এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • পায়ের তলায় সর্ষেঃ জুলে, লাদাখ!

    সিকি
    অন্যান্য | ২৩ জুন ২০১২ | ১২২১১ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • একক | 24.99.96.114 | ৩০ জুন ২০১২ ০০:০৮558276
  • পাই
    যত মেয়েকে অনিচ্ছে সত্বেও "গানের ক্লাস" এ ভর্তি করা হয় তার .০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০১ % মেয়ে ট্রেকিং বা ক্লাইম্বিং এ যায়না . ছোটবেলা থেকে এরকম ভাবে বড় হয়ে যখন তাদের মেল কাউন্টারপার্ট
    এডভেঞ্চার স্পোর্ট বা ট্রেকিং করতে চায় তখন একটা বাধা হয়ে দাঁড়ায় . এটা ঘটনা . আমার জানা দুটি মাত্র বাঙালি মেয়ে আছে যারা পাহাড়ে গেলে নিজের দায়িত্ব নিজে নিতে পারে. একজন ৩ বার লাদাখ করে এসেছে. একবার বাইক এ. এগুলো পুরো মানসিকতার ব্যাপার . শারীরিক গঠনের কিচ্ছু না . জার্মান-ইতালিয়ান মেয়েরা এমনকি নাগা-খাসিয়া সম্প্রদায়ের মেয়েরাও হিমালয় এর পাহাড় জঙ্গল চষে ফেলছে .
  • pi | 138.231.237.7 | ৩০ জুন ২০১২ ০০:১১558277
  • ছেলেদের কতজনকে এসবে ভর্তি করানো হয় ? হ্যাঁ, এখন ক্রিকেট, ফুটবল আকাডেমি টেমিতে করা হচ্ছে কিছু।
  • একক | 24.99.96.114 | ৩০ জুন ২০১২ ০০:১৬558279
  • পাই , ছেলেদের মধ্যে যতজন ট্রেক করে (রক ক্লায়িমবার দের বাদ দিয়ে ) তার খুউউব কম আসে ওই ট্রেকিং আকাদেমি থেকে . বেশিরভাগ ই নিজের ইচ্ছে তে . যাইহোক সিকি র ভ্রমণকাহিনী দুর্দান্ত এগোচ্ছে তাই আমরা এই টই তাকে ছাড়ান দি :)
  • সিকি | 132.177.187.171 | ৩০ জুন ২০১২ ০০:১৬558278
  • আমি জানতাম এই "ম্যাসকুলিন' শব্দের ব্যবহারে কেউ না কেউ রিঅ্যাক্ট করবেই। তা দাদারা দিদিরা, একটা কথা কই, আপনারা এত জানেন টানেন, এত পড়াশোনা করেছেন, ম্যাসকুলিন বললেই কি সরাসরি ব্যাপারটাকে ছেলে আর মেয়ে-তে টেনে আনা যায়? খতিয়ান দেওয়া যায় মাউন্টেনিয়ারিং ক্লাবে কতজন মেয়ে থাকে আর ট্রেকিংয়ে কতজন মেয়ে যায়?

    একটু লক্ষ্য করে দ্যাখেন, আমি ম্যাসকুলিনের বিপরীতে কিন্তু ফেমিনাইন কথাটা ইউজ় করি নি। লিখেছি সুখী-সুখী শরীর। অর্থাৎ, ম্যাসকুলিন অর্থে এটা একটু রাফ টাফ টাইপের ট্যুর।

    বেড়ানোর মানে অনেকের কাছেই "আরাম"। শরীরের ওপর ধকল যায় এমন কোনও রকমের ট্যুরে যেতে অনেকেরই ভালো লাগে না। তাদের জন্য গোয়া বা কেরালার ব্যাকওয়াটার দিব্যি খাপ খেয়ে যায়। আবার আরেকদল লোক থাকে যাদের কাছে বেড়ানো মানে টইটই করে ঘুরে বেড়ানো, ট্রেকিংয়ে যাওয়া, লং ড্রাইভে বেরিয়ে পড়া, মাইলের পর মাইল । দুর্গম পাহাড় সামান্য কিছু ইকুইপমেন্টসের সহায়তায় হেঁটে বা হামাগুড়ি দিয়ে পার হওয়া। তারা গোয়ার শান্ত সী-বিচ বা কেরালার ব্যাকওয়াটার পছন্দ করে না তা নয়, কিন্তু বেড়ানোতে একটু অ্যাডভেঞ্চার না এলে তাদের মনে শান্তি আসে না। হিচহাইকিংয়ে গিয়ে পায়ের নখ উড়ে গেলে কি হাতের ছাল উঠে গেলে তারা কমপ্লেন করে না, বরং সেরে গেলে ভালো হয়ে যাবে এই মনোভাব নিয়ে আরও সাবধানতা অবলম্বন করে বাকি পথ পেরোবার চিন্তা করে।

    আমি ব্যক্তিগতভাবে এই দ্বিতীয় দলে পড়ি। এখন আমি লিঙ্গচিহ্নে ছেলে, সেটা আমার ভবিতব্য তবে আমি এই দ্বিতীয় দলের পছন্দের ট্যুরকেই ম্যাসকুলিন ট্যুর বলতে চেয়েছি। হ্যাঁ, এই দ্বিতীয় দলে অনেক মেয়েও থাকেন, আছেন। এই ধরণের ট্যুরকে ভালোবাসতে গেলে অন্য ধরণের মনোবৃত্তি হওয়া প্রয়োজন। সেই মনোবৃত্তি সকলের হয় না। সেটাকে ফেমিনাইন বলা উচিত কিনা আমি বুঝতে পারি নি, তাই লিখেছি সুখী-সুখী শরীর।

    সবার শরীর একভাবে রেসপন্ড করে না, আই এগ্রি। নেচারগতভাবে, আমি খুব রাফ টাফ ব্যাপার সহ্য করতে পারি, প্রচণ্ড গরমে বা তুলকালাম শীতে দুতিনঘণ্টা ধরে মোটরসাইকেলে চক্কর দিতে আমার বেশ ভালো লাগে। একটা থ্রিল অনুভব করি। এইবার যে সাবধানী, সে বলবে, না, এই সাতচল্লিশ ডিগ্রির গরমে রাস্তায় টইটই করে ঘুরো না, সানস্ট্রোক হয়ে যাবে, তোমার বউ বাচ্চা আছে, তাদের কথাও তো ভাববে নাকি? ... আমি বলব, ঠিকঠাক প্রটেকশন নাও, মাথা থেকে পা পর্যন্ত কাপড়ে ঢাকো, মুখে রুমাল বাঁধো, তারপরে জুন মাসের ভরপুপুরে দিল্লির রাস্তায় বেরোও, কোনওভাবেই সানস্ট্রোক তোমায় কাত করতে পারবে না। এইবার কথা উঠতে পারে, আমার শরীর নিতে পারে বলেই আমি খামোকা জুন মাসের দুপুরে বাইক নিয়ে কেন ঘুরব?

    এর উত্তর আমার জানা নেই। এক অন্য ধরণের ভালোলাগা আসে। সাধ করে বেরৈ না অবশ্যই, তবে দরকার পড়লে বেরোতে আমার মন থেকে কোনও বাধা আসে না।

    সিকিনী খালি পেটে একেবারে থাকতে পারে না, জলের বোতল সামনে দেখতে না পেলে গলা শুকিয়ে অজ্ঞান হয়ে যায়। অন্যদিকে আমি পেটপুরে খেতে ভালোবাসি, আবার প্রয়োজন পড়লে অনেকক্ষণ না খেয়ে খালিপেটে থাকতে পারি। ক্ষিধে সহ্য করার ক্ষমতা আছে। প্রচণ্ড পরিশ্রান্ত অবস্থাতেও হেঁটে যেতে পারি। জল না খেয়ে দু তিনদিন কাটিয়ে দিতে পারি, প্রচণ্ড গরমেও ফ্যান না চালিয়ে থেকে যেতে পারি ঘণ্টার পর ঘণ্টা, আমার তেমন কোনও কষ্ট হয় না। এইসব, কেবল সিকিনী বলে নয়, বেশির ভাগ মেয়ের পক্ষেই করে ওঠা অসম্ভব। অনেক ছেলেও করতে পারে না। কারণ ঐ, সবার শরীর একরকমের হয় না। আমার শরীরে ক্ষিদে তেষ্টা ধকল গরম ঘাম সব সয়, আমি সয়ে নিতে পারি, সবাই পারেন আ।
  • সিকি | 132.177.187.171 | ৩০ জুন ২০১২ ০০:৩১558280
  • এত কষ্ট তো করতেই হয় না লে যেতে হলে। তাও তো আমি কিছুই করি নি, পেটপুরে মিলিটারি ব্রেকফাস্ট খেয়ে ড্রাইভারের পেছানের সীটে বাসেছি। ওভারঅল রাস্তা ভালোমন্দ মিশিয়েই ছিল।

    লে যাবার জন্য আমি তিনবছর ধরে পড়াশোনা করেছি। যাবার প্ল্যান করেছি। এত বেশি পড়েছি প্রায় প্রতিটা লোকের, প্রতিটা মেয়ের ট্র্যাভেলগ যে যাবার আগেই আমার মনে হয়েছে লে-র রাস্তার প্রতি কিলোমিটার আমার চেনা। প্রচুর লোকের সাথে কথা বলেছি, আলোচনা করেছি। আমাদের এই গাজিয়াবাদেই এমন একজন যুবক থাকেন, যিনি গত সাত বছর ধরে এলএমএল স্কুটার নিয়ে প্রতি বছর লে-দিল্লি ফুল সার্কিট করে চলেছেন। শ্রীনগর দিয়ে গিয়ে মানালি হয়ে ফেরা, বা উলটো। যুবকটির বয়েস মাত্র ছিয়াত্তর বছর। রিটায়ারমেন্টের পরে ওঁর এই শখ চেগেছে। আমি এইসব মানুষগুলোকে স্যালুট করি। ওদের মত হবার চেষ্টা করি। মন থেকে শরীর থেকে সবসময়ে ঝরঝরে ফিট থাকার চেষ্টা করি। বিশ্বাস না করা আমার ভগবানের কাছে প্রার্থনা করি, সত্যিকারের বুড়ো হবার আগে যেন আমি মরে যাই। চুল যতই পাকুক, মনে যেন পাক না ধরে, দেখার চোখে যেন ছানি না পড়ে।

    আমি স্পর্টসপার্সন নই, দৌড়তে পারি না, ষাট কিলো মাত্র ওজন, বেশি ভারি জিনিস তুলতে পারি না, কিন্তু যতটুকু আমার ক্ষমতা, তার মধ্যে আমি বেঁচে থাকার চেষ্টা করি। আড়াই বছর আগে আমি মৃত্যুর খুব কাছাকাছি চলে গেছিলাম, খুব কাছ থেকে মরে যাবার গন্ধ পেয়েছিলাম, সেখান থেকে বেঁচে ফিরে এসেছি। তার পর থেকে আমি জীবনকে অন্যভাবে দেখতে শিখেছি।

    ফরচুনেটলি বা আনফরচুনেটলি, এই চিন্তাভাবনা, দেখার চোখ, পুরোটাই আমার নিজের। আমি অন্য কারুর ওপর চাপিয়ে দিতে পারি না, অন্য কাউকে এক্সপেক্ট করতে পারি না এই চিন্তাভাবনা নিয়ে আমার সাথে পথ চলার। আমার জীবনদর্শন, তাই একান্ত আমার নিজস্ব।

    ঠিক সেই কারণেই আমি একলা বেরোতে চেয়েছিলাম, আর ঠিক আমার মতন করে যারা বেড়ানোর কথা ভাবে, তাদের সঙ্গে বেরোবার প্ল্যান করেছিলাম। আমি কিন্তু কাউকে জোর করি নি আমার সঙ্গে যেতে। বরং অন্যরাই জোর করে আমার সঙ্গে জুড়ে গেছে। বিশাল পড়াশোনা করেছি লে লাদাখ রিজিয়নে বাইকিং, ট্রেকিং, সাইক্লিং-এর ওপর, অলটিট্যুড সিকনেস, তার সিম্পটম, তার থেকে মুক্তি পাবার উপায়ের ওপরনিজের মনকে প্রস্তুত করেছিলাম সেইভাবে, অন দা কনট্রারি, সিলেক্টেড লেখাপত্তরের প্রিন্ট আউট এনে দেওয়া সত্ত্বেও অন্য কেউ সেগুলো উল্টেও দ্যাখে নি, পথের লং জার্নির কথা, সেখানকার রুক্ষ ভূপ্রকৃতির কথা অনেক গল্প করে শুনিয়েছি, অন্যরা সেসব না ভেবে কেবল জম্মু কাশ্মীরের এলটিসি নিয়ে ভেবে গেছে, কেউ ভেবে গেছে আর্মি অ্যাকোমোডেশনের আরাম নিয়ে।

    চৌহান খুব ভালো করে জানত একেকদিন দশ বারো ঘণ্টার লং ড্রাইভ থাকবে, চৌহান এটাও জানত তার মেয়ে সামান্য এক ঘন্টার গাড়ি জার্নি সইতে পারে না, তা হলে সে কেন বৈষ্ণোদেবী আর গুলমার্গ ঘুরে চলে এল না, কেন শেষ পর্যন্ত আমাদের ল্যাজ ধরে রইল?

    চৌহান আর চৌহানের মেয়ের ওপর সিমপ্যাথি দেখাচ্ছেন তো? শুনুন তা হলে ওদের গল্প। গল্প নয়, সত্যি ঘটনা। কেউ দিল্লি এলে দেখিয়ে দেব চৌহানকে, ভেরিফাই করে নেবেন। চৌহান সব্বাইকে বড়মুখ করে সবাইকে বলে বেড়ায় ওর ছেলেমেয়ের জীবনে দাঁড়াবার গল্প, যেমন আমি বড়মুখ করে বলছি আমার রাফ অ্যান্ড টাফনেসের গল্প।

    শুনুন।
  • সিকি | 132.177.187.171 | ৩০ জুন ২০১২ ০০:৪৪558281
  • সিকি ভ্রমণকাহানি আবার কাল লিখবে। আজ একটু পিএনপিসির মুডে আছে।

    চৌহানের মেয়ে সম্প্রতি এমএনএসে চান্স পেয়েছে। MNS মানে, মিলিটারি নার্সিং সার্ভিসেস। মানে চান্স পায় নি, লিখিত পরীক্ষাতে ফেল করেছিল, চৌহান কলকাঠি নাড়িয়ে, এমএনএসের কোনো অফিসারের "ফাইল-আটকে-দেব" হুমকি দেখিয়ে মেয়েকে পাশ করায়। তারপরে ফিজি.কাল ফিটনেসের পরীক্ষাতেও ফেল করে, অ্যাজ ইউজু.য়াল, চৌহান সেখানেও কলকাঠি নেড়ে মেয়েকে পাশ করিয়ে দেয়। মেয়ের এই আগস্ট মাস থেকে ট্রেনিং শুরু হবে। মিলিটারির ট্রেনিং বর কঠিন জিনিস, নার্সিং সার্ভিস মানে যুদ্ধে ক্ষতবিক্ষত সেনাদের চিকিৎসা করতে হবে নিজের শারীরিক মানসিক অসুবিধের কথা না ভেবে, এবং এক বছরে কোনো ছুটি পাওয়া যাবে না, পোস্টিং হতে পারে লে লাদাখ আন্দামান সিয়াচেন, যে কোনও জায়গাতে। মিলিটারির ট্রাকে বসে দিনরাত এক করে চলতে হতে পারে পরের ফিল্ড হাসপাতালের দিকে। সেই মেয়ে সর্বসময়ে মুঠো মুঠো ট্যাবলেট খায়, গাড়িতে বসলেই মুখ হাঁড়ি করে ফ্যালে, সবসময়ে "ওগো-আমায়-দ্যাখো-গো" টাইপের অ্যাটিট্যুড।

    এ আগস্ট মাস থেকে সেই ট্রেনিং এ কী করে যাবে, আমরাই চিন্তায় পড়ে গেছি।ঃ) শ্রীনগরে দ্বিতীয় দিন থেকে তার আর একেবারেই "ভালো-লাগছে না, কী খালি গাড়িতে করে ঘোরা, বরফ দেখার জন্য ঘন্টার পর ঘন্টা দৌড়ে বেড়ানো, কবে দিল্লি ফিরব, কেবল সেই দিন গুনছি"। প্রচণ্ড হোমসিক। বাবা যে এত নোংরামো করে তার ব্যবস্থা করে দিল, তার জন্য তার কোনো রকমের মানসিক প্রস্তুতি নেবার চেষ্টা নেই।

    ছেলেকেও আর্মির কোনো একটা সুবিধেজনক পোস্টিং পাইয়ে দেবার চেষ্টা করেছিল চৌহান। ছেলে ক্লাস টেন অবধি কোনোমতে প'ড়ে আর পড়ে নি। তো, সেবারে তারা সিকিম বেড়াতে গিয়ে নাথুলা পাসের কাছে কোনো আর্মি গেস্টহাউসে "আরাম" করছিল, সেই সময়ে খবর আসে, পরের দিন ছেলের ফিজিকাল ফিটনেসের ডেট পড়েছে।

    প্রচুর চেষ্টা করেও একদিনের মধ্যে নাথুলা পাস থেকে দিল্লি ফেরার কোনো ব্যবস্থা করা যায় নি। শেষমেশ ফোন লাগিয়েই লাকে একটা ফিট করে ফেলেছিল যে ওর ছেলের হয়ে প্রক্সি দিয়ে আসবে ফিটনেস টেস্টে। সে চেয়েছিল কুড়িহাজার টাকা।

    চৌহানের কাছে অত টাকা ছিল না, চৌহান তখন ফোন লাগায় শ্বশুরকে। শ্বশুর নাকি নাতির এই বিপদে নিজের থেকে কুড়িহাজার টাকা দেন সেই প্রক্সিকে, নাতির হয়ে টেস্ট দিয়ে আসার জন্য।

    এর পরেও অবশ্য শেষরক্ষা হয় নি, কেউ চুকলি কেটে দেয় এবং শেষমেশ চৌহান ছেলের চাকরি আর নিশ্চিত করতে পারে না। ছেলে এখনো কিছু করে না, কিন্তু দিন দিন তার গুণপনা আরো বেড়ে চলেছে। বাবারই তো ছেলে।

    সে-সব গল্প লিখব আমার ট্রাভেলগে, পরে। সঙ্গে থাকুন। আপাতত পিকাসায় জায়গা বের করা গেছে তিনশো বিশ এমবি।
  • cb | 212.156.11.244 | ৩০ জুন ২০১২ ০০:৪৬558282
  • নির্ঘাত এবার কিছু বেআইনি আসছে চৌহানের হাত ধরে
  • cb | 212.156.11.244 | ৩০ জুন ২০১২ ০০:৪৭558283
  • 12: ৩১ পোস্ট এর জন্য উপরের টা
  • Nina | 22.149.39.84 | ৩০ জুন ২০১২ ০০:৪৯558286
  • লে হালুয়া--
    তক্কের দক্কার চাই না--গপ্প চাই---

    আম্মো সিকি, তোর মতন----শরীর আমাকে কাবু করতে পারেনা----ক্ষিদে তেষ্টা দিব্যি ব্যাকবার্নারে রাখতে পারি---শুধু টয়লেট ভাল না হলে ----তাদের দিনের পর দিন আট্কে দিই--বিন্দাস
    ঃ-)
    আমার ছেলে মেয়েও তাই--অমিত ও তাই--তাই আমরাও টোটো কম্পানি।
    কিন্তু যাদের মোশন সিকনেস আছে তাদের বড় কষ্ট---কিছু করার নেই --এব্যাপারে ! আর বাচ্চার শরীর খারাপ হলে কোনো কিচ্ছু এনজয় করা যায়না--এখানে একেবারে আমি সিকিনীর সঙ্গ একমত।
  • সিকি | 132.177.187.171 | ৩০ জুন ২০১২ ০০:৪৯558284
  • তো, যেটা শেষকথা বলার ছিল, বিশ্বাসী মানুষ, অনেক অশক্ত শরীর নিয়ে, অনেক মানসিক শারীরিক অক্ষমতা নিয়ে স্রেফ বিশ্বাসের জোরে পায়ে হেঁটে বৈষ্ণোদেবী পৌঁছয়, সমস্ত অক্ষমতাকে জয় ক'রে, বিশ্বাসের জোরে অমরনাথে পৌঁছয়, বদ্রীনাথ কেদারনাথে পৌঁছয়। সেখানে কেউ "পারছি না" বলে মাথা চেপে ধরে কান্নাকাটি করলে সাধারণত সহযাত্রী অন্য বিশ্বাসীরা খুব একটা সিমপ্যাথি দেখায় না। রাস্তা কঠিন এটা জেনেই বেরনো।

    আমার কোনো ভগবান নেই। লে-তে নিজে ড্রাইভ করে যাওয়া আর আসা আমার কাছে একটা তীর্থদর্শনের সমান হয়ে রয়েছে। আমি তার জন্য সমস্তরকম ভাবে প্রস্তুত ছিলাম, এখনো আছি। সেখানে সহযাত্রীর "পারছি না" বলে কান্না, ফ্র্যাঙ্কলি, আমার মধ্যে যথেষ্ট বিরক্তি উৎপাদন করেছে। সিমপ্যাথি আসে নি। যে শারীরিক মানসিকভাবে প্রস্তুত নয়, সে খালি এলটিসি পাবার লোভে এ রাস্তায় আসে কেন?
  • সিকি | 132.177.187.171 | ৩০ জুন ২০১২ ০০:৫৪558287
  • বেশ। তবে আবার কাল লিখব। আজ রাত একটা বাজে।
  • প্পন | 122.133.206.25 | ৩০ জুন ২০১২ ০১:১৪558288
  • সিকি, ছবিগুলি অসামশালা হয়েছে। লে রুটের প্রায় প্রতিটা ছবি মনে হচ্ছে যেন ওয়েল পেন্টিং।

    সময় করে জাস্ট একটু টেম্পারেচার বাড়িয়ে দাও না কেন সব ক'টা ছবির? পুরো যা তা রকমের হয়ে যাবে।
  • aka | 178.26.215.13 | ৩০ জুন ২০১২ ০১:৪৪558289
  • ক্যালর ব্যালর বাদ দিয়ে, লেখাটা লিখলেই হয়, খামোকা সব বিষয় নিয়ে তক্কো।
  • pi | 138.231.237.7 | ৩০ জুন ২০১২ ০৬:০৯558290
  • বাঃ, সুন্দর হয়েছে ! হ্যাঁ, সামান্য একটু প্রসাধনী ( খুব সামান্যই ) ছোঁয়া দিয়ে দিতে পারো।
  • somnath2 | 86.116.65.19 | ৩০ জুন ২০১২ ০৭:০৯558291
  • সিকির Date:30 Jun 2012 -- 12:31 AM পোস্টের এই লাইনটার "বিশ্বাস না করা আমার ভগবানের কাছে প্রার্থনা করি, সত্যিকারের বুড়ো হবার আগে যেন আমি মরে যাই। চুল যতই পাকুক, মনে যেন পাক না ধরে, দেখার চোখে যেন ছানি না পড়ে।" জন্য একটা বিরাট 'ক' !
  • | 127.194.101.87 | ৩০ জুন ২০১২ ০৯:৫২558292
  • একট প্রশ্ন করেছিলুম ভাটে। কেউ জবাব দিলে না গা।

    বলি সেপ্টেম্বরে কাশ্মীর যাওয়া কেমন হবে? আর ৭ দিন কি যথেষ্ট?
  • সিকি | 132.177.187.171 | ৩০ জুন ২০১২ ১১:৪৭558293
  • ঠিক আছে, পরে টেম্পারেচার বাড়িয়ে দেখব খন।

    আচ্ছা, ছবির বর্ডারের পেছনে হাল্কা ফেডিং শেড দিতে চাই, মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে যেমন করা যায় আর কি। কিন্তু শস্তার কোনও পুহ্টিকর টুল আছে কি এটা করার জন্য? পেন্ট ব্রাশ বা পিকচার ম্যানেজার?

    গিম্প / জিম্প ইনস্টল করেছি, কিন্তু আগাপাস্তলা কিছুই বুঝছি না কীভাবে কী করে। পড়াশোনা করতে হবে মনে হয়।
  • de | 130.62.168.210 | ৩০ জুন ২০১২ ১২:০৩558294
  • সিকি, আগে বাড়ো -- সব পয়েন্ট কিলিয়ার -- ঃ))
  • kumu | 132.160.159.184 | ৩০ জুন ২০১২ ১২:১১558295
  • সিকি,১২-১৬ থেকে ১২-৩১,তিনটে পোষ্টের প্রতিটি অক্ষরের সাথে একমত।২০১৪ তে যেন একদম তোমার মনের মত ট্যুর হয়।
    এইবার আরো লেখো।
    ফরিদাবাদ যাই,যার কপালে যা লেখা আচে।
  • lcm | 79.236.170.152 | ৩০ জুন ২০১২ ১৩:২৬558297
  • ২৩৬ নং ছবিটা.... ঐ নীল আকাশ, পেঁজা তুলো মেঘ, সেডিমেন্টারি রকের ওপর মেঘের ছায়ার শেড, সামনে একটু সবুজ ঘাস - সব মিলিয়ে ফ্রেমে স্বপালু আবেশ
  • kiki | 69.93.242.141 | ৩০ জুন ২০১২ ১৪:০৮558298
  • যাব্বাবা! আমি এট্টুস ন্যাতাপ্যাতা দুব্বল টাইপের বলে ই ক্ষেউ লাদাখ ট্যুরে আমায় নিতে চাইছে না নাকি? সাইকেল তো আমি নিজেই চালিয়ে যেতুম। কেবল ওঠা আর নামাতে হেল্পালেই হত। অদ্ভুত!

    যাগ্গে, একাই যাবো।আর সিকির থেকে শিক্ষে হলো, আশে পাশে বাপ আর ছেলেকে নিয়ে নয়, মোটেই নয়।
  • প্পন | 122.133.206.25 | ৩০ জুন ২০১২ ১৪:১০558299
  • সাইকেলে? একমাসের ট্যুর হবে!
  • kiki | 69.93.242.141 | ৩০ জুন ২০১২ ১৪:১৩558300
  • একিরে! এইতো কোথায় বল্লো.............. সাইকেলে ............ সেই ইস্তক আমি কত ভেবে টেবে নিলুম।ঃ(

    দুর ভাল্লাগেনা।
  • প্পন | 122.133.206.25 | ৩০ জুন ২০১২ ১৪:১৫558301
  • তাছাড়া অত অল্টিট্যুডে লো অক্সিজেনে পাহাড়ি রাস্তা সাইকেলে - অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন ছাড়া হবে না।
  • kiki | 69.93.242.141 | ৩০ জুন ২০১২ ১৪:১৮558302
  • ব্যস! হেঁটেই যাবো। যাও।

    বুনু কোথায় গেলি? পেলান বানা।
  • সিকি | 132.177.187.171 | ৩০ জুন ২০১২ ১৪:২২558303
  • বুনান, কিকির জন্য একটা স্টক কাংড়ির প্ল্যান বানিয়ে দে। চাদ্দিনে নেমে যাবে।
  • সিকি | 132.177.187.171 | ৩০ জুন ২০১২ ১৪:২৩558304
  • অপ্পন, না না, মাউন্টেনিয়ারিং বাইকিং হয় তো ওখানে। খারদুংলা অবধি গাড়িতে করে সাইকেলশুদ্ধু তুলে দেয়, সেখান থেকে পঁচিশ কিলোমিটার সাইকেল চালিয়ে নেমে আসা যায়। সেম ফর অন্যান্য পাসেস।
  • প্পন | 122.133.206.25 | ৩০ জুন ২০১২ ১৪:২৮558305
  • ও! কিন্তু আমি তো ভাবলাম কিকি মানালি টু লে পুরোটা সাইকেলে যাবে!!
  • aka | 85.76.118.96 | ৩০ জুন ২০১২ ১৪:৩৪558306
  • আমি অনেক খুঁজেও ছবি দেখতে পেলাম না। কোথায় ছবির লিং।
  • সিকি | 132.177.187.171 | ৩০ জুন ২০১২ ১৫:০৫558308
  • https://picasaweb.google.com/mukherjee.samik/

    এর প্রথম অ্যালবামটা। প্রথম পাতাতেই লিং দেওয়া ছিল।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঝপাঝপ মতামত দিন