• ভাটিয়ালি
  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা।

  • commentAmit | 162.158.2.211 | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৫:৩৬
  • এই খাওয়া আর মসলা নিয়েই যত ঝামেলা। ব্রিটিশ , ফ্রেঞ্চ বা ডাচ কলোনিজশন এর ইতিহাস প্রায় ৫০-% বোধহয় শুধু মসলার জন্যে। আজকে পুরো পৃথিবীর ইতিহাস হয়তো অন্য রকম হতো মানুষের খাওয়ার আর মসলা র লোভ না থাকলে।

    যাক গে, সময়ের চাকা তো আর উল্টো দিকে ঘোরানো যাবে না। এক যদি মোদী বাউ টাইম মেশিন টা বানিয়ে ফেলতে পারেন কোনো মতে, বেদে আছে নিশ্চয়। :) :)
  • comment:-) | 172.68.141.129 | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৫:২৯
  • ধন্যবাদ লাগবে না। শুধু জানলেই চলবে আমি ওমনাথ না
  • commentAtoz | 162.158.187.154 | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৫:১১
  • প্রয়োজন দিয়ে খাওয়া নির্ধারিত হয় না তো। মানুষ শাকভাত ডালভাত রুটিসব্জি ফলফলারি খেয়েই বাঁচতে পারে, সুস্থসবল হয়েই। তাতে কি মানুষের মাছ মাংস মদ ক্ষীর ননী তামাক গাঁজা ইত্যাদি খাওয়া বন্ধ হচ্ছে? নাকি "এমনো বসন্তদিনে বাড়ি ফেরো মাংস কিনে" গাওয়া বন্ধ হচ্ছে?
  • commentঅরিন | 198.41.238.121 | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৫:০৫
  • "অরিন, এই গরুর নিয়ে -- বায়োলজিস্টরা একেবারে জেনেটিক হটস্পট দেখিয়ে দেখিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন একজাইমগুলো কবে থেকে তৈরী হতে শুরু করে মানুষের কোন কোন গোষ্ঠীতে, কেন তারা বয়স্ক অবস্থাতেও দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার খেয়ে হজম করতে পারে।
    আর এই কিছুদিন আগেও এসএম আসতেন, তিনি বলেছিলেন জার্সি গরু দিনে ২৫ কেজি(নাকি তারও বেশি?) দুধ দেয়, বাছুরের ওজনই ১৫ কেজি, তারা ১৫ কেজিই যদি খায়, তাহলেও বাকীটা কী হবে? "

    বুঝতে পেরেছি, কে দুধ খেয়ে হজম করে ও কিভাবে করে সে কথাটাতে না এসেও কথাটা ভেবে দেখুন যে বয়স্ক মানুষের বেঁচে থাকার জন্য খাবার হিসেবে দুধের কতটা প্রয়োজন । জার্সি গরু বাছুর দুধ ওজন এর ডিটেলস নিয়ে আলোচনা করা যেতে পারে তবে তাতে মানুষের দুধ পান করা কতটা প্রয়োজন তার সঙ্গে সম্পর্কিত নয় খুব একটা ।
  • commentAtoz | 162.158.187.116 | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৪:৫১
  • ওমনাথ, অনেক ধন্যবাদ। "তিব্বতে সোয়া বছর" এর জন্য।
  • commentAtoz | 162.158.187.116 | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৪:৪৯
  • অরিন, এই গরুর নিয়ে ধুন্ধুমার তর্ক হয়ে গেছিল গুর্চতে কয়েক বছর আগে। সেখানে বায়োলজিস্টরা একেবারে জেনেটিক হটস্পট দেখিয়ে দেখিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন একজাইমগুলো কবে থেকে তৈরী হতে শুরু করে মানুষের কোন কোন গোষ্ঠীতে, কেন তারা বয়স্ক অবস্থাতেও দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার খেয়ে হজম করতে পারে।
    আর এই কিছুদিন আগেও এসএম আসতেন, তিনি বলেছিলেন জার্সি গরু দিনে ২৫ কেজি(নাকি তারও বেশি?) দুধ দেয়, বাছুরের ওজনই ১৫ কেজি, তারা ১৫ কেজিই যদি খায়, তাহলেও বাকীটা কী হবে?
  • commentAtoz | 108.162.237.129 | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৪:৪৫
  • @S,
    "আমি ক্লান্ত প্রাণ এক, চারিদিকে জীবনের অনন্ত কোন্দল-
    আমারে দুদন্ড শান্তি দিয়েছিল রামডাঙার পুতুলরাণী মন্ডল। "
    ঃ) ঃ-) হী হী হা হা হাহ
    কেমন হল?????
  • commentঅরিন | 198.41.238.123 | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৪:৪১
  • @Atoz: "অরিন, শুধু "দুধ" তো না, ছানা, মাখন, ঘী, দই, সন্দেশ, রসগোল্লা, আইসক্রীম, চীজ, পনির, ক্ষীর, ননী ---বহুরকম দুগ্ধজাত জিনিসের বিশাল একটি বাজার আছে, মানুষ বড় হয়ে যদি দুধ নাও খায়, এই জিনিসগুলোর জন্য দুধ লাগবেই। "

    dessert এর কথা বলছেন? চিনে হোটেলে খেতে গেলে, কি ধরুন থাই, কোরীয়, জাপানি হোটেলে খেতে গেলে লক্ষ্য করেছেন নিশ্চয়ই dessert এর লিস্ট টি কত ছোট, পাওয়া গেলে কতটুকু দুগ্ধজাত বা আদৌ দুগ্ধজাত ডেজার্ট পাওয়া যায় কিনা। ব্যাপারটা কাকতালীয় নয়।

    গোটা দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া, বঙ্গভূমিকে যার পশ্চিমতম অংশ বলে ধরে নেয়া যায় , সেখানে বহু কাল ধরে দুধ বাদ দিয়েই মানুষ মিষ্টান্ন তৈরী করেছে, আজও করে। দুধ হজম করার/করানোর যে এনজাইম (lactase) , মানুষের শরীরে একটি নির্দিষ্ট বয়সের পর উৎপন্ন না হলেও ক্ষতি নেই, পৃথিবীর বহু জনগোষ্ঠীর (চৈনিক ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার মানুষের মধ্যে বিশেষ করে, প্রায় ৯০% মানুষের ) মধ্যেই নেই । এমনিতেও lactase তৈরির জন্য খুব সামান্য একটু দুধ বা দুধজাত প্রোডাক্ট (ধরুন চীজ ) হলেই চলে যায়। তাছাড়া ,ভেবে দেখুন না, গরু দুধ উৎপন্ন করে তার বাছুরএর জন্য, মানুষ দুধ থেকে ছানা কেটে রসগোল্লা বানাবে, তাই জন্য তো সে দুধ দেয় না, :-)

    কিন্তু ওই যে লিখলেন, "বহুরকম দুগ্ধজাত জিনিসের বিশাল একটি বাজার আছে, মানুষ বড় হয়ে যদি দুধ নাও খায়, এই জিনিসগুলোর জন্য দুধ লাগবেই।",

    বাজার বড় বালাই !

    ইত্যাদি।
  • commento | 172.68.141.129 | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৩:৫৬
  • @অর্জুন বু.ব. প্রথমপর্বের জীবনানন্দকে পছন্দ করেছিলেন যেখানে জীবনানন্দ অনেক বেশি কাব্যিক, 'নির্জনতার কবি' ট্যাগটা যখন সুপ্রযুক্ত তাঁর প্রতি। ' আকাশ ছড়ায়ে আছে নীল হয়ে আকাশে আকাশে ' এই লাইনটা নিয়ে বু.ব. একটি লেখায় মুগ্ধতা প্রকাশ করেছিলেন। কিন্তু জীবনানন্দ ক্রমে ক্রমে নির্জনতা ঝেড়ে অনেক বেশি সমসাময়িক সময়ের কবি হয়ে উঠলেন। মহাপৃথিবী বা তার পরের কবিতা বু.ব.-র আর পছন্দের ছিল না। ফলে কতটা 'দুরদৃষ্টসম্পন্ন ইম্প্রেস্যারিও' সেটা বলতে পারছি না। জীবনানন্দকে আবিস্কার করার কৃতিত্ব যদি কারোর থেকে থাকে, সে একমাত্র সময়ের। তবে সামগ্রিকভাবে বাংলা কাব্যজগতে 'কবিতা' পত্রিকাটির নিঃসন্দেহে বড় অবদান আছে।

  • commentঅর্জুন | 162.158.118.185 | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৩:৫১
  • @অমিত বাবু, বাঙাল মাত্রই সিপিএম নয়। আমাদের পরিবারে সিপিএম বিদ্বেষ একদম রক্তে। 'সে ট্র্যাডিশন সমানে চলিতেছে।' ঃ)))

    দেশভাগ না হলে সিপিএম পার্টির এত রমরমা হত কিনা সন্দেহ।
  • commentAmit | 162.158.2.205 | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৩:৪৭
  • হিন্দু মুসলিম বিয়ে যে হয়না তা নয়, আমার নিজের ফ্যামিলি তেই আছে। কিন্তু এটা সত্যি যে ব্যাগেজ র সমস্যা আছেই। আমরা যতই খোলা ভাবে মেশামেশি করি, ভাগ্যক্রমে দুদিকেই ধর্মীয় গোড়ামি সেরকম নেই, কিন্তু পাড়া প্রতিবেশী বা অন্য আত্মীয়- এদের বাঁকা মন্তব্য এসেই পড়ে, হয় সামনে, না হলে আড়ালে।

    রেফিউজি সমস্যা বহু দেশে আছে, যত না আসল সমস্যা, তার থেকে বেশি রাজ্নীতির বা লোকের মানসিকতার । একটা দেশের ১-২ % লোক বাইরে থেকে এলে অর্থনীতির আকাশ কুসুম কিছু পাল্টায় না, কিন্তু সেই ১-২ % নিয়ে ৫০-% রাজনীতি হয়। এক স্ট্রাটেজি ফ্যাসিস্ট দের। যা খারাপ, সব রেফিউজি দের ওপর চাপাও।

    আর এটাও বাস্তব যে বহু ইসলামিক দেশে ই সংখ্যালঘু দের খুব বাজে ট্রিট করা হয়েছে। হাতে গোনা দু একটা ছেড়ে দিলে বাকি দের কথা যত কম বলা যায় ততই ভালো।

    কিন্তু ব্রতীন বাবু কেন এমন বাঙাল দের ওপর খেপে গেলেন, সেটা এখনো বোধগম্য হলো না। সব নাহয় সিপিএম এর দোষ মেনে নিলাম। এক্কেবারে জঘন্য দল। ৩৪ বছরে পুরো পব কে ডুবিয়ে গেছে। :) :)
  • commento | 172.69.23.20 | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৩:৪১
  • @Atoz হ্যাঁ, জীবনানন্দই লিখেছেন তো। জলপাইহাটি এবং সুতীর্থ ঐ টালমাটাল রাজনীতির সময়টাকে নিয়েই লেখা। তাছাড়া আছে বাসমতীর উপাখ্যান, যেখানে ওপার বাংলার অবস্থা আশ্চর্য ডিটেলে লেখা আছে। পড়লে বোঝা যায় তুখোড় রাজনৈতিক সচেতনতা ছিল ভদ্রোলোকের। জলপাইহাটি তো মাস্টারপিস। এখানে কলেজ কমিটির মিটিংয়ে একটা আশ্চর্য কথোপকথন আছে। বিভিন্ন লোক অন্তরে কী ভাবছে আর বাইরে কীভাবে রিয়াক্ট করছে, তার ভেতর দিয়ে তাদের ঘৃণা, ব্যাঙ্গের মনোভাব, কম্যুনাল টেনশন ইত্যাদি একসঙ্গে যেভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন জীবনানন্দ সেটা যেকোনো বাঙালি লেখকের জন্য শিক্ষণীয়। এই মিটিংটার শুরুতে কে কোন চেয়ারে বসবে, কে গদিআঁটা চেয়ারে বসবে, কে এমনি কাঠের চেয়ারে বা টুলে বসবে, এই সামান্য জিনিস নিয়ে কলেজ কমিটির মান্যগণ্য লোকেদের খেয়োখেয়ি এমনভাবে আঁকা হয়েছে, পড়তে পড়তে মনে হয় বুনুয়েলের সিনেমার দৃশ্য।
  • commentঅর্জুন | 162.158.118.185 | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৩:৩৮
  • @o

    'বড় বড় লেখককে প্রবন্ধে উড়িয়ে দিয়ে নিজে অন্যরকম গদ্য লিখছেন।' একদম ঠিক বলেছেন। এ বিষয়ে তাঁর তুলনা মেলা ভার। কিন্তু জীবনানন্দের কবিতার পিছনে বু ব'র বড় ভূমিকা ছিল। ২৬ বছরের 'কবিতা' পত্রিকায় সবচেয়ে বেশী কবিতা যার ছাপা হয়েছিল তিনি জীবনানন্দ দাশ। বাংলার সাহিত্যিক মহলে একমাত্র কবিতাভবনেই তাঁকে দেখা যেত। বু ব প্রতিভাবান সাহিত্যিকের চাইতেও আমার একজন দুরদৃষ্টসম্পন্ন ইম্প্রেস্যারিও মনে হয়। তবে সাহিত্যের ক্ষেত্রে এ টার্মটা সঠিক ব্যবহার হল কিনা জানিনা।
  • commentS | 162.158.106.131 | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৩:৩০
  • এগুলো আমারও পয়েন্ট। পুতুলরাণী মন্ডল নয় কেন?
  • commentঅর্জুন | 162.158.118.211 | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৩:২৭
  • @আতোজ, তা ছাড়া এও বলতে পারত " 'বনলতা' নামটা নয় মানা গেল। 'বন' ও 'লতা'। বেশ সবুজ, সবুজ ব্যাপার। খুব ভাল। কিন্তু তা বলে 'সেন' কেন? নিজে বদ্যি তাই বেছে বেছে একজন 'বদ্যি'কেই প্রমোট করতে হল? কেন গ্রামের একজন কৃষক কন্যা হতে পারল না। আর পদবীই বা কেন? শুধু 'বনলতা'য় চলছিল না?' তার ওপর 'নাটোর' একটা বিখ্যাত ধনী প্রিন্সলি স্টেট। কেন সাধারণ গাঁ , গঞ্জের নাম কি দেওয়া যেত না!!' ঃ))))
  • commentAtoz | 162.158.186.251 | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৩:১৮
  • "আমার মুসলমান ভাইবোনেরা" বলে বক্তৃতা শুরু করতেন? কী সাংঘাতিক!!!!
  • commentAtoz | 162.158.186.251 | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৩:১৫
  • দেশভাগ ও অভিবাসন থেকে জীবনানন্দে এসে পড়েছে আলোচনা। তবে তাতেও রক্ষা নেই। এই জীবনানন্দকে দিয়েও দেশভাগ ও অভিবাসনের অনেক অভিঘাত দেখানো সম্ভব। সদ্য কিছু জীবনানন্দ-জীবনাশ্রিত উপন্যাস পড়লাম, সেখানে দেখলাম রয়েছে এই ব্যাপারটা বেশ সবিস্তারেই।
  • commentS | 162.158.106.131 | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৩:১৩
  • দেশভাগ আমার একটা থিয়োরি আছে। দেশের স্বাধীনতায় যে দুই জাত সবথেকে বেশি মারামারি করেছিল, তাদেরকে ভাগ করে দেওয়া হয়েছিল।

    হিন্দু-মুসলিম বিয়ে হওয়াও খুব সমস্যার। প্রথমত গুচ্ছের ব্যাগেজ। তারউপরে দুটো দুরকমের ধর্ম। হিন্দু-শিখ- জৈন- বৌদ্ধ এসব বিয়ে হওয়া অনেক সহজ। ঠিক যেমন ক্রিশ্চান - ইহুদী সহজেই বিয়ে হয়।

    বাংলাদেশকে তো সেকুলার রাষ্ট্র হতে দিলোনা। সব দেশেই ধর্মের জিগির তোলা লোকজন রয়েছে। প্রথমেই শেখ মুজিবরকে হত্যা করা হল। তারপরে তার একরকম শোধ নেওয়া হল জিয়াউরকে হত্যা করে। আজকে এদের পরিবারেরাই রাজনীতি চালাচ্ছে। এর মধ্যে এরশাদ মিলিটারি শাসন চালইয়েছে বহুদিন। তিনি ভাষণ শুরুই করতেন "আমার মুসলমান ভাইবোনেরা" বলে।
  • commento | 162.158.255.249 | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৩:১০
  • এখানে ইলিয়াসকে লেখার পরিপ্রেক্ষিতে 'আঁতেল' বলা হয়েছে। লেখার দিক দিয়ে জীবনানন্দও যে বিরাট 'আঁতেল' তা তাঁর লেখা পড়লে কারুর সন্দেহ থাকার কথা নয়। শুধু বিশ্বসাহিত্য পাঠই নয়, মানিক-বিভূতির মত সমসাময়িক বড় বড় লেখককে প্রবন্ধে উড়িয়ে দিয়ে নিজে অন্যরকম গদ্য লিখছেন। এ পরেও যদি জীবনানন্দ 'আঁতেল' না হন, সে কেবল নন-আঁতেলদের বড় লেখককে কেটেছেঁটে বনসাই করে নেবার প্রবণতা। আর কবিতা ছাপার জন্য বু.ব.র কাছে যেতেন, এ দাবীটি খুব কিউট লাগল। ঃ-)))

  • commentAtoz | 162.158.186.251 | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৩:০৯
  • ভাগ্যিস! নইলে কবিতার দফারফা করে দিত আঁতেলরা। বলতো, "ভাইজীবন, তোমার কবিতায় এই "নাটোরের বনলতা সেন" কেন? কেন নয় বরিশালের নেত্যকালী সেন? অথবা আমডাঙার ক্ষেত্রপালী দত্ত? কেন নাটোর? কেন বনলতা? কেন সেন? এইভাবে কি তুমি এক সূক্ষ্ম অথচ রক্তমেঘী বিভাজন তৈরী করছ না ভাইজীবন?" ঃ-)
  • commentঅর্জুন | 162.158.118.57 | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০২:৪৭
  • জীবনানন্দ দাশ এক ফোঁটা আঁতেল ছিলেন না। ঘরে লক্ষ্মী ছেলের মত চুপটি করে বসে বসে কবিতা লিখতেন। :-) বাংলা তথা কলকাতার সো-কল্ড আঁতেল সমাজকে আজীবন এড়িয়ে চলতেন। বুদ্ধদেব বসুর কাছে একমাত্র যেতেন। তাও নিজের কবিতা ছাপার ব্যাপারে।
  • commentঅর্জুন | 162.158.118.57 | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০২:৪৪
  •  @অরিন-দা, '৫০ র (ইং '৪৩) মন্বন্তরের  ছবিও অধিকাংশ তোলা সুনীল জানার। Henry Cartier Bresson র সঙ্গে সঙ্গে আরেক বিদেশিনী ফটোগ্রাফারের নাম করা যায়, অ্যামেরিকান Margaret Bourke-White। Fortune ম্যাগাজিনের হয়ে ছবি তুলতেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ওয়ার ফ্রন্টেও ছিলেন ছবির অ্যাসাইনমেন্ট নিয়ে। তার তোলা কিছু পার্টিশনের ছবি আছে।  Bresson এবং Bourke- White দুজনেই এসেছিলেন দিল্লী মসনদে transfer of power র ঐতিহাসিক ঘটনা ক্যামেরা বন্দী করতে। সেসময় দেশভাগ হল। ওদের ছবি গুলো সব দিল্লী ও  দুই দিকের পঞ্জাবের। Lutyens Delhi র শীর্ষ স্থানীয়দের খুব কাছের হওয়ায় দুজনের অ্যাকসেস পেতেও সুবিধে ছিল। এখন ওদের তোলা পার্টিশনের ছবি গুলিই বলা যায় একমাত্র ভিজুয়েল ডকুমেন্ট। 

  • commento | 162.158.255.249 | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০২:৪২
  • আজকে আবার জীবনানন্দের জন্মদিন। আরেক বাঘা আঁতেল। উফ বাবারে! ঃ-)))

  • commentAtoz | 108.162.237.57 | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০২:২৭
  • এই সময়গুলোতে মাঝে মাঝে এলার কথা খুব মনে পড়ে। পুজোর আগে আসতেন সাইটে। বলেছিলেন ফরাসী বিপ্লব নিয়ে বিস্তারিত লিখবেন। ইতিহাসপাঠ একটা খুব ইন্টারেস্টিং জিনিস। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ইতিহাসপাঠ বদলে যেতে থাকে, কারণ আগে জানা ছিল না এমন এমন টুকরো টুকরো তথ্য যোগ হতে থাকে, তারই প্রভাবে আগের ঘটনার বিশ্লেষণ সামান্য সামান্য বদলে যায়।
    ফরাসীবিপ্লব নিয়ে বিস্তারিত লেখা এলে ওরকম একটা চমৎকার পুনর্পাঠ হত এক গুরুত্বপূর্ণ বিগত ইতিহাসের।
  • commentঅর্জুন | 162.158.119.22 | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০২:২৬
  • @Atoz ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০২:১২ র মন্তব্যেটি। ঃ))))))))))
  • commentঅরিন | 198.41.238.121 | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০২:২৫
  • "জীবন যেখানে সংকটে সেখানে ছবি তুলবেই বা কে!! "

    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী বাংলার ইতিহাস একটি সাংঘাতিক করুণ ও মর্মান্তিক ইতিহাস, এবং শুধু দেশভাগ ও তার কারণে অনিশ্চয়তাই নয়, এর সঙ্গে দুর্ভিক্ষটিকেও খেয়ালে রাখবেন।
  • commentঅর্জুন | 162.158.119.22 | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০২:২২
  • *পোস্ট পার্টিশনের ইতিহাসও তার এক বিশাল অধ্যায়
  • commentঅর্জুন | 162.158.119.22 | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০২:২১
  • '৪৭ এ কেন পার্টিশন হয়েছিল, নির্দিষ্ট কনক্লুশনে এখনো কেউ আসতে পারেনি। এ ইতিহাসচর্চার উদ্দেশ্যও তা নয়। আসা সম্ভবও নয়। বিভিন্ন পারস্পেকটিভকে একত্রিত করা একটা বিশাল কর্মযজ্ঞ। তা ছাড়া পার্টিশনের ইতিহাসের শুরু ও শেষ '৪৭ এ থেমে যায়না। পোস্ট পার্টিশনের ইতিহাসও তার এক বিশাল। কারণ সে ইতিহাস নেশন বিল্ডিংয়ের ইতিহাস।  

  • commentঅর্জুন | 162.158.119.22 | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০২:১৬
  • পার্টিশন নিয়ে আন্তর্জাতিক মানের উল্লেখযোগ্য কাজ করেছেন যারা Joya Chatterjee, Urvasi Butalia, Mushirul Hasan, Gyanendra Pandey। এঁদের অনেকের কাছেই চিফ রিসোর্স ছিল ভিকটিমদের ন্যারাটিভ  যা অতি অবশ্যই স্মৃতি এবং বিস্মৃতি। তারপর এসেছে গবেষকদের নিজেদের তত্ত্ব। একটা ভয়ংকর রাজনৈতিক ঘটনা এবং world's greatest mass displacement র মূল আর্কাইভই হল মানুষের কথা। ইতিহাস কারো ভাল লাগা, মন্দ লাগার বিশেষ ধার ধারে না। 

    আমাদের সংস্কৃতিতে আঁতলামোটা আরও কম হলে বিজেপি আদেও আসত কিনা সন্দেহ ! :-) 

  • commentarin | 198.41.238.121 | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০২:১৫
  • " ভারতীয় উপমহাদেশে হোমোজেনিয়িটি খোজার কোন মানেই নেই। "

    হোমোজেনাইটি হেটেরোজেনেইটি বড়ো  কথা নয়, ছোটোখাটো অমিল তো থাকবেই,  সেই প্রসঙ্গগুলো এখানে "টকিং পয়েন্ট"ই না হয় ধরে নিন , যে কথাটা প্রাসঙ্গিক সেটা এই তারতম্য আছে বলে সেখান থেকে  পারস্পরিক বৈরিতার সম্পর্কটি  কোথা  থেকে তৈরী হয় ?

  • commentAtoz | 108.162.237.57 | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০২:১২
  • সমস্তরকম আন্দোলনের ইয়ে মেরে দেয় আঁতেলরা। বেশ সোজাসুজি তিন চারটে প্রস্তাব নিয়ে এগোচ্ছিল, হঠাৎ কোথা থেকে জানি আঁতেল জুটে গিয়ে " এই যে এই ব্যাপারে দেরিদা যে কোমলগেঁড়ে অভিঘাতটির কথা বলেছেন, তাকেই খন্ডন করে সার্ত্র বলেছেন সজারুই বাজাচ্ছে ম্যান্ডোলিন" এইসব ।
  • commentAtoz | 108.162.237.57 | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০২:০৮
  • আরো আগে আসতো তাহলে ভাজপা। দেরি!!!!
  • commento | 172.69.22.85 | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০২:০৩
  • নন-আঁতেল লেখা কম পড়ে লোকে দু-একটা আঁতেল লেখা পড়লে বিজেপি আসতে আরো বছর দশেক দেরী হত। ঃ-)))

  • commentAtoz | 162.158.187.176 | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০১:৫৮
  • শুধু আঁতেল লেখা পড়ে দেশ বা জাতিকে বোঝা যায় না, প্রচুর নন-আঁতেল লেখাও পড়া দরকার তার জন্য।
  • commento | 172.69.23.20 | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০১:৫২
  • দেশভাগ, মুক্তিযুদ্ধ ইত্যাদি নিয়ে অনেকেই লিখেছেন বটে, তবে খুব কমজনের লেখাই দাঁড়িয়েছে। তীক্ষ্ণ রাজনৈতিক সচেতনতা এবং সময় সম্পর্কে স্বচ্ছ দৃষ্টি না থাকলে এসব লেখা কেবল স্মৃতিচারণ হয়ে দাঁড়ায়। স্মৃতি অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ব্যক্তির নিজের বর্গের দোষত্রুটিকে র‍্যাশনালাইজ করে দেয়। খুব কম লেখকই আখতারুজ্জামান ইলিয়াস হতে পারেন। 'খোয়াবনামা' যেভাবে তেভাগা ও দেশভাগকে একসুতোয় বেঁধে দ্যাখে, সেইটেই সেসময়ের রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতার সবচেয়ে নিখুঁত চিত্র বলে মনে হয়। উল্টোদিকে, 'চিলেকোঠার সেপাই'-তে হাড্ডি খিজির যখন টালমাটাল ঢাকার রাস্তায় মধ্যবিত্ত দম্পতির কাছ থেকে নিষ্ঠুরভাবে নিজের মজুরি নেয় এবং সেই দম্পতি খিজিরকে অমানুষ বলে গাল দেয় কিংবা আয়ুব খানের গদিতে আগুন লাগাও বলে স্লোগান দিতে দিতে তার ফাঁকে হঠাৎ গুঁজে দেয় মহাজনের গদিতে আগুন লাগাও এবং তারপর অন্যান্যদের কাছে ধমক খায়, তখন এইসব ঘটনাগুলোর মধ্যে জাতীয়তাবাদী সীমা ছাড়িয়ে অনেক গভীর একটা ঐতিহাসিক সচেতনতা খুঁজে পাওয়া যায়। এসব বাদ দিয়ে শুধুমাত্র স্মৃতিনির্ভর লেখা পড়ার উৎসাহ বোধ করিনা।

  • commentAtoz | 162.158.187.176 | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০১:৪২
  • আমাদের যে মহান শাসকদল একটা বিরাট দেশকে তিন টুকরো করে কাটলেন, তারপর ভাগযোগ করে গদীর কলা খেলেন আর লোকেদের ভুজুং ভাজাং দিয়ে গেলেন, তাঁরা সবকিছু ই জানতেন, টনটনে জ্ঞান ছিল। এইরকম(বা আরও ভয়াবহ) পরিস্থিতি যে হবে তাও তারা জানতেন। কিন্তু তাতে কী এসে যায়? সাধারণ মানুষ তাঁদের মহাযজ্ঞের বলির পশুমাত্র। তারা মরতেই জন্মেছে। পাঞ্জাবের ভাগেও মারাত্মক রক্ত ঝরেছে, ভয়াবহ সব কান্ড ঘটেছে। (এই সেদিন দীপা মেহতার "আর্থ" দেখছিলাম)। আর বাংলার ভাগ যে কী ঘটিয়েছে, তা তো নিজেরাই প্রত্যক্ষ করছি প্রতিনিয়ত।
  • commentঅর্জুন | 162.158.118.39 | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০১:৩৪
  • গত বছরের পার্টিশন ওয়ার্কশপে জানতে পারি পঞ্জাব ও বাংলা দ্বিখণ্ডিত হলেও সারা ভারতের কাছে পঞ্জাব বিভাগ গুরুত্ব পেয়েছিল। পার্টিশন চর্চার একটা বিশাল অন্তরায় ছিল প্রপার আর্কাইভ না থাকায়। তার ওপর বেঙ্গল পার্টিশনের উপযুক্ত ফটোগ্রাফ পর্যন্ত পাওয়া মুশকিল। প্রখ্যাত ফরাসী চিত্রগ্রাহক Henri Cartier-Bresson '৪৭ সালে ভারতে ছিলেন। তার তোলা ছবিগুলিই পার্টিশনের একমাত্র ছবি। তবে সে সব পঞ্জাব পার্টিশনের। Bresson পরে বলেছিলেন পার্টিশনের মত এরকম একটা ঘটনা ঘটছে সেটা তাঁর কাছে সে সময়ে ঠিক বোধগম্য ছিল না। বাংলা ভাগের কথা তিনি জানতেনই না। এটা কিন্তু একটা ফ্যাক্ট । বেঙ্গল পার্টিশনের কথা সেভাবে গুরুত্ব পায়নি। তাই বেঙ্গল পার্টিশনের গুটিকয় ছবি পাওয়া যায় যা তুলেছিলেন সুনীল জানা। এছাড়া বেঙ্গল পার্টিশনের বিশেষ ছবিই নেই। তখন খুব কম মানুষের কাছে ক্যামেরা থাকত আর জীবন যেখানে সংকটে সেখানে ছবি তুলবেই বা কে!!
  • commentAtoz | 108.162.237.129 | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০১:১৯
  • হ্যাঁ অর্জুন, দেশভাগের বিশাল একটা অভিঘাত হল নীরবতা। অনেকেই স্রেফ বোবা হয়ে গেছে, অকল্পনীয় একটা অবস্থায় পড়ে। এ পর্যন্ত দেশ হারিয়ে আসার যত স্মৃতিচারণ শুনেছি/পড়েছি বেশিরভাগই অসহায় বিষাদ আর আক্ষেপ। আমকাঁঠালের বাগান, ভরা ভরা নদী, সবুজ ক্ষেত ভরে ধান দুলছে, এইরকম একটা কাব্যিক আবহ। হঠাৎ বিনামেঘে বজ্রাঘাতের মতন সব কিছু থেকে ছিঁড়ে গিয়ে পালাও পালাও। এইসব বইগুলো পাশাপাশি রেখে পড়লে একসময় মনে হয় অনেক কথাই স্রেফ বলা হয় নি। হয়তো বলা যায় না বলেই ।
  • commentAtoz | 108.162.237.129 | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০১:১০
  • অরিন, শুধু "দুধ" তো না, ছানা, মাখন, ঘী, দই, সন্দেশ, রসগোল্লা, আইসক্রীম, চীজ, পনির, ক্ষীর, ননী ---বহুরকম দুগ্ধজাত জিনিসের বিশাল একটি বাজার আছে, মানুষ বড় হয়ে যদি দুধ নাও খায়, এই জিনিসগুলোর জন্য দুধ লাগবেই।
    আর বড় মানে ধরুন তিন বছর বয়স থেকে দুধ আর খাবে না হতে পারে, তখন শক্ত খাবার ভাত-রুটি-স্যান্ডউইচ-ডাল-তরকারি-স্যুপ খেতে শিখে যাবে, কিন্তু তার আগে? প্রথম বছরে মায়ের দুধেই হয়তো হয়ে গেল, তারপর দ্বিতীয় আর তৃতীয় বছরে?
  • commentঅর্জুন | 162.158.118.39 | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০১:০৭
  • সব সময় homogeneity খুঁজলে unity in diversity concept টা অর্থহীন হয়ে যায় । 

  • commentঅর্জুন | 162.158.119.22 | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০১:০৩
  • পার্টিশন ইতিহাসচর্চার বিষয় হয়েছে অনেক পরে। গত তিন দশক পার্টিশন ইতিহাসচর্চার বিষয় যার জন্যে উর্বশী বুটালিয়া তার প্রথম বইয়ের নামকরণ করেন 'The other side of silence ' । ১৪ মিলিয়ন মানুষ ডিসপ্লেসড হয়েছিল '৪৭ এ, তারপরেও আরো কত ! অজস্র ন্যারেটিভ কালেক্টেড হয়েছে। পার্টিশনের ফলে যে trauma এবং anxiety গেছে কয়েক প্রজন্মের, তা নিয়ে এখন গবেষণা চলছে। Trauma থেকে নীরবতা এবং নীরবতা থেকে বিস্মৃতি। একজন কাজ করছেন জানি history of the forgotten memory নিয়ে।
  • commentaka | 162.158.187.154 | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০০:৫২
  • ভারতীয় উপমহাদেশে হোমোজেনিয়িটি খোজার কোন মানেই নেই। পঃবঃ্যের মধ্যেই প্রতি ১০০ কিমিতে ভাষা থেকে খাদ্য সব বদলে যায়।
  • commentসে | 162.158.150.29 | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০০:৪৭
  • ঠিক চুয়াল্লিশ বছর আগে এমনই এক ফেব্রুয়ারি মাসের সন্ধে। সকালে বাবার শ্রাদ্ধ হয়েছে। সন্ধেবেলা লোক খাওয়ানোর ব্যাপারটা আমি প্রতিবাদ করে বন্ধ করে দিয়েছি। এমনিতে ঘরে বসেছিলাম সবাই। হঠাৎ সাজগোজ করে তিন চারজন যুবক যুবতীর প্রবেশ। আমার মায়ের খোঁজ করছে। পরিচয় দিল নিজেদের। তারা মায়ের খুড়তুতো ভাইবোন। বরিশাল থেকে এসেছে কয়েকমাস আগে। সেই প্রথম নিজের জেঠতুতো দিদিকে দেখল তারা। গল্প করল অনেক। যুদ্ধের গল্প। সবার জন্ম পাকিস্তান আমলে। বাংলাদেশের যুদ্ধের সময়কার ভয়াবহ সব ঘটনা। মায়ের কাকা সেই সময় নিহত হন। দেশ স্বাধীন হলেও তারা থাকতে পারল না। মুজিবহত্যার পর অবস্থা খুব খারাপ। সবাই চলে এসেছে কলকাতায়। যাদবপুরের কোথায় যেন থাকে বলল। বলল বাংলাদেশ হয়েছে ঠিকই কিন্তু হিন্দুদের নিরাপত্তা নেই।
    বাবার মৃত্যু ভুলে গিয়ে সেই নতুন দেখা মামা মাসীদের গল্প শুনছিলাম সেদিন।
  • commentaka | 162.158.186.251 | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০০:৪২
  • পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের দারুণ দেখতে, ঊর্দূ বলে, আর পাশ্চিম প্রান্তের লোকেরা তো একেবারেই আলাদা।

    বাঙ্গলাদেশী মুসলিমদের ভাষা তো অনেকটাই আলাদা- যেমন জলকে পানি বলে, চানকে গোসল, খুব ভালো খেতে হয়েছে বলে না, বলে খুব মজার হয়েছে (মজাদারের বাঙ্গলা )। বিরিয়ানির সাথে বেগুন ভাজি খায়।

    মিল আছে তবে কম মনে হয়।
  • commentঅর্জুন | 162.158.118.191 | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০০:৩১
  • পশ্চিমবঙ্গীয়দের এটা বোঝানো যায়না যে পূর্ববঙ্গীয়দের ডিসপ্লেসমেন্টের কারণ শুধুই পার্টিশন নয়। চল্লিশের দশকটা ভয়ংকর একটা সময়। আমার মা'র পিতৃ পরিবার প্রায় আড়াই দশক বর্তমান মায়াম্মারে থাকত। '৪৫ সালে তারা পশ্চিমবঙ্গে চলে আসতে বাধ্য হল কদিনের মধ্যে জল ও স্থল পথে জাপানী আক্রমণের ফলে। আবার বাবার এক মাসিমা সপরিবারে থাকতেন লাহৌরে। মেসোমশাই ট্রিবিউন পত্রিকার সাংবাদিক ছিলেন। প্রতি বছর গরমে তারা সিমলা বেড়াতে আসতেন। '৪৭ এ পরিবারের কয়েকজন সিমলায় এলেন আর ফেরা হল না। তিনজন লাহৌরে ছিল। কোনোক্রমে পালিয়ে এসেছিল প্রতিবেশী এক পরিবারের সঙ্গে। ওদিকে পূর্ববঙ্গের ভিটেমাটিও চিরকালের মত চলে গেল। ট্রিবিউন পত্রিকার লাহৌরের অফিস সিমলায় চলে এল। পরিবারটি সিমলা থেকে বোম্বে, পরে ৫০র মধ্যভাগে কলকাতায় চলে এল। বাবার এই মাসিমাকে আমরা খুব কাছ থেকে দেখেছি। আমার বাতিক ছিল ওঁর কাছ থেকে লাহৌরের গল্প শোনা। দারুণ হিন্দি বলতেন। খুব ফ্যাসেনেবল ছিলেন। ঐ পরিবারটি কোনোদিন ঠিক কলকাতার হয়ে উঠতে পারেনি। পরে অনেকেই কলকাতা ছেড়ে চলে যায়। ওদের মধ্যে পূর্ব বাংলাকে হারানর চাইতেও লাহৌর হারানোর দুঃখ বেশী ছিল। আমার দিদিমা মৃত্যু পর্যন্ত রেঙ্গুন শহরের গল্প করতেন।
  • commentসে | 162.158.150.31 | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০০:২৯
  • নিউজিল্যান্ড থেকে রেডকাউ দুধ আমদানি হতো বাংলাদেশে।
  • commentঅরিন | 198.41.238.121 | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০০:২১
  • "চকের গুঁড়ো পর্যন্ত দিয়ে দেয়, দুধে।"

    "বড়" হয়ে যাবার পর মানুষের গরুর দুধ খাবার কি খুব প্রয়োজন আছে? সাউথ ইস্ট এশিয়ায় দুধ বিক্রির পলিটিক্সটি অতীব জটিল, :-)

  • commentঅর্জু ন | 162.158.118.133 | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০০:০৮
  • @Atoz ২২:৪৯ র মেসেজে মনে পড়ল গত বছর রবীন্দ্র ভারতীর জোড়াসাঁকো ক্যাম্পাসে একটি পার্টিশন ওয়ার্কশপে যোগ দিয়েছিলাম। সেখানে গবেষকেরা নানা ন্যারেটিভ নিয়ে আলোচনা করেছিলেন। একটি কাহিনী শুনেছিলাম। অগাস্ট '৪৭ র পরেই বরিশালের একটি গ্রামে বেশ কয়েক ঘর হিন্দু তখনও রয়েছে। প্রতিদিন তারা খবর পায় পার্শবর্তী গাঁ থেকে মুসলমানেরা আক্রমণ করতে পারে যে কোনোদিন। আসপাশের গ্রামে এক মুসলমান ডাকাতের খুব কুখ্যাতি ছিল। গ্রামের হিন্দুরা তার শরণাপন্ন হল সুরক্ষা চেয়ে। সে রক্ষা করলে কারো সাধ্যি নেই কিছু করার। ডাকাতটি রক্ষা করার প্রতিশ্রুতি দিল কিন্তু দিনপিছু প্রতি পরিবার থেকে দু হাজার টাকা দিতে হবে। ঘটি বাটি সোনা দানা দিয়ে গ্রামবাসীরা সেই দাবী মেনে নিল। এদিকে গ্রামেরই কাছাকাছি কোথাও ব্রিটিশ ইন্ডিয়ান আর্মি ছিল। আর্মির হেড একজন পাখতুনয়ালা মুসলমান। গারনের কেউ একজন তার কাছে খবরটি পৌঁছাল। পাখতুনয়ালি তার মিলিটারি ভ্যান নিয়ে গারমে ঢুকে প্রথমেই সেই ডাকাতকে গ্রেফতার করল এবং এবং এমন মারল যে সে মারাই গেল। তারপর সে যেকটা হিন্দু পরিবার সেখান থেকে সীমান্তে চলে যেতে ইচ্ছুক ছিল, তাদের পূর্ণ প্রটেকশন দিয়ে মিলিটারি ট্রাকে পৌঁছে দিয়েছিল।

  • গুরুর মোবাইল অ্যাপ চান? খুব সহজ, অ্যাপ ডাউনলোড/ইনস্টল কিস্যু করার দরকার নেই । ফোনের ব্রাউজারে সাইট খুলুন, Add to Home Screen করুন, ইন্সট্রাকশন ফলো করুন, অ্যাপ-এর আইকন তৈরী হবে । খেয়াল রাখবেন, গুরুর মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করতে হলে গুরুতে লগইন করা বাঞ্ছনীয়।
  • হরিদাসের বুলবুলভাজা : সর্বশেষ লেখাগুলি
  • জাগ্রত শাহিন বাগ
    (লিখছেন... বিপ্লব রহমান, আজ সুপ্রিম কোর্টে, Anjan Banerjee)
    জনসন্ত্রাসের রাজধানী
    (লিখছেন... র, pi, রঞ্জন)
    কোকিল
    (লিখছেন... দেবাশিস ঘোষ)
    বিনায়করুকুর ডায়েরি
    (লিখছেন... ^&*, একলহমা , pi)
    মিষ্টিমহলের আনাচে কানাচে - দ্বিতীয় পর্ব
    (লিখছেন... দীপক দাস , দীপক, দীপক)
  • টইপত্তর : সর্বশেষ লেখাগুলি
  • আগামীর অবয়ব
    (লিখছেন... দ্রি, দ্রি, দ্রি)
    নিমো গ্রামের গল্প
    (লিখছেন... সুকি , সুকি , সুকি)
    যুক্তরাস্ট্র নির্বাচন ২০২০
    (লিখছেন... )
    প্রেমিকাকে কোলকাতাতে ফুল পাঠাবো কিভাবে?
    (লিখছেন... pi, pi, সুকি)
    পুরোনো লেখা খুঁজছেন, পাচ্ছেন না - এখানে জিজ্ঞেস করুন
    (লিখছেন... lcm, r2h, দু:শাসন)
  • হরিদাস পালেরা : যাঁরা সম্প্রতি লিখেছেন
  • শ্রী রামকৃষ্ণ : কিছু দ্বন্দ্ব : Sumana Sanyal
    (লিখছেন... রঞ্জন, এলেবেলে, Anjan Banerjee)
    যুদ্ধ : Swapan Majhi
    (লিখছেন... )
    গাধা সময়ের পদাবলী : রোমেল রহমান
    (লিখছেন... Du)
    জোড়াসাঁকো জংশন ও জেনএক্স রকেটপ্যাড-৮ : শিবাংশু
    (লিখছেন... dd, i, শিবাংশু)
    তিরাশির শীত : কুশান গুপ্ত
    (লিখছেন... anandaB, ন্যাড়া, Apu)
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তত্ক্ষণাত্ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ যে কেউ যেকোনো বিষয়ে লিখতে পারেন, মতামত দিতে পারেন৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
  • যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
    মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত