ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • ধর্ষণ ও বিবর্তন নিয়ে কিছু কথা

    sosen
    অন্যান্য | ১৭ অক্টোবর ২০১২ | ৬৬১৭ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • sosen | 125.241.110.158 | ১৭ অক্টোবর ২০১২ ২৩:১৭574900
  • ধর্ষণ-কৌতুহলী চোখে যেমন

    ২০০০ সালে প্রকাশিত একটি বই -"এ ন্যাচারাল হিস্ট্রি অফ রেপ : biological bases of sexual coercion " কিঞ্চিত হইচই ফেলেছিল। দু:খের বিষয়, সোশিও-বায়োলজির জগতে পা বাড়ানোর জন্য বেশি লোকজন উত্সাহিত হন না। দ্রুতই এই বই এ প্রকাশিত থিওরি সমূহ বিশ বাঁও জলে নিপতিত হয়। কিন্তু কিছু গবেষণা চলছিল সমান্তরাল ভাবে। ২০০৯ এ বেরোনো ক্রেগ স্ট্যানফোর্ডের আর একটি বই আলোচ্য থিওরিগুলিকে আবার উপরে তুলে আনে। একই সাথে, চিম্প ও ওরাং ওটাং এর উপর চলা গবেষণার কিছু গুরুত্বপূর্ন ফল প্রকাশিত হয়। সেই আলোচনাগুলোর উপর ভিত্তি করে কিছু প্রশ্ন করা আজকের দিনে জরুরি মনে হল।
    ধর্ষণ একটি ন্যক্কারজনক ঘটনা, একটি নিন্দার্হ ব্যবহার। অবশ্যই। কিন্তু একই সঙ্গে, ধর্ষণ হয়েই চলে, এবং কুটিল জীববিজ্ঞানীর মনে প্রশ্ন আসে, ধর্ষণের অভিযোজনগত (adaptational ) সার্থকতা কি? তবে কি ধর্ষণ, মনুষ্যজগতে একটি বিবর্তনের মাধ্যমে নির্বাচিত ট্রেইট(ধর্ম)?

    ধর্ষণ কি বিবর্তনের মাধ্যমে নির্বাচিত ব্যবহার?

    রেপ, মনুষ্যজগতে অভিযোজনীয় ব্যবহার কি না , সেটার উপর বায়োলজিক্যাল গবেষণার কিছু লিমিটেশন আছে। প্রথমে মানুষ ছাড়াও অন্যান্য প্রাণীদের দিকে তাকাই। পুরুষদের মধ্যে বহুগামিতা একটি উপকারী অভিযোজন, বিশেষত সেই সব প্রাণীদের মধ্যে , যারা পেনিট্রেটিভ সেক্সে অংশগ্রহণ করে। যত বেশি সংখ্যক নারীর সঙ্গে সঙ্গম করবে, তত সন্ততি বাড়ার সুযোগ, অর্থাৎ নিজের জিন বা লিনিয়েজ কে ছড়িয়ে দেবার সুযোগ। সুতরাং জোর জবরদস্তি করে হলেও অন্য পুরুষকে সরিয়ে একটি সুস্থ নারীকে নিজের সঙ্গে সঙ্গমে প্রবৃত্ত করা পুরুষের স্বাভাবিক রীতি। যে সমস্ত স্পিসিসে এই রেপের প্রবৃত্তি দেখা যায়, সেগুলি প্রায়শই স্তন্যপায়ী। সাপ এবং কুমির যদিও পেনিট্রেতিভ সেক্স শো করে, জানা নেই তাদের মধ্যেও গায়ের জোর খাটিয়ে সঙ্গম বা ফোর্সফুল কপুলেশন রয়েছে কিনা।
    অন্যদিকে, নারীর দিক থেকে দেখা হলে, স্তন্যপায়ীর ক্ষেত্রে বিশেষত: , নারীর প্রয়োজন বন্ডিং। সন্তানধারণে নারী প্রাণী বহুলাংশে শক্তিক্ষয় করে। দীর্ঘ সন্তান বহনের সময়কালে তার প্রয়োজন সুরক্ষা। নিজের এবং সন্তানের জন্য। এই জন্য সেক্সুয়াল সিলেকশনে , সঙ্গী বাছার ক্ষেত্রে নারীর পছন্দ ক্রিটিকাল,বহুবিধ স্ট্র্যাটেজি রয়েছে তার। নারীর পক্ষে পলিগ্যামি ক্ষতিকর, কারণ অধিকাংশ পুরুষই পরের তো বটেই, নিজের সন্তানকেও বিশেষ ভালবাসার চোখে দেখেনা। ফিমেল চয়েস এবং মেল aggresion , বহুগামিতা , ধর্ষণ-দুটি পরস্পরবিরোধী গ্রুপ অফ ট্রেটস।

    অর্থাৎ, একই স্পেসিস এর মধ্যে একটা কনফ্লিক্ট ফর সারভাইভ্যাল রয়েছে, পুরুষ এবং নারীর মধ্যে, । এই ট্রেট দুটি কি একে অন্যের পরিপূরক? আর , যেহেতু বিভিন্ন প্রানীসমাজে উন্নত থেকে উন্নততর ফোর্সড কপুলেশনের নজির রয়েছে, এই ট্রেট এর মধ্যে কোনটি বেশি বিবর্তিত?

    ওরাং ওটাং এর উপর চেরিল নট এর কাজটি বিশেষ উল্লেখযোগ্য। মনুষ্যসমাজে নিচু আর্থ-সামাজিক পুরুষের উচ্চ আর্থ-সামাজিক অবস্থানে রয়েছে এমন নারীকে ধর্ষণের ঘটনা , এবং উল্টোটাও প্রায়শই ঘটে থাকে। সমাজবিজ্ঞানীরা ধর্ষণের কারণ হিসাবে বারবার এই আর্থসামাজিক ব্যবধানকে একটি কারণ হিসাবে ধরে থাকেন। পুরুষ ওরাং ওটাং এর গালে দাড়ির মত বস্তুগুলি লক্ষ্য করেছেন কি? ওগুলো হলো সেক্সুয়ালি ম্যাচিওর ওরাং এর চিহ্ন। যে সব ওরাংরা এখনো সেক্সুয়ালি ম্যাচিওর নয়, তারাও হামেহাল মেয়ে ওরাং দের ধর্ষণ করে , আর ম্যাচিওররাও করে, কিন্তু সেই ধর্ষণ বেশি ফোর্সফুল এবং প্রজননগত ভাবে বেশি এফেক্টিভ । ধর্ষণ, ওরাং মিলনে একটি দরকারী কম্পোনেন্ট। নট দেখিয়েছেন, অতিরিক্ত শারীরিক আঘাত ও জোর করে করা সঙ্গম,যেটা পরিণত ওরাং করে থাকে, নারী ওরাং কে স্বভাবতই রেজিস্ট করতে প্রভাবিত করে, কিন্তু প্রজননগত ভাবে এই রকম সঙ্গম বেশি সফল । অন্যদিকে ছোট ওরাং রা যদিও বেশি সময় ধরে এক একটি ফিমেল গ্রুপে সঙ্গম করে, তারা প্রজননগত ভাবে খুব সফল নয়। সেটা হয়ত তাদের কম টেস্টস্টেরণ এর কারণে। কিন্তু এরা শারীরিক আঘাতও খুবই কম করে, পরিণত পুরুষের তুলনায়, নারী ওরাং কম বাধা দেয়। কিন্তু যথেষ্ট উত্তেজিত হয়না। এই কারণে নট বলেছেন , ওরাং ফোর্সফুল কপুলেশন করে না বলে বলা ভালো যে তারা "resisted mating " করে। এবং এই মিলনে রেজিস্ট্যান্স ও কো-অপারেশন নারী ওরাং এর দিক থেকে প্রায় সমান সমান। ধর্ষণ ও সম্মতি সমানুপাতিক, এবং তার পরিমাণ একটা ন্যুনতম স্কেল এ পৌঁছনোর আগে প্রজননগত ভাবে মিলন সফল নয়। ওরাং স্পিসিস হিসেবে মানুষের খুব কাছাকাছি।

    এরই পাশাপাশি এম থম্পসন জানাচ্ছেন, মানুষের মধ্যে একা, সাইকোলজিক্যালি চ্যালেঞ্জড পুরুষেরা রেপ বেশি করে, এটি মিথ। নারীরা ধর্ষিত হয় কোনো না কোনো ভাবে সফল পুরুষের হাতে, এবং কোনো একটা কানেকশন থাকলে , সম্পর্ক থাকলে সেটি ইন্ধনের কাজ করে। ঠিক ওরাং সমাজের মতই তো?

    তাহলে কি এরকম ই দাড়ালো, যে ধর্ষণ প্রানীসমাজে একটা অবশ্যম্ভাবী অস্তিত্বরক্ষার লড়াই , নারী ও পুরুষের মধ্যে অন্তর-স্পিসিস একটা সিলেকশন প্রেসার? ওদিকে শিম্পাঞ্জি পুরুষ যে শুধু ধর্ষণ করে তাই নয়, রুগ্ন ও বলহীন পুরুষ শিম্পাঞ্জিকে যে নারী পছন্দ করে তাকে বেদম পিটিয়ে তবেই ধর্ষণ করে। কিন্তু, কিন্তু তা সত্ত্বেও নারী মাঝে মধ্যেই খানিকটা নিম্নগোত্রীয় শিম্পাঞ্জিকে বেছে নেয়, হয়ত সে কম বহুগামী, সুতরাং তার শিশুর প্রতি বিশ্বস্ততা বেশি থাকবে এই লজিকে? খুব মানুষীয় শোনাচ্ছে না?

    এর পরে দেখব কতটা জেনেটিক এই ট্রেট, তা নিয়ে কি কি কাজ আছে। কিন্তু, আফটার দ্য ব্রেক।
  • sha`Mkh | 169.53.46.140 | ১৭ অক্টোবর ২০১২ ২৩:৩৩575011
  • ইন্টারেস্টিং!!

    আরেকটা দিক নিয়ে জানতে চাইঃ একক ধর্ষণ এবং দলবদ্ধ।

    মানুষের মধ্যে এই গ্যাং রেপের সংখ্যাই বেশি বলে মনে হয়, মোটামুটি খবরে যা প্রকাশিত হয়, কিন্তু সেটা বাকি প্রাণীজগতে আদপেই চলে বলে মনে হয় না। সেক্ষেত্রে বিবর্তনের অনেকটাই পাল্টে, একেবারে কাস্টোমাইজড হয়ে যাচ্ছে। এবং প্লেজারের থেকেও ফোর্স করাটাই মুখ্য হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
  • sosen | 125.241.110.158 | ১৭ অক্টোবর ২০১২ ২৩:৫৬575041
  • গ্যাং রেপ আছে, ডলফিন, গরিলা, চিম্প, সিল দের মধ্যে। এটা নিয়ে পরে লিখছি, আর সমযৌনতার প্রাণী বা শিশুর সঙ্গে বলাত্কার নিয়েও কিছু তথ্য দেওয়ার চেষ্টা করব। নিড থেকে প্লেজার এবং প্লেজার থেকে ফর্ম অফ ডমিন্যান্স এটা অনেকটাই বিবর্তন কে সাপোর্ট করে। তবে তার সাথে, মানুষের ক্ষেত্রে কালচারাল, এনভায়রনমেন্টাল অনেকগুলো ফ্যাক্টর কাজ করবে, বিবর্তনের অংশ হিসেবে। সেই তথ্যগুলো ও খুব জরুরি। মানুষের উপর রেপ এর ফলাফল বা রেপিস্ট এর প্রেক্ষাপট নিয়ে স্টাডিতে কিছু রেসট্রিকসন আছে। যে জন্য অনেকটাই সিমুলেশনের সাহায্য নিতে হয়, কিছু করণীয় নেই।
  • তাতিন | 127.197.66.91 | ১৭ অক্টোবর ২০১২ ২৩:৫৮575063
  • ছারপোকা নিয়ে খবরাখবর রাখতে গিয়ে এইটা পড়েছিলামঃ http://en.wikipedia.org/wiki/Bed_bug#Reproduction
  • তাতিন | 127.197.66.91 | ১৭ অক্টোবর ২০১২ ২৩:৫৮575052
  • ছারপোকা নিয়ে খবরাখবর রাখতে গিয়ে এইটা পড়েছিলামঃ http://en.wikipedia.org/wiki/Bed_bug#Reproduction
  • তাতিন | 127.197.66.91 | ১৮ অক্টোবর ২০১২ ০০:০৩575074
  • এক্ষেত্রে পুরুষ প্রাণীটি মেয়েটির যৌনাঙ্গ-এ সঙ্গম না করে, তার পেটে ফুটো করে যৌনাঙ্গ প্রবেশ করিয়ে ডিমে স্পার্ম ছেড়ে আসে।
  • Ishan | 60.82.180.165 | ১৮ অক্টোবর ২০১২ ০৭:১৮575085
  • এইটা ইন্টারেস্টিং হচ্ছে। ধর্ষণ, বলপ্রয়োগ ও হিংসা নিয়ে আধা নৃতাত্বিক, আধা মনস্তাত্বিক ও আধা নানাপ্রকার ইন্টারডিসিপ্লিনারি কাজকর্ম হচ্ছে। এটা চলুক, সুযোগ পেলে সেগুলোও একটু আধটু আধটু লিখব। যেটুকু আমি জানি। তবে, বলাবাহুল্য সেসবই মনুষ্যসমাজে।
  • sosen | 125.184.31.88 | ১৮ অক্টোবর ২০১২ ০৮:২১575096
  • ধর্ষণকে বায়োলজিক্যালি ব্যাখ্যা করতে গেলে প্রথমেই আমাদের এথিক্স সংক্রান্ত কিছু প্রশ্নের মুখোমুখি পড়তে হয়। ধর্ষণ, অপরাধ, হিংসা ইত্যাদি গুণকে জীববিজ্ঞান দিয়ে ব্যাখ্যা করতে গেলে মানবসমাজের উপর তার প্রভাব মাথায় রাখা জরুরি। সংস্কৃতি, জাতি বা উপজাতি হিসেবে অপরাধীর পরিচয়, সে কি ভাবে বড় হয়েছে, পরিবেশের প্রভাব তার উপরে কি রকম এগুলো প্রাথমিক ফ্যাক্টর হয়ে ওঠে। অনেকেই এই তর্ক আনেন যে সমস্ত গুণই যদি জেনেটিক্যালি নিয়ন্ত্রিত হয়, তা হলে অপরাধীরা নিজেদের ডিফেন্ড করার জন্য একটি অকাট্য যুক্তি সাজাতে পারে যে সে জেনেটিক্যালি নিয়ন্ত্রিত, এবং তদনুসারে কাজ করতে প্রায় বাধ্য, তার অপরাধের জন্য সে আদৌ দায়ী নয়।
    দেখা যাক ধর্ষণকে সামাজিক অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করা কতটা যৌক্তিক, জেনেটিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে।

    এর আগে আমরা দুটি সাবসেট অফ ট্রেট(গুণাবলী) কে নারী ও পুরুষের সেক্সুয়াল ইন্টারেস্টের পরিধিতে কনফ্লিক্টিং বলে চিহ্নিত করেছি। অর্থাৎ, অতিরিক্ত যৌন এগ্রেশন, আঘাত ও শারীরিক শক্তির সাহায্যে নারী -পুরুষ সম্পর্কে প্রাধান্য প্রতিষ্ঠা ও সঙ্গম, কিংবা অনিচ্ছুক নারীর সঙ্গে তার পছন্দের বিরুদ্ধে গিয়ে সঙ্গম যদি একটি সাবসেট হয়, তার বিপরীত গুণাবলী নারীকুলে হলো নিজেকে অপছন্দের পুরুষের কাছে কঠিনপ্রাপ্য করে তোলা, বহুগামিতাকে নিজের স্বার্থে , অর্থাৎ সুরক্ষা পেতে ব্যবহার করা(ফিমেল হারেম ), এবং শিশুর পিতার সঙ্গে একটি বন্ডিং তৈরী করা। এই সেক্সুয়ালি কনফ্লিক্টিং সাবসেট দুটি একই সময় প্রাণী কুলে উদ্ভূত হয়েছে, না-কি একটি আগে , কারণ স্বরূপ ও একটি পরে, ফল হিসাবে উদ্ভূত হয়েছে, সেটা জানা জিনতাত্ত্বিকের কাছে জরুরি।
    আবার চোখ ফেরানো যাক নিম্নতর প্রাণীকুলের দিকে। সেছাড়া উপায় নেই।
    গতকাল তাতিন একটি রেলিভ্যান্ট লিং দিয়েছিলেন। সেটি দিয়েই শুরু করছি।

    নিম্নতর প্রাণীকূলে, একটি বিশেষ টার্ম রয়েছে "ট্রমাটিক ইনসেমিনেশন" অর্থাৎ শুক্রাণুকে নারীদেহে প্রবৃষ্ট করানোর সময় এমন কোনো পদ্ধতির সাহায্য নেওয়া, যাতে নারীর শরীর অন্তত এমন ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় যেন আর কোনো পুরুষের শুক্রাণুর জন্য সে রিসেপ্টিভ না থাকে। এই ঘটনা অমেরুদন্ডী প্রানীদেহেই কেবল দেখা যায়, যেখানে কিনা মুক্ত-সংবহন তন্ত্র রয়েছে, এবং সমস্ত অর্গ্যানই হিমোলিম্ফ দিয়ে পরিবহণ পায়। তাই কোনভাবে ওভারিতে নয়, বডি ক্যাভিটিতে শুক্রাণু জমা করতে পারলে ওভারিতে তা পৌঁছেও যায়, এবং নারী ও আঘাত পায়, দ্বিতীয় পুরুষ তার কাছে আর চট করে যেতে চায় না। এই পদ্ধতি বিবর্তনের লড়াই-এ জিতেছে, সেটি প্রমাণিত, কারণ নারীর ও বেশ কিছু অভিযোজন দেখা যায়, নিজেকে ট্রমাটিক ইনসেমিনেশন থেকে বাঁচানোর জন্য।
    কয়েকটি উদাহরণ দিই
    বেড বাগ, পুরুষ নারীদেহের পেট ফুটো করে শুক্রাণু ত্যাগ করে।
    একধরনের বিটল, তার রয়েছে পুরুষাঙ্গে প্রচুর কাঁটা।
    কেউ কেউ কায়টিন ভাঙ্গতে পারে এমন এনজাইম দিয়ে নারী সঙ্গীর দেহে ফুটো করে।
    একধরনের মাকড়সা পেটে ফুটো করার পর ওভারিও ফুটো করে তার মধ্যে স্পার্ম ডিপোজিট করে।
    ওয়াটার স্ট্রাইডার বিটলরা যদি কোনো নারী সঙ্গমে রাজি না হয়, তবে তার দিকে শিকারী প্রাণীদের টেনে আনে।

    ওদিকে, নারীরা অভিযোজনের উদ্দেশ্যে ব্যবহার করে মিমিক্রী, যাতে অনেক সময়ে তাদের পুরুষদের মত দেখায়। কেউ আবার পেটে প্যাডিং তৈরী করে যাতে ফুটো দ্রুত সারে। এছাড়াও বেশ কিছু রেজিস্ট্যান্স মেক্যানীজম আছে। কিন্তু যে কোনরকমেই, নারীর প্রজননগত স্বাস্থ্য এতে ব্যাহত হয়। অর্থাৎ মেটিং এর মূল উদ্দেশ্য যাকে এতক্ষণ ধরে বলছি - অতিরিক্ত প্রজননগত সাফল্য কিন্তু আসে না। প্রজননের উদ্দেশ্য সম্পূর্ণভাবে সফল না হওয়া সত্ত্বেও এই বলপ্রয়োগ কেন বিবর্তনগতভাবে নির্বাচিত হয়েছে?
    এবং তার চেয়েও বড় প্রশ্ন, রেজিস্ট্যান্স আগে এসেছে, না ট্রমাটিক ইনসেমিনেশন আগে?
  • siki | 24.140.82.133 | ১৮ অক্টোবর ২০১২ ০৮:৪৭575107
  • মন দিয়ে পড়ছি।
  • pi | 24.99.61.223 | ১৮ অক্টোবর ২০১২ ১০:০৩574901
  • ইন্টারেস্টিং লাগছে সোসেন, চলুক। কিছু প্রশ্ন আছে, পরে করব।
  • | 124.134.85.62 | ১৮ অক্টোবর ২০১২ ১০:০৯574912
  • চলুক চলুক, দেখি জল কোন দিকে যায়|
  • ডিডি | 120.234.159.216 | ১৮ অক্টোবর ২০১২ ১১:০৬574923
  • মার্কস হেস্টিংস ,বার্লিন দখলের সময় (মানে সেই ইস্ট প্রুসিয়া থেকে শুরু করে,একটানা) লাল ফৌজের সেই একটানা ধর্ষণের একটা সমাজতাত্মিক ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন।

    বইটা বগলে নেই। পরে লিখে দোবো। আপনেদের ভাল্লাগবে।
  • de | 69.185.236.54 | ১৮ অক্টোবর ২০১২ ১১:২৯574934
  • ইন্টারেস্টিং -- আরো লেখো -- মন দিয়ে পড়ছি --
  • b | 135.20.82.164 | ১৮ অক্টোবর ২০১২ ১১:৪৮574945
  • বাঃ । অনেকদিন পরে একটা বেশ ভালো লাগা টই।
  • sosen | 24.139.199.1 | ১৮ অক্টোবর ২০১২ ১২:৫৩574956
  • সেক্সুয়াল কনফ্লিক্ট বা যৌন সুবিধাগত বিরোধিতা পোকামাকড় থেকে শুরু করে মানুষ পর্যন্ত সকল সমাজেই বিদ্যমান। বিবর্তনবিদ্যা বলে, এক ই স্পেসিস এর নারী এবং পুরুষ প্রাণীর আলাদাভাবে বিবর্তিত হওয়ার মূল কারণ সেক্সুয়াল কনফ্লিক্ট। অর্থাৎ, কোনো একটি স্ট্র্যাটেজি , যা পুরুষকে এনে দিচ্ছে তার অপটিমাল ফিটনেস, বিবর্তনের আঘাত ও ঝড় ঝাপটা সহ্য করে নিজেকে পরবর্তী প্রজন্মে নিয়ে যাওয়ার কাঙ্খিত উপকরণ, সেই স্ট্র্যাটেজি কাজ করছে নারীর সারভাইভ্যাল রেশিও এবং তার জীবনবিস্তার কমিয়ে আনতে। উল্টোদিকে , নারীর অভিযোজন যথাসম্ভব বাধা দিচ্ছে এই স্ট্র্যাটেজিগুলোকে, এবং নারী লড়ে যাচ্ছে মনোগ্যামাস মিলন এবং ফ্রিডম অফ চয়েস ব্যবহার করার জন্য। একটা স্পেসিস বিবর্তিত হচ্ছে একটা ইউনিট হিসাবে নয়, দুটো কাউন্টার একটিং ইউনিট হিসাবে।এবং দুটো কাউন্টার-একটিং জিনের সেট , যেগুলো আমাদের এনে দেয় বাহ্যিক গুণাবলীগুলো, তারা স্পেসিসের বিবর্তনে কো-ইভলভ করছে, প্রত্যেক মেটিং এ এবং তা থেকে উদ্ভূত সন্তানে একটা সেট অন্যটাকে ডমিনেট করার চেষ্টা করছে জেনেটিক্যালি।
    তবে কি সম্মতিগত মিলন ও তাতে সন্তুষ্ট থাকা প্রকৃতি পুরুষকে দেয়নি? অথবা নারীর বাধা দেওয়া কি স্পেসিসের পক্ষে ক্ষতিকর? বিবর্তনের পরিপন্থী?

    সম্মতিগত মিলন ঘটলেও, পুরুষ প্রায় সর্বদাই ১-সম্মতিগত মিলনের বাইরেও আরো কিছু সঙ্গী খুঁজতে প্রবৃত্ত থাকে,২-প্রথম সঙ্গীর যৌন ক্ষমতা কমিয়ে আনে। উদাহরণ -১, ম্যালার্ড হাঁস। হাঁসেদের এক তৃতীয়াংশ মিলন ফোর্সড। সবচাইতে লম্বা পুরুষাঙ্গ দেখা যায় এদের মধ্যে,পুরোপুরি ইরেক্টেদ অবস্থায় পাখির নিজের দৈর্ঘ্যের সমান, যা কিনা আবার কর্ক স্ক্রু এর মত প্যাঁচানো-ব্যালিস্টিক পেনিস। প্রথমে একটি বাসা বেঁধে পুরুষ ও নারী একটি দম্পতি তৈরী করে। নারী হাঁস গর্ভবতী হওয়ার পর পুরুষেরা দল বেঁধে অন্যান্য সঙ্গীহীন, বা দুর্বল সঙ্গী যুক্ত নারী হাঁসেদেরও আক্রমণ করে-গণধর্ষণ । এরা সেক্সুয়াল প্রিডেটর। এই শিকারীদের হাত থেকে বাঁচতে , আশ্চর্যজনক ভাবে নারী হাঁসেদের যোনিও হয় কর্ক স্ক্রু এর মত, ঠিকঠাক প্যাঁচে ঘুরে বসলে তবেই সঙ্গম হওয়া সম্ভব। এদিকে এই দীর্ঘ যোনিপথে প্রিডেটরদের বোকা বানাতে রয়েছে অন্ধগলি, যেসব পথ আদৌ ওভারিতে লিড করেনা, উল্টো দিকে প্যাঁচ ।এইভাবে নারী হাঁস নিজেকে রক্ষা করে, এক ই সঙ্গে নিজের সেক্সুয়াল চয়েস কেও ঠিক রাখে। ভেবে দেখুন এই জটিল মেকানিজম তৈরী হতে কত সময় লেগেছে।
    নিচে একটা ছবি দিলাম ।

    <iframe src="http://player.vimeo.com/video/8342946" width="500" height="400" frameborder="0" webkitAllowFullScreen mozallowfullscreen allowFullScreen></iframe>
  • sosen | 24.139.199.1 | ১৮ অক্টোবর ২০১২ ১২:৫৮574967
  • আগের ছবিটা আসেনি: এখান থেকে দেখা যাবে।

    http://www.yalealumnimagazine.com/blog/?p=2353
  • প্পন | 126.50.59.180 | ১৮ অক্টোবর ২০১২ ১৩:০৮574978
  • আরিব্বাস!
  • de | 69.185.236.51 | ১৮ অক্টোবর ২০১২ ১৩:১৭574989
  • বাপরে! কত্ত কান্ড!
  • Tim | 188.91.253.11 | ১৮ অক্টোবর ২০১২ ১৩:২১575000
  • ইনফরমেটিভ হচ্ছে লেখাটা। গুজ্জব!
  • sosen | 24.139.199.1 | ১৮ অক্টোবর ২০১২ ১৩:৩০575012
  • উদাহরণ ২ । রদেঁতরদেঁত
    বিভিন্ন প্রাণীতে দেখা যায় ভ্যাজিনাল প্লাগ বা মেটিং প্লাগ, যেগুলো সেক্সুয়াল একাধিপত্যের নজির। মৌমাছি থেকে কাঠবেড়ালি, মেটিং প্লাগ তৈরী হয় সেমিনাল ফ্লুইড থেকে, যেটা কিনা নারীর যৌনদ্বার বন্ধ করে দেয়, ১২ থেকে ৪৮ ঘন্টার মত। নিষ্ক্রিয় পুরুষ প্রহরা বলা যেতে পারে, এতে অতিরিক্ত বল প্রয়োগের বা নিজে উপস্থিত থেকে প্রহরা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। পুরুষ প্রাণীটি অন্য নারীর খোঁজে যেতে পারে। ছবি নিচে রইলো।

    http://en.wikipedia.org/wiki/Mating_plug

    উদাহরণ ৩।

    ড্রসোফিলা। ড্রসোফিলার সেমিনাল ফ্লুইডে থাকে প্রায় ৮০ টি এক্সেসরি গ্ল্যান্ড প্রোটিন। যৌন মিলনের পর এই প্রোটিনের কাজ হলো স্ত্রী ড্রসোফিলাকে যৌন উত্তেজনা রহিত করা। দেখা গেছে যে এর মধ্যে দু একটি প্রোটিন বেশি তৈরী হলে, পুরুষ ড্রসোফিলার লাইফ স্প্যান কমে যায় , অর্থাৎ সেক্সুয়াল আধিপত্য কিছুটা দাম দাবি করেই। উল্টো দিকে কয়েকটিকে নক আউট করলে কমে যৌন পারফরম্যান্স। এই Acp গ্রুপের প্রোটিনের বিবর্তন এই মুহূর্তে সোশিও-বায়োলজির একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ কিউ।

    বিভিন্ন প্রাণীর মধ্যে সেক্সুয়াল কনফ্লিক্ট এর ইতিহাস এই ধারণাকেই বিধৃত করে যে ধর্ষণ (সেক্সুয়াল ভায়োলেন্স ) এবং ধর্ষিতের রেজিস্ট্যান্স দুটিই আদতে এডাপটিভ ব্যবহার। দুটি ব্যবহারই একটা স্পেসিসের মধ্যে নির্বাচিত অভিযোজন, এবং যদিও এই মুহূর্তে কোনটি আগে উদ্ভূত এ নিয়ে কোনো মলিকিউলার বা জেনেটিক তথ্য হাতে নেই, এ নিয়ে রিসার্চ চলছে, এবং আরো তথ্য হাতে আসতেও দেরী নেই।

    পরের পর্বে এই তথ্যগুলির ও থিওরিগুলির প্রাসঙ্গিকতা মানুষের সমাজে কি রকম, এবং আদৌ কি ধর্ষণ আটকানো যায়, যদি প্রকৃতি স্বাভাবিকভাবে তাকে নির্বাচন করে , এই নিয়ে কথা বলব। একই সঙ্গে, মানুষের মধ্যে নারীদের রেজিস্টেন্সগত কোনো দৈহিক অভিযোজন আছে কিনা, সে নিয়ে কি ধরনের তথ্য উপলব্ধ , তা খুঁজবো।
  • sosen | 24.139.199.1 | ১৮ অক্টোবর ২০১২ ১৩:৩২575023
  • * উদাহরণ ২- এর পরে রদেঁত ই: ইগনোর করুন। :)
  • ডিডি | 120.234.159.216 | ১৮ অক্টোবর ২০১২ ১৩:৪৩575033
  • অভিযোজনটা বাংলায় লিখে দেও। মানে কি ?
  • sudo | 131.241.218.132 | ১৮ অক্টোবর ২০১২ ১৩:৪৫575034
  • হ্যাঁ, আম্মো মানে বুঝিনি।
  • sosen | 24.139.199.1 | ১৮ অক্টোবর ২০১২ ১৩:৫০575035
  • লিখে দিয়েছিলাম যে আগে। adaptation = অভিযোজন
    evolution = বিবর্তন

    আর কিছুর মানে লাগলে, সবাই বলবেন প্লিজ-বাংলায় এসব লেখা ঝামেলা-কিন্তু ইংরেজি শব্দ ব্যবহার করতে হলে করতেই থাকব।
  • sudo | 131.241.218.132 | ১৮ অক্টোবর ২০১২ ১৩:৫১575036
  • না না, বাংলাতেই ল্যাখেন - অ্যাডাপ্টেশন, ইভোলিউশন ইঃ
  • sosen | 24.139.199.1 | ১৮ অক্টোবর ২০১২ ১৪:০৯575038
  • তাতিন আর একটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট বলেছেন।
    অর্গ্যাজম, নন-রিপ্রোডাক্টিভ সেক্সুয়াল প্রেফারেন্সের সাথে কো-ইভলভ করেছে। তো সেইটা মানুষের সমাজে ঢোকার পর বলব, কারণ আর কোনো প্রাণীতে অর্গ্যাজম রিচ করার মাপকাঠি জানা নেই। নন রিপ্রোডাক্টিভ সেক্সেও খুব কম প্রাণী পার্টিসিপেট করে, হোমো সেক্সুয়াল ব্যবহার থাকলেও, রিপ্রোডাক্টিভ সেক্সও এক ই প্রাণী এক্সিবিট করে, অর্থাৎ বাইসেক্সুয়াল বা অপারচুনিস্টিক হোমো ঠিকঠাক টার্ম। তাই এগুলো অবশ্যই এবার আনব, তবে সাইকোলজি ততটা নয় ,জেনেটিক্স এর দিক দিয়ে দেখার চেষ্টা করব।
    ধন্যবাদ পড়ার জন্য সবাইকে, আর আমাকে যদি এভাবে কিছু পয়েন্ট কনসিডার করতে বলেন, তা হলে ভালই হয়, হয়ত সেই তথ্য গুলো খুঁড়ে বার করার চেষ্টা করতে পারি।
  • kumu | 132.160.159.184 | ১৮ অক্টোবর ২০১২ ১৯:১০575039
  • সোসেনকে থাংকু,মন দিয়ে পড়ছি,খুব ইনফর্মেটিভ।
  • sosen | 125.241.11.58 | ১৮ অক্টোবর ২০১২ ২০:৩৪575042
  • দ'দি , থ্যাঙ্কু, কৌস্তভের লেখাটা পড়লাম। উনি বেসিক থিওরিগুলো খুব সুন্দর করেই বলেছেন । আমি আবার ধরেই নিয়েছি যে বেসিক থিওরি গুলো, মানে সেক্সুয়াল সিলেকশন, পলিগ্যামি ও মনোগ্যামি এগুলো মোটামুটি সকলে জানে। :D
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লাজুক না হয়ে মতামত দিন