• টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। যে কোনো নতুন আলোচনা শুরু করার আগে পুরোনো লিস্টি ধরে একবার একই বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়ে গেছে কিনা দেখে নিলে ভালো হয়। পড়ুন, আর নতুন আলোচনা শুরু করার জন্য "নতুন আলোচনা" বোতামে ক্লিক করুন। দেখবেন বাংলা লেখার মতো নিজের মতামতকে জগৎসভায় ছড়িয়ে দেওয়াও জলের মতো সোজা।
  • পর্বে পর্বে কবিতা - তৃতীয় পর্ব

    pi
    বিভাগ : অন্যান্য | ১৭ ডিসেম্বর ২০১১ | ৪০৬৬ বার পঠিত
আরও পড়ুন
করোনা - pi
  • আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা ভাইরাস

  • ফরিদা | 192.68.155.18 | ২১ মে ২০১৫ ২২:৪২507408
  • আমি জানি তুমি যে জমাতে তাকে রুমাল মুঠিতে
    তোলপাড় দুপুরের শেষতম লুডোর ঘুটিতে
    তাকে বোলো আমি আজকাল – বেরোই না রাস্তায়
    এত জঞ্জাল – দু-হাতে নিবিড় করে কিছু পাই নি আর
    মুঠো ভরে ধুলোতে মিশেছি
    ওই পথঘাট, তুমি চেনো বুঝি?
    ওই নদী, ওই চেহারাটি – ঝড় জলে হেঁটে গেল
    বাজারের দিকে - তুমি শুধু পাঁপড়ের কথা
    এঁটো হাতে, বলেছিলে বলে

    আমি নই, ওই মানুষের চেনাশোনা।
    আমি নই দূরতম কথা – যাকে তুমি শুনতে চেয়েছ
    আমি নই – কানাকড়ি মাঠঘাট, ধুলোটে রাস্তা
    যাকে তুমি জানো বলে জানি আর কাছাকাছি আসি
    নিজের কাছেই দেখি কেউ হেঁটে যায় চলে, ফেরে, বলে –
    তুমিও জানোনা ঠিক – কতটা রাস্তা লাগে, মানুষের মৃদু চলাচলে।
  • ফরিদা | 192.68.158.135 | ২৪ মে ২০১৫ ০৯:০৬507409
  • ট্রেনের মতোই তুমি, মধ্যরাত, লোকজন ভিড়টিড় নিয়ে যতো গুছিয়ে বসেছ অনন্তে একদা। মাঝে মাঝে নড়ে ওঠো –

    অনন্ত সময় ধরে বুকস্টলে স্থিরচিত্রের মতো – কেউ পাতা উলটিয়ে দেখছিল পত্রিকাটির – দেখে গেছে বহুদিন – কেউ শুধু শুধু আড়চোখে নিরাপদে তাকিয়েছে সিনেমার তারকার ছবিটির দিকে শুধু সেই প্রচ্ছদে, একমনে। অনেক ভিড়ের মধ্যে যে ভাবে তোমাকে দেখেছি আমি গত ফাল্গুনে।

    বিরক্ত মুখ দোকানির। ডান হাতে দাঁতে কাঠি গুঁজে খুঁজে খুঁজে পৌছতে চায় তার সমস্যার দোরগোড়ায়। সাদামাটা ক্ষয়াটে বস্ত্রে, মাঝে মাঝে মাছিও তাড়িয়েছে সে বাম হাতে কাগজের অস্ত্রে।

    দলছুট খাদ্যকণিকা –লালায়িত হয়ে নেশাতুর – তবু ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাকিদের মতো ঘুরে ঘুরে সুস্বাদুতর গহ্বরে নেমে যাতে চায় নি। গেরিলা কায়দায় দাঁতের এক কোণে থানা গেড়ে বসেছিল সে।

    সারারাত কেটে গেছে – কিছুটা গেঁজেছে, দল ভারি, তাই – পুলিশের মতো কাঠি তদন্তে এসেছে। দাঁতের প্রতিটি কোণে চিরুনি তল্লাশি চলে দেখি সারাদিন ধরে। জিভ এই কাজে তাকে প্রভূত সাহায্য করে।

    যখন পুলিশ প্রায় কাছাকাছি - দাঁতের গোপনতম অন্ধ গুহার থেকে বের করবেই তাকে – তখনি দোকানে কেউ এসে খোঁজ করে কবিতার বই –

    এইভাবে বিপ্লবী আরো কিছু ঘন্টার জন্য বেঁচে যায়। দেখি।

    যত বড় জংশন, প্লাটফর্মে তত বেশি মানুষ বসেছে প্রায় সংসার নিয়ে। বাটি থেকে জলে ভেজা মুড়ি সব বাচ্চা মেয়েটি যেই ছড়িয়েছে – রোগা মা তার বাকি কাজ ফেলে দু ঘা লাগিয়েছে পিঠে তার। শিশুটির মুখ থেকে সাদা লালা ভেজা মুড়ি ঝরে পড়ে – থুৎনিতে। আগের কান্নার দাগে দাগে পা রেখে চোখের জলটি নামে –

    সেই মায়ের চায়ের কাপ উল্টিয়ে ময়লা চাদরেও রেখে দেয় দাগ। অনন্ত রাত্রির অপেক্ষা জংশন প্লাটফর্মে।

    বুহুযুগ পরে, ট্রেন আসে। থামে। তারও পরে নড়ে ওঠে। গা ছাড়া দিয়ে কুড়িয়ে বাড়িয়ে নিয়ে চলে যায় ওই স্টেশনের ঠোঁটে যারা আটকিয়ে ছিল বহুদিন ধরে।
  • sosen | 212.142.69.19 | ২৪ মে ২০১৫ ১০:২১507410
  • ফরিদা, সেকেন্ড ওয়ান , গা ছাড়া, না গা ঝাড়া?
  • ফরিদা | 11.39.32.203 | ২৪ মে ২০১৫ ১০:৩৯507411
  • গা ঝাড়া - হবে। থাঙ্কু।
  • pi | 116.218.15.77 | ২৪ মে ২০১৫ ১৭:২৪507412
  • অনেকবার পড়লাম, ফরিদাদা।
  • Soumyadeep Bandyopadhyay | 127.194.105.9 | ২৮ মে ২০১৫ ২২:৩৮507413
  • নোনা হাওয়া হয়ে ভাসে ডাকনাম
    বুক খুঁড়ে খোঁজে প্রত্ন চিন্হ অল্প
    জালে পড়া মাছ শেষ আলো মাখে পাখনায়
    কাগজের ঠোঙ্গা হয়ে ওড়ে সংকল্প

    সাদা পতাকার মতো তার স্কার্ফ ওড়ে
    পাথর শরীরে ফেনা ভাঙ্গে. নাচে ,ভাসে
    জরুরী সময় অক্ষরে অক্ষরে
    বালি ঘড়ি দেখে সন্ধের অবকাশে

    আকাশ পাত্রে উল্কাভস্ম জমে
    শ্যাওলা নরম মোজা বিস্ময়ে স্থানু
    দুরন্ত চাঁদ ধীরে ধীরে নামে সমে
    জল ছোঁয় কিশোরীর অনাঘ্রাতা জানু
  • ফরিদা | 192.68.207.3 | ৩০ মে ২০১৫ ০৯:২১507414
  • রাস্তায় সবাই নেমেছে

    চলে যেতে দেখেছ আমাকে, অন্ততঃ, একবার ভাবো –

    রাস্তায় শব্দ নেমেছে, যদি লিখি, তোমায় শোনাবো।

    পৃথিবীতে ঘুম সন্ধ্যার, পরমায়ু এখনো রঙিন

    তবু কিছু ছায়ার আঁধার যেন তার প্রতিমার ঋণ

    বাকি ছিল, ঢেউ গুণে গুণে, এখন কিছুটা শোধবোধ

    তুমিও কি একলা হাঁটোনি – একটাই ছিল অনুরোধ।

    কতদিন এসব ভেবেছি – কতদিন বারান্দা জুড়ে

    বৃষ্টিতে শব্দ ছুঁড়েছি যদি ফেরো আবার পাহাড়ে

    বামদিকে নেমেছিল খাদ ডানে ছিল উথাল পাথর

    পরের বাঁকেই চিল ছাদ ওইখানে তোমার শহর –

    ঘুমিয়েছে বুঝি রাত করে তাকে ফের কেন বা জাগানো -

    রাস্তাটি এসব বোঝালো তাই লিখি – ধুলোতে গড়ানো

    শব্দ পেয়েছো তুমি – সে তোমাকে বাইরে ডেকেছে

    তাকে তুমি চলে যেতে দিও – রাস্তায় সবাই নেমেছে।
  • aranya | 83.197.98.233 | ৩১ মে ২০১৫ ০৮:১৬507415
  • ভাল লাগল ফরিদা-র , সৌম্যদীপের লেখা
  • শ্ব | 24.99.151.23 | ৩১ মে ২০১৫ ১৭:০৮507416
  • `
    ~

    রোজ দুপুরের দিকে কিছু একটা আসে

    লাল আর বেগুনি মেশানো
    চটপট
    ভুলে যাওয়ার আগে লিখে রাখি

    গায়ে বেলমেটালের আঁশ মূর্তি না বেলুনের ছানা ?
  • Soumyadeep Bandyopadhyay | 127.194.97.72 | ৩১ মে ২০১৫ ১৮:৪০507418
  • হঠাত পাওয়া বৃষ্টি ছাটে ভিজছে ধুসর শালিক দুয়েক
    তেমন করেই ইচ্ছে দানা ফুটুক তোমার শরীর ছুঁয়ে
    মেঘরা যখন মল্লারেতে আকাশসভায় স্বয়ংবরা
    চড়াও জানে বিপজ্জনক, নদীর সাথে বসত করা

    ঝামরে পড়া সিক্ত কণায় দূরের আকাশ পর্দানশীন
    কাঁচের আড়াল, ঝড়ের ডাকে উথাল পাথাল অষ্টদশী
    জলের ঘ্রাণে ঘূর্ণীমাদক পাগল পারা সুপ্ত নদী
    জগদ্দলের পাথর ছেঁচে কাদার মোরাম পথ করে দিক

    জল টলমল চাঁদের ঘরে চলকে বেড়ায় আদর কুচি
    মেদুর শ্বাসে থমকে থাকে বিষন্নতার কর্ম সূচী
    ঢেউএর তালে নৌকা শরীর আঁকছে ছবি নিরুদ্দেশের
    ছবির কোনো রং হয় না , জলের শরীর জলেই মেশে
  • শ্ব | 24.99.189.17 | ০২ জুন ২০১৫ ০৫:১৪507419
  • এইআরকি #২
    ___________________

    আমি যদি কখনো বেভ্ভুল হয়ে
    হাঁটতেহাঁ
    টতে
    কলার খোসায় পা পিছলে পরে যাই ,
    আগে থেকে দাওয়াত রইলো
    সবাই কাইন্ডলি পেটভরে হাসবেন ।

    তারপর এগিয়ে এসে জিগালেন
    সব ঠিকঠাক তো ,
    এটুকুই যথেষ্ট ;তাইবলে হাসবেন্না এমন্নয় ।

    আমিও কেও ওরকম আচমকা ধপাস হলে
    তাই দেখে ফ্যাচফ্যাচ করে হেসে
    থাকি হাসি পেলে হাসব না কীআচ্চজ্জো !
  • ranjan roy | 192.69.154.221 | ০৩ জুন ২০১৫ ১৭:৫৭507420
  • মন খারাপের দিন
    ===========
    সবাই ----চতুর হাতে বুঝছে দেখ হিসেব-নিকেশ,
    সবাই----- কেমন খুশি, ঠোঁটে এঁটো হাসি সরেশ।
    সবাই---- নিচ্ছে মেনে, এই তো জীবন, এ'রম বটে,
    সবাই-- - পানসি চালায় বেলঘরিয়া! খবর রটে।
    সবাই--- বাসছে ভালো, জ্বলছে আলো, ঘরের কোণে,
    সাবাই- -- দেখছে কি আর? একটি শামা প্রহর গোণে।
    সবাই---- আসর জমায় ধিতাং ধিতাং নেত্য হবে,
    সবাই--- এ তো জানাই এই রোশনাই ফুরিয়ে যাবে।
    সবাই--- দেঁতো হাসি, কচলানো হাত লুকোয় ছুরি,
    সবাই-- --দেখতে না পায় চিল-শকুনের ওড়াউড়ি।

    তবে----- আমিই কেন ভ্যাটকাই মুখ? দিনটা খারাপ?
    আছে-- কটা মাথা আমার ঘাড়ে? আর কয় বাপ?
  • ধুরন্ধর ঝাঁট | 127.194.119.157 | ০৩ জুন ২০১৫ ২১:৩৪507421
  • ভয়ার

    সকাল বেলা খাচ্ছি গিলে হিসেবমত ভয়ের ডায়েট
    ডাক্তারেতে বলছে হেসে কমাও এবার গত্তি গায়ে
    হাফ গ্লাসময় ভয়ের জুস , ভালো করে কচলে নিও
    সুগার ফ্রি তে বন্দী রাখো সাহস চামচ নিন্দনীয়
    মাখছি হাতে ভয়ের আতপ ,ত্যালত্যালে ডাল কাপের হাফে
    শাওয়ার হয়ে ভয়ের ধারা ধরছে ঠেসে কেমন ঠাপে
    ভয়ের ভারে অর্ধনত আপোসকামী ডুয়াল কলার
    ভয়ের চোটে ওয়েষ্টে লো হচ্ছে আমার নীচের তলা
    দারুণ ভয়ে চোখ নামিয়ে সেঁদিয়ে থাকি অটোর কোনে
    দুনিয়া জুড়ে ভয়ের তাড়স উঠছে ফুটে মুঠোর ফোনে
    বসের ঠাপন খাচ্ছি ভয়ে মই ও ময়াল কক্ষে
    বগবগিয়ে ভয়ের ঢেঁকুর চোঁয়ায় গলায় বক্ষে
    ফিরছি রাতে ভয়ের গলি অন্ধকারের ধুকপুকে
    আধমরা এই মধ্যজীবন ঘাই মারে আজ ভয় সুখে
    ঘুমের আগে ভয়ের মাজন প্রমোদ কমোড কম্পন
    স্বপ্নে এসে কোমর নাড়ায় ভয়ের জগঝম্প
    ভয়ের শরীর জাপটে ধরে পিছল ঢালে শীঘ্রপতন
    ভয়ের ঘরে ঘোর কাটে না গন্ধে ভিজে নেশার মত
    দৈনন্দিন আদান প্রদান ভয়ের হিসেব সঙ্গীন
    তাই গর্ভে ফিরি আপন করে ভয়ের ভ্রুণ ভঙ্গী
  • ধুরন্ধর ঝাঁট | 127.194.119.157 | ০৩ জুন ২০১৫ ২১:৩৪507422
  • ভয়ার

    সকাল বেলা খাচ্ছি গিলে হিসেবমত ভয়ের ডায়েট
    ডাক্তারেতে বলছে হেসে কমাও এবার গত্তি গায়ে
    হাফ গ্লাসময় ভয়ের জুস , ভালো করে কচলে নিও
    সুগার ফ্রি তে বন্দী রাখো সাহস চামচ নিন্দনীয়
    মাখছি হাতে ভয়ের আতপ ,ত্যালত্যালে ডাল কাপের হাফে
    শাওয়ার হয়ে ভয়ের ধারা ধরছে ঠেসে কেমন ঠাপে
    ভয়ের ভারে অর্ধনত আপোসকামী ডুয়াল কলার
    ভয়ের চোটে ওয়েষ্টে লো হচ্ছে আমার নীচের তলা
    দারুণ ভয়ে চোখ নামিয়ে সেঁদিয়ে থাকি অটোর কোনে
    দুনিয়া জুড়ে ভয়ের তাড়স উঠছে ফুটে মুঠোর ফোনে
    বসের ঠাপন খাচ্ছি ভয়ে মই ও ময়াল কক্ষে
    বগবগিয়ে ভয়ের ঢেঁকুর চোঁয়ায় গলায় বক্ষে
    ফিরছি রাতে ভয়ের গলি অন্ধকারের ধুকপুকে
    আধমরা এই মধ্যজীবন ঘাই মারে আজ ভয় সুখে
    ঘুমের আগে ভয়ের মাজন প্রমোদ কমোড কম্পন
    স্বপ্নে এসে কোমর নাড়ায় ভয়ের জগঝম্প
    ভয়ের শরীর জাপটে ধরে পিছল ঢালে শীঘ্রপতন
    ভয়ের ঘরে ঘোর কাটে না গন্ধে ভিজে নেশার মত
    দৈনন্দিন আদান প্রদান ভয়ের হিসেব সঙ্গীন
    তাই গর্ভে ফিরি আপন করে ভয়ের ভ্রুণ ভঙ্গী
  • Atoz | 161.141.84.175 | ০৯ জুন ২০১৫ ১৯:৪৩507423
  • তুলে দিলাম।
  • শিবাংশু | 127.197.235.12 | ০৯ জুন ২০১৫ ২৩:১৪507424
  • তুমি মেঘ
    ------------------

    তুমি কি অমিয় মেঘ? ধারাপাত বইয়ে তোমার একটা কবিতা লেখা ছিলো। পিছন মলাটে, পেন্সিলে । তুমি আরশির সামনে নিবিড়। ভাসান বৃষ্টি ভেবে রাস্তায় নেমেছো কতোবার।

    তখন কোথায় ছিলে? অথচ তোমার ছবি । চশমায় আলো নেভে। সনাতন রাত্রি যেন পরবাসে মরুজ্যোৎস্নার মতো শাদা। তুমি কি মেঘ কিম্বা একাকী উৎসব।কখনও লিখেই দ্যাখো। লাইকের অভাব হবেনা।

    নিরন্তর প্রিজমবন্দি আলো বেঁকে গেছে গুলাবি তোমার আঁখেঁ। এভাবে কবিতা হয়? বাংলায় ধক কম। ক্যানভাস ছেঁড়া হাওয়াকল যেন। ধ্বসে যায় বসন্তসমীরে।
  • Tim | 101.185.15.80 | ১১ জুন ২০১৫ ২৩:৪৫507425
  • এই যে এখন যাচ্ছি চলে শহর ছেড়ে শহর
    ভোঁতা শিষের সরলরেখা, আলোর বৃত্ত ঘুরে
    কম্পাসে নিব পাল্টে গেছে তুমি ঘুমোও দূরে

    এই যে এখন বৃষ্টি হচ্ছে, ঝড়ের পরে ঝড়
    আসছে ভেবে লাফাচ্ছে দুই দুরন্ত চপ্পলে
    অনন্যোপায় কাদার ছিটে, সমুদ্র ঢেউ তোলে

    এই যে এখন রক্ত ঝরছে শরীর থেকে শরীর
    কাচের টুকরো বুলেট আসতে এখনো দিন দেড়েক
    সেলফিরে দাও সহস্র ক্লিক স্প্লিন্টারে ফিউ পেরেক

    এই যে এখন ঘুমোচ্ছে সব শহর থেকে শহর
    আরামদায়ক বাতাস বইছে নিশ্চুপে নিঃশেষে
    ঘুম এসেছে বিস্ফোরণে অন্ধকারের দেশে
  • rabaahuta | 215.174.22.26 | ১২ জুন ২০১৫ ০২:৪৯507426
  • এইটা অনেকবার করে পড়ছি।
  • ranjan roy | 192.69.154.221 | ১২ জুন ২০১৫ ১৩:২৬507427
  • বেশকিছু দিন পরে টিম একটা দারুণ সুন্দর কবিতা নিয়ে এল।।ঃ))

    টিমের কাছে কিছু ঋণ স্বীকার করি।একজায়গায় ছোটদের জন্যে একটা ছড়া পাঠিয়েছি। তাতে 'হিলতুলিরা হিলহিলিয়ে' শব্দবন্ধ প্রায় সাত-আট বছর আগে টিমের একটি ছড়া থেকে নেওয়া।
    তখন থেকেই অই দুটো শব্দ মাথায় ঘুরছিল।
    যখন ছড়াটায় এই শব্দদুটো এল তখন মনে পড়ল টিমের কাছে--।
  • শিবাংশু | 127.197.251.111 | ১৩ জুন ২০১৫ ১১:১৫507429
  • জন্মদিন
    --------------
    সুচারুদিগন্ত দেখে ভেবেছিলে ঐ মেঘ। আকাশেও বন্যা আসে। জলের সাইরেন , যদি পারো, শুনো। আড়ানা বন্দিশ কিছু ঝমঝম, কোল ভরে যায়
    মাঝে মাঝে মুকুট পরতে ভালো লাগে। তিতিরঘুমের স্বর,ভোরবেলা, এই জন্মদিন। সেদিন মেঘের ছায়া মুকুটে। বারান্দায় সমবেত মোমপ্যারাফিন সব জ্বলে, গান গায় । মেঘের ছায়াই ধরে রেখো, শর্ত রেখোনা
    বনবাংলার চাঁদ বৃক্ষের ঈর্ষায় নীল । আয়ুর স্ফটিক সব উচ্ছ্বল পাথর ভাঙা ধুলো। তাই ভোর, আলোচিঠি । লাল ডাকবাক্স আর নীল নর্মবিষ। এই জন্ম এভাবেই

    ভোর ভই হাওয়া আর দূর থেকে মেঘ এক্সপ্রেস......
  • san | 11.39.33.233 | ১৩ জুন ২০১৫ ১৩:৪৪507430
  • টিমের কবিতা খুবই ভাল লাগল।
  • ফরিদা | 127.194.48.245 | ১৫ জুন ২০১৫ ১৪:০২507431
  • উত্তর আনন্দকালে

    চুপ থাকি, প্রস্তুত থাকি প্রচন্ড বর্ষায় প্রায় গলে গলে
    মেঘেরা পড়েছে ঝরে একচালা বুকের অনন্ত গভীরে
    তবু, সাবলীল স্বাভাবিক অভ্যাসে, দিয়ে গেছি ফাঁকি।

    তুমিও নক্ষত্র যোগে, শব্দের সুপ্রয়োগে ডেকেছিলে
    আমাদের- কোনো এক বৃষ্টির বিকেলে ভেজা ভেজা
    পাখির বাসার থেকে খড় ভেসে গেলে গানের আভোগে

    তীক্ষ্ণ রাস্তা ধরে সুতীব্র চিৎকারে ছুটেছিল পরিচিত বাস
    গতকাল বিকেলের আগে পর্যন্ত সেই উৎসব অধিবাস
    স্তবের মতোই যেন এখনও উচ্চারণে হয়ে আসে ক্ষীণ
    প্রত্যন্ত গলি থেকে প্রতিদিন ওরা এইভাবে ছুটিয়েই মারে।

    তবু মোহময় যেন ভাসানের সময় ফের ডাকে তড়িঘড়ি
    ছোট বড় সাদাকালো গাড়ি বুঝি আড়াল করেছে, ফলে
    বৃষ্টির জলে ধুয়েছে কান্না যত, চুপ থাকি সেই কথামতো
    তুমি, অনেক দূরের থেকে অকারণ ভালোবাসা জেনো।
  • Somnath Roy | 24.139.194.12 | ১৫ জুন ২০১৫ ১৫:৩৪507432
  • শালপাতা সিন্দুরে মুড়ে স্বহস্তে ছিন্ন এই শির
    তোমার সেবায় নিয়ে আসি আজ তোমার মন্দিরে
    দেউলে দরজা খোলা, মূর্তির প্রাণে যদি আসো
    যেরকম বজ্র আসে অরণ্যের শ্যামলিমা চিরে-

    এই দ্যাখো যূপকাষ্ঠে ছিন্ন হওয়া বুদ্ধি ও মনঃ
    এখনও বনের দেবী রক্ততৃষা জাগবে না তোর?
    সাম্রাজ্যে এসেছি আমি, অবাঞ্ছিত বিদেশী, তাও
    বিষাক্ত তীরের ফলা বিদ্ধ করে দেবে না সত্বর?

    শবখানি পড়ে থাক রাজসভা অভিমুখে, পথে
    মৃতের শরীর থেকে কেটে নেবে শীতল হৃদয়
    স্বয়ং অধীশ্বরী সেই ট্রফি জাদুঘরে রেখে
    বলে দেবে, উন্মার্গের শাস্তি যেন এইরূপ হয়

    বিনা যুদ্ধে হেরে যাবো, তবু কিছু অধিক সেবায়
    তোমার মন্দিরে তুমি প্রাণ হও মৃত্যুর সুরে
    এমন যোদ্ধৃবেশ, ছিন্ন শিরে নিষ্পলক দেখি
    কবন্ধ হৃদয় কেটে, শালপাতা সিন্দুরে মুড়ে
  • ফরিদা | 127.194.37.68 | ১৬ জুন ২০১৫ ০৯:৪৪507433
  • অজুহাত

    বহুদুর রাস্তা হেঁটেছি
    পেরিয়েছি স্থানু পরবাস
    কিছুদূরে তোমার, থেমেছি
    লিখতেই সেই ইতিহাস।

    পৌছলে ইতিহাস কালে
    যাকে তুমি ভূগোল বলতে
    বয়সের গলা ডোবা জলে
    ক্রমে নামি আমিও খেলতে

    সে খেলার বয়স বাড়লে
    নিজ ঘরে ফেরা জ্যোৎস্নায়
    ভেজা বালি পকেট হাতড়ালে
    কী শব্দ ফেরৎ পাঠায়?

    তাই ফিরি মাঝে মাঝে যেন
    কিছুদুরে থামিয়েছি খেলা
    চালশের অজুহাত জেনো
    রাত্তিরে ভুতে মারে ঢেলা ।
  • 0 | 132.163.90.182 | ১৬ জুন ২০১৫ ১৯:০০507434
  • অ্যাড্রেসি প্রায়ই 'তুমি'। অবশ্যই মানে আলাদা। তবুও - এই 'তুমি'রা কি, কে, এসব ভাবনা হুট্‌ করে আসে যায়।
    টিম - "...তুমি ঘুমোও দূরে..."
    ফরিদা - "...তুমি, অনেক দূরের থেকে..."
    সোমনাথ - "...তোমার মন্দিরে তুমি প্রাণ হও..."
    শিবাংশু - "...তুমি কি অমিয় মেঘ..."
  • ফরিদা | 127.194.39.241 | ১৭ জুন ২০১৫ ০৯:২৬507435
  • প্রচ্ছন্ন পায়রাগুলি

    আমাদের প্রচ্ছন্ন পায়রাগুলি ঢাকা থাকে টুপির তলায় দিনমানে
    পৃথিবীর চলা ফেরা সামাজিক গানে তারা মাঝে মাঝে সাড়া দেয়
    বিনিময়ে দানাপানি, তবু ওরা জানে কোনখানে একলা দাঁড়ালে
    মাঝে মাঝে আশাতীত বসবাস ফিরে আসে- অত্যন্ত গভীর আকাশে
    আর আড়াআড়ি ওড়ে – জানলার কার্ণিশে কার্ণিশে আঠা আঠা ঘাম,
    টুপির পালকগুলি, তার মাপ, দাম, রঙ, ছায়া, ধ্বনি অনুরণনের হাত
    ধরে হেঁটে যায় দূরতর নীলে, আপাতঃ স্তব্ধতায় গিয়ে মিলিয়ে দেখতে
    চায় তার স্বর, ব্যথাতুর কিছু আখ্যান, ফলে গাঢ়তর নীলে ডুবে যায়।

    এটুকু বিচ্যুতি ব্যাতীত পায়রাগুলি অনুগত, টুপির ভিতরে ভিতরে
    এমনিতে সারাদিন হাবাগোবা, হুকুম চাইতে থাকে সারাদিন দুই চোখে
    মস্তিস্কের কোষে কোষে প্রত্যেকের কাছে গিয়ে কৌটো ঝাঁকিয়ে আসে
    এই তার খেলা, সারা দিনমানে দানাপানি যোগানের নামে মেতে ওঠে –
    যতটুকু জোটে। ক্রমশঃ একলা পেলে জালে, শিকড় নামিয়ে দেয় মাথার
    ভিতরে এরা। মানুষ প্রচ্ছন্ন হয় টুপির পায়রাগুলি নিজস্ব ডানা ঝাপটালে।
  • Ishan | 183.17.193.253 | ১৭ জুন ২০১৫ ০৯:৩১507436
  • এইটা ভয়াবহ হয়েছে।
  • ফরিদা | 127.194.38.223 | ১৮ জুন ২০১৫ ১৮:৫২507437
  • এখন কিন্তু ঘরের মধ্যে আলো জ্বালতেই ভয় করছে
    সত্যি যদি যাও মিলিয়ে – পোড়ামাটির আকাশ থেকে
    আলো যেমন, শব্দ তোমার, গন্ধ তোমার- ভরসন্ধ্যায় ছুঁয়ে যাচ্ছে
    গাছের বুকে বৃষ্টির রং, কুন্ঠা বহুল পেয়ালা পিরিচ
    ওই অশ্বত্থে ঘরে ফেরা পাখিগুলোর বকবকানি ঘাই মারছে –

    কত কী যে মনে পড়ছে – ভন্যিদুপুর, মাঝরাস্তায়
    যখন তুমি ঘিরে থাকছ – আড়াল করে মেঘের মতো-

    চোখ খুলতেই ভয় করছে।
  • ফরিদা | 127.194.38.223 | ১৮ জুন ২০১৫ ২২:৫৫507438
  • শব্দেরা স্বপ্নে ছুঁয়েছে –
    তুমি অকারণ পাশ ফিরে কেন তাকে টেনে নিলে বুকে
    জান না কি? বৃষ্টিরা কী প্রচণ্ড সুখে মাটির গভীর খুঁজে নেমে আসে –
    সবাই দেখেছে তাকে জল দিতে ফল দিতে ফসলের দিকে ধানক্ষেতে
    নাকি তুমিই ডেকেছ শুধু নামতে মাটির বুকে স্বপ্নে ভেজাতে?

    জান না কি?
    কিছু আলো পৃথিবীর থেকে মরে যেতে যেতে তোমার চুলের পাশে
    থেমে যায়। জোনাকি দেখেছ তুমি? ঘুরঘুর ঘুরঘুর একলা হেঁটেছ
    যেই রাত্রি আড়ালে- আলোটি ছুঁয়েছে শুধু তুমি তাকিয়েছ বলে?

    জেনো তুমি –
    ঘুমের অনন্ত রাতে শব্দরা ফিরে ফিরে দেখেছে তোমাকে
    যেভাবে নিবিড়ে তুমি একলাটি জোছনা পাহারা রেখে
    নদীতে নেমেছ আর ডানাদুটো পাড়ে বসে বসে জিরিয়েছে ।
    তোমাকে একলা দেখে শব্দরা অকারণ কথা হয়ে তোমাকে পেয়েছে।

    এই চিঠি
    আজ কেউ কেউ লিখেছিল যখন ঘুমের ভিতরে তুমি ঘুরে বেড়িয়েছ
    সমুদ্র সৈকতে একা একা – বেলাভূমি জুড়ে ঢেউ বয়ে ফিরে আসা
    ঝিনুকের খোলে – তোমায় একলা নিয়ে ভাসিয়েছে-
    শুধু, তুমি চেয়েছিলে বলে।
  • Tim | 24.99.229.169 | ১৯ জুন ২০১৫ ১০:৫৩507440
  • ফরিদার প্রচ্ছন্ন পায়রাগুলি খুব ভালো লাগলো
  • san | 11.39.33.123 | ১৯ জুন ২০১৫ ১১:৪৯507441
  • প্রচ্ছন্ন পায়রাগুলি পড়ে আবার বিনয় মজুমদার পড়তে ইচ্ছে করে। ফরিদাদা , চমৎকার !
  • kumu | 132.161.17.180 | ১৯ জুন ২০১৫ ১৩:৩৬507442
  • প্রচ্ছন্ন পায়রাগুলি,শহর ছেড়ে শহর -অসাধারণ লাগলো বলে কিছুই বলতে পারলাম না।
  • Tim | 24.99.205.63 | ২২ জুন ২০১৫ ০০:৪৩507443
  • ঘুম আসে ঘুম ভাঙে শিশিরের মত চুপ
    উপত্যকার রঙ মেঘের গায়ের সাথে
    অস্থির ঘোড়া এক উঁচু ঘাসে ঘেরা জমি
    পিছল কাচের দানা ভেঙে চৌচির সেই
    বৃষ্টিতে ভিজে চলে গলায় ছোলার থলি
    বাঁকে বাঁকে উঠে গেছে গাড়িচলা সরুপথ
    জানলায় মেঘ করে বাষ্পেরা সাবানের
    রোজ ওরা স্কুল থেকে ফিরেই জিগেশ করে
    আদরের কথা নয় আশঙ্কা গুটিপোকা
    চাদরের নিচে শোয়া ঠোঁট ফাঁক কষে কোন
    অতীতের অর্ধেক বলে ফেলা বেঁচে নেওয়া
    আবার কাচের দানা জমাট কফিন খুব
    ঘুম আসে ঘুম ভেঙে শিশিরের মত চুপ
  • ফরিদা | 11.39.34.135 | ২৩ জুন ২০১৫ ২৩:৩৩507444
  • যেন তুমি লেখার মতো কিছু সহসাই ঘুরে দাঁড়িয়েছ পাতার উপরে
    দেখ, কত অসহায় আমি - লিখে যেতে যেতে প্রায়শই থামি তোমার চাহনি ধরে
    পৃথিবীর যত অক্ষর যত নগরপত্তন হয়েছিল এতদিন ধরে ক্রমে দেখি
    খান খান হয়ে যায়
    প্রতিদিন খুন হয় একলা মানুষ আজো
    মাঝেসাজে কেউ দেখি হেঁটে যায় মেঘের ভিতরে একা।
    চুপচাপ স্তব্ধতা বসে বসে দেখে এইসব
    কখন এগোবে ফের-
    এই সব কত্থা কিছু আসে
    যখনি থেমেছ তুমি লেখার মতোই একা মাঝরাত্তিরে।
  • Tim | 24.96.103.168 | ২৪ জুন ২০১৫ ০১:১৪507445
  • শিয়রে বসার দিন হাওয়া উঠেছিলো-
    এমনিই ঝোড়ো হাওয়া একমুঠো খইয়ের মতন
    শিয়রে ঘুমোনো রাত জেগেছিলো অনেক প্রহর
    এমনিই জমা ঘুম গাবগাছে পাতার আঠায়
    শিয়রে ইঁদুরছুট ব্যস্ততা কাগজে কলমে
    এমনিই ব্যস্ততা যেমন দিনের শেষে পাখী
    শিয়রে স্বপ্ন নিয়ে কাঠকুটো জড়ো করে ফের
    এমনিই কাঠকুটো ছানাদের হাঁয়ের আদল
    শিয়রে বাড়ির কথা একটেরে বাসার বিলাস
    এমনিই বিলাসিতা সফেদ চাদরে ঢাকা দেহ
    শিয়রে মুক্তি ছিলো কষে শ্লেষ চোখ ছলছল
    এমনিই রেখা টানে দেবদ্বিজ ভক্তির ভার
    শিয়রেই ঝড় ছিলো স্নেহবঞ্চিত ঐ দেহ
    এমনিই পুড়েছিলো চুল্লীর স্বাভাবিকতায়
  • ফরিদা | 192.68.230.124 | ২৫ জুন ২০১৫ ২১:২৭507446
  • মনে রেখো, পৃথিবীতে বৃষ্টি নেমেছে আজ
    স্নানের দুপুরে তুমি যতখানি মেলে দিতে ছাতে
    বহুদিন যেসব পাতাকে, তাদের অনেক কাজ
    লেখা ছেড়ে পুরনো হয়েছে যেন অক্ষরে অক্ষরে।
    স্মিত বৃষ্টির দিন অন্তঃসলিলা বয়ে যায় ধীরে ধীরে
    অন্ধকার খাদের গভীরে, তার পিছু পিছু, দু একটা
    শব্দের হাত ধরে বিড়বিড় করে করে তুমি পালাতে
    চাইছ বলে বৃষ্টি আটকে দিল যেন একান্ত নিবিড়ে।

    আজকাল বৃষ্টিরা সাবধানী, আঁচল বাঁচিয়ে চলে
    অফিসের গ্লানি তারা লুকিয়েছে মেঘের কোটরে
    আমি তার কিছু কিছু জানি, ওরাই বলেছে তুমি
    সারাদিনরাত শুধু পাতাই উল্টে গেছ কিছুই লেখনি।
    আধবেলা ধার নিয়ে জানলাটি যখনি খুলেছে তুমি
    তখনি বৃষ্টি নেমেছে – কেঁদেছিলে, কেউ তা দেখেনি।
  • অনিকেত পথিক | 24.139.222.45 | ২৬ জুন ২০১৫ ১৪:৫১507447
  • অপেক্ষায়। জলের সবুজ ঘিরে
    লতাগুল্ম ঝোপঝাড় হয়ে
    একঠায়। স্থবির শরীর থেকে পাতা
    ঝরে, প্রজাপতি উড়ে বসে শুকনো
    শাখায়। জলফড়িংটি স্থির,
    জলের স্থিরতা ভেঙে ঘাই মেরে
    যায় আমার শরীরে, বড় চেনা কেউ
    মাকড়সার জালবোনা দেখে চুপচাপ
    অপেক্ষায়। কবে ভালবাসা এসে বসে
    আমার নিঃঝুম সত্ত্বায়।
  • অবন্তিকা | 126.202.219.114 | ২৭ জুন ২০১৫ ০১:৩০507448
  • এই পদ্যগুলো জাস্টিস এন্থনি কেনেডি-কে উত্সর্গ করলুম l :P

    ১.
    একদিন তোমার গান শুনতে যাবো l
    বিলম্বিত সন্ধে পেরিয়ে,
    ত্রস্ত ডাউনটাউনের শেষপ্রান্তে কোথাও
    সবেমাত্র তুমি যে মধ্যলয় ঘরে এসে পড়েছ,
    তার সাবলীল দরজায় কণ্ঠ রেখে
    তোমার গান শুনতে যাবো একদিন l

    ২.
    এ আঙুল কোমল ধৈবত ছুঁয়ে শুদ্ধ নিখাদে ভ্রাম্যমান l
    অদূরে ক্যামোমিল বিকেলের বাতাসে বাজে স্থির l
    হলুদ ফুলের বুকে সাদা ওড়নার মতো
    দীর্ঘ দীর্ঘ সব নিরুত্তর
    আমার হাসপাতালের বিছানার নিচে শুয়ে -
    তারপর প্রজাপতি, ঘোলাটে জলের রাত
    রক্তে চারিয়ে যেতে যেতে
    কীকরে মালকোষ হয়,
    জানো?

    ৩.
    আমি তো তোমাকে ভাবি,
    তোমাকেই ভেবে গেছি গুটিকয় সভ্যতা জুড়ে,
    নগ্ন ভাস্কর্যের শীতে
    জড়িয়েছো আদিগন্ত
    জড়িয়েছো মৃদুতা আমায় -
    সেসব বুঝিনি ভাবো?
    কিছুই বুঝিনি ভালো, দ্রুতলয় আশ্লেষ ছাড়া?
    যোনিতে যোনির ক্ষত,
    স্তনে স্তন, মিশে গেলে প্রায়
    ফ্রিডা কাহলোর মতো, এখনই স্পষ্ট হবে
    তোমার নাভির কাছে
    তোমার ঠোঁটের মতো দিন
  • b | 135.20.82.164 | ২৮ জুন ২০১৫ ০৯:০০507449
  • গহনে সন্ন্যাসী এক সারাদিন নিরিবিলি কথা বলে যায়।
    বলে ওঠে, " জাগো তুমি, কারণ প্রতিটি কথা
    শেষ কথা, প্রতিটি দেখাই শেষতম,বোধনের আগমনী
    মিশে যায় ভৈরবীর সুরে।
    এক আকাশ স্তব্ধতায় দিন শুয়ে থাকে
    ইলশে গুঁড়ির মত রোদ ঝরে গাছের পাতার
    ফাঁক দিয়ে,
    মফঃস্বলী প্রৌঢ় পুকুর
    শান্ত চোখে দেখে নেয় আরো এক সূর্য্যগ্রহণ।

    বোঝনা? বোঝনা কিছু?

    পেছোবার পথ নেই, দাঁড়িয়েছে জ্ঞান, কর্ম --আদিম নিষাদ
    বসন্তবয়স শেষে নিহত স্বপ্নের মত অর্জুনবিষাদ
  • pi | 192.66.3.163 | ২৮ জুন ২০১৫ ০৯:১৩507451
  • বাঃ ! এইটা ও আগের অনেকগুলো কবিতার জন্য রইলো।
  • ফরিদা | 11.39.33.139 | ০১ জুলাই ২০১৫ ০৪:১৭507452
  • লিখি তবে ঘুণপোকা কেন আসে যায় মাঝখানে
    যেন তার অতি সুসময় বাড়িতে অতিথি এল ঘন কালো মেঘে
    সমুদ্র ফেরারী হাওয়া নিয়ে আসে আপাতঃ প্রশান্ত মুখে
    কখনো সখনো ঝড়, দুই পায়ে কালো অক্ষর নেমেছে মাটিতে
    যেখানে পাতারা আছে, দলিত মথিত ঘাস যেন অবকাশ
    আধ খাওয়া কবিতার মতো তোমাকে অনর্থ করেছে

    অথচ নদীর কিছু মনে নেই, এতদিন পরে দাবী নেই
    রাত্রি জাগরণ শেষে শ্মশান যাত্রী সব ফিরেছিল ঘরে
    তাদের পোশাকে ধুলোবালি লেগে থাকে বটে শোকতাপ নেই
    সুখের বাগানে যত প্রজাপতি এসেছিল এতকাল ধরে
    তাদের কখনো কারো মনে নেই পুরনো ঠিকানা পুরোপুরি।
    তুমিও জেনেছ ক্রমে আমাদের যত কিছু স্খলন তর্পন সব
    ভাসান গিয়েছে ঝড়ে। বিবৃতি দিয়েছে তার বুনো ঝোপঝাড়
    যখন উপড়ে গেছে মহীরুহ নদীতটে একা একধারে
  • ফরিদা | 192.68.171.202 | ০১ জুলাই ২০১৫ ০৬:৩৯507453
  • তোমাকে লিখিনা আমি বহুদিন একা একা কোনো
    প্রান্তরে হেঁটে গিয়ে মনে হয় যদি কিছু বলো- কিছু শোনো
    পাথরে রয়েছে দাগ, অজুহাত, জন্মের কাছাখোলা দোষ
    লুকিয়ে দেখতে থাকে তোমাকে আমাকে - স্বাদু পরিতোষ।
    কখনো দেখেছি দূরে একা একা কোনো এক হেমন্ত সকালে
    শিশিরে আবিল পাখি আলস্যে বসেছিল, যেই না তাকালে-
    উড়ে যায় দ্রুত কোনো অস্পষ্টতায় আমি যার ঠিকানা জানিনা
    তোমাকে দেখেছি আমি বহুদিন - কিছুতেই তোমাকে লিখিনা।
  • ফরিদা | 192.68.76.50 | ০১ জুলাই ২০১৫ ২০:৫৯507454
  • অচেনা ফাঁপড়ে পড়ো অহেতুক পুরনো কথায় তুমি কেন বিশ্বাস করো?
    জাননা পৃথিবী খোল তোলপাড় হয়েছিল বলে ওইসব কথাগুলো
    বাতিল হয়েছে আর অবাধ্য ডাইনোরা, দোতলা বাসের মতো তেল খেয়ে চুপচুপে কায়ক্লেশে চলে।
    ছেঁড়াখোঁড়া সাদামাটা কথাগুলো হলদে হয়েছে কবে
    এখন বলতে গেলে ঝুরঝুর করে শুধু ধুলোয় গড়াবে।
    ঘরময় নোনা ধরা, উঠোন তো নয় যেন সাবেক জঙ্গল
    এইবেলা মায়া ত্যাগ করো - হোক তাতে দেশের মঙ্গল।
  • ফরিদা | 11.39.35.118 | ০২ জুলাই ২০১৫ ০৬:০০507455
  • এই পাড়টা গড়ছে যখন
    ওই পাড়টি ভাঙা
    রাজত্ব আর রাজ্যশাসন
    খেলছে কুমীরডাঙা।

    এই দিকে যেই পাকাচ্ছে জট
    অন্য সুতোয় খুলছে
    নদীর খেলায় বুঝভুম্বুল
    সাঁকো আজকাল দুলছে।

    নদী সাঁকো কুমীর টুমীর
    জট পাকাচ্ছে মাথায়
    সবার মতোই আমি তুমি
    রাখছি হিসেব খাতায়।
  • ফরিদা | 11.39.35.118 | ০২ জুলাই ২০১৫ ০৭:১৩507456
  • একটা শালিখ প্রায় প্রত্যেক সকালে আমার সামনে আসে।
    উড়ে আসে, খুঁটে যায় ঘাসে ঘাসে কিছুটা লাফিয়ে হেঁটে
    ঘাড়টা হেলিয়ে দেখে যেন চারপাশ চেটে পুটে ডিউটি করতে
    এখানে একাই আসে সকালে খবরের কাগজের মতো উদাসীন
    আমাকে দেখে না সে যেন সরোজমিন তদন্ত প্রয়োজনে ক্লান্তিতে
    প্রতিটি দিনের মতো না ভালোবেসে উড়ে আসে খুঁটে খেতে।

    কারণ খুঁজেছি এর। সারাদিন মান ধরে জমিয়ে জমিয়ে রাখি
    সুকর্মফল আমি অন্য সবার মতো খিদে টিদে মেটানর পর
    স্বল্পসঞ্চয় যেন ডাকঘরে। অবরে সবরে যদি দরকার হয়
    সেই সব সৌভাগ্য কুঁচি প্রায় প্রত্যেক সকালে ওই শালিখটা
    লুঠ করে নিয়ে যায়। শাইলক নাকি, মাংস কাটতে আসে
    যেন এক সুদুর ইতিহাসে নিয়েছি কর্জ আমি কোনো দিন
    ওই শালিখটা আর সঙ্গিনীর কাছে খুলে দিতে ভাগ্যের দিক
    আমাকেই দেখে ফেলে জোড়াটি হারিয়ে ফিরে আসে একলা শালিখ।
  • ফরিদা | 192.68.135.114 | ০২ জুলাই ২০১৫ ২০:১৮507457
  • পৃথিবীতে পৃথিবীর মতো জনপদ আছে, ধানক্ষেত, জঙ্গল টঙ্গল
    মানুষের মতো মানুষেরা এইখানে বহুদিন চাষবাস শিকার করেছে
    তাদের মধ্যে কেউ কেউ শাসকের মতো
    কেউ বা শাসিত হয়েছে জানি।
    নদীগুলি অবিকল পৃথিবীর নদীর মতোই বয়ে যায়
    মেঘ টেঘ কালো করে মহা সোরগোলে বৃষ্টিও আসে ঠিক পৃথিবীর মতো।
    অবিকল সব কিছু একই-
    শুধু আলাদা কক্ষপথে ঘুরে যায় সমবেগে, দুজনের দেখাও হয়না।

    এই আমি একজন একা। অন্যটি তুমিই নও তো?
  • ফরিদা | 11.39.34.236 | ০৩ জুলাই ২০১৫ ১৪:২৫507458
  • প্রতিটি কথায় নাকি কিছু কিছু আয়ুক্ষয় হয়
    পাতায় পাতায় দেখি আলো জ্বলে,
    গাছের হৃদয় জুড়ে খসে পড়া দাগ –
    শরীর বিচ্ছিন্ন হলে মনে থেকে যায়।

    তুমি, আমি, সারাদিনে যত যত কথা নিয়ে
    জড়ো করে ফিরে আসি সারাদিন শেষে
    কতটা বলতে পারি – কতটুকু শোনা যায় তার?
    রেখে দিলে একদিনে হয়ে ওঠে বাসী
    এসব কথায় নাকি মারণ জীবাণু জন্মায়।

    জানি, বলে দিলে আয়ুক্ষয় হয়- গাছের গায়ের দাগ
    থেকে গেছে অহেতুক – তেমনই পুড়িয়ে দেয় তাকে
    ফেনা ওঠা জমে থাকা কথাগুলো – তোমায় আমায়।
  • ফরিদা | 11.39.32.25 | ০৪ জুলাই ২০১৫ ০৫:৪৭507459
  • চেয়েচিন্তে যতটুকু মেঘ জোগাড় যন্ত্র হয়
    পুরোটাই বৃষ্টি হয়ে যায় দেখি এই অঞ্চলে
    তোমাকে লেখার সময় ভাবি কিছু মেপেজুপে রান্না চাপাবো-
    যাতে পরের দিনেও চলে যাবে - বাসীটা গরম করে নেব।
    হয় নাকি অনটন সংসারে এইসব, বলো?
    ওই তো ঘণ্টাভর জল এনেছি এবারে-
    কতটুকু মেঘ তাতে হয়, ঢাকবে কী করে সে সমস্ত আকাশ-
    আমার প্রতিটি সময়?

    তবু ভাবি, এই বুঝি ভালো।
    সুগন্ধ মাঝেসাজে এলে বৃষ্টি দুরন্ত হয়
    নইলে বন্যা ভাসে, মরে যায় মাঝারি ফসলও।
  • ফরিদা | 11.39.40.89 | ০৫ জুলাই ২০১৫ ০৮:২৪507460
  • কোন এক শেষ রাত্রের মেঘে
    বোধ হয় তাকেও ডেকে নেবে
    তোমার গানের মধ্যে যেমন
    মন্ত্র বৃষ্টি হয়েই ঝরে।

    সে এক প্রত্নদিনের চাবি
    ছিল অনন্ত মুলতুবি
    বৃক্ষছায়ায় থাকা মানুষ
    মেঘে চড়তে বুঝি পারে?

    তাই অভ্যাস দিনরাত
    একটা রুমাল টুকরো ছাত
    পাতার বৃষ্টি ফোঁটার প্রসাদ
    নিয়ে শ্যাওলা ঢাকা পড়ে।
  • ফরিদা | 192.68.159.164 | ০৫ জুলাই ২০১৫ ২১:০৪507463
  • আজ পাখিদের সীমাবদ্ধতা দেখেছি চকিতে
    এতদিন উড়ন্ত পাখি দেখে হাত পা ছুঁড়েছি
    ভেবেছি উড়ান অতি মনোরম স্বর্গীয় দান
    পাহাড়ে চড়েছি কত, বিমানের স্বাদু আঘ্রাণ
    মেঘের মধ্যে ঘোরে। আজকেই জানা গেল
    যতই উড়ুক পাখি চোখ থাকে মাটির গভীরে।

    চিত্সাঁতারের পাঠ আজকে আয়ত্ত হলে স্বাভাবিক
    ভাবে আমি দেখেছি আকাশে। অজস্র পাখিদের
    ওরা দেখি দলবেঁধে উড়ে যায়। প্রথমেই মনে পড়ে
    আক্ষেপটিকে, ক্রমশঃ সত্যিটুকু ফিরে আসে
    চোখে পড়ে মেঘের দেওয়াল ফুঁড়ে রোদ্দুর
    নেমে আসে। চোখাচোখি হলে সে কিশোরী
    রৌদ্র ফের মেঘেতে লুকোয়। পাখিরা জানেনা।
    জল থেকে দেখি জানি। পাখিরা আকাশ
    দেখেনা।
  • করোনা ভাইরাস

  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত