• টইপত্তর  গুরুচন্ডা৯

  • হরিদাসের বুলবুলভাজা

    Guruchandali
    গুরুচন্ডা৯ | ২৮ এপ্রিল ২০০৬ | ৩২৮৪ বার পঠিত
  • জমিয়ে রাখুন
আরও পড়ুন
Test - Guruchandali
আরও পড়ুন
মজারু - Guruchandali
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • dd | 122.167.9.154 | ০৭ নভেম্বর ২০০৯ ২২:৪৭561718
  • অ্যামন ভালো বু বু ভা - সব গুলান,একসাথে, আগে পড়ি নি। য্যানো এক ব্যাংকোয়েট। ওহ।

    ইচ্ছা করছে সবাইকে ডেকে ডেকে বৈজয়ন্তবাবুর ল্যাখাটা পড়াই,ইশপেশালি।

  • Du | 72.64.99.86 | ০৭ নভেম্বর ২০০৯ ২৩:০৬561719
  • প্রসঙ্গ হিংসা - অসম্ভব ভালো। আরো লোকে পড়ুক, ভাবুক - পথ হাঁটুক শান্তির কামনায়।
  • Guruchandali | 59.164.189.232 | ০৭ নভেম্বর ২০০৯ ২৩:৩৩561720
  • --------------------------------------------------------------
    প্রকাশিত হল আরও একটি লেখা : জগৎজোড়া জালের ফাঁদে
    --------------------------------------------------------------
  • rimi | 24.42.203.194 | ০৮ নভেম্বর ২০০৯ ০১:১০561721
  • প্রসঙ্গ হিংসা - অসম্ভব ভাল লাগল।
  • dipu | 59.164.99.219 | ০৮ নভেম্বর ২০০৯ ১০:৫৫561722
  • ডিডি যেমন বললেন। ব্যাঙ্কোয়েট।
  • Arpan | 122.252.231.12 | ০৮ নভেম্বর ২০০৯ ১১:৪০561723
  • জয় হো! (বৈজয়ন্তবাবুর)
  • san | 123.201.53.4 | ০৮ নভেম্বর ২০০৯ ১১:৪২561724
  • প্রসঙ্গ হিংসা খুব ভাল লাগল।
  • ranjan roy | 117.198.0.176 | ০৯ নভেম্বর ২০০৯ ১০:০১561725
  • তিস্তা দাশের লেখা পড়ে অভিভূত।
    ওনাকে এবং সম্পাদকমন্ডলীকে অকুন্ঠ অভিনন্দন।
    আসলে জন্মসূত্রে পাওয়া ধর্ম ও লিঙ্গ পরিচয় কেউ বড় হয়ে বদলালে আমরা মেনে পারছি না।
    অথচ TOI তে দেখলাম সাবেকী পূর্ব জার্মানীর গোল্ড মেডালিস্ট শটপুট ছোঁড়া নরম সরম সুন্দরী মহিলা সরকারী কোচের সুপারভিসনে স্টেরয়েড নিতে নিতে ক্রমশ: পুরুষ লক্ষণ পেতে থাকলেন। তারপর অপারেশন করিয়ে আজ টাকমাথা গুঁফো । কোন প্রবলেম নেই।
  • ranjan roy | 117.198.5.72 | ০৯ নভেম্বর ২০০৯ ১০:১৭561726
  • * মেনে নিতে
  • stoic | 160.103.2.224 | ০৯ নভেম্বর ২০০৯ ১৩:২৬561728
  • বৈজয়ন্তর লেখা দারুন ভাল লাগল। অ্যাজ ইউজুয়াল।
  • PB | 59.177.171.237 | ০৯ নভেম্বর ২০০৯ ১৩:৩৯561729
  • র' বাবুর লেখা আগের লেখাগুলোর মতই খুব ভালো লাগল। তবে দু:খের কথা আজকাল উনি বড় কম লিখছেন।
  • pinaki | 67.43.241.179 | ০৯ নভেম্বর ২০০৯ ১৫:৩৫561730
  • র'দার লেখা ভালো লাগলো। আমার নিজের ধারণা যেকোনও এসেন্সিয়ালিস্ট যুক্তিকাঠামো আসলে একটা অন্তর্নিহিত হিংসাকে নিজের ভিতরে বহন করে। তাই শুধু শারীরিক অর্থে হিংসাকে না দেখে আরও ব্যাপক এবং সাধারণ অর্থে দেখার প্রয়োজন আছে। এই লেখাটায় হিংসা অনেক বেশী শারীরিক অর্থে এসেছে বলে মনে হচ্ছে। আমার মনে হয় মানুষ যদি এটা না ভিতর থেকে বিশ্বাস করতে পারে যে তার উপলব্ধ সত্য আসলে সীমাবদ্ধ এবং একান্তভাবেই তার নিজের, তাহলে সে সবসময়েই একটা হিংসার জাস্টিফিকেশন বহন করে চলবে এবং কোথাও না কোথাও হিংসা প্রসঙ্গে পক্ষ নিতে থাকবে - সক্রিয় বা নিষ্ক্রিয়ভাবে - যেমনটা র'দা বলেছে।

    হিংসাকে বিযুক্ত করতে হবে শুধুমাত্র রাষ্ট্র বা রাষ্ট্রবিরোধিতা থেকে নয়, মানুষের একান্ত নিজস্ব যুক্তিকাঠামো থেকে।

    র'দার কাছ থেকে এই নিয়ে আরও লেখা আশা করব।
  • Sibu | 12.50.19.162 | ০৯ নভেম্বর ২০০৯ ১৯:১৯561731
  • বৈজয়ন্তর লেখা, সাধারনত: যেমন হয়, চমৎকার গঠনসৌকর্য্য। কিন্তু পড়লেই প্রশ্ন পায়।

    অনেকগুলি কথা বলা হয়েছে আপ্তবাক্যের মত করে, কোন যুক্তিপরম্পরা ছাড়াই। হয়তো কোন দার্শনিকের, চিন্তানায়কের বা বৈজয়ন্তের নিজের অন্য কোন লেখায় তাদের মূল উৎস। কিন্তু সেই সম্পর্ক লেখায় স্পষ্ট করে বলা নেই। উদাহরণ দেই।

    ১। 'বন্দুকের নিজস্ব দর্শন সমস্ত ঘাতককে নৈতিকভাবে সমবিন্দুতে দাঁড় করাবেই'। বৈজয়ন্ত কি বলছেন সমস্ত বন্দুকধারীর চিন্তাতেই একটি মৌলিক সাযুজ্য আছে? এবং সেই সাযুজ্য এতই প্রকট যে যেকোন নৈতিক মানদন্ডেই যে কোন বন্দুকধারী সমপর্য্যায়ভুক্ত। এমন একটি সুইপিং ক্লেমের আর একটু জাস্টিফিকেশন চাইলে কি খুব দোষ হবে? আর বন্দুকধারীদের চিন্তার সেই মৌলিক সাযুয্যই বা কি?

    ২। ''এইজাতের (প্রতিহিংসার/আত্মরক্ষার) নৈতিক যুক্তি 'ইউটোপীয় হিংসার' নৈতিক যুক্তির থেকে অনেক বেশী জোরাল''। কেন? এবং কোন নৈতিকতায়? নাকি নৈতিকতার ভিত্তি এখানে অপ্রয়োজনীয়? জানতে ইচ্ছে করে?

    এছাড়াও কোন কোন যায়গায়, যুক্তির কাঠামো বেশ নড়বড়ে। যেমন:

    ১। 'ক' 'খ'-র ক্ষতি করেছে। যদি 'ক'-র আবার ক্ষতি করার সম্ভাবনা না থাকে তবে আত্মরক্ষার যুক্তি অচল হয়ে যায় না। যদি ধরেও নেই 'ক' আর কখনো 'খ'-র ক্ষতি করবে না এটি নিশ্চিতভাবে জানা গেছে, তবুও প্রতিহিংসা আত্মরক্ষায় ইনডিরেক্টলি সাহায্য করে। 'খ'-র ক্ষতি করা নিরাপদ নয়, এই রেপুটেশন তৈরী করা আত্মরক্ষার অঙ্গ। মানুষ মাংসের জন্য গরু-ছাগলের চাষ করে, বাঘ-সিংহের চাষ করে না (অন্তত: ব্যাপকভাবে করে না)।

    ২। ড্রেসডেন বম্বিং বা হিরোশিমা বম্বিং-এর যুক্তিতে ২য় বিশ্বযুদ্ধের নৈতিকতাকে খারিজ করে দেওয়া যায় না। অবশ্যই ড্রেসডেন বা হিরোশিমা না হলেই নৈতিক দিক থেকে সেটা তুলনায় ভাল হত। কিন্তু যদি তিনটে সম্ভাবনাকে এইভাবে দাঁড় করাই - ক) মিত্রশক্তি যুদ্ধ করল, কিন্তু ড্রেসডেন বা হিরোশিমার মত ঘটনা ঘটলনা, খ) মিত্রশক্তি যুদ্ধ করল, কিন্তু ড্রেসডেন/হিরোশিমা ঘটল, এবং গ) মিত্রশক্তি যুদ্ধ করল না, হিটলার ওয়াক-ওভার পেল। আমার মত অনেকেই মনে করবেন নৈতিকভাবে ক, খ, গ হল সুপারলেটিভ থেকে পজিটিভ সাজানো। বৈজয়ন্ত মনে হচ্ছে গ, ক, খ অর্ডারে সম্ভাবনা তিনটিকে সাজাতে চাইছেন। কিন্তু কেন তা স্পষ্ট নয়।

    আমার মাঝে মাঝেই মনে হয় গান্ধী বা মার্টিন লুথার কিং-য়ের উদাহরন একটু ওভাররেটেড। গান্ধীর বা কিং-য়ের অহিংস অসহযোগের কায়দা কাজ করেছিল, কেননা সশস্ত্র উপায়ে (পড়ুন গনহত্যা ঘটিয়ে) আন্দোলন দমন করার চেষ্টা করলে সহিংস ব্যাকল্যাশের সম্ভবনা ছিল।
  • rimi | 168.26.215.135 | ০৯ নভেম্বর ২০০৯ ২০:২৭561732
  • শিবুদা,
    তোমার প্রশ্নগুলোর উত্তর দেবার একটু চেষ্টা করি।

    ১। "বন্দুকের নিজস্ব দর্শন..." : এই প্রসঙ্গে বৈজয়ন্ত "সাযুজ্য প্রকট নয়" এটাই বলতে চেয়েছেন বলে মনে হল। নৈতিকতার দিক দিয়ে বন্দুকের মূল কথাটি একই - হত্যা অথবা হিংসা। কিন্তু আত্মরক্ষা জাতীয় যুক্তির আড়ালে এই মূল কথাটা ঢাকা পড়ে যায়।

    ২। প্রতিহিংসার বা আত্মরক্ষার নৈতিক যুক্তি অন্যান্য যাবতীয় হিংসার নৈতিক যুক্তির থেকে জোরালো। তাই নয় কি? এই ধরণের হিংসা পশুজগতের সর্বত্র দেখা যায়। বাঁচার ইনস্টিংক্ট হিসেবে আসে। মানুষের সমাজে এই ধরণের হিংসা নৈতিক ছাড়পত্র পেয়ে এসেছে। আবার একমাত্র মানুষই এই ইনস্টিংক্টকে অস্বীকার করেও হিংসার নিন্দা করার ক্ষমতা রাখে। এই কারণেই এই ধরণের হিংসার যুক্তি "জটিলতম"।

    ১। "ক" "খ" সম্পর্কিত প্রশ্নটা বুঝলাম না। আশা করি বৈজয়ন্ত বুঝে উত্তর দেবেন।

    ২। ড্রেসডেন বা হিরোশিমা বম্বিংএর যুক্তিতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রয়োজনীয়তাকে তো একেবারেই খারিজ করা হয় নি। লেখক স্পষ্ট বলেছেন মিত্রশক্তি যুদ্ধ না করলে হিটলারের সাম্রাজ্যে শান্তি স্থাপন হওয়া অসম্ভব ছিল। এই উদাহরণ প্রমাণ করে যে অনেক সময়েই হিংসার দমন হিংসা ছাড়া সম্ভব হয় না। কিন্তু একই সঙ্গে লেখক বলতে চেয়েছেন যে হিংসার দমন করার জন্যে যে হিংসার সূত্রপাত তা লাগামছাড়া হয়ে অনেক অপ্রয়োজনীয় হিংসার জন্ম দেয়, যেমন হিরোশিমা কিম্বা ড্রেসডেন। বিশেষ করে হিরোশিমা। ঐ বোম্বিং যখন হয়েছে তখন মিত্রশক্তির জয় সুনিশ্চিত হয়েই গিয়েছিল।

    হিংসা দমনের জন্যেও যে হিংসা তাকে পুরোপুরি নৈতিকতা দিতে পারলে আর জেনিভা কনভেনশন কিম্বা ইন্টার্ন্যাশনাল হিউম্যানিটারিয়ান ল ইত্যাদির দরকার হত না।

    লেখাটা পড়ে আমার যা মনে হয়েছে তাই লিখলাম। কিঞ্চিৎ এঁচোড়ে পাকামোর জন্যে আগাম মাপ চেয়ে রাখলাম। :-))
  • Sibu | 74.125.59.49 | ০৯ নভেম্বর ২০০৯ ২০:৫৪561733
  • @rimi

    ১। নৈতিকতার দিক থেকে বন্দুকের মূল কথাটি হিংসা - এটা বড় বেশী জেনারাইলেজেশন। এমনকি জেনারালাইজেশন হিসেবেও এটা ওনলি পার্শিয়ালি ট্রু। কেন না নৈতিকতা সব এক নয়।

    যেটায় আমার সবচেয়ে আপত্তি সেটা হল সব ঘাতকই নৈতিকতার চোখে এক, এই কথাটাতে। এইভাবে জেনারালাইজ করলে সব প্রানীই বায়োলজির চোখে এক, আহার নিদ্রা মৈথুনের কারনে।

    ২। পশুজগতে যা হয় তাই মানবিক নৈতিকতার যুক্তি হিসেবে তুলনায় জোরালো!! একদম বুঝলাম না। নৈতিকতা ব্যাপারটাই তো পশুজগতে অ্যাবসেন্ট। তার ভিত্তিতে কি বলা যায় ইন্সটিঙ্কটিভ আচরণের নৈতিক যুক্তি নৈতিক আচরণের চেয়ে জোরালো!!

    বৈজয়ন্ত যদি বলে থাকেন ২য় বিশ্বযুদ্ধে মিত্রশক্তির অংশগ্রহন করা অংশগ্রহন না করার চেয়ে নৈতিক, তাহলে আমি ওনার সাথে একমত। সেক্ষেত্রে আমরা একমত যে কোন কোন ক্ষেত্রে হিংসা জরুরী এবং নৈতিক। আর নৈতিক হিংসাকেও লাগামছাড়া হতে দিতে নেই - এক্কেবারে ক।
  • r | 125.18.104.1 | ১০ নভেম্বর ২০০৯ ১৪:২০561734
  • সবাইকে, ধন্যবাদ।

    পিনাকী, একমত। তবে এই লেখায় আমি নৈতিকতার কেজো যুক্তিতেই আটকে থেকেছি, ইচ্ছাকৃতভাবে। কোলবার্গের নৈতিক সিঁড়ির সপ্তম ধাপ, যাকে বলা হয় transcendental morality, এ লেখার বিষয়বস্তু নয়। বা, অন্যভাবে বলতে গেলে, নৈতিক উপলব্ধির থেকে নৈতিক যুক্তি বেশি প্রাধান্য পেয়েছে। তবে যুক্তি থেকে উপলব্ধিতে পৌঁছনোর একটা ইঙ্গিত আছে, লেখার শেষে।

    শিবুদা, "প্রশ্ন পেলে" লেখা সার্থক হয়েছে। এটা তো চিন্তার শুরু। আরও এগোতে গেলে "প্রশ্ন পেতেই" হবে। এবার এক এক করে উত্তর দিই।

    এক, আপ্তবাক্য অনেকসময় লেখার সীমাবদ্ধতা, অনেকসময় ইচ্ছাকৃত। যেহেতু নৈতিকতা সবসময় স্বত:সিদ্ধনির্ভর (axiomatic), অতএব নৈতিকতা নিয়ে যে কোনো লেখায় কিছুটা আপ্তবাক্যের আদল এসেই যায়।

    দুই, "বন্দুকের নিজস্ব দর্শন .... দাঁড় করাবেই।" বাক্যটিকে বিচ্ছিন্নভাবে না দেখে ঠিক এর আগেই লেখা "লঘিষ্ঠ সাধারণ দর্শন" (common minimum) শব্দবন্ধটি খেয়াল করা দরকার। মৃত্যুদন্ডের বিরোধিতার যুক্তি একটি নৈতিক স্বত:সিদ্ধের উপর ভর করে থাকে: "প্রাণধারণের অধিকার মানুষের অবিচ্ছেদ্য অধিকার। কেউ একজন মানুষের অনিচ্ছায় এই অধিকার হরণ করতে পারে না।" প্রত্যেক ঘাতক এই স্বত:সিদ্ধ অস্বীকার করে। এখানে তারা নৈতিকভাবে সমবিন্দুতে দাঁড়িয়ে। "সমবিন্দু" শব্দটাকেও লক্ষ করতে অনুরোধ করি। Moral Equivalence এবং Moral Congruence কিন্তু সমার্থক নয়। আপনি Moral Equivalence নিয়ে আপত্তি করছেন, আমি Moral Congruence-এর কথা বলছি। এটা প্রত্যক্ষ যুক্তি। পরোক্ষভাবে যুদ্ধের মনস্তাত্বিক দর্শনের বিস্তৃত যুক্তি আছে। সেটা আমি এড়িয়ে গেছি বিচ্ছিন্ন দু একটি উদাহরণ ছাড়া।

    তিন, "প্রতিহিংসা/আত্মরক্ষার অধিকার" বনাম "ইউটোপিয়া"। প্রতিহিংসা এবং আত্মরক্ষার অধিকারের যুক্তি অনেক সময় একে অন্যের থেকে আলাদা করা যায় না বলে মধ্যে একটি দাঁড়ি। কিন্তু আলোচনার সুবিধার জন্য "আত্মরক্ষার অধিকার" বনাম "ইউটোপিয়া"- এভাবে ভাবাই ভালো। একটি যুক্তি অন্য যুক্তির থেকে জোরালো প্রায় অঙ্কের নিয়মে। ইউটোপিয়ার যুক্তি বলছে- ভবিষ্যতের অধিকতর হিংসা রোধের জন্য বর্তমানের ন্যূনতম হিংসা (এরকম নাও বলতে পারে, কিন্তু দুইধরনের যুক্তির আপেক্ষিক বিচারের একটা কমন বেঞ্চমার্ক তৈরির জন্য ইউটোপিয় যুক্তিকে এইভাবে লেখা হল)। আত্মরক্ষার অধিকারের যুক্তি বলছে- বর্তমানের অধিকতর হিংসা রোধের জন্য বর্তমানের ন্যূনতম হিংসা। এক, বর্তমান ভবিষ্যতের থেকে বেশি মূল্যবান, বা এক্সট্রিম কেসে, সমান মূল্যবান (discount factor)। দুই, বর্তমান নিশ্চিত, ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। অতএব, আত্মরক্ষার হিংসার মূল্য (intrinsic cost) ইউটোপিয় হিংসার মূল্যের থেকে কম।

    চার, "প্রতিহিংসা আত্মরক্ষায় ইনডায়রেক্টলি সাহায্য করে।" দুটি সমস্যা। এক, যদি তাই করে, তাহলে হিংসার অন্তহীন চক্র চলতে পারে না। দুই, এই যুক্তি pre-emptive strike-এর যুক্তি। যদি কেউ আক্রান্ত নাও হয়, তাও সে ভেবে নিতেই পারে দু চারটে ফেলে দিলে আর কেউ আমাকে আক্রমণ করতে সাহস পাবে না। আত্মরক্ষার যুক্তি curative যুক্তি। যে মূহুর্তে তার সাথে প্রতিহিংসাকে গুলিয়ে ফেলা হয়, সেটা preventive যুক্তিতে পরিণত হয়। এবং preventive হিংসার কোনো শেষ নেই। গত দু দশকের পৃথিবী আমাদের সেই শিক্ষা দিয়েছে।

    পাঁচ, আমিও ক খ গ। আপনার সাথে আমার অমিল একটা জায়গায়। এই অর্ডারিংটাকে আপনি যেখানে "নৈতিকভাবে বৈধ" বলছেন, আমি সেটাকে "প্রয়োজনীয়" বলছি। আত্মরক্ষার অধিকার বিসর্জন দেওয়া transcendental morality-র অঙ্গ, যা নিয়ে এ মূহুর্তে মাথা ঘামিয়ে লাভ নেই। কিন্তু "ন্যায্য" ও "প্রয়োজনীয়"র পার্থক্যটুকু সম্পর্কে সচেতন থাকলে বহু নিরর্থক প্রাণহানি এড়ানো যায়। এটুকুই বলার।
  • Sibu | 12.50.19.162 | ১০ নভেম্বর ২০০৯ ১৮:৩৩561735
  • বৈজয়ন্ত, সুচিন্তিত উত্তরের জন্য ধন্যবাদ। কয়েকটি কথা।

    ১। শুধু নৈতিকতা কেন, এমনকি অংক বা বিজ্ঞানও স্বত:সিদ্ধ নির্ভর। প্রশ্ন হল দুটি। অ) স্বত:সিদ্ধের উৎস, ও আ) স্বত:সিদ্ধের পরিবর্তনশীলতা। বিজ্ঞান বা অংকে যেমন স্বত:সিদ্ধের উৎস হল এক্সপেরিমেন্টেশন। এঞ্জিনীয়ারিং-এ স্বত:সিদ্ধের উৎস এক্সপেরিমেন্ট ও আদার গোলস (এনার্জী এফিসিয়েন্সি ইত্যাদি)। এবং এ সব স্বত:সিদ্ধ পরিবর্তনশীল। যতক্ষণ পর্য্যন্ত এক্সিউম্যাটিক স্ট্রাকচারের এই দুটি বিষয় পরিস্কার, ততক্ষণ আমার আপ্তবাক্যে আপত্তি নেই। আমি বলতে চেয়েছিলাম, তোমার লেখায় এই দুটি বিষয় স্পষ্ট নয়।

    ২। প্রানধারনের অধিকার নিয়ে তুমি যেরকম অ্যাবসোলিউটিস্ট স্ট্যান্ড নিয়েছ সেটাতে আমার আপত্তি আছে। এটা যদি অ্যাক্সিউম না হয় তো কোন অ্যাক্সিউম থেকে এটা ডিরাইভড হল জানতে চাইব। আর এটা খেয়াল করা দরকার প্রানধারনের অধিকার থেকে যে স্ববিরোধের জন্ম হয় তার সমাধান এই রকম অ্যাবসোলিউটিস্ট কাঠামোর মধ্যে পাওয়া শক্ত। যেমন আত্মরক্ষার (এবং তার জন্য হত্যার) অধিকারকে ঘাতক ও আক্রান্তের প্রানধারনের অধিকারের মধ্যে নৈতিক বিরোধ বলে দেখা যায়। সেক্ষেত্রে হয় আমাদের নৈতিকতাকে ইনকনসিস্টেন্ট বলে মানতে হবে, নয়তো বলতে হবে আত্মরক্ষার অধিকার একটি নৈতিক প্রশ্ন নয়, শুধুই প্রয়োজনীয়তার প্রশ্ন। যেমন কিনা তুমি ২য় বিশ্বযুদ্ধে মিত্রশক্তির অংশগ্রহনের প্রশ্নে বলেছ।

    আমার আগের পোস্টে আমি বলতে চেয়েছিলাম ইকুইভ্যালেন্স আর কনগ্রুয়েন্স এক ব্যাপার নয়। তুমি সে প্রশ্নটি এক্সপ্লিসিটলি অ্যাড্রেস করায় ভাল হল। শুধু একটাই প্রশ্ন থেকে গেল, নন-ইকুইভ্যালেন্ট কনগ্রুয়েন্স কতটা গুরুত্বপূর্ণ? যেমন ইতর প্রানীদের সাথে মানুষের বায়োলজিক্যাল প্রসেসের কনগ্রুয়েন্স (যে উদাহরন আমি নিয়েছিলাম রিমির লেখার উত্তরে) হ্যাজ নো বিয়ারিং অন দেয়ার ইকুইভ্যালেন্স, অ্যান্ড নট ভেরী ইম্পর্ট্যান্ট বিয়ন্ড বেসিক বায়োলজি। সেই রকম, মর‌্যালিটির জগতে কনগ্রুয়েন্স অ্যাপিয়ারেন্সের চেয়ে অতিরিক্ত কোন গুরুত্বের কোন দাবী রাখে কিনা, সেটা পরিষ্কার হলে ভাল হত।

    ৩। হিংসার অন্তহীন চক্র বন্ধ করাই (অ্যাট অল কস্ট) যে মর‌্যালি সুপিরিয়র, সে কথা মানা যায় না। আফটার অল, ঘাতকের হাতে প্রান দিলেই হিংসার চক্র বন্ধ হল। সেটাকে ঘাতককে পাল্টা মেরে হিংসার চক্র চালু রাখার চেয়ে মর‌্যালি সুপিরিয়র বলি কোন যুক্তিতে?

    আত্মরক্ষার জন্য প্রতিহিংসা আর প্রিএম্পটিভ হিংসা এক ব্যাপার নয়। প্রথমটিতে কজ আর এফেক্ট খুব পরিষ্কার। পরেরটিতে কোন ডেমনস্ট্রেবল কজালিটি নেই। প্রথমটির ক্ষেত্রে অন্য মানুষেরা জানে, শুধু ক্ষতি করলেই প্রতিহিংসার মুখোমুখি হতে হবে। পরেরটিতে কেউ জানে না কি করলে (বা না করলে) ঝাড় খেতে হবে। তাই সেক্ষেত্রে বুলিকে বধ করাই শ্রেষ্ঠ উপায়। দেখতেই পাচ্ছ, প্রিএম্পটিভ হিংসা আত্মরক্ষার জন্য এমনকি ইনডাইরেক্টলিও ভাল নয়।
  • Sibu | 12.50.19.162 | ১০ নভেম্বর ২০০৯ ২০:৩৭561736
  • আর একটা কথা। 'বর্তমান ভবিষ্যতের চেয়ে বেশী মূল্যবান' - ডিসকাউন্ট ফ্যাক্টরের কারনে, এটা খুব স্পেসিয়াস লজিক। ইকনমিকসের ছাত্র হিসেবে তুমি জান, এটা সর্বদা সত্যি হলে কেউ ইনভেস্টমেন্ট করত না, ক্যাপিটাল ফর্মেশন হত না। বর্তমান ভবিষ্যতের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিনা নির্ভর করবে রেট অফ রিটার্ন ও ডিসকাউন্ট ফ্যাক্টরের ওপর।
  • r | 219.64.73.33 | ১১ নভেম্বর ২০০৯ ১০:৩৯561737
  • উঁহু। প্রেফারেন্স অর্ডারিং অনুযায়ী প্রায় সবসময় বর্তমান ভবিষ্যতের থেকে মূল্যবান। তাই ইন্টারটেম্পোরাল ইউটিলিটি ফাংশনে ডিসকাউন্ট ফ্যাক্টর লেস দ্যান অর ইকোয়াল টু ওয়ান। দ্বিতীয় অ্যাজামশন হল রেট অফ ইন্টারেস্ট নন-নেগেটিভ। কারণ বর্তমান ভবিষ্যতের থেকে দামী। এই দুটো অ্যাজামশন ভায়োলেটেড হতে পারে রেয়ারেস্ট অফ রেয়ার কেসে। ইনভেস্টমেন্ট ডিসিশন ডিপেন্ড করে অপ্টিমাইজেশনের উপর সাবজেক্ট টু গিভেন প্রেফারেন্স অর্ডারিং। সেটা নেক্সট স্টেজের গপ্পো।
  • kd | 59.93.179.25 | ১১ নভেম্বর ২০০৯ ১০:৫৭561740
  • ৫৯টি শব্দের মধ্যে ৩৪টি ইংরিজি! তাও কিছু বুঝলুম না। নিশ্চয়ই সিপিএমের দোষ।
  • vikram | 193.120.76.238 | ১১ নভেম্বর ২০০৯ ১৬:১১561741
  • এ তো খুব সোজা। কবি বৈজয়ন্ত বোঝাতে চাইছেন যে প্রোটিন বি কাইনেজের যে আইসোটোপটার মাল্টিফ্র্যাক্টাল স্পেক্ট্রা বেরিয়েছিলো, সেটার তো একটা ফ্র্যাকশানাল ডেরিভেটিভ নেওয়াই যেত, কিন্তু এর মধ্যে হলো কি, ক্যাম্পারির রোলের দাম বেড়ে গেলো, ফলে আমাদের সেই ঘুরে ফিরে টোন্টি ডায়াগ্রামেই ব্যাক করতে হলো, মানে সবই আসলে হু - ওয়াশিজু - বার ফাংশানালের কারবার। আমি ঠিক বুঝেছি।

    কাব্লে, বুড়ো,
    সেদিন একটা সিনেমা, আক্রোশ বলে তাতে দেখলাম কাব্লের আসল নাম দেখাচ্ছে, কাব্লে নির্ঘাৎ প্রোডিউসার ছিলো।!
  • kd | 59.93.179.25 | ১১ নভেম্বর ২০০৯ ১৬:৪৪561742
  • ধুর! ওটা আমি না। 'তরমুজ' নয় তো?
    :)
  • dd | 122.167.50.154 | ১১ নভেম্বর ২০০৯ ২১:৩৪561744
  • র বাবুর ল্যাখা সব সময়ই মনোহর। উনার দেওয়া লিংটি ও প্রফুল্লকর।
    চিত্রমালার প্রথমটি অত্যন্ত স্মার্ট রৈখিক অনুভুতিকে দ্বিমাত্রিক তলের সীমাবদ্ধতার থেকে ভিন্নতায় উত্তরনের দিকে ইংগিত দিয়েছে। তীক্ষ্‌ন বানে বিক্ষত পটটি কি আমাদের প্রাত্যহিকতার উদ্দেশ্যে রচিত?

    যদিও দ্বিতীয় চিত্রটি যেনো শিল্পী প্রথমটির প্রতিবাদেই এঁকেছেন। জ্যামিতির দাসত্বের প্রতি একটু উপহাস ও রয়েছে লুকিয়ে। ত্রিভুজ ও চতুর্ভুজ প্রকৃতির দ্বন্দ্ব নিয়ে শিল্পী ভালোই খেলেছেন।

    সেরাটি অবশ্যই ৩ নং চিত্রটি। অবক্ষয় ও তার ছন্দোময়তা এক সাবলীল ভংগিময় উপস্থিত। নাগরিক জীবনের ধৃষ্টতা,ঔদ্ধত্য ও নিরাবচনী পরিনতির প্রকাশে এ এক রাজনিতিক ইস্তাহার।
    র বাবুকে সাধুবাদ জানাই।
  • dipu | 59.164.191.93 | ১১ নভেম্বর ২০০৯ ২১:৩৮561745
  • :-P:-D
  • vikram | 193.120.76.238 | ১১ নভেম্বর ২০০৯ ২৩:০৭561746
  • আরে রামো। এই কিনা লিং? এতো দাশ মুখার্জির জ্যামিতি বই। ইলেভেনের ছেলেরা কষে।
  • Sibu | 71.106.234.63 | ১২ নভেম্বর ২০০৯ ০৪:৫০561747
  • ওহো, বর্তমান ভবিষ্যতের থেকে মূল্যবান কেন, তাই নিয়ে বৈজয়ন্তের কথা ভুল বুঝেছিলাম। মনে হচ্ছে বৈজয়ন্ত বলেছিল আজকের একশ টাকা সামনের বছরের একশ টাকার চেয়ে বেশী দামী। তাইতে কোন দ্বিমত নাই। আমি বলেছিলাম আজকের একশ টাকা সামনের বছরের দুইশ টাকার থেকে বেশী দামী নাও হতে পারে। দুজনে দুই রকম কথা বলছিলাম।

    কিন্তু এর থেকে কালকের অধিক হিংসা প্রতিরোধের জন্য আজকের অল্প হিংসা নৈতিক বিচারে বর্জনীয় - এরকম সিদ্ধান্ত টানা যায় বুঝলাম না।
  • ranjan roy | 117.198.1.156 | ১৩ নভেম্বর ২০০৯ ০৯:৫৯561748
  • বৈজয়ন্তের হাত ছুঁলাম। আমাদের অনেকের মনেই চারদিকে পরিব্যাপ্ত হিংসা, তার অনিবার্যতা(?), তার দার্শনিক জাস্টিফিকেশন ইত্যাদি নিয়ে অনেক প্রশ্নের বুদ্বুদ ওঠে। এই লেখাটি সেগুলোকে জট ছাড়িয়ে ভাবতে প্রেরণা দিল।
    এক, লেখাটি প্রায় ষড়দর্শনের সূত্রগ্রন্থের মত সংক্ষিপ্ত কূট বাক্যবিন্যাসে ভরা। প্রতিটি প্যারাগ্রাফ অত্যন্ত মনোযোগ দাবী করে।
    আমি যদি কোথাও আলাদা বক্তব্য রাখি তা বৈজয়ন্তের ""সঙ্গে' মিলে হিংসার অনিবার্যতা এড়ানোর সম্ভাবনাকে তালাস করার জন্যে। বিশেষত: আমি যখন এক হিংসার চক্রাকার আবর্তের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি----।
    প্রথম, মাওয়ের ঐ কোটেশনটি নিয়ে। ওই লেখিকা যাই বলুন আমার যদ্দূর মনে পড়ছে মূল কোটেশনটি "" বন্দুকের নল ক্ষমতার উৎস '' নয়,( যদিও সত্তরের দশকে দেয়ালে দেয়ালে এভাবেই লেখা হত)।
    "Political power grows out of the barrel of a gun''. ""ক্ষমতা'' শব্দের জায়গায় ""রাজনৈতিক ক্ষমতা'' শব্দবন্ধটি লক্ষ্যণীয়।
    এখানে স্পষ্টত:ই মাও রাষ্ট্রক্ষমতা দখল বা রাষ্ট্রযন্ত্রের চরিত্র নিয়ে কথা বলছেন। সমাজপরিবর্তনের কথা নয়।
    সমাজপরিবর্তনের ব্যাপারে মার্কসের হিংসার ধাত্রী বা ক্যাটালিস্টের ভূমিকা নিয়ে বক্তব্যের সঙ্গে মাওয়ের বক্তব্য বিরোধী বলা যায় কি! রাষ্ট্রক্ষমতায় পরিবর্তন সমাজ অপরিবর্তিত থাকলেও হয়, হতে পারে।
    ডি: আমি আদৌ মাওবাদী রাজনৈতিক প্রোগ্রামের সমর্থক নই।
    ব্যক্তি মাও আমার চোখে সামন্তবাদী, মেল- শভিনিস্ট। লং মার্চের সাথী আধ ডজন সন্তানের জননীকে রামের সীতাকে বনবাসের চেয়েও বাজে ভাবে বিদায় দেওয়ায়।
    তবে মাওয়ের তিনটি দার্শনিক লেখা "On Contradiction; On Practice; Where Do Correct Ideas Come From'' মার্কসীয় জ্ঞানতঙ্কÄকে বুঝতে খুব সহায়ক হয়েছে।

  • ranjan roy | 117.198.1.156 | ১৩ নভেম্বর ২০০৯ ১০:০৬561749
  • রেডবুকের অন্যত্র একটি কোটেশন রয়েছে( স্মৃতি থেকে, ভুল হতে পারে)।
    -"" অস্ত্র নয়, জনগণই নিয়ামক শক্তি''।
    এখন ওই দুটো কোটেশনকে কি করে মেলাবেন?
    স্পষ্টত: রাষ্ট্রশক্তির কথা বলা হচ্ছে যার গঠন (পুলিস-মিলিটারি-জেল -আইন-প্রতিনিধিসভা ইত্যাদিকে নিয়ে) হিংসাকে ভিত্তি মেনে নিয়ে।
  • ranjan roy | 117.198.1.156 | ১৩ নভেম্বর ২০০৯ ১০:২৯561751
  • সে যাকগে, আমরা চিন্তিত: হিংসা প্রতিরোধের উপায় নিয়ে।
    বৈজয়ন্ত তিনটি সম্ভাবনার কথা বলেছেন: ১) এড়িয়ে যাওয়া, ২) প্রতিরোধ করা,৩) কিছুই না করা।

    এড়িয়ে যাওয়া:
    আমার মানসিক গঠন এই পথের পথিক হওয়ার। কিন্তু, এড়িয়ে যাওয়া মানে পালিয়ে যাওয়া নয়, কত পালাবেন? কোথায় পালাবেন? আমি এর মানে করেছি রণনীতিগত ভাবে এমন ব্যবস্থা নেয়া যাতে সম্ভাব্য আক্রমণ/হিংসার সম্ভাবনা কমে।
    যেমন ছোট বেলায় মা'র কাছে ঠাঙানি খাবার সম্ভাবনা দেখলে দৌড়ে দাদুর ঘরে ঢুকে যেতাম, মা ঘোমটা টেনে সরে যেতেন।
    কিন্তু, আবার সেই কিন্তু, সমস্ত দেশ ডিফেন্সের খরচ বাড়ায় বা নিউক্লিয়ার ভান্ডার গড়ে তোলে ঐ একই যুক্তিতে যে এটা পড়শী বা বিরোধী শিবিরে সম্ভাব্য হিংসা কে প্রতিহত করবে।
    ভারত-পাকিস্তানের এক্স[পেরিমেন্টের ঘটা আর বক্তৃতা দেখুন। তাহলে? আমার কাছে কোন উত্তর নেই।

    প্রতিহত করা:
    এখানেই বোধহয় বৈজয়ন্তের ""প্রয়োজনীয় হিংসা''র সম্ভাবনা লুকিয়ে আছে, যা মানুষের ব্যক্তি/সমষ্টির আত্মরক্ষার তাগিদের থেকে উদ্ভূত।
    বৈজয়ন্ত বলছেন-- প্রয়োজনীয় মানেই নৈতিক ভাবে মান্য নয়।
    খানিকটে যেন প্রাণদন্ডাদেশ জারী করে বিচারকের কলমের নিব ভেঙে দেয়ার মর্মস্পর্শী আচারের মত।
    হিংসার পক্ষে সবচেয়ে জোরালো যুক্তি আত্মরক্ষার যুক্তি। ভারতীয় দন্ডনীতির ঐ ধারাটি ।
    কিন্তু তাতেও সতর্ক করে দেয়া হয়েছে- পাল্টা হিংসা যেন প্রথম আক্রমণের সঙ্গে সমানুপাতিক হয়, নইলে আইনি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
    বাস্তব ক্ষেত্রে এটা কেউ মানে না। না রাষ্ট্র , না মাওবাদী। না লাদেন, না বুশ, না হিজবুল, না ওবামা।

আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খারাপ-ভাল প্রতিক্রিয়া দিন