ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • অথ বুনো মোষ তাড়ানোর কথা

    π
    অন্যান্য | ১৫ জুন ২০১২ | ২৫৬০ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • siki | 132.177.52.17 | ০৬ জুলাই ২০১৩ ১৭:৪৩547892
  • তারপর?
  • | 132.166.186.24 | ১৮ ডিসেম্বর ২০১৩ ২২:৩৬547893
  • name: দ mail: country:

    IP Address : 24.97.28.165 (*) Date:18 Dec 2013 -- 09:46 PM

    তারপর একদিন দেখি একটা লিফটের পাশের দেওয়ালে সেলোটেপ্দিয়ে একটা নোটিশ আটকানো যে সমস্ত ভাড়েটে যেন তাদের কন্ট্র্যাক্টের কাগজ আর পুলিশ ভেরিফিকেশানের কপি অ্যাডমিন অফিসে গিয়ে জমা করে আসে। দরকার হলে কল করতে পারে বলে দুইখান নাম্বার দেওয়া। আমি দেখলাম এবং অফিস চলে গেলাম। ওটায় ১টা তারিখ দেওয়া ছিল, যথারীতি কিস্যুই করি নি।
    জুলাই মাসে আবার একটা এ৪ কাগজে বেশ কড়া ভাষায় লেখা অত তারিখের মধ্যে ঐ ঐ জমা না দিলে কঠোরতম ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাতে আবার ডিসিপ্লিনারি অ্যাকশান কথাটাও ছিল। এবারে আমি মোবলি বের করে খচাৎ করে একটা ছবি তুলে রাখলাম। বলাবাহুল্য এডমিন অফিস খোঁজার বা কিছু জমা দেবার কোনও চেষ্টাই করলাম না।

    এরপরে আরো কড়া ভাষায় একটা কাহজ লাগানো, দেখি তার পাশ থেকে আধখানা কে যেন ছিঁড়ে দিয়ে গেছে। গেছে তো গেছে, বয়েই গেছে।

    এ-র-পরে একদিন শনিবারে বাইরে থেকে চরেবরে এসে একটু বিশ্রাম করছি, দরজায় বেল। খুলে দেখি স্কিনটাইট জিন্স পরা চোয়াড়েমত চেহারার দুই মুর্তি দাঁড়িয়ে, একজনের আবার বিকেল সাড়ে পাঁচটতেও করিডরের ভেতরেও চোখে সানগ্লাস। বক্তব্য হলঃ আমার এক্কপি ছবি চাই এবং এক্ষুণি চাই। আমি ডিফল্টার ব্লা ব্লা ব্লা।
  • byaang | 132.166.186.24 | ১৮ ডিসেম্বর ২০১৩ ২২:৪০547894
  • ছড়ালাম। ঠিক উপরের পোস্টটা একদম ইগনোর করুন। উপরের পোস্টটি "গেটেড কমিউনিটি" টইয়ের পোস্ট। আমি ভুল করে এখানে পোস্ট করে ফেলেছি।
  • byaang | 132.166.186.24 | ১৮ ডিসেম্বর ২০১৩ ২২:৪১547895
  • এই টইয়ে দেখছি শেষ লিখেছি জুলাই মাসে। আবার একটু এগিয়ে দিই এই টইকে।
  • byaang | 132.166.186.24 | ১৮ ডিসেম্বর ২০১৩ ২৩:০৬547896
  • মন্ত্রী-সান্ত্রী, মেয়র-কর্পোরেটর, কারুর কোনো কথাতেই কান দিলেন না আদালত। ভদ্রলোকের এক কথা। ল্যান্ডফিলে আর শহরের আবর্জনা ফেলা যাবে না। নিজেদের জঞ্জাল নিজেরাই রিসাইকেল কর।
    বৃহত বেঙ্গালুরু মহানগর পালিকে (কর্পোরেশন) আর কী করে, তারা এবার নগরবাসীকে বলল, "দ্যাখো বাপু, নিজেদের জঞ্জাল যদি তোমরা ঠিকঠাক করে সেগ্রিগেট না কর, তাহলে নিজেদের জঞ্জাল সরানোর ব্যবস্থা নিজেরাই কর, আমরা আর পারব না, তোমার জঞ্জাল নিয়ে যেতে"
    তা কীভাবে আলাদা করা যায় জঞ্জাল? সেগ্রিগেট কেমন করে করব?
    "তেমন শক্ত কিছু তো না। রান্নাঘরের ভেজা জঞ্জাল (ওয়েট ওয়েস্ট)একদম আলাদা করবে। একটুও প্লাস্টিক বা কাগজ যেন মিশে না থাকে। সেগুলো তোমরা আমাদের সাফাইকর্মীকে দেবে হয় ১০০% বায়োডিগ্রেডবল ব্যাগে করে অথব খবরের কাগজে মুড়ে"
    "স্যানিটারি ওয়েস্টও দেবে খবরের কাগজে মুড়ে, তাতেও যেন প্লাস্টিক বা কাগজ মিশে না থাকে। আর হ্যাঁ খবরের কাগজে যখন স্যানিটারি ওয়েস্ট মুড়বে, তখন খবরের কাগজের উপর একটি লাল ঢ্যাঁড়া এঁকে দেবে মোটা করে।"
    "বাকি যাবতীয় ড্রাই ওয়েস্ট প্লাস্টিকের ব্যাগে করে দেবে"
    "তবেই আমাদের সাফাইকর্মীরা তোমাদের বাড়ি থেকে নেবে জঞ্জাল।"

    পাড়ায় পাড়ায় ফ্লেক্স লাগল এইসব নির্দেশ ছেপে; আপিসবাড়ি, স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল সর্বত্র সার্কুলার গেল এইসব নির্দেশের।

    বাঁশ খেল শুধুমাত্র অ্যাপার্টমেন্ট কমপ্লেক্সগুলো। তাদের বলা হল "তোমরা হলে গিয়ে বাল্ক জেনারেটর, তোমাদের নিজেদেরকেই নিজেদের জঞ্জালমোচনের দায়িত্ব নিতে হবে। তোমাদের পাড়ায় পাড়ায় এসে আমরা আর আবর্জনা তুলে নিয়ে যাব না ট্রাকে করে।"

    মানে??????? ইয়ার্কি হচ্ছে দাদা? আমাদের জঞ্জাল নেবেন না মানে? মাসে মাসে আমাদের থেকে যে সেস নিয়ে থাকেন, প্রতিটা ফ্ল্যাটের থেকে আলাদা করে সেস নিয়ে থাকেন ট্যাক্সের সাথে, তারপরে ফ্ল্যাটবাড়ির আবর্জনা তুলবেন না বলেন কোন আস্পদ্দায়??
  • byaang | 132.166.186.24 | ১৮ ডিসেম্বর ২০১৩ ২৩:২১547897
  • বিভিন্ন পাড়ার রেসিডেন্ট্স অ্যাসোসিয়েশনের কর্তারা এবার একসাথে মিটিংয়ে বসেন, বিবিএমপির (বৃহৎ বেঙ্গালুরু মহানগর পালিকে) কর্তাদের সাথে মিটিং করেন। অবশেষে স্থির হয় যদি হান্ড্রেড পার সেন্ট সেগ্রিগেটেড ওয়েস্ট দেওয়া হয়, তবেই বিবিএম্পি সেগুলো সংগ্রহ করবে নয়তো নয়।

    অ্যাসোসিয়েশনের কর্তারা মিটিং শেষে ফিরে আসেন নিজের নিজের পাড়ায়। পাড়ার লোকদের বলেন, দেখ বাপু আজ থেকে নিজেদের বাড়িতেই সেগ্রিগেশন শুরু কর; সেগ্রিগেট করে তবে বাড়ির বাইরে রাখ। নয়তো আমাদের পাড়া থেকে জঞ্জাল নিয়ে যাবে না কর্পোরেশন, জঞ্জালের পাহাড় হয়ে যাবে আমাদের পাড়ার ভিতরে।
  • byaang | 132.166.186.24 | ১৮ ডিসেম্বর ২০১৩ ২৩:৩১547898
  • এবার জমে ওঠে মজা। শহর জুড়ে নরক গুলজার।
    না ছোটোবাড়ির বাড়ির বাসিন্দারা, না বড়বাড়ির বাসিন্দারা, না ফ্ল্যাটবাড়ির বাসিন্দারা, কেউই জঞ্জাল বাছতে সময় অপব্যয় করতে রাজি হলেন না। মুখবাঁধা প্লাস্টিকের ব্যাগ ভর্তি আবর্জনা ফেলতে লাগলেন যেখানে সেখানে আসা-যাওয়ার পথে।
    আমাদের বাড়ি থেকে নিবি না তো কী? তোদের রাস্তায় ফেলে আসব জঞ্জাল। আমাদের বাড়ি পরিষ্কার থাকলেই হল।
    ফলে শহরের প্রায় প্রতিটা রাস্তার এমাথায় ওমাথায় দিনে দিনে বেড়ে উঠতে থাকে জঞ্জালের পাহাড়। ফুটপাথের উপর, গাছের নীচে, খোলা জমি সর্বত্রই রোজ গজিয়ে উঠতে থাকে নতুন নতুন পাহাড়। আবর্জনার পাহাড়। কোনো এক জন লোকের প্লাস্টিকের ব্যাগ ফেলার অপেক্ষা। একজন ফেললেই আরেকজন ফেলবে সেখানে, তারপর আরেকজন, তারপর আরেকজন, এইভাবে অনেকজন, ব্যাস নতুন পাহাড় রেডি।

    এইরকম অবস্থার বিবরণ দিয়েই এই তইয়ের শুরু, পাতা উল্তে পড়ে নিন যখন এই টই শুরু হয়েছিল তখন শহরের হালটা কীরকম ছিল।
  • byaang | 132.166.186.24 | ১৮ ডিসেম্বর ২০১৩ ২৩:৪৬547899
  • শহর যখন কানায় কানায় টইটম্বুর শুধুই জঞ্জালে, তখন পাড়ায় পাড়ায় তৈরি হতে থাকে টাস্ক ফোর্স। এক-দুইজন করে লোক এগিয়ে আসে, তারা বলে না, না, কিছু একটা করতেই হবে। নয়তো মহামারী হবে। একজন,দুইজন, তিনজন, চারজন, লোক বাড়তে থাকে টাস্ক ফোর্সে। তারা কোমরে গামছা বেঁধে, নাকে রুমাল বেঁধে জঞ্জালের পাহাড় সরাতে নেমে পড়ে। সরাবে কোথায়? কোথায় যাবে কয়েক সপ্তাহের জঞ্জালের পাহাড়? বিবিএমপিতে ফোন যায়, ওহে ট্রাক পাঠাও, এইবারটির জন্য, পায়ে পড়ি তোমাদের, এই শেষবার, এরপর থেকে সেগ্রিগেটেড ওয়েস্টই পাবে।
    ট্রাক আসে, কিন্তু যারা ট্রাকের সাথে আসে, তারা বলে এক অদ্ভুত কথা। "আমরা হলাম বিবিএমপির কন্ট্রাকটর, বিবিএমপির এমপ্লয়ী নই। বিবিএমপি আমাদেরকে আউটসোর্স করে দিয়েছে। আমাদের টাকা দিলে আধ ঘন্টায় সাফ করে দেব এই পাহাড়। টাকা না পেলে একটি আলপিন-ও তুলব না।"
    তারা পাড়ার আয়তন দেখে, বাসিন্দাদের আয়ক্ষমতা দেখে ঠিক করে কোন পাড়া থেকে কত টাকা দিলে তারা জঞ্জালের পাহাড় সরাবে। বাসিন্দাদেরও কিচ্ছুটি করার থাকে না, টাকা গুণে দিয়ে পরিত্রাণ পাওয়া ছাড়া।
  • byaang | 132.166.186.24 | ১৯ ডিসেম্বর ২০১৩ ০০:০১547900
  • নিয়মমাফিক সবচেয়ে বেশি গচ্চা যায় অ্যাপার্টমেন্ট কমপ্লেক্সগুলোর। আমাদের পাড়ার একমাসের জঞ্জাল তুলতে দিতে হয়েছিল চুয়ান্নহাজার টাকা।
    এমন সময় নাগরিকদের সচেতনতা বাড়াতে বিবিএমপি আয়োজন করে এক অ্যাওয়ারনেস ড্রাইভের। বিভিন্ন স্কুলের বাচ্চাদের এনে তাদের জ্ঞান দিয়ে , আলোচনাসভা বসিয়ে, এলাহি কারবার। তো আমাদের পাড়ার, আর আমাদের পাড়ার কাছের এক পাড়ার ভলান্টিয়ারদের কমিউনিটি চ্যাম্পিয়নের খেতাব দিয়ে স্টল দিয়ে বসিয়ে দেওয়া হয় লোকজনকে সেগ্রিগেট করতে শেখানোর দায়িত্ব দিয়ে।
    শুধু যে আমরাই জ্ঞান দিই তা নয়, আমরা জ্ঞানও লাভ করি নানারকম ওয়েট ওয়েস্ট কনভার্টার (OWC) আর শ্রেডিং মেশিন দেখে। হিসেব করি আমাদের পাড়ার জন্য কত বড় ওডাব্লুসি লাগবে, তার জন্য কত খরচা হবে।
  • byaang | 132.166.186.24 | ১৯ ডিসেম্বর ২০১৩ ০০:১১547902
  • সেখানে লোকে এসে আমাদের পাড়ার গল্প শুনে-দেখে (ভিডিও আর পিপিটি) আমাদের তাদের পাড়ায় গিয়ে তাদের হাতেকলমে কাজ শিখিয়ে আসার নেমন্তন্ন করে যায়। আর আমরাও আকাশ-পাতালব্যাপী হাঁ করে সব নেমন্তন্নয় "হ্যাঁ" বলে যাই। কয়েকদিন বাদে সেইসব পাড়াগুলোয় গিয়ে তাদের বক্তৃতা দিয়ে , উপদেশ দিয়ে ধন্য করে আসি।
  • byaang | 132.166.186.24 | ১৯ ডিসেম্বর ২০১৩ ০০:৪২547903
  • যাগ্গে পুরনো কথায় ফিরে আসি। আমরা নেমন্তন্নগুলো পাচ্ছিলাম কেন, সেটাই বলা হয় নি।
    সেটাই এবার বলি।
    সেই চুয়ান্নহাজার টাকা গচ্চা দিয়ে আমরা নাক মললাম, কান মললাম। ঠিক করলাম, সেগ্রিগেটেড ওয়েস্টই দেব বিবিএমপিকে, তাহলেই বিনা পয়সায় নিয়ে যাবে। সেগ্রিগেট না করলে তো এই জঞ্জালমাফিয়াদের এরকম গাঁট্গচ্চা দিতে হবে। তার থেকে সেগ্রিগেট করা ঢের ঢের সহজ।
    তো এই "সেগ্রিগেট করা ঢের ঢের সহজ" কথাটা ভাবল কারা, না কয়েকজন মহিলা। কোন মহিলারা? কেন, সেই যে বলেছিলাম চল্লিশজন দজ্জাল মহিলার কথা! সেই তাদের মধ্যে কয়েকজন। অ্যাসোসিয়েশনের কত্তারাও ভারি খুশি। মেয়েগুলো যদি সত্যিই করতে পারে "০% মিকস্ড ওয়েস্ট" নাথিং লাইক ইট, আমাদের অন্তত জঞ্জালমাফিয়াদের টাকা গুণে দিতে হয় না।"

    পাড়ার দজ্জালেরা এক হয়, আবার তারা মিটিংয়ে বসে, ঠিক হয় তারা প্রতিটা ফ্ল্যাটে গিয়ে ডোর টু ডোর ক্যাম্পেন করবে, পোস্টার বানাবে, আর হ্যাঁ নতুন ডাস্টবিন-ও বসাবে স্যানিটারি ওয়েস্টের জন্য। এই এসডাব্লুএম(সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট) গ্রুপ হবে সেল্ফ সাফিশিয়েন্ট। গ্রুপের নানাধরণের কাজের জন্য যা কিছু খরচা, সেটা জোগাড় করা হবে রিসাইক্লেবল ড্রাই ওয়েস্ট বিক্রি করে।

    রিসাইক্লেবল ড্রাই ওয়েস্ট কীভাবে বিক্রি করা হবে? না, পাড়ার লোকদের বলা হবে এক হপ্তা ধরে বাজে কাগজ, প্লাস্টিক ব্যাগ, কাঁচের বোতল, প্লাস্টিক বোতল, মেটাল ক্যান জমিয়ে রাখবে। শনিবার সকাল এগারোটার মধ্যে সেগুলো প্লাস্টিক ব্যাগে নিয়ে নামিয়ে আসবে তোমার ব্লকের কালেক্শন পয়েন্টে। সেখানে তোমার ব্লকের ৩-৪জন ভলান্টিয়ার দাঁড়িয়ে থাকবে। তারা নিজের ব্লকের বিভিন্ন ড্রাই ওয়েস্ট হাতে করে সেগ্রিগেট করে, ওজন করে আইটিসির পিকাপ ট্রাকে পাঠিয়ে দেবে আর এক্সেল শীটে ভরবে সেই ডেটা। এক্সেল ফাইল শেয়ার করা থাকবে ঐ ভলান্টিয়ারদের মধ্যে। ট্রাক সব ব্লকের শেষে যাবে সি ব্লকে। সেখানকার ভলান্টিয়াররা নিজেদের ব্লকের ডেটা ভরে টোটাল যত টাকা পাওনা হবে সেটা নিয়ে নেবে ট্রাক ড্রাইভারের থেকে। ঐ টাকা তারপর জমা পড়বে অ্যাসোসিয়েশনের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে। আর আমরা যখনই চাইব, অ্যাসোসিয়েশন আমাদের সেই টাকা দিতে বাধ্য থাকবে।

    পাড়ার লোকদের চার ধরণের সেগ্রিগেট করতে বলা হবে - কিচেন ওয়েট ওয়েস্ট, স্যানিটারি ওয়েস্ট, রিসাইক্লেবল ড্রাই ওয়েস্ট আর ননরিসাইক্লেবল ড্রাই ওয়েস্ট বা ইনার্ট্স।

    হই হই করে শুরু হয়ে গেল ডোর টু ডোর ক্যাম্পেন। ফ্লায়ার্স আর পোস্টার ছাপানোর খরচা কোনো কোনো ভলান্টিয়ার তাদের পকেট থেকেই দিল। প্রতিট বিল্ডিংয়ের প্রতিটা ফ্ল্যাটে গিয়ে তারা খুঁটিনাটি বোঝাতে লাগল কীভাবে কী আলাদা করতে হবে।

    কয়েকজন ইন্টারনেট, সিটিমার্কেট ইত্যাদি ছেনে ফেলতে লাগল সস্তায় আঠেরোটি দুশো চল্লিশ লিটারের বিনের কোটেশনের সন্ধানে।

    কয়েকজন দৌড়াতে লাগল সবচেয়ে কম খরচে কোন প্রিন্টার আড়াই হাজার ফ্লায়ার্স আর বাহাত্তরটি পোস্টার ছেপে দেবে তার খোঁজে।
  • Blank | 69.93.244.10 | ১৯ ডিসেম্বর ২০১৩ ০০:৫৩547904
  • তারপর?
  • pipi | 139.74.191.152 | ১৯ ডিসেম্বর ২০১৩ ০০:৫৭547906
  • তাপ্পর?
  • byaang | 132.166.186.24 | ১৯ ডিসেম্বর ২০১৩ ০০:৫৭547905
  • অবশেষে এক ডিস্ট্রিবিউটারের খোঁজ পাওয়া যায় যারা সবচেয়ে কম খরচে সবচেয়ে ভালো কোয়ালিটির বিনের কোটেশন দেয়। দুইজন দজ্জালতমা যায় গুদামে, কোয়ালিটি চেকিংয়ে। তাদের মনে ঘোর সন্দেহ, এত কম দামে যখন দেবে বলছে, নিশ্চয়ই কোয়ালিটি খারাপ, নির্ঘাত ভাঙা, নির্ঘাত ময়লালাগা, পুরনো, আর কাউকে বেচতে না পেরে আমাদেরকে বেচছে।

    নাঃ, সেখানে গিয়ে দেখা যায় তাদের সন্দেহর কোনো কারণ নেই। দিব্যি নতুন, ঝকঝকে, নিখুঁত শক্তপোক্ত বিন। শক্তপোক্ত? কেমন করে বোঝা যাবে শক্তপোক্ত কিনা? অতএব একজন ভলান্টিয়ার গিয়ে ঢোকেন বিনের ভেতরে, তাঁর ওজন কম করেও সত্তর কিলো। আর অন্য যিনি ভলান্টিয়ার তিনি যেহেতু পঞ্চাশ কিলোর আশেপাশে (যেসব স্টাফেরা ভর্তি বিন ঠেলে সেন্ট্রাল ডাম্পইয়ার্ডে নিয়ে যাবে, তারা বেজায় রোগা কিনা) তাই তিনি সত্তর কিলোর ভলান্টিয়ারকে বিনের ভেতর বসিয়ে গুদোমের এপ্রান্ত থেকে ওপ্রান্ত ঠেলতে থাকেন বিনের চাকা খসে পড়ে কিনা, বিনে ফাটল ধরে কিন এসব চেক করতে। অবাক হয়ে হাঁ করে তাকিয়ে থাকেন সেই গুদামের তিন-চারজন কর্মী। এমন কাস্টমার তারা জীবনে দেখেন নি কিনা যারা গাড়ি থেকে নেমে এসে সোজা বিনের ভেতরে বসে পড়েন!
  • byaang | 132.166.186.24 | ১৯ ডিসেম্বর ২০১৩ ০১:০৬547907
  • সব সন্দেহর নিরসন করে এবর ভলান্টিয়াররা নামেন বিনের দরদাম করতে। তাদের বক্তব্য অতি সরল। কোটেশন তো দিয়েছ আমাদের আকর্ষণ করতে। আমরা তো আকর্ষিত হয়ে এসেছি, কিন্তু আমাদের একটু তো দয়ামায়া করবে! কোটেশনের রেটই শেষ রেট হতে পরে নাকি? ও তো কাগজেকলমের হিসেব। এই তো আমাদের শেষ বিন কেনা নয়। আবার তো আমারা আসব আরো আঠেরোটা বিন কিনতে। এবারে ভরসা না দিলে পরের বারে আসি কী করে? আরো খানিকটা দাম কমিয়ে অর্ডার প্লেস করে তারা বাড়ি এসে দেখে পোস্টারও এসে গেছে, আড়াইহাজার ফ্লায়ার্সও।
    অম্নি চল্লিশমাথা এক হওন, অম্নি পরবর্তী কার্য্যাবলী নির্ধারণ। আগামী শনিবার থেকেই শুরু হবে উইকলি ড্রাইওয়েস্ট কালেক্শন।

    আজ,কাল,পরশু - বুধ,বৃহ, শুক্রর মধ্যে প্রতিটি ফ্ল্যাটে ডোর টু ডোর ক্যাম্পেন এবং ফ্লায়ারস বিতরণ শেষ করেই শনিবার থেকে মাভৈঃ।
  • Arpan | 190.215.76.175 | ১৯ ডিসেম্বর ২০১৩ ০১:১৬547908
  • এই লেখাটা ভালো হচ্ছে।

    ব্যাংয়ের কাছে সিরিয়াস কিছু জিনিস জানার আছে এসব ব্যপারে - অফলাইন কথা বলে নেবো।
  • byaang | 132.166.186.24 | ১৯ ডিসেম্বর ২০১৩ ০১:৪৭547909
  • ডোর টু ডোর ক্যাম্পেন এর ফেজটি মোটামুটি শান্তিপূর্ণভাবেই শেষ হয়, রাত সাড়ে নটার সময়ে ঘরের দরজায় তিনজন মহিলা দাঁড়িয়ে থাকলে, কারই বা তাদের না বলার সাহস হয়!

    শনিবার সকাল থেকে সাজ সাজ রব। প্রতিটি ব্লকেরই ভলান্টিয়াররা হাতে গ্লাভসটাভস পরে সাত আটটা করে কম্পোস্টেবল স্যাক নিয়ে রেডি হয়ে দাঁড়িয়ে আছেন নিজের নিজের ব্লকের কালেক্শন পয়েন্টে। প্রতিটি ব্লকেই ৩-৪জন করে মহিলা দাঁড়িয়ে আছেন সকাল ছটা থেকে। কয়েকজন ভলান্টিয়ার আবার এ ব্লক ও ব্লক টহলদারি করে বেড়াচ্ছেন, কোনো ভলান্টিয়ার কাজে ফাঁকি দিচ্ছে কিনা তা দেখতে। কোথাও কোনোরকম বেগড়বাঁই দেখলেই গ্রুপ লিডারকে ফোন করে নালিশ করে দিচ্ছেন। ফলে টহলদারি গ্রুপকে নিজের ব্লকের দিকে আসতে দেখলেই কোনো কোনো ভলান্টিয়ার হিংস্র হয়ে উঠছেন, "রজনী, কী ব্যাপার! আমাদের ব্লক আমরা কীভাবে সামলাব, আমরাই বুঝে নেব, তুমি নিজের ব্লক অন্যের ঘাড়ে চাপিয়ে আমাদের উপর ছড়ি ঘোরানোর চেষ্টা কোরো না।"

    ভলান্টিয়াররা তাদের পাশ দিয়ে যেই যাচ্ছে, তাকেই বলছে, "ও মশাই, গত কয়েক্দিনের ড্রাই ওয়েস্ট আগে আমাদের দিয়ে যান, তারপর মর্ণিংওয়াকে যাবেন। নাগাম্ম কত নম্বরে কাজে যাচ্ছ? তোমার ম্যাডামের থেকে ব্যাগ নিয়ে এসে এক্ষুনি আমাদের দাও, তারপর কাজ শুরু কোরো ম্যাডামের বাড়ি! আরে মধুরা, শনিবারেও অফিস? এই প্লিজ একবার চট করে উপরে উঠে গিয়ে তোমার ড্রাই ওয়েস্টের ব্যাগটা নিয়ে এস, প্লিজ, প্লিজ ,প্লিজ!"

    যেই কেউ ড্রাই ওয়েস্ট নিয়ে আসছেন, অম্নি মহা উৎসাহে তার হাত থে ব্যাগ নিয়ে ভিতরের জিনিস আরো সেগ্রিগেট করে ফেলছে ভলান্টিয়াররা। কাঁচের বোতলের বস্তায় কাঁচের বোতল ঢোকাচ্ছে, কার্টনের বস্তায় কার্টন, পেট বোতলের বস্তায় পেট বোতল, ননপেট বোতলের বস্তায় হারপিকের বোতল, শ্যাম্পুর বোতল, সাফোলার বোতল চটপট তারা ঢুকিয়ে ফেলছে। যাদের রাহুকেতু লগ্নে জন্ম তারা কেউ কেউ প্লাস্টিকের ব্যাগে হাত ঢুকিয়ে ব্যবহৃত স্যানিটারি ন্যাপকিন-ও পাচ্ছে আর ওয়াক তুলছে।
  • byaang | 132.166.186.24 | ১৯ ডিসেম্বর ২০১৩ ০১:৫০547910
  • ঘুম পেয়ে গেছে, প্রচুর টাইপো হচ্ছে, আবার পরে লিখব। এম্নিও লিখে লাভ নাই এসব ঘেন্নার কথা।
  • এসি | 41.54.180.68 | ১৯ ডিসেম্বর ২০১৩ ০৩:১৮547911
  • লিখুন ব্যাং। এমন ঝরঝরে লেখা পড়তে ভারী ভাললাগছে । আর বিষয়টাও অন্যরকম। ইনফ্যাক্ট, UK তে এই ব্যবস্থা রীতিমতো চালু। আমরা এতদিন ভাবতুম কেন এত ভজঘট জঞ্জাল ব্যবস্থা এদেশে। আপনার লেখা পড়ে এখন মালুম হচ্ছে পিছনের প্রেক্ষাপট।
  • Abhyu | 109.172.118.125 | ১৯ জানুয়ারি ২০১৪ ১০:১২547913
  • বিনের ভিতরে ঢোকা ভলান্টিয়ারটিকে কি আমরা চিনি?

    ভালো লেখা। লিখতে থাকো।
  • Abhyu | 85.137.0.58 | ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১১:২৫547914
  • তুলে দিলাম।
  • byaang | 132.172.244.174 | ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৭:০৫547915
  • একটুখানি পিছিয়ে যাই, এই ডোর টু ডোর ক্যাম্পেনে আমরা কেমন সাড়া পেয়েছিলাম, তার একটা নমুনা দেওয়া যাক এখানে। (আজ পুরোনো মেলবক্স ঘাঁটছিলাম) ভলান্টিয়ারগ্রুপের সেই সময়ের একটা ইমেল তুলে দিলাম নীচে।

    Dear All,

    Shana and I talked to ITC new in-charge and they are Ok with Saturday's (June 16th) dry waste collection drive. So we can go ahead and inform the residents.

    ITC folks would like to meet us on Wednesday at 11:15 AM to discuss the logistic details for the drive and see our collection points as well. We will send emails to the various groups and put notices about the dry waste collection day/time after this meeting.

    Bags- The earliest we can get the ITC bags would be Monday (June 11th). If you know how many bags you want for your block, do email me else I am ordering 200 bags - 150 regular and 50 Jumbo ( do note, Jumbo's come without the handles).

    Meeting minutes will be sent soon.

    Thanks!

    Meeting-June8th.docx

    Meeting on June 8th

    The representatives of these blocks were not present – B2, B6, B5, D1, D2.

    Interested residents from each block:

    B1 ----- 37 Yes (Out of 80)

    B2 ----- 30 Yes, 9 more floors to be covered (Out of 120)

    B3 ---- 45 Yes (Out of 80)

    B4 ---- 32 Yes(7 more floors to go) (Out of 160)

    B5---- 50 Yes (more floors to go) (Out of 160)

    B6 ---- 55 Yes (Out of 120)

    B7 ---- 75% residents interested. (Out of 80 apartments)

    B8 ----- 35 Yes (Out of 160)

    B9 ---- 43 Yes (Out of 80)

    B10 -----54 Yes (Out of 120)

    C1 ---- 75 Yes (Out of 160)

    C2 --- 60 yes (Out of 160)

    D1 ---- 48 Yes (Out of 96)

    D2---- 40 Yes (2 more floors to go) (Out of 96)

    D3 ---- 55 Yes (Out of 96)

    Total interested residents ---- 664 ( not incl B7 and C3)

    Approx. total --- 750

    The general feeling was that not everyone will implement it. So even if 250 residents bring their dry waste down for collection, we can achieve the first time target of 100 Kgs, which would be a good start.

    The major concern of the residents who wanted to segregate was - How to store the dry waste for 2 weeks?

    It was decided that for the first month, we will do weekly collection starting from June 16th (Saturday). ITC has agreed to come on 16th for the collection.

    The process that will be followed:

    1) Each cluster volunteer will decide the exact collection point on their G floor. They will bring a bin/bag to the collection point for keeping the glass material.

    2) The cluster volunteers will decide - themselves who will be responsible for a particular collection day duty. They will maintain a log book for their cluster to note the weight etc.

    3) ITC van will visit the B1-B3 cluster first and moving in counter-clockwise direction end with C cluster. Each cluster will have the following time window for the residents to come and drop off their dry waste.

    6:30 AM---10 AM ----- B1, B2, B3

    6:30AM ---10:30 AM ------ B4, B5, B6

    6:30AM – 11:00AM ----- B7, B8, B9

    7 AM to --11:30 AM ------ B10

    7 AM to 12:00 PM----- D1, D2, D3

    7 AM to 12:30 AM ----- C1, C2, C3

    4) Money will be handed to Sangita of C2.

    Since it will be our first collection, let us see how it goes and learn from it to further fine tune our process.

    Things to be done before June 16th :

    1) Get the count of ITC bags needed per block.---Bags will come only by Monday/Tuesday.

    2) Bins for glass collection -- Blue colored wide plastic bins are available at Club house. Interested volunteers can take these bins to hold the glass material on the
    collection day. A couple of volunteers want to use the Jumbo bag.

    3) Get the flyer and notice ready. ---This will happen after our meeting on Wednesday.

    4) Meet ITC on Wednesday (June 13th) to go over the logistics of collection day (June 16th)--- Meeting scheduled .

    5) Talk to the interested residents and inform them about the collection day and timings.

    --- Block volunteers to convey the information.

    Thanks
  • byaang | 132.172.244.174 | ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৭:৩৬547916
  • কাজে নেমে পড়ার আগে আমাদের প্রস্তুতি কেমন ছিল, উপরের ইমেল থেকে তার একটা আন্দাজ পাওয়া গেল আশা করি।

    যই হোক, সেই শনিবার আমাদের সবার আশায় ছাই ঢেলে আইটিসির ট্রাক আসে দুপুর দেড়টার সময়। সব ব্লক ঘুরে তারা যখন সি ব্লকে পৌঁছায় তখন ঘড়ির কাঁটা সন্ধ্যে ৬টা ছুঁয়েছে। সি ব্লকের ভলান্টিয়াররা সকাল সাড়ে ছটা থেকে সন্ধ্যে সাড়ে ছটা অব্দি সেই জায়গাতেই দাঁড়িয়ে ছিল, একবারের জন্যও তারা বাড়ি যায় নি, খায় নি বা বাড়ির লোকদের খেতে দেয় নি। আর তাদেরকে মনোবল জোগাতে অন্যান্য ব্লকের কিছু কিছু ভলান্টিয়াররাও তাদের সঙ্গে দাঁড়িয়ে থাকে সারাদিন।

    সেদিনের শেষে সব ব্লক মিলিয়ে তাদের সংগ্রহ ছিল,
    কার্টন আর কাগজ ঃ ৫১৪কেজি
    প্লাস্টিক র‌্যাপার আর প্লাস্টিক বোতল, মেটাল ক্যান ঃ ৫৮কেজি
    কাঁচের বোতল ঃ ৫৫কেজি
    সব শুদ্ধু ৬২৭ কেজি।

    প্রথম দিনের তুলনায় মন্দ কি? কিন্তু সব ভালো হয়েও তাদের শেষটা ভালো হল না। আইটিসির ট্রাক নিয়ে যে কন্ট্রাক্টর এসেছিল সে আমাদের যে দর ঠিক হয়েছিল বিভিন্ন ধরণের জিনিসের অন্য সেই দর দিতে রাজি হয় না। সে কার্টন আর কাগজের জন্য দেয় প্রতি কেজি দুটাকা , প্লাস্টিক বোতল, মেটাল ক্যান, দুধের প্যাকেট, প্লাস্টিক র‌্যাপার ইত্যাদির জন্য প্রতি কেজি পঞ্চাশ পয়সা আর কাঁচের বোতলের জন্যও প্রতি কেজি পঞ্চাশ পয়সা। ফলে প্রথম সপ্তাহে আমরা সব মিলিয়ে এগারোশোমতন টাকা পাই সারাদিন ধরে সময় দিয়ে।
  • byaang | 132.172.244.174 | ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৭:৪৬547917
  • *আইটিসির ট্রাক নিয়ে যে কন্ট্রাক্টর এসেছিল, আমাদের আইটিসির সঙ্গে আগের মিটিংয়ে যে দর ঠিক হয়েছিল বিভিন্ন ধরণের জিনিসের জন্য,এই কন্ট্রাক্টর সেই দর দিতে রাজি হয় না।
  • byaang | 132.167.88.110 | ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৯:০৪547918
  • কাজে নামার আগে যেখানে আমাদের টার্গেট ছিল একশো কেজি প্রথম সপ্তাহে, সেখানে আমরা ছশো কেজির উপরে যেতে পেরেছি। বেশ আশাব্যঞ্জক। কিন্তু সত্যিই কি আশাব্যঞ্জক? কয়েকজনের মনে হতে থাকে, ওজন সম্পর্কে আমাদের কোনো আন্দাজই নেই। রেসিডেন্টদের ৩৫% - ৪০% সাড়া দিলে যদি এক সপ্তাহে ড্রাই ওয়েস্ট ছশো কেজি পাওয়া দেয়, ২০০০ফ্ল্যাটই যোগ দিলে সাপ্তাহিক সংগ্রহ তাহলে অনায়াসে দুই টনের উপরে যাবে!
    দুই টন!! মাগো দুই টন!! শুধু দুইহাজার পরিবার যদি এক সপ্তাহে এই পরিমাণ রিসাইক্লেবল ওয়েস্ট জমে যাওয়ার মত কনজিউম করতে পারে, তাহলে সেটা কী ধরণের জীবনযাত্রা!! পৃথিবীর বুকে এ কি বোঝা আমরা জমিয়ে চলেছি, তাহলে কি ওয়াল-ই সিনেমাটাই সত্যি হবে?
  • byaang | 132.167.88.110 | ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৯:২০547919
  • শিউরে ওঠে ভলান্টিয়াররা। তারা ঠিক করে আরো কয়েক সপ্তাহ দেখা হোক কালেক্শনের পরিমাণটা, আর ইতিমধ্যে নতুন ক্যাম্পেন শুরু করা হোক রেসিডেন্টদের কনজাম্প্শন কম করার অনুরোধ জানিয়ে।
    ভলান্টিয়ারদের মধ্যে যারা পোড় খাওয়া, তারা বলে, ভুলেও ও পথে হেঁটো না। ব্যাকল্যাশের চোটে আর উঠে দাঁড়াতে পারবে না। তার চেয়ে বরং এই ভালো, তারা যা জমাচ্ছে সারা সপ্তাহ ধরে আমরা তো তা শেষ অব্দি রিসাইক্লিংয়ের জন্য পাঠাচ্ছি। ভুলেও রেসিডেন্টদের জীবনযাত্রা ধরণ পাল্টাতে বোলো না।
    কেন বলব না? আমরা যদি এতটা সময় দিতে পারি, আমরাও তো এই কমিউনিটির-ই অংশ, আমরা যদি পারি, তাহলে তারাই বা কেন একটুও সচেতন হয়ে উঠতে পরে না।
    ব্যাস, আবার দুই দল, আবার দুই দলে ঝগড়া! অবশেষে আবার ঠিক হয় ড্রাই ওয়েস্ট কালেকশনের জন্য আবার ডোর টু ডোর ক্যামপেন করা হবে, কারণ এখনও দুইহাজার পরিবারের সমর্থন আমরা পাই নি, আর নানা রকম ইভেন্ট করে রেসিডেন্টদের অপচয়্স্বভাব সম্পর্কে ধারণা দেওয়া চলবে। আর ডোর টু ডোর করার সময়ও তাদের বলা হবে, কী অসম্ভব ক্ষতি করছে তারা, নিজেদের এবং পরবর্তী প্রজন্মের।
  • byaang | 132.167.88.110 | ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ২০:১২547920
  • দ্বিতীয় সপ্তাহে সংখ্যাটা বদলে হয় ৬৬৭ কেজি। কিন্তু তার পরের সপ্তাহে এক ধাক্কায় অনেকটা কমে গিয়ে হয়ে যায় ৪৫৭ কেজি। তার পরের সপ্তাহে আবার বেড়ে গিয়ে হয় ৫৫৬কেজি। সব মিলিয়ে চারসপ্তাহে চারহাজারটাকা রোজগার। কিন্তু ভলান্টিয়ারদের একটু ঘেঁটে যায়। সংগ্রহের পরিমানটা এমন অদ্ভুতভাবে ভ্যারি করতে থাকে, যে তাদের পক্ষে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব হয় না।
  • সিকি | ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ২১:২৩547921
  • পড়ে চলেছি।
  • byaang | 132.167.88.110 | ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ২১:৩৫547922
  • থ্যাংকু, পড়ার জন্য, কিন্তু আমার হেব্বি বোর লাগছে। ঃ(
  • byaang | 132.167.88.110 | ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ২১:৩৬547924
  • আর লিখতে ইচ্ছে করছে না।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। হাত মক্সো করতে মতামত দিন