• টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। যে কোনো নতুন আলোচনা শুরু করার আগে পুরোনো লিস্টি ধরে একবার একই বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়ে গেছে কিনা দেখে নিলে ভালো হয়। পড়ুন, আর নতুন আলোচনা শুরু করার জন্য "নতুন আলোচনা" বোতামে ক্লিক করুন। দেখবেন বাংলা লেখার মতো নিজের মতামতকে জগৎসভায় ছড়িয়ে দেওয়াও জলের মতো সোজা।
  • আগামীর অবয়ব

    dri
    বিভাগ : অন্যান্য | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১১ | ৪১৬৫৭ বার পঠিত
  • আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা ভাইরাস

  • S | 162.158.106.173 | ০৩ মে ২০২০ ০৭:১৮731046
  • আমাদের সরকারি ইউনিভার্সিটিরও একটা ফাউন্ডেশান আছে, যারা ছাত্রদের জন্য স্কলারশিপের পয়সা জোগাড় করে। এই ফাউন্ডেশান সরকারের অধীনে নয়, এবং এখানকার সব মেম্বারই প্রাইভেট সিটিজেন এবং স্কুলের সাথে কোনও ডাইরেক্ট সম্পর্ক নেই।
  • dc | 172.69.134.248 | ০৩ মে ২০২০ ১১:০৫731049
  • এইত্তো ফক্স নিউজে বলেছে US Hospitals Getting Paid More to Label Cause of Death as ‘Coronavirus’

    এদ্দিন অবধি আমার এই সন্দেহটা হচ্ছিল, এবার অকাট্য প্রুফ পেয়ে গেলাম। করোনা বলে আসলে কিছুই হয়নি, স্রেফ ডিপ স্টেটের একটা কারসাজি। mh 370 এর যাত্রীদের মৃতদেহগুলো নিউ ইয়র্কে ফেলে দিয়ে করোনা নামে চালিয়ে দিচ্ছে যাতে লোকে সন্দেহ না করে। কিন্তু করোনা নাম কেন? কারন ফ্ল্যাট আর্থের উল্টোদিকে ডিপ স্টেটের একটা বিয়ার তৈরি করার কারখানা আছে, যার নাম করোনা। এই কারখানাটা আবার সেই স্টুডিওর পাশেই বানানো যেখানে ফেক মুন ল্যান্ডিং এর ভিডিও তোলা হয়েছিল। এবার বুঝেছেন তো ডিপ স্টেটের ষড়যন্ত্র কতো গভীর? ফক্স নিউজ দেখতে থাকুন, সব জানতে পারবেন।
  • S | 162.158.107.158 | ০৩ মে ২০২০ ২৩:৩৮731076
  • হাইড্রক্সক্লোরোকুইন নিয়ে ফক্স নিউজ যে মিথ্যা দাবী করেছিল তা সামনে এল।

    গতমাসে টাকার কার্লসন শোতে এক স্ট্যানফোর্ডের মেডিকাল স্কুলের অ্যাডভাইজারকে নিয়ে আসে যে দাবী করে যে নামি লোকেদের দ্বারা করা এক পিয়ার রিভিউড স্টাডিতে নাকি পাওয়া গেছে যে ম্যালেরিয়ার অষুধের ১০০% কাজে দিয়েছে।

    মিথ্যাঃ
    ১) সেই লোক মোটেই স্ট্যানফোর্ডের অ্যাডভাইজার নয়।
    ২) স্ট্যানফোর্ড এরকম কোনও স্টাডি করেনি।
    ৩) স্টাডি করা হয়েছে মোট ২০ জনের স্যাম্পেলে।
    ৪) এই স্যাম্পেলের মধ্যেও ৩ জন আইসিউতে যায় এবং শেষে একজন মারা যায়।

    সমস্যা হল এর পর থেকেই ট্রাম্পের মাথায় হাইড্রক্সক্লোরোকুইন ঢোকে।

    https://www.mediamatters.org/coronavirus-covid-19/comprehensive-guide-foxs-promotion-hydroxychloroquine-and-chloroquine

    https://www.washingtonpost.com/opinions/2020/04/23/why-are-fox-news-opinion-hosts-so-wrong-about-hydroxychloroquine/

    https://www.vanityfair.com/news/2020/03/trumps-touting-of-an-untested-coronavirus-drug-is-dangerous
  • দ্রি | 162.158.150.87 | ০৪ মে ২০২০ ০০:৩৯731078
  • "স্ট্যাটুটরি ডিভিডেন্ড রেট হল ৬% ফিক্সড। বিভিন্ন ব্যান্ক যেমন ক্যাপিটাল দিয়েছে, তাদের কাছে তেমনি "স্টক" আছে বা মেম্বারশিপ রয়েছে। এই ব্যান্কগুলো ফেডারাল রিজার্ভকে কন্ট্রোল করতে পারেনা, করেও না। এই কারণেই ফেডারাল গভেরও কোনও কন্ট্রোল নেই। প্রতি বছর খরচ এবং স্ট্যাটুটরি ডিভিডেন্ডের পর ফেডারাল রিজার্ভ যে লাভটুকু করে সেটা ট্রেজারি ডিপার্টমেন্টকে (যেটা সরকারি এজেন্সি এবং প্রেসিডেন্টের আন্ডারে) ফিরত দেয়।"

    কিন্তু এই ব্যাঙ্কগুলো ফেডারাল রিজার্ভকে ক্যাপিট্যাল দিয়েছে কেন? এমন একটা এজেন্সিকে যার মানি ক্রিয়েটিং পাওয়ার রয়েছে, এবং ইন্টারেস্ট রেট সেট করার পাওয়ার রয়েছে।

    দ্বিতীয়ত, এই বিভিন্ন ব্যাঙ্ক কারা? তাদের ক্যাপিট্যাল দেওয়ার প্রোপোর্শান কিরকম?

    ফেডারাল রিসার্ভ তো বেশ প্রফিটেবল এন্টারপ্রাইজ। ডিভিডেন্ট বাবদ মোট কত টাকা বিভিন্ন ব্যাঙ্কের কাছে যায়? এর শেষ অডিট কবে হয়েছে?
  • S | 108.162.246.184 | ০৪ মে ২০২০ ০০:৫৪731079
  • মানি ক্রিয়েটিং পাওয়ার ফেডের নেই। ট্রেজারির রয়েছে। ট্রেজারি একদম প্রেসিডেন্টের আন্ডারে।

    ক্যাপিটাল ছাড়া চলবে কোনও এজেন্সি কি করে? যেখানে এত বড় একটা এজেন্সি, ১২ টা রিজিওনাল এজেন্সি। সরকারের কাছ থেকে ক্যাপিটাল নিলে সরকার নাক গলাবে। যেটা এখন আরবিআইকে ভুগতে হচ্ছে।

    সবথেকে বড় কন্ট্রিবিউটার ব্যান্ক অব আমেরিকা, সিটি ব্যান্ক, ওয়াচোভিয়া, জেপি মর্গান - আমেরিকার সবথেকে বড় কমার্শিয়াল ব্যান্কগুলো। বাকি কমার্শিয়াল ব্যান্কগুলো-ও মেম্বার এবং কন্ট্রিবিউট করেছে।

    ফেডের অডিট হয় প্রত্যেক বছর। গভর্ণমেন্ট অ্যাকাউন্টেবিলিটি অফিস (কঙ্গ্রেসের) প্রতি বছর ফেডের বিভিন্ন কাজকর্মের অডিট করে।

    ইনস্পেক্টার জেনারাল অফিস (এর প্রধানকে প্রেসিডেন্ট অ্যাপয়েন্ট করে) একটা আউটসাইডার অডিট ফার্মকে নিয়োগ করে, যারা প্রতিবছর ফেডের ফাইনান্সিয়াল স্টেটমেন্টের অডিট করে। এই অডিটের রিপোর্ট কঙ্গ্রেস এবং জনগনের কাছে পাবলিশ করা হয়।
  • S | 108.162.246.184 | ০৪ মে ২০২০ ০০:৫৬731080
  • ১৯৯৫ থেকে ২০১৮ অবধি প্রত্যেক বছরের সমস্ত কাজকর্মের এবং ফাইনান্সিয়াল রেকর্ড রয়েছে এই নীচের লিন্কে।

    ফেড সম্বন্ধে বাজে রিউমারে বিশ্বাস করার আগে এবং সেগুলোকে ছড়ানোর আগে একটা সামান্য গুগল সার্চ করে নিলেই আর পাতার পর পাতা মিথ্যা লিখতে হয়্না।

    https://www.federalreserve.gov/publications/annual-report.htm
  • S | 108.162.246.184 | ০৪ মে ২০২০ ০১:০১731081
  • বহু ইকনমিস্টদের (অ্যাকাডেমিক্স এবং প্র‌্যাক্টিশনার) কাজই হল ফেডের কাজকর্ম রেগুলার ফলো করা। ফেডের থেকে বেশি ট্রান্সপারেন্ট এজেন্সি আমেরিকাতে খুব কম আছে।

    যে এজেন্সির সত্যিই বহুকাল অডিট হয়্নি, সেটা হল আমেরিকার ডিপার্টমেন্ট অব ডিফেন্স। অথচ সেই নিয়ে কনস্পিরেসি থিয়োরিস্টরা চুপ। সেখানকার অডিটের ফলাফল দেখা যাচ্ছেঃ

    https://www.defensenews.com/pentagon/2019/11/16/the-pentagon-completed-its-second-audit-what-did-it-find/
  • দ্রি | 172.68.174.139 | ০৪ মে ২০২০ ০১:২৬731082
  • "ক্যাপিটাল ছাড়া চলবে কোনও এজেন্সি কি করে? যেখানে এত বড় একটা এজেন্সি, ১২ টা রিজিওনাল এজেন্সি। সরকারের কাছ থেকে ক্যাপিটাল নিলে সরকার নাক গলাবে। যেটা এখন আরবিআইকে ভুগতে হচ্ছে।"

    সরকারের থেকে টাকা নিলে সরকার নাক গলাবে। কিন্তু প্রাইভেট পার্টির থেকে টাকা নিলে তারা নাক গলাবে না? ওয়েবসাইটে এক লাইন লিখে দেওয়া যে 'ওরা নাক গলায় না' কি এনাফ অ্যাশিওরেন্স।

    আমি ধরে নিলাম ফেডের নিজের ওয়েবসাইটে যে ফাইনান্সিয়াল স্টেটমেন্ট দেওয়া আছে সেগুলো ফেয়ার ভাবে অডিট করা হয়েছে। এইটা ২০১৮-১৯ এর স্টেটমেন্ট।

    https://www.federalreserve.gov/aboutthefed/files/combinedfinstmt2019.pdf

    আমি মোট ডিভিডেন্ট পেমেন্টের একটা এস্টিমেট নেওয়ার চেষ্টা করছি। সেটা কত? এই স্টেটমেন্ট অনুযায়ী? প্রায় ৩৫ বিলিয়ান ইন ২০১৯?
  • S | 108.162.245.81 | ০৪ মে ২০২০ ০১:৫৯731083
  • প্রত্যেকটা বাক্য ভুল।

    সরকারের কাছ থেকে ক্যাপিটাল নিলে সরকার ফেডকে যেরকম খুশি সেরকম চালনা করতে পারে, আরবিআইতেই দেখা যাচ্ছে। আমেরিকার সবকটা ন্যাশনাল এবং স্টেট-চার্টার্ড ব্যান্ক ফেডের মেম্বার। তাছাড়া কঙ্গ্রেসের নজরদারি থাকে। আর সব গভর্ণররা প্রেসিডেন্ট দ্বারা অ্যাপয়েন্টেড। ফলে কারোর একার দ্বারা খুব কিছু করা বেশ চাপের।

    ডকুমেন্টটাতে একবার চোখ দিলেই দেখা যাবে বড় বড় করে কেপিএমজির নাম লেখা আছে অডিটার হিসাবে।

    সামান্য অন্ক জানলেই বোঝা যায় যে কোনওকিছুর ৬% = ৩৫ বিলিয়ন হলে যত ক্যাপিটাল লাগে সেটা কেউ দিতে পারেনা।

    ২০১৯ সালে ফেড আয় করেছে ৫৫ বিলিয়ন ৬০৭ মিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে মেম্বার ব্যান্কগুলো ডিভিডেন্ড পেয়েছে ৭১৪ মিলিয়ন ডলার। বাকি পুরো লাভটা ট্রেজারিকে ফেরত দেওয়া হয়েছে।
  • Dipanjan | 172.68.141.111 | ০৪ মে ২০২০ ১৩:১৪731090
  • "We are opposed around the world by a monolithic & ruthless conspiracy that relies primarily on covert means for expanding its sphere of influence–on infiltration instead of invasion" -- JFK

    Everything is a rich man's trick -

  • PM | 172.68.146.97 | ০৪ মে ২০২০ ১৫:৪৯731091
  • কেপিএমজি অডিট প্রসংগে ---

    এনরন এর অডিট করেছিলো আর্থার অ্যান্ডারসন,
    https://www.nytimes.com/2002/01/15/business/enron-s-collapse-the-auditors-who-s-keeping-the-accountants-accountable.html

    লেহম্যান ব্রাদার্স এ অডিট করত E&Y

    "For many years prior to its demise, Lehman Brothers employed Ernst & Young (EY) as the firm’s independent auditors to review its financial statements and express an opinion as to whether they fairly represented the company’s financial position. EY was supposed to try to detect fraud, determine whether a matter should be publicly disclosed, and communicate certain issues to Lehman’s Board audit committee. After Lehman filed for bankruptcy, it was discovered that the firm had employed questionable accounting with regard to an unorthodox financing transaction, Repo 105, which it used to make its results appear better than they were. EY was aware of Lehman’s use of Repo 105, and its failure to disclose its use. EY also knew that Lehman included in its liquidity pool assets that were impaired. When questioned, EY insisted that it had done nothing wrong. However, Anton R. Valukas, the Lehman bankruptcy examiner, concluded that EY had not fulfilled its duties and that probable claims existed against EY for malpractice"

    https://som.yale.edu/case/2014/the-lehman-brothers-bankruptcy-d-the-role-of-ernst-young

    সত্যম এর অডিট করেছিলো PWC

    Suryanarayana Raju, and the then chief financial officer Srinivas Vadlamani of perpetrating the fraud. Satyam's auditors, Price Waterhouse's S. Gopalakrishnan and Srinivas Talluri, also figured among the accused. Three former senior officials of Satyam are also among the accused: vice-president G.

    https://www.livemint.com/Home-Page/jS33BnPzXSMnwbx9cFtplN/Auditors-in-on-Satyam-fraud-CBI.html

    Yes Bank অডিট করত বাটলিবয় ( E&Y)

    https://www.livemint.com/industry/banking/rbi-bars-ey-member-firm-s-r-batliboi-from-auditing-banks-for-a-year-1559572522465.html

    এবার KPMG

    KPMG to pay $50m penalty over altered audits
    https://www.sec.gov/news/press-release/2019-95

    PMG is in the middle of an unbelievably dirty cheating scandal that keeps on getting uglier
    https://boingboing.net/2019/06/19/quis-custodiet-ipsos-kpmg.html

    KPMG rocked by South African corruption scandal
    https://www.accountancyage.com/2017/09/27/kpmg-rocked-south-african-corruption-scandal/

    এবার আমাদের গ্রুপ কম্পানীর এক সাবসিডিয়ারির কথা। বিগ ৪ লাস্ট ৩ বছর অডিট করা সত্ত্বেও, পুরো ম্যানেজমেন্ট সেট আপ স্যাক করা হল গত সপ্তাহে। এই পুরো প্রসেস এখনো চলছে, ইন্ভেস্টিগেসন টিম হাড় হিম করা তথ্য পাচ্ছে

    তাই বিগ ৪ অডিট করে--- এটা ঢাল হিসেবে ব্যাবহার করতে চাইলে খুব মুসকিল
  • দ্রি | 162.158.91.18 | ০৪ মে ২০২০ ১৬:১৩731092
  • "২০১৯ সালে ফেড আয় করেছে ৫৫ বিলিয়ন ৬০৭ মিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে মেম্বার ব্যান্কগুলো ডিভিডেন্ড পেয়েছে ৭১৪ মিলিয়ন ডলার। বাকি পুরো লাভটা ট্রেজারিকে ফেরত দেওয়া হয়েছে।"

    'এর মধ্যে মেম্বার ব্যান্কগুলো ডিভিডেন্ড পেয়েছে ৭১৪ মিলিয়ন ডলার।' - এই লাইনটার সাথে ডিসেগ্রি। তাহলে কি ধরতে হবে ২০১৮ য় ডিভিডেন্ট দেওয়ার বদলে মেম্বার ব্যাঙ্কগুলোর থেকে টাকা চেয়ে পাঠিয়েছিল ফেড?

    ২০১৯ এ ফেডের টোটাল ইন্টারেস্ট ইনকাম হয়েছে ১০২ বিলিয়ান ডলারের কিছু বেশী। (এখানে একটা ইন্টারেস্টিং এক্সারসাইজ হতে পারে কত টাকার ইন্টারেস্ট ইনকাম ১০২ বিলিয়ান হতে পারে।) কিন্তু ইন্টারেস্ট এক্সপেন্স হয়েছে প্রায় ৪১ বিলিয়ান। এই ইন্টারেস্ট এক্সপেন্সটা কী? কত ডিভিডেন্ট দেওয়া হয়েছে সেটা পরিস্কার করে আইটেমাইজ করা নেই।

    এত কিছু ডিসকাসানের বেসিস হল এই পুরো হিসেবটা বিশ্বাস করে। অবশ্য প্রথম আলোচনাটা সেইভাবেই হওয়া উচিত।
  • S | 162.158.107.212 | ০৪ মে ২০২০ ১৬:১৫731093
  • এগুলো খুব বোকাবোকা কথা হয়ে যাচ্ছে। ফেডারাল এজেন্সির তো আর শেয়ার প্রাইস বাড়ানোর ব্যাপার নেই। বা লাভ বেশি হলে সিইও বেশি বোনাস পাবেনা। সেক্ষেত্রে অ্যাকাউন্টিং ফ্রড কেন করতে যাবে? যেখানে প্রতি বছর হাতে করে টাকা ট্রেজারিকে ফেরত দিতে হয়। এই সামান্য ব্যাপারগুলো বোঝাতে হলে তো মুশকিল।

    দুনিয়ার সব বড় কোম্পানির অডিট এরাই করে। আর সব অডিট কোম্পানিরই কিছু না কিছু স্ক্যাম আছে। তাহলে ধরে নিতে হয় যে সব কোম্পানিই অ্যাকাউন্টিং ফ্রড করে। আর বিগ ৪ তো অলরেডি স্ক্যাম করেই। সেক্ষেত্রে এক গুরুকে দিয়ে অডিট না করালে কাউকেই বিশ্বাস নেই।
  • S | 162.158.107.158 | ০৪ মে ২০২০ ১৬:২৬731094
  • ধুর এখানে কেউ কিস্যু জানেনা। অথ্চ এদিক সেদিক ইরিলিভ্যান্ট লিন্ক দিয়ে তর্ক করে।

    স্পষ্ট শেষ পাতায় লেখা আছে যে স্ট্যাটুটরি ডিভিডেন্ড দেওয়া হয়েছে ৭১৪ মিলিয়ন ডলার। ডিসেগ্রি করার কি আছে?

    সব তো ইনকাম স্টেটমেন্টে খুব সুন্দর করে আইটেমাইজড করে দেওয়া আছে। তাছাড়া নোট ৫ এ স্পষ্ট করে লেখা আছে। ফেডের কাজই হল ইন্টারেস্ট নেওয়া এবং দেওয়া। রেপো রেট আর রিভার্স রেপো রেট আছে।

    কেউ ফাইনান্সিয়াল স্টেটমেন্ট পড়তে জানেনা, বা ফেডের কাজকর্ম সম্বন্ধে কিচ্ছু জানেনা বা বলা যাতে পারে অর্থনীতি সম্বন্ধে কোনও আইডিয়া নেই - অতেব কনস্পিরেসি থিয়োরি আছে এইটাই তাহলে বোঝা গেল।

    তাহলে দ্রিয়ের এত লেখাপত্তরের কারণ হিজ ইগনোরেন্স।
  • দ্রি | 162.158.88.129 | ০৪ মে ২০২০ ১৬:২৯731095
  • "আমেরিকার সবকটা ন্যাশনাল এবং স্টেট-চার্টার্ড ব্যান্ক ফেডের মেম্বার। তাছাড়া কঙ্গ্রেসের নজরদারি থাকে। আর সব গভর্ণররা প্রেসিডেন্ট দ্বারা অ্যাপয়েন্টেড। ফলে কারোর একার দ্বারা খুব কিছু করা বেশ চাপের।"

    সব ব্যাঙ্কের তো একই পরিমাণ শেয়ার না থাকতে পারে। মেম্বারশিপের একটা লিস্ট দেখেছি। কিন্তু বিভিন্ন ব্যাঙ্কের স্টকের পার্সেন্টেজ কোথাও দেখিনি। যাদের বেশী আছে তারা ইনফ্লুয়েন্স করতে পারে। এমনও হতে পারে বেশ কিছু বড় বড় ব্যাঙ্কের (যাদের ফেডে মেম্বারশিপ আছে) অনেক এ ক্লাস শেয়ার কিছু অল্প সংখ্যক লোকের হাতে আছে। সেক্ষেত্রে ইনফ্লুয়েন্স আসতে পারে। ইনফ্লুয়েন্স আছে কি নেই ডিটারমিন করতে গেল এইসব ইনফো প্রথমে পাবলিক করতে হবে।

    "সরকারের কাছ থেকে ক্যাপিটাল নিলে সরকার ফেডকে যেরকম খুশি সেরকম চালনা করতে পারে, আরবিআইতেই দেখা যাচ্ছে।"

    তাহলে দেখা যাচ্ছে আপনি সেন্ট্রাল ব্যাঙ্কের সরকারী কন্ট্রোলের বিপক্ষে। আমি ভিন্নমত। মনে করি সেন্ট্রাল ব্যাঙ্কের সরকারী কন্ট্রোল থাকা উচিত। সেন্ট্রাল ব্যাঙ্কের পলিসি দেশের উপকারে আসছে কিনা সেই নিয়ে পার্লামেন্টে আলোচনা হওয়া উচিত। দেশের পাবলিককে অবগত করা উচিত। এটসেট্রা। এইরকম একটা এজেন্সির ইন্ডিপেন্ডেন্ট হওয়া একটা ইমপসিবল ব্যাপার। সরকার যদি কন্ট্রোল না করে, তাহলে অন্য কেউ (বিগ মানি) করবে।
  • S | 162.158.107.158 | ০৪ মে ২০২০ ১৬:৩৫731096
  • চালাকি ধরা পড়ে গেছে। এতদিন অনেক এদিক সেদিক ব্যাপার নিয়ে লিখত যেগুলোতে অন্তত আমার ধারণা খুব কম ছিল। এবারে ফেড নিয়ে লিখেছিল, ভেবেছিলে কেউ ব্যাপারটা জানেনা।

    ৭১৪ মিলিয়ন ডলার, যেটা স্পষ্ট লেখা আছে, নিয়ে ডিসেগ্রি দেখেই বুঝেছি আসল ফ্রড এখানে কে?

    পৃথিবীর প্রায় সব ইকনমিস্টরা চায় সেন্ট্রাল ব্যান্ক ইন্ডিপেন্ডেন্ড থাকুক। সেটা ইন্ডিয়াতে সরকারি পয়সায় চলেও থাকেনি। আজকে নয়, বহুদিন ধরেই।
  • দ্রি | 162.158.93.20 | ০৪ মে ২০২০ ১৬:৪৩731097
  • ফাইনান্সিয়াল স্টেটমেন্ট সত্যিই পড়তে জানিনা। খুব চেষ্টা করছি। কনস্পিরেসি থিওরির অব্শ্য অনেক কারণ আছে।

    তবে ৭১৪ মিলিয়ানের হিসেবটা এবার বুঝলাম। ২০১৮ র ডিভিডেন্ট পেয়েছিল ৯৯৯ মিলিয়ান।

    ৭১৪ মিলিয়ান খুব বেশী নয়। মোটে এইটুকু নেয়?
  • dc | 162.158.50.254 | ০৪ মে ২০২০ ১৬:৫১731098
  • ফেড চালায় সরকার আর সরকার চালায় ডিপ স্টেট। এই তো হলো ব্যপার। এর জন্য আবার ফিনান্সিয়াল স্টেটমেন্টের মতো বিশ্রী জিনিস কেন পড়তে হবে?
  • দ্রি | 162.158.89.234 | ০৪ মে ২০২০ ১৬:৫৩731099
  • "পৃথিবীর প্রায় সব ইকনমিস্টরা চায় সেন্ট্রাল ব্যান্ক ইন্ডিপেন্ডেন্ড থাকুক।"

    সরকারী কন্ট্রোল যেখানে নেই, সেখানে কি সত্যি 'ইন্ডিপেন্ডেন্ট'?

    ২০০৯ ফাইনান্সিয়াল ক্রাইসিসের সময় কিছু সেনেটার, কংগ্রেসম্যান বলেছিলেন বেলাউট মানিটা প্রায় গানপয়েন্টে বার করা হয়েছিল। প্রায় উইদাউট এনি ডিবেট অর ডিসকাসান। কঁগ্রেসের কি সত্যিই খুব সে আছে মনিটারী পলিসি এবং ক্রিটিকাল ফাইনান্সিয়াল ব্যাপারে?
  • S | 162.158.107.158 | ০৪ মে ২০২০ ১৬:৫৯731100
  • @ডিসি, আপনি তো আসল লিন্কটাই ভুলে গেলেন। ডিপ স্টেট চালায় ইউটিউব। ঃ))
  • S | 162.158.107.158 | ০৪ মে ২০২০ ১৭:০৩731101
  • সেন্ট্রাল ব্যান্ক সরকারের হাতে থাকলে আর সেখানে মোদি ট্রাম্পের মতন লোক বসলে তো খুব মুশকিল। সেইজন্যই একা কারোর হাতে না থাকাই ভালো।
  • দ্রি | 162.158.94.211 | ০৪ মে ২০২০ ১৭:০৭731102
  • "এগুলো খুব বোকাবোকা কথা হয়ে যাচ্ছে। ফেডারাল এজেন্সির তো আর শেয়ার প্রাইস বাড়ানোর ব্যাপার নেই। বা লাভ বেশি হলে সিইও বেশি বোনাস পাবেনা। সেক্ষেত্রে অ্যাকাউন্টিং ফ্রড কেন করতে যাবে? যেখানে প্রতি বছর হাতে করে টাকা ট্রেজারিকে ফেরত দিতে হয়। এই সামান্য ব্যাপারগুলো বোঝাতে হলে তো মুশকিল।"

    ফ্রড করার একটা মোটিভ আমি বলছি। ফেডের প্রচুর ইনকাম। সেই ইনকামের একটা পার্ট ইনফ্লুয়েন্শিয়াল কেউ (বা কারা) আত্মসাৎ করে দিচ্ছে। তারপর একটা ফ্রডুলেন্ট হিসেব পাবলিককে দেখাচ্ছে। আর এত বড় অ্যামাউন্ট যেখানে ইনভলভড, একটা অডিট কোম্পানীকে কিনে নেওয়া কোন ব্যাপারই না।

    জাস্ট একটা সম্ভাবনার কথা বললাম।
  • S | 162.158.107.158 | ০৪ মে ২০২০ ১৭:০৮731103
  • "২০০৯ ফাইনান্সিয়াল ক্রাইসিসের সময় কিছু সেনেটার, কংগ্রেসম্যান বলেছিলেন বেলাউট মানিটা প্রায় গানপয়েন্টে বার করা হয়েছিল। প্রায় উইদাউট এনি ডিবেট অর ডিসকাসান।"

    এটা মিথ্যা কথা। কারণ ঐ বিল হাউসেই দুবার ভোটে হারে।
  • S | 162.158.107.158 | ০৪ মে ২০২০ ১৭:১১731104
  • ফেডের টাকা কেউ খেয়ে নিচ্ছে? সিরিয়াসলি? সেইজন্য লোকগুলো মিলিয়ন ডলারের চাকরি ছেড়ে ফেডের দেশ-্দুলাখ ডলারের চাকরি করতে আসে? আর ট্রেজারি এমনি এমনি ছেড়ে দেবে?

    আগেও তো বললাম যে বোকাবোকা কথা হয়ে যাচ্ছে। আর ইগনোরেন্স বেড়িয়ে পড়ছে। ইউ আর জাস্ট কন্টিনিউয়িঙ্গ টু প্রুভ মি কারেক্ট।
  • দ্রি | 162.158.88.163 | ০৪ মে ২০২০ ১৭:১৩731105
  • "সেন্ট্রাল ব্যান্ক সরকারের হাতে থাকলে আর সেখানে মোদি ট্রাম্পের মতন লোক বসলে তো খুব মুশকিল। সেইজন্যই একা কারোর হাতে না থাকাই ভালো।"

    মোদি, ট্রাম্প তো ইলেক্টেড মানুষ। যে ইলেক্টেড হবে সে ডিসাইড করবে এটাই স্বাভাবিক। ডেমোক্রেসিতে যদি ভরসা রাখতে হবে। তা না হলে যদি গোল্ডম্যান স্যাক্সের হাতে চলে যায়, তবে তো ভোট দিয়েও তাকে সরানো যাবে না। মোদিকে অন্তত ভোট দিয়ে তাড়ানো যাবে।

    আপনি যদিও বললেন আমেরিকায় ফেডকে অনেক ব্যাঙ্ক, কংগ্রেস কন্ট্রোল করে। কিন্তু ক্রুশিয়াল সময়ে তো কংগ্রেসকে ডিবেটও করতে দেওয়া হয় নি।
  • দ্রি | 162.158.89.96 | ০৪ মে ২০২০ ১৭:২৩731106
  • " এটা মিথ্যা কথা। কারণ ঐ বিল হাউসেই দুবার ভোটে হারে।"

    সে আপনি বলতে পারেন। কিন্তু কংগ্রেসম্যান (বা সেনেটার) নিজের মুখে আমি এই কথা শুনেছি। ভোটের আগে যথেষ্ট ডিবেট হয়েছিল কী?

    অতদিন আগের ইন্টারভিউ খুঁজে পাব কিনা জানিনা।
  • S | 162.158.107.96 | ০৪ মে ২০২০ ১৭:২৪731107
  • বেইলাউটের পলিসি তৈরীর সঙ্গে ফেডের কোনও সম্পর্কই নেই। ট্রেজারির আছে। ওটা এগজিকিউটিভ আর লেজিস্লেটিভ ব্রান্চ নির্ধারণ করে।

    ফেডের প্রাইমারিলি দুটো কাজ - ইন্টারেস্ট নির্ধারণ করা। আর ব্যান্কিং রেগুলেশান দেখা।

    ট্রাম্প-মোদি থাকবে না কে বলেছে। রিইলেকশান আছে। সেইজন্য ফেডকে ব্যবহার করতে পারে। ইন্ডিয়ায় যেমন জোড় করে ডিমনিটাইজেশান করল নিজেদের রাজনৈতীক স্বার্থে। আরবিআইয়ের আপত্তি থাকা সত্ত্বেও। এটা তো মারাত্মক শিক্ষা পেল সব ইকনমিস্টরা যে কেন সেন্ট্রাল ব্যান্কের কাজকর্মে সরকারের নাক গলানো উচিত নয়।
  • দ্রি | 162.158.90.137 | ০৪ মে ২০২০ ১৮:০১731109
  • ডিমনিটাইজেশান কি সেন্ট্রাল ব্যাঙ্কের এরিয়া হওয়া উচিত? যদি সেন্ট্রাল ব্যাঙ্কের কাজ হয় ইন্টারেস্ট নির্ধারণ এবং ব্যাঙ্কিং রেগুলেশান?

    ডিমনিটাইজেশানের আসল কারণ কি ছিল সেটা একটা মিস্ট্রি। অফিশিয়ালি যেসব কথা বলা হয়েছিল (যেমন ব্ল্যাক মানি) সেগুলো সার্টেনলি কারণ নয়। আমার মনে হয় ফেক কারেন্সির অ্যামাউন্টটা সামলানোটা ছিল উদ্দেশ্য। বহুদিন ধরে প্রচুর ফেক কারেন্সি ভারতে ঢুকছিল। ফেক কারেন্সির টেকনলজিও একদম পার্ফেক্ট হয়ে গিয়েছিল ওভার আ পিরিয়ড অফ টাইম। কিন্তু টোটাল মানি সাপ্লাইতে পার্সেন্টেজ হিসেবে অনেক ফেক কারেন্সি ঢুকে গেলে এক ধরনের ডিস্টেবিলাইজেশান হয়। কারেন্সি চেঞ্জ করে দিলে ফেক মানি বিল্ড আপ করতে সময় লাগে। নতুন নোট ফেক করার টেকনলজি বানাতে হয়, নতুন মেশিন বসাতে হয়, ইত্যাদি। এটা মনে হয় ইন্টেলিজেন্সের ভিত্তিতে পোলিটিকাল ডিসিশান ছিল। ঠিক মনিটারী ডিসিশান নয়।

    ডিমনিটাইজেশানের সময় একটা নিউজ এসেছিল। করাচী বেসড ফেক নোট নির্মাতা জাভেদ খানানি মনিটাইজেশানের পর সুইসাইড করেছিল। খুব বেশী লস হয়েছিল বলে অ্যালেজেডলি।

    সিমিলার কারণে একবার রাশিয়াতে (বা ফর্মার সোবিয়েতে) কারেন্সি রিকল হয়েছিল। মানে ইন্টেলিজেন্স ইনফো ছিল প্রচুর পরিমাণ ফেক কারেন্সি দেশে ঢুকতে চলেছে।
  • dc | 162.158.50.219 | ০৪ মে ২০২০ ১৮:০৪731110
  • এইত্তো ডিমনির আসল কারনের হদিশ পাওয়া গেছে। জয় শ্রীরাম!
  • dc | 162.158.50.219 | ০৪ মে ২০২০ ১৮:১১731111
  • হাঁ তো আপ ক্রোনোলজি সমঝ লিজিয়ে। হাম ভিএইচপি কে তরফ সে পহলে ডিমনি কে লিয়ে আদরনিয় প্রধানমন্ত্রিজি কো বধাই দিয়ে। ফির উসকে বাদ হামারে অতিপ্রিয় সার পলিট্কাল বন্ড কা প্রোপোজাল লেকর আয়া। অওর উসকে বাদ হাম ইলেকশান হারে পর সরকার জিতে - কর্নাটক মে, গোয়া মে, মধ্য প্রদেশ মে। ডিমনি কা ক্রোনোলজি সমঝে না আপ? আব ইয়ে পড় লিজিয়ে হমারা বক্তব্যঃ

    https://vhp.org/media/%E0%A4%A8%E0%A5%8B%E0%A4%9F-%E0%A4%AC%E0%A4%82%E0%A4%A6-%E0%A4%95%E0%A4%B0%E0%A4%A8%E0%A5%87-%E0%A4%95%E0%A4%BE-%E0%A4%B5%E0%A4%BF%E0%A4%B9%E0%A4%BF%E0%A4%AA-%E0%A4%A8%E0%A5%87-%E0%A4%95%E0%A4%BF/
  • দ্রি | 162.158.91.18 | ০৪ মে ২০২০ ১৮:১৩731112
  • "ফেডের টাকা কেউ খেয়ে নিচ্ছে? সিরিয়াসলি? সেইজন্য লোকগুলো মিলিয়ন ডলারের চাকরি ছেড়ে ফেডের দেশ-্দুলাখ ডলারের চাকরি করতে আসে? আর ট্রেজারি এমনি এমনি ছেড়ে দেবে?"

    কেউ খেয়ে নিচ্ছে মানে যারা খেয়ে নিচ্ছে তাদের লোকদেরই ফেড এবং ট্রেজারীতে বসানো আছে।
  • S | 162.158.107.212 | ০৪ মে ২০২০ ১৮:১৯731113
  • ওরকম ভাবে কেউ টাকা খেতে পারেনা। একি মুদি দোকান নাকি যে কর্মচারি সুজোগ বুঝে টুক করে একদানা মিস্রি মুখে দিয়ে দিল।

    ফেডের সব কাজকর্মের আর ট্রান্জাকশানের প্রচুর অডিট হয়, মনিটারিং থাকে, প্রচুর ট্রেইল রাখা হয়। তাছাড়া ফেডের সবকটি চেয়ারম্যান প্রেসিডেন্ট দ্বারা অ্যাপয়েন্টেড।
  • দ্রি | 162.158.107.96 | ০৪ মে ২০২০ ১৯:০৭731114
  • ওকে। এবার শুনুন ১৯৮৩ সালে আর্চিবাল্ড রবার্টসের টেস্টিমনি আইডাহোর সেনেটেঃ

    Now to identify the real owners of the Federal Reserve which is your question sir, . . . Mr. Chairman, I would like to quote from sources from Switzerland and Saudi Arabia who were queried on the real owners of the Federal Reserve. Mr. Chairman and sir, we do not mean the managers of the twelve Federal Reserve banks who merely run the banks for the owners, the real owners. Nor do we mean the members of the Federal Reserve Board who merely make decisions in line and in consonance with the directions they receive from the real owners of the Federal Reserve. We certainly don't mean those who sit on the Open Market Committee of the Federal Reserve which we mentioned earlier in this presentation. We mean the real owners of the Federal Reserve. Mr. Chairman, this has been the best kept secret of this century. And it is the best kept secret because of a proviso on passage of the Federal Reserve Act. It was agreed that no information would be released on the Class A stockholders of the Federal Reserve. But, a Mr. R.E. McMaster, publisher of a newsletter, The Reaper, asked his Swiss and Saudi Arabian contacts which banks hold controlling interest in the Federal Reserve System. This was the answer received, and I quote, "Owner number one, Rothschild Banks of London and Berlin; Owner number two, Lazard Brothers Banks of Paris; Owner number three, Israel Moses Seif Banks of Italy; Owner number four, Warburg Bank of Hamburg and Amsterdam; Owner number five, Lehman Brothers Bank of New York; Owner number six, Kuhn, Loeb Bank of New York; Owner number seven. Chase Manhattan Bank of New York." Mr. Chairman, it is the Chase Manhattan Bank which controls all of the other eleven Federal Reserve Banks. Finally, "Owner number eight, Goldman, Sachs Bank of New York."

    Mr. Chairman, sir, there are approximately three hundred people, all known to each other and
    sometimes related to one another, who hold stock or shares in the Federal Reserve System. They comprise an interlocking, international banking cartel of wealth beyond comprehension.

    পুরো টেস্টিমনিটা পড়তে পারেন। খুব ইন্টারেস্টিং।
  • দ্রি | 162.158.107.96 | ০৪ মে ২০২০ ১৯:০৭731115
  • ওকে। এবার শুনুন ১৯৮৩ সালে আর্চিবাল্ড রবার্টসের টেস্টিমনি আইডাহোর সেনেটেঃ

    Now to identify the real owners of the Federal Reserve which is your question sir, . . . Mr. Chairman, I would like to quote from sources from Switzerland and Saudi Arabia who were queried on the real owners of the Federal Reserve. Mr. Chairman and sir, we do not mean the managers of the twelve Federal Reserve banks who merely run the banks for the owners, the real owners. Nor do we mean the members of the Federal Reserve Board who merely make decisions in line and in consonance with the directions they receive from the real owners of the Federal Reserve. We certainly don't mean those who sit on the Open Market Committee of the Federal Reserve which we mentioned earlier in this presentation. We mean the real owners of the Federal Reserve. Mr. Chairman, this has been the best kept secret of this century. And it is the best kept secret because of a proviso on passage of the Federal Reserve Act. It was agreed that no information would be released on the Class A stockholders of the Federal Reserve. But, a Mr. R.E. McMaster, publisher of a newsletter, The Reaper, asked his Swiss and Saudi Arabian contacts which banks hold controlling interest in the Federal Reserve System. This was the answer received, and I quote, "Owner number one, Rothschild Banks of London and Berlin; Owner number two, Lazard Brothers Banks of Paris; Owner number three, Israel Moses Seif Banks of Italy; Owner number four, Warburg Bank of Hamburg and Amsterdam; Owner number five, Lehman Brothers Bank of New York; Owner number six, Kuhn, Loeb Bank of New York; Owner number seven. Chase Manhattan Bank of New York." Mr. Chairman, it is the Chase Manhattan Bank which controls all of the other eleven Federal Reserve Banks. Finally, "Owner number eight, Goldman, Sachs Bank of New York."

    Mr. Chairman, sir, there are approximately three hundred people, all known to each other and
    sometimes related to one another, who hold stock or shares in the Federal Reserve System. They comprise an interlocking, international banking cartel of wealth beyond comprehension.

    পুরো টেস্টিমনিটা পড়তে পারেন। খুব ইন্টারেস্টিং।
  • দ্রি | 172.68.174.45 | ০৪ মে ২০২০ ১৯:১১731117
  • "ওরকম ভাবে কেউ টাকা খেতে পারেনা। একি মুদি দোকান নাকি যে কর্মচারি সুজোগ বুঝে টুক করে একদানা মিস্রি মুখে দিয়ে দিল।"

    সেটা ঠিক। আমি যেটা বললাম সেটা নিশ্চয়ই খুবই নাইভ। কিন্তু এইসব লাইনে তো অনেক ঘাঁতঘোঁত আছে। ওগুলো ফাইনান্সে ডিগ্রিধারীরাই ভালো বলতে পারবে। তবে চোট্টামির কোন স্কোপ নেই এটা বিশ্বাস করা তো কনস্পিরেসি থিওরিতে বিশ্বাস করার চেয়েও শক্ত। আমি জাস্ট একটা সম্ভাবনার কথা বললাম। অ্যাকচুয়াল মীনস অ্যান্ড মেথডস নিশ্চয়ই অনেক কমপ্লিক্টেড।
  • S | 108.162.246.184 | ০৪ মে ২০২০ ১৯:২৮731118
  • এই টেস্টিমনিটা পুরো মিথ্যা কথায় ভর্তি।

    ফেডের ক্যাপিটাল দেয় কমার্শিয়াল ব্যান্করা। সেখানে গোল্ডম্যান দিতেই পারেনা, কারণ গোল্ডম্যান হল ইনভেস্টমেন্ট ব্যান্ক। সবথেকে বড় মেম্বার হল ব্যান্ক অব আমেরিকা, জে পি মর্গ্যান, সিটি, ওয়াচোভিয়া, আর ওয়েল্স ফার্গো।

    এই টেস্টিমনিটা বিশ্বাস করা আর চাঁদে এক বুড়ি চড়্কা চালাচ্ছে বিশাস করা একই ব্যাপার।

  • S | 108.162.246.184 | ০৪ মে ২০২০ ১৯:৩৩731119
  • এই টেস্টিমনিটার অদ্ভুত ব্যাপার হল যে সবকটা ব্যান্ক ইহুদীরা চালায়। এর থেকে একটা জিনিসই প্রমাণিতঃ

    কনস্পিরেসি থিয়োরি = অ্যান্টাই সেমিটিজম।

    নেহাত গ্যাস চেম্বার বানাতে পারছেনা। তাই কনস্পিরেসি থিয়োরি দিয়েই চালাচ্ছে।

    এখানে এত ব্যান্কের কথা বলা হয়েছে অথচ এদের ছাড়াও ওয়াল স্ট্রিটে বহু ব্যান্ক এবং ইনভেস্টমেন্ট ব্যান্ক আছে যেগুলো লিম্যানের থেকে বড় যেগুলোর নাম নেই। কারণ সেগুলোর নামে ইহুদীরা নেই।
  • S | 108.162.246.184 | ০৪ মে ২০২০ ১৯:৩৭731120
  • "তবে চোট্টামির কোন স্কোপ নেই এটা বিশ্বাস করা তো কনস্পিরেসি থিওরিতে বিশ্বাস করার চেয়েও শক্ত।"

    আরেকটা নাইভ স্টেটমেন্ট.
  • দ্রি | 162.158.90.137 | ০৪ মে ২০২০ ২০:৪৩731121
  • চার্লস লিন্ডবার্গ বলেছিলেন,

    “This [Federal Reserve Act] establishes the most gigantic trust on earth. When the President (Woodrow Wilson) signs this bill, the invisible government of the monetary power will be legalized....the worst legislative crime of the ages is perpetrated by this banking and currency bill.”

    ইনি কিন্তু কোন ক্রেজি কনস্পিরেসি থিওরিস্ট নন। যেই সময় ফেডারাল রিজার্ভ অ্যাক্ট পাস হয়েছিল, তিনি সেই সময়কার সিটিং কংগ্রেসম্যান ছিলেন। বিলের বিরোধিতা করেছিলেন।
  • দ্রি | 172.68.174.9 | ০৪ মে ২০২০ ২১:৪৯731122
  • লুইস ম্যাকফ্যাডেন, নাইন্টিন থার্টিজে কংগ্রেসে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন,

    ""Mr. Chairman, we have in this Country one of
    the most corrupt institutions the world has ever known.
    I refer to the Federal Reserve Board and the Federal
    Reserve Banks, hereinafter called the Fed. The Fed
    has cheated the Government of these United States and
    the people of the United States out of enough money
    to pay the Nation's debt. The depredations and iniquities of the Fed has cost this Country enough money
    to pay the National debt several times over.

    "This evil institution has impoverished and ruined
    the people of these United States, has bankrupted it-
    self, and has practically bankrupted our Government.
    It has done this through the defects of the law under
    which it operates, through the maladministration of
    that law by the Fed and through the corrupt practices
    of the moneyed vultures who control it.

    "Some people who think that the Federal Reserve
    Banks are United States Government institutions.
    They are not Government institutions. They are
    private monopolies which prey upon the people of
    these United States for the benefit of themselves and
    their foreign customers; foreign and domestic specu-
    lators and swindlers; and rich and predatory money
    lenders. In that dark crew of financial pirates there
    are those who would cut a man's throat to get a dol-
    lar out of his pocket; there are those who send money
    into states to buy votes to control our legislatures;
    there are those who maintain International propa-
    ganda for the purpose of deceiving us into granting
    of new concessions which will permit them to cover up
    their past misdeeds and set again in motion their gi-
    gantic train of crime.

    এগুলোকে যদি কনস্পিরেসি থিওরি বলেন, তাহলে বলতে হয় এই কনস্পিরেসি ফেডেরাল রিজার্ভের ইতিহাসেই জড়িয়ে আছে।

    ম্যাকফ্যাডেনের ওপর দুবার মার্ডার অ্যাটেম্পট হয়। একবার শুটিং। একবার ফুড পয়জনিং।
  • S | 162.158.107.158 | ০৪ মে ২০২০ ২২:২৫731123
  • উইকি থেকেঃ

    In 1934, he made several anti-Semitic comments from the floor of the house and in newsletters to his constituents wherein he cited the Protocols of the Elders of Zion, claimed the Roosevelt administration was controlled by Jews, and objected to Henry Morgenthau, Jr., a Jew, becoming Secretary of the Treasury.
  • S | 162.158.107.158 | ০৪ মে ২০২০ ২২:৩৬731124
  • অনেকে ফেডের সমালোচনা করে, বিশেষ করে লিবারেটেরিয়ান ইকনমিস্টরা, কারণ তারা মনে করে যে সরকারে কোনওরকম ব্যান্কিং সিস্টেমি থাকা উচিত নয়, ইনক্লুডিং সেন্ট্রাল ব্যান্ক। ফেড ইন্টারেস্ট রেট ঠিক করারই বা কে? এরা মনে করে মার্কেট ঠিক করবে। ব্যান্কদের আবার রেগুলেট করার কি আছে, ওরা সেল্ফ রেগুলেটেড হবে (আগের ক্রাইসিসের সময় দেখা গেছে ব্যান্কিং সেক্টরে ডিরেগুলেশনের ফলাফল)। এমনকি এরা মনে করে যে ডলার ছাপানোর মনোপলি শুধুমাত্র সরকারের কাছে থাকবে কেন?

    তা এরা খুবেকটা পাত্তা পায় না। কারণ সবার মাথা এখনও গাঁজা খেয়ে খারাপ হয়নি।
  • dc | 162.158.50.241 | ০৪ মে ২০২০ ২৩:১১731126
  • "এই টেস্টিমনিটা বিশ্বাস করা আর চাঁদে এক বুড়ি চড়্কা চালাচ্ছে বিশাস করা একই ব্যাপার।"

    এবাবা S জানেন না যে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর নাজিরা চাঁদে চলে গেছিল? এই ডকুমেন্টারিটা দেখুন। ডিপ স্টেট এটা ডিলিট করার অনেক চেষ্টা করেছিল, কিন্তু কিভাবে যেন ডকুটা ভেসে উঠেছেঃ

  • দ্রি | 162.158.90.137 | ০৪ মে ২০২০ ২৩:৫৪731127
  • থ্মাস আলভা এডিসন এ ব্যাপারে কি মনে করতেনঃ

    "If our nation can issue a dollar bond (interest bearing) it can issue a dollar bill (interest-free). The element that makes the bond good makes a bill good also. The difference between the bond and the bill is that the bond lets money brokers collect twice the amount of the bond and an additional 20 percent, whereas the currency pays nobody but those who contribute directly in some useful way. It is absurd to say that our country can issue $30 million in bonds and not $30 million in currency. Both are promises to pay: But one promise fattens the usurers (interest collectors) and the other helps the people."

    এটা কোন কনস্পিরেসি থিওরি নয়। এই আইডিয়াটা ফেডারাল রিজার্ভ অ্যাক্টের জন্ম থেকেই ছিল।
  • দ্রি | 162.158.50.254 | ০৫ মে ২০২০ ০০:০২731128
  • ব্যাংকিং কার্টেলের বিরুদ্ধে বলাটা একটু অ্যান্টি সেমিটিক শোনায়। সেটা কিছু করার নেই। ব্যাঙ্কিং এর একদম উঁচু লেভেলে ইহুদীদের রিপ্রেজেন্টেশানটা একটু বেশী। সেটার কারণ ক্রিশ্চান ধর্মে সুদ নেওয়া খারাপ ধরা হত। তাই দীর্ঘদিন থেকে ঐ বিজনেসে ইহুদীদের ডিসপ্রোপোর্শানেট রিপ্রেজেন্টেশান ছিল। ঐসব ফ্যামিলি গুলোই এখন প্রমিনেন্ট ব্যাংকিং হাউস। ইওরোপে অ্যান্টিসেমিটিজমের রুটস ও ছিল ঐ।

    কিন্তু অ্যান্টিসেমিটিজমের ভয়ে তো ব্যাংকিং কার্টেলের সম্বন্ধে কথা বলা থামানো যায় না।
  • S | 162.158.107.96 | ০৫ মে ২০২০ ০০:১৯731130
  • আমেরিকাতে প্রচুর প্রচুর ব্যান্ক এবং ফাইনান্সিয়াল ইনস্টিটিউশান আছে যেগুলো ইহুদীদের নয়। সেই নিয়ে তমন কোনও বক্তব্য রাখা হয়্না। গোল্ডম্যানকে নিয়ে লোকের যত উৎসাহ, জে পি মর্গানকে নিয়ে কেউ কোনও কথাই বলেনা।

    রিপ্রেজেন্টেশান যতটা না জিউদের, এইসব কনস্পিরেসি থিয়োরিস্টদের আক্রমণ খুব স্পেসিফিকালি এবং ডিসপ্রোপোর্শনেটলি ইহুদীদের বিরুদ্ধে। সেটা শার্লটসভিলেই দেখা গেছে।
  • S | 108.162.245.183 | ০৫ মে ২০২০ ০০:২৭731131
  • থমাস আলভা এডিশনের বক্তব্য কিনা জানিনা। তবে যিনি বলেছেন অনেক কিছু না বুঝেই বলেছেন। এর মানে হলঃ

    কেউ আমেরিকান সরকারের কাছ থেকে বন্ড কিনলে (মানে আমেরিকান সরকারকে ধার দিলে, একেই ট্রেজারি বলা হয়) আমেরিকার সরকারের কাছ থেকে ইন্টারেস্ট পাবে। কিন্তু কেউ আমেরিকান ডলার (বিল, মানে ফিজিকাল কারেন্সি) হাতে রাখলে তো কই ইন্টারেস্ট পায়্না। একটা যে ইনভেস্টমেন্ট ভেহিকল আর আরেকটা কারেন্সি, সেটা না বুঝলে মুশকিল। তাছাড়া ডলার বিল ব্যান্কে রাখলেই ইন্টারেস্ট পাওয়া যায়। এমনকি ফেডেও ডলার রাখা যায়। বা সেই ডলার দিয়ে ট্রেজারি কিনলেই ইন্টারেস্ট পাওয়া যায়।

    অনেকগুলো ইংরেজি কঠিন টার্ম দিয়ে লেখা হয়েছে বটে, কিন্তু সারমর্ম তেমন কিছুই নেই।

    আমেরিকাতে বহু লোক প্রচুর সফিস্টিকেশানের সঙ্গে ভুলভাল কথাবার্তা বলে। তাদের লেখা বইও ছাপা হয়। এদিক সেদিক লেকচারও দেয়।
  • দ্রি | 162.158.50.254 | ০৫ মে ২০২০ ০০:৩৭731133
  • না, সেটা বলা হচ্ছে না মনে হয়। বলা হচ্ছে যে গভর্মেন্ট (বা ব্যাঙ্ক) যখন ফেডের থেকে টাকা ধার নেয়, ফেড ট্রেজারীকে বলে টাকা ছাপিয়ে গভর্মেন্ট বা ব্যাঙ্ককে দাও। এবং সেই দেওয়া বাবদ ইন্টারেস্ট ক্লেম করে।

    এইটা নিয়েই লোকের এত প্রবলেম।
  • করোনা ভাইরাস

  • গুরুর মোবাইল অ্যাপ চান? খুব সহজ, অ্যাপ ডাউনলোড/ইনস্টল কিস্যু করার দরকার নেই । ফোনের ব্রাউজারে সাইট খুলুন, Add to Home Screen করুন, ইন্সট্রাকশন ফলো করুন, অ্যাপ-এর আইকন তৈরী হবে । খেয়াল রাখবেন, গুরুর মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করতে হলে গুরুতে লগইন করা বাঞ্ছনীয়।
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত