• টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। যে কোনো নতুন আলোচনা শুরু করার আগে পুরোনো লিস্টি ধরে একবার একই বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়ে গেছে কিনা দেখে নিলে ভালো হয়। পড়ুন, আর নতুন আলোচনা শুরু করার জন্য "নতুন আলোচনা" বোতামে ক্লিক করুন। দেখবেন বাংলা লেখার মতো নিজের মতামতকে জগৎসভায় ছড়িয়ে দেওয়াও জলের মতো সোজা।
  • পর্বে পর্বে কবিতা - তৃতীয় পর্ব

    pi
    বিভাগ : অন্যান্য | ১৭ ডিসেম্বর ২০১১ | ৪০৬৮ বার পঠিত
আরও পড়ুন
করোনা - pi
  • আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা ভাইরাস

  • - | 109.133.152.163 | ০৩ আগস্ট ২০১৫ ১০:১৫507519
  • এই নিক রিসার্ভ করে রাখাটা এক্কেরে গুরু ইস্পেশাল ঃ-)
    নামের জায়গায় ড্যাশ রেখে তো কত জনই পোস্ট করেন। তাতে যে কি আসে যায়, কে জানে!
  • sosen | 78.105.152.253 | ০৪ আগস্ট ২০১৫ ০৫:৫২507520
  • একটা গাছের নীচে সে দাঁড়িয়েছিলো
    আরেকটা গাছের নীচে রোদ
    আরেকটা গাছের নীচে সময় ঝরে পড়লো টুপটাপ
    থালায় আলুসেদ্ধ-আঙুল কাঁচিয়ে নিয়ে দোদন ডাকলো
    ভাত খাবি আয়, দিদিভাই।

    একটা গাছের নীচে ওরা দাদুকে শুইয়ে রেখেছিলো
    আরেকটা গাছের তলায় অন্ধকার নামলো টিপিটিপি পায়ে
    ঘরোয়া জীবনকাল শোক হয় না, কান্না হয় শুধু
    তাই প্রত্যেকটা গাছের তলায় একেক জন কাঁদছিলো আছড়ে পড়ে
    ফুল-মেয়েটার সাথে রাগ করে দেখা হোলো না
    ফোন বেজেছিলো। ঠিক তার আগের দিন।

    গাছের নীচে আরো গাছ হয়।
    ফেসবুকে ছবি ওঠে, জঙ্গলে পা দিতে অস্বস্তি
    ফিসফিস করে মা ডাকলো
    সোনা, খেতে আয়।

    রক্তে ভেসে যাচ্ছে গল্পের বাগান, মহীরুহ
    আকাশ ভর্তি অ্যাসিড।
  • শ্ব | 229.64.71.223 | ০৬ আগস্ট ২০১৫ ০১:৪৮507521
  • ------------------------------------------
    আমি আড়বাঁশি বাজাতে পারি না # ৪
    ------------------------------------------

    মাঝে মাঝে এঘর ওঘর যাই
    মাঝে মাঝে ঘরের মধ্যে হাঁটি

    আয়না ভর্তি মথ দেয়ালময় পিউপা
    কালো বালিশটার ওয়ার জুড়ে সবুজ ছাতা
    সিংক উপচে তরকারির হাঁড়ি আর তার ভেতরে
    জেগে উঠছে মাছিদের ডিম কিছুদিন বাদে ওরা হাঁটবে

    এঘর ওঘর যাই

    ছাই ফেলি সর্বর্ত্র

    একোরিয়ামের মাছ ফুলে ওঠে

    থেকে থেকে সালফাইডের ঝাঁঝ
    ঘিরে নেয়
    বাতাসে স্পোরের গন্ধ তোশক কফিন
  • sosen | 177.96.4.132 | ০৬ আগস্ট ২০১৫ ০৪:১৫507522
  • একটা ছাপের মতো রয়ে যাচ্ছে।
    একটা নীল পোড়া দাগ
    কুপির সব-ভিতরের আগুনটার মতো
    সবচেয়ে বেশী ছ্যাঁকা দেয় যেখানে
    ক্ষারের হলদে দাগ
    নোখের পাশে উঠে যাওয়া চামড়া
    গায়ের থেকে ফেলে দেওয়া চাদর
    বাসি চুমু
    সোঁদা গন্ধের বাথরুম
    দাগ, সকালের ফেলে যাওয়া চায়ের
    কাপের গোল দাগ
    টেবিলের কাঁচে
    ছাপের মতো, সব রয়ে যাচ্ছে।
    মধুবনী স্ক্রোলের মতো
    টোল খাওয়া, ব্যাঁকা, অপূর্ণ চেষ্টার ছাপ সব
    লোকায়ত।

    এরকমই
    তোমার পাশে আমার বেঁচে থাকা
    বাঁ পায়ের আলতার ছাপ
    আর নিভিয়ে দেওয়া সিগারেটের পোড়া ছোপ
    আর আঙুলে লেগে থাকা কুমাসি নীল
    এই সবই রয়ে যাচ্ছে।
    এই চাদর কেউ কাচে না। অমঙ্গল হয়
  • sosen | 50.128.208.34 | ০৭ আগস্ট ২০১৫ ০৮:২৯507523
  • কি জানি কখন গেল
    দরজা তো খোলাই
    হাওয়ায় দুলছে ছেড়ে রাখা হাল্কা নীল জামা
    আরেকটু আড়মোড়া ভাঙলে সকালের মুখ আর ভার থাকবে না
    ডিম ভাজলে সুঘ্রাণ আসবে যথারীতি
    নতুন শাড়িটি খুঁজে পরা হবে, ভিজে চুলে
    এলোমেলো হয়ে থাকবে দ্রাঘিমার ভুল
    পথহারা মানুষটি উবু হয়ে বসে
    মুড়ি খাবে বেড়ার এধারে।
    আল্পনার মতো কিছু আঁকতে হবে জানালার নিচে
    সিরিয়ালে গ্রামের মুখ যেমন হয়
    দু একটি কালির আঁচড়ে
    একটা পথ , হারিয়ে গেলো ঐদিকে
    কাগজের ওপারে আর যেতে শিখিনি তো
    তাই সবটাই এইখানে শেষ।

    নীল জামা, ভ্যারেন্ডা, ভিজে চুল
    অক্সফোর্ডের ড্রয়িং খাতা, ভাঙা প্যাস্টেল।
    কাগজের ওপারে পা বাড়ালেই ভয়ঙ্কর খাদ
    মার্জিনের ধার ঘেঁষে
    হা-হা করে দুলতে থাকে। আর কিছু নেই।

    কি জানি কখন গেল। ভয়ে বুক কাঁটা হয়ে থাকে

    ওগো শুনছো, ফিরে এসো, কাগজের ওপারে যেও না
  • ফরিদা | 192.68.198.52 | ০৮ আগস্ট ২০১৫ ০৭:০৭507524
  • তোমায় জানতে গিয়ে শিকড় নামিয়ে গেছি
    দিনে রাতে, অনন্ত সময় বহুদিন। পাথরে বাধা পেলে
    থেমে গিয়ে অন্য পথ করে নেয় অন্ধরা যেভাবে
    লাঠি ঠুকে ঠুকে। পাড়ে দাঁড়িয়ে মানুষ তোবড়ানো
    লোহার বালতি দড়ি বেঁধে নামাতে থাকে জল পেতে
    জলে পৌছতে, বালতিটি জল ছুঁলে কাত হয়ে যায়।

    নানান কারণে আমি নিজে নামি না সচরাচর।
    কখনো শিকড়, কখনো বালতি, কখনো বারান্দা থেকে
    বাস ছাড়ে আধঘণ্টা পর পর। বিভিন্ন গ্রামে গ্রামে
    তোমার যেসব ঘর, যেসব জানলা কখনো দেখিনা
    তার খোঁজে লোক পাঠিয়েছি, পাইক বরকন্দাজ
    কোথা থেকে পাই আর বলো? নদীর সামনে গিয়ে
    পাথর ছুঁড়েই বলি এটা কি তোমার? শিকড়েরা ঘর
    গেলে গাছেরা আকাশ ছোঁয়, থামলেই গন্তব্য পরস্পর।
  • sosen | 78.105.152.253 | ০৮ আগস্ট ২০১৫ ০৭:২৪507525
  • আলোর ফোঁটা একটু একটু ছুঁয়ে যায় কিন্তু ভিতরবাগে আছে সেই অন্ধকারের বীজ। তাকে কে ভয় পায় না? যে পায় না সে জানে না, সে আছে ঠাকুরের ভালোর হাতে, আদরের হাতে। আমার মতো নাকি, হেঁটে, শুয়ে, নষ্ট হয়ে , আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে মাটিতে মিশে আবার পুতুল হয়ে তাকে ওঠা? ওকে ঠাকুরের ভালোবাসা বলে? ছাই! সব মিছে, সব শুধু কানাকানি কথা।

    তোরাই তো বলেছিলি সখী, খুঁজে আনবি তাকে। আর আমাকে মোহনবেশ ধরতে হবে না, কুয়াশার মধ্যে একলা হেঁটে যুগোতে হবে না ন্যাকা কবিদের আখর। আমার শান্তি লাগে না, আমার দুয়োর ঘিরে বিষম বেদনা ভিড় করে। কিন্তু ও অন্ধকার বিনা, রাই তো কেউ নয়, কিছু নয়। ঐ যে বুকের মধ্যে ছলোছলো কালিন্দী ঘাই দিলো, তখনি তো কোত্থেকে সে ডাকে চিঠি ফেলেছিলো, কোন দূর থেকে কালো জলের আওয়াজ টেলিগ্রাফের তার বেয়ে গেলো ওর বুকের কাছটিতে, বোধহয় টের পেলো না সে। আমি ভয় পেলাম, মুখ গুঁজলাম কালো আঁধারটিতে, আপন আঁধারটিতে। আহা সেও যদি কালো হতো, নষ্ট হতো আমার মতন, তোদের কি আর সাধতাম? সে যে নষ্ট হলো না, ছিঁড়লো না, উড়লো পুড়লো না---আমি শরীর হয়ে জ্বললাম মিছিমিছি, কালো সে আর দেখতে পেলো না, আগুন দেখে ভাবলো সতী জ্বলে যাচ্ছে বুঝি। ছাই উড়ে উড়ে দিগন্তে মেঘ ঘনালো শুধু।
  • achintyarup | 125.187.53.53 | ০৮ আগস্ট ২০১৫ ১৩:৫১507526
  • হেমকূট পাহাড়চূড়ায়
    সারা রাত আলো জ্বলে।
    চুড়োয় দাঁড়িয়ে আমি দিনের নিভে যাওয়া দেখি।
    আমার পায়ের নিচে গুঁড়িয়ে যায় ইতিহাস, অলীক কথন, আর ভালোবাসা।

    মুঠি ভরে তুলে রাখি আদরের কথা, ছলনা, আর সান্ধ্যভাষা।
    আঁজলা করে এনে দেখি
    চোখের সম্মুখে।
    ভাল করে চেয়ে দেখি।
    আঙুলের ফাঁক বেয়ে গড়িয়ে যায় এক দুই শব্দ, সন্ধ্যাভাষায়, একটা দুটো অনৃতের ফোঁটা গড়িয়ে যায় কনুই বেয়ে।

    আবার গল্পের বাজারপথে ফিরে ফিরে যাই,
    টের পাই ইতিহাস গুঁড়োতে থাকে পায়ের তলায়।

    হেমকূট পাহাড়চূড়ায়, আমার একলা দাঁড়ানো,
    নেমে এসে পান-সুপারি পথে,
    বাজারের পথে ফের হেঁটে যাওয়া
    আলু-বেগুনের দাম জেনে জেনে,
    ইঁদুরের মতো খালে বিলে ভালোবাসা খুঁজে
    ভাষার শেকড় খুঁড়ে খুঁড়ে তুলে আনা তেতো কন্দমূল,
    রাজা রানি প্রাসাদের গল্প বেয়ে হেঁটে যেতে যেতে
    বাজারের পথে নেমে যাওয়া। এই সব।

    খুঁটে খুঁটে ভালোবাসা তুলি, জমাই।
    আঁজলা বেয়ে গড়িয়ে যায় দু ফোঁটা অনৃত।
    কিছু তার ভুলে যাই,
    কিছু লেগে থাকে বাহুতে, কনুইয়ে।

    হেমকূটে আলো নিভে যায়।
  • I | 120.224.221.230 | ০৮ আগস্ট ২০১৫ ১৯:০২507527
  • ওয়া,চিন্টুবাউ যে ছুপা রুস্তম জানা ছিল না!
  • kumu | 132.161.35.222 | ০৮ আগস্ট ২০১৫ ২৩:৪৫507529
  • অচিন্ত্যরূপ!!!!!!
  • Suman Manna | 192.68.172.1 | ০৯ আগস্ট ২০১৫ ০৭:৩৩507530
  • স্বপনদা, যাই বলুন না কেন কোনো দরজাই নিজে থেকে খোলে না।
    ধাক্কা দিতে হবে তো, দরকার পড়লে উপড়ে দিতে হবে তালা
    বন্ধ দরজার সামনে অপেক্ষার মানে নেই কোনো
    আমি দেখেছি আপনি "গান দিয়ে দ্বার খোলাব" বলেছেন
    আর ক্রমশঃ একটা বন্ধ দরজা থেকে অন্য দরজার সামনে গিয়েছেন
    আপনার কলেজ ডিগ্রী এই করে হল না, বিপ্লবেও সুবিধা করতে পারেন নি
    বাকিদের মতো, চাকরীর বয়স পার করেছেন
    একে একে শীলাদি, সুপর্ণাদি এমনকি আমাদের ক্লাসের নীলাঞ্জনারও বিয়ে হয়ে গেল
    স্বপনদা, সামনে খুব একটা কিছু বলে না কেউ
    আড়ালে হাসাহাসি করে, আপনাকে এড়িয়ে যায় পাড়ার ক্লাবে
    বোঝেন আপনি? বাড়ির আশ্রয়টুকু আছে বলে তাই
    বুড়ি মা এখনো ভাতের থালা আগলে রাখেন।
    আমরা গুটিকয় পড়ে আছি, কতদিন আপনাকে সঙ্গ দেব, বলতে পারি না।
    আপনার পড়াশোনা, মেধা, গান কবিতাগুলি
    সব যে মিথ্যে, তা বলছি না, তবে সেইসব নিয়ে
    পড়ে থাকার কোনো মানে নেই।
    আপনিও সময় থাকতে থাকতে গাছ টাছ কিছু একটা হয়ে যান।
    স্বপনদা, কথা দিচ্ছি বছরে একটা স্মৃতিসভা করব
    লাইব্রেরিটাও আপনার নামে।
  • ফরিদা | 192.68.172.1 | ০৯ আগস্ট ২০১৫ ০৮:৩১507531
  • ঘরের কোণে একটুখানি ঝুল জমলেই চোখ পড়ে যায়
    কাপড় জামায় সামান্য দাগ, ভাঙা বোতাম, শ্লীল অনুরাগ
    চোখের জলে বৃষ্টিস্নাত রাস্তা ভাঙা গলার স্বরে
    হঠাৎ করে আটকিয়েছে, চুপ করিয়ে অক্ষমতায়।

    সবাই কি আর একইরকম? কাউকে রাস্তা টেনে নামায়
    দেয় গড়িয়ে ঢালের দিকে, অনেক নীচে জলের কাছে
    দপদপানি শিরায় শিরায় পাড় ভাঙছে পাড় ভাঙছে
    ভয়ের কাছেই গুঁড়ো গুঁড়ো ছুঁয়ে দিচ্ছে পাহাড়চুড়ো
    কেউ শিকড়ে কেউ বা পিঁপড়ে গর্ত খুঁড়ে খাদ্য জমায়।

    চোখ পড়ে যায়, চোখ পড়ে যায়, বিচ্যুতি সে
    অল্প হলেও মেঘ ঢাকলে রাস্তা ভাঙন সম্ভাবনায়
    শিউরে উঠে কী বলতে চায়? শোনা যায় না-
    চোখ পড়লেও চুপ থেকেছি, দু হাত দিয়ে মুখ ঢেকেছি নীরবতায়।
  • kumu | 132.161.35.222 | ০৯ আগস্ট ২০১৫ ০৮:৩৭507532
  • সোসেন
    ফরিদা
    অচিন্ত্যরূপ

    বিস্ময় জাগে কেমন করে এমন লেখারা জন্মায়,বিস্ময়!!
  • dd | 116.51.31.100 | ০৯ আগস্ট ২০১৫ ০৯:১৮507533
  • পোদো জিগাইলো "অচিন্ত্যকে কে চিন্তো?"
    ঠাকুর স্মিত হাসেন,কন"আরে, আমার তো প্রথোম থেকেই একটা সন্দেহো ছিলো"।
  • সিকি | 132.177.128.177 | ০৯ আগস্ট ২০১৫ ০৯:৪৫507534
  • ফরিদা আর অচিন্ত্য পড়ে স্তব্ধ হয়ে গেলাম। অনন্য, অসাধারণ।
  • ফরিদা | 192.68.202.4 | ০৯ আগস্ট ২০১৫ ১৯:৪৪507535
  • রাস্তা বলো রাস্তা কিম্বা বসার ঘর - মুখোমুখি চায়ের কাপে
    দিনের শেষ ঘণ্টায়, মধ্যরাতে ফাঁকা শেষ ট্রাম গতিশীল হলে,
    বাড়ি ফেরার বাসের অপক্ষায়, বৃষ্টিরা গাছের মতো
    সবকটা বাসায় পাখিরা ঠিকঠাক বাড়ি ফেরে কিনা সে খেয়ালও রাখে।
    সভা চলাকালীন ঘড়ির কাঁটা ঘুমিয়ে পড়লে স্বপ্নোত্থিতো
    চেতনায় এক একবার তোমার ধীরপায়ে আসা যাওয়া থাকে।

    চলাচল, আসা যাওয়া না থাকলে বলো কী শান্তিই না ছিল
    দৃশ্যপিছু এক জোড়া চোখ, শব্দ মানে যা শোনা গেছে তার কম বেশি
    কিছুই হতো না। মাপে মাপে আমোদ প্রমোদে দিন গুজরান
    বাড়ি ফেরার সময়, ঘরবাড়ি ঠিকঠাক ঠিকানায় পাওয়া যেত
    মাঝরাতে পোস্টম্যান সাজা পাগল দেখেও কত হাততালি
    বুদবুদ ফাটালেও তার থেকে কোনো পাখি বেরোতই না।
    যদি না লেখার ছুতোয় হাত ধরে জলে টেনে না নামাতে তুমি
    পৃথিবীটা এমনই থাকত। আয়ুটি লম্বা হতো, জীবন্ত নয়।
  • sosen | 78.105.152.253 | ১৭ আগস্ট ২০১৫ ০৭:০১507536
  • তখনো স্তব্ধতা ছিল। কিন্তু জানালার ঠিক পাশটিতে
    বসে ছিলো ঘরকুনো পাখি। একটু তাপ আসে, বিচ্ছুরিত পালকের থেকে,
    বিকেলের আলো হয়ে।কুটোকাটা কুড়িয়ে
    ক্লান্ত ঠোঁট
    গামছার ডুরে কমলায় মুছেছিল। ভেবেছিল এই শেষ। এবারেই
    থিতু হবে এই শূন্যতার হন্যে কুম্ভমেলা
    দেহি দেহি নির্লজ্জতা ফিরতি রেলে উঠে পড়বে ঠিক

    বাজারেরা দর আলোচনা করে,চাটাই গুটিয়ে
    সরু বাঁশঝাড়টির পাশে আলপথ ধরে বাড়ি যাবে
    বৃষ্টি নামবে যেতে যেতে। ঝিঁঝির পাখা ঘষাঘষি
    বলে দেবে, এসে গেছি, বাড়ি এসে গেছি।

    জানলার কাঁচ নামলো সদম্ভে, সব শব্দ বন্ধ করে দিয়ে
    স্পর্শগুলি ভীরু পায়ে গুটি গুটি রাতের ওপাশে হাঁটা দিলো
    জারিকেনে সাদা জল। জীবাণুর রং নেই
    পাখিরা বাসরহারা, তাপহীন। আরেকটু উড়লেই শেষ হবে,ঘাড় গুঁজে
    মরে পড়ে থাকবে ডাম্পস্টারে।
    বাড়ি বাঁধা বড়ো শক্ত, উড়ে যাওয়া, শুধু উড়ে যাওয়া
    তার পর মরে যাওয়া। শেষ। কাল মিউনিসিপ্যালিটি।
  • সিকি | 132.177.128.177 | ১৭ আগস্ট ২০১৫ ০৮:৫৮507537
  • "যদি না লেখার ছুতোয় হাত ধরে জলে টেনে না নামাতে তুমি
    পৃথিবীটা এমনই থাকত। আয়ুটি লম্বা হতো, জীবন্ত নয়।"

    ঠিক। আয়ুটি লম্বা হতো, জীবন্ত নয়।

    আগের লাইনে দুবার "না" লেখাটা কি ঠিক প্রয়োগ? কেমন যেন শোনাচ্ছে।
  • pi | 127.194.6.57 | ১৭ আগস্ট ২০১৫ ০৯:০৩507538
  • 'আয়ুটি লম্বা হতো, জীবন্ত নয়।'
    মনে থাকবে।
  • b | 135.20.82.164 | ২৬ আগস্ট ২০১৫ ১৭:০২507540
  • অমরকন্টক, ২০০৩
    ***************************

    কখনো সানুতে মেঘ, কখনো বপ্রক্রীড়ায়
    ভেঙে পড়ে ঝিরি ঝিরি শরীরে ও মনে।
    মানুষেরা নত হলে, ভেজা মাটি,
    চলে আসে প্রকৃতির বড় কাছাকাছি,
    আম্রকূটে বৃষ্টি পড়ে, বৃষ্টি এড়াতে গিয়ে ইস্কুলের পরে
    ছুটে চলে কিশোরীর দল,
    আর এক নদী

    সন্ধ্যায় দামামা বাজে,
    যেন বা দামামা নয়
    হাতজোড় দেহাতীর বুকে
    তালে তালে আশা আর ভয়

    এইখানে
    এভাবেই দিন যায়,
    হাজার বছর ধরে
    মৃত্যুহীন, শান্ত সব দিন
  • শ্ব | 125.99.196.27 | ৩১ আগস্ট ২০১৫ ১৩:০৭507541
  • ভোরের
    ~~~~~

    কোথাও কুকুরের ডাক । সিঁড়ির মাথায় বারান্দা । বারান্দা থেকে ঝুলন্ত খোপ খোপ ঘর । শীনা হাত ধরে টেনে তোলে । মাটি ছেড়ে আড়াই আঙ্গুল উঠে যাই । শীনা ভাসতে ভাসতে বলে তাড়াতাড়ি উঠবে না উড়িয়ে নিয়ে যাবো ? উড়ে যাই । আঁতে লাগে । এইটুকু হাইজিনিক রাবারের পুতুল একটা আমাকে ঘরে নিয়ে জানালা টেনে দেয় । মেঝে পেয়েই শীনাকে টেবিলে ফেলি । পায়ের ফাঁকে হাত চালিয়ে দি । পু পু করে বেজে ওঠে । টেনে খুলে নি প্লাস্টিকের বাঁশিটা । মরা মাংসের গন্ধে উলটি আসে । আবার কুকুরের ডাক । দলে দলে । বারান্দা দুলছে । সঙ্গে জড়ানো ঘর । আটকাও ওরা আসছে । কাকে আটকাবো ? আমি তো কুকুর ভালবাসি ।আমাকে নিশ্চই কিছু বলবেনা । ওরা বলেনা । করে । আমাদের ব্যাকটেরিয়া খেয়ে ফেলার আগে কুকুরে খেয়ে ফেলবে । ঘরময় উড়ে বেড়ায় শীনা । কুকুরগুলো জানলার ওপাশে দাপাচ্ছে । মাথা ঢোকাবার চেষ্টা করছে । আমি সীট সীট বলছি । আমাদের ব্যাকটেরিয়া কেন খাবে ? কেন খেতে দেব ? বললেই হলো । ওরা তাহলে কী খাবে শুনি ? বরং ধীরে খাবে । অনেকে মিলে অনেকদিন ধরে । একটা নীল মাছির মত মাথার চারপাশে উড়তে থাকে হাইজিনিক রাবারের পুতুল টা । এই যে সিঁড়ি এই বারান্দা এতো এক লতাগাছ অনেক দিনের । আরও কিছুদিন বাঁচবে হাওয়ায় হাওয়ায় । অন্তত তদ্দিন ? আমি জানলা চেপে ধরে থাকি । কুকুরগুলো দাপাচ্ছে । ওরা মরা মাংসের গন্ধ পেয়েছে । পু পু করে বাজাতে থাকি প্লাস্টিকের বাঁশি টা । শীনা বাতাসময় ঘুরে ঘুরে উড়ে বেড়ায় ।
  • ফরিদা | 192.68.200.247 | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ২২:৪৮507542
  • সর্বস্ব করে

    আমাকে সর্বস্ব করে একপক্ষের স্মৃতি বিজারিত চাঁদ
    অন্ধকার গভীরতর হলে শিকারের খোঁজে
    যেন বুঝি বেড়িয়েছে যেখানে অনন্ত ছাদ জুড়ে ছাতিমগন্ধা জঙ্গলে
    নিতান্ত সাধারণ কাঠুরের ছদ্মবেশে।

    যেহেতু পাখিরা সেখানে নেই বলে,
    কাউকে একলা নামিয়ে দিয়ে রাস্তার ধারে
    ট্যাক্সিও ফিরে গেছে অল্প মুচকি হেসে
    যেহেতু খবরের কাগজেরা জন্মাতে গেছে ঘোলাজলে
    যেহেতু বাজারের সব দোকানেরা ঘুমিয়ে পড়েছে বলে
    কেউ কেউ স্টোভ জ্বেলে রান্না চাপাল যেই
    গুটিশুটি ঘিয়ে ভাজা কুকুরটা পায়ে পায়ে কাছে চলে আসে

    রেডিও বাজায় কেউ সামান্য দূরে

    একপক্ষের স্মৃতি বিজারিত, নেহাৎ পুরনো চাঁদ
    এখনো মাঝে মাঝে আমাকে সর্বস্ব করে।
  • ফরিদা | 192.68.228.95 | ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ০৯:১১507543
  • আপাততঃ

    সর্বোপরি আমার কোনো কাজ নেই আপাততঃ
    পোশাকী ব্যস্ততা নেই, তাগাদায় ঘাড় নুয়ে যাওয়া
    স্থাবরের অলীক বিভ্রমে ফ্যালফ্যালে চাহনিও নেই
    পৃথিবীর ব্যস্ততা ধীরে সুস্থে দেখে নিতে পারি আমি
    একটু বাইরে থেকে কৌটোর মধ্যে তার নাড়াচাড়া
    আমি দেখি আর হাসাহাসি করি, কৌটোটা নিয়ে
    আলো জ্বালা ঘরে আর অন্ধকারে আনা নেওয়া করি
    নিশ্ছিদ্র অন্ধকারে দেখি ওরা টিমটিমে আলো জ্বালে।

    সর্বোপরি কোনো কাজ নেই, সম্পূর্ণ অকারণে আমি
    এমন অনেককে দেখছি যারা তাল বুঝে কৌটো থেকে
    বেরোলেই তালেবর হয়। ভিতরে থাকছে যারা একঠায়ে
    অফিসের ব্যস্ততা ছেড়ে পাঞ্জাবী চাপিয়ে টাপিয়ে অন্য
    ব্যস্ততায় দেড়েমুষে মিশে যায়। এরকম কৌটোরা
    একমুখী স্বচ্ছতা নিয়ে বড় হয়, ছোট হয়, ভেঙে যায়।
  • sosen | 78.105.152.253 | ০৭ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ০১:৩৫507544
  • সব সময় দেরি।
    কাঁচের ঘর, তীব্র গতিতে ছুটে আসা একটা বল
    মুঠো শক্ত হয়ে বসা একটা কাঠের লাঠির গোড়ায়
    খানিকটা ওষুধের গন্ধ, কিন্তু একমুখ হাসি নিয়ে
    বাবা ফুটন্ত গাঁদার গাছে ভর্তি টব নিয়ে এসে
    বারান্দায় রাখছে
    আর গলা ফাটিয়ে আমার স্বপ্ন চিৎকার করে উঠলো
    এত দেরি কেন করলে? এত দেরি?
    মাংস কেটে ফাঁস বসে যাওয়ার আগে
    শিরার নুন বার্বিকিউতে বয়ে যাওয়ার আগে
    পাঁজর ভেঙ্গে পণ্যবাহী জাহাজ
    এতদিনের চর সরিয়ে যাওয়ার আগে
    বিস্মৃত এই বন্দরে চলাচল শুরুর অনেক আগে

    তোমার বাজার থেকে ফিরে আসার কথা ছিলো।
  • b | 135.20.82.164 | ০৭ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ১৪:০৭507545
  • মিকি মিনি পঙ্গপাল এসে গেলো এরিয়েলে চেপে
    শীত বারান্দার রোদে, পথে, সবুজ চাদর ঢাকা
    ধোঁয়া ওঠা পৌষপুকুরে।
    ধূর্ত ইঁদুর ওরা, সুতীক্ষ্ণ পংক্তি মেলে
    খায়, ছেঁড়ে , নষ্ট করে
    ঠাকুমার পুরোনো জাজিম, বয়েজ স্কুলের বাঙলা
    ইতিহাস, ভূগোলের বই,
    হাজার শরত জুড়ে জমে ওঠা সোনালী ফসল
    কবেকার পাড়াগাঁর অরুণিমা সান্যালের মুখ।

    তবু বলি, মনে রেখো।
    হে উজ্জ্বলচক্ষু বুদ্ধিমান মূষিকের দল
    স্মৃতি সত্তা ভবিষ্যতে নিহত হবার আগে
    তোমাদের বলে যাই শোনো

    এই ভাদ্রে কৃষ্ণা অষ্টমীতে,
    এ দেশের কোনো এক মায়ের ক্লান্ত গর্ভে
    জন্ম নেবে
    হ্যামলীনের বাঁশীওয়ালা।
  • ফরিদা | 11.39.32.185 | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ১০:৫৪507546
  • রাজ্যের ঘুম কথা পৃথিবীর যত কাছে রয়েছে মনে করো
    যত অযাত্রা ক্ষত ভরে গেছে বলে অপসৃয়মান ইচ্ছারা
    তাদের তাস দাবা পাশা শেষ হলে তবে যদি ফিরে আসে
    শরীরে পথের দাগ লেগে থাকে, শিয়রে সংক্রান্তির গাজন
    উৎসব বিপুল চৈত্রমাসে তোমাকে ডাকতে গিয়ে বহুদিন
    ঘরছাড়া ছিল। জানি না কোথায় এখন, কাকে ভালবাসে?

    তুমিও জলের ছদ্মবেশে থাকো আজকাল যদিও শুনিনি
    কখনো গুণিনি কত ঝরা পাতা কতখানি পৃথিবী ঢেকেছে
    মধুমাস ফিরে গেছে, দিন দুই হল, তার সুললিত চাহনি
    লেগে আছে জলার গভীরে যেন বাণিজ্যপ্রাণ তবু ধীরলয়ে
    সাজানো বাগানে আসে এলোমেলো হাওয়া ভুল ঠোঁটে
    জল বাষ্প মাখা ঋণ আকাঙ্খা থেকে অল্প স্বল্প নিয়ে
    ছবিটি সাজালো। তুমি বলো, শেষবার এসেছিলে যখন
    তার থেকে কতদূর সরে গেছে জল, আমাদের সহায় সম্বলও?
  • ফরিদা | 11.39.32.185 | ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ১১:০৫507547
  • অচেনা দুরন্ত নদীর সঙ্গে আলস্য পাতিয়েছি আমি
    যখন সে নেচে নেচে হাসিটুকু ছুঁড়ে দেয় তীক্ষ্ণ ছুরিতে
    জলের ফোঁটার সঙ্গে কপালের অলিগলিতে অকারণ।
    পাহাড়ি রাস্তায় ঘুরে ঘুরে চলাফেরা সম্পর্ক হল কাঠের বেঞ্চি
    সেখানেও বসতে হয় দু-দন্ড কুশলের আদানপ্রদান
    ক্যমেরার লেন্স মোছার কাপড়টা রেখে দেয় যেন অভিজ্ঞান।

    টুপিওলা, স্কুল পোশাকের বালক বালিকারা উলোঝুলো কুকুর
    ট্যুরিস্ট জটলা, অফিসের পথে সশব্দ পাখিরা নানাবিধ সুর
    চেনা পরিচিতি হলে মামাতো পিসতুতো জ্ঞাতি গুষ্টি হয়ে যায়
    আসনটি পেতে ডেকে বসিয়েছে, চায়ের খবর গেল ভিতরবাড়িতে
    খাওয়া জোটে, কোথাও বা ভরপেট ঘুম ভাঙিয়েছে কাঞ্চনজঙ্ঘা
    তার জাঁকালো দালানের সোনা বাড়ির খবর নিল কলকাতা, গঙ্গা।
    চেনা পরিচিতি থেকে কত কথা অকারণ চারদিন এমন সফরে
    যাবতীয় বেড়ানর ছবি আরো একবার ডুবে যায় পরিবার গহ্বরে।
  • ফরিদা | 192.68.201.72 | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ১৭:৩২507548
  • যতই দুর্বোধ্য বলো সব কটা কবিতাই তোমাকে বোঝাতে চাই আমি
    যতিচিহ্ন এলে লালবাতি পেলে থামি, ফাঁকা রাস্তায় গাড়ি উড়িয়ে চালিয়েছি
    তোমাকে বোঝাতে গিয়ে কবিতাকে সিমেণ্ট ঢালাই করে ঘর বানিয়েছি।

    তবু দেখো একই রাস্তায় রোজ রোজ হেঁটে গেলে তুমি কি ক্লান্ত হবে না?
    তোমার ইচ্ছে মতো শহরের অলিগলি হয়ে রাজপথ সোরগোল
    কিম্বা সমুদ্রধারে বাতিঘর অভিমুখী যে রাস্তা একলা গিয়েছে দূরে
    যেদিন মেঘলা ছিল, ঢেউগুলি আনন্দ বিহ্বল।

    কিছুটা স্বার্থ মেশে যখন ছোটাই গাড়ি
    নিজের ঘরের দিকে অন্য রাস্তার ছদ্মবেশে
    বড় রাস্তা ছেড়ে ছোটো রাস্তা হয়ে সুঁড়িপথে নিজের উঠোনে
    সে বাড়ির ঘরগুলি আজকাল একা একা কড়িকাঠ গোণে
    দেওয়ালের ফাটলে বেড়েছে বটের চারা পূর্বজন্ম পাপ
    পিছনের জঙ্গল দেখিয়ে বলেছি ওইখানে বসতি করে পারিবারিক বাস্তুসাপ।

    জানি তুমি সময়টি দেবে কূলদেবতার কাছে দৈনিক ফুল জল বেলপাতা বাতাসা।
    কবিতার মানেই হয় না, সেইটা বোঝাতে গিয়ে কোনোমতে কাছাকাছি আসা।
  • sosen | 78.105.152.253 | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ০৯:৫২507549
  • এই তো এখনি পুজোয় বসেছি, এখন আর নয় ,শব্দ করিসনা, ডাকিসনা বার বার, এইসব বলতে বলতে বাইরের ঘর জুড়ে সুপ্রচুর সাইরেন বেজে ওঠে। অ্যাম্বুলেন্স? ট্রাঙ্কের ডালা তুললে প্রবাস ছিটকে আসে, চেপে রাখা প্লাম্বিং ফল্টের মতো , বাংলা আমাকে ছেড়ে চলে যায়। আমি পেট দুই হাতে চেপে ধরে উলটপালট খাই বিছানায়, ছিঁড়ে যায় , ছিঁড়ে যাচ্ছে নাড়ি, যন্ত্রণায় ঘেমে ওঠে মুখ। এই ঠোঁটে শব্দ নেই, শুধু স্ক্যালপেল নিয়ে ছুটে আসে বিদেশী প্রহর; আমাকে আগুন দাও, ডোবা দাও, পার্কস্ট্রীট, শহরের একপ্রান্ত থেকে রোদে মুখ লাল করে ভালোবাসা ছুটে আসছে অফিসের কাজ ফাঁকি দিয়ে; ধরে রাখো, ধরে রাখো গর্ভের জলের মধ্যে, ওকে কেউ আদর করেনি কতোকাল-কতোকাল দুই হাতে মুঠো করে অক্ষরের ইমার্জেন্সি চেন, টেনে ট্রেন থামায়নি কেউ। আমার বুকের থেকে দুধ ঝরে কাগজেরা ভিজে যায়, সোঁদা গন্ধ, নীল কালি, হেমন্তের বিকেলের ভুলে যাওয়া চিঠি। কথা ছিলো, আসে নাই, পোস্টম্যান মরে গেছে কবে।
  • Atoz | 161.141.84.176 | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ০৬:০১507551
  • হারিয়ে গেছল। তুললাম।
  • ফরিদা | 192.68.111.65 | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ২১:০০507552
  • কারোর কারোর হঠাৎ তালি বাজলেই কলকাতার দরজা খুলে যায়
    আচমকা ফটাফট আলো জ্বলে গেলে সবকটা ঘুপচি ভিজে বারান্দায়
    বসে থাকা রাতচরা অসম্ভব বিরক্তি নিয়ে ঘুরঘুট্টির দিকে উড়ে গেল।
    প্রচণ্ড বিস্বাদ দিনেও গালাগাল দিলে রোলের দোকানের পাশেই
    চাপাকল উপছিয়ে ঘোলা জল ছুটে গেল হ্যারিসন রোড দিয়ে
    রঙ সাইডেই টলমলে সাইকেলে কেস দিতে কেউ কোত্থাও নেই তবু
    প্রচণ্ড ঝড় আসবে বলে সংবাদ। সকলের চোখে মুখে মতলবী হাসি
    দু হাতে ব্যাগের ভারে, নুব্জতায় শুরু হল আচমকা পুরনো কাশি।

    কেন এত দোকানের ভিড়? কেন এত সওয়ার রাস্তায় কীসের ব্যস্ততা
    প্রত্যেকে নিজস্ব আয়নায় ঘুরে বেড়িয়েছে মস্ত সরকারী মাছির মতোই
    আর দু হাতে কুড়িয়েছে এঁটো ঘাম, নোনা জিভ আর বাতিল কাগজ
    না, কোনো চিঠি নেই – ঘোরপ্যাঁচ নেই, গতকাল ডালটায় টক গন্ধ ছিল
    না খেলেও হতো। এইভাবে টিকবে শরীর, ঢিসঢিসে? যাই বলো –
    একদিন ফট করে তালি বাজলেই দরজাটি খুলবে কলকাতা শাশ্বত।
  • ফরিদা | 192.68.111.65 | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ২১:১৭507553
  • অনন্ত পৃথিবীর পথে রাত্রিরা নেমেছে আজ পায়ে পায়ে
    একজন দু’জন থেকে দলে ভারী হয়েছিল যেন
    গাছেরা শিউরে ওঠে, বাসায় পাখিরা ফেরে তড়িঘড়ি।
    আমিও ফিরতে চাই, যদি তার প্রয়োজন ছিল না এখনো।

    তুমি তো বলতে পারতে, কোনখানে যেতে পারি সহজেই
    জলের ফোঁটার মতো অনায়াস দাগ রেখে রেখে মুছে গিয়ে
    আগুন যেদিকে যায়, হাঁ মুখে লালায়িত জন্ম ক্ষুধার্ত রোখ
    খিদে টিদে মিটে গেলে মরে যায় আচমকা লোক।

    এখনো এসব দিনে এমনিতে রাত করে রাত হয়,
    মিশকালো গণিতে অনায়াসে মিশে যায় সমুদ্রফেনা
    স্মিত ভাষ, কিছুটা তাচ্ছিল্য নিয়ে নৌকায় ভাসমান
    তুমি ও তোমার অজস্র হীরের টুকরো আলোর ডানা
    ছড়িয়েছে মেঘ দুই হাতে তালি দিয়ে দিয়ে
    আসন্ন বৃষ্টির মতো ফুটপাথে দাঁড়িয়ে রয়েছি আমি
    রাস্তা পেরোতে গিয়ে দেখা হয় মাঝে মাঝে
    চোখে চোখ লাগে, পুড়ে যায় অনন্ত কেবিনের জানলা
    সাঁজোয়া গাড়িরা আসে, পুলিশেরা শিকারী কুকুর নিয়ে দুইবেলা

    আমাকে যেতেই হবে আজকেই, এক্ষুণি,
    অমারাত, ঝড়বৃষ্টি যানজট কপালে যা যা আছে সব মাথায় নিয়ে
    পৌঁছতে জ্বলন্ত প্ল্যাটফর্মে, শেষতম লোকালের কোলে
    তুমিও আসবে জানি সেইখানে বৃষ্টির মরশুম ফুরোলে।
  • Tim | 108.228.61.183 | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ১১:৪৫507554
  • এখন আমার কাছে বসে আছে-
    কিছুটা সময়। আলনার নিচে রাখা জুতোজোড়া
    এই বৃষ্টিতে । বাহারি ছাতার ঘের, সুতো উঠে আসা ভিজে স্নেহ। এই দেহ, এই ঘর এখানেই বরাবর সব
    সবকিছু পড়ে আছে, মাচায় লতানে অবয়ব

    এখন আমার কাছে বসেছে সে-
    কিছুটা সময়। রামধনু মেঘ মেঘ মোচড়ে
    অসুখ বিষময়। পাহাড়ি খাড়াই পথ, তারে মেলা
    হাতের আদল। এই শ্বাস, এই বাড়ি এখানেই শিকড়ের
    আশ। সব নিয়ে বসে আছে তার কাছে আসার সময়।

    এখন আমার কাজ নেই হয়ে রাখা আছে
    কিছুটা সময়। জানলার নিচে ঘন ঘাসবনে
    ফুলকির মত। আকাশে সবুজ ছিটে, পাখীডাক
    অমৃত নিশীথে। এই স্বর এই গান এখানেই শূন্য
    বাসরে; ঢাকা দিয়ে রাখা আছে তার সাথে কিছুটা সময়।
  • ফরিদা | 192.68.224.16 | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ২১:৫১507555
  • যেসব গান আমাকে ফালা ফালা করে কেটে প্রতিটি টুকরোতে
    যত্ন করে মাখিয়েছে নুন মরিচের গুঁড়ো, আর শালপাতায় পাকিয়ে
    যেসব গান আমাকে স্বাদুতর করে তোমাকে ক্ষুধার্ত দেখে
    ছায়া দেয় কপালে, মাথায়, হঠাৎ মেঘ করে আসে – ঝিরঝিরে বৃষ্টিরা
    মুখে তোলো দু এক টুকরো তুমি, ঝালে হাঁসফাঁস করে উঠলেও
    ফেলে দিতে পারো না কখনো – ফিরে আসো প্রতিদিন গানের বিকেলে।

    সেইমতো, সেইসব গানে আমার প্রতিটি টুকরো চেপে বসে থাকে
    ছুরির ফলার ওপরে গানের ভিতর যাতায়াত চলে অনায়াসে

    সেইসব গানও পুরনো হয় একদিন – ততদিনে আমি কুঁচি কুঁচি
    ধার কমে গেছে এতদিনে – ভীষণ যত্ন নিয়ে আমি ওর মরচে দাগ মুছি।
  • 0 | 123.21.65.134 | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ২২:৪৯507556
  • এখানটায় এলেই দেখি অনেকটা সময় আর বাইরেসবকিছুভুলেযাওয়া টাইপের মনযোগ নিয়ে আসতে হয়। বসলাম আর ঝট্‌পট্‌ দু'চার পেগ্‌ মেরে বেরিয়ে গেলাম - এটা যাস্ট্‌ অসম্ভব। অদ্ভুত একটা গিল্টি-ফিলিং কাজ করতে থাকে :-(
  • ফরিদা | 192.68.188.14 | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ০৬:৪৫507557
  • দাবী

    যে কোনো মদকেই যে কবিতা বলতে হবে সে দাবী করি না
    তবে কবিতা হলেই সে যেন টলমল দুলে যেতে পারে অকারণে
    মধ্যরাতে চলন্ত ট্রেনের মধ্যে ঘুম ভেঙে ঘটাং ঘটাং শব্দের ব্রীজ
    পেরিয়েছে কোনো অচেনা নদীটির – তাকে সেতুবন্ধ করে নিতে হবে।

    বাঁক ঘুরলেই আচমকা পাহাড়ের মতো সামনে দাঁড়াবে সে
    কাছে গেলে পাওয়া যাবে খাঁজখোঁজ, বুনো গন্ধ পাহাড়ি ফুলের
    ঘন জঙ্গল পেরিয়ে শিখরেই অপেক্ষা করে রোদ্দুর শিরশিরে হাওয়া
    যে কোনো পাহাড়কেই কবিতা বলি না তাও কবিতাকে পাহাড় হতে হবে

    আড্ডায় দলছুট লাগে, হঠাৎ পুরনো কেউ ফোন করে ফেলে ভুল করে
    বাজারের ফেরার পথে একগোছা রজনীগন্ধা, সেদিনেই কালবৈশাখী
    অনেক পুরনো গান সেই জলে বীজটি ফাটিয়ে লকলকে চারা এনে দিল
    যে কোনো প্রাপ্তি হয়ত কবিতা নয় – তবু তাকে তৃপ্তি এনে দিতে হবে।

    বিছানা দুলিয়ে দেবে, দুর্গম পাহাড়েও সিঁড়ি খুঁজে দেবে, গরমের দিনে
    কালবৈশাখী, শীতের রৌদ্রকরোজ্জ্বল দিন, পুরনো বন্ধুদের অনায়াসে,
    বাসে উঠেই জানলার ধারের সীট, সুন্দরী সহযাত্রীর কোলে অতি প্রিয় বই
    এমন কী যেসব ইচ্ছের কথা ভাবতেও পারিনি সেইসব বুঝে, হাজির করাবে
    যে কোনো মৃত্যুই হয়ত কবিতা নয় তবু, কবিতাকে মৃত্যু হতে হবে।
  • nabagata | 24.139.222.66 | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ১০:৩৯507558
  • ফেরা তো হয় না কারো, প্রারম্ভবিন্দুতে। এমনকি বৃত্তপথে ঘুরে
    এলেও অগোচরে সামান্য বিচ্যুতি। হাতে হাত রেখে, সমান্তরাল আবর্তন
    শেষে অনিবার্য ব্যবধান-- মাঝের শূন্যতায় আকুলতার চুম্বক-টান
    হলোনমি - জ্যামিতির অমোঘ নিয়মে! বক্রতাই দায়ী এ জন্যে , সরল
    সমতলে এসব ঝামেলা হতনা; অথচ বক্রতার জন্যই ব্রম্ভান্ডে
    মহাকর্ষ, দেশকাল-তল নুয়ে আসে নিবিড় মেঘের মত
    ঘন সন্নিবেশে। শূন্য হতে, এভাবেই, ভালবাসার জন্ম হয়.
  • b | 135.20.82.164 | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ১১:০৬507559
  • দারুণ, নাবাগত। বিনয় মজুমদারকে মনে করিয়ে দিলেন।
  • Arpan | 125.118.175.17 | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ১১:১৪507560
  • হ্যাঁ, পুরো বিনয় মজুমদার।
  • nabagata | 24.139.222.66 | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ১২:১০507562
  • dhannyabad
  • শ্ব | 125.99.196.27 | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ১৮:২০507563
  • Kaju | 131.242.160.210 | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ১৮:৪৬507564
  • একুবাউ ইজ জাস্ট গ্রেইট মাইরি ! কবিতাকে কথ্য ভাষার লাল ফিতের ফাঁস থেকে এক ঝটকায় মুক্ত করে দিলেন।
  • Tim | 140.126.225.237 | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ১৯:৪৬507565
  • নবাগত, ভালো লাগলো । আরো হোক
  • sosen | 177.96.112.117 | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ২০:১৬507566
  • তখনো আবদ্ধ ছিল টিউমারে দগ্ধতার রেশ। পাড়ার ওপাশ থেকে হেঁকে বলে গিয়েছিলো সাতটার হাটুরে লোকাল; ভেন্ডার থইথই করে ছানার জল ভেসেছে, রূপোলি পাখনা মেলে সাঁতারে নামতে হলে মেখে এসো সানস্ক্রিন। পোড়া চামড়ার নিচে টক জল আকুলি বিকুলি করে, ওরে তোরা ছেড়ে দে আমায় সখি, এখনো সময় আছে স্মরণের, বিস্মৃতির, শরীরের সব ছিদ্র জুড়ে বহ্ন্যুৎসব শুরু হবে জানি, কিন্তু বাঁশি এখনো বাজে নি। এখনো পেটের মধ্যে অনেকটা খালি মাঠ, যোনি জুড়ে এখনো শুকনো শূন্য সকালের মিষ্টান্ন ভান্ডার। সব ট্রেতে এখনো মাছিরা বসেনি দিন শুরু হয়নি ওদেরও-আজো যদি অভিসারে না যায় রাই, কবে যাবে আর বল? ডি এন আর ভিজে যাচ্ছে ছানার অহেতু জলে, অপচয় রাত ভোর, দিন ভোর- কানু বিনে মফস্বল, কর্কটে বোঝাই হয়ে থাকে।
  • ranjan roy | 192.69.73.221 | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ২৩:২১507567
  • বৃষ্টি ঝরে আরাবল্লী পর্বতমালায়
    ===================
    একটু জায়গা দাও ,
    হে দিল্লি শহর!
    পা ফেলতে চাই।
    না, না -এক জোড়া নয়
    এক পা এক পা করে।

    আমাকে করুণা কর
    হে দিল্লি শহর,
    আমি শ্বাস নিতে চাই
    না, না--এক জোড়া নয়
    একবুক ভরে।

    এ রাস্তা কোথায় যাবে?
    পথ জুড়ে পঙ্গপাল
    ঝাঁকে ঝাঁকে, অস্থির ভ্রূকুটি
    আর ধাতব গোঙানি।
    দয়া কর, দয়া কর হে শহর!

    পথ ছাড় পথ ছাড়!
    সগর্জনে বলে,- ওরা কারা?
    ব্যালে ড্যান্সারের মত চটুল পদক্ষেপে
    বঙ্কিম বিভঙ্গে চলে যায়,
    ওরা কারা?

    হে রাজধানী, আমি নতজানু।
    নিয়ে এসো 'আচ্ছে দিন' ,
    নিয়ে এসো সগৌরবে,
    নিয়ে এসো ধামসা মাদলে।
    এ ভারত স্বচ্ছ হোক,
    সবার জীবন হোক সুরক্ষিত
    কোন ইন্দ্রজালে।

    গাভীরা দুগ্ধবতী, গাছেরা দিয়েছে ছায়া
    ফুলে ফুলে পরাগমিলন;
    কিন্তু তার আগে আনো
    আরাবল্লী পাহাড়েতে স্নিগ্ধ বরিষণ।
  • pi | 24.139.209.3 | ০৪ অক্টোবর ২০১৫ ১৮:৩৯507568
  • রঞ্জনদা, তুলে দিলাম।
  • Sambuddha D. Gupta | 132.162.85.14 | ০৭ অক্টোবর ২০১৫ ১৯:৩১507569
  • উড়ছে ধুলো বইমেলাতে
    উড়ছে ধুলো বইমেলাতে
    উড়ছে হাওয়া উড়ছে কবি
    ছুটছে লেখক ছুটছে রঙিন
    ছবির মতন জীবন যদি।
    এইভাবেতেই কফির সাথেই
    মনের যদি রঙিন ধুলো,
    আসতে যেতে পথের সবই
    আর দেরী নয়, স্বপ্নে রঙিন
    উড়ছে কবি আর দেরী নয়
    নতুন হাওয়ায় ভাসছে সবই
    বইমেলাতে আবার ধুলোয়
    উড়বে কবি উড়বে ছবি।

    সম্বুদ্ধ দত্তগুপ্ত
  • ranjan roy | 132.162.250.249 | ০৭ অক্টোবর ২০১৫ ২৩:০০507570
  • আরো হোক।ঃ)))
  • sosen | 78.105.152.253 | ০৯ অক্টোবর ২০১৫ ০৭:৫৭507571
  • নিজের দিকে সন্দেহাকুল চোখে
    তাকিয়ে সেদিন বালক বলেছিল
    এরম করেই---
    এরম করেই খাতার নিচে
    আরেকখাতা চাপা দেওয়া থাকে
    ধোঁয়া ওঠা গরম লেখা। সে কি আমার?
    অন্য কারোর হবে
    ভালোবাসি, কিন্তু আমায় কেউ বলেনি এইখানে থাক
    বুকের মধ্যে,ছোট্টো হয়ে, আরো ছোটো
    আমি কি ওর? অন্য কারোর হবো
    অন্য কোথাও, অন্য লেখায়, আগুন কিম্বা জলের মধ্যে
    বাথটবের জলে ডুবতে গিয়ে মরতে মরতে
    হঠাৎ জেগে, নমাস জোড়া জলের সাগর ভাঙতে ভাঙতে
    নিজেই নিজের শিশু হয়ে জাগতে জাগতে জাগতে জাগতে

    অন্য কারোর, অন্য কিছুর, মৃত্যু কিংবা নগ্ন হাতে
    শরীর ঢেকে ফেসবুকেতে দাঁড়িয়ে থাকার
    অপমানের, কিংবা রোজই
    হারিয়ে ফেলার, হারিয়ে যাওয়ার
    বিষের সাগর, মারের সাগর পাড়ি দেওয়ার

    এককোণেতে চুপসানো মুখ
    দাঁড়িয়ে আজও বলছে বালক,
    এই তো আমার মুঠো ভরে ধরছি তোকে, ভরছি তোকে
    আর কোথা নয়, অন্য কোথাও কক্ষণো নয়
    এইখানে থাক। এইখানেতে।
  • ফরিদা | 192.68.85.247 | ১০ অক্টোবর ২০১৫ ০৮:৩৩507574
  • পুজো আসছে, দরজার বাইরে খোঁচাখোঁচা কাঁচাপাকা ঘাসজমিতে
    সকাল সকাল শিউলির নামাবলী গায়ে খঞ্জনি বাজিয়েছে
    একচিলতে রোগাভোগা বৃদ্ধ রোদ্দুর –
    তুমি এখন ঘুমের মধ্যে যাকে শুনতে পাচ্ছ
    ওঠো, যাও, বচ্ছরকার দিন বলে কথা,

    আজ অন্ততঃ দরজা খুলে দাও।
  • করোনা ভাইরাস

  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত