• টইপত্তর  গুরুচন্ডা৯

  • হরিদাসের বুলবুলভাজা

    Guruchandali
    গুরুচন্ডা৯ | ২৮ এপ্রিল ২০০৬ | ৩২৯০ বার পঠিত
  • জমিয়ে রাখুন
আরও পড়ুন
Test - Guruchandali
আরও পড়ুন
মজারু - Guruchandali
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • r | 125.18.104.1 | ২৩ অক্টোবর ২০০৯ ১২:২৮561652
  • নির্মলাংশুবাবুর উত্তর তুলে দিলাম:

    "I am objecting to Sanhati’s statement not just, if at all, for lack of balance. I think the statement deliberately distorts the picture by not incorporating the crucial CPI (Maoist) factor which is central to the issue of Operation Greenhunt FOR NOW. This was palpably unfair practice especially in view of large number of foreign intellectuals whose consent was sought; I am sure even the treasure house of interational information Noam Chomsky didn’t know the real picture until it was separately pointed out to him."

    কাগুজে বাঘ:

    "Finally, my mention of the ‘reach’ of CPI (Maoist) was meant ONLY to counter the boastful claim by the Supreme Commander regarding his party being the only genuine alternative for people. It was also designed to counter the propaganda of the state, supported by corporate media, regarding the extent of ‘maoist’ menace to justify a full-scale military operation."

    "কাগুজে বাঘ" প্রসঙ্গে আগের পোস্টে দেওয়া প্রশান্ত ঝার প্রবন্ধটা পড়েও দেখতে পার।

    'স্টেট ভায়োলেন্সের" চলতি সংজ্ঞা নিয়ে আমার নিজস্ব কিছু বক্তব্য আছে যদিও। তবে সে অন্য কোনোদিন। ;-)
  • r | 125.18.104.1 | ২৩ অক্টোবর ২০০৯ ১৩:২৭561653
  • অরুন্ধতী রায়দের একটা হাইপোথেসিস আছে। ভবিষৎ বলবে সেই হাইপোথেসিসের বাস্তব ভিত্তি কতটা। আপাতত:

    "Activists see a more sinister plan behind displacing such a substantial segment of population from resource rich areas which are being eyed by extractive industries. The camps are slums meant to enable industries. “Bastar has diamonds, iron ore, steel, and uranium. Industries want to begin operations there on a war footing. And the Judum has meant they will face no protests against displacement, for people have already been thrown out,” remarks Ilina Sen, an academic and activist. This is possible in the long-term. But at present these are areas where the state barely has any presence and there are no public plans of industrial capital coming in. The two projects that have been approved by the government and are in the offing – the Tata plant in Jagdalpur and Essar operations in Dhurli-Bhansi – are not in the same areas from where Judum related displacement has taken place."
  • dd | 122.167.21.18 | ২৩ অক্টোবর ২০০৯ ১৩:৪১561654
  • ঈশেনেরে

    সরকারের দ্রোহসা থাকে না। তারা পাজীর পাঝাড়া। সব ভেবে চিন্তে প্ল্যান করে করে। তাদের অস্তিত্বও অলস নয়। সংকট =টাইম পাস তাগোর লগে নয়।


    জানো ,চারু বাবুর শহুরে আন্দোলনের সময় এই প্যারালাল থিওরীটা খুব চালু ছিলো (মুলত: সিপিএম ও অন্য সব নরম টাইপের নকশালদের মধ্যে) যে পুরো ব্যাপারটাই একটা পরিকল্পিত নাটক। সি আই এর। (তখন সি আই এ ছিলো জুজু নাম্বার ওয়ান)।
    এরা এজেন্ট প্রোভোকেটিয়ারদের দিয়ে (১% সজান্তে বাকীরা না বুঝে) আন্দোলনের মিলিটান্ট শাখাকে উশকে দেয়। উঠতে দেয় অনেকটা। তারপর অল্প সময়ে একেবারে মুল ধরে ছিঁড়ে উপড়ে ফেলে।

    এক বা দেড় প্রজন্ম ধরে আদর্শবাদ, প্রতিরোধ,সাহস .... সব ফক্কা হয়ে যায়। দেশ তখন (বিটি) মুলোর ক্ষেত। সব আগাছা খতম ।

    তবে, এদানী কি আর সি আই এ আছে? শুনি না তো ?
  • r | 125.18.104.1 | ২৩ অক্টোবর ২০০৯ ১৩:৪৪561655
  • আছে তো। "আজকাল" পড়েন না? সিয়া আজকাল "আজকালে" থাকে।
  • h | 203.99.212.224 | ২৩ অক্টোবর ২০০৯ ১৪:০২561656
  • অরুন্ধুতি রায়ের স্টেটমেন্ট টা পড়ে আমার যা সন্দেহ ছিল সেটা এক ধাপ কনফার্‌ম্‌ড হল। বস্তার এলাকায়, তাইলে বলা হচ্ছে, এখনো অবদি পাবলিক ডোমেনে অন্তত: মাইনিং এ মেজর ক্যাপিটাল ইনভেস্টমেন্ট এর তেমন বিষেষ খবর নাই। ওমা, তাহলে যে এত দিন শুনে এলাম, মাওবাদ জন্ম নিয়েছে, গ্লোবালাইজেশনের এলাকা দখলএর আক্রমণের পর থেকে। মানে সেটাই তো সিভিল সোসাইটির মধ্যে থেকে মাওবাদীদের প্রতি সিম্প্যাথি-র মূল যুক্তি। গ্লোবালাইজেশন আদিবাসীদের উপরে নতুন কোন চাপ দেয় নি, এমন কিছু সোশাল সারভিস ছিল না, যেটা ডিটিওরিয়েট করেছে। গোল গোল করে না ভেবে, বাস্তবের দিকে তাকানো দরকার। গ্লোবালাইজেশন বলতে আমরা যে রিল্যাকসেশন আর অ্যাডজাস্টমেন্ট গুলো বুঝি, সেগুলোর দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হতে গেলেও, কত গুলো বেসিক সামাজিক অর্থনৈতিক অবস্থান লাগে, একটা চাগরি লাগে যেটা যেতে হয়, একটা জমিতে চাষ লাগে, যারা ক্ষতি হতে হয় বা যেটা যায়। আদিবাসী অঞ্চলে এসবের বালাই নেই। তাদের অত্যাচার করার জন্য লো টেক ভাবনাচিন্তাই যথেষ্ট, যেমন মাওবাদী আর গভর্মেন্ট এজেন্সী - ই যথেষ্ট।
  • pinaki | 131.151.102.250 | ২৩ অক্টোবর ২০০৯ ১৪:৩১561657
  • কিন্তু স্টেটের হঠাৎ এত অ্যাগ্রেসিভ হয়ে ওঠার পিছনে তো ঐ অঞ্চলের বিগ ক্যাপিটালের ফিউচার ইনভেস্টমেন্ট প্ল্যান থাকতেই পারে। বিশেষত: যেখানে সারা ভারতেই যখন কর্পোরেট ল্যান্ডলর্ডিজম একটা ফেনোমেনাল ট্রেণ্ড হিসেবে দেখা দিচ্ছে, সেখানে ঐ ধরণের রিসোর্সফুল এলাকাগুলোর দিকে নেকনেজর থাকাটা অস্বাভাবিকও নয়। মাওবাদীদের উত্থান ঐসব অঞ্চলে গ্লোবালাইজেশনের পরিণতিতে হয়েছে - এই থিওরীকে যদি ঠিক মনে নাও হয়, স্টেটের এতটা অ্যাগ্রেসিভনেসের পিছনে এছাড়া আর কি প্রেসিং নীড থাকতে পারে বলে তোমার মনে হয়?
  • pinaki | 131.151.102.250 | ২৩ অক্টোবর ২০০৯ ১৪:৩৯561658
  • বিশেষত: ধর অন্ধ্রে কিন্তু স্টেট ভালো সাফল্য পেয়েছে মাওবাদীদের বিরুদ্ধে। শুধু গ্রে হাউন্ড দিয়েই। তার জন্য কেন্দ্রীয় ভাবে এত সাজো সাজো রব তুলতে হয় নি। তো ঐভাবে নীরবে সাফল্য পেলে তো স্টেটেরই লাভ ছিল। এত জবাবদিহির প্রয়োজন হত না।
  • h | 203.99.212.224 | ২৩ অক্টোবর ২০০৯ ১৬:০৭561659
  • দুটো প্যারায়, স্টেট কথাটাকে দুভাবে ব্যবহার করলে :-)

    কয়েক ভাবে ভাবে তর্ক করা যায়।

    মাওবাদীরা, এদেশে, এমনকি তাদের প্রভাবিত রাজ্য গুলিতেও, গ্লোবালাইজেশন ব্যবস্থার বিরুদ্ধে রেজিসটান্সের মূল শক্তি নয়। এটা খুব স্পষ্ট করে বোঝা দরকার। শুধু তাই নয়, ইউনিফায়েড শকতি যে কিচু গড়ে উথছে না, তার একটা কারণ যেমন ক্যাপিটালিজমের বিচিত্র ইচরণ ক্ষের্ত, তেমনি আরেকটা কারণ কিন্তু মাওবাদীরা নিজেরা হয়ে উঠছে। বা আরেকটু ঘুরিয়ে বলা যেতে পারে, মাওবাদ ছাড়া গ্লোবালাইজেশনের আর কোন প্রতিরোধ নেই, এই ভ্রান্ত ধারণাটাকে লেজিটিমেসী যাঁরা দিচ্ছেন, তাঁদের চোখ কতটা খোলা। 'গ্লোবাইলইজেশন' টার্মটা গোল করে সর্বঘটে কাঁটালি কলা হিসেবে ব্যবহার করলে রেজিসস্টান্স বাড়ে না কমে ভেবে দেখার আছে। অমিত ভাদুড়ির বই বা প্রভাত পট্টনায়কের একটা আর্টিকল, রিফর্ম আটকানোর পক্ষে কয়েকটি হাবিলদার হত্যার থেকে বেশি শক্তিশালী কিনা এটাও ভাবা দরকার।
    ইন্সিডেন্টালি, অন্তজ তঙ্কেÄর অরেকটা নাম, হাবিলদার চর্চা :-)

    এবার আরো কতগুলো দিক আছে, মাওবাদীরা কেন, শখের বিপ্লবী সিম্প্যাথাইজার রা যেটা নিয়ে মুখস্থ বলতে পারে, সেটা হল, হিউমান রাইটস এর টার্মের আর্টিকুলেশন। হোয়াট আবাউট আদার এরিয়াজ অফ সোশাল সায়েন্সেস। তোমার পুরোনো 'লালগড়ে বিকল্প' সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে যে সময় নিচ্ছি, অনেক ভেবে ভেবে লিখছি, হয়তো দাঁড় করাতে গেলে আমাকে অন্তত: পাঁচ-দশ বছর কোন একটা সোশাল সায়েন্সে আমাকে ফর্মালি ট্রেন করতে হবে। হতেই পারে, ক্ষতি নেই। কিন্তু ইতিমধ্যে আমি প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাচ্ছি না বলে শ খানেক লোক কে রাগ করে গুলি মারলাম, এটা কী কোন যুক্তি। শুধু এজেন্সী র ডিবেট ই কি একমাত্র ডিবেট?

    আরো ভাবা জরুরী, মাওবাদী রা যোগ দেওয়ায়, যতটুকু দিয়েছে, রেজিসস্টান্স গুলোর ক্ষতি হচ্ছে না লাভ। বেচারাম মান্না র কি লাভ হত: যদি সেখানে খুন হত রেগুলার? কোথায় থাকতো রিপ্রেসনের বিরুদ্ধে আর্গুমেন্ট?

    ইত্যাদি। গুছিয়ে বলা হল না, কারণ প্রশ্ন সহজ হলেও উত্তর ঠিক জানা নেই। পড়তে হবে, ভাবতে হবে। চেষ্টা করছি, গাধার গাঁড় থেকে নিজস্ব সংবাদ দাতা হয়ে উঠতে, প্রবন্ধ লেখা নিয়ে প্যাঁক খেলেও :-))
  • h | 203.99.212.224 | ২৩ অক্টোবর ২০০৯ ১৬:২৬561660
  • আর একটা কথা, ভায়োলেন্সের আর্গুমেন্ট নেই তা নয়, আছে, তবে সেটা চক্রাকার। সেটা একটা ইডিওটিক চক্র। এবং ইতিহাসের বিস্তৃত শিক্ষা বলছে যে এটা খুব উপকার কিসু করে নি।

    চীনে বিপ্লবে ভায়োলেন্স ছিল, এখন চীনে বৈদেশিক শক্তির নাম করে যাকে তাকে প্যাঁদানো হচ্ছে। ভারতে কিছুদিনের মধ্যেই , দেশের সম্প্রতি কভার স্টোরি ('চিনে নিন') র যুদ্ধোন্মাদোনা যদি মেন স্ট্রীম থটের রিফ্লেকশন বলে ধরতে হয়, তাহলে কদিন বাদেই চীনের চর সন্দেহে যাকে তাকে ক্যালানো শুরু হবে, এবং ভারত এবং চীন দুটি অ্যাম্ভিশাস রাষ্ট্র ভয়ানক যুদ্ধ করলেও করতে পারে। এতে বিপ্লব না গণতন্ত্র কার লাভ?

    প্যালেস্তাইনে আরাফত অস্ত্র সংবরণ করার পরেও, সাইদ রা আরাফাত কে বেসিকালি ডিসএন্‌ফ্‌রানচাইজ করতে সাহায্য করেছিলেন, ৯৮ এর অসলো এগ্রীমেন্টের পর থেকে, হামাস-ফাতা মারামারি, এগুলো তে কী প্যালেস্তাইনের স্বাধীনতা এগিয়ে এসেছে না এনকোক্রচমেন্ট-সেটলমেন্ট বেড়েছে?

    ভায়োলেন্সের লজিকে , আরো ভায়োলেন্সের দিকে স্পাইরালি এগোনো হয় মাত্র। কোন মুক্তি চিন্তা সম্ভব না।
  • pi | 72.83.213.179 | ২৩ অক্টোবর ২০০৯ ১৭:৩৪561662
  • বোধিদার লাস্ট লাইনটার সাথে পুরো ক।

    কিন্তু তোমার আগের পোস্টগুলো নিয়ে কয়েকখান প্রশ্ন আছে। এখন সব করার সময় নেই। জাস্ট একটাই কথা, ওদের জমি কেড়ে নেওয়া হতে থাকলে, সেটা কি ক্ষতি না ?

    বাস্তার অঞ্চলে তামাক শিল্পের খুব রমরমা শুনেছি। কোবাদ গান্ধী ঐ ইন্টারভিউ টা তে বলছেন, মাওবাদীরা আসাঅর আগে অব্দি ওখানকার মানুষজনকে ঐ বিড়ি পাতা কুড়ানোর জন্য অকল্পনীয় রকম কম পারিশ্রমিক দেওয়া হত। চূড়ান্ত এক্সপ্লয়টেশন ছিল। এগুলো কে কি বলবে ? মাওবাদীরা এসে মজুরী ঠিকঠাক করার সাথে সাথে তোলা সিস্টেম চালু করে কতটা ঠিক ভুল করেছে সে প্রশ্নে যাচ্ছি না।

    আর সলওয়া জুডুম সংক্রান্ত কোর্টের আদেশের পরেও কেন পুনর্বাসন হচ্ছে না ?
    ঐ জমিগুলোর উপর যে শিল্পপতিদের নজর পড়েছে, সেটা কিন্তু গান্ধীবাদী হিমাংশু কুমারের ও বক্তব্য ছিল।
  • r | 125.18.104.1 | ২৩ অক্টোবর ২০০৯ ১৭:৪৭561663
  • দু চারটি কথা:

    কর্পোরেট জমিদখলের লজিক একটি সম্ভাব্য লজিক হতেই পারে। কিন্তু আপাতত: মোটিভটা দেখা যাচ্ছে, লাশটা মেলে নি।

    "স্টেট" ষাট সত্তরের দশকেও অ্যাগ্রেসিভ ছিল। তার জন্য কর্পোরেট জমিদখলের লজিকের দরকার পড়ে নি। অ্যাগ্রেশনের মাত্রা ও ব্যাপ্তি অবশ্যই আলাদা। ঠিক যেমন এখন মাওবাদী অ্যাগ্রেশনের মাত্রা ও ব্যাপ্তিও সত্তর দশকের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা।

    কর্পোরেট জমিদখলের লজিক মূলত: ছত্তিশগড়কেন্দ্রিক। অন্ধ্রপ্রদেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে এই লজিক কাজ করে না। ঝাড়খন্ডের পুরো ছবিটাই আলাদা যেখানে মূলধার রাজনীতিবিদ-মাওবাদী-ব্যবসাদার সবাই ভাগাভাগি করে খাচ্ছে। অন্তত: প্রশান্ত ঝার প্রবন্ধ থেকে যেটা বুঝলাম। জঙ্গলমহলে কোনো খনিজ পদার্থের সন্ধান পাওয়া গেছে?
  • shyamal | 24.117.233.39 | ২৩ অক্টোবর ২০০৯ ১৮:১৭561664
  • মাওবাদীদের দাবী যে কোন কোন শ্রেনীর উন্নতি হয়নি, একদম ঠিক। কিন্তু তাদের পন্থাটা সম্পুর্ণ ভুল। তারা হিংসার পথ বেছে নিয়েছে ও নির্লজ্জভাবে ব্যবসায়ীদের ব্ল্যাকমেইল করে মাইন কেনার টাকা তুলছে তার একমাত্র কারণ হল তারা ক্ষমতালোভী, তারা ভারতের মসনদে বসতে চায় বন্দুকের সাহায্যে।
    অশোক মিত্র তাঁর লেখায় (Telegraph, 23 Oct) বলেছেন যে মাওবাদীরা চাইছে সরকার এয়ারফোর্স ও আর্মি দিয়ে তাদের অ্যাটাক করুক। তাতে প্রচুর উপজাতীয় মানুষও মরবে এবং তাতে (তাদের আশা) ছত্তিশগড়, ঝাড়খন্ড, অন্ধ্রের উপজাতিরা এক হয়ে মাওবাদীদের সমর্থন দেবে বিপ্লবের পথে। জানিনা এই থিওরি কতটা ঠিক।

    তবে দেখলাম মাওবাদিরা এক পুলিশ অফিসারকে কিডন্যাপ করেছিল ১৪ জন আদিবাসী মহিলার মুক্তির জন্য। কিডন্যাপ করাকে কখনোই সমর্থন করা যায়না। কিন্তু পুলিশ কেন স্টুপিডের মত নিরীহ আদিবাসী মহিলাদের জেলে পুরেছিল? কারণ তাদের হাতে বঁটি, তীর ধনুক, দা ছিল বলে আর এল এম জি, একে-৪৭, মাইন, গ্রেনেড ছিলনা বলে?
  • dukhe | 122.160.114.84 | ২৩ অক্টোবর ২০০৯ ১৮:৫২561665
  • ঠিকই তো করেছে । একে ৪৭ ওয়ালা লোককে ধরতে গিয়ে মরবে নাকি ? তার চেয়ে কে বেচারি ক্ষুর নিয়ে দাড়ি কামাতে যাচ্ছিল তাকে ধরেছে - বেশ করেছে ।
  • h | 61.95.144.10 | ২৪ অক্টোবর ২০০৯ ১২:২৩561667
  • পাই , দ্যাকো বাবা, আমি যে অঞ্চল টায় বড় হয়েছি, সুরুল-শ্রীনিকেতন-বল্লভপুর ওখানে ধান লাগানোর জন্য দিনে আমার শৈশবে দিনে ১৫-২৫ টাকর বেশি পাওয়া যেত না। আমাকে যিনি দেখতেন, ঝুনুদিদি, তিনি একবার তিরিশ টাকা পেয়েছিলেন, আমার জন্য পুতুল কিনে এনেছিলেন এবং অনেক আদর করে দিয়েছিলেন। কৈশোরে ৮৩-৮৪ সালে আমি যখন সিপিএম এর কৃষক সভার সঙ্গে জড়িত হই, তখন মোটামুটি ৪৫-৬০ টাকা না দিলে আমাদের ই কমরেড রা কাজ করতেন না। আর প্রায় ৯২-৯৩ সালে যখন পার্টির সংস্রব ছাড়ি তখন বীরভূম অঞ্চলে ধান লাগানোর ওয়েজ প্রায়শ: ৮০-১০০ টাকা হত, কখনো বেশি স্কিল্ড লোকজন ১২০-১২৫ ও পেতো। কোন কোন জায়গায় একটু কম থাকতো, বিশেষ করে যেখানে দুমকা এবং চিনাকুরী অঞ্চল থেকে বিহারের আদিবাসী শ্রমিকরা আসতেন। সেই নিয়ে দু দল গরীবের মধ্যে মারামারি থামানো টা বর্ডার অঞ্চলে কৃষক সভার অন্যতম কাজ ছিল :-) ঐক্য নামক বাজে কথাটা, তখনো বিশুদ্ধতার কাচে পুরো হেরে যায় নি। গাঁ গেরামের কথা।

    লেটেস্ট হিসেব ঠোঁটস্থ, আঙুলের ডগাস্থ নেই, তার কারণ রাজনীতি ছেড়ে দিয়েছি। এখন আমি আন্তর্জাতিক ভেগ ভার্চুয়াল সমব্যথী :-)

    এবং বাই দ্য ওয়ে, ১৯৯০-৯৫-৯৬ এর মধ্যে আবাপ তে চোখ রাখলে দেখবে, মাঝে মাঝে মমতা বীরভূমে গিয়ে, ভাগচাষের বিরূদ্ধে, ল্যান্ড রিফর্মের বিরুদ্ধে এবং জেলা কৃষক সভার ওয়েজ স্ট্রাইকের পলিসির বিরুদ্ধে নানা গরমাগরম দিয়ে আসছেন :-) তখনো গ্লোবালাইজেশন শুরু হয় নাই।

    বিশ্বভারতীর এগ্রো ইকোনোমিক্স ডিপার্টমেন্ট, প্রতীচী ট্রাস্ট, বীরভূম জেলা পরিষদ এবং কৃষক সভা এদের তিনজনেরি এই নিয়ে প্রচুর ডকুমেন্টেশন আছে। ব্রজ মুখার্জী, যিনি শতাব্দী রায়ের কাছে হেরে গেলেন, এবং গোকুল হাঁসদা, যিনি আপাতত: সিপিএম পরিচালিত বীরভূম জেলা পরিষদের সভাধিপতি এবং প্রয়াত: অর্থনীতিবিদ, সুনিল সেনগুপ্ত মশাই এই বিষয় গুলো তে অথরিটি। এঁদের লেখা নেটে পাওয়া যায় কিনা জানি না।

    মাইগ্রান্ট লেবার নিয়ে বহু লোক-ই বহু কাজ করেছেন, এটা কৃষি অর্থনীতিতে বহু পুরোনো বিষয়। নেটে কিনা জানিনা। আমি ঐ অঞ্চলের লোকদের কথা বলছি।

    এখন ওয়েজের যে হিসেব টা আমি দিলাম, সেটা দিয়ে আমি বা যে কেউ ক্লেম করতে পারে, সিপিএম এর আমলে বীরভূমে, পুওরেস্ট অফ দ্য পুওর এর উন্নতি হয়েছে। প্রশ্ন দুটো থেকে যায়, সেটা যথেষ্ট কিনা? কার তুলনায় কতটা, কোন ডেমোগ্রাফি, জিওগ্রাফির তুলনায় কতটা। আর দুই এই উন্নতি তে একে - ৪৭ এলে উন্নতি আরো হত না আরো সমবেদনার যোগ্য হত না কি লাঠি-ই এক ৪৭ এর কাজ করেছে। ইত্যাদি। বিভিন্ন সময়ের মমতা বিভিন্ন উত্তর দেবেন, আর বিভিন্ন সময়ের সমবেদনারো একটা উত্তর আছে । ৭৭-৭৮ থেকে ৮৯-৯০ আর ৯০-২০০০ এই দুটো পিরিয়ডের রাঢ়ভূমী পত্রিকা নিয়ে আমার একটা গবেষণা করার ইচ্ছে ছিল, সুচিব্রত সেন রা লিখতেন, কিন্তু সাহস পাইনি। মাঝে মাঝে পত্রিকা বন্ধ-ও হয়েছে। ওরা এই সব নানা বিষয়ে লিখতেন।

    আজকে একটা প্লাম্বার, বীরভূমে, সেমি শহরাঞ্চলে দিনে ৫০০-৮০০ টাকা রোজগার করতে পারেন, রিয়েল এস্টেট বূমের জন্য? তাই জন্য কী আমরা শ্যামলদার বিভিন্ন ফেমাস সল্যুশনের সবটা মেনে নেব?

    বাংলা কথা হল, খোঁজ খবর রাখতে হবে, নেট বিশ্ব নয়, এমনকি এভিডেন্টলি, বিশ্বভারতীও নয় ;-)
  • Pintu | 84.75.101.196 | ২৪ অক্টোবর ২০০৯ ১২:৫০561668
  • h-দা, কৃষক সভা র এই মারামারি থামানো টা আমিও দেখেছি। ধান রোয়ার সময় জেঠু কলকাতা থেকে আলাদা করে ওষুধ এনে রাখতো।

    অভিজিত চৌধুরী (বীরভূম)-এর ও লেখা আছে। পুরোনো দেষ হিতৈষী তে পাওয়া যাবে।
  • Pintu | 84.75.101.196 | ২৪ অক্টোবর ২০০৯ ১২:৫১561669
  • *দেশ
  • Ishan | 173.26.17.106 | ২৪ অক্টোবর ২০০৯ ১৩:০৪561670
  • ডিডির ভাবখানা এমন, যেন উনিই দ্রোহসার পেটেন্টধারী। আদতে তা নয়। সর্বজ্ঞানী পোমোরা পনেরো-বিশ-তিরিশ বছর আগেই এসব বলে গেছেন (মনে রাখবেন হোয়াট পোমোস থিংক টুডে, হোমোস (সেপিয়েন্স) রি ইনভেন্ট ইট টুমরো )। :)

    তা তাঁরা কি বলেছেন? যেকোনো স্ট্রং রাজনৈতিক ফর্মেশন, রাষ্ট্র তো বটেই, টিকিয়ে শক্তিশালী করার জন্য একপিস শত্তুর চাই। শকপোক্ত জমজমাট ও ভয়াবহ। নইলে রাজনৈতিক ঐক্যটা ঠিক বৈধতা পায়না। ভারতের যেমন দরকার পাকিস্তান জুজু, আম্রিকার কমিউনিজম, বা সন্ত্রাসবাদ জুজু, মাওদের সি আই এ জুজু, ইত্যাদি। এদের নিজেদের অস্তিত্বের জন্যই এইসব জুজু দরকার। নইলে অস্তিত্বটাই বৃথা।

    তা, শত্তুর মিললে ভালো। নইলে শত্তুর বানাতে হয়। এই যেমন চমস্কি ও চমস্কিকে লেখা খোলা চিঠি উভয়েরই মতানুসারে মাওবাদ ভারতের পক্ষে এমন একটি জুজু, যা আসলে অস্তিত্বহীন। হাওয়া শরীরে বিদ্যমান। অরুন্ধতী রায় বলেন, পৃথিবীতে সন্ত্রাসবাদও নাকি অমনই একটি হাওয়াকল। ওটা আম্রিকার দরকার।

    এই হাওয়াকল বানানোর পিছনে রাষ্ট্রের কি কোনো সুনির্দিষ্ট মতলব থাকেনা? থাকতেই পারে। কিন্তু আমরা সেসবের খোঁজ রাখিনা। যারা ব্যাপারটা আন্দাজ করা চেষ্টা করেন, তাদেরকে আমরা কনস্পিয়োরি থিয়োরিস্ট বলি। যথা দ্রি। :)
  • Ishan | 173.26.17.106 | ২৪ অক্টোবর ২০০৯ ১৩:০৯561671
  • বাকি কথা পরে লিখব। কিন্তু রঙ্গনের এই পোস্টটা দেখে বেশ মজা লাগল, তাই এখনই লিখে দিই।

    I am sure even the treasure house of interational information Noam Chomsky didnt know the real picture until it was separately pointed out to him.

    মানে, নির্মলাংশু বাবু বলছেন, জনগণ যেরকম "ভুল বোঝেন', সেরকম চমস্কি-টমস্কিকেও ভুল বোঝানো হয়েছে। :)

    মন্তব্য নিÖপ্রয়োজন।
  • pinaki | 131.151.102.250 | ২৪ অক্টোবর ২০০৯ ১৩:১৫561673
  • হনুদার বক্তব্যের সাথে অনেকাংশেই একমত। আমারও মাঝে মাঝেই এটা মনে হয় যে সামহাউ সিমপ্যাথির সূত্র ধরে একটা ক্ষতিকারক রাজনীতিকে আমরা অনেকসময় লেজিটিমেসি দিয়ে ফেলছি। এবং কখনও কখনও মনে হয় এর পিছনে কোথাও একটা নিজে সক্রিয়ভাবে মাঠে ময়দানে রাজনীতি না করার অপরাধবোধ ভূমিকা রাখে। অর্থাৎ নিজে যেহেতু দূর থেকে বুলি ঝাড়ছি, আমার কি অধিকার আছে যারা নিয়ত প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে জঙ্গলে পড়ে আছে তার রাজনীতির সমালোচনা করার বা তার বাস্তবতা নিয়ে কমেন্ট করার?

    তবে তোমার ঐ দশ বছর সোশাল রিসার্চ করার এপ্রোচটার সাথে আমি একমত নই। শুধু একাডেমিক রিসার্চ থেকে একটা সঠিক রাজনীতি বেরিয়ে আসে না - এটা তুমিও জানো। কিন্তু মাঝে মাঝে তোমার লেখায় একাডেমিক চর্চার প্রসঙ্গটা বড্ড অ্যাবসলিউট সেন্সে আসে।

    আর আরেকখানা যে পয়েন্টে এখনও দাঁড়াতে পারিনি - সেটা হল, স্টেট ভায়োলেন্স এবং মাওবাদী ভয়োলেন্সকে একই তীব্রতায় সমালোচনা করা। যে কারণে সংহতির চিঠিটা নিয়ে নির্মলাংশুবাবুর অভিযোগের একটা বেসিক টিউনের সাথে একমত হতে পারছি না। মাওবাদীদের প্রতি যাবতীয় সমালোচনা সহই। এবং আমার ব্যক্তিগত ধারণা, প:ব:তে মাওবাদীরা যদি এরকমভাবে সিপিএম কর্মীদের যথেচ্ছভাবে খুন না করত, সিপিএম বা সিপিএমের রাজনীতির প্রতি সহানুভূতিশীল এই নির্মলেংশুবাবুর মত মানুষজন এত অবলীলায় দুটো ভায়োলেন্সকে একাসনে বসিয়ে গাল পাড়তেন না।

    র'দাকে,

    ব্যাপারটাকে দুদিক থেকেই দেখলে কেমন হয়? স্টেট ভায়োলেন্স আর মাওবাদী ভায়োলেন্স, এদুটোর কোনও একটাকে আর একটার কারণ বা ফলাফল - এরকম চূড়ান্ত অবস্থান না নিয়েও তো দেখা যায়। একটা আর একটাকে রি-ইনফোর্স করতে করতে গ্যাছে।

    তবে কেন্দ্রীয় সরকারের এই হঠাৎ করে কোমর বেঁধে নামাটা সাধারণ অবস্থায় চলতে থাকা স্টেট রিপ্রেসনের থেকে একটু গুণগতভাবে আলাদা বলেই মনে হচ্ছে এখনও অব্দি। মোটিভ খোঁজার প্রশ্নটা সেখান থেকেই আসছে।

  • Pintu | 84.75.101.196 | ২৪ অক্টোবর ২০০৯ ১৩:২৭561674
  • সোশাল রিসার্চ আর আকাদেমিক রিসার্চ কে এক করে দিলেন পিনাকী? সোশাল রিসার্চ-এর টীম টা কাদের নিয়ে তৈরী সেটা একটু দেখুন।
  • pinaki | 131.151.102.250 | ২৪ অক্টোবর ২০০৯ ১৪:৩০561675
  • ওটা সোশাল রিসার্চ বলতে চাই নি। হনুদার সোশাল সায়েন্সে দশ বছর ফর্মাল ট্রেনিং এর প্রসঙ্গে বলেছি।
  • dd | 122.167.46.242 | ২৪ অক্টোবর ২০০৯ ২২:৩৬561676
  • আরে, আমাদের ঈশেন দেখছি বড্ডো ছেলেমানুষ। গনেশকে হয়তো গানুশ বলে।

    জুজুবাদের ইতিহাস শোনো।

    ইদিকে তো সনাতন পুরুষ একাই আছেন (রিগ ভেদা থেকে কোট করি) কিন্তু তিনি ভীত হলেন। তিনি আর একা থাকতে চাইলেন না। তখন তিনি বহুধা হলেন। বিশ্ব ব্রহ্মান্ড সৃষ্টি কল্লেন। মানে ঐ বিগ ব্যাং... ঐ সব।

    মানে, ভয় না থাকলে তুমি,আমি,গুরু চন্ডালি কিস্‌সু থাকতো না। ভাগ্গি সনাতন আদি স্বত্তা ভয় পেয়েছিলেন।

    সেই থেকে ভয়কে অস্ত্র হিসেব ব্যবহার করেছেন কতো কতো গর্মেন্ট,দেশ, পলিটিকাল পার্টী। এ তো সবাই জানে।

    জুজুবাদের একটি সাবসেট হলো দ্রোহসা। ইটি পার্সোনাল ও মেইনলি একবিংশ শতাব্দীর সুখী বিলাসী জীবনের একটি অংগ। যেমতি কৈশোরে ব্রণ। এট্টু ইঁট ছুঁড়িবার বাসনা। নইলে "ঢ্যাঁড়শ খান, আরো পেঁপেঁ খান" বলে প্যান্টুল খুলে লোক দেখানোর দরকার কি? ইটি অস্ত্র নয়, ইটি টাইমপাস।

    এই দ্রোহসা ,স্বেচ্ছা ভীতিকরন, স্ব আতংকবাদ.... ই গুলি আমার সৃষ্টি। যদি হতাম মনসান্টো বা ভীল ঘেটস , তো দিতাম তোমার বিরুদ্ধে মামলা ঠুকে। মানহানি টানি।
    বুঝতে।

  • Ishan | 173.26.17.106 | ২৫ অক্টোবর ২০০৯ ০৭:২১561677
  • ছোটো পেয়ে ডিডিদা আমাকে মিসগাইড করার চেষ্টা করছেন। কিন্তু কি ভাগ্যিস ছোটোবেলায় এই একহং বহুস্যাম না কি যেন, আর বহুধা বদন্তি না কি যেন এই শোলোকগুলো আমাদের ইশকুলে পড়িয়েছিল। ওখানে ভয়টয়ের কোনো গপ্পো নেই। পুরো ভাগাভাগিটাই ফুর্তির নিমিত্ত (যৌথ পরিবার থেকে ভেঙে নিউক্লিয়ার ফ্যামিলি বানানোর মতো), এমনই বলেছিল।

    এখন ইশকুলে গুল দিলে জানিনা। :)
  • dd | 122.167.33.184 | ২৫ অক্টোবর ২০০৯ ১১:৪০561678
  • আরে না,না,না। আমাদের ঈশেনের ইশকুল ই ঠিক। আমি ভুল লিখলাম
    ওটা রিগ ভেদা নয়, বৃহদারণক উপনিষদ। আর ক্যারাকটার টাও বোম্মা নন, আর ভয় ও বোধয় পান নি। তার মনে ফুত্তি চেগেছিলো ,তাতেই বিগ ব্যাং করে টরে অস্থির।

    এখন নেমন্তন্ন খেতে যাচ্ছি। ফিরে এসে লিখবো।

    আর আমার প্রকাশিতব্য গ্রন্থ : জুজুবাদ : এক বৃত্তাকারীর চক্রমন,এ ঈশেনের নাম ফুটনোটে দিয়া দিমু খনে।

  • G | 72.95.231.239 | ২৫ অক্টোবর ২০০৯ ১২:২০561679
  • সোশ্যাল রিসার্চ ঠিক কী বস্তু?
  • Guruchandali | 59.164.99.103 | ২৫ অক্টোবর ২০০৯ ২১:০৪561680
  • -----------------------------------------------------

    প্রকাশিত হল দুটি বুলবুলভাজা :

    ১) এ আমির অন্তরালে .......বীভৎস বিবর (অন্তিম পর্ব)
    ২) ধরপাকড়ের রাজনীতি ও তৃণমূল কংগ্রেস

    -----------------------------------------------------
  • tatin | 70.177.57.163 | ২৫ অক্টোবর ২০০৯ ২১:৩৬561681
  • আপলোড করার আগে পি-দি একটু টাইপোগুলো শুধরে দিতে পারতেন :(
  • dipu | 59.164.99.103 | ২৫ অক্টোবর ২০০৯ ২১:৪২561682
  • টাইপো কই?
  • tatin | 70.177.57.163 | ২৫ অক্টোবর ২০০৯ ২১:৪৭561684
  • বিরোধীতা, অত্মপ্রকাশ এরম আছে বেশ কিছু
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। হাত মক্সো করতে প্রতিক্রিয়া দিন