ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • অথ বুনো মোষ তাড়ানোর কথা

    π
    অন্যান্য | ১৫ জুন ২০১২ | ২৩৮৮ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • π | 147.187.241.4 | ১৫ জুন ২০১২ ০৮:৩০547767
  • name: ব্যাং mail: country:

    IP Address : 132.178.255.182 (*) Date:14 Jun 2012 -- 08:39 PM

    আসি এবার বনের মোষ তাড়ানোর কথায়। আজকে দুপুরের পোস্টগুলো পড়ে কেন জানি না মনে হচ্ছে উপার্জনক্ষম কাজ এবং বনের মোষ তাড়ানোর কাজ এই দুটোর মধ্যে বিস্তর ফারাক। অন্যের উপর নির্ভরশীল হয়ে বনের মোষ তাড়ানো তো নৈব নৈব চ, এরকম একটা ধারণা হল দুপুরের পোস্টগুলো পড়ে।

    তো আমি একদম খুব কাছ থেকে দেখা আমার কিছু বন্ধুর কথা লিখি। ঘটনাচক্রে এরা সবাই মেয়ে। কুমুদি, তুমি তো ঐ ওয়েস্ট ম্যানেজেমেন্টের কাজ বা বাড়ির কাজ করতে আসা মেয়েদের বাচ্চাদের জন্য ক্রেশ এগুলো শুনে খুব উৎসাহিত হয়েছিলে, তাই তোমার সঙ্গেই শেয়ার করি এদের কথা। কিকির সঙ্গেও। তবে নিজের কথা দিয়ে শুরু করি।

    আটবছর আগে যখন এক বছরের ছেলেকে নিয়ে ব্যাঙ্গালোরে এসেছিলাম, তখন আমিও ভাবতাম নিজের যোগ্যতা অনুযায়ী একটা চাকরি না করতে পারলে জীবন বৃথা। জুটলও কিছু চাকরি নিজের যোগ্যতা আর অভিজ্ঞতার উপযুক্ত চাকরিই সেগুলো ছিল। কিন্তু কোনোটাতেই লেগে থাকতে পারলাম না নানা ব্যক্তিগত কারণে। ডুবেই যাচ্ছিলাম বিষাদের অতলে। নিজের পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে তো যোগাযোগ ছিলই, যখনি জানতাম তারা খুব করে কাজ করছে, কারুর একটা হাইক হয়েছে অথবা প্রোমোশন, হিংসে-আপশোসে জ্বলেপুড়ে মরতাম। আস্তে আস্তে নতুন জায়গায় নতুন কিছু বন্ধু হল আশ্পাশের বিল্ডিংগুলো থেকে। এক সময়ে দেখলাম এরাও বেশির ভাগই আমার মতন। একসময়ে চাক্রি করত এখন করে না। কেউ কেউ বাধ্য হয়ে করে না, আর কেউ কেউ নিজের চয়েজে করে না। প্রত্যেকেই অত্যন্ত উচ্চশিক্ষিত। কেউ হয়তো ইঞ্জিনীয়রিং কলেজে পড়াত, কেউ হয়তো বিশ্ববিখ্যাত সফ্টওয়ার কোম্পানিতে খুব উঁচুপদে কাজ করত, কারুর হয়তো নিজেরই একটা আস্ত কোম্পানি ছিল কম করেও দুশোজন ম্যানপাওয়ারওয়ালা কোম্পানি। আর এরা সবাই কোনো না কোনো কারণে লম্বা ব্রেক নিয়েছে ইচ্ছে এবং অনিচ্ছেয়ে। স্বীকার করতেই হবে এদের সবারই আগের কর্মজীবনের সেভিংস ভালৈ ছিল, (এদের বররাও মোটামুটি ভালো চাক্রিই করে, সেটাও স্বীকার্য)। এরা আমাকে ধীরে ধীরে ভাবতে শেখায় চাকরি করে, মাইনের টাকা আনাতেই জীবনটা ফুরিয়ে যায় না। দিনের চব্বিশ ঘন্টা সময় আরো অনেকভাবে খরচা করা যায়।
    প্রথমেই বলি শানার কথা। আমারই সমবয়সী। কেরালার মেয়ে। ব্যাঙ্গালোরে এসে প্রথম যার সঙ্গে আলাপ হয়। ইঞ্জিনীয়ার, এমবিএও করেছে। ছেলে হওয়ার পরে কাজ ছেড়ে দিয়েছে। ছেলের খেয়াল রাখার জন্য। ঐ আমাকে প্রথম ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্টের ইনিশিয়াল কাজকর্মে টেনে আনে। আমি আমার লম্বা ব্রেকের পরে যখন আবার কাজ করতে শুরু করি, ও-ও তখন বিভিন্ন জয়গায় আবার নতুন করে অ্যাপ্লাই করতে শুরু করে। এখানকার এক বিখ্যাত কলেজে পড়ানোর চাকরিও পেয়ে যায়। কিন্তু কয়েকমাস পরে খুব সচেতনভাবে সে কাজ ছেড়ে দেয়। ছেড়ে দিয়ে এসে আমাকে প্রথম ফোনটা করে জিজ্ঞেস করেছিল "অন্যের জন্য কাজ করে আনন্দ পাচ্ছ? নিজের জন্য কাজ করতে ইচ্ছে করে না? নিজের মতন থাকতে? দিনের সাত-আট্ঘন্টা সময়, সবচেয়ে দামী সময় কেন অন্যের ইচ্ছেয় বাঁচবে?" বুঝতে পারি বাঁধাধরার কাজ ওর আর ভাল্লাগছে না। এবার ও শুরু করে কাজের মেয়েদের বাচ্চাদের জন্য ক্রেশ। ওরই মতন আরো কিছু মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে। রাতদিন পরিশ্রম করত। ক্রেশটাকে দাঁড় করানোর জন্য ব্যাঙাচির সমবয়সী ছেলেকে স্কুল ছাড়িয়ে প্রায় একবছরের জন্য নিজের মায়ের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছিল কেরালায়, যেহেতু ও ছেলের যত্ন নিতে পারছিল না। অথচ বিনা মাইনের কাজের জন্য কেউ এমন একটা বিরাট সিদ্ধান্ত নেয় না, ছেলেকে স্কুল ছাড়িয়ে অন্য শহরে নিজের মায়ের কাছে পাঠিয়ে দেওয়ার মতন। সাধারণত আমি এর আগে মেয়েদেরকে এইধরণের সিদ্ধান্ত নিতে দেখেছি চাকরিতে উন্নতির জন্য। ওকে একদিন জিজ্ঞেস করেছিলাম "আবার নতুন করে চাকরিতে জয়েন করতে ইচ্ছে করে না? একটা কথা বল, এই যে তুমি এত কাজ করছ, রোজ দুইহাজার ফ্ল্যাটে ফ্ল্যাটে ঘুরছ যাতে তারা নিজেদের গারবেজ ব্যাগ নিজেরা বয়ে নিয়ে যায় এটা বলার জন্য! অথবা প্রায় সাড়ে পাঁচশো কাজের মেয়েদের সঙ্গে নিয়মিত মিটিং করছ, তারা তাদের বাচ্চাদের জন্য কীরকম ব্যবস্থা চায় সেটা বুঝতে! এইসবই তো করতে পারছ, গোকুল (ওর বর) তোমার নিজের পরিবারটাকে চালানোর জন্য যথেষ্ট উপার্জন করছে, সেই জন্যই তো?" ও নির্দ্বিধায় বলেছিল, "হ্যাঁ আমার বর চাকরি করছে বলেই আমি যে কাজটা করতে চাই , সেটা করতে পারছি। কিন্তু যদি আমার বরও কোনোদিন চায় নিজের ইচ্ছেমতন কাজে সময় দিয়ে কয়েক বছর বিনা উপার্জনে থাকতে। তখন কিন্তু আমি আবার নতুন করে চাকরি জয়েন করতে পিছপা হব না। আর এই যে এই ছয়-সাত বছরে এতগুলো অন্যরকমের কাজ করলাম নিজের দায়িত্বে, শূন্য থেকে শুরু করে সবকিছু দাঁড় করালাম এটা আমার সিভিটাকে অন্যরকমভাবে সমৃদ্ধ করছে, সেটা কী খেয়াল করছ?" সেদিন হেসে ফেলেছিলাম ওর কথায়।

    এবার আসি ঊষার কথায়। ঊষাকে আমি আগে চিনতাম না। আমাদের হাউসিং কমপ্লেক্সের একটা ইমেল্গ্রুপ আছে সেখানে দেখতাম নিয়মিত মেল করত ঊষা রাজাগোপালন বলে একজন, একটা লেক বাঁচানোর আর্জি নিয়ে। আমি আমার আঠেরোতলার বারান্দায় দাঁড়িয়ে চারিদিকে তাকিয়ে কোথাও কোনো লেক খুঁজে পেতাম না। আর ভাব্তাম কী অশ্চর্য্য এই মহিলা রে বাবা! কোথাও কোনো লেকের নামগন্ধ নেই, পুরোটাই ডাঙা, অথচ কীভাবে লোকজনকে তাতাচ্ছে , সাহায্য চাইছে! কতরকমের যে লোক ঠকানোর ফিকির হয়! একদিন অন্য এক বন্ধুকে যে আমার থেকেও পুরনো বাসিন্দা এই পাড়ার, তাকে বলেই ফেললাম নিজের সন্দেহর কথা। "কোথাও তো কোনো লেক দেখি না রে, কোন লেক বাঁচানোর কথা বলছেই এই মহিলা?" সে আমাকে আমারই বারান্দা থেকে আমাদের পাড়ার ঠিক পাশেই যে জায়গাটা দেখাল, সেতা আমি ভাবতাম বর্ষার জমা জল, বেরোনোর জায়গা পায় না। সেটাকে লেক বলে চালানোর চেষ্টায় সেদিন যেমনি অবাক হয়েছিলাম, সেইরকম হেসেছিলাম। লিংক দিলাম সেই লেকের বিবর্তনের http://www.puttenahallilake.in/home
    উষা এই লেকটাকে বাঁচানোর জন্য কী কী করে এই হল তার লিংক http://bangalore.citizenmatters.in/articles/author/1712-usha-rajagopal
    an
    আর এই হল উষার অন্য এক পরিচয়ের লিংক http://saritharao.blogspot.in/2006/01/meri-amrita-interview-with-usha.
    html ধীরে ধীরে যখন ঊষার সঙ্গে আলাপ বাড়ে অবাক হয়ে শুনি তার অসম্ভব সমৃদ্ধ বিচিত্র কর্মজীবনের কথা। কী অসম্ভব ব্যস্ততার মধ্যে নিজের মেয়েকে বড় করেছে, চাকরি করেছে। আর এখন এমন কিছু করতে চায় যা শুধু নিজের বা নিজের মেয়ের জন্য নয়, সবার জন্য। আশপাশের বেশ কিছু অনাথ আশ্রমেও নিয়মিত নিজের শ্রম দেয়, বাচ্চাগুলোর মুখে হাসি দেখার জন্য। লোকের কাছে পুরনো সাইকেল চায় লেকের সিকিউরিটিগার্ডের জন্য, যাতে লেকের একপ্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে টহল দিতে সুবিধে হয় তার। আমাদেরকে বারবার করে অনুরোধ করে এই লেককে এসেমেস প্রতিযোগিতায় জিতিয়ে দিতে। জিতিয়ে দিলে যে কটিহাজার টাকা পাওয়া যাবে সেই টাকায় আরো একটু অন্যরকম কাজ করা যাবে যে। আমাদের ঐ লেকটাকে নিয়ে, ঊষাকে নিয়ে ভারি গর্ব, দেশবিদেশের কত পাখি আসে আজকাল ঐ লেকে। আর ঐ পাখি দেখতে কত মানুষ এমনকি পক্ষীবিশারদরাও। আজ আর ঊষাকে একটুও সন্দেহ করি না। ভাগ্যিস ও দশটা-পাঁচটার চাকরি করে না, আর ওর বরও রিটায়ার করেছেন। তাই লোকের কাছে হাত পাততে ঊষার একটুও লজ্জা হয় না। আর আমিও ঊষার থেকে নির্লজ্জতার পাঠ নিই। নিলে যে নিজের ইচ্ছেমতন কাজ করা যায়।
  • ব্যাং | 132.178.197.195 | ১৫ জুন ২০১২ ০৮:৫১547878
  • ইয়ে, ঊষার ইন্টারভিউয়ের লিংট চটকানো। তাই আবার করে দিয়ে দিলাম।

    http://saritharao.blogspot.in/2006/01/meri-amrita-interview-with-usha.html

    আর অনেক থ্যাংকু এটাকে টইয়ে তোলার জন্য। তবে তার মানে কী এই যে এদেরকে নিয়ে লিখতে হলে এবার থেকে এখানেই লিখতে হাবে, ভাটে লেখা যাবে না? ঃ-(
  • কল্লোল | 129.226.79.139 | ১৫ জুন ২০১২ ০৯:১৭547971
  • ব্যাঙ রে।
    তোর লেখাটা পরে প্রতুলদার একটা গানের কথা মনে পরে গেলো, "স্লোগান'। হয়তো নেটে আছে, খুঁজে পেতে শুনে নিস। তাতে একটা লাইন আছে - মোষ তাড়ানো সহজ নাকি / মোষের শিংএ মৃত্যু বাঁধা........
    সেই কেরালার মেয়ে (নাম নেই তোর লেখায়) আর ঊষাকে আমার শুভেচ্ছা জানাস।
    তবে একটা কথাও ঠিক ওদের বরেদের জন্য কোন হাততালিই যথেষ্ঠ নয়। আজকের দিনে ভালো উপার্জনক্ষম বৌকে বুনো মোষের পিছনে ছোটার সাপোর্ট দিচ্ছেন, ক্যাবাৎ।
  • ব্যাং | 132.178.197.195 | ১৫ জুন ২০১২ ০৯:২১547982
  • কল্লোল্দা, কেরালার মেয়ের নাম আছে আমার লেখায়, আরেকবার পড়। ওর নাম শানা। একটু আগে শানাকে ফোন করেছিলাম, করে বল্কেছি ওর নিজের কথা, ও কীভাবে ওর গত দশ বছরের চিন্তাধারাটাকে দেখে, সেটা লিখে আমাকে মেল করে দিতে। মেল এসে গেলেই এখানে বাংলায় লিখে দেব। বা পুরো মেলটাও এখানে কপি/পেস্ট করে দিতে পারি যদি শানার আপত্তি না থাকে সেটা করায়। তবে ও খুব হাসছিল আমি ওকে নিয়ে লিখেছি আর হুচি আরো বেশি করে জানতে চেয়েছে শুনে। আর অবাক হয়ে বলল - এটা খুব সিম্পল। আমার এই ধরণের কাজ করতে বেশি ভালো লাগছে গতানুগতিক কাজের থেকে। এছাড়া এর পিছনে আর কোনো জটিল সাইকোলজি নেই।
  • কল্লোল | 129.226.79.139 | ১৫ জুন ২০১২ ০৯:২৫548004
  • হ্যাঁ হ্যাঁ, ছেড়ে গেছিলাম। শানা। নামটি বড় সুন্দর।
  • ব্যাং | 132.178.197.195 | ১৫ জুন ২০১২ ০৯:২৫547993
  • কল্লোলদা, প্রতুল মুখার্জ্জীর ঐ গানটা আমি খুব শুনেছি, ভীষণ প্রিয়। দাঁড়াও একটা লিং দিয়ে দিই গানটার।
  • ব্যাং | 132.178.197.195 | ১৫ জুন ২০১২ ০৯:৩১548015
  • আজ ইচ্ছে আছে আরো এক-দুইজনকে নিয়ে লেখার। কিন্তু এখন আর সময় নেই।
  • গান্ধী | 213.110.243.21 | ১৯ জুন ২০১২ ১৮:০৬548026
  • তুলে দিলাম
  • hu | 22.34.246.72 | ২২ জুন ২০১২ ০১:৩৩548037
  • ব্যাংদি কোথায়?
  • Nina | 22.149.39.84 | ২২ জুন ২০১২ ০১:৪৬547768
  • বাহ! ভারি ইন্টারেস্টিং রে ব্যাঙ--আরও শোনা
  • pi | 82.83.84.10 | ২৬ জুন ২০১২ ২১:২২547779
  • তুলে দিলাম।
  • Nina | 22.149.39.84 | ২৬ জুন ২০১২ ২১:২৬547790
  • ও ব্যাং কই গেলি---
    ঘ্যাঙর ঘ্যাং করবি কখন??
  • সিকি | 132.177.155.55 | ২৬ জুন ২০১২ ২১:৩৪547801
  • বসে আছি।
  • Tim | 208.82.21.151 | ২৬ জুন ২০১২ ২১:৩৭547812
  • বসে আছিস কেন, সর্ষে লেখ। :P
  • ব্যাং | 132.167.243.75 | ০৬ নভেম্বর ২০১২ ০৯:৪৮547823
  • তাক থেকে নামালাম। কয়েকজনের ঘ্যানঘ্যানানিতে এটা তাক থেকে নামাতে হল, কিন্তু আপাতত পোষা এবং বুনো দুই প্রকারেরই মোষ তাড়ানোতে এত সময় চলে যাচ্ছে যে খুবই খারাপ অবস্থা। তবু সময়্সুযোগ পেলেই এবং নতুন করে ল্যাদ না খেলে কয়েক লাইন লেখার ইচ্ছে রইল।
  • ব্যাং | 132.167.243.75 | ০৬ নভেম্বর ২০১২ ১০:০৬547834
  • এই মুহুর্তে কেউ যদি ব্যাঙ্গালোর শহরে আসেন অন্য কোনো জায়্গা থেকে, দেখবেন শহরের আনাচেকানাচে শুধু আবর্জনার স্তুপ। ফুটপাথগুলো পরিণত হয়েছে মাঝারি সাইজের ভ্যাটে। গাড়িতে করে বেপাড়ার লোক এসে ছুঁড়ে দিয়ে যাচ্ছে আবর্জনা ভর্তি প্লাস্টিকের ব্যাগ। স্তুপের সাইজ মাঝারি থেকে বড় হচ্ছে। কিন্তু স্তুপগুলো সরানোর জন্য কেউ নেই।
    শহরটার অবস্থার কথা লেখা হচ্ছে নিউইয়র্ক টাইমসে, কখনও বিবিসির ওয়েবসাইটে।

    http://www.nytimes.com/2012/10/27/world/asia/indias-plague-trash-drowns-bangalore-its-garden-city.html?_r=0

    http://www.bbc.co.uk/news/world-asia-india-20177078

    কখনো প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হুঙ্কার ছাড়ছেন জঞ্জালমুক্তি না ঘটলে কারুর গদি টিকতে দেবেন না বলে, কখনো হাইকোর্ট আচ্ছা করে কড়কে দিচ্ছে শহরবাসী চিন্তা করার ক্ষমতা হারিয়েছে বলে।

    (ছোট ছোট পোস্টে সময়সুযোগ মতন এই জঞ্জালপুরান লিখব, শহরটার জঞ্জালমুক্তি না ঘটা অব্দি।)
  • ব্যাং | 132.167.243.75 | ০৬ নভেম্বর ২০১২ ১০:১৪547845
  • শহরে ডেঙ্গি ছড়াচ্ছে হু হু করে। প্লেগ আসতেও খুব বেশি দেরি নেই এই অবস্থা চলতে থাকলে।

    রোজ খবরের কাগজ খুললেই শহরের ভীষণ অবস্থার কথা জানিয়ে কম করে দুই থেকে তিনটে আর্টিকল। এখানেওখানে তৈরি হচ্ছে সিটিজেনস অ্যাকশন ফোরাম। সবাই তিতিবিরক্ত।

    কিন্তু একদিনে তো এই অবস্থা তৈরি হয় নি। কীভাবে হল?
  • সায়ন | 170.83.96.83 | ০৬ নভেম্বর ২০১২ ১০:৩৪547856
  • বিবিএমপি'র মদতেই এটা হচ্ছে। কাল সকালে আপিস আসবার সময় মাইকো লে'আউটে (বিটিএম'এর প্যারাল্যাল) দেখলাম সার্ভিস রোডে একটা গোটা ডাম্পস্টার ট্রাক উজাড় করে জঞ্জাল রেখে গেছে। কাঁচ তোলাই ছিল। ফ্যানের সামান্য সার্কুলেশনে যে সুবাস ভেতরে ঢুকলো প্রায় বমি আসার জোগাড়।
  • ব্যাং | 132.167.243.75 | ০৬ নভেম্বর ২০১২ ১০:৩৭547879
  • একবছর আগে যারা লিখেছিল http://www.bbc.co.uk/news/world-asia-india-15956457 , তারা আজ লিখেছে http://www.bbc.co.uk/news/world-asia-india-20177078

    একবছর আগের লেখাটির শেষ প্যারাগ্রাফটি দেখা যাচ্ছে একটা ছোট্ট গ্রুপের নাম - The Ugly Indian অথবা কায়দা করে টিইউআই । এরা কারা কেউ জানে না। কিন্তু অ্যাদ্দিন আমাদের ভরসা ছিল যে এরা আছে, শুধু এই শহরটাতেই আছে। এই আগলি ইন্ডিয়ানদের নামধাম কেউ জানে না। ফেসবুকে এদের পেজ আছে, ইউটিউবে এদের অসংখ্য ভিডিও আছে। কেউ উৎসাহী হলে দেখতে পারেন, ভিডিও বা ছবিগুলো। মূলতঃ শহরের ইতিউতি নোংরা জায়্গাগুলো , (যেগুলো নোংরা থাকার দায় শুধ্মাত্র শহরবাসীরই) পরিষ্কার করে নাম্মাত্র খরচে জায়গাগুলোকে সুন্দর ভদ্র চেহারায় ফিরিয়ে দেওয়া ছিল এদের কাজ। এদের এই কাজ কেউ দেয় নি, এগুলো করার জন্য পয়্সাও পায় না এরা, বরং গ্যাঁট্গচ্চা দিয়ে নিজেরাই এরা স্পটফিক্সিং করত।
  • ব্যাং | 132.167.243.75 | ০৬ নভেম্বর ২০১২ ১০:৩৭547867
  • একবছর আগে যারা লিখেছিল http://www.bbc.co.uk/news/world-asia-india-15956457 , তারা আজ লিখেছে http://www.bbc.co.uk/news/world-asia-india-20177078

    একবছর আগের লেখাটির শেষ প্যারাগ্রাফটি দেখা যাচ্ছে একটা ছোট্ট গ্রুপের নাম - The Ugly Indian অথবা কায়দা করে টিইউআই । এরা কারা কেউ জানে না। কিন্তু অ্যাদ্দিন আমাদের ভরসা ছিল যে এরা আছে, শুধু এই শহরটাতেই আছে। এই আগলি ইন্ডিয়ানদের নামধাম কেউ জানে না। ফেসবুকে এদের পেজ আছে, ইউটিউবে এদের অসংখ্য ভিডিও আছে। কেউ উৎসাহী হলে দেখতে পারেন, ভিডিও বা ছবিগুলো। মূলতঃ শহরের ইতিউতি নোংরা জায়্গাগুলো , (যেগুলো নোংরা থাকার দায় শুধ্মাত্র শহরবাসীরই) পরিষ্কার করে নাম্মাত্র খরচে জায়গাগুলোকে সুন্দর ভদ্র চেহারায় ফিরিয়ে দেওয়া ছিল এদের কাজ। এদের এই কাজ কেউ দেয় নি, এগুলো করার জন্য পয়্সাও পায় না এরা, বরং গ্যাঁট্গচ্চা দিয়ে নিজেরাই এরা স্পটফিক্সিং করত।
  • ব্যাং | 132.167.93.117 | ০৬ নভেম্বর ২০১২ ১০:৪২547890
  • সায়ন, বিবিএমপির কথায় পরে আসছি। তাদের সাথে কাজ করার অভিজ্ণতার কথাও লিখছি একটু পরে। একা বিবিএমপির দোষও নয়।
  • সায়ন | 170.83.96.83 | ০৬ নভেম্বর ২০১২ ১০:৫২547901
  • অবশ্যই নয়। লোকজন না শুধরোলে কিচ্ছু হবে না। প্লাস্টিক আর নন-প্লাস্টিক গারবেজ আলাদা না করে, রেগুলার ট্র্যাশ থেকে ম্যানিওর বানানোর ইউনিট ম্যান্ডেটরি না করে (রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিংএর মত), সবার উপরে জানলা/বারান্দা থেকে বাড়ির আশেপাশে খালি জায়গা (অভাবে ফুটপাথ) তাক করে মুখ-খোলা ন্যাপি-ড্যাপি-ক্র্যাপিভত্তি ছোঁড়া বন্ধ না করলে কারুর বাবার সাধ্য নেই এই জঞ্জাল শহরে ডেঙ্গি/প্লেগ আটকায়।
  • ব্যাং | 132.167.243.75 | ০৬ নভেম্বর ২০১২ ১০:৫৬547912
  • দাঁড়া লিখছি লোকজনের কথাও।
  • pi | 127.194.6.154 | ০৬ নভেম্বর ২০১২ ১১:০২547923
  • লেখো ...

    এই আনাচে কানাচে জঞ্জালের স্তূপ তো কোলকাতার নানা জায়গাতেও দেখি, জানিনা এনিয়ে কী করা সম্ভব।

    sch ও একটু লিখুন না ..
  • sch | 132.160.114.140 | ০৬ নভেম্বর ২০১২ ১২:৫২547934
  • পাই দিদি লেখার মতো কিছু জানি ই না তো

    ব্যাংদিদির লেখা পড়তে পড়তে ভাবছিলাম ঝিলের কথা । কলকাতার বিক্রমগড় ঝিল নিয়ে একসময় অনেক লেখা লেখি হয়েছিল - সাউথ সিটির কবল থেকে একে বাঁচানোর জন্যে অনেক চেষ্টা হয়েছিল - শেষ মেশ কিছুই হয় নি - রমরম করে - গর্বিত শহর দৈত্য তার মাথা তুলে দাঁড়িয়েছিল । আদালতের রায়কে সুকৌশলে কাটিয়ে বেড়িয়ে গিয়েছিলেন জমিচোরের দল (Real Estate Business man এর বাংলা এই তো?)।-হঠাৎ আজ নেট ঘাঁটতে ঘাঁটতে দেখে ভালো লাগলো যে আবার ওই বিক্রমগড় ঝিলে পাখীরা ফিরে এসেছে -- কিছু ওই বুনো মোষ তাড়ানো মানুষের দৌলতে - এখনো যে অংশটা রয়েছে সেটা পরিষ্কার হয়েছে
    কারোর ইচ্ছে হলে এই লিঙ্কটা পড়ে দেখতে পারেন।
    http://www.indiawaterportal.org/post/31468
    একটু বড়ো লেখা কিন্তু - সুপাঠ্য
    পড়ে বড্ড ভালো লাগলো - এই সব মানুষরা থাকে বলেই এখনো পৃথিবীটা বাসযোগ্য আছে। ব্যাং-দিদি এই জন্যেই আপনাদের কেস স্টাডিটা লিখতে বলছিলাম - একটা পজিটিভ উদাহরণ প্রচুর উৎসাহ আনে।

    আসলে একটা জিনিস কি জানেন তো, টাকায় টাকা আনের মতো নোংরায় নোংরা আনে - রাস্তার কোনায় একটা জায়গায় আপনি রাবিশ ঢেলে চলে গেলেন - বললেন শুকনো জিনিস তো কোনো গন্ধ বেরোবে না । কিছুক্ষণ বাদে ওখানে একজন বাড়ীর তরকারির চোকলা ফেলে চলে গেল - কিছুক্ষন বাদে একটা কুকুর তার কর্তব্যটুকু করে গেল - আর তারপরেই দু একজন করে মানুষ সেটাকে পাবলিক ইউরিনাল হিসেবে ব্যবহার করতে শুরু করলেন। ব্যাস হয়ে গেল একটা নোংরার ঢিপি। সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্টের সমস্যাটা বেশিটাই সামাজিক - শুধু সরকারের উদ্যোগে আর ইঞ্জিনিয়ারিং করে এটার পুরো সমাধান অসম্ভব। আর মানুষের ব্যবহারিক অভ্যেস পাল্টানো ভীষন কঠিন। সেটা করতে গেলে দুটো উপায় আছে - ১) প্রচুর সচেতনতা অভিযান ২) কড়া আইন - আদর্শ হল দুটোর মিক্সচার। আর ঐ অভিযানটা সরকারী মদতে না হলেই ভালো - সরকার বা রাজনীতি বিদদের গ্রহনযোগ্যতা এত তলানিতে এসে ঠেকেছে যে তারা কিছু বললে লোকে শুনবেও না। বেস্ট হলো প্রচুর অডিও ভিসুয়াল ক্লিপ ব্যবহার করা

    সেদিন একজন বলছিলেন সিঙ্গাপুরে আগে ক্যান্টনিজরা এত নোংরা ছিল যে লিফট-টাকেও ইউড়িনাল হিসেবে ব্যবহার করত। শেষে CCTV বসিয়ে পাব্লিক বেত্রাঘাতের ব্যবস্থা করে সরকার - এখন তো ফল সবাই জানেন

    সায়নের পোস্টে (১০:৫২) একটা কথা মনে হল - এটা শুধু প্লাস্টিক আর নন প্লাস্টিকের প্রশ্ন না - প্রশ্ন হল বায়োডিগ্রেডেবল আর নন বায়োডিগ্রেডেবল ওয়েস্ট নিয়ে। সোর্স সেগ্রিগেশান এত কঠিন কাজ যে পরিপূর্ণ গণসচেতনতা না এলে তা সম্ভব না।

    আমাদের শহর বাড়ানোর সময় মনে থাকে না যে ময়লা ফেলার একটা জায়গা দরকার, একটা নোংরা জলের ট্রিটমেন্টের জায়গা দরকার - সেটা শহরের থেকে একটু দূরে না হলে ঘোর সমস্যা। শুধু কতগুলো বাড়ী তুলে - একটা রাস্তা বানিয়ে আর কেবল কানেকশান দিয়ে সহরের সীমানা বাড়ে না ... আর তাই গার্ডেন সিটি বার্ডেন সিটি হয়ে যায়। বড়ো প্রিয় শহর ছিল ব্যাঙ্গালোর - এই হাল দেখলে খারাপ লাগে
  • সায়ন | 170.83.97.83 | ০৬ নভেম্বর ২০১২ ১৩:২৪547945
  • @ sch: ভালো লাগল। খুল অল্পে গুছিয়ে লিখেছেন। অন্য সব পয়েন্টের পরিপ্রেক্ষিতে ব্যাঙদি লিখবে। বেসিক্যালি প্লাস্টিক আর নন-প্লাস্টিকের উদাহরণ আনাটা বায়ো আর নন-বায়োডিগ্রেডেবল সেগ্রিগেশন বোঝাতেই। ইফ উই ডু আওয়ার ট্র্যাশ, কিছুটা ফারাক হতেও পারে। তা নইলে যেখানে বেসিক টয়লেট ট্রেনিং দিতে জান কয়লা হয়ে যায় সেখানে সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট - ডোমেস্টিক (হেল্প) লেভেলে এক্সিকিউট করা, উড বি আ চ্যালেঞ্জ অফ ইটস ওন। তাও, অ্যাওয়্যারনেস ছাড়া গতি নাই। আমি দেখেছি রাত বারোটার পর সব শুনশান হলে লোকে কেমন খিড়কি দরজা দিয়ে চার হাত ভত্তি গারবেজ অন্যের বাড়ির সামনের খালি জায়গায় চুপচাপ রেখে দিয়ে যায়। সেদিন বাইকে কোত্থেকে একটা ফিরছি, মুখের সামনে দিয়ে মিসাইলের মত কী একটা গেল, ব্রেক মেরে ঘুরে দেখি এক মহিলা চটপট বাড়ির মধ্যে ঢুকে যাচ্ছেন।
    প্রথম প্রথম বুঝতাম না, এখানে জঞ্জাল পুড়িয়ে দেওয়ার একটা ক্রুড ব্যাপার আছে। কোনও খালি প্লটে বা পাঁচিলের ধারে বেশ খানিক জমা হলে দিল তাতে আগুন ধরিয়ে। দরজা-জানালা বন্ধ রেখে খানিক পরে খুলে দেখি বারান্দা আর ফুলগাছময় কালো কালো ছাই। সকালের ঐ গন্ধমাদন ডাম্পট্রাক খানিক তুলে নিয়ে যায় আর বাদবাকি পড়ে থাকে। (ট্রাকের পেল্লায় হাইড্রলিকের চাপে পচা টম্যাটোর পিউরি তৈরী হয়ে কীসুন্দর রাস্তাময় ছাড়াতে ছাড়াতে যায়)
    বিভিন্ন জলাশয় পুনরূদ্ধার নিয়ে এখানেও সেল্ফ-ড্রিভন কিছু গ্রুপ বেশ কিছুকাল কাজ শুরু করেছে। ব্যাঙদিই বোধহয় আগে একটা লিঙ্ক দিয়েছিল, কিছু পরিযায়ী পাখীর ফিরে আসবার ছবি। আরও শুনেছিলাম, পোর্টেবল গারবেজ ট্রীটমেন্ট ইউনিট, লুরুর একটা গ্রুপ, লোকের ঘরে ঘরে পোঁছে দিত, যাতে রাবিশ-ট্র্যাশ-গারবেজ কিছু বাড়ির বাইরে না যায়, কমপস্ট তৈরী, সেগুলো অ্যাপ্রোপ্রিয়েট ক্রেতাকে বিক্রি করা, সেই টাকা গঠনমূলক কোনও কাজে লাগানো।
    এগুলো শুনতে রূপকথা ইত্যাদি, কিন্তু খুব ছোট পরিধিতেও এমনটাই হচ্ছে। পার্টিসিপেশন প্রয়োজন। দায়িত্ববান হওয়া। নইলে অডি থেকে নেমে যেই ভদ্রমহিলা রিং রোডের ধারে নিজের বাচ্চাকে ফুটপাথে বসিয়ে পটি করাচ্ছিলেন, সেসব দেখে মনে হয় কেউ যদি ঐ মাল প্যাকেজ করে ওনাকে হোম ডেলিভারি দিত, লজ্জাচক্ষু খুলত কী?
  • ব্যাং | 132.172.238.235 | ০৬ নভেম্বর ২০১২ ১৩:৪১547956
  • আমাকে একটু সময় দেওয়া হোক, প্লাস্টিক, ননপ্লাস্টিক, বায়ো ডিগ্রেডেবল, নন ডিগ্রেডেবল ইত্যাদি নিয়ে লেখার জন্য।
    তবে Sch-কে ধন্যবাদ নোংরায় নোংরা আনে কথাটা বলার জন্য।
    এর আগে আগলি ইন্ডিয়ানদের কাজের কথা লিখছিলাম তো। এতঅনে যদি কেউ ভুল করেও এদের পেজে গিয়ে দেখে থাকেন, দেখতে পাবেন যে এরাও বারে বারে ঐ এক কথাই বলেছে। নোংরা জায়্গা দেখলে সেই জায়্গাটা নোংরা করা যায় জেনে নোংরা করার প্রবণতা আরো বাড়ে।একবার সেই জায়্গাটা পরিষ্কার হয়ে গেলে, জায়গাটা দেখে যদি ভুলেও বোঝা না যায় এখানে আগে নোংরা ফেলা হত, তাহলে লোকজন নতুন করে সেই জায়্গাটা নোংরা করে না।

    আপাতত আমার হাতে একদম সময় নেই। রাতে গুছিয়ে ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্টের কাজে সেঁধিয়ে গিয়ে এক অদ্ভুত জগতের কথা লিখব। অথবা অগোছালো করেই লিখব।

    এখন যাওয়ার আগে আগলি ঈন্ডিয়ানদের কাজের মনুনার কিছু লিং দিয়ে যাই।

    পরের পোস্টে দিচ্ছি।
  • ব্যাং | 132.172.238.235 | ০৬ নভেম্বর ২০১২ ১৩:৪২547967
  • *ইন্ডিয়ান
    *নমুনা
  • sch | 132.160.114.140 | ০৬ নভেম্বর ২০১২ ১৩:৫৩547973
  • সায়ন আপনি ওই "হোম ডেলিভারির" কথা বললেন তাই একটা জিনিস মনে এল। ব্যাঙ্গালোরে অনেক Active photography groups আছে। প্রায়ঃসই তারা ফটোওয়াকে যান নানা জায়গায় আর অনবদ্য সব ছবি তুলে আনেন (আমার এক বন্ধুর দৌলতে দেখতে পাই)। এরাই কিন্তু পারেন এই "ধনী" মানুষদের সচেতনতা ফিরিয়ে আনতে। এই "রিং রোডের ধারে নিজের বাচ্চাকে ফুটপাথে বসিয়ে পটি করানো মহিলা" বা আপনাকের নাকের ডগা দিয়ে নোংরার পুঁটুলির মিসাইল ছোঁড়া মহিলা - এদের সবাইকে কিন্তু ক্যামেরা বন্দী করা যায়।

    আজ যদি ফটোগ্রাফি ক্লাবের সদস্যদের বলা হয় ১৫ দিনের জন্য একটা অভিনব ফটো কন্টেস্টের ব্যবস্থা করতে হবে যার টপিক হবে "capturing the riches who are enriching our garbage vault". এখানে সেই সব ছবি তুলে ফেলা হবে যেখানে শহরের শিক্ষিত মানুষ রাস্তাকে টয়লেট হিসেবে ব্যবহার করছেন। না, বস্তিতে থাকা সাধারণ মানুষ - যাদের ৫০০ মিটার গিয়ে টয়লেট খুঁজে পেতে হয় তারা কখনোই টপিক হবে না। কিন্তূ ঐ ওডি গাড়ী চড়া - উঁচু ফ্লাট থেকে নোংরা ছোঁড়া মানুষের ছবি তুলতেই হবে। তারপর তা চলে আসবে ফেসবুকের পাতায় আর আরো ভালো হয় যদি কিছু উৎসাহী লোকাল চ্যানেল বা সংবাদ পত্র কিছু ছবি ছাপে। ফল হতে বাধ্য সায়ন - করে দেখুন
  • ব্যাং | 132.172.238.235 | ০৬ নভেম্বর ২০১২ ১৩:৫৩547972
  • এই আগলি ইন্ডিয়ান লুরুতে এখন এতটাই জনপ্রিয় যে বহু মানুষ এদের সম্র্থন করে এগিয়ে আসছেন। ব্যক্তিগত উদ্যোগে কাঁধে তুলে নিচ্ছেন নিজেদের বাড়ির, অফিসের চারপাশের রাস্তা পরিষ্কার রাখার দায়িত্ব।
    প্রথম লিংটা পামিতাদের আপিসের ছেলেমেয়েরা আগলি ইন্ডিআনের কাজে অনুপ্রাণিত হয়ে কিভাবে নিজেদের আপিসবাড়ির সামনের ফুটপাথকে সাজুগুজু করিয়ে দেয়।


    একে একে এগিয়ে আসে ওর‌্যাকল, আইবিএম, আইএনজি বৈশ্য, সেঞ্চুরি ইত্যাদি কোংয়ের লোকজনেরা।

    নীচের লিংটা সেঞ্চুরির লোকজনরা কীভাবে নিজেদের রাস্তা নিজেরাই পরিষ্কার করে।


    এই ছবিটা হচ্ছে সায়নের বলা বিটিএম এর রাস্তা ছবি http://www.facebook.com/photo.php?fbid=427457553980172&set=a.125833837475880.17876.123459791046618&type=1&theater

    আগলি ইন্ডিয়ানদের নাম লোকে জানতে পারে প্রথম, যখন এরা নিজেদের চেষ্টায় বিশপ কটন গার্লস স্কুলের ফুটপাথ থেকে ভ্যাট সরিয়ে ফুটপাথটিকে পুনরুদ্ধার করে। তার আগে ঐ ফুটপাথ নামের নরকযন্ত্রণাটির কথা আমার মতন ভুক্তোভোগীরাই জানে।
    দয়া করে ইউটিউব ঘেঁটে বিশপ কটন গার্লসের স্পটফিক্সিংয়ের বাকি ভিডিওগুলো দেখে নিন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আদরবাসামূলক মতামত দিন