ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • সন্ত্রাসবাদীর কোন ধর্ম হয় কী ?

    রুদ্র
    অন্যান্য | ১৭ ডিসেম্বর ২০১৪ | ২৩২৮ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • রুদ্র | 59.203.186.80 | ১৭ ডিসেম্বর ২০১৪ ০১:৩৯655615
  • সন্ত্রাসবাদের ভয়াবহ রূপ। যতবার ভাবছি শিউরে উঠছি। শিশুহত্যা করতে এতটুকু হাত কাঁপল না? এটা ইসলাম হলে ইসলামের বিনাশ চাই।
  • ranjan roy | 131.245.144.79 | ১৮ ডিসেম্বর ২০১৪ ০৫:৪৯655726
  • না, এটা ইসলাম নয়। যারা মরেছে তারাও তো ইস্লাম। মৃতদের দেশও ইসলাম। বেকারি কান্ডে যখন বাচ্চাবুড়ো দের ধরে ধরে অগ্নিকুন্ডে ফেলা হয়েছে তখনো হিন্দুধর্মের বিনাশ চাইনি।
    যারা ধর্মের জিগির তুলে নারকীয় হত্যাকান্ড চালায় তারা সেই ধর্মের সঠিক প্রতিনিধিত্ব করে না।
    যেমন নরমুন্ডের পাহাড়ে বসে থাকা খমের রুজ মার্ক্সবাদের সঠিক প্রতিনিধি নয়।
  • PM | 132.52.254.242 | ১৮ ডিসেম্বর ২০১৪ ০৭:৪১655740
  • রুদ্র, বরং বলুন এটা ধর্ম হলে ধর্মের বিনাশ চাই
  • dd | 132.171.71.105 | ১৮ ডিসেম্বর ২০১৪ ০৮:১৭655751
  • আমি এই ধরনের মিষ্টি মিষ্টি আপ্তবাক্য কখনো বুঝে উঠতে পারি নি।

    ধর্মের নামে সন্ত্রাস করলে অবকোর্স সন্ত্রাসের ধর্ম আছে। কারন ধর্মেই সন্ত্রাস আছে।জলগাঁওতে হিন্দু সন্ত্রাসবাদী ছিলো, মুস্লিম সন্ত্রাসের আর বেশী করে এগজাম্পোল দেওয়া যাবে না, কণিষ্ক বিমান ধ্বংশ করেছিলো শিখ সন্ত্রাসবাদী, ইঃ।

    ধর্মকে ডিফেন্ড করার কোনো নেকুপুষু কারন আমি বুঝি না।

    আরেকটি আপ্তবাক্য পড়লে মোজা জ্বলে যায় যে ইসলাম তো শান্তির কথাই বলে বা জিহাদ মানে তো নিজের সাথেই লড়াই এইসব ফালতু কথা।

    ফেসবুকে দেখলাম আসিফ মহিউদ্দীন বলে একজন একটা পোস্ট করেছেন, আমাদের ইমরেনদা তাতে কমেন্ট করেছেন।খুব ইচ্ছা করে সকলকে ডেকে ডেকে পড়াই কিন্তু আসিফ বাবুকে চিনি না, তাই ধাঁ করে কপিপেস্ট কল্লেম না।
  • dd | 132.171.71.105 | ১৮ ডিসেম্বর ২০১৪ ০৮:২৩655762
  • কল্লোল একটা বই পড়তে দিয়েছিলো"ইসলামের নব্য পঠন" নামে। খুব উৎসাহ নিয়ে পড়তে গিয়ে দেখি, ধুস সালা। এ সেই একই ভ্যাজর ভ্যাজর। মানে ঐ কোরাণ আসলে একটা শান্তির ম্যানুয়াল শুধু কান্নিক খেয়ে ইন্টারপ্রেট কল্লেই আসোল তথ্য বেড়িয়ে আসবে।হিংসা টিংসার কোনো সীনই নেই। এইসব মোজা জ্বালানিয়া আদ্যোপান্ত মিথ্যাকথার বক্তব্য।

    আমার খুব বিশ্বাস বাংলাদেশের যারা জন্মসুত্রে মুসলিম আর এখন "নাস্তিক" নামে চিহ্নিত তারাই এ বিষয়ে পথিকৃত হবে। সোজাসুজি কোরান অলংঘনীয় নয় , সভ্যতার আইন না মানলে সেটা ঈশ্বরের বাণী নয় - হলেও সেই ঈশ্বরের দরকার নেই -এ কথা চিৎকার করে বলবেন।

    বিশ্বাস আছে আর ভাবতেও ভালো লাগে।
  • PM | 132.52.254.242 | ১৮ ডিসেম্বর ২০১৪ ০৮:২৮655773
  • যথারীতি পাকিস্তনের একটা অংশ ভারতকে দায়ী করছে। সমস্যাটাই বুঝতে চায় না তো সমাধান করবে কি করে?

    http://m.ibtimes.co.in/peshawar-attack-some-pakistanis-blame-india-massacre-school-children-617408



    তবে একটা সেকসন ওখানে দাবী করেছে মাদ্রাসা কন্ট্রল করতে বা বন্ধ করতে। এটা ভারতে এখনো কেউ সেভাবে দাবী করে নি, বা করতে পারে নি
  • Arpan | 125.118.26.183 | ১৮ ডিসেম্বর ২০১৪ ০৮:৪৬655795
  • ধর্মগ্রন্থের টেক্সট পাঠ নিয়ে বিতর্ক পরে হলেও চলবে। আগে এই ধরণের ভাবনাগুলি উঠে আসা জরুরি।

  • Arpan | 125.118.26.183 | ১৮ ডিসেম্বর ২০১৪ ০৮:৫০655806
  • " ন্যাশনাল অ্যাসেমব্লিতে নওয়াজ শরিফ নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান মুসলিম লিগ -এর নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা সত্ত্বেও তালিবানদের বিরুদ্ধে চড়ান্ত পদক্ষেপ করা বার বার পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে৷ আর তেহরিক -এ -ইনসাফ -এর নেতা ইমরান খান তো তালিবানকে বিপদ হিসেবে চিহ্নিত করতেই নারাজ৷ খাইবার পাখতুনখোয়া রাজ্যে তাঁর দলেরই সরকার৷ তাঁর দলের মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন পেশোয়ারে তালিবানরা অফিস খুলতে চাইলে জায়গা দেওয়া হবে৷"

    - এই জায়গাটাই সবচেয়ে উদ্বেগের।
  • শ্রী সদা | 190.151.42.87 | ১৮ ডিসেম্বর ২০১৪ ০৮:৫৮655616
  • ডিডিদাকে ক। সব ধর্মই ভালো শুধু কিছু মানুষ বাজে - টাইপের ন্যাকা**মি বন্ধ হোক।
  • dd | 132.171.71.105 | ১৮ ডিসেম্বর ২০১৪ ০৯:০৯655627
  • ডন পত্রিকা নিয়মিত না পড়লেও প্রায়ই পড়ি। এরকম সোজা সাপটা লেখা বেশ অনেক বার পড়েছি।

    দু একটা লেখা পড়ে তজ্জব বনে যাই। পাকিস্তানে বসে এরকম লেখা লিখতে কতোটা বুকের পাটা লাগে তাই ভাবি। মাথার উপরেই তো ব্লাসফেমী খাঁড়া ঝুলছে। তাও এরা লেখেন আর ডন সেগুলো ছাপে। বাংলাদেশে মহম্মদ বেগুন না কি একটা কার্টুন এঁকে কি হেনস্থা হয়েছিলো সে তো সবারই জানা। ঠিক ওরকম ই একটা ঠাট্টার লেখা পড়েছিলাম ডনে।

    আমাদের হিন্দুস্তানেও অমন সাহসী লেখা মেইনস্ট্রীম পত্রিকায় ছাপাতে সাহস পাবে না সম্পাদকেরা।

    আমাদের সারাক্ষন "আহা উহু" করা হিলেলিরা মাঝে মধ্যে ডন পড়তে পারেন।
  • PM | 131.97.75.56 | ১৮ ডিসেম্বর ২০১৪ ০৯:১১655638
  • এই সব সন্ত্রাসী আন্দোলন সরাসরি যা ক্ষতি করার তা তো করছেই, দীর্ঘ্য স্থায়ী ক্ষতি হল এরা সমাজের লিবারাল অংশকে কোনঠাসা করে ফেলছে
  • PM | 132.52.254.242 | ১৮ ডিসেম্বর ২০১৪ ০৯:১৩655649
  • ডিডি দা এক্সপ্রেস ট্রিবিউন টাও পড়ুন মাঝে মধ্যে
  • lcm | 118.91.116.131 | ১৮ ডিসেম্বর ২০১৪ ০৯:৫২655660
  • ধর্ম খারাপ না। ধর্মীয় মানুষেরাও খারাপ না।
    সন্ত্রাস খারাপ।

    রাজনীতি খারাপ না। রাজনীতিবিদরা খারাপ না।
    সন্ত্রাস খারাপ।

    বিপ্লব খারাপ না। বিপ্লবীরা খারাপ না।
    সন্ত্রাস খারাপ।

    হালে শিশু হত্যা বেড়েছে।

    During the last decade, it is estimated that:
    - 2 million children killed;
    - 4.5 million disabled;
    - 12 million left homeless;
    - more than 1 million orphaned or separated from their parents;
    - around 10 million psychologically traumatized

    ইদানীংকালে যুদ্ধ বা যে কোনো ধরনের লড়াই-এ সাধারন মানুষের মৃত্যুর হার বাড়ছে।
    যেমন, অষ্টাদশ, উনবিংশ, এমনকি বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকেও - মোট মৃতের অর্ধেক হত সিভিলিয়ান। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মৃতের ৬৬% ছিল সাধারণ মানুষ। ১৯৮০-র পর থেকে যুদ্ধে মৃতের ৯০% হল সাধারণ মানুষ।

    Families and children are not just getting caught in the crossfire, they are also likely to be specific targets. This is because many contemporary struggles are between different ethnic groups....
    When ethnic loyalties prevail, a perilous logic clicks in.

    Killing adults is not enough; future generations of the enemy—their children—must also be eliminated.

    As one political commentator expressed it in a 1994 radio broadcast before violence erupted in Rwanda, "To kill the big rats, you have to kill the little rats."
  • সিকি | 135.19.34.86 | ১৮ ডিসেম্বর ২০১৪ ০৯:৫৯655671
  • ডিডিদা, আসিফ মহিউদ্দিনই সেই ব্লগার যাকে প্রথম আলো পত্রিকায় কার্টুন আঁকার অপরাধে বাংলাদেশের পুলিশ জেলে পুরেছিল - ব্লাসফেমির অপরাধে। আসিফের বি এই বছরেই তো বেরিয়েছে গুরুচন্ডালির চটি হিসেবে - আমার কারাবাস।
  • . | 132.248.182.50 | ১৮ ডিসেম্বর ২০১৪ ১১:১৩655682
  • ডিডি র কথায় মোজা জ্বলল- সব ধর্মই সমান - কেউই হিংসা শেখায় না - মানুষ ভুল ব্যাখ্যা করে। উনি যতই ভুল বোঝানোর চেষ্টা করুন না কেন।
  • Du | 230.225.0.38 | ১৮ ডিসেম্বর ২০১৪ ১১:৫৮655693
  • পরিচয় হিসেবে ধর্ম - বিভিন্ন আর্থিক অবস্থার লোক এর মধ্যে দিয়ে একাত্ম বোধ করতে পারে - ঠিকাছে। এক লেভেলের অ্যাবস্ট্রাকশন। দেশ টেশও আরেকটা।

    মনে হয়, আপাততঃ নিজেকে শুধু মানুষ ভেবে একাত্ম হওয়াটাই যথেষ্ট। ধর্ম, পরিচয় হিসেবে পুরোপুরি শেলফ লাইফ শেষ করে ফেলেছে।
  • সিকি | 135.19.34.86 | ১৮ ডিসেম্বর ২০১৪ ১২:২৪655704
  • ঠিক কথা।
  • শ্রী সদা | 113.19.212.22 | ১৮ ডিসেম্বর ২০১৪ ১২:২৮655715
  • ফেবুতে আসিফের স্ট্যাটাসগুলোর কমেন্ট সেকশনটা এক একটি খনি বিশেষ। বাংলাদেশের গাদা গাদা লোক, তার মধ্যে অর্ধেকের ফেক অ্যাকাউন্ট, বাছা বাছা বাংলাদেশী গালাগাল আর দেশে ফিরলে মেরে ফেলার হুমকি দিতে থাকে। নির্মল পুরো ঃ)
  • Reshmi | 129.226.173.2 | ১৮ ডিসেম্বর ২০১৪ ১২:৩০655727
  • "সব ধর্মই সমান - কেউই হিংসা শেখায় না - মানুষ ভুল ব্যাখ্যা করে", তো এই ভুল ব্যাখ্যা করা মানুষের সংখ্যা ক্রমশই বাড়তে থাকছে কেন? আজকের পৃথিবীতে ধর্ম থাকার কারণে কতটা ভাল হচ্ছে আর তার "ভুল ব্যাখ্যা" করার কারণে কতটা ক্ষতি হচ্ছে মানবজাতির তার তুলনামূলক বিচার কেউ করেছে?

    ধর্ম ছাড়াও অন্যান্য কারণেও হানাহানি, চূড়ান্ত হিংসাত্মক ঘটনা ঘটে এই সব প্রসঙ্গ আবার কেউ দয়া করে টেনে আনবেননা।
  • সিকি | 131.241.127.1 | ১৮ ডিসেম্বর ২০১৪ ১২:৩৪655731
  • হ্যাঁ, আসিফের পোস্টের কমেন্টগুলো পুরো খনি। একধারসে শুধু মেরে ফেলার হুমকি, আর মা বোন তুলে উদ্দাম খিস্তি। কারণ? কারণ আসিফ নাস্তিক। :)
  • শ্রী সদা | 113.19.212.22 | ১৮ ডিসেম্বর ২০১৪ ১২:৪০655732
  • এবং এই পরিমাণ ঘৃণার জন্ম শুধুমাত্র ধর্মবিশ্বাসের কারণে। ইসলাম আর নাস্তিকতা মিউচুয়ালি এক্সক্লুসিভ, এতএব ইহা সহি ইসলাম নয় ইত্যাদি বালছাল বকার ও জায়গা নেই।
  • lcm | 118.91.116.131 | ১৮ ডিসেম্বর ২০১৪ ১৩:৪৮655733
  • পাকিস্তানের ঘটনা ঠিক ইসলাম ভার্সেস নন-ইসলাম কনফ্লিক্ট নয়। ঘাতক এবং নিহত - দুপক্ষই মুসলিম।
    বেশ কয়েক বছর আগে, ন্যাশনাল জিও-র একটি সংখ্যার বিষয় ছিল পাকিস্তান। পাকিস্তানে উত্তর-দক্ষিণ বরাবর মাটির নীচে একটা আর্থকোয়েক ফল্ট লাইন আছে, একদম মাঝ বরাবার। লেখক বলেছিলেন, মাটির নীচে একটি ভাগ থাকলেও, মাটির ওপরে তিনটে ভাগ। ক্ষমতার তিন ভাগ - থ্রি পিলার্‌স অফ পাওয়ার - পলিটিশিয়ান, মিলিটারি, রিলিজিয়াস লিডার্স (প্রত্যেক ভাগে ৩৩.৩৩%) । এই কনফ্লিক্ট, এটা বহুদিনের সুপ্ত জিনিস, মাঝে মধ্যে চেগে ওঠে।

    একটু অন্য লেভেলে একই জিনিস হয়ে চলেছে মিড্‌ল ইস্টে, বিভিন্ন ইসলামিক গোষ্ঠীর মধ্যে অন্তর্দ্বন্দ।

    অন্যান্য ধর্মের মতন ইসলামেরও অনেক ভাগ,


    খ্রীশ্চানদেরও হাজারো ব্রাঞ্চ - তাদের মধ্যে মারপিট লড়াই হয়েছে এক সময়


    তুমি আমার ভাষায় কথা বলো না, আমার মতন দেখতে না, আমার পাড়ার লোক নও --- স্রেফ এইসব যুক্তি দেখিয়ে আফ্রিকাতে লক্ষ লক্ষ মানুষ কচুকাটা হচ্ছে। যেভাবে ব্যাঙ্গালোরে নর্থ-ইস্টের লোকজন, মুম্বাই-এ বিহারী লোকজন আতংকিত হয়েছে।

    অর্থাৎ, ধর্মের অবলুপ্তি মানে মানুষে মানুষে কনফ্লিক্ট কমে যাওয়া নয়। কনফ্লিক্ট কমে গেল। ইন ফ্যাক্ট, যত মানুষ ধর্মীয় সংঘর্ষে মারা যান, তার অনেক গুণ মারা গেছে রাজনৈতিক সংঘর্ষে (লোকাল মারপিট থেকে, দেশে দেশে যুদ্ধ)। আর অধিকাংশ ধর্মীয় সংঘর্ষও পলিটিক্যাল তো বটেই, পাওয়ার গেম।

    সিম্প্‌ল ধর্মভীরু মানুষ পাওয়ার গেমে নাই। তাই তাদেরকে ছেড়ে দিন। তারা শুধুই বোড়ে। নাস্তিক মানুষও বোড়ে। সবাই বোর্ডেই আছে।
  • শ্রী সদা | 113.19.212.22 | ১৮ ডিসেম্বর ২০১৪ ১৬:০০655734
  • ধর্ম না থাকলে এই মানুষগুলোকে ব্রেনওয়াশ করে একে অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামানো অনেক কঠিন হতো। দেশে-দেশে যুদ্ধে মানুষ মারা যায় বলে ধর্মের নামেও মানুষ মারা হবে এটা কোনো যুক্তি হতে পারেনা।
  • Tim | 101.185.27.109 | ১৮ ডিসেম্বর ২০১৪ ১৬:১১655735
  • এলসিএমদার সাথে একমত নই। সিম্পল ধর্মভীরু মানুষ আর নাস্তিক মানুষ একরকম বোড়ে নয়। একটা পোটেন্শিয়াল পার্টিসান, হহপা জিহাদী (কনভার্সন রেট যেমনই হোক) আরেকটা প্যাসিভ বোড়ে, তারা মরলে প্রতিপক্ষ চাপ খাবে। প্রথম গ্রুপটা না থাকলে কিছুটা উন্নতি তো হবেই, বোড়ে কম পড়বে ইত্যাদি।
  • সিকি | ১৮ ডিসেম্বর ২০১৪ ১৬:২৮655739
  • এলসিএমদা কে একটা প্রশ্ন - থিওরি ঠিক আছে। ইতিহাস ঠিক আছে। কিন্তু এই অসিফকে মারবে বলে যে লোকগুলো খড়্গহস্ত হয়ে আছে, বা তসলিমার গলা কাটবে বলে যে লোকগুলো বাংলাদেশে রেডি হয়ে আছে - তারা কি তোমার এই তত্ত্ব, এই ইতিহাস জানে? জানবে কোনওদিন? ৩৩%-এর যে তত্ত্ব সেটা পাকিস্তানের জন্য মানা গেলেও যেতে পারে, বাংলাদেশে? থাবা বাবাকে বেমালুম খুন করে দিল জাস্ট নাস্তিক হবার অপরাধে।

    ইতিহাস দেখলে এটাও দেখা যায়, এই ইসলাম, খ্রিস্টান এই সব ধর্মের বিস্তার একটা সময়ে ঘটেছিল সাম্রাজ্যবিস্তারের স্বার্থে। পলিটিকাল স্বার্থে। সম্রাট নিজের স্বার্থে চার্চকে তোষণ করেছেন, বিজিত দল, বিজিত দেশের অ্যাবরিজিনরা খ্রিষ্টধর্ম নিয়েছে। সাম্রাজ্যবিস্তারের লক্ষ্য থেকে আজকের খ্রিষ্টধর্ম সরে এসেছে অনেক দিনই হল, কিন্তু ইসলাম সরে নি। ইসলাম আজও সাম্রাজ্যবিস্তারের চেষ্টা করে। দুনিয়াকে ইসলাম ধর্মাবলম্বীতে ভরিয়ে দেবার জন্য তারা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তারা মানে ইসলাম যারা অক্ষরে অক্ষরে মানে, তারা। এর জন্য যা করতে হয়, তাই সহি। বিধর্মীকে ইসলাম নিতে বলো, রাজি না হলে তার গলাটা কেটে ভিডিওতে তুলে ইউটিউবে আপলোড করো, বিধর্মী মেয়েদের ধর্ষণ করো, পুরুষ দাড়ি না রাখলে চাবুক মারো, নারী বুরখা না পরলে পাথর ছুঁড়ে মারো, গত কয়েক দশকে নারকীয়তম, বীভৎসতম যত হত্যালীলা দেখেছি আমরা, সবই হয়েছে ধর্মের নামে, হিন্দুধর্মের নামে, ইসলামের নামে।

    তাত্ত্বিকরা বলবেন, এ আসল হিন্দুইজম নয়, এ সহি ইসলাম নয়। ঈশ্বর বা আল্লা কখনওই এমনটি করতে বলে যান নি, ভুল ইন্টারপ্রিটেশন, কিন্তু তাতে করে মৃত নিরীহ মানুষগুলোর প্রাণ ফেরে না।

    বেসিকালি, সন্ত্রাসবাদ আর ধর্মবিশ্বাস যে সমার্থক নয়, তার জস্টিফিকেশন বারে বারে ইসলামকেই দিতে হয়। অন্য ধর্মের ক্ষেত্রে সেগুলো ফ্যানাসিজম, এক্সেপশন হিসেবে চিহ্নিত হয়, শুধু ইসলাম ধর্মে হয় না। কখনও বলা হয় না - সব হিন্দুই টেররিস্ট নয়, কখনও বলা হয় না, সব খ্রিষ্টানই টেররিস্ট নয়, সব শিখই টেররিস্ট নয়, কিন্তু আলাদা করে বিশ্বজুড়ে ঘোষণা করতে হয়, সব মুসলমানই টেররিস্ট নয়।

    খুব বিধ্বংসী ক্ষমতা আছে এই ইসলাম ধর্মের। আর যত রকমের কারণ আছে, সে সব পরে ভেবে দেখলেও চলবে, কিন্তু এই মুহূর্তে আমার মেয়ের স্কুল, আমার পাড়ার মল, আমার এলাকার বাজার পোটেনশিয়াল থ্রেট শুধুমাত্র ধর্মীয় টেররিজমের দ্বারা - আর কোনও পলিটিকাল বা জিওগ্রাফিকাল কারণে নয়।
  • সিকি | ১৮ ডিসেম্বর ২০১৪ ১৬:৪৮655741


  • তারেক ফাতাহ্‌র ফেসবুক পোস্ট থেকেঃ

    At a funeral service for the children who died at great hands of the Taliban, a newly minted banner on the mosque wall has hate all over. It reads:

    "The Blood of innocent children
    will Allah-willing turn
    India, America and Israel into dust."
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভেবেচিন্তে মতামত দিন