সুতরাং আমাদের বিজ্ঞান সব কিছু ব্যাখ্যা করে দেবে, এমন ভরসাও নাই।
  • dc | 116.208.9.69 | ১৩ মে ২০১৫ ২৩:০৮676237
  • সাধারনত উত্তর হলো একটা প্রাথমিক অনুমান বা হাইপোথিসিস। তারপর তার যদি অ্যাকাডেমিক ইন্ডিপেন্ডেন্টলি ভেরিফায়েবল প্রমান পাওয়া যায় তো তখন সেটা জেনারালি অ্যাকসেপ্টেদ থিওরি। আবার একটা থিওরি সব কিছুর সঠিক উত্তর দেবে তা নাও হতে পারে, সেই থিওরির কিছু লিমিটেশন থাকতে পারে। তখন সেই লিমিটেশন জানার জন্য আবার হাইপোথিসিস। এভাবেই এগনো। কিছুটা এম্পিরিকাল, কিছুটা র‌্যাশনাল।
  • Atoz | 161.141.84.175 | ১৩ মে ২০১৫ ২৩:০৮676226
  • অ্যাভোগাড্রো? মানে ঐ যে যার হাইপোথেসিস?
  • সিকি | 192.69.237.122 | ১৩ মে ২০১৫ ২৩:০৯676248
  • উত্তর আছে কি নেই জানি না, তবে ব্যাখ্যা আছে। বিহেভিয়ারাল সায়েন্সে এসব পড়ানো হয়। বিহেভিয়ার আর অ্যাটিট্যুডের তফাত, পার্সন টু পার্সন তার ভেরিয়েশন, যমজদের মধ্যে কমন রেইট আর আনকমন ট্রেইট, এই সব নিয়ে অনেক অনেক থিওরি হাইপোথিসিস আছে।

    একটা ছোট কারেকশন করে দিই, বানান ভুলে আমার ভয়ানক কষ্ট হয় ;-) বানানটা ঈশ্বর। দীর্ঘ ঈ। ইশ্বর নয়।

    যাক গে, এইসব আলোচনা টু সাম এক্সটেন্ট দার্শনিকতার দিকে চলে যাচ্ছে। আমরা কেউই পাঁড় ধার্মিক বা গোঁড়া বিশ্বাসী নই, মোটামুটি এইটুকু জানি। ধর্ম বা ঈশ্বরের ডেফিনিশনও একেক জনের কাছে একেক রকম। আমি শুধু জানতে চাইছি যাঁরা এখানে লেখালেখি করেন, তাঁদের মধ্যে যাঁরা ঘোষিতভাবে বা নীরব নাস্তিক - নিজের নিজের ডেফিনিশন অনুযায়ী, কীভাবে তাঁরা এই নাস্তিক্যের দিকে ঝুঁকলেন বা এখনও ঝুঁকে আছেন। কোনও বই, ছোটবেলার কোনও বিশেষ ঘটনা, পারিবারিক এনভায়রনমেন্ট, ধর্মীয় আবহে বড় হয়ে ওঠার বিপরীত প্রভাব - এই সব নিয়েই কে কীভাবে "নাস্তিক" হয়ে ওঠে, কীভাবে সো-কলড ধর্মবিশ্বাস ধর্মাচরণ থেকে আলাদা করে নেয় নিজেকে, সেইটা নিয়ে আলোচনা চাইছি।
  • সিকি | 192.69.237.122 | ১৩ মে ২০১৫ ২৩:১১676259
  • অ্যাভোগাড্রোর হাইপোথিসিস তখন হাইপোথিসিস ছিল যখন তা প্রমাণ করা সম্ভব হয় নি। যেমন গড পার্টিকল এতদিন হাইপোথিসিস ছিল। এখন সেটা ফ্যাক্ট।
  • dc | 116.208.9.69 | ১৩ মে ২০১৫ ২৩:১২676270
  • "সুতরাং আমাদের বিজ্ঞান সব কিছু ব্যাখ্যা করে দেবে, এমন ভরসাও নাই"

    সে তো একশোবার। মহামতি গোডেল সাহেব তো একথা কবেই প্রমান করে দিয়ে গেছেন।
  • dc | 116.208.9.69 | ১৩ মে ২০১৫ ২৩:১৫676282
  • সিকি ঠিক বলেছেন, ঈশ্বর। ক্ষমাপ্রার্থী ঃ-)
  • sm | 233.223.159.253 | ১৩ মে ২০১৫ ২৩:২১676293
  • এই যে সিকির বনাম ভুলে, একটা হাইপার সেনসিটিভ রিয়াকশন হয়। কোনো বিজ্ঞানের বাপ, এর ব্যাখ্যা দিতে পারবে? কিন্তু সিকি নিজের কাহানি কইলে ভালো হয়।আমরা মন দিয়া শুনুম। কিয়া ফেল্যাও দিহি ।
  • d | 116.79.163.32 | ১৩ মে ২০১৫ ২৩:২২676304
  • আমি আগে বলেছি তো। আমার বেঁচে থাকার জন্য ঈশ্বরের কোনও দরকার নেই, কোনও চরম খারাপ সময়েও লাগে নি।
  • dc | 116.208.9.69 | ১৩ মে ২০১৫ ২৩:২৩676315
  • হুঁ এবার অন্যরাও লিখুন, পড়ি।
  • সিকি | 192.69.237.122 | ১৩ মে ২০১৫ ২৩:২৬676326
  • লিখব। আজ অনেক রাত হয়ে গেছে। লিখব বলেই তো সুতো খুললাম :)
  • sm | 233.223.159.253 | ১৩ মে ২০১৫ ২৩:২৮676337
  • আমি ঈশ্বর আমাকে পক্ষপাত দুষ্ট হয়ে বিপদের হাত থেকে রক্ষা করুন, এর পক্ষপাতী।
  • হু | 101.185.15.121 | ১৩ মে ২০১৫ ২৩:২৯676348
  • আমার মা খুব ধার্মিক মানুষ। বাবা অতটা নন। সম্ভবত ছিয়াত্তর সালে পুরী বেড়াতে গিয়ে বাবা কোণার্কের মন্দির দেখে মুগ্ধ হন এবং তাঁর লটারীতে জেতা বারো রিলের ক্যামেরাটাতে হাত ভাঙা সূর্য ঠাকুরের ছবি তুলে আনেন। পুরীর এক কারিগরকে দিয়ে সেই ছবি অবলম্বনে একটি সূর্যমূর্তি বানানো হয়। মূর্তিটি অবশ্য হাত বিহীন নয়। জন্মাবধি দেখে আসছি বাবা স্নান সেরে ঐ মূর্তির পায়ে বাগানের একটি জবাফুল দিয়ে “জবাকুসুম সঙ্কাশং কাশ্যপেয়ং মহাদ্যুতিম ধন্বন্তরিং সর্বোপাপঘ্নং প্রনোতহস্মি দিবাকরম ” বলে প্রণাম জানান। ছোটবেলায় পুরাণের গল্প পড়তে খুব ভালবাসতাম। তখন বীরপুজোর বয়েস। মহাভারতে প্রিয় চরিত্র অর্জুন। দেবতাদের মধ্যে সবচেয়ে প্রিয় বিষ্ণু। মা যখন রান্নায় ব্যস্ত তখন বাবা বলতেন বিষ্ণু-শিব এরা আসলে কেউ নেই। সূর্যের জন্যই এই পৃথিবীতে প্রাণ আছে। আর রোজ সকালে সূর্যকে দেখাও যায়। তাই সূর্যই একমাত্র দেবতা। বাবার যুক্তি আর মা-দিদার ব্রতকথার লড়াইতে আমার গল্পপিপাসু মন তখনকার মত ব্রতকথাকেই জিতিয়ে দিয়েছিল। তারপর আরেকটু বড় হলে পরে এসব নিয়ে আর মাথা ঘামাই নি। বাড়িতে পুজো হলে চন্দন ঘসে দিতাম, দূর্বা বেছে দিতাম, আলপনা দিতাম, পুজোর শেষে ঠাকুর প্রণাম করতাম। মনে তখনও সংশয় জাগে নি। বাবা পুজোর সময় থাকতেন না বলে মায়ের নিত্য অনুযোগকেও তখনও ব্যাক্তির অধিকারে হস্তক্ষেপ মনে হত না।

    আমি যখন ক্লাস এইটে সেই বছর বিদ্যাসাগরের মৃত্যুর শতবর্ষ উপলক্ষ্যে একটি প্রবন্ধ প্রতিযোগিতায় বাবা আমার নাম দিয়ে দেন। প্রবন্ধটিও বাবাই লিখে দেন। সেই প্রবন্ধ উগরে দিয়ে আমি ঐ প্রতিযোগিতার জেলাস্তর ও রাজ্যস্তর দুটিতেই প্রথম পুরস্কার পাই। সেই বয়সে মনে রাখার ক্ষমতা ভাল ছিল, হাতের লেখার স্পীডও ছিল রীতিমত সন্তোষজনক। এক ঘন্টায় দশপাতা লিখে ক্লান্ত হতাম না। এইটুকু ছাড়া ঐ পুরস্কারে আমার কোন অবদান ছিল না। বাড়ির লোকে খুব খুশী হলেও আমার মনে গ্লানি জন্মাচ্ছিল। তাই পরের বছর বৈদ্যবাটিতে যখন একটি প্রবন্ধ প্রতিযোগিতার আয়োজন হল, আমি তাতে যেচে নাম দিলাম। এবারের বিষয়টি ছিল ক্লিশে – “বিজ্ঞান ও কুসংস্কার”। কিন্তু নিজেকে প্রমাণ করার তাগিদ প্রবল। বিদ্যাসাগরের প্রতিযোগিতাটিতে পুরস্কার পেয়েছিলাম বিষ্ণু প্রভাকরের লেখা শরৎচন্দ্রের জীবনী “ছন্নছাড়া মহাপ্রাণ”। বইটা পড়তে খুব ভালো লাগে, কিন্তু যতবার হাতে নিই মরমে মরে যাই। আমি চাইনি অন্যের লেখা লিখে প্রাইজ পেতে।।। কিন্তু ওরা যে জোর করে নাম দিয়ে দিল।।। আর আমি তো তখনও শিখি নি অবাধ্য হতে। এই প্রবন্ধ আমায় একা লিখতে হবে। দেখি প্রাইজ পাই কিনা।

    তখন রেফারেন্স বলতে তো ছিল আনন্দমেলা। তাছাড়া লাইব্রেরীতে যুক্তিবাদী সমিতির কিছু বই পাওয়া যেত। সে সব ঘেঁটে তৈরী করলাম আমার প্রবন্ধ। জেলা বা রাজ্যস্তরে যাওয়ার মত হয় নি। কিন্তু বৈদ্যবাটির ছোট গন্ডীর নিরিখে খুব খারাপ ছিল না সেই লেখা। প্রথম পুরস্কার এল। এবারেও বাড়ির সবাই খুব খুশী হল। আমিও খুশী হলাম সত্যিকারের। শুধু আত্মবিশ্বাস না, আমার মধ্যে আরো কিছু পরিবর্তন এসে গেল এই প্রতিযোগিতার হাত ধরে। আমি যা লিখেছিলাম তার প্রতিটি কথা বিশ্বাস করেছিলাম। এই কথাটার মধ্যে নতুনত্ব নেই। মানুষ নিজের লেখাকে বিশ্বাস করবে এটাই তো স্বাভাবিক। কিন্তু পরে দেখেছি স্বাভাবিক জিনিস যে ঘটতেই হবে এমন কোন মানে নেই। মানুষ একরকম বলতেই পারে, লিখতেই পারে, এমনকি শেখাতেও পারে, কিন্তু নিজের জীবনে তাকে অনুসরন করার দায়বদ্ধতা তার নাও থাকতে পারে। আমার সেই পনেরো বছর বয়সে দায়বদ্ধতা বড় বেশি ছিল।

    তাই কিছুদিন পরেই মা যখন আমার জন্য মুক্তো, চুনী আর অ্যামেথিস্ট বসানো একটা তাবিজ এনে দিল, আমি বিস্ময়ে চুপ হয়ে গেলাম। আমি জ্যোতিষ নিয়ে ব্যঙ্গ করে প্রবন্ধ লিখে প্রাইজ পেয়েছি, সেই প্রাইজ নিয়ে বাড়ির সবাই আনন্দ করেছে, আর সেই আমাকে জ্যোতিষীর দেওয়া তাবিজ পরতে বলা হচ্ছে? এমনটা করা যায়? এই প্রবন্ধ আমি মা-কে পড়িয়েছিলাম। মা লেখার স্টাইলের সমালোচনা করেছে, কিন্তু কনটেন্ট নিয়ে তো কিছু বলেনি! লেখাটা তাহলে শুধু প্রাইজ পাওয়ার জন্য ভালো ছিল, ওর মধ্যে সত্য ছিল না কিছু? ভীষন রাগে আমি সেই রত্ন বসানো তাবিজ ছুঁড়ে ফেলে দিই। মা-র সাথে কথা বন্ধ থাকে কিছুদিন। আমি চলে যাই হোস্টেলে। সপ্তাহান্তে বাড়ি ফিরলে বাবা বলে মা-র ঘুম নষ্ট হয়ে গেছে, সারা রাত আমার কোন অনিষ্ট হবে এই চিন্তায় ছটফট করে। মায়া হয়। কুড়িয়ে নিই তাবিজ। নিজের হাতের দিকে তাকাতে পারি না। মরমে মরে যাই। বিষ্ণু প্রভাকরের বইটার দিকে চাইলে যেমন হয়। মায়ের ঘুম ফিরে আসে।

    গোটা কলেজ জীবনে এমন একটি মানুষেরও দেখা পাই নি যে আমার মত করে এই কথাগুলো ভাবতো। যারা ভাবতো তাদের সাথে হয়তো কথাই হয়নি কখনও। ক্রমশ আত্মবিশ্বাস কমেছে। আমার ভাবনাগুলো ভুল – এমন ধারনার সপক্ষে যুক্তি পাই নি কোনও। কিন্তু পাশেও পাই নি কাউকে। ঈশ্বর হয়তো বা আছেন – “আজি ঝড়ের রাতে তোমার অভিসার, পরানসখা বন্ধু হে আমার” – বন্ধু আছে কেউ এই আশ্বাস বড় স্বস্তির। কিন্তু সেই বন্ধু পয়সা দিয়ে কেনা পুজোর ডালার বিনিময়ে আমায় ভালোবাসবে এই ভাবনা যে খুব ছোট ভাবনা। কাউকে ভালোবাসলে তার সম্পকে একথা ভাবা যায়? আমি না ভাবলেও জগৎ এভাবেই চলে। বাড়ির পুজোয় কাজ করে দিই, পুজোর সময়টাতে অন্যকাজের অছিলায় সরে যাই, জোর করে অঞ্জলী দেওয়ালে মনে মনে আওড়াই – “অন্তর মম বিকশিত কর, অন্তরতম হে”। তবু কিছুতেই মুখ ফুটে বলতে পারি না – মানি না এসব। ভয় হয়। একা হয়ে যাওয়ার ভয়।

    ২০০৬ সালের আগে আমি এমন কোন মানুষকে সামনাসামনি দেখি নি যে প্রকাশ্যে নিজেকে নাস্তিক বলে বেড়ায়। আমার নিজেকে নাস্তিক বলতে ভালো লাগে না। “পরাণসখা বন্ধু”র জন্য লোভ হয়। এখন আর আত্মবিশ্বাসের অভাব নেই। এই নাস্তিক বা আস্তিক বলে ঘোষনাটাও তাই অপ্রাসঙ্গিক হয়ে গেছে। যদি বা কোন ঈশ্বরের প্রয়োজন পড়েও কোনদিন তাহলেও তা বৌদ্ধিক লেভেলে কাজে দেবে, বস্তুগত ভাবে নয়। তবে ঈশ্বর আলোচনা অপ্রাসঙ্গিক হলেও ধর্ম আলোচনার ক্ষেত্রে সে কথা বলা যায় না। যে কোন অর্গানাইজড রিলিজিয়নেরই একটা বিধ্বংসী ক্ষমতা আছে। সেই ক্ষমতাকে উপেক্ষা করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়। অর্গানাইজড রিলিজিয়ন বিরুদ্ধমতকে সহ্য করতে পারে না। শুধু পান্ডারা নয়, সাধারণ মানুষেরাও। আমার মা আজও আমাকে কনভার্ট করার আশা ছাড়েন নি। আমি অবশ্য মাকে কনভার্ট করার আশা রাখি না। এটাও মনে হয়না অর্গানাইজড রিলিজিয়ন কোনদিন পৃথিবী থেকে উঠে যাবে। খুব স্বাভাবিক ভাবেই পৃথিবীতে কোনদিন শান্তি ফিরবে এমনও ভাবি না। এমন দিন অতীতে কখনও ছিল না। ভবিষ্যতেও না আসার সম্ভাবনাই বেশি।
  • dc | 116.208.9.69 | ১৩ মে ২০১৫ ২৩:৩০676359
  • sm, আমিও :d
  • sinfaut | 127.195.42.165 | ১৩ মে ২০১৫ ২৩:৩১676370
  • আমাকে ল্যাপলাস বলেছিল, গড ইজ অ্যান আননেসেসারি ভ্যরিয়াবল। বা অমন কিছু। এখনো নেসেসিটি কিসু খুঁজে পাই নাই।
  • sinfaut | 127.195.42.165 | ১৩ মে ২০১৫ ২৩:৩৬676381
  • আর একটা কথা বলি, আমার যে বন্ধুরা ধার্মিক মুসল্মান ছিল, তাদের বাড়িতে বারন করত আমার সাথে যাতে বেশি না মেশে। তাতে এক বন্ধু লজা পেয়ে তার মাকে প্রশ্ন করেছিল, কেন ছেলের নাস্তিক হওয়ার ভয়টাই করছে তার মা, কেন আমার ধর্মবিশ্বাসী হবার আশা করছে না।
  • Tim | 101.185.15.121 | ১৩ মে ২০১৫ ২৩:৫৬676393
  • ইসে, ঈশ্বর কেন পক্ষপাতদুষ্ট হবেন?
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত