ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • শিশুদিবস গুরু স্পেশাল

    Guruchandali
    অন্যান্য | ১৪ নভেম্বর ২০১০ | ১১৮৫৪ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Samik | 122.162.75.97 | ১৮ নভেম্বর ২০১০ ১০:৪৪468441
  • আকা। রিমিরে কইয়ো আমায় মেল করতে। :-)
  • dukhe | 122.160.114.85 | ১৮ নভেম্বর ২০১০ ১০:৪৫468443
  • আকা কি আমারে জিগালেন ? কলকাতা ।
    অজগর রোজ দেখে না বলে আপেল বেশি চিত্তাকর্ষক হবে কি ? সন্দেহ আছে । রোজ দেখার বাইরেও জিনিস আছে - যা দিয়ে তা দেখা যায় তার নাম কল্পনা । ওতে বাচ্চাদের ঘাটতি আছে বলে মনে হয় না ।
  • Arijit | 61.95.144.122 | ১৮ নভেম্বর ২০১০ ১০:৪৫468442
  • যারা বাইরে থাকে (স্পেশ্যালি যে বাচ্চাগুলো বেশিরভাগ সময় ডে-কেয়ারে থাকে) বা যারা সদ্য এখানে এসেছে, সমস্যাটা তারা যতটা ফেস করেছে বাকিরা অতটা নয় সম্ভবত:। তবে বছরখানেক পর থেকে কিছুটা কমতে শুরু করে। ঋকের সেই জর্ডি-ইংলিশ এখন সুদূর অতীত।
  • Arijit | 61.95.144.122 | ১৮ নভেম্বর ২০১০ ১০:৪৬468445
  • বড় হাতের গ দিয়ে গণ্ডগোল।
  • aka | 24.42.203.194 | ১৮ নভেম্বর ২০১০ ১০:৪৬468444
  • তাতিন, না। আমিও ছোটবেলায় পড়ার জন্য কোনদিন মার খাই নি। এমন নয় যে আমি খুব সুবোধ টাইপ ছিলাম। দাদু-ঠাকমার আড়ালে বড় হয়েছি। মা চোখ পাকালেই ঠাকুমা গিয়ে দাদুকে নালিশ করত, ছেলে মারলেই পড়ানো হয় না। তা সেটা আমার খুব মনে ধরেছে।
  • aka | 24.42.203.194 | ১৮ নভেম্বর ২০১০ ১০:৫২468446
  • দুখে, কল্পনা বই থেকে পড়িয়ে চাপিয়ে দেওয়া যায় না। কল্পনা করতে দিতে হয়। সেটা বাচ্ছারা খেলাধুলোর মাধ্যমে নিজেরাই করে থাকে। তাদের সেই কল্পনা ন্যাচরাল। গল্প শুনলে সেটা বাড়ে। যদি অ-অজগর বলে একটা ছবিই দেখিয়ে দিলেন তাতে কল্পনা কোথায়। বরং বলা হল, এই বস্তুটাকে অজগর বলে।

    অক্ষর শেখা, সংখ্যা চেনা একটা অনুশীলন। সেটাও অ্যাবস্ট্রাক্ট করলে কনফিউজড হবার সম্ভাবনাই বেশি, আমি নিজে তো হই।
  • byaang | 122.172.45.189 | ১৮ নভেম্বর ২০১০ ১০:৫৩468447
  • বাইরে থাকা দুটি বাচ্চা, মানে তারা জন্মেছে দুবাইয়ে, বছর চার হল আছে স্কটল্যান্ডের অ্যাবার্ডিনে, স্কুলে পড়ে ইংরাহি, স্প্যানিশ আর আরো একটা কি যেন ভাষা। স্থানীয় ভারতীয়দের জমায়েতে শোনে, বলে হিন্দী, বাড়িতে বাংলা। এক্‌জনের বয়স ৭ আর আরেকজনের ৬, তাদের বাবা খুব দু:খ করছিলেন মেয়েরা স্প্যানিশ পড়তেলিখতে পারে, কিন্তু বাংলা পারে না। তারাও দুই বছর সহজ পাঠ, বর্ণপরিচয় দিয়ে গাঁতিয়ে বিদায় জানিয়েছিল মাতৃভাষাকে। তাদের বাবা এবারে লোকমুখে শুনে সহজ পড়া ১-২ নিয়ে গেছেন স্কটল্যান্ডে, এক মাসে তারা যুক্তাক্ষর শিখে অন্য বাংলা বইয়ের দিকে হাত বাড়াচ্ছে। ভদ্রলোক এখানে কয়েকবার লিখেছেন, কথা হলে অনুরোধ করব, ওনার অভিজ্ঞতা এখানে লিখতে।
  • aranya | 144.160.5.25 | ১৮ নভেম্বর ২০১০ ১০:৫৯468448
  • তাতিন, আপনি অভিগ্‌ঞতার (ঠিক বানানটা কিভাবে লিখব?) অভাবে ব্যাপারটা কিছুই বোঝেন নি মনে হচ্ছে, শুধু কল্পনা করছেন যে বাবা-মা প্রচুর চাপ নিলেই বাচ্চাকে প্রচুর না হলেও কিছু বাংলা গিলিয়ে দেওয়া যাবে আর সেটা হজমও হবে।
    কল্পনায় পোলাওতে যত ইচ্ছে ঘি ঢালতেই পারেন, কিন্তু বাস্তবে যারা বিদেশে বেশ কিছু বছর বাচ্চা মানুষ করছে, এই টই-তে তাদের মন্তব্য গুলোকে একটু গুরূত্ব দিলে ভাল করবেন - যেমন i, রিমি, আকা। আমি যে কেস স্টাডি জনিত সিদ্ধান্তের কথা বলেছিলাম, পারমিতা তার একটিও ব্যতিক্রম দেখতে পান নি বলে লিখেছেন, খেয়াল করেছেন কি?
    আপনাকে চ্যালেঞ্জ করছি - ভারতের বাইরে যে কোন দেশে বড় হচ্ছে এমন পাঁচটি অভিবাসী বাঙালী কিশোর-কিশোরীর উদাহরণ দিন, আপনার পরিচিত-দের মধ্যে থেকে, যারা শিশুবয়সে বাংলা লিখতে/পড়তে শিখেছে এবং কলেজে ভর্তি হওয়া অব্দি সেটা ধরে রাখতে পেরেছে।
    আপনার বাস্তব উদাহরণ্‌গুলো পেলেই আমি কোমর বেঁধে মেয়েকে বাংলা শেখাতে শুরু করব :-)। আর না পেলে, বুঝতেই পারছেন, বাচ্চা ঝরঝরে বাংলা বললেই খুশী থাকব; লিখতে/পড়তে শেখানোর চেষ্টাকে ভষ্মে ঘি ঢালার অর্থহীন প্রয়াস বলে মনে করব।
  • dukhe | 122.160.114.85 | ১৮ নভেম্বর ২০১০ ১১:০১468449
  • টুনটুনির বই দিয়ে অক্ষর চেনেনি । তার জন্য হাসিখুশি আর সহজ পাঠ । "ঙ নৌকা, মাঝি ব্যাঙ" এর মজা কি বাদ দেওয়া যায় ? এ ফর অ্যাপল একটা রসকষহীন অ্যাপ্রোচ । না দেখা জিনিসের ছবিও কল্পনাকে উস্কে দেয় । অক্ষর চেনাতে চেনাতে পুরোনো এক্কাগাড়ির গল্প এট্টু করলেই বা ক্ষতি কী?
  • byaang | 122.172.45.189 | ১৮ নভেম্বর ২০১০ ১১:০৬468451
  • এক্কাগাড়ির কথায় একমত। আর ইংরাজি বইতে ঘোড়ার গাড়ির ছবি বা কথাও তো থাকে। দুটো মিলিয়ে নিতে চাপ হওয়ার কথা নয়।
  • tatin | 130.39.149.32 | ১৮ নভেম্বর ২০১০ ১১:০৭468452
  • পাঁচজন তো মনে হয় জানি- বাংলাদেশি ধরলে আরও কিছু বেশিই হবে- আপনার কাছে কী ফর্মে উদাহরণগুলো দেবো? মেইল আইডি ধরে দিতে হলে একটু টাইম লাগবে কিন্তু
  • Arijit | 61.95.144.122 | ১৮ নভেম্বর ২০১০ ১১:১০468453
  • তবে হ্যাঁ - সহজ পড়া-তেই "একদিন রাতে আমি স্বপন দেখিনু' কবিতাটা ছিলো, এবং সেটাতে বেশ ইন্টারেস্ট পেয়েছিলো - কারণ কনটেন্টটাই সেই রকম। এই রকম কনটেন্ট যত বেশি হবে তত ভালো। সেই দিক থেকে আবোলতাবোল খুব উপযোগী। পাঠ ভবন এই কাজটা ভালো করে - পাঠ্য বই হিসেবে টুনটুনির বই, আবোলতাবোল, গল্প আর গল্প ইত্যাদি। হলিডে হোমওয়ার্ক বলতে সেরা সন্দেশ, Wizard of Oz, Rapunzel এই সব।

    বলতে বলতে মনে পড়লো - ছোটবেলায় আমাকে খাওয়ানোর জন্যে বাসন্তী রঙের "সুন্দরী ট্রাম'-এর গল্প বলা হত। এক্সটেম্পোর গল্প। সেরকম একটা চরিত্র বানালে মন্দ হয় না। সঙ্গে ছবি।
  • byaang | 122.172.45.189 | ১৮ নভেম্বর ২০১০ ১১:১৬468454
  • এক্কাগাড়ি উঠে গেছে, মাঝি দেখে নি কখনো, ইত্যাদি বললে তো বহু বিখ্যাত ইংরাজী সাহিত্য যেগুলো ছোটদের কথা ভেবেই লেখা, তাও পড়া চলে না কিন্তু।
  • saikat | 202.54.74.119 | ১৮ নভেম্বর ২০১০ ১১:২৩468456
  • আচ্ছা , আমার একটা পোশ্নো আছে। "অ-এ অজগর' যখন লেখা হয়েছিল তখন কী সব বাচ্ছারা অজগর সাপ কী বস্তু তা জানত? না কি তাদেরও বোঝান হত অজগর কেন তেড়ে আসে?

    তর্ক তো দুটো বিষয় নিয়ে -

    (১) বাংলা শেখানোর ভাল বই নেই

    (২) ছোটদের জন্য ভাল বাংলা বই নেই

    প্রথমটার তো খামতি আছেই। সেটা থাকবেই, কারণ বাংলা শিখে কী আর কাজকর্ম করা যাবে? যদি বেশী ভাবে করা যেত, তাহলে বই বেরোত। ইদানীং তো পবিত্র সরকারের এ বই, আর "সহজ পড়া' ছাড়া বিশেষ কিছু নেই। ইঞ্জিরীতে আছে কারণ ঐ ভাষায় করে খেতে হবে, শেক্সপীয়ার পড়ার জন্য কী আর ইঞ্জিরী শেখান হয়? ওটা ফাউ।

    আর দ্বিতীয়টা। সুখলতা রাও না ধরিয়ে হাঁদা-ভোঁদা, নন্টে-হন্টে-বাঁটুল ধরালেই হয়। দিব্যি মজা পাবে।

    বাংলা ভাষা দুয়োরাণী হয়েই থাকবে। অন্তত এ বাংলার বাঙালীদের কাছে। তাতে যাদের মনে হবে কোন অসুবিধে নেই, তারা চাপ নেবে না। আর যাদের মনে হবে অসুবিধে আছে, তারা বিবিধ চাপ নেবে। সিম্পিল।
  • aranya | 144.160.5.25 | ১৮ নভেম্বর ২০১০ ১১:২৩468455
  • তাতিন, মেল আইডি বা ফোন নাম্বার পেলেই ভাল হয়, যাতে তাদের সাথে কথা বলে জানতে পারি কোন মন্ত্রে কলেজে ঢোকা অব্দি মানে ৪/৫ বছর বয়সে প্রথম বাংলা অক্ষর শিখলে ১৮ বছর বয়স অব্দি সেই শিক্ষাকে ধরে রাখতে পেরেছে।
    এই ফোরামে মেল আইডি ইত্যাদি না দিলেও চলবে। আপনার কাছে হয়ত পাই/সুমেরু/ঈশান-এদের কারুর মেল আইডি আছে। ওদের কারুকে পাঠিয়ে যদি একটু বলেন আমায় ফরোয়ার্ড করে দিতে। ধন্যবাদ।
  • byaang | 122.172.45.189 | ১৮ নভেম্বর ২০১০ ১১:২৬468457
  • আর কল্পনার কথা বলতে গেলে শিশুদের কল্পনা কখন কোথায় পৌঁছায়, তার হদিশ পাওয়া মুশকিল।
    এইবারের বুলবুলভাজায় সাম্পানের লেখাটার কথা ধরা যাক। মারকিউরি চিরকাস প্ল্যানেট এটা শিশুটির কল্পনা, কিন্তু সেই কল্পনার সাথে বাস্তবকে মিশিয়ে দিল একটা ছোট্ট যুক্তি দিয়ে , কারণ প্ল্যানেটটা মারকিউরির খুব কাছে। তার কল্পনার গ্রহের আগুনের রঙ পার্পল। কিন্তু আবারও সে কল্পনাকে বাস্তবায়িত করল শেষ লাইনে, ফিভির থেকে যেই ঐ আগুন বেরিয়ে আসে, সেটার রঙ হয় হলুদ। দেখা পৃথিবীকে না দেখা গ্রহের সাথে মেলাতে কোথাও সে স্বাচ্ছন্দ্যের অভাব বোধ করে নি।
    আমরা বড়রা কোনো কিছু বোঝাতে অপারগ হলাম মানেই এই নয় শিশুটির সেটা বোঝার ক্ষমতা ছিল না নিজের কল্পনাশক্তি দিয়ে।
  • dukhe | 122.160.114.85 | ১৮ নভেম্বর ২০১০ ১১:২৯468458
  • ধুর ধুর - abcd চেনানোর চেয়ে অ-আ-ক-খ চেনানোর বই ঢের ভালো ।
    তাপ্পর আসবে ইঞ্জিরির বানান আর উচ্চারণ নিয়ে চাপ । বাংলায় তো মোটামুটি দুটো ই-কারেই চলে যায়, কিন্তু ইঞ্জিরি -
    i,ee,ea,ie,ei,...
    ঘেন্না ধরে গেল !
  • aranya | 144.160.5.25 | ১৮ নভেম্বর ২০১০ ১২:০৭468459
  • শিশুদিবস স্পেশালে এখানে বাচ্চাদের যে লেখাগুলো বেরিয়েছে - সেগুলোয় আমার ভাল লাগছে লেখার স্বত:স্ফূর্ততা আর উদ্দাম বাধাহীন কল্পনার খেলা - লেখাগুলো ইংরেজীতে পড়তেও মনে হয় একই রকম ভাল লাগত, বাচ্চাদের লেখার ক্ষেত্রে কোন ভাষা সেটা অতটা দরকারী নয়, যেহেতু ভাষার মুন্সীয়ানার চেয়ে কল্পনার দৌড়টাই মন টানে।

    অভিবাসী বাচ্চাকে বাংলা শেখানোর পথে আর এক অন্তরায় হল একটা moral dilemma, যে জোর করে চাপান হচ্ছে কিন। অংক, ইংলিশ,স্প্যানিশ, বিজ্ঞান - এগুলো তো জোর করে চাপাতে হয় না, স্কুলে যেহেতু শেখাচ্ছে, হোমওয়ার্ক দিচ্ছে, বাচ্চা মূলত নিজের আগ্রহেই এগুলোর চর্চা করে। বাংলা/ব্যালে/ফুটবল/গীটার/পিয়ানো - স্কুল পাঠ্যক্রমের বাইরে এরকম কিছু শেখনোর ব্যাপারে আমার মনে হয় যে কিছুটা introduce করে তারপর বাচ্চার মতামত-কেই গুরূত্ব দেওয়া উচিত যে সে আরও শিখতে চায় কি না।
  • byaang | 122.172.45.189 | ১৮ নভেম্বর ২০১০ ১২:১২468460
  • সেটাই তো বললাম, পঞ্চব্যঞ্জন সাজিয়ে দেব। সে আলুভাজা খাক বা ঘন্ট সেটা সেই ঠিক করুক। কিন্তু তার আগে রান্নাটা করতে হবে।
  • tatin | 130.39.149.32 | ১৮ নভেম্বর ২০১০ ১২:১৭468462
  • যাই হোক, 'লজ্জা' শব্দটা দুম করে ইউজ করার জন্যে অরণ্যবাবুর কাছে সিন্সিয়ার এপোলজি চেয়ে রাখছি- মনে হয়েছিল কঠিন শব্দ দিলে আলোচনা শুরু হওয়ার চান্স বাড়বে।
  • aranya | 144.160.5.25 | ১৮ নভেম্বর ২০১০ ১২:১৯468463
  • আপনি একদম ঠিক কথা বলেছেন, ভাষার সাথে প্রথম পরিচয়ের সময় পচ্ঞব্যঞ্জন খুবই যত্নের সাথে সাজান দরকার, যাতে আগ্রহ তৈরী করা যায়।
  • aranya | 144.160.5.25 | ১৮ নভেম্বর ২০১০ ১২:২৮468464
  • তাতিন, আরে কি যে বলেন, এপোলজি আবার কি !! অন্য টইতে আপনার কবিতার আমি খুবই ভক্ত। কঠিন শব্দ ব্যবহার করেছেন, শক থেরাপীর মত, যাতে আলোচনার সম্ভাবনা বাড়ে, সেটাও প্রথম থেকেই পরিষ্কার।
    আর বেশ দামী আলোচনা তো হচ্ছে, ব্যাং কত নতুন বইয়ের খোঁজ দিলেন, তার মধ্যে দোয়েলের কিছু বই আমিও কিনেছি, অন্য অনেক গুলোর কথাই জানতাম না, এখন খোঁজ পেলাম, লাভ হল। রিমির সাথেও যোগাযোগ করব, ওর কাজগুলো সম্বন্ধে জানার জন্যে, আলোচনায় অনেক লাভ।
  • pi | 72.83.86.88 | ১৮ নভেম্বর ২০১০ ১২:৫৮468465
  • এখানে দু ধরনের বাচাকে শেখানো নিয়ে একসাথে কথা হয়ে চলেছে। আজন্ম প:বঙ্গের বাইরে থাকা ছেলেপুলেদের শেখনোর জন্য যত 'মজার' গল্প , ঘ্যামচাক পরিবেশনা ইত্যাদি লাগে , অন্যদের তো তেমনি দরকার নেই ! যা বই পত্তর আছে, সেতো তাদের জন্য এমন কিছু কম মজার না। অন্তত: নিজের ছোটোবেলা দিয়ে বলতে পারি, বাংলায় ভালো বইয়ের অভাব কোনোদিন ও বোধ করেছিলাম বলে মনে হয় নি।

    বাইরে মানুষ হওয়া ( বা বাইতে থেকে সবে ফেরা) বাচ্ছাদের আগ্রহ তৈরির জন্য সত্যি আলাদা করে অনেক পরিশ্রম কর, আলাদা রকম বইপত্তর , ব্যবস্থা দরকার। না করা গেলে সেটা দু:খের হতে পারে, কিন্তু লজ্জার কিছু না :)

    তবে, কোলকাতাতেই জন্মানো ও বড় হওয়া অনেক ছেলেপুলেকে দেখেছি বাংলা লিখতে , পড়তে অক্ষম। যদুপুরে আমার বেশ কিছু সহপাঠী/পাঠিনী ই এমনি ছিল। এগুলো কে বোধহয় 'লজার' বলা যায় :)
  • Arpan | 216.52.215.232 | ১৮ নভেম্বর ২০১০ ১৩:১৫468466
  • ওটা কী লিখল? "লজ্জার' না "লুজার'?
  • Bratin | 122.248.182.16 | ১৮ নভেম্বর ২০১০ ১৩:১৮468467
  • লজ্জার
  • kallol | 220.226.209.2 | ১৮ নভেম্বর ২০১০ ১৬:৫১468468
  • মনে হয় ব্যাঙ্গ ঠিকই বলেছে। বাড়ির পরিবেশ বোধ হয় শেষ কথা।
    বাড়িতে বই পড়ার চর্চা থাকলে বাচ্চারা উৎসাহিত হবে। তারপর তাদের হাতে বই ধরিয়ে দিতে হবে। জন্মদিনে, পূজোয়, নতুন বছরে (বাংলা এবং ইংরাজি) আর যাই কিনে দাও, দুটি বই দিও। পড়বে কি না, সেটা বচ্চার ব্যাপার। তুমি বড়োজোর কখনো জিজ্ঞাসা করতে পারো - কেমন লাগলো? সে চাইলে কথা হবে বই নিয়ে, নইলে নয়। আমি এটাই করেছি। আমার পুত্র (এখন ২৫) আজও টেনিদা/শিব্রাম/মুজতবা পড়ে নিজে নিজেই খ্যাক খ্যাক করে হাসে। ওর বহু বন্ধু এসবের ধরে কাছে যায় না।
    ব্যাঙ্গালোরে আমার এক বন্ধুর মেয়েকে (৮ বছর) নিয়মিত বাংলা বইএর যোগান দেয় তার মা বাবা। সে এখন মোটামুটি ভলো বাংলা পড়তে পারে।
  • Bratin | 122.248.182.16 | ১৮ নভেম্বর ২০১০ ১৬:৫৪468469
  • ঠিক। আসল কথা হল উৎসাহ জাগানো টা। একেবারে ছোটোদের ক্ষেত্রে নন্টে ফন্টে,বাঁটুল,হাঁদা ভোঁদা র কমিক্স ও বাচ্ছা দের মনে আগ্রহ জাগাতে পারে
  • saikat | 202.54.74.119 | ১৮ নভেম্বর ২০১০ ১৭:১৬468470
  • তবে আমার একটা গভীর দু:খ আছে। রামায়ণ- মহাভারত, বাংলায়, ছবি ও লেখায় কিছুই পাওয়া যায় না। এক ঐ উপেন্দ্রকিশোরের বই ছাড়া। কনটেম্পোরারী বই তো বেরোয় কিন্তু এ বই কেন যে কেউ বের করেনা জানিনা।
  • Bratin | 122.248.182.16 | ১৮ নভেম্বর ২০১০ ১৭:২৬468471
  • আছে তো রামায়ন,মহাভারত ছবি তে। ছেলেবেলায় পড়েছি। কাদের ঠিক মনে নেই।
  • aka | 24.42.203.194 | ১৮ নভেম্বর ২০১০ ১৭:৩৪468473
  • একটা জিনিষ যখন অনুশীলনের মাধ্যমে শিখছেন তখন সবথেকে ইম্পর্ট্যান্ট হল রিলেট করা। শিশুটি দুবেলা অ্যাপেল খেতে গিয়ে, অন্যকে অ্যাপেল খেতে দেখে, বাজারে গিয়ে অ্যাপেল দেখে সব সময়ে রিলেট করতে করতে যত সহজে A চিহ্নটি মাথায় বসবে, টাইম মেশিনে চড়ে এ তে এক্কাগাড়ি তত সহজে ঢুকবে?

    পরিণত বয়সে একটু টপোলজি পড়ে দেখুন তো। যার ভিজুয়াল খুব সহজে বোঝা যায় না, রিলেট করা যায় না তা বুঝতে ফেটে যায়। ধেড়ে বয়সে টপোলজি বুঝতে আমার তো গিয়েছিল।

    অক্ষর চেনার সময়ে কল্পনার দরকার নেই। কল্পনার জন্য খেলার ফ্রি সময় দিন। পঞ্চব্যঞ্জনের মধ্যে সেটাও একটা হওয়া উচিত বলেই মনে হয়। কল্পনা আপনি বেরবে। মানুষ মাত্রই কমবেশি কল্পনা প্রবণ। কোথায় কল্পনা, কোথায় ইন্টারেস্টিং রট প্রসেস সেটা যথেষ্ট চিন্তাভাবনা দাবী করে।

    আর আবোল তাবোল রীতিমতন বড়দের বই, অনেক কিছুই আমি তো পাঁচ ছ বছর বয়সে বুঝি নি। ওল্ড ক্লাসিকস যা আছে তার একটাও ০-৬ বছরের বাচ্ছাদের জন্য নয়। দক্ষিণারঞ্জন ছেলেকে শোনাতে গিয়ে দেখেছি একটুও উৎসাহ পায় নি। বরং আর্নল্ড লোবেল অনেক বেশি অ্যাট্রাকটিভ।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভেবেচিন্তে মতামত দিন