• টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। যে কোনো নতুন আলোচনা শুরু করার আগে পুরোনো লিস্টি ধরে একবার একই বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়ে গেছে কিনা দেখে নিলে ভালো হয়। পড়ুন, আর নতুন আলোচনা শুরু করার জন্য "নতুন আলোচনা" বোতামে ক্লিক করুন। দেখবেন বাংলা লেখার মতো নিজের মতামতকে জগৎসভায় ছড়িয়ে দেওয়াও জলের মতো সোজা।
  • ছোটোবেলার খেলাধুলো

    Somnath
    অন্যান্য | ০৩ জানুয়ারি ২০১২ | ৯২৯ বার পঠিত
  • আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা

  • পাতা : 1 | 2 | 3
  • Somnath | 59.160.210.2 | ০৩ জানুয়ারি ২০১২ ১৮:৩৬527574
  • নানারকম খেলাধুলোর মধ্যে দিয়ে কেটে গেছে আমাদের ছোটোবেলা, যেগুলোর বেশিরভাগের নামই এখনকার ছোটোরা জানে না। খেলার নাম, আর ছোট্টো করে খেলাটার সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়া, এটুকুই করা যাক। আমাদের ও তো ভবিষ্যৎ প্রজন্ম রয়েছে।
  • kb | 203.110.243.22 | ০৩ জানুয়ারি ২০১২ ২১:০৫527613
  • আমি এরম ই কিছু ভাবছিলাম। ধন্যবাদ এই টৈ খোলর জন্য।

    আমার জানা ছোটোবেলার কিছু খেলার নাম লিখছি .......... সুনেছেন কিনা জানি না।

    পিট্টু, চিকে বা লবণ কোট, বুড়ি বসন্ত, ডাংগুলি etc
    সবার নিয়ম আমার মনে নেই। সেট নিয়ে আলোচোনা কোরলেও ভলো হয়।
  • aka | 168.26.215.13 | ০৩ জানুয়ারি ২০১২ ২১:০৮527624
  • পিট্টু আর ডাংগুলি তো জানি কিন্তু লবণ কোট জানি না। বুড়ি বসন্ত কি ছোঁয়াছুঁয়ির ফর্ম? তাহলে মনে হয় জানি।

    পিট্টুর ইকুইভ্যালেন্ট একটা খেলা ছিল কিং। রবার ডিউজ বলে খেললে জমত ভালো। ভাবতেই কেমন পিঠটা বেঁকে গেল।
  • kb | 203.110.243.22 | ০৩ জানুয়ারি ২০১২ ২১:২০527635
  • একরকম ছোঁয় ছুঁয়ি খেলা। দুটো দল । একদল চোর হবে এবং একট ঘরের বাইরে থাকবে। অপর দল ঘরের মধ্যে থাকবে। এই ঘরের মধ্যের দল কিছু দুরে একজন বুড়ি বসাবে। খেলার উদেশ্য হলো বুড়ি কে ঘরে ফিরিয়ে আনা। চোর খাটা দল তা আটকাটে চাইবে। ঘরের দল থেকে প্রতি বারে একজন করে গিয়ে বুড়িকে ফিরিয়ে আনার চেস্টা করবে।কিন্তু কাজ্‌টা একদমে করতে হবে।
  • kb | 203.110.243.22 | ০৩ জানুয়ারি ২০১২ ২১:২১527646
  • ** বুড়ি বসন্ত খেলা
  • Mridha | 65.200.157.177 | ০৩ জানুয়ারি ২০১২ ২১:৩৬527657
  • প্রথমে খেলার নামের লিস্টিটা যতগুলো মনেপড়ে দেই, সময় পেলে বর্ননা দেবো:

    ক্রিকেট ( সে এক অন্য খেলা শচীন-সৌরভ এর খেলা cricket নয়, এই টাই এ অনেকটাই ধরা আছে
    http://www.calcuttaweb.com/articles/cricket.shtml
    ফুটবল
    হাডুডু ( ডি-কবা)
    দাড়িয়াবান্দা
    নুন-গাদি
    বুড়ি-বসন্ত
    হাপিঙ্গকেস ( খেলাটার ঠিক নাম জানিনা)
    সাতচিপ্পু
    ব্যডমিন্টন ( নিজেদের তৈরি rule আর পুরনো ঘুড়ির সুতোর নেট)
    গল্ফ ( পাড়ার এই বাগান সেই বাগানে গর্ত খুড়ে, আর ফেটে যাওয়া টেনিস বল সেলাই করে আমাদের গল্ফ বল বানিয়ে)
    ডান্ডাগুলি
    হকি ( শক্ত আর গোড়াটা এক্টু বাকা এমন ডাল খুজে তার উপরে দড়ি জড়িয়ে নিয়ে, পেয়ারা গাছের ডালে খুব ভালো হত, আর নিজের হকি স্টির আমাদের অর্জুন এর গান্ডীব এর মত আদরের ছিলো)
    লালাঠি
    গুলি ( মার্বেল)
    বাঘবন্দি
    ষোলো ঘুটি
    লুকোচুরি ( আজকের হাইড এন্ড সিক এর থেকে অনেক আলাদা)
    লুডো
    তাস
    ব্যাগাডুলি
    ক্যরাম
    অনেক গুলোর নাম মনে করতে পারছি না, মনে পড়লে আরো লিখছি
  • aka | 168.26.215.13 | ০৩ জানুয়ারি ২০১২ ২২:০৭527668
  • এই দাড়িয়াবান্দা, হাপিঙ্গকেস আর সাতচিপ্পু কমন পড়ে নি।
  • Bratin | 117.194.103.74 | ০৩ জানুয়ারি ২০১২ ২২:১২527679
  • দাঁড়িয়াবান্দা টাই কি গিজো?
  • gandhi | 203.110.243.22 | ০৩ জানুয়ারি ২০১২ ২২:১২527690
  • খোখো খেলোনি কেউ ???
  • siki | 122.177.189.106 | ০৩ জানুয়ারি ২০১২ ২২:২৬527575
  • কেউ কুমীড্ড্যাঙার নাম করল না।

    আলতাপাটি পানের বাটি পা ধুয়ে দে
    ওপর নিবি না তলা নিবি তা বলে দে।

    কেউ তালাচাবি-র নাম করল না। ঘাটালে এই খেলারই নাম চাবি-ভাত।
  • Bratin | 117.194.103.74 | ০৩ জানুয়ারি ২০১২ ২২:৩৬527586
  • গুলি ডান্ডা খেলতে গিয়ে এক প্রতিবেশী র ছেলে নাকের বেষ খানিক টা নুন ছাল সমেত তুলে দিয়েছিলাম। তার ঠাকুমা ঢাকাই ভাষায় আমাকে যারপরনাস্তি গালাগালি করছিল আর আমি কিছুই বুঝতে না পেরে হাসি হাসি মুখে দাঁড়িয়ে ছিলাম। :-((
  • Bratin | 117.194.103.74 | ০৩ জানুয়ারি ২০১২ ২২:৩৯527597
  • কাম অন!!! ' বেশ'
  • aranya | 144.160.226.53 | ০৩ জানুয়ারি ২০১২ ২২:৫১527606
  • সাতচিপ্পু = সাতগুটি = পিট্টু ?

    লেমম্যান - এক পায়ে লাফিয়ে লাফিয়ে অন্যদের ছুঁতে হবে।
  • gandhi | 203.110.243.22 | ০৩ জানুয়ারি ২০১২ ২২:৫৪527607
  • কিতকিত
  • Netai | 123.238.18.216 | ০৩ জানুয়ারি ২০১২ ২৩:২২527608
  • চু কিত কিত কিত কিত
  • nk | 151.141.84.194 | ০৩ জানুয়ারি ২০১২ ২৩:৫১527609
  • কাক-জোড়া
    জেলেমাছ
    নাম-পাতাপাতি
    কবাডি
    এলোএন্ডিলন্ডন
    ঘোর-ঘোর স্ট্যাচু

  • aka | 168.26.215.13 | ০৩ জানুয়ারি ২০১২ ২৩:৫৬527610
  • এই নাম পাতাপাতি আর এলোএণ্ডিলণ্ডন, কেন যে এগুলো খেলা বুইতেই পারলাম না। কি ঘুমই যে পেত। এক্কাদোক্কা এর থেকে বেশি এক্সাইটিং।
  • nk | 151.141.84.194 | ০৩ জানুয়ারি ২০১২ ২৩:৫৯527611
  • রুমালচোর
    ঘুরুন্তি
    সেম-কিতকিত
    চোরপুলিশ
  • aka | 168.26.215.13 | ০৪ জানুয়ারি ২০১২ ০০:০২527612
  • হ্যাঁ এই রুমালচোর, বাপরে ভাবতেই ঘুম পেয়ে গেল।
  • nk | 151.141.84.194 | ০৪ জানুয়ারি ২০১২ ০০:০২527614
  • চোর গোণার ছড়াটা ও থাক। সবাই গোল হয়ে দাঁড়াবে, একজন গুণতে শুরু করবে-
    "রামদুই সাড়ে তিন আমাবস্যা ঘোড়ার ডিম"
    :-)

  • Mridha | 65.200.157.177 | ০৪ জানুয়ারি ২০১২ ০০:০৫527615
  • একদম ঠিক aranya সাতচিপ্পু আর পিট্টু একই, ভাঙ্গা টালির টুকরো দিয়ে সাতটা গোল গোল গুটি বানিয়ে হত সেই খেলা।

    আর লেমম্যান টাই মনেহয় আমাদের হাপিঙ্গকেস খেলা ছিল। মনে হয় আসল word টা half in case হবে।
  • nk | 151.141.84.194 | ০৪ জানুয়ারি ২০১২ ০০:০৬527616
  • কাকজোড়া চমৎকার দৌড়ের খেলা, মোমেন্টামের গল্পও আছে। একজন ছুটছে, পেছনে চোর ছুটছে ওকে ধরার জন্য, আরেকজন বাঁচাতে ছুটে আসছে, ফটোফিনিশে পলায়ণকারী আর বাঁচক হাত ধরে ফেললো আর দুজন হাত ধরাধরি অবস্থায় মোমেন্টামে উড়ে যাচ্ছে, চোর আর আউট করতে পারলো না। :-)
  • nk | 151.141.84.194 | ০৪ জানুয়ারি ২০১২ ০০:০৮527617
  • আরেকটা ছিলো টেলিফোন খেলা। দেশলাইয়ের খালি বাক্সো তে সুতো আটকিয়ে টেলিফোন বানানো হতো। :-)
  • kk | 76.114.73.71 | ০৪ জানুয়ারি ২০১২ ০০:১২527618
  • লুকোচুরি
    রুমালচোর
    ফ্রিজবী
    এক্কদোক্কা
    কিতকিত
    সানডে-মানডে
    কালারম্যান
    ব্যাডমিন্টন

    আরো আছে,

    ফুল-ফল-নাম-দেশ
    স্ক্র্যাব্‌ল
    লুডো
    রাম শ্যাম যদু মধু

    আরো একটা খেলা ছিলো আমাদের নিজেদের বানানো, তার নাম 'ছড়া বানাবানি খেলা'। এতে এক একটা টপিক নিয়ে সবাইকে ছড়া বানাতে হতো। এছাড়া চেয়ার উল্টো করে তাতে চাদর ঢাকা দিয়ে তাঁবু বানানো, মায়ের আলমারী তছনছ করে ফ্যান্সীড্রেস এইসব দিদির আর আমার রোজকার ব্যাপার ছিলো। আরেকটু বড় হয়ে শুরু হলো স্টারট্রেক খেলা। সেটা সব ভাইবোনরা একসাথে হলেই বেশি হতো, না'হলে অত গুলো চরিত্র পাওয়া মুশকিল ছিলো।
  • aka | 168.26.215.13 | ০৪ জানুয়ারি ২০১২ ০০:১৩527619
  • হ্যাঁ দেশলাইয়ের বাক্সটা জীবনে ঠিকমতন হল না। শেষে চেঁচিয়ে মেচিয়ে কথা বলতে হত।
  • kk | 76.114.73.71 | ০৪ জানুয়ারি ২০১২ ০০:১৪527620
  • ওহো, নিশির এই টেলিফোন শুনে মনে পড়লো। আমরা পাসিং দ্য সিক্রেট বলেও একটা খেলা খেলতাম। তাতে সেই কানে কানে কথা পাস করতে করতে শেষমেষ অদ্ভুত একটা কথা হয়ে দাঁড়াতো। হ্যাঁ, চোরপুলিশও খেলতাম।
  • nk | 151.141.84.194 | ০৪ জানুয়ারি ২০১২ ০০:১৬527621
  • সান্ডে মান্ডে আর কালারম্যান কীরকম খেলা?
  • aka | 168.26.215.13 | ০৪ জানুয়ারি ২০১২ ০০:১৯527622
  • পাসিং দা সিক্রেট খেলতাম স্কাউট গ্রুপে।

    ঘরে খেলার আর একটা ছিল চোর,পুলিশ, ডাকাত, বাবু। কাগজ চালা হত, সবাই একটা করে তুলত। বাবু ১২০০ পয়েন, পুলিশ ৮০০, ডাকাত ৫০০ আর চোর ৩০০। বাবু হলে পয়েন পাওয়া নিশ্চিত। বাবু পুলিশকে আইদার চোর অর ডাকাত ধরতে বলত। পুলিশ যদি ঠিক গেস করতে পারত কে ডাকাত বা কে চোর তাহলে সে পয়েন পেত আর নইলে গোল্লা পেত।

    খেলোয়াড়ের সংখ্যা চারের বেশি হলে বড়বাবু, মেজবাবু, পুলিশ, দারোগা, পকেটমার ইত্যাদি আরও লোকজন বাড়ত সাথে কিছু রুল এবং নতুন নাম্বারিং স্কিম।
  • nk | 151.141.84.194 | ০৪ জানুয়ারি ২০১২ ০০:২১527623
  • একটা খেলা ছিলো কিছুতেই নাম মনে করতে পারছি না।
    দুজনে মুখোমুখি বসতো পা সামনে ছড়িয়ে, পা ভার্টিকালি রেখে, একটার উপরে আরেকটা করে করে উঁচু করা হতো, প্রথমে পা তারপরে ছড়ানো হাতও, আর বাকীরা এক পায়ে লাফাতে লাফাতে ওদের প্রদক্ষিণ করে লাফিয়ে পার হতো সেই ব্রীজ, লেগে গেলে আউট। প্রথম দুই স্টেপ সোজা, পরে হাত জুড়লে কঠিন।
  • r2h | 198.175.62.19 | ০৪ জানুয়ারি ২০১২ ০০:৪৯527625
  • আমাদের সেই নদীর ধারের বাড়িতে লাউমাচা ছিল, জনবিরল পাড়ায় গুটিকয় পড়শিদের বিলিয়েও উদ্বৃত্ত হয়ে যাওয়া লাউয়ে চারখানা কাঠি গুঁজে তা দিয়ে গরু বানানো হতো। কাঠের বাড়িতে মেরামত বছরভর লেগেই থাকতো। হেডমিস্ত্রী রসরাজকাকু নানান জিনিস বানিয়ে দিতেন বেঁচে যাওয়া কাঠ দিয়ে, বলতে বলতে মনে পড়লো তখন চেনাশোনা সব ছোটদের হাতেই যে ক্রিকেট ব্যাট দেখা যেত তা বাড়িতে বানানো, নানান আকৃতির। নিখুঁতপনার পরাকাষ্ঠা হতো যখন হাতলে সাইকেলের টিউব মাপমতো কেটে লাগানো হতো। আর ত্রিপুরায় থাকার সুবাদে অতি শৈশবেই সবার কয়েকবার প্লেনে চাপা হয়ে গেছিল, প্লেন থেকে নিয়ে আসা প্লাস্টিকের ছুরি (তিরিশ বছর আগে উত্তরপূর্বের মফস্বল শহরে প্লাস্টিকের ছুরি মোটে সহজলভ্য ছিলনা) দিয়ে প্লেন হাইজ্যাক খেলা। আর ছিল মোহনস কর্ণফ্লেক্সের প্যাকেটে পাওয়া মুখোশ।

    লামা সেসবের মনকাড়া খতিয়ান লিখতে পারবে।
  • kk | 76.114.73.71 | ০৪ জানুয়ারি ২০১২ ০০:৫৩527626
  • সান্ডে মান্ডে তে মাটিতে চক দিয়ে গোল্লা আঁকতে হত। যতজন খেলবে তার থেকে একটা কম গোল্লা থাকবে। নিয়ে সবাই এক সাথে হাত ধরে গোল হয়ে দাঁড়িয়ে সান্ডে মান্ডে টিউসডে করে সাতটা বারের নাম বলে যাবে। স্যাটারডে বলা শেষ হতেই সবাই হাত ছেড়ে দিয়ে দৌড়োতো একেক জন একেকটা গোল্লা দখল করতে। মানে গোলের ভেতর ঢুকে দাঁড়াতে হবে আর কি। তো যেহেতু একটা গোল সংখ্যায় কম তাই একজন প্লেয়ার গোলের বাইরে থেকে যাবে। সে হলো চোর। এইবারে অন্য প্লেয়াররা নিজেদের মধ্যে গোল্লা বদল করতো। মানে এক গোল থেকে দৌড়ে অন্য গোলে যেতে হতো। সেই যাবার পথে চোর চেষ্টা করতো সেই ফাঁকা গোলে ঢুকে পড়তে। এই রকম কি যেন একটা ছিলো।

    কালারম্যানে ঐ লুকোচুরি খেলার মত গুনে একজন চোর হত। তাকেই বলতো কালারম্যান। নিয়ে অন্যরা সবাই মিলে জিজ্ঞেস করতো 'কালারম্যান কালারম্যান হোয়াট কালার ডু ইউ চুজ?' তো সে বলতো 'আই চুজ ...." করে একটা রংএর নাম বলতো। তখুনি সবাইকে খুঁজে পেতে সেই রঙের একটা কিছু বার করতে হতো। যেমন ধরো যদি সে গ্রীন বলে তো গাছের পাতা বা ঘাস, ব্রাউন বললে মাটি এই সব আর কি। ঐ রংএর জিনিষ ছোঁবার আগেই যদি কালারম্যান তাকে ধরে ফেলে তো সেইই তখন চোর হয়ে যাবে। কিন্তু নিয়ম ছিলো যে সেখানে নেই এমন কোন রং এর নাম বলা চলবেনা।
  • Bratin | 117.194.98.124 | ০৪ জানুয়ারি ২০১২ ০৯:২৯527627
  • পাসিং দ্য সিক্রেট আমর খেলতাম ' চোর পুলিস দারোগা' নামে। :-))

    ফল ফুল নাম দেশ খেলেছি। ছোটকাকা এক বার যাতে কাটা না যায় সে জন্যে স দিয়ে লিখেছিল সয়াবীন তার পরে হেব্বি বাওয়াল হয়েছিল।

    এছাড়া আমরা কবাডি খেলতাম। লোকের ঠ্যাং তাক করে ড্রাইভ মারতে হতো।
  • Bratin | 117.194.98.124 | ০৪ জানুয়ারি ২০১২ ০৯:৪২527628
  • ক্রিকেটের একট মডিফায়েড ভার্সন খেলতাম। ২জনে মিলে মিলে। লোক না থাকলে। এক জন ই একটা টিম। ১১ বার করে ব্যাট করতো( লাস্ট ম্যান র ও ব্যাট আছে) । ব্যাট করে অনেক সময় এক জন বাড়ি চলে যেত । হেব্বি বাওয়াল হত তখন।
  • siki | 123.242.248.130 | ০৪ জানুয়ারি ২০১২ ০৯:৪৫527629
  • ইচিং বিচিং চিচিং যা, প্রজাপতি উড়ে যা?
  • Bratin | 117.194.98.124 | ০৪ জানুয়ারি ২০১২ ০৯:৫৪527630
  • প্লেন প্লেন প্লেন
    প্লেন থেকে নেমে এল সুচিত্রা সেন
    সুচিত্রা দি সুচিত্রা দি তোমার ব্যাগে ওটা কী
    উত্তম দার জন্যে আমি লুচি ভেজেছি।
  • gandhi | 203.110.247.221 | ০৪ জানুয়ারি ২০১২ ১১:৩৪527631
  • LONDON লন্ডন
  • Manish | 59.90.135.107 | ০৪ জানুয়ারি ২০১২ ১১:৪৬527632
  • মুরগি লড়াই,
  • gandhi | 203.110.247.221 | ০৪ জানুয়ারি ২০১২ ১১:৫৫527633
  • চোর পুলিশ ডাকাত বাবু
  • kd | 59.93.243.153 | ০৪ জানুয়ারি ২০১২ ১২:০৯527634
  • সিকির ৯:৪৫এর খেলাটা (কাছাকাছি নাম) কলেজ হোস্টেলে খেলতুম। যার মুখ প্রথম নির্বিকার থাকবে না, সে আউট। লাস্ট স্টান্ডিং - উইনার। কোনোদিন হইনি, সুখী মানুষ। :)
  • shrabani | 117.239.15.102 | ০৪ জানুয়ারি ২০১২ ১২:৩৫527636
  • খেলা তো সে কত রকমের, কত ধরণের আর কত নামের। বৌ বসন্ত, গজ/গিজা, হাডূডু, খোখো, পিট্টু/সাত গুটি, কুমীর ডাঙ্গা, লুকোচুরি নানা ভাবে নানা নামে (হুশ, আই স্পাই, অন্ধকারে ব্ল্যাক আউট), কী রং কী রং, পাঁচ গুটি, এলাডিং বেলাডিং, পা ডিঙ্গাডিঙ্গি, হুইস্পারিং, এক্কা দোক্কা, ডাঙ্গুলি, ইকিড়মিকিড়...

    তবে এসবের অনেক কিছুই আমি খেলেছি কম দেখেছি বেশী। কারণ যে বয়সে এই খেলা দেখার বা খেলার কথা বেশী বেশী মনে পড়ে সে বয়সটায় আমায় দলে নেওয়া হতনা। মায়ের ভয়ে বা আমার ঘ্যানঘ্যানানিতে অতিষ্ঠ হয়ে দিদি দলে নিলেও, নেওয়ার সময় সঙ্গীদের দিকে এক চোখ টিপত, "ও দুধেভাতে"। পরের দিকে এক আধবার যখন ঐ দুধেভাতে ব্যাপারটা বোঝার বয়স হয়েছে তখন অবশ্য স্ট্যাটাসে অল্প উন্নতি হয়েছে, সেও সেই মায়ের চোখ রাঙানিতে, তবে পাকা খেলুড়ে হয়ে ওঠার আগেই এসব খেলা কোথায় যেন গা ঢাকা দিয়েছে, সরে গেছে আমার খেলার বেলা থেকে।

    ****বৌ-বসন্ত (একে কোথাও বুড়ি বসন্তও বলে তবে আমার বৌ বসন্ত নামটাই পছন্দের!:))*****

    দুধেভাতে কে একবার দান দেওয়ানো হত, যখন সবাই জলটল খেত, বসে একটু জিরিয়ে নিত, তখন। আমিও মনের আনন্দে বিপক্ষের সবাইকে ছুঁয়ে ছুঁয়ে মোর করে আসতাম। একটু বড় তখন, আমাকে নেওয়া হয়েছে দলে, তবে সর্বকনিষ্ঠ সদস্য। দুধেভাতের থেকে প্রথম ধাপে প্রোমোশন, তখনও গায়ে দুধের গন্ধ, কেউ পাত্তাই দিচ্ছেনা। রায়বাড়িতে যে খেলাই হোক না, পুরো সীজনাল, রোজ সেই খেলা চলবে বেশ কিছুদিন ধরে সেই সীজনে, খেলার লোক যত না তার চেয়ে বেশী দর্শকের সংখ্যা!
    ছোট বড় সবাই মিলে খেলা, এমনকি বাড়ির বিবাহিত মেয়েরা বাপের বাড়ি এসেছে, শাড়ি তে গাছকোমর বেঁধে হাডুডু, গজ, বৌবসন্ত, যখন যা চলছে সেই খেলাতেই নেমে পড়েছে, এ দৃশ্য খুব পরিচিত ছিল। এক এক খেলায় এক এক জনের খুব নাম ছিল। তারা এসে পড়লে সসন্মানে তাদের পদ ছেড়ে দেওয়া হত।

    পরের দিকে মনে পড়ে বৌ বসন্তে আমি নিয়মিত বৌ বসতাম, আমার ফুলদি দলের চাঁই, যেমন দম তেমনি হরিণীর মত দৌড়য়। তার দায়িত্বেই আমি বৌ, দান টান দিতে হয়না, বৌ ওঠাতেও শেষে তেমন ঝামেলা কেউ রাখতনা আমার জন্যে, হেঁটে উঠতাম ঘরে।

    সেই দুধেভাতের পরবর্তী স্টেজে একদিন শীতের সময়, বৌ বসন্তের ঘর পড়েছে। মেয়েরা বচ্ছরকার বাপের বাড়ি এসেছে সংক্রান্তিতে,বিখ্যাত খেলুড়ে সব, তাদের করিশ্মায়, ফুলদি রুমাদির মত রেগুলার খেলুড়েরাও ম্লান। ফিল্ডিংয়ের সময় কেউ আমার দিকে দেখছিল না, তারা তখনও আমাকে দুধে ভাতে ভাবতেই অভ্যস্ত। দলে দীপাপিসী, বাণীদির মত বাঘা বাঘা লোক, এক এক দানে বাঘের মত বিপক্ষ খেলুড়ের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে থাবা মেরে মোর করছে। আমি বোর হয়ে, দু:খে, মাঠের ধারে শ্যামলদাদের সদরের ধারির খুঁটি ধরে দাঁড়িয়ে খেলা দেখছি। ওরা আমাকে দেখলই না। সবাই মোর হয়ে গেলে (আমি ছাড়া, ঐ যে, আমাকে কারো মনে নেই!)
    ওদের বৌ বিজয় গর্বে হেঁটে হেঁটে তার গোল থেকে দলের ঘরে ফিরতে বা উঠতে যাচ্ছে, সেই সময় আমিও চুপচাপ গিয়ে বৌকে ছুঁয়ে দিলাম। তারপরে যে যুদ্ধু শুরু হল তার জেরে ঘর ঘর থেকে পাড়ার মাথারা বেরিয়ে পড়ল, নালিশ, সালিশী, চাপান উতোরের চোটে পাড়া সরগরম। আমি দুধেভাতে ডিক্লেয়ার্ড ছিলাম কী ছিলাম না তাই নিয়ে সুক্ষ্ম বিচারপর্ব, সাক্ষীসাবুদ চলল অনেকক্ষন। :)সবশেষে রায় বেরোলো আমাদের দলের জিত।
    ফুলদি ও দলের অন্যান্যরা খুব আদর করেছিল মনে আছে।ওরাও কেউ খেলার মাঝে আমি যে মোর হইনি তা খেয়াল করেনি।:((

    তারপরেও কিছুদিন খেলা চলে ছিল সে যাত্রায়, তবে তখন প্রথম দানেই বিপক্ষ দলের বড়দের কেউ না কেউ সবার আগে আমাকে কোলে তুলে মোর করে শ্যামলদাদের ধারিতে বসিয়ে দিত।
  • takaai | 139.124.3.100 | ০৪ জানুয়ারি ২০১২ ১২:৪৪527637
  • এ কি লাট্টু আর ঘুড়ির কথাই কেউ বলল না। আমি তো এখন বাড়ি গেলে এক আধবার লাট্টু ঘোরাই। আরেকটা খেলা ছিলো ইয়ো ইয়ো বলতাম। ওকে হয়ত কেউ কেউ হাত লাট্টুও বলে।
  • m | 117.194.43.233 | ০৪ জানুয়ারি ২০১২ ১৪:২৫527638
  • কেউ লাঠিখেলা টা খেলে নি? একটা গোলের মধ্যে তাক করে সরু দু'তিন ফুট লম্বা লাঠি ছুঁড়ে রাখতে হবে। যার টা গোলের সব চে বাইরে পড়বে সে চোর। তার লাঠিটাকে সবাই নিজেদের লাঠি দিয়ে ঠেলে নিয়ে যাবে। চোর কে দৌড়ে কাউকে ছুঁয়ে ফেলতে হবে। আর যারা লাঠি ঠেলছে চোর তাদের দিকে গেলেই দৌরে কোনো একটা ইঁট এ নিজের লাঠি ঠেকাতে হবে, না পারলেই আউট। সে তখন চোর হবে।- এই খেলাটা আমরা মাঠ ঘাট,বাগান,রাস্তা প্রায় মাইলখানেক জায়গা জুড়ে খেলতাম। একদিন একবন্ধুকে স্কুটারে ধাক্কা মারায় সে খেলা বড়দের হুকুমে শুধু মাঠে সীমাবদ্ধ হয়ে তার চার্ম হারিয়ে ফেল্লো।

    আর ছিলো জোড়াছাড়া। সে খেলা অবিরত চলতো। সঙ্গী উপস্থিত না থাকলে রাস্তায় অচেনা লোকের হাত ও ধরে ফেলার নজির ছিলো।

    এছাড়া ল্যাংচা ছিলো, একপায়ে লাফিয়ে ছুঁতে হবে। গাদি, এলাটিং বেলাটিং,কিতকিত শীতকালে হত- মাঠে র পাশে সাদা চুনের দাগের বাইরে মা বম্মারা বসে উল বুনতো,লুডো খেলতো। আমার মাকে ছোটবেলায় অল্পসল্প খেলতেও দেখেছি:)
    আর কৈশোরে লুকোচুরি খুব প্রিয় ছিলো সবার- সবে সবে একটা ভালো লাগার ঘোর।কারুর বাড়ির পেছনদিকের দেওয়ালে হেলান দিয়ে জোরে জোরে বুক ধুকপুক...
  • shrabani | 117.239.15.28 | ০৪ জানুয়ারি ২০১২ ১৫:১৬527639
  • ***লুকোচুরি, হুশ, ব্ল্যাক আউট, ধাপ্পা ইত্যাদি****

    ব্ল্যাক আউট টা খুব মজার লুকোচুরি খেলা ছিল। চোরকে অন্যদের শুধু যে খুঁজে বার করতে হবে তা না, অন্ধকারে ঠিকঠাক চিনতেও হবে। খেলাটা সাধারনত একটা বড় ঘরের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকত, কখনো সখনো মেম্বার বেশী আর ঘরের মধ্যে লুকোনোর জায়গা সীমিত হলে বাইরের বারান্দা বা পাশের ঘর ইনক্লুড করা হত। তবে বেশী জায়গা পাওয়া যেতনা, কারণ পুরো খেলাটাই হবে অন্ধকারে।
    এ খেলাটাও শীতেই জমত ভালো (হয়ত শীতের ছুটিতেই এত খেলাধুলোর সময় পাওয়া যেত, মামাবাড়ি, দেশের বাড়ি যাওয়া হত, তাই সেই স্মৃতিগুলোই মনে আছে)। গোনাগুনি শেষ হয়ে চোর সাব্যস্ত হলে আলো নিভিয়ে দেওয়া হত। এবার চোরের এক থেকে দশ বা এরকম কিছু গোণা অবধি লুকিয়ে পড়ত সবাই। ব্ল্যাক আউটে লুকোনোর জায়গা বেশী ছিলনা, আসল ছিল অন্ধকারে চিনে সঠিক লোককে চিহ্নিত করা। আমরা এখান ওখান থেকে যা পেতাম, চাদর, শাড়ি বেডকভার জড়িয়ে মড়িয়ে বসে থাকতাম। ভুল করলে আবার শুরু হত গোড়া থেকে।

    একবার মধু এসেছে পিসীর গ্রাম থেকে, সে এসব খেলা জানেটানে না। বাড়িতে বড় খোকাদা এসব নানা খেলায় ছোটদের খুব উৎসাহ দিত, ব্যবস্থা করে দিত, সাহায্যও করত নানাভাবে। একটি তুখোড় চোরকে বোকা বানাতে খোকাদার শরণাপন্ন বাকিরা। ভেবে চিনতে ঠিক হল মধুকে করা হবে তুরুপের তাস, তার সঙ্গে পরিচিতি সবার কম। খোকাদা মধুকে বারান্দায় অন্ধকারে লুকিয়ে তার ওপর কয়লার বস্তা চাপা দিল, কেউ জানল না। এবং চাপা দিয়ে সে চলে গেছে নিজের ঘরে দরজা বন্ধ করে পড়াশোনা করতে।
    হয়ত ভেবেছিল খুঁজতে বেগ পাবে, একেবারেই যে পারবেনা তা বোধহয় মাথায় আসেনি।
    এদিকে বারান্দায় কয়লার বস্তায় খোঁজার কথা কারোর মনে আসেনি, চোরের তো নয়ই। শেষ মেশ মধুর চিৎকার "ওগো আর কতক্ষণ থাকতে হবে গো, আমি এ খেলা খেলব নি"....শুনে যখন তাকে উদ্ধার করা হল তখন চোরের যাই মাথা হেঁট হোক বা কেরিয়ারে দাগ পড়ুক, খোকাদা তার বড়দের কাছে প্রচুর বকুনি খেয়েছিল!

    হুশ বা ধাপ্পা ছিল বা আই স্পাইয়েরই একটা ফর্ম। হুশ খেলায় চোরকে একটি পাতা আনতে হত অন্যেরা লুকোনোর আগে (আই স্পাই তে যেটা মুখ ঘুরিয়ে চোখ বন্ধ করে গোণা ছিল তার জায়গায়)....অনেক ভেবেচিন্তে পাকা মাথারা সেই পাতার নাম বার করত। পাতা এমন হতে হবে যা খেলার জায়গার খুব কাছে পাওয়া যায়না, যাতে পাতা নিয়ে ফিরতে ফিরতে সবাই ঠিকঠাক লুকিয়ে পড়তে পারে। "পাথরকুচি পাতা" সদরঘাট ছাড়া পাওয়া যেতনা, পাতাবাহার বড় বাড়ির বাগানে। ভুল করে সোজা পাতা দিলে মুশকিল। যেমন একবার একজনকে লজ্জাবতীর পাতা আনতে বলা হল এই ধারনায় যে সে পাতা শুধু দক্ষিন মাঠের ধারে হয়। এদিকে সে লতা কখন কাকিমাদের গোয়ালের বাইরে ঘাটের ধারে গজিয়েছে, কেউ জানেনা, চোর জানত, সে কাকিমার ছেলে। সে দক্ষিনমাঠ গেছে ভেবে লোকে ধীরেসুস্থে লুকোচ্ছে আর চোর এক মুহূর্তেই হাজির, ফল, একসাথে চার পাঁচটা "হুশ"!

    নাম ধরে "হুশ" বলে আউট করতে হত।সবাইকে আউট করার পরে যে প্রথম আউট বা হুশ হয়েছে সে চোর হত। চোরকে সবসময় ঘুরপাক খেতে হত নাহলে কেউ যদি তাকে পেছন থেকে এসে পিঠে একটা চাপড় দিয়ে "ধাপ্পা" বলে দিত, তাহলে সেই চোরই আবার দ্বিতীয়বারের জন্য চোর হত।
  • Bishu | 115.132.55.248 | ০৪ জানুয়ারি ২০১২ ১৫:১৮527640
  • দান্দা গুলি
  • T | 14.139.128.11 | ০৪ জানুয়ারি ২০১২ ১৫:২২527641
  • কেউ ডুবসাঁতারের কম্পিটিশনে নামত না?
  • Bishu | 115.132.55.248 | ০৪ জানুয়ারি ২০১২ ১৫:২৭527642
  • আইস বাইস, ডান্ডা গুলি, সিগারেট প্যাকেটের তাস, পিট্টু, ক্রিঙ্গ, কানামাছি, মার্বেল, ঘুড়ি ওড়ানো।
  • Netai | 121.241.98.225 | ০৪ জানুয়ারি ২০১২ ১৮:১০527643
  • ইকড়ি মিকড়ি চাম চিকড়ি
    চামে কাটা মজুমদার
    মজুমদারের বাড়ী।
    বাড়ীতে বসে চাল কুঁড়ি
    চাল কুঁড়তে হল বেলা
    ভাত খায় সে দুপুরবেলা
    ভাতে পড়লো মাছি
    কোদাল দিয়ে চাঁছি
    কোদাল হল ভোঁতা
    খ্যাঁকশিয়ালের মাথা

    এইটি মুলত কে বাতকম্মো করেছে বের করার জন্য ইউজ করা হত।
  • aka | 168.26.215.13 | ০৪ জানুয়ারি ২০১২ ১৮:৩৮527644
  • না না সেটা ছিল

    আদলি পাদলি ঢাঁই ঢুঁই
    নিমের কটকট পাদলি ব্যাটা
    তাই তুই।

    যেখানে শেষ হবে সেই হল 'তুই' যে অপোকম্মটি করেছে।
  • Netai | 121.241.98.225 | ০৪ জানুয়ারি ২০১২ ১৮:৫৭527645
  • তাই হবে। ওটা তাহলে এমনি এমনি ছিল। অন্য খেলার জন্যে। বাতকম্মের জন্য অরেকটা ছিল।
    ইস/পিস/ধানের/শিষ
    তুই/ব্যাটা/পেদে/ছিস
  • Mridha | 65.200.157.177 | ০৪ জানুয়ারি ২০১২ ১৯:২৪527647
  • m ঐ লাঠিখেলাটাকেই আমরা লালাঠি বলতম, মনে হয় লাঠি দিয়ে লাল কিছু ছুতে হবে তাই, লাল আর লাঠি থেকেই লালাঠি।
  • করোনা

  • পাতা : 1 | 2 | 3
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত