• টইপত্তর আলোচনা
  • কুমুদির রোমহর্ষক গল্পসমূহ

    Abhyu
    বিভাগ : অন্যান্য | শুরু: ১০ জুলাই ২০১৪ | শেষ মন্তব্য: ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০ | ৩৯৫* বার পঠিত

  • পাতা : 1 | 2 | 3 | 4 | 5 | 6 | 7 | 8 | 9 | 10
  • commentkumu | 11.39.33.145 | ১৮ জানুয়ারি ২০১৬ ১৫:১০
  • দে একবার ১৬ জানুয়ারী ১১ ২৬ দেখো।
  • commentd | 144.159.168.72 | ১৮ জানুয়ারি ২০১৬ ১৬:০৭
  • গান্ধারীর আবেদন কব্বে পাবলিশড
  • commentde | 69.185.236.51 | ১৮ জানুয়ারি ২০১৬ ১৬:১৮
  • এই দেখলাম কুমুদি - ঃ))

    তারপর ফিরে গিয়ে আবার হুতোর ছবিতে চেকালাম -

    হ্যাঁ, সেই কপালের ওপর যে চুলের গুছি ঝাঁকিয়ে ঝাঁকিয়ে উনি পড়াতেন - ঠিক সেই!!!!

    পীড়ের দয়া হুতোর ওপর বড়ই প্রবল হচ্ছে!
  • commentrabaahuta | 215.174.22.26 | ১৮ জানুয়ারি ২০১৬ ২২:০২
  • একটা জিনিস বুঝলাম না, চোর পিওন হয়ে গেল বলেই সাধারন চোরের গল্প থেকে অন্য মানবিক উজ্জ্বলতা হলো?

    ন্যান, আমি একটা গল্প লিখলামঃ এক চোর ছিল। তার নাম ছিল তস্করলাল। সে চাকরীর পরীক্ষা দিয়ে পিওন হলো। তার নাম হল দপ্তর খান। যাহ, উজ্জ্বল হলো না তো।

    পুলিশ করে দেখতে হবে, যদি একটু উজ্জ্বল হয়।

    আর হলো গিয়ে, কুমুদির কলমের জোরের এক ছিঁটে কৃতিত্বও কোন স্পেসিফিক জায়গাকে দিতে আমি রাজি নই। ডিফু কিংবা ধর্মনগর নির্বিশেষে কুমুদির কলম একই রকম উপাদেয় হতো বলে আমার ধারনা।
    একই ধারনা দিল্লীবাসী অন্য প্রিয় লেখকের সম্পর্কেওঃ)
  • commentসে | 198.155.168.109 | ১৮ জানুয়ারি ২০১৬ ২২:০৯
  • কুমুদিদির ভাই দে র গুরুদেব ছিলেন! নতুন তথ্য জানলাম।
  • commentKaju | 131.242.160.210 | ২০ জানুয়ারি ২০১৬ ১৪:৩৯
  • চোর পিওন হল বলে মানবিক উজ্জ্বলতা কোথায় বলেছি? চোরকে যথারীতি পেটানি দেয়া বা পুলিশের হাতে তুলে দেবার বদলে তাকেও ভালো হবার একটা সুযোগ দেয়া বা কাজ দিয়ে সুপথে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা বাড়ির লোক দেখিয়েছে এটা খুব কম ক্ষেত্রে দেখা যায়, গল্পের মধ্যে দিয়ে প্রকাশ পেয়েছে সেটাকে বলেছি।
    হুতোদা কথার অন্য মানে করে টন্টিং করছ কেন?
  • commentr2h | 77.191.245.247 | ২০ জানুয়ারি ২০১৬ ১৮:৫৭
  • মানেবই ছিল না যে!
  • commentkumu | 11.39.32.202 | ০৭ এপ্রিল ২০১৬ ১৭:৩৩
  • এইটে একটু তুলে রাখি।হ্যাঁ?
  • commentPM | 116.79.29.247 | ০৭ এপ্রিল ২০১৬ ১৮:৪০
  • হ্যাঁ, হ্যাঁ ঃ) কখন আসছে ?
  • commentকল্লোল | 111.59.23.182 | ০৭ এপ্রিল ২০১৬ ২২:১১
  • আমার কুমুলীম উপাধি দেওয়া সার্থক।
    দিল্লী গেস্লুম। দ্যাখা হলো না, সিকি বল্লে সগ্গলেই বেড়াতে গেছে।
  • commentAbhyu | 81.12.146.97 | ০৯ এপ্রিল ২০১৬ ০৮:২৬
  • হুঁ?
  • commentAbhyu | 107.81.102.141 | ১০ এপ্রিল ২০১৬ ০৬:০৭
  • উইকেন তো সেশ হতে চল্লো, ও কুমুদিইই
  • commentAbhyu | 107.81.102.141 | ১১ এপ্রিল ২০১৬ ০৯:০১
  • শুভ সোমবারের সুপ্রভাত কুমুদি। এই টইটাকে একটু উপরে তুলে রাখুন।
  • commentkumu | 37.56.186.110 | ০৪ এপ্রিল ২০১৭ ১০:৫০
  • গুরুতে আজকাল ভারী কটিন কটিন বিষয়ে আলোচনা হয়,এই তরল গল্প কেউ পড়বে কিনা জানিনা।
    অভ্যু এই টই খুলে দিয়েছিল,সে আজকাল আসে না।ধরতাই দেয় কে?তাও আশায় আশায় লিখে দিলাম-
    আমাদের সময় জবাকুসুম নামে এক আশ্চর্য তেল (মাথার)পাওয়া যেত।তার গন্ধ এমনই তীব্র ও ভয়ংকর ছিল যে তা ভাল বা খারাপ বিবেচনার অবকাশ পাওয়া যেত না।সেই তেল মেখে রাস্তায় বেরোলে ষাঁড়,কুকুর ইত্যাদি তাড়া করার কোন ভয় নেই,কারণ তারা বাতাস শুঁকে আস্তে আস্তে অন্যদিকে চলে যেত।বাসে উঠলে সামনের সীটে বসা লোকটি তো সীট ছেড়ে দিতই,তার পাশের যাত্রীও উঠে পড়তেন,যদি না তিনি নিজেও ঐরকম জবাকুসুম সুরভিত হন।কিন্তু তেলটির যথেষ্ট কাটতি ছিল,নাকি চুলপড়া বন্ধ হত আর ভিজে চুলের গোড়াতে ঘষে ঘষে লাগিয়ে তারপর চুল বেঁধে ফেল্লেও কোন ক্ষতি হত না।

    কিন্তু এই গল্প কোন কেশতৈলের গল্প না,এটি হোলো আমাদের কলেজবেলার গল্প,বা আরও সঠিকভাবে বললে তথাগতর গল্প।

    তথাগত জবজবে করে মাথায় জবাকুসুম মাখত,পরিপাটি সিঁথি কেটে চুল আঁচড়াত,প্যান্টের মধ্যে ফুলশার্ট গুঁজে পরত,রোজ টিফিন আনত।

    সবচেয়ে অভাবনীয় ব্যাপার ছিল,রোজ ,রোজ মানে রো ও জ প্র্যাকটিকাল ক্লাশ করত,মন দিয়ে খাতা লিখত,কাউকে খাতা দিতনা।এটা একদম অমার্জনীয় অপরাধ বলে গণ্য হত,কারণ সকলে সকলকে সাহায্য না করলে পাশ করা অসম্ভব তা সবাই জানত ও মানত।
    তথাগত বাড়ির গাড়িতে যাওয়া আসা করত,কোন কারণে আগে ছুটি হয়ে গেলে ট্যাক্সি ডেকে নিত।
    সেই প্রাগৈতিহাসিক যুগে একটি ছেলে ট্যাসকি ডেকে বাড়ি যাচ্ছে এটি যে কী অদ্ভুত,অচিন্তনীয় দৃশ্য ছিল,তা লিখে বোঝানো সম্ভব নয়।হামাগুড়ি দিয়ে দিয়ে কলেজস্ট্রীট থেকে নিউ আলিপুর গেলেও কেউ অত অবাক হত না।

    ভেবেচিন্তে আমরা ওকে "গত" বলে ডাকা শুরু করি।
  • commentকল্লোল | 57.29.25.24 | ০৪ এপ্রিল ২০১৭ ১১:০৫
  • তাপ্পর...............
  • commentpi | 57.29.255.236 | ০৪ এপ্রিল ২০১৭ ১১:১১
  • উরে বাবা রে , পড়তে গেলেই গতবাবুর একটা ছবি ভেসে উঠছে .. তারপর ?

    এর সাথে ছবিও চাই। সোসেন পড়লে আঁকবে নাকি ?

    তোমাদের সময় প্রেসিতে কেমিস্ট্রিতে র‌্যগিং হতনা ? সেই র‌্যাগিং পেরিয়েও এরকম গন কেস থেকে গেছিলেন ? আমাদের ব্যাচে একদুজন ছিল এরকম। কিন্তু ঐ প্রথম দিনেই সিনিয়রদের খিল্লি খোরাকে সবার আমূল নাহোক, পরিবর্তন তো এসেছিলই।
    ( ডিঃ র‌্যাগিং এ কোন অত্যাচার টার হয় নাই)

    যাহোক, তারপর ?
  • commentkumu | 37.56.186.110 | ০৪ এপ্রিল ২০১৭ ১৮:২০
  • নাঃ খুবি মৃদু র‌্যাগিং হতো।
    গতকে সর্বদা ডেকেডুকে বিরক্ত করা হত না কিন্তু।মাঝে ২ ডাকা হত,যেমন
    -গত ,তোর ডানহাত দিয়ে আলোটা জ্বেলে দিবি?(গত চট করে ডান হাত বাঁ হাতের ফারাক করতে পারত না।খানিকক্ষণ বাঁ হাতে শূন্যে ইকড়ি মিকড়ি কেটে আমাদের দিকে কটমটিয়ে তাকাত,আর ডান হাতে আলো জ্বালত।
    -গত,জুতোর ফিতে খুলে গেছে,বেঁধে নে।
    -গত,টিপিন খেয়ে নিস মনে করে।
    - গত,প্র্যাক খাতাটা একবার দিবি(নেহাৎ কলিযুগে ব্রাহ্মণের দৃষ্টিতে কোনই তেজ নেই,সত্যযুগ হলে চাদ্দিকে মুঠো মুঠো ছাই।)
    বেশ চলছিল,গোল বাধাল জগন্নাথদা।নতুনদের জন্য জগন্নাথদার কথা আগের লেখা থেকে কপি পেস্ট করে দিলাম।

    "সব কেমিস্ট্রি ল্যাবে একজন শতাব্দী প্রাচীন জগন্নাথদা বা উমাপদদা বা বৃন্দাবনদা থাকেন।তাঁদের দেখলে মনে হয় তাঁরা ল্যাবেই জন্মেছেন ও তদবধি ঐখানেই আছেন।সারাদিন রিএজেন্টের বোতল,র‌্যাক ইত্যাদি মোছামুছি করা,জাবদা খাতা খুলে বীকারফানেলটেস্টটিউবফ্লাস্ককনডেন্সার ইত্যাদির হিসেব রাখা,পরীক্ষার সময় স্যাম্পল,সলিউশন ইত্যাদি তৈরী করা ইত্যাদি বিচ্ছিরি একঘেয়ে কাজ এনারা ভালবেসে দিনের পর দিন করে যান,করেই যান।বিজয়া দশমী বা দীপাবলীর সন্ধ্যাতেও এঁদের অন্তত একবার ল্যাবের সামনে দেখা যায়।
    আমাদের ল্যাবে ছিলেন ৫ ফুটিয়া জগন্নাথদা,ভাল প্র্যাকটিকাল জানতেন, একবার আড়চোখে সল্টের চেহারা দেখে তার গুষ্টিঠিকুজি বলে দিতেন,সকলের প্র্যাকের খাতাপত্র গুছিয়ে রাখতেন,বছর শেষে ছাত্র ছাত্রীদের প্র্যাকনোট চেয়ে রেখে দিতেন,ও নতুনদের দিতেন।বলতে কি,জগন্নাথদার অকৃপণ সাহায্য না পেলে অনেক ছাত্রছাত্রী পাশ কর্তে পারত কিনা সন্দেহ।"
  • commentAtoz | 161.141.85.8 | ০৫ এপ্রিল ২০১৭ ০৫:১৬
  • তারপর কী হল?
  • commentDu | 57.184.52.56 | ০৫ এপ্রিল ২০১৭ ০৬:৩৫
  • বল না কুমুদি।
  • commentpi | 57.29.242.238 | ০৫ এপ্রিল ২০১৭ ০৬:৫৩
  • আমাদের এরকম ছিলেন সাধনদা। ল্যাবটা মোটামুটি ওনারই রাজত্ব ছিল। কড়া লোক ছিলেন, তেমনি ভাল দখলও ছিল।ঐ আড়চে চেয়ে কি একটি দানা টিপে সল্ট বলে দেওয়ার ক্ষমতার অধিকারী এবং সব টেস্টপত্তরের খুঁটিনাটিও।

    যাহোক, তারপর কী হইল ?
  • commentপুপে | 131.241.184.237 | ০৫ এপ্রিল ২০১৭ ১৬:৪৯
  • গুরুতে তোমার লেখা টইগুলো হামলে পড়ে পড়ি। মন খারাপ হলে তা ভালো করার মতনও তো টই চাই নাকি? সব্বাই পড়ছে। অন্তত আমি তো পড়ছিই। কি হল তারপর??
  • commentkumu | 37.56.186.110 | ০৫ এপ্রিল ২০১৭ ১৯:০৬
  • কিন্তু,এহেন জগন্নাথদা আমাদের ব্যাচের ওপর হাড়ে চটা ছিল ২টি কারণে-
    ১।আচ্ছা বলেন দেখি, বহুমূল্য কলেজ লাইফ কি ল্যাবে নাক ঘষে নষ্ট করার জিনিস?কলেজের ভিতরেবাহিরেকফিহাউসে আড্ডা,নাটক করা,লিটিল ম্যাগাজিন বের করা এতসব করে কতটুকু সময় হাতে থাকে?এইসব বিবেচনা করেই "কয়েন টেস্ট" নামক সার্বজনীন পদ্ধতিটি কলেজে কলেজে চালু হয়।গুরুতে সকলেই মেধাবী ছাত্রছাত্রী,তাঁদের আর বিশদ বর্ণনা দিতে চাই না।কিন্তু অতীব পরিতাপের বিষয় এই যে জগন্নাথদা এই পদ্ধতিতে বিশ্বাস করতো না,ফলস্বরূপ আমাদের ও জগন্নাথদার সম্পর্ক ঠিক সুমধুর ছিল না।
    ২।এইটিই বেশী গুরুত্বপূর্ণ,কোনরকম প্রয়োজন না থাকা সত্ত্বেও,ক্লাসের ভবঘুরে(আসল নাম ভুলে গেছি,সে নাকি পকেটমানি তোলার জন্য মাঝেমধ্যে যাত্রা করতো) জগন্নাথদাকে আমাদের হিজিবিজ নামক লিটিল ম্যাগের একটি কপ্লিমেন্টারি কপি দেয়।এর পর থেকেই জগন্নাথদার কালো ডাইরীতে পাকাপাকিভাবেআমাদের নাম নথিভুক্ত হয়।

    সেই জগন্নাথদা অত্যন্ত কুটিল স্বরে ফিসফিস করে গতকে বোঝাল,এরা সব তোমাকে গত ডাকে ক্যানো?এমনধারা অমঙ্গুলে কান্ড তো দেখিনি বাপু।
    প্রায় পনের মিনিট ধরে সেই ভয়ংকর মন্ত্রণা শোনার পর দৃশ্যত ভীষণ উত্তেজিত গত ক্লাসে এসে ঘোষণা করল,"এনি ফার্দার ইউ কল মি গত,হেড ডিপের কাছে আই গো।"
    অনেক বোঝানোর পরেও শান্ত করা গেল না,তখন ঠিক হল,পরদিন লাঞ্চব্রেকে বিচারসভায় সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
    বিচারক হল জয়তী,যে একেবারেই বাংলা জানতনা।(আমার ভাইএর হাতের লেখা কী!!যেন হস্তাক্ষর,তুই একটা বিড়ম্বনা,স্যার,আপনার ধুতিতে ফায়ার ধরেচে!! -এইরকম ভাষা বলত।)
  • commentAtoz | 161.141.85.8 | ০৬ এপ্রিল ২০১৭ ০২:১৮
  • অপূর্ব গল্প। কুমুদি, শিগ্গীর শিগ্গীর পরেরটুকু দাও।
    নাহলে কিন্তু "ঐ হেড ডিপের কাছে আই গো " !!! ঃ-)
  • commenti | 147.157.8.253 | ০৬ এপ্রিল ২০১৭ ০৪:৪০
  • অসাধারণ সব একস্প্রেশন- যেমন সরস তেমন বুদ্ধিদীপ্ত-
    কুমুদিদি গো, তারপর কি হ'ল বল?
  • commentkumu | 37.56.186.110 | ০৭ এপ্রিল ২০১৭ ২২:৫৬
  • কোন সমস্যা হলে নিজেদের মধ্যে মিটিয়ে নেবার জন্য আমাদের ক্লাসে এই বিচারব্যবস্থার প্রচলন হয়েছিল।চাঁদা তুলে দুটি ফিশফ্রাই আনা হত,বিচারকের ফি ছিল একটি পুরো ,আর অন্যটি উপস্থিত সকলে ভাগযোগ করে নিত।তেমন তেমন দিনে হয়তো প্রত্যেকের ভাগে একটু গুঁড়ো জুটত ,কিন্তু কেউ বাদ যেত না।

    বিচারক মহোদয়া নিচু জায়গায় বসলে ভাল দেখায় না,তাই বেঞ্চির উপর ব্যাগট্যাগ দিয়ে উঁচু ঢিপি মত করে তার ওপর জয়তীকে হেঁইয়ো মারি করে তুলে দেয়া হল।প্রথমটা একটু ল্যাগব্যাগ করলেও ,বিচারকসুলভ গাম্ভীর্য নিয়ে জয়তী গুছিয়ে বসল।

    বিচারক স্বয়ং জেরা করছেন এও অবশ্য ভাল দেখায় না,কিন্তু অত বিচার করলে চলে না।

    পচা কেমিস্ট্রির বদলে আইন পড়লে জয়তীর ভবিষ্যৎ যে উজ্জ্বল হত, জেরা শুনে আমাদের
    মনে সে বিষয়ে কোন সন্দেহ রইল না।
  • commentkumu | 37.56.186.110 | ০৭ এপ্রিল ২০১৭ ২৩:৩৭
  • -তোর নাম কী?
    -##****@@*&^%(চোখের ভাষায়)
    গতকে স্মরণ করিয়ে দেয়া হল যে ইটি আদালত,ইয়ার্কি মারার জায়গা নয়।
    -তথাগত চক্রবর্ত্তী।
    - ডাকনাম কী,কোন স্কুলে পড়তিস ,হাইট কত,অঙ্কে,কেমিস্ট্রিতে,,বাংলায় কত পেইছিলিস,কান কটকট করে কিনা,এই কলেজে কেন এলি,রোজ ২ ল্যাবে যাস ক্যানো,জবাকুসুম না কী ঐ তেল কেন মাখিস,কে রোজ চুল আঁচড়ে দ্যায়,মাছের কাঁটা বাছতে পারিস কিনা,কফিহাউসে কবার গেছিস,কোনদিন যাসনি ,তবে পাশ করবি কী করে এইসব পেরিয়ে শেষে জিগালো,তথাগত মানে কী?
    ঝাড়া মুখস্ত বলে গেল"যাহাতে পুনর্জন্ম না হয়,এরূপ নির্বাণপ্রাপ্ত ব্যক্তি"।

    বিচারকের হতভম্ব চেহারা দেখে যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী ইংজিরিতে অনুবাদ করার চেষ্টা হল।কিছুটা সামলে নিয়ে জয়তী এক ধমক দিল,"যা বলবি সোজা বাংলায় বলবি,কে নাম দিয়েছিল বল,কখন দিয়েছিল?"

    -মাই মামা গেভ দিস নেম।আই ওয়জ ৬ মান্থস।
    -তার মানে এই হল,তুই যখন মাত্র ৬ মাসের তখনি তোর পুনর্জন্ম বন্ধ করার চেষ্টা শুরু হয়।
    মামলা অন্যদিকে মোড় নিচ্চে দেখে,মনে করিয়ে দেয়া হল,কী বলে ডাকা হবে,সেটিই এই আদালতের বিবেচ্য বিষয়।
    তখন জয়তী বল্ল,আচ্ছা ,তথা আর গত এই দুটো কথার মানে কী?
  • commentAtoz | 161.141.85.8 | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ০০:০৬
  • ওহ, কুমুদি গো!!!!!
    ঃ-)
  • commentde | 192.57.120.163 | ০৮ এপ্রিল ২০১৭ ১৯:৫২
  • উফ্‌!! ঃ))))
  • commentফরিদা | 37.56.150.191 | ০৯ এপ্রিল ২০১৭ ০৮:২১
  • কুমুদি র গল্পরা সিনেমার মতো, ঠিক সিনেমা নয়, আরও স্পষ্ট, চোখের সামনে হচ্ছে ঘটনাগুলি, আমরা ওই কাছেপিঠেই থাকি, গল্পের চরিত্র যদিও তা খেয়াল করছে না।

    তাই লেখা যেখানে শেষ হয়, তার পরেও অনেকটা সময় আমরা সেই ল্যাবেই যেন খানিক গুলতানি করে নিজ নিজ ব্যাগ গুছিয়ে বাড়ি যাই। আশা নিয়ে পরদিন আর কী কী সব ঘটতে চলেছে।

    ল্যাব চললেই স্বাদু রসায়ন।
  • commentPi | 167.51.95.205 | ০৯ এপ্রিল ২০১৭ ১১:৪৯
  • ফরিদাদাকে ক্কয়ে ক্ক !
  • commentkumu | 37.56.186.110 | ০৯ এপ্রিল ২০১৭ ১৯:২৬
  • সমবেত জনতা যে জ্ঞানগর্ভ আউটপূট দিল, তা এইরকম
    -তথা-সেখান,বা সেখানে(যথা ইচ্ছা তথা যা)
    গত-চলে গেছে বা হয়ে গেছে এমন কিছু-(গত যৌবন,গতকাল)।

    এখন এই দুটি শব্দের আরও কিছু অর্থ বা প্রয়োগ অবশ্যই আছে, যেমন অভিধান খুলে দেখছি- তথা অর্থে সেইরকম(যথা আয়,তথা ব্যয়)অপিচ,আরও( পশ্চিমবঙ্গ তথা ভারতবর্ষ )ইত্যাদি হয়।কিন্তু মনে রাখবেন এ হল কেমিস্ট্রি পড়তে আসা কিছু অর্বাচীন তরুণ তরুণীর জ্ঞানের বহর ।
    বাংলা ভাষা সম্বন্ধে তেমন জ্ঞান থাকলে আমরা কেমিস্ট্রি পড়তে আসতাম না,আর আমাদের লিটিল ম্যাগের নাম কমপক্ষে অর্ক ,আগ্নিক এইসব হত,হিজিবিজ হত না।

    খানিকক্ষণ শিবনেত্র হয়ে থেকে বিচারক মহোদয়া বল্লেন,

    "সেখানে"বা there বলে কাউকে ডাকা উচিত না।ইংলিশে there হল adverb,adverb কি কারও নাম হয়?কিন্তু "গত " হল গিয়ে adjective।অনেক adjective নাম হয়,যেমন,যেমন,দুত্তেরি তোরা বল না দু একটা-
    ভিড় বলল,চন--চ--ল- (চঞ্চল উঠে দাঁড়িয়ে চাদ্দিকে ঘুরে ঘুরে হাসিমুখে হাত নাড়ল)।
    অ -স ঈ ঈ ম (অসীম ফিসফ্রাই ভাগ করছিল,হেঁড়েগলায় বিকট চ্যাঁচাল উ প স্থি ত)।
    সুগত-(আমাদের ক্লাশে কোন সুগত ছিল না,কিন্তু অন্য ক্লাশের ছেলেমেয়েরাও জড়ো হয়েছিল,তাদের ভেতর থেকে দুজন সুগত উঠে দাঁড়াল।)

    ফিশফ্রাইএর গন্ধে ঘর ভরে যাবার পর থেকেই বিচারক একটু অন্যমনষ্ক হয়ে পড়েছিলেন।তাঁর অদ্ভুত যুক্তি সম্বন্ধে কেউ কিছু বলতে পারার আগেই তিনি তাড়াহুড়ো করে রায় দিয়ে দিলেন

    "দ্য নাম" গত" ইজ ফাইনাল।কোর্ট ইজ ওভার।দে, দে ফ্রাই দে শীগগিরি।কী ক্ষিদে পেয়েচে রে বাবা।হাতটা ধর না,নামব কী করে"

    অন্যদিকে আমরা এইটুকু দেখলাম গত উঠে দাঁড়াচ্চে, আর তার দু সেকেন্ডের মধ্যে তারকদা এসে জানাল,এইচএসবি আপনাদিগকে "বিস্মরণ " করেচেন।
  • commentboka | 192.66.117.115 | ০৯ এপ্রিল ২০১৭ ১৯:৫৮
  • "ফিশফ্রাইএর গন্ধে ঘর ভরে যাবার পর থেকেই বিচারক একটু অন্যমনষ্ক হয়ে পড়েছিলেন" - হুঁ, খুবই স্বাভাবিক :)
  • commentEkak | 52.109.213.214 | ০৯ এপ্রিল ২০১৭ ২০:০৩
  • "তার মানে এই হল,তুই যখন মাত্র ৬ মাসের তখনি তোর পুনর্জন্ম বন্ধ করার চেষ্টা শুরু হয়। "

    খ্যা খ্যা খ্যা খৌ খোয়া ঘ্র্রাঅহ হা হে হৌ হো
  • commentDu | 57.184.52.56 | ০৯ এপ্রিল ২০১৭ ২১:১৮
  • ঃ)))))
  • commentAtoz | 161.141.85.8 | ১০ এপ্রিল ২০১৭ ০১:৩৫
  • অপূর্ব!!!!
    ঃ-)
  • commentkumu | 37.56.184.4 | ১৫ এপ্রিল ২০১৭ ০৭:২৬
  • নীনার জন্য তুলে দিলাম।
  • commentNina | 83.193.159.49 | ১৫ এপ্রিল ২০১৭ ০৭:৪২
  • থেঙ্কু থেঙ্কু কুমু---চলুক আরও গল্প--দিল গার্ডেন গার্ডেন হয়ে গেল গো :-)
  • commentকল্লোল | 233.186.49.46 | ১৮ এপ্রিল ২০১৭ ১৮:১৯
  • সামনের বইমেলায় কুমু অমনিবাস চাইইইইইইইইই
  • commentkumu | 37.56.187.243 | ১৮ এপ্রিল ২০১৭ ২১:০৩
  • এইচএসবি ছিলেন ল্যাবের সর্বেসর্বা,সমস্ত প্র্যাকের ইনচার্জ বা ঐরকম কিছু।তিনি"বিস্মরণ" করলে হাঁটুর জোড়্টা ক্যামন আলগামতো হয়ে যেত না,পেটের ভেতর এগ্গাদা ফড়িং ফড়টর ফড়টর করে উড়ত না আর "আলজিভ শুকায়ে খটখট্টে" হয়ে যেত না এমন অসমসাহসী/সাহসিনী আমাদের ডিপে ছিল না।কমবয়েসী স্যারেরা প্রায় সকলেই একদা এইচএসবির ছাত্র ছিলেন।বলা বাহুল্য এইচএসবির কাছে তাঁরা ফার্স্ট ইয়ারের ছাত্রই থেকে গেছিলেন।"ঐ সামনের ঘর থেইক্যা অ্যাকটা পোলারে ডাক" এইরকম নির্দেশ নিয়ে জগন্নাথদা প্রফেসার্স রুমে উপস্থিত হলে স্যাররা ফ্যাকাশে মুখে এ ওকে ঠেলছেন,এ আমাদের স্বচক্ষে দেখা।
    এইচএসবি সর্বদা অগ্নিশর্মা হয়ে থাকতেন,আর কোন অজ্ঞাত কারণে গত ছাড়া আমাদের ব্যাচের সক্কলের ওপরে একটু বেশি চটিতং থাকতেন।এই ব্যাচের সকলেই যে ফেল হবে,এবং যথাসময়ে বাটি হাতে কলেজ স্ট্রীটে বসবে সে বিষয়ে ওনার সামান্যতম সন্দেহ ছিল না।আমরা অবশ্য স্যারকে যথাসাধ্য আশ্বাস দিতাম যে আমরা হ্যাঁচরপ্যাঁচর করে সেকেন্ড ক্লাসে তরে যাব ঠিক(ফাইনালে সীট পড়বে অন্য কলেজে,সেখানে নিশ্চয়ই কয়েন টেস্টের সুব্যবস্থা থাকবে,আর জগন্নাথদা থাকবে না) ।এই কলেজের প্রায় ৯০% ছাত্রছাত্রী ফার্স্ট ক্লাস পায় এরকম একটি দুর্নাম আছে বটে কিন্তু সে আমরা ঘুচিয়ে দেব-কিন্তু স্যার এসব কথা শুনে আদৌ ভরসা পেতেন না

    যা হোক,গুটি গুটি সকলে গিয়ে হাজির হলাম।
    যেমনটি ভাবা গেছিল,স্যারের পেছনটিতে গত সর্বাঙ্গ ফুলিয়ে সজারুর মত দাঁড়িয়ে আছে।
    আমাদের দেখে স্যার যে ভয়ানক হুংকার দিলেন,তার আওয়াজে কলেজ স্ট্রীটের বাসট্রাম সব বিকট আওয়াজ করে দাঁইড়ে গেল(মানে আমাদের তেমনই মনে হয়েছিল)আর মেন বিল্ডিংএ ঢং ঢং করে টিপিনঘন্টা বেজে গেল।
    "ল্যাখাপড়া তো কিসুই কর না,কিসুই না।সেক্ষেত্রে সময়ের এত অভাব ক্যান যে শান্তশিষ্ট পোলাডারেব পুরা নাম ধইরা ডাকতে পার না!
    আইজ হইতে হগ্গলে অর পু উ রা নাম ধইরা ডাকবা--"
    মানে মানে বেরিয়ে এসে ঠিক করা হল,পুরো নাম ধরেই ডাকা হবে।
    (জনতা পড়িলে গল্প চলিবে)
  • commentসিংংগল k | 57.15.9.175 | ১৮ এপ্রিল ২০১৭ ২১:৪৩
  • আপনার গল্প পড়তে ভীষণ ভয় করছে, কিন্তু জনতার স্বার্থে চোখ বু্ঁজে পড়ছি।
  • commentamit | 24.139.222.72 | ১৯ এপ্রিল ২০১৭ ১২:৫০
  • তারপর? তারপর কী হোলো?
  • commentdc | 181.49.210.176 | ১৯ এপ্রিল ২০১৭ ১৩:১৩
  • আমার কেমন মনে হচ্ছে এই তথাগতই বড়ো হয়ে অগ্নিপথের স্ক্রিপ্ট লিখেছিল।
  • commentAS | 125.187.46.207 | ২১ এপ্রিল ২০১৭ ১৪:৫০
  • দেরী যে আর সয় না !!!!!!
  • commentkumu | 132.161.101.11 | ২২ এপ্রিল ২০১৭ ২০:০৬
  • -তথাগত চক্রবর্ত্তী,একটু ঝালমুড়ি খাবি?কোন ভয় নেই,লোকটা মুড়ি মাখার আগে লুঙ্গিতে হাত মুছে নিয়েছিল।

    -তথাগত চক্রবর্ত্তী,ম্যাথসের শ্যামলিমা তোকে খুঁজে গেল,আগেও দুদিন খুঁজেছিল।কোন হেল্প লাগলে বলিস।

    -তথাগত চক্রবর্ত্তী,শাপমোচন নাটকে ইন্দ্রের পার্টটি করে দিবি?কিচ্ছু বলতেকইতে হবে না,শুধুখালিগায়ে সিংহাসনে বসে, হাঁটুর ওপর পায়ের পাতাটা এই এমনি করে বাঁকিয়ে রেখে---

    হাসিমুখে সুমনা ম্যাম ক্লাশে ঢোকায় ডেমো বন্ধ করে সকলে যথাসাধ্য সিরিয়াস হয়ে বসা গেল।আপনারা নিশ্চয়ই এতক্ষণে ভেবে নিয়েছেন,সব প্রফেসরদের সঙ্গেই আমাদের আদা-কাঁচকলার সম্পর্ক ছিল,ভাবা অন্যায়ও নয়।কিন্তু সুমনা ম্যাম এই এইচএসবিতাড়ানো,অন্যস্যারখেদানো ব্যাচটিকে ভারী স্নেহের চক্ষে দেখতেন।প্রতিটি বিষয় বারবার পড়াতেন,ক্লাশের সক্কলে যতক্ষণ না বুঝছে ততক্ষণ বলে যেতেন,প্রতি সপ্তাহে টেস্ট নিতেন,অমনটি এতখানি বয়েসে আর দেখলাম না।বকাবকি পারতেন না,প্রথম দিনই বলে দিয়েছিলেন,আমি যদি পড়ানো থামিয়ে চুপ করে বসে থাকি,সেটাকেই তোরা ভীষণ বকুনি বলে ধরে নিবি।
    তা,সকলকে নিয়ে হাঁটি হাঁটি পা পা এগোনোর ফল দাঁড়িয়েছিল যে ,বছরের মাঝখানেও মোটে ৪/৫ টি চ্যাপ্টার শেষ হয়েছিল।তাই ম্যাম ঝড়ের গতিতে ফ্যাটি অ্যাসিড পড়িয়ে যাচ্চিলেন,সকলে প্রাণপণে বোর্ড দেখে লিখে যাচ্চে,হেনকালে পেছনের বেঞ্চি থেকে অঞ্জনের গলা শোনা গেল,
    তথাগত চক্রবর্ত্তী,একটু বেঁটে হয়ে বসবি?কোনটা যে ম্যামের কার্বন কার্বন বন্ড আর কোনটা যে তোর ঝাঁটার মত চুল,সব গুলিয়ে যাচ্চে।
    মুখের কথা মুখে রইল,তথাগত চক্রবর্ত্তী দরজার কাছে।ম্যাম সামান্য ভুরু তুলে জিগালেন,তথাগত ,কী হল?
    (সমস্বরে ম্যামকে জানানো হল,ওকে তথাগত চক্রবর্ত্তী বলে ডাকতে হবে,এইচএসবির অর্ডার)।
    -প্রিন্সিপালের অ্যাপো নিতে যাব ম্যাম।
    হাতের ইশারায় তথাগতকে নিজের জায়গায় বসিয়ে দিয়ে ম্যামের স্নেহময় মৃদু হাসিটি এখনো স্পষ্ট দেখতে পাই।

    কিন্তু পরের দিন যে অদ্ভুত খবর এল,তার জন্য আমরা কেউ প্রস্তুত ছিলাম না।
  • commentkumu | 132.161.101.11 | ২২ এপ্রিল ২০১৭ ২০:০৭
  • (জনতা পড়িলে গল্প চলিবে)
  • commentpi | 57.29.255.109 | ২২ এপ্রিল ২০১৭ ২০:১৮
  • তথাগত চক্রবর্ত্তী,একটু বেঁটে হয়ে বসবি?কোনটা যে ম্যামের কার্বন কার্বন বন্ড আর কোনটা যে তোর ঝাঁটার মত চুল,সব গুলিয়ে যাচ্চে।

    :D :D :D
  • commentN | 116.220.150.189 | ২২ এপ্রিল ২০১৭ ২০:২৯
  • সবাই ‌ উৎসূক পরতে, লিখুননা প্লীজ
  • commentkumu | 132.161.101.11 | ২২ এপ্রিল ২০১৭ ২৩:৩৩
  • তথাগতর বাবা কোন বিদেশী কোংএ নতুন অফার পেয়েছিলেন,একসপ্তাহের মধ্যে সিঙ্গাপুরে জয়েন করতে হবে।

    তথাগত কলকাতায় থেকে এই কলেজেই গ্রাজুয়েশন করতে চেয়েছিল,কিন্তু ওর বাবা তাতে রাজি ছিলেন না,বছর নষ্ট করেও ছেলেকে তিনি নিজের সঙ্গেই নিয়ে যাবেন।

    সেদিন বুধবার আর শনিবার তথাগতর কলেজে শেষ দিন।

    ক্যান্টিনে,কফিহাউসে,বেকার বিল্ডিংএর পাশের বেড়ার ওপর এমনকি ল্যাবে ফেয়ারওয়েল দেয়ার প্রস্তাব তথাগত নাকচ করে দিল।

    শনিবার তথাগতর শেষ প্র্যাক ক্লাশ,এইচএসবি পর্যন্ত চুপচাপ।ল্যাবে ঢুকতে গিয়ে তথাগত দেখল,দরজার পাল্লায় অপটু হাতের কার্টুন আঁকা কাগজ সাঁটা ,খোঁচা খোঁচা চুল,লম্বা নাক আর প্র্যাক খাতা হাতের ছবি।নীচে লেখা-

    সত্যি ছেড়ে চললি দেশ,
    আজকেই এই কলেজ শেষ!!
    সারাজীবন নিজের মতো,
    ভাল থাকিস তথাগত।

    খুবই কাঁচা হাতের লেখা সন্দেহ নাই।আমাদের হিজিবিজের ১১ জন সম্পাদকের যে কোন একজনকে বললেই এর থেকে ঢের ভাল করে লিখে দেওয়া যেত।কিন্তু এই কবিতা পড়েই তথাগত দুবার নাক টানল,তারপর কাগজটা আস্তে আস্তে খুলে নিয়ে ব্যাগে রাখল।
    আর-
    জীবনে প্রথম প্র্যাক ক্লাশ না করে আস্তে আস্তে গেটের দিকে চলল।
    আমরা সবাই পেছন পেছন গেলাম,ওর গাড়ি ছিল বাইরে,ভবঘুরে ওকে বাড়ি পৌঁছে দিতে গেল।
  • commentkumu | 132.161.101.11 | ২৩ এপ্রিল ২০১৭ ০০:০৯
  • ভবঘুরে যখন ফিরে এল,তখন সুমনা ম্যাম এক্সট্রা ক্লাশ নিচ্ছেন।ওকে দেখে নিজেই বললেন,"হ্যাঁ,ওকে বাড়িতে দিয়ে এলে?ওর মা ছিলেন বাড়িতে?কী কী হল বলো,আমিও শুনি।
    "
    ভবঘুরে যা বলল,তাতে আমাদের বিস্ময়ের শেষ রইল না।

    তথাগতর বাবা বাড়িতে ছিলেন,তিনি ওকে দেখে খুব খুশি হয়েছেন,আশ্চর্য স্বাদের স্যান্ডউইচ,মিষ্টি ইত্যাদি খাইয়েছেন,হিজিবিজের তিনটি সংখ্যা নিয়ে জোর করে দাম দিয়েছেন , গাড়িতে কলেজে ফেরত পাঠিয়েছেন,সিঙ্গাপুরের ঠিকানা ইত্যাদি দিয়েছেন,কেউ ওদিকে গেলে যেন অবশ্যই ওঁর কাছে যায়।কিন্তু
    ভবঘুরে মাসীমা অর্থাৎ তথাগতর মায়ের কথা জিজ্ঞেস করলে বলেছেন উনি নাকি বাপের বাড়িতে থাকেন।না,অসুস্থ না,এমনিই।

    তখন পর্যন্ত আমাদের দুনিয়ায় মায়েরা হলেন অষ্টপ্রহর সংসারের চাকায় ফোঁটায় ফোঁটায় তেল দিয়ে যাওয়া,পরিবার,আত্মীয়,আত্মীয়ের আত্মীয়,আত্মীয়ের আত্মীয়ের আত্মীয় সকলের সেবায় নিবেদিতপ্রাণ জীববিশেষ।একঘন্টার জন্য ১ কিমি দূরে মামাবাড়ি যেতে হলে আমার মা দুঘন্টা বা তারো বেশী সময় ধরে প্রস্তুতি নিতেন,যাতে তাঁর অনুপস্থিতিতে বাড়ির কাউকে,বিশেষত বাবাকে ১ সেমি নড়াচড়া না করতে হয় এবং বাড়ি ফিরেই তিনি সকলের মুখের সাঅমনে গরম ডিনার ধরে দিতে পারেন।একবার অসুস্থ দাদামশাইকে দেখার জন্য রওনা হয়েও আমরা রাস্তা থেকে ফিরে আসি,কারণ মার মনে পড়ে গেছিল যে বাবার কলমটি আপিসের ব্যাগ থেকে বের করে লেখার টেবিলে রাখা হয় নি।
    সেক্ষেত্রে তথাগতর মা বাপের বাড়িতেই থাকেন!! আমাদের পরিচিত পৃথিবীতে একটি সম্পূর্ণ অসম্ভব ও অভাবনীয় ঘটনা!!

    একদল সংসার অনভিজ্ঞ সদ্য যুবক যুবতীর বিস্ময়বিমুঢ় মুখ দেখে ম্যাডাম সস্নেহে করুণ হাসেন,সযত্নে তাদের ফিরিয়ে নিয়ে যান রসায়নের জগতে।
  • commentReshmi | 132.161.167.7 | ২৩ এপ্রিল ২০১৭ ২২:০৩
  • কুমুদি একটানে তথাগতর গল্প পড়ে ফেললাম| দারুন!

  • পাতা : 1 | 2 | 3 | 4 | 5 | 6 | 7 | 8 | 9 | 10
  • গুরুর মোবাইল অ্যাপ চান? খুব সহজ, অ্যাপ ডাউনলোড/ইনস্টল কিস্যু করার দরকার নেই । ফোনের ব্রাউজারে সাইট খুলুন, Add to Home Screen করুন, ইন্সট্রাকশন ফলো করুন, অ্যাপ-এর আইকন তৈরী হবে । খেয়াল রাখবেন, গুরুর মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করতে হলে গুরুতে লগইন করা বাঞ্ছনীয়।
  • হরিদাসের বুলবুলভাজা : সর্বশেষ লেখাগুলি
  • জাগ্রত শাহিন বাগ
    (লিখছেন... বিপ্লব রহমান, আজ সুপ্রিম কোর্টে, Anjan Banerjee)
    জনসন্ত্রাসের রাজধানী
    (লিখছেন... র, pi, রঞ্জন)
    কোকিল
    (লিখছেন... দেবাশিস ঘোষ)
    বিনায়করুকুর ডায়েরি
    (লিখছেন... ^&*, একলহমা , pi)
    মিষ্টিমহলের আনাচে কানাচে - দ্বিতীয় পর্ব
    (লিখছেন... দীপক দাস , দীপক, দীপক)
  • টইপত্তর : সর্বশেষ লেখাগুলি
  • আগামীর অবয়ব
    (লিখছেন... দ্রি, দ্রি, দ্রি)
    নিমো গ্রামের গল্প
    (লিখছেন... সুকি , সুকি , সুকি)
    যুক্তরাস্ট্র নির্বাচন ২০২০
    (লিখছেন... )
    প্রেমিকাকে কোলকাতাতে ফুল পাঠাবো কিভাবে?
    (লিখছেন... pi, pi, সুকি)
    পুরোনো লেখা খুঁজছেন, পাচ্ছেন না - এখানে জিজ্ঞেস করুন
    (লিখছেন... lcm, r2h, দু:শাসন)
  • হরিদাস পালেরা : যাঁরা সম্প্রতি লিখেছেন
  • শ্রী রামকৃষ্ণ : কিছু দ্বন্দ্ব : Sumana Sanyal
    (লিখছেন... রঞ্জন, এলেবেলে, Anjan Banerjee)
    যুদ্ধ : Swapan Majhi
    (লিখছেন... )
    গাধা সময়ের পদাবলী : রোমেল রহমান
    (লিখছেন... Du)
    জোড়াসাঁকো জংশন ও জেনএক্স রকেটপ্যাড-৮ : শিবাংশু
    (লিখছেন... dd, i, শিবাংশু)
    তিরাশির শীত : কুশান গুপ্ত
    (লিখছেন... anandaB, ন্যাড়া, Apu)
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তত্ক্ষণাত্ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ যে কেউ যেকোনো বিষয়ে লিখতে পারেন, মতামত দিতে পারেন৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
  • যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
    মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত