ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • ধর্ষণ ও বিবর্তন নিয়ে কিছু কথা

    sosen
    অন্যান্য | ১৭ অক্টোবর ২০১২ | ৬৬১১ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • ন্যাড়া | 132.166.139.84 | ১৯ অক্টোবর ২০১২ ২০:১৬575076
  • এটা গুড হচ্ছে।

    বিবর্তনের দিক থেকে দুজনের পরিবার তৈরিতে neoteny-র একটা বড় ভূমিকা আছে বলে পড়েছিলাম। সে ব্যাপারে দু-পয়সা হোক।
  • kk | 117.3.243.18 | ১৯ অক্টোবর ২০১২ ২০:৩৯575077
  • এই টইটা খুব ভালো হচ্ছে। ক্যারি অন।
  • | 60.82.180.165 | ১৯ অক্টোবর ২০১২ ২১:০১575078
  • খুব ভালো লাগছে পড়তে।
  • sch | 111.62.10.222 | ১৯ অক্টোবর ২০১২ ২১:০৯575079
  • সোসেন দিদির কত্ত গুণ --- কুর্ণিশ, কুর্ণিশ । সুন্দর হচ্ছে লেখাটা - আমাহেন মুখখুও বুঝতে পারছে কিছুটা - আরো হোক
  • sosen | 125.184.60.118 | ১৯ অক্টোবর ২০১২ ২১:৪৩575080
  • সকলকে একগুচ্ছ থ্যাঙ্ক ইউ। :)
  • I | 24.96.28.89 | ২০ অক্টোবর ২০১২ ০০:৩৯575081
  • জবর টই !
  • ladnohc | 116.218.58.119 | ২০ অক্টোবর ২০১২ ০৯:০৮575082
  • সাধু সাধু, কিন্তু অধুনালোকে ধর্ষণানুসঙ্গ কৈ?
  • sosen | 111.63.187.204 | ২০ অক্টোবর ২০১২ ০৯:৪৪575083
  • হবে। আসছে। সঙ্গে থাকুন, ভরসা রাখুন ইত্যাদি।
  • i | 134.168.54.77 | ২০ অক্টোবর ২০১২ ১০:৩২575084
  • সঙ্গে আছি।
  • sosen | 126.203.177.197 | ২১ অক্টোবর ২০১২ ১৯:১৩575086
  • মানুষের যৌনতা, মানুষের সামাজিকতা
    ________________________________________________________________________________

    hominid বা মানুষের যৌনতার বিবর্তনের সাথে পাকে পাকে জড়িয়ে তার সমাজ, সংস্কৃতি(কালচার ), নৈতিকতা, আবেগ এবং বুদ্ধিমত্তা(ইন্টেলিজেন্স)। এককে বাদ দিয়ে অন্যকে ব্যাখ্যা করা মানেই জীববিদ্যার কাছে অপব্যাখ্যা।

    এই ডিসক্লেমার পড়ার পর কেউ যদি বেজায় খেপে গিয়ে আমায় বলেন "শরীর, শরীর, আপনার মন নাই মশাই ?" তা হলে সবিনয়ে আমাকে বলতে হবে জীববিজ্ঞানের উদ্দেশ্যই বোধ করি সেই নির্মোহতা, যেখানে যৌনাকাঙ্ক্ষা আজ অবধি প্রাণের বিবর্তনকে নিয়ন্ত্রণ করে এসেছে, এবং ভবিষ্যতেও করবে, তা বলতে আটকায় না। সেক্সুয়াল সিলেকশন ডারউইনের এমন একটি তথ্যধর্মী থিওরি যা আজ অবধি বিবর্তন-সন্ধানীর স্বর্ণখনি। সে কেন্নোতে হোক, ছারপোকে হোক কি মানুষ কিংবা পাখিতে। উত্তম ইন্ডিভিজুয়ালের পুল তৈরী করাই প্রকৃতির উদ্দেশ্য।

    অপব্যাখ্যাকারীরা টুক করে বলে নেন, তারমানেই দেখো প্রক্রিয়েশন অভিমুখী নয় এমন সকল সেক্সুয়াল অভ্যাস গলদ। তাদেরও সবিনয়ে বলি, না: প্রত্যেক ব্যবহার, প্রত্যেক ধর্মের পিছনে জীববিদ্যার নিজস্ব ব্যাখ্যা আছে। আর নৈতিকতারও আছে বৈকি। কাজেই মনুষ্যসৃষ্ট নীতির কোন ধার ধারেনা এই শরীর, এই প্রাণ। জীববিজ্ঞানী বিচারক নয়। সে অনুসন্ধিত্সু দর্শক মাত্র। এক কঠোর, অক্লান্ত পরীক্ষা বিবর্তন, যেখানে প্রতিটি স্টেপ পার করার হার্ডলস জিতে তবেই আজকে এক একটি স্পেসিস, এবং তাদের ধর্মগুলি এক্সিস্ট করছে। প্রত্যেকটিই জরুরি, কোনটিকেই ফেলে দেওয়ার অনুমতি প্রকৃতি দেয়না।

    মনে রাখতে হবে, যখন আমরা বলি বানর থেকে বিবর্তনের প্রথায় মানুষ এলো , তখন আমরা ব্যাক ক্যালকুলেট করি। আমরা জানি না সেই মিলিয়ন মিলিয়ন বছরের সাধ্য সাধনায় কি ভাবে একটি একটি করে ধর্ম একত্র হয়ে এক স্পেসিসকে অন্য স্পেসিস থেকে আলাদা করে। আমরা শুধু দেখতে পাই শেষপর্যন্ত তার ফলাফল কি দাড়ালো। নিচে দেখুন মানুষের খাড়া হয়ে উঠবার কাহিনী।



    আজকের হোমো সেপিয়েন্স সেপিয়েন্স একটি অনন্য স্পেসিস। অর্থাৎ, তার নিকটবর্তী যে সকল আত্মীয়রাও মানুষ হবার চেষ্টায় ছিল, তাদের সকলেই প্রকৃতির , বা হোমো সেপিয়েন্স সেপিয়েন্সের সাথে যুদ্ধে বেমালুম হেরে গেছে, আর বিলুপ্ত হয়ে গেছে। মানুষের সবচেয়ে কাছের আত্মীয় এখন শিম্পাঞ্জি , যাদের থেকে মানুষ আলাদা হয়ে গেছে ৪-৬ মিলিয়ন বছর আগে। অর্থাৎ তার আগে একটি প্রজাতি ছিল, যা এখন বিলুপ্ত, যাদের থেকে মানুষ ও শিম্পাঞ্জির জন্ম। এভাবেই, গরিলা ও মানুষ আলাদা হয়েছে ৬-৮ মিলিয়ন বছর আগে আর ওরাং থেকে, ১২-১৬ মিলিয়ন বছর আগে। এই মুহূর্তে, হোমো সেপিয়েন্স এর সবচেয়ে নিকট আত্মীয় নিয়ানদারথ্যাল মানব(Homo neanderthalensis ), যে কিনা লুপ্ত। নিচে দেখুন আত্মীয়তার ছবি। গঠনগত ভাবে খুবই কাছাকাছি, এবং সবচেয়ে নবীন নিয়ানদারথ্যাল মানবের ফসিল ৩০,০০০ বছর পুরনো। সবচেয়ে পুরনো, প্রোটো নিয়ানদারথ্যাল মানবের সন্ধান মিলেছে ৩থেকে ৬ মিলিয়ন বছর আগে, অর্থাৎ , এই দীর্ঘ সময় ধরে এনাটমিকালি মানুষ তৈরী হয়েছে। নবীন নিয়ানদারথ্যাল প্রস্তরযুগে ছিল, এবং আগুনের ব্যবহার জানত।



    জিন সিকোয়েন্স করে বন্য এপদের সাথে মানুষের বিভিন্ন ব্যবহার ও তত্সংক্রান্ত জিনের তুলনার গুরুত্ব বিহেভিয়ারাল জেনেটিক্সে এখন প্রথম সারিতে। দু:খের বিষয়, নন-ইভেসিভ টেকনিকে জিন সিকোয়েন্স সংগ্রহ করা গেলেও, কোন সময় কোন জিনের ধর্ম প্রকাশিত হবে , ডেভেলপমেন্ট, বিহেভিয়ার ইত্যাদির সাথে তাল মিলিয়ে, সে নিয়ে গবেষণা এক বিরাট চ্যালেঞ্জ। এই সমস্ত এপ রা দ্রুত বিলুপ্ত হচ্ছে, খাঁচায় এরা মিলিত হতে চায় না, এবং সন্তানের জন্ম দিতে চায়না । আর বন্যতায় বন্যকে অবজার্ভ করা, এবং স্যাম্পল (সংখ্যা নয়, আর এন এ এবং প্রোটিন; ) সংগ্রহ করা মানে প্রায় মৃত্যুর কাছাকাছি গিয়ে দাড়ানো। নবীন ফসিল নিয়ানদারথ্যাল এর জিনোম সিকোয়েন্স করেছেন ম্যাক্স প্ল্যান্কের , আর গ্রিন, যা এই মুহূর্তে সায়েন্স জার্নালে প্রকাশের অপেক্ষায়।

    তা হলে মানুষের প্রাথমিক বিহেভিয়ারের মডেল আমরা কোথায় খুঁজবো? মানুষের অন্য কোনো কাছাকাছি প্রাণী তো আমাদের জানা নেই , যারা এই বিবর্তনের পথ দেখাবে?

    কোনো না কোনো ভাবে, এক একটি ভৌগোলিকভাবে আইসোলেটেড উপজাতির মধ্যে প্রাথমিক ব্যবহারের লেফট ওভার রিচুয়াল হিসাবে লুকিয়ে থাকে। মানুষের মধ্যে যে সমস্ত ধর্ম সারা পৃথিবীতে মেজরিটি হিসাবে সিলেক্ট হয়েছে, এবং অন্তর্মিলনের ফলে এনরিচড হয়েছে, যেমন মনোগ্যামি ও পলিগাইনি( এক পুরুষ, বহু নারী), ডান হাতের ব্যবহার, লিখিত ও মৌখিক ভাষার ব্যবহার, বুদ্ধিমত্তা, মেয়েদের শিশুসুলভ চেহারা (নিওটেনি)তার ঠিক উল্টো দিকে বেশ কিছু উপজাতি রয়েছে যারা মাইনরিটি হিসেবে নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষা করে কিছু পুরনো বিহেভিয়ারকে বাঁচিয়ে রেখেছে। এবার আমরা, ধর্ষণের ব্যবহারিক উপযোগিতার ক্ষেত্রে রেলিভ্যান্ট এমন কিছু মাইনরিটি কমিউনিটির বেহেভিয়ারাল প্র্যাকটিসের কথা আলোচনা করব।
  • aka | 85.76.118.96 | ২১ অক্টোবর ২০১২ ১৯:২৪575087
  • খাসা হচ্ছে। অ্যান্টি ইভলিউশনারিরা যে যুক্তিগুলো দেয় সেগুলো কেন বোগাস সেগুলো একটু ছুঁয়ে যাবার অনুরোধ রইল।
  • Blank | 69.93.193.76 | ২১ অক্টোবর ২০১২ ২১:৪৮575088
  • প্রথম দিকে হোমো সাপিয়েন্স আর নিয়ানডারথালদের ইন্টারমিক্সিং হয়েছিল না কিছু?
  • sosen | 126.203.177.197 | ২১ অক্টোবর ২০১২ ২১:৫৩575089
  • মসুও উপজাতি: চীন
    একটি প্রকৃত মাতৃতান্ত্রিক সমাজ
    ____________________________________________________________________________________
    বিবর্তনের ইতিহাসে মানুষের উদ্ভবের সময় থেকে সহসা বলাত্কার অর্থহীন হয়ে এলো, এগ্রেসিভ আলফা -পুরুষেরা চাপে পড়ল, আর নারীর হাতে এলো মিলনের নিয়ন্ত্রণ। এটা ভাবলে ভুল হবে যে প্রথম থেকেই নারী মনোগ্যামিকে একমাত্র কাম্য পন্থা বলে বেছে নিয়েছিল। বেশ কিছু এক্সপেরিমেন্ট নারীও করে দেখেছিল, যার মধ্যে বহুগামিতা অন্যতম। polyandrous সমাজের প্রাচীনতম উদাহরণ চীনের মসুও উপজাতি। এই বহু প্রাচীন উপজাতির সমাজের গঠন অত্যন্ত কৌতুহলোদ্দীপক।

    মসুও উপজাতি চীনের ইউনান এবং সিচুয়ান প্রদেশে বাস করে, লুগু হ্রদের চারপাশে, হিমালয়ের কিছুটা উচ্চতায়। প্রায় ৪৫০০০ মানুষ এই মুহূর্তে উপজাতির অন্তর্ভুক্ত। এদের জীবিকা চাষ ও পশুপালন, তাছাড়া আগে এরা নিজেদের সমস্ত প্রয়োজনীয় দ্রব্য নিজেরাই তৈরী করত। ইদানিং তা হয়না।
    মসুও উপজাতির ছেলে :মেয়ের রেশিও ১ থেকে ১_৪ এর মধ্যে, যা খুবই সুস্থ অনুপাত। এদের মধ্যে হৃদয় এবং রক্তচাপজনিত সমস্যা বিরল, একমাত্র রোগ হচ্ছে দাঁতের ইনফেকশন। ইদানিং সেক্সুয়ালি ট্রান্সমিটেড অসুখের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে, তার কারণ বলছি।

    মসুওদের কোনো লিখিত ভাষা বা স্ক্রিপ্ট নেই। এদের ইতিহাস কেবল মৌখিক ভাষায় ধরা আছে। আশ্চর্যের বিষয়, এদের মৌখিক ভাষায় ধর্ষণ, খুন ও যৌন হিংসা অর্থের কোন শব্দ নেই। তার মানে অবশ্য এই নয় যে এদের সমাজে এই জিনিসগুলি নেই; কিন্তু পরিসংখ্যান নগণ্য।
    মসুওদের সমাজ শুধু মাতৃতান্ত্রিক নয়, মাতৃসূত্রী(matrilineal )। পরিবার এদের সমাজে নিতান্ত গুরুত্বপূর্ণ, যা মেয়েদের কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়। মেয়েদের সম্পত্তি তাদের মেয়েদের হাতে যায়। পরিবারের পুরুষেরা পরিবারেই থাকে, এবং পরিবারের মাথা না হলেও এবং মাতৃ সম্পত্তির উত্তরাধিকার না পেলেও মেয়েদের থেকে আলাদাভাবে তাদের দেখা হয়না। মেয়েরা এবং ছেলেরা জীবিকার সকল কাজ ই করে থাকে।
    এদের সমাজে বিবাহের অস্তিত্ব নেই। মসুও মেয়েরা কারুর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক চাইলে তাকে রাত্রে নিজের ঘরে ডাকে। মেয়েদের প্রাইভেট রুম বাড়িতে থাকতেই হবে। এখানে কোনো গোপনতা নেই, এবং এই সম্পর্ক এক রাতের হতে পারে, আবার ভালো সমঝোতা গড়ে উঠলে দীর্ঘদিন ও চলতে পারে। কিন্তু মসুও পুরুষ তার শয়ন সঙ্গিনীর বাড়ির অন্যান্য কোনো ব্যাপারে অংশগ্রহণ করেনা। যদিও তার মা, বোন, বা পরিবারের মেয়েদের ব্যাপারে সে রেস্পন্সিবল। দুটি পরিবারের মিলন এক্ষেত্রে ঘটেনা।
    সন্তান তার মায়ের পদবি পায়, এবং মায়ের কাছে মায়ের পরিবারে বড় হয়। তার পিতা চাইলে সন্তানের সাথে সম্পর্ক রাখতে পারে, সেক্ষেত্রে একটি ছোট্ট অনুষ্ঠান করে , শয়নসঙ্গিনীর বাড়িতে উপহার ইত্যাদি পৌঁছে দিয়ে সেই প্রিভিলেজ তাকে দেওয়া হয়। ইনসেস্ট ছাড়া যে কোনো পুরুষের সাথে মসুও নারী সম্পর্কে লিপ্ত হতে পারে। একে ওয়াকিং ম্যারেজ বলা হয়। মসুওরা যে কোনো পুরুষকে, এমনকি কৌমের বাইরের পুরুষকেও নির্বিরোধে বাড়িতে আসতে দেয় বাড়ির মেয়ে চাইলে, এই ওয়াকিং ম্যারেজের জন্য।একে বিজ্ঞানের ভাষায় আমরা বলব সিরিয়াল মনোগ্যামি। যাকে কাজে লাগিয়ে একসময় সেক্সুয়াল ট্যুরিজম গড়ে উঠেছিল এই অঞ্চলে। ওয়াকিং ম্যারেজের বিক্রি এবং অসাধু দালালদের জন্য একসময় এই উপজাতি STD র কবলে পড়েছিলো। এখন এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
    ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যু, যদিও এই অপরাধ মসুওদের নিকটতম ইতিহাসে দেখা যায়না।

    পাঠক এখানে আদিম polyandrous সমাজের ছায়া দেখুন। মসুওদের সমাজ ও পরিবার অত্যন্ত স্টেবল, মানসিক স্ট্রেস নেই, নারী ও পুরুষ উভয়েই সুস্থ এবং হিংস্র/এগ্রেসিভ কেউই নয়। যে হাতে গোনা ছেলেমেয়েরা এখন আধুনিক পড়াশোনার জগতে গেছে তাদের ও অন্যদের ও আই কিউ খুবই উচ্চ। ১৪ বছর বয়সের আগে ছেলে মেয়ে দের পোশাক এক থাকে। তাদের কোনো ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যোগ দেবার দরকার পড়েনা। ১৪ বছর বয়সের পর অনুষ্ঠান করে বয়: প্রাপ্তি অনুষ্ঠান হয় , ছেলে মেয়ে উভয়কে আলাদা পোশাক দেওয়া হয় এবং তার পর তারা ওয়াকিং ম্যারেজের অনুমতি পায়।

    কিন্তু, এক ই সঙ্গে মসুও দের মধ্যে একটি সমান্তরাল ক্ষুদ্র পিতৃতান্ত্রিক সমাজধারা রয়েছে। আমার ধারণা এই ধারা অপেক্ষাকৃত নতুন, এবং , যদি ইতিহাসে এই পিতৃতান্ত্রিকতার সময় চিহ্নিত করা সম্ভব হয়, তাহলে বিবর্তনের ইতিহাসে আবার পুরুষের আধিপত্য ফিরে আসার সময়কেও চিহ্নিত করা সম্ভব। মসুওদের কৃষকেরা সাধারণ জনগণ, এবং রাজনৈতিক ভাবে তাদের নিয়ন্ত্রণ করার জন্য একটি ছোট্ট পুং গোষ্ঠী রয়েছে , যাদের বলা হয় "নোবিলিটি"। এরা কৃষিজাত দ্রব্যের বেচাকেনা নিয়ন্ত্রণ করে, এবং এই গোষ্ঠির নির্বাচিত প্রধানরা বিবাহ করেন, এবং স্ত্রী রা তাদের বাড়িতে থাকেন। অনেক নারীবাদী সমাজবিজ্ঞানী বলে থাকেন যে মসুওদের মাতৃতান্ত্রিকতা আসলে ফোর্সড মাতৃতান্ত্রিকতা , যা পুরুষেরা তৈরী করেছেন এবং মেজরিটি সমাজের উপর ফোর্স করেছেন। ব্যক্তিগত ভাবে আমার তা মনে হয় না, কারণ এমনকি নোবিলিটির অন্তর্গত পুরুষেরাও একাধিক বিবাহ করেন না, তাদের স্ত্রীয়েরাও নির্বাচিত, এবং ধর্ষণ বা হিংসায় অংশ নেননা। নোবিলিটি বংশানুক্রমিক নয়, নির্বাচিত। আমার ধারণা, এগ্রেসিভ এবং অপেক্ষাকৃত বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন পুরুষদের আলাদা করে একগামী প্রজননে রেখে একটি উচ্চ ব্রিডিং স্টক তৈরির একটি এক্সপেরিমেন্ট নোবিলিটি। তাদের সন্তানেরা আবার সাধারণ দলেই নিক্ষিপ্ত হয়, এবং সাধারণ প্রজননে ভালো জিন ছড়িয়ে দেয়।

    মসুও-আমার ধারণায় আদিম মানব সমাজের একটি স্ন্যাপশট, যখন কনফিউজড পুরুষ এবং হঠাত পাওয়া নিয়ন্ত্রণে কনফিডেন্ট নারী যৌনতার বিভিন্ন মডেলকে বাজিয়ে দেখছে, কোনটা খাটে।
  • sosen | 126.203.177.197 | ২১ অক্টোবর ২০১২ ২২:০০575090
  • ব্ল্যান্কি, ইয়েস। হোমো সেপিয়েন্সের ইউরেশিয়ান সাব্গ্রুপের সঙ্গে নিয়ানডারথালের ব্রিডিং হয়েছে বলে মনে করা হয়, যেটা ইউরেশিয়ান মডার্ন হিউম্যানের ancestor ।
  • Blank | 69.93.193.76 | ২১ অক্টোবর ২০১২ ২২:১১575091
  • এই ব্রিডিং এর জন্যই নাকি নিয়ানডারথাল ক্রমশ কমেছে বলে মনে করা হয়?
  • sosen | 126.203.177.197 | ২১ অক্টোবর ২০১২ ২২:২০575092
  • তিন চারটে থিওরি আছে। সেপিয়েন্স -নিয়ানডারথাল বেশি ভালো সারভাইভ করেছে নিয়ানডারথাল এর থেকে। তাছাড়া ছোট জনগোষ্ঠী ভেবে দেখো যদি ক্রমাগত অন্য গোষ্ঠির সাথে মিলিত হয় তাহলে একসময় তো তাদের অফস্প্রিং রা ই থাকবে। পেরেন্ট গোষ্ঠির হারিয়ে যাওয়ার ই কথা-absorption । তবে ব্রিডিং ঘটেছিল কিনা তার ও বিশেষ কোনো প্রুফ নেই। এইবার গ্রিনের পেপারটা বেরোলে হয়ত জানা যাবে। তাছাড়া একটা অগ্ন্যুত্পাত ও হয়েছিল।
  • ranjan roy | 24.99.5.60 | ২২ অক্টোবর ২০১২ ০০:২২575093
  • সোসেনের লেখাটি সম্পূর্ণ হলে এবার বইমেলায় চটিবই হিসেবে বের করা হোক, সম্পাদকমন্ডলীকে আমার অনুরোধ। স্টলে বসে চেঁচিয়ে চেঁচিয়ে বিক্কিরি করব। মাক্কালী!
  • sosen | 125.184.82.62 | ২২ অক্টোবর ২০১২ ০০:৫০575094
  • রঞ্জনদা :)
    ছবি এসে গেছে! থ্যাঙ্ক ইউ থ্যাঙ্ক ইউ মামু!
  • 3Q | 161.141.84.239 | ২২ অক্টোবর ২০১২ ০০:৫৯575095
  • সোসেন, লেখা তুমুল হচ্ছে।
    আমার নিয়ানডার্থাল বিষয়ে কটা প্রশ্ন আছে।
    ১। বর্তমান মডার্ন হিউম্যানদের মধ্যে কি নিয়ানডার্থাল জিনের কোনো বৈশিষ্ট সার্ভাইভ করেছে?
    ২। নিয়ানডারথালরা ঠিক কী কারণে লুপ্ত হলো? জেনেটিক স্ট্রেংথ কমে গিয়ে এমনি এমনিই ধীরে ধীরে সন্তান উৎপাদন কমে গিয়ে অবশিষ্টেরা মরে গিয়ে শেষে একেবারেই হারিয়ে গেলো নাকি অন্য কোনো কারণ?
    ৩। হবিট বলে যে আরেক ক্ষুদ্র দৈর্ঘ্যের মানবগোষ্ঠী ছিলো, এরা ই বা কী কারণে লুপ্ত হলো?
  • 3Q | 161.141.84.239 | ২২ অক্টোবর ২০১২ ০১:০২575097
  • হবিট মানে বলতে চাইছিলাম Homo Floresienses দের কথা।
  • sosen | 125.184.82.62 | ২২ অক্টোবর ২০১২ ০১:৫২575098
  • 3Q
    ১)নিয়ানডার্থাল মানবের জিনোমের ড্রাফট সিকোয়েন্স বেরিয়ে গেছে ২০১০ এ । কিন্তু একটা কমপ্যারেটিভ ফাংশনাল সার্ভে বেরোনোর অপেক্ষায়। আগের সিকোয়েন্স থেকে কিছু নিউক্লিয়ার জিনের মিল পাওয়া গেছে, যেমন ক্রেনিয়াল ডেভেলপমেন্টের কিছু জিন, ABO ব্লাডগ্রুপ, কিছু কগনিটিভ জিন। মিল পাওয়া গেছে বেশি চিনে, ফরাসী এবং ইউরেসিয়ানদের সাথে। মাইটোকনদৃয়াল জিনের মিল পাওয়া যায় নি। গ্রিনের পরের পেপারের অপেক্ষায় , সেখান থেকে আরো কিছু তথ্য মিলতে পারে।

    ২)নিয়ানডার্থালরা ঠিক মরে যায়নি। পাশাপাশি আর একটা হোমো , যেটা সেপিয়েন্স, তার সঙ্গে মিশে গেছে। একে absorption বলা হয়। সম্পূর্ণ নিয়ানডার্থালদের আউটকমপিট করে তার মিশ্রিত সন্তানেরা বেশি ভালোভাবে সারভাইভ করেছে।

    ৩)ফ্লোরিস মানবেরা যদ্দুর মনে পড়ছে পড়েছিলাম অপরিণত খুলি , মস্তিষ্ক এবং পিটুইটারি গ্রন্থির প্যাথলজিতে ভুগছিল। এরা কোনভাবে বহুদিন বেঁচে যায়। এরা হোমো সেপিয়েন্স নয়, আদি হোমোর একটি স্পেসিস যারা ডেভেলপমেন্ট ও হরমোনাল ডিজঅর্ডারে ভুগছিল, কোনভাবে সেপিয়েন্স এর সাথে প্যারালেলি বেঁচে যায় কিছুদিন। এর বেশি এখন আর কিছু মনে পড়ছে না, পড়ে দেখতে হবে।
  • 3Q | 161.141.84.239 | ২২ অক্টোবর ২০১২ ০২:১১575099
  • বুঝলে সোসেন, আমারো মাঝে মাঝে নিজেকে খানিকটা নিয়ান্ডার্থাল টাইপ মনে হয়, পিতৃধারা বা মাতৃধারা কোনো একটা দিক থেকে হয়তো কিছু জিনের টুকরো এসে গেছে। ঃ-) যেমন কিনা ছেনিকাটা নিঁখুত থুতনি আমার না, কেমন একটু থ্যাপটুথুপটু আনাড়ী টাইপের থুতনি, মসৃণ হয় কেবল দাঁত কেলিয়ে হাসলে। নির্ঘাৎ এটি কোনো নিয়ানডার্থাল প্র প্র প্র..... পিতামহ/মহী বা প্র প্র প্র ....মাতামহ /মহীর স্নেহাশিস। ঃ-)
  • কল্লোল | 111.62.109.160 | ২২ অক্টোবর ২০১২ ০৭:১১575100
  • রঞ্জনকে ক্ক-ক্ক-ক্ক-ক্ক-ক্ক
    এটা ঠিক্ঠাক এডিট করে এই বইমেলায় চটি হিসাবে দেখতে চাই। আমাদের মতো অগা-বগাদের জন্য অসাধারণ কাজ।
  • sosen | 111.63.129.204 | ২২ অক্টোবর ২০১২ ২২:১৯575101
  • যৌনতার অন্যপ্রান্ত

    যৌন হিংসা, চূড়ান্ত বহুগামিতা(পুরুষ), ধর্ষণ, শিশুর সঙ্গে সঙ্গম, এবং পুরুষতান্ত্রিকতার অন্য প্রান্ত দেখতে পাই আফ্রিক্যান ও দক্ষিণ আমেরিকান আদিম উপজাতিগুলির মধ্যে। এবার সেইরকম একটি উদাহরণ দেখা যাক।

    ইয়ানোমোমো
    ______________________________________________________________________________
    ইয়ানোমোমো উপজাতির বাস ব্রাজিল ও ভেনেজুয়েলার বর্ডারে, রেইনফরেস্টের ভিতর। আমাজনের অববাহিকায় বসবাসকারী ইন্ডিজেনাস উপজাতিদের মধ্যে এরাই প্রাচীনতম যারা এখনো বেঁচে আছে। অস্বাভাবিক হিংস্র, পুরুষতান্ত্রিক, যুদ্ধপ্রিয় ও আইসোলেটেড এই উপজাতি । ২০,০০০ নারী ও পুরুষ ২০০-২৫০ টি গ্রামে বিভক্ত হয়ে বসবাস করে। সান্টা বারবারার ইমেরিটাস অধ্যাপক N Chagnon এর সারাজীবনের কাজ এই উপজাতির উপর। যেহেতু এদের বিশ্বাস অর্জন করা ও এদের নিয়ে গবেষণা করা খুবই ঝুঁকির কাজ, সেজন্য খুব কম লোকই এই উপজাতির ওপর ফিল্ডওয়ার্ক করেছেন, এবং চাগ্ননের কাজ নিয়েও প্রচুর বিতর্ক হয়েছে। তা সত্ত্বেও, যুদ্ধ, হিংসা ও পুরুষতান্ত্রিকতার বিবর্তনে চাগ্ননের কাজ পায়োনিয়ার।
    ইয়ানোমোমোদের সামাজিক গঠনকে মানুষের সমাজে যুদ্ধ, হিংসা এবং আধিপত্য বিস্তারের সূত্রপাতের মডেল হিসাবে ধরা হয়। এদের সমাজে ও পরিবারে পুরুষদের কথাই প্রথম ও শেষ। কোনো বয়সী, কোনো রকম নারীরই ধর্মাচরণ থেকে শুরু করে কোনো রকম সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের রীতি নেই। ১০-১২ বছর বয়সের মধ্যে ইয়ানোমোমো নারীরা প্রথম রজদর্শন করে এবং সঙ্গে সঙ্গে তাদের বিবাহ হয়। প্রতি পুরুষের ৫-১০ জন স্ত্রীও থাকে, এই সংখ্যা পুরুষের শক্তি ও র্যাঙ্কের উপর নির্ভর করে। এদের বিবাহ আগে থেকেই পরিবারের পুরুষেরা স্থির করে রাখে। কোনো রকম বিষয়েই নারীদের কোনো মতামত নেই। প্রথম রজদর্শনের পর মেয়েরা প্রায় সমস্তটা ফার্টিলিটি পিরিয়ড ধরেই গর্ভবতী থাকে, এবং এদের মেন্সট্রুয়াল সাইকল সেই কারণে নিতান্ত অনিয়মিত। অল্প বয়েস থেকে সন্তানধারণ শুরু হওয়ায় এদের সব সন্তান বাঁচেনা, এবং জরায়ুর অসুখ প্রায়শই দেখা যায় ।
    এদের সামাজিক ব্যবহারে পরকীয়া, প্রেম ইত্যাদির কোনো স্থান নেই। কোনো মহিলা বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়লে ইয়ানোমোমো স্বামীরা ১। তার কান কেটে নিতে পারে ২। ধারালো কুকরী দিয়ে তার নিতম্বের কিছু অংশ কেটে নিতে পারে। এছাড়া শক্তি ও ক্ষমতার প্রদর্শন হিসাবে স্ত্রীদের উপর শারীরিক অত্যাচার খুবই নিয়মিত, এবং ধর্ষণ বা খুনের কোনো শাস্তি নেই। আসলে, ইয়ানোমোমোদের সমাজ যুদ্ধ ও লুটের উপর দাড়িয়ে। প্রত্যেক ইমোশনের বহি:প্রকাশ খুনে গিয়ে দাড়াতে পারে, এবং খুন সেলিব্রেট করার জন্য কিছু রিচুয়াল রয়েছে। চাগ্নন বলেছেন" It is dangerous to provoke a grieving person no matter what the cause of death of the lost kin. It is common to hear statements such as, "If my sick mother dies, I will kill some people." এরা নর মাংসাশীও , তবে সচরাচর মৃত মানুষের দেহের অংশ রিচুয়াল হিসাবে খেয়ে থাকে। প্রতি বছরে অন্তত চারবার একটি ইয়ানোমোমো গ্রাম অন্য গ্রামকে আক্রমন করে। জয়ীরা বিজিত পুরুষদের হত্যা করে এবং নারীদের ধর্ষণ করে। নারীদের সচরাচর কৌমের অন্তর্ভুক্ত করে নেওয়া হয়, কারণ abuse এর ফলে মেয়েদের সংখ্যা বেশ কম। সন্তানের প্রতি পুরুষদের কোনো এটাচমেন্ট দেখা যায়নি।
    [বলে নেওয়া ভালো, যে কোনো কোনো সমাজ্তাত্ত্বিকের মতে, পাশ্চাত্য সংস্কৃতির কোনো সময়ে অনুপ্রবেশের ফলেই এই উপজাতি হিংস্র হয়ে উঠেছে, এটি এদের ইনহেরেন্ট ধর্ম নয়। কিন্তু এই মতবাদের কোনো প্রমাণ বিরল। ১৯৪০ থেকে শুরু করে বাইরের পৃথিবীর সঙ্গে এদের কিছু কিছু সংযোগ হয়েছে, কিন্তু কোনো ব্রিডিং হয়নি বলেই মনে হয়। ]

    http://www.survivalinternational.org/tribes/yanomami/future#main

    এই রকম সমাজের বেনিফিট কি রকম?

    ১। এই জাতীয় সমাজে শক্তিশালী ও এগ্রেসিভ পুরুষের বেশি সংখ্যক স্ত্রী থাকে, ফলে তাদের প্রজননে সাফল্য বেশি হয়।
    ২। Warrior পুরুষেরা ক্রমাগত যুদ্ধে অংশগ্রহন করে, ফলে, তাদের লুট করে পাওয়া স্ত্রীয়েরা কিছুটা দূরবর্তী সম্পর্কের হয়। এর ফলে বিভিন্ন জিন এসে বংশে মেশে এবং সন্তানের মধ্যে রিসেসিভ অসুখ বা দুর্বলতা কমে।
    ৩। মেয়েদের হাতে কোনো রকম সিলেকশন না থাকায়, এখানে সেক্সুয়াল সিলেকশনের একটি কম্পোনেন্ট কম। পুরুষের সঙ্গে কেবল পুরুষের লড়াই , এবং তাতে যে জিতবে সে বেশি সফল। এখানে নারী ও পুরুষের স্বার্থের মধ্যে চূড়ান্ত কনফ্লিক্ট, নারীর সম্পূর্ণ অবদমন এবং তার ফলে কমে যাওয়া প্রজননগত সাফল্যকে কমপেনসেট করতে বহুনারী গমন, নারীর সম্পূর্ণ একগামিতা এবং warefare কে ব্যবহার করা হয়েছে। প্রজননের রেট খুব কম নয়, যদিও মৃত্যুর হার খুব ই বেশি, ৫০% পুরুষের যুদ্ধে মৃত্যু ঘটে। এই মডেলকে সমাজ হিসাবে অসফল বলা যায়না।

    এই দুরকম প্রান্তিক যৌন ব্যবহারের মধ্যে কোথাও না কোথাও, বিবর্তনের সময় একটা ব্যালেন্স আনার দরকার পড়েছে।
    কিভাবে, সেটা দেখতে গিয়ে কিছু মিশ্র ব্যবহারের উপজাতির ব্যবহার দেখা দরকার, তারপর আমরা বর্তমান সমাজের গঠনে আসবো।
    ___________________________________________________________________________
    তবে তার আগে দেখা যাচ্ছে, মাতৃতান্ত্রিক ও পিতৃতান্ত্রিক সমাজ , দুই ই কিন্তু বেসিক পরিবারের গঠনকে মেনে নিচ্ছে। অর্থাৎ, প্রকৃত অর্থে সোশ্যাল না হয়েও(যেমন মৌমাছি) এরা দলবদ্ধ হয়ে থাকছে, এবং একটা ফলস সামাজিক মডেল তৈরী করছে যেটা নারী ও পুরুষের পারস্পরিক ডমিন্যান্ট-সাবমিসিভ-রেজিস্ট্যান্ট সম্পর্কের উপর নির্ভরশীল। সেই মডেল বিভিন্ন অরিজিনের মানুষদের মধ্যে বিভিন্ন রকম। কোন মডেল সবচেয়ে ফলপ্রসূ হবে, সেই বাছাই প্রক্রিয়া তখনও চলছে, যখন এই প্রাচীন উপজাতিগুলির পূর্বপুরুষেরা বিচ্ছিন্নভাবে পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায় ঘাঁটি গাড়তে শুরু করেছে। মনে রাখতে হবে , এই উপজাতিগুলি ১। অন্যান্য উপজাতির প্রভাব থেকে বিচ্ছিন্ন ২। এদের লিখিত ভাষা নেই, অর্থাৎ লৌহ-যুগের পর এদের বিবর্তন সামান্যই হয়েছে। সুতরাং, বিজ্ঞানীদের মতে, এদের ব্যবহারের রহস্য প্রায় পুরোটাই এদের জিনে ধরা রয়েছে, লার্নিং এবং বাইরের পৃথিবীর প্রভাব সামান্যই।
  • sosen | 111.63.129.204 | ২২ অক্টোবর ২০১২ ২২:২৭575102
  • যে লিংটা দেওয়া আছে সেটি ক্যাম্পেইন ওয়েবসাইট, তাই খুব ই বায়াসড। শুধু ছবি দেখার জন্য দিলাম।
  • hu | 22.34.246.72 | ২২ অক্টোবর ২০১২ ২৩:০৮575103
  • সোসেনের লেখাটা এক নিঃশ্বাসে পড়ে ফেললাম। অত্যন্ত ভালো হচ্ছে।
  • h | 127.194.224.236 | ২২ অক্টোবর ২০১২ ২৩:২৩575104
  • খুব ভালো লাগলো। আরো আরো হোক। অসাধারণ লাগলো, রেফারেন্স গুলো সঠিক বৈজ্ঞানিকের হাতেই পড়েছে।

    আমার ছাত্র/পাঠক হিসেবে প্রশ্ন গুলো এরকমঃ

    সংগমের মোটিভিশন হিসেবে বিশেষতঃ ইমিডিয়েট গ্র্যাটিফিকেশন এবং সোশাল ডমিনেশন কে আদৌ বংশ বৃদ্ধি আর প্লেজার এর সাবসেট হিসেবে আদৌ ধরা যায় কিনা, যদি না যায়, কতটা আলাদা ভাবে স্টাডি করা সম্ভব? ইভোলিউশনের টাইম স্কেলে হয়তো 'সভ্যতা' পড়ে ই না, কিন্তু ফিজিওলোজিকালি এই পৃথকীকরণ কি সম্ভব? ধরুন এটা কি বলা সম্ভব। যদি না হয়, তাহলে, সোশাল ইম্প্যাক্ট কে সরিয়ে রেখে আলোচনা কতটা সম্ভব? আর অ্যান্থ্রোপোলোজিকাল যে এভিডেন্স এর কথা বলছেন সোসেন, তাতে একটা কমিউনিটির সেকসুয়াল বিভেভিয়র এর কথা বলছেন, যে খানে ডমিনেন্সের ধ্যানধারণা পরষ্পরের উল্টো। তো এই আলোচনায় প্রপার্টির লিনিয়েজ বা অ্যাকিউমুলেশনের ভূমিকা কি? কি ডেটা আছে যদি একটু আলোচনা করেন।

    খুব ভালো লাগছে।
  • siki | 127.194.5.155 | ২২ অক্টোবর ২০১২ ২৩:২৯575106
  • অপোর্ব = অপূর্ব :)
  • siki | 127.194.5.155 | ২২ অক্টোবর ২০১২ ২৩:২৯575105
  • কী বলি, কী বলি। সোসেনের সোনার কীবোর্ড, প্ল্যাটিনামের মাউস হউক। অপোর্ব সুন্দর হচ্ছে লেখাটা।
  • aranya | 154.160.226.53 | ২৩ অক্টোবর ২০১২ ০০:২৫575108
  • সোশাল ইম্প্যাক্ট-টা একটু এলে পারত, এটা আমারও মনে হয়।

    বাচ্চার জন্য বাবার অতিমানবিক স্যাক্রিফাইসও খুব কাছ থেকে দেখেছি - প্রাণীজগতে বাবারা যেমন অনেকসময় সন্তান হত্যা করে, তার বিপরীতে। জনি না, কতটা বিবর্তন, কতটা পরিবেশ - মানুষ বেশ কমপ্লিকেটেড, বহু শেডের, বৈচিত্রময় প্রাণী, অসাধারণ মস্তিস্কের অধিকারী।

    লেখাটা দূর্দান্ত হচ্ছে, খুব খুব ভাল।

    চটি হয়ে বেরোলে খুশি হব।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। পড়তে পড়তে মতামত দিন