• ভাটিয়ালি
  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা।

  • commentঅর্জুন | 162.158.118.215 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ২১:৫২
  • 'poetry of trance মনে হতে পারে কিন্তু তা বলে ট্রান্সের মধ্যে বসে লেখাগুলো লেখেননি।' ঃ))))

    এটা দারুণ! কবিকে স্টেট অব ট্রান্সে নিয়ে না গেলেও, কবির কবিতা পাঠককে নিয়ে যেতে নিশ্চয় পারেন।
  • commentঅপু | 162.158.165.235 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ২১:২৬
  • ইয়ে মানে আমি সেল্ফ সাফিসিয়েন্ট। জাস্ট FYI :)))

    আর আমি আতেল বলিনি।

    বলেছি
    ১ বিদগ্ধ
    ২ বিস্মৃত
    ৩ কবিশ্রেষ্ঠ
  • commento | 162.158.255.33 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ২১:২২
  • শরদিন্দু ও জীবনানন্দের তুলনামূলক আলোচনা করে সঞ্জয় মুখোপাধ্যায় একটি প্রবন্ধ লিখেছিলেন পরবাসে। সেখানে তিনি বলেছিলেন, এই যে বিশ্বযুদ্ধের কালো ছায়ায় ঢাকা অপরাধপ্রবণ কলকাতা যেখানে চুরুট জ্বালতে গিয়ে দেশলাইয়ের আলোয় চকিতে ঝলসে ওঠা দু-একটি শীর্ণ হলুদ মুখ দেখা যায়, এই গোয়েন্দাকাহিনীসুলভ পরিবেশ জীবনানন্দ ও শরদিন্দুর ব্যোমকেশ উভয়েই বর্তমান। কিন্তু শরদিন্দু জীবনানন্দের চেয়ে অধিকতর 'পার্থিব জীব' বলেই এই অপরাধপ্রবণতার পিছনে একটি যুক্তিশৃঙ্খল খুঁজে বের করার চেষ্টা করেন। এই কথা টেনে বলি, ব্যোমকেশ যে বাংলা গোয়েন্দা সাহিত্যে শ্রেষ্ঠ চরিত্র তার কারণ ঐ অদ্ভুত সময়টা। গোয়েন্দার সঙ্গে তার সময় ওতঃপ্রোতভাবে জড়িয়ে থাকে। এ কোনো সমাপতন নয় যে ভিক্টোরিয়ান যুগে যখন ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের সূর্য মধ্যগগনে অবস্থান করছে, তখন লন্ডনে আবির্ভূত হন শার্লক হোমস। গোয়েন্দা গল্পের সঙ্গে কলোনিয়ালিজমের সম্পর্ক অতি ঘনিষ্ট। চারপাশের জগতে বস্তু ও মানুষজনের আন্তঃসম্পর্কগুলি যে যুক্তির অমোঘ সুতোয় বাঁধা এবং একজন বুদ্ধিমান ব্যক্তি যে ফায়ারপ্লেসের ধারে চুরুট টানতে টানতে এই যুক্তিজালকে অনুসরণ করে নিখুঁত সিদ্ধান্তে পৌঁছে যেতে পারেন, এর অন্তর্নিহিত দার্ঢ্য একমাত্র কলোনাইজারের পক্ষেই দেখানো সম্ভব। অপরাধ এবং শাস্তির মধ্যবর্তী অন্ধকার অলিগলিগুলি গোয়েন্দা গল্পের বিচরণভূমি নয়। অপরাধী ও তার 'মোটিভ' খুঁজে বের করা এইটুকুই গোয়েন্দাকাহিনীর পরিসর। একটা পাজল সমাধান করা, যে পাজলের নাগাল গোয়েন্দা পাবেন সবার আগে, পুলিশ বা অন্য কেউ নয়। এই যে গোয়েন্দা সব আগেভাগে জানেন, এর ফলে তাঁর ওপর মরালিটি নির্মাণের দায়ও এসে পড়ে। কলোনাইজার যেভাবে ঠিক করে দেন কোনটা সভ্যতা ও কোনটা বর্বরতা, গোয়েন্দাও ঠিক সেভাবে অপরাধীকে কখনও আইনের সামনে দাঁড় করান, মাঝে মাঝে ছেড়েও দেন। ব্যোমকেশেও আমরা দেখি একই জিনিস। জীবনানন্দ ও শরদিন্দু একই অন্ধকারকে লক্ষ্য করছেন। ধরুন 'রক্তের দাগ' গল্পটি। কী তীব্র অন্ধকার লুকিয়ে আছে গল্পটির ভেতর! সত্যকামের অস্তিত্বগত সংকট থেকে তার ভয়ানক নারীঘৃণা, উল্টোদিকে তার 'বাবার' আত্মসম্মানহীন একটি অবস্থান থেকে উঠে এসে সত্যকামকে হত্যা, এ দুটি গতিপথের মধ্যে সত্যকামের মাকে ঘিরে গল্পটি সমস্যাকাতর হয়ে ওঠে। শরদিন্দু এর সমাধান করেন একরকমভাবে নিজের কনজারভেটিজমকে কাজে লাগিয়ে, ব্যাখ্যা যোগাতে তিনি টেনে আনেন ভাল রক্ত-খারাপ রক্তের তত্ত্ব। কিন্তু যদি এ গল্প জীবনানন্দ লিখতেন? মনে হয় গল্পটি সম্পূর্ণ অন্যরকম হত। মরালিটি তো আসলে একটি নির্মাণ, যা অন্ধকারে টর্চের মত কাজ করে। জীবনানন্দ জানতেন অন্ধকারে টর্চ নিভিয়ে ঢুকতে হয়, নইলে অন্ধকারকে দেখা যায় না। ফলে একই সময়ের পেট থেকে শরদিন্দু ও জীবনানন্দের উড়ান দুটি বিপরীত পথে।
  • commentএলেবেলে | 141.101.98.9 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ২১:১৬
  • রঞ্জনবাবু, সমর সেন নিয়ে আমার সঙ্গে ব্রতীনবাবুর দীর্ঘদিনের ইয়ে আছে! তাই আমার কোনও বাক্যে সমর সেনের উল্লেখ দেখলেই উনি কোমর কষে নেমে পড়েন। আর তাঁকে উদ্ধার করার জন্য থাকেন পতিতোদ্ধারিণী গঙ্গে!!

  • commentর২হ | 162.158.165.235 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ২১:০৭
  • যাহ, কবিরাই যদি আঁতেল না হয় আঁতেল তাহলে কে?

    বৃথাই দেখছি কতগুলো বছর অপচয় হলো।

  • commentঅপু | 172.69.135.147 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ২১:০৬
  • রঞ্জন দা অনাতেল? এবার কোন দিন শুনবো সৌরভ গাঙ্গুলি ডান হাতে ব্যাট করতেন :))))
  • commentঅপু | 162.158.166.110 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ২০:৫৫
  • যা বাব্বা রঞ্জন দা, আমি কোন কবি কেই আতেল বলি নি।
  • commentবনলতা | 172.68.65.149 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ২০:৩৫
  • এলেবেলে একজন শিক্ষক না? এই বইটা রেফার করে গেলুম:Mindset: The New Psychology of Success by Carol S. Dweck
  • commentএকলহমা | 162.158.186.251 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ২০:১৮
  • "এহ টাক্রা হবে, দাঁত না।" - মানলাম তা হলে। হেঃ হেঃ
  • commentএকক | 162.158.154.222 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ২০:০৫
  • এহ টাক্রা হবে, দাঁত না।
  • commentরঞ্জন | 162.158.167.193 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ২০:০৫
  • @অপু,

     "আমাদের স্তিমিত চোখের সামনে আজ তোমার আবির্ভাব হল

    স্বপ্নের মত চোখ, সুন্দর শুভ্র বুক,

    রক্তিম ঠোঁট যেন শরীরের প্রথম প্রেম

    আর সমস্ত দেহে কামনার নির্ভীক আভাস

    আমাদের কলুষিত দেহে, আমাদের দুর্বল ভীরু অন্তরে

    সে উজ্বল বাসনা যেন তীক্ষ্ণ প্রহার"।  --সমর সেন

    অমন 'শরীরী' কবিকে তোমার মহা-আঁতেল মনে হল? 

  • commentএকক | 162.158.154.222 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ২০:০০
  • স্ট্রন আর ত্র, কার্যক্ষেত্রে একই। আমি খোপে ফিরে, স্ক্রীন শট দিয়ে দিচ্চি খোন। বা লিকে।
  • commentএকলহমা | 162.158.186.23 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৯:৫৫
  • @একক
    বি লিখেছিলেন ৩টে পয়েন্ট। আপনি ১ আর ৩ দুটো-ই দেখলেন, তাই ত? তা হলে নী+ ষ্ট্রন = নেত্র।

    b | 162.158.165.235 | ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১০:০৪
    ১। নী ধাতু সবসময় "নেওয়া" নয়।
    https://wiki.yoga-vidya.de/Sanskrit_Verbal_Roots_List_with_English_Translation#N_-_List_of_Sanskrit_Verbal_Roots_beginning_with_letter_n

    ২। মনিয়র উইলিয়ামসঃ

    ৩। এককঃ প্রত্যয়টি ত্র নয়, ষ্ট্রন। হেল্পস টু দ্য স্টাডিটা একেবার দেখুন তো, এই প্রত্যয় টা আছে কি না।
  • commentরঞ্জন | 162.158.191.173 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৯:৫৪
  • আমার ব্যক্তিগত উপলব্ধিতে 'বনলতা সেন' যেন মৃত্যুচেতনার কবিতা।   বনলতার রূপবর্ণনায়  এবং যেভাবে কবিকে বনলতা আবাহন করেন  যেন দু'জনের দেখা হল ক্লান্ত জীবনের সমুদ্র পেরিয়ে অন্তিম নীড়ের অন্ধকারের জগতে। দান্তে বিয়াত্রিচের কথা সহজেই মনে আসে। কবিতার বহুপাঠ হতে পারে , তবু 'ও'র মন্তব্য আমার মত অনাতেল হরিদাস পালের ভালো লেগেছে।

  • commento | 162.158.255.21 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৯:৪৪
  • স্প্রিচুয়ালিটির বাজারে এখন কোয়ান্টামের খুব দর। যথাঃ কোয়ান্টাম ইয়োগা, কোয়ান্টাম এনলাইটমেন্ট ইত্যাদি। আগে আগে মেলায় চুম্বক চিকিৎসার স্টল বসত। ব্যাটারা আপডেট করেছে নিজেদের। ঃ-)))
  • commento | 172.69.23.20 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৯:৩৯
  • কুসুমকুমারী চাইতেন ছেলে বেশ আশার-আলোর পদ্য লিখুক। ছোটবেলা থেকে তিনি তাকে বলতেন বেম্ম পত্রিকায় মহাপুরুষদের জীবন নিয়ে পদ্য লিখতে। তা দেশবন্ধুর মৃত্যুর পর জীবনানন্দ 'দেশবন্ধুর প্রয়াণে' নামে একটি কবিতা লিখলেন। মাকে খুশি করার জন্য পাঠিয়ে দিলেন পত্রিকাটি ছাপা হবার পর। কুসুমকুমারী খুশি না হয়ে বললেন, দেশবন্ধুকে নিয়ে লিখেছ ভাল কথা, কিন্তু তোমাকে যে রামমোহন, মহর্ষির ওপর লিখতে বলেছিলুম! ঃ-)))
  • commentS | 108.162.246.130 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৯:৩৭
  • পস্চীম স্পিরিচুয়ালিটি, ট্রান্স, আন্ডার ইনফ্লুয়েন্স ঘেঁটে ফেলেছে। বাজারের ডিমান্ডও তাই।
  • commentএকক | 162.158.159.77 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৯:৩৫
  • সোমৈ নেই এগদোম, শুদু বোলার, নেত্র বিশোয়ে সিদিন বি দা ঠিক ছিলেন। হেল্প টু দ্য দেক্লুম, অতোহ্পর শব্দ্ক্ল্প পিডিএফ।

    শব্দ্কল্প পাঁচ খোন্ডো মিলে দাম কোরেচে ষোলো হাজার ট্যাকা!!!! পাটোগ কে এরা খী ভাবে বাল্টা!! রাদাকান্তোর জামাই??? !!! যোত্তোসোব!
  • commentএলেবেলে | 162.158.159.77 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৯:২০
  • বনলতা চেনা নিক থেকে লিখতে কি খুবই অসুবিধা?

    ও, সুধীন দত্তর কথা বাদ দিন। আজীবন জীবনানন্দকে তৃতীয় শ্রেণির গ্রাম্য কবি ঠাউরিয়েছেন।

  • commentবনলতা | 173.245.54.100 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৯:১৬
  • আচ্চা জীবনানন্দও বেম্ভ ছিল রবীন্দ্রনাথ ও বেম্ভ ছিল। দুজনেই যে 'আলোর পথযাত্রী' হবে এ আর আশ্চর্য কি, সে হানু যত সক্কাল সক্কাল বাক্তল্লা ঝাড়ুক (" ওমা ড্যাকো আমি দুই পাতা পড়স ")!
    এলেবেলের দেওয়া নাটোর নৌটান্কির সোর্সটা বেশ - দেখতে হচ্ছে আরো কিছু আছে কি না!
    " ও " লেখাটায় ব্যক্তিগত উপকার হয়েছে! সত্যি এগুলো টই তে থাক্লে ভালো হত, তবে কিনা আজকাল্কার গ্যানচর্চা এরকম দিস্ত্রিবিউতেদ সোর্সেই হচ্ছে
  • commento | 172.68.189.168 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৯:০৯
  • ট্রান্স না, সুধীন্দ্রনাথ বলেছিলেন লোকটা এত কাটাকুটি করেও এত খারাপ লেখে কিভাবে! :-)

  • commentএলেবেলে | 162.158.159.49 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৮:৫৪
  • অর্জুন, ট্রান্স! মানে অলোকরঞ্জন বলেছেন বলে সেটা মেনে নিতে হবে? ইয়েটস বহু আগে কবিতা লেখাকে 'স্টিচিং অ্যান্ড আনস্টিচিং' বলেছিলেন তাঁর এক কবিতায়। তো তারপরেও জীবনানন্দ ঘোরের মধ্যে থেকে কবিতা লিখে যাচ্ছেন, লিখেই যাচ্ছেন! হবে হয়তো!!

  • commentরঞ্জন | 162.158.191.173 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৮:৫৩
  • @আকা,

              আপনার উল্লিখিত "কামিনী কলঙ্ক" কোথায় পাব? কিনতে বা পিডিএফ এ? কার্ডে পেমেন্ট।

  • commentএলেবেলে | 162.158.159.49 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৮:৫১
  • কাল বনলতা সেনকে রূপোপজীবিনী বলায় বেশ হতছেদ্দা করা হয়েছে দেখলাম। কেউ কেউ ব্যাপারটা প্রতিদিন থেকে, কেউ বা বিগ হাউসের পত্রিকায় এই নিয়ে বিস্তর আলোচনা-টালোচনা হয়েছিল বলে নিদানও হেঁকেছেন। এবং সন্দো করেছেন আমার বক্তব্যটা ওখান থেকেই টোকা যদিও তা মোটেই আমি স্বীকার করিনিকো। খুব হেসেছি এসব শিশুসুলভ ট্রোল দেখে। যাই হোক, সবার জ্ঞাতার্থে জানাই এ বিষয়টা আমি প্রথম জানতে পারি 'পরার্থপরতার অর্থনীতি' নামক একটি বই থেকে। লেখক আকবর আলি খান এবং তিনি বাংলাদেশের সাহিত্যিক। নাটোরের ব্যাপারটা তিনি কলকাত্তাইয়া সবজান্তাদের থেকে কিঞ্চিৎ বেশি জানেন বলে আমার ধারণা।

    @দু, আপনি আমার অকিঞ্চিৎকর লেখাটি শুধু পড়েননি, শেয়ারও করেছেন জেনে ভালো লাগল। ধন্যবাদ। পাশাপাশি আপনাকে অনুরোধ করব লেখাটির কোনও খামতি থাকলে তা নির্দ্বিধায় আমাকে জানাতে, যাতে পরবর্তীতে নিজেকে শুধরে নিতে পারি।
  • commentএকলহমা | 162.158.187.104 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৮:৪৪
  • নিক পাল্টামুনা, দমুদির নিষেধ আচে! তয় এই নিক লেকার ঝামেলাটা মান‍্য করি - আমারো হয় কি না! :( ;)
  • commentএকলহমা | 162.158.187.104 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৮:৩৯
  • @গ
    ট্রান্স - সহমত।
    ভারত মানে ওরিয়েন্টাল মিস্টিসিজ্ম আর ও মি-র চরম হতিছে টেরান্স। অমন ছায়া-ছায়া-মায়া মায়া-বোঝা-যায়-কি-যায়-না কোবতে টেরান্চ হবে না? :)
  • commentS | 108.162.246.52 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৫:১৫
  • আন্ডার ইনফ্লুয়েন্স আদৌ কিছু ভাল ক্রিয়েটিভ কাজ হয়কি? আমার তো মনে হয় দুটো আলাদা প্রসেস। কবতেটে খুব খেটেখুটে লেখা হল। এমনকি গান লেখা, সুর দেওয়া, প্র‌্যাক্টিস। এইবারে যখন পারফর্ম করতে গেল তখন স্টেজ ফিয়ার কাটানোর জন্য বা এমনিতেই কন্ফিডেন্সে কিছু নিল। সমস্যা হল লোকে দুটোকে গুলিয়ে ফেলে বা ফেলতে পছন্দ করে। এছাড়া এরা একটু গ্যালারি শো দেয়।
  • commentg | 162.158.154.30 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৪:৫৯
  • দেখুন অলোক রঞ্জন নমস্য ব্যক্তি, এবোঙ্গ ঐ উচ্চ্তার ক্রিটিক বাবার জন্মে আমাদের পোক্ষে হওয়া সম্ভব না, বেশি নেই, কিন্তু "ট্রান্স" কথাটি এই প্রসম্গে সম্পূর্ন বোগাস। এটা হতে পারে অলোক্রন্জন জার্মানি তে যুদ্ধের পরে পরে গেছিলেন, তখন হয়তো ওরিয়েন্টালিজম এর প্রভাব ৬০স এর পরের মতো কাটে নি। ট্রান্স শব্দ টা বাউল, সিরিয়ান দরবেশ, চৈত্র সন্ক্রান্তি খেলা দেখানো লোকেরা সকলের সম্পর্কেই খাটে। এটা অনেকটা মুলক রাজ আনন্দের বলা খাজুরাহো সম্পর্কে কথার মত, সেখানকার সেকসুয়ালি এক্সপ্লিসিট ভাষ্কর্য্য নাকি , ভালোবাসার মৃদু বা নরম প্রকাশ।
    বস্তুতপক্ষে দেখুন, আম্রা একটু আন্দাজে হলেও, ৬০ দশকের পরের সেন্সিবিলিটি নিয়ে কথা বল্ছি, এটা অলোক রঞ্জন রা ততটা বুড়ো না হলেও, শিক্ষার ধারাটা যেটা তে ওনারা অভ্যস্ত তাতে সব কিছুতেই মধুর রাইন নদীর মৃদু ঢেউ এর আওয়াজ শোনা অসম্ভব না। ঃ-)))) অনুভূতির তীব্রতা সম্পর্কে সংকোছীন হওয়া ওনাদের পক্ষে সম্ভব না। যে জর্মন ট্রান্স ছাড়া প্রাচ্যের কিসু বোঝে না, তাদের এত গুরুত্তঅ ই বা কি বুঝি না। এদের বাবা দাদু দের কাছে ইরবীন্দ্রনাথ একটি জোব্বা মাত্র। ;-)
  • commentসিএস | 172.69.34.179 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৪:৫৪
  • poetry of trance মনে হতে পারে কিন্তু তা বলে ট্রান্সের মধ্যে বসে লেখাগুলো লেখেননি, বা ব্রেঁতোদের মতো অটোমেটিক রাইটিংও নয়। শব্দ খুঁজে পেতে বসাতেন, পান্ডুলিপির কাটাকুটি সেটাই প্রমাণ করে। সমসময়ে এটাই প্রচলিত ছিল যে জীবনানন্দর কাছে কবিতা ঘোরের মতো আসে, কিন্তু মারা যাওয়ার পরে বিষ্ণু দে কবিতার পান্ডুলিপি দেখে বলেছিলেন, একি ইনি তো আমাদের মত করেই কবিতা লিখতেন, শব্দ খুঁজতে হত। এরকম উদাহরণও আছে যে প্রথমে ইংরেজী শব্দ বসিয়েছেন তারপর বাংলা শব্দ বসিয়েছেন। এটা আসলে ক্রাফটের ব্যাপার, এমনই সেই ক্রাফ্ট আর লেগে থাকা যে শেষে যে বস্তুটি দাঁড়ায় সেটি ঠিক যে বিষয়কে প্রকাশ করতে চাইছে অবিকল যেন তারই মতো। মৃত্যুর কথা লিখলে, স্বপ্ন অথবা বেদনার কথাও, যেন মনে গয় ঐসবের ভেতরেই ঢুকে যাওয়া গেছে। মৃত্যুর আগে কবিতাটি এর একটি বড় উদাহরণ, লোর্কা কথিত দুয়েন্দে যেন আমাদের হাতে ধরে দেখিয়ে দেওয়া হয়। আর্ট এটাই, আর্টিস্টের হাতটি দেখা যাচ্ছে না, শুধু হাতের কাজটি উপস্থিত।
  • commentঅর্জুন | 162.158.118.165 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৪:১১
  • 'trance'  শব্দটির ওপর জোর দিয়ে অনেককিছু বলেছিলেন অলোকরঞ্জন দাশগুপ্ত। 

  • commentঅর্জুন | 162.158.118.165 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৪:১০
  • অলোকরঞ্জন তুলনামূলক সাহিত্যের অধ্যাপক- গবেষক। তাই ইউরোপীয় সাহিত্যের দৃষ্টিকোণ থেকে জীবনানন্দের প্রভাব ইত্যাদি ধরতে সক্ষম।

    রবীন্দ্রসদনে 'কৃত্তিবাস' পত্রিকার জীবনানন্দকে নিয়ে এক আলোচনা সভায় অলোকরঞ্জন বলেছিলেন, আমার স্পষ্ট মনে আছে 'আমি যখন জীবনানন্দের কবিতা কয়েকজন জার্মান ছাত্রদের কাছে অনুবাদ করে পড়ে শোনাই তখন একজন বলে উঠেছিল কবিতাগুলো তার কাছে poetry of trance মনে হয়েছে । '
  • commentঅর্জুন | 162.158.119.44 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৪:০০
  • @g ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৯:২৮

    'জীবনানন্দ কে শুধুই একটি কবি মনের সীমাহীন -কল্পনা ধরে নিলে , তার ইউরোপীয় সাহিত্যে সযত্ন প্রশিক্ষণ টি কে এবং প্রভূত রেফারেন্স কে অস্বীকার করা হয়।'

    অলোকরঞ্জন দাশগুপ্ত এ বিষয়ে বিস্তৃত আলোচনা করেছেন। অলোকরঞ্জনের জীবনানন্দ নিয়ে আলোচনা খুব সমৃদ্ধ ।
  • commentসে | 162.158.150.99 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৩:৫৭
  • রঞ্জনদা জীবনানন্দের স্ত্রীর ছাত্র। অভিজ্ঞতা আছে ওঁর বালিকা বিদ্যালয়ে পড়বার দিনগুলোর।
  • commentঅর্জুন | 162.158.118.57 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৩:৪৩
  • 'জীবনানন্দকে আমি প্রথম দেখেছিলাম ঢাকায়, তাঁর বিবাহ-সন্ধ্যায় উপস্থিত ছিলাম ঢাকার ব্রাহ্ম সমাজে যুক্ত ছিলাম ‘ধূসর পাণ্ডুলিপি’ পর্যায় থেকে তাঁর মৃত্যুকাল পর্যন্ত তাঁর কবি জীবনের সঙ্গে- কিন্তু তাঁর সঙ্গে কোনো ব্যক্তিগত সম্বন্ধ আমি স্থাপন করতে পারিনি, অন্য কেউ পেরেছিলেন বলেও জানিনা। শুধু তা-ই নয়, কোনো সাহিত্যিক আলোচনার মধ্যেও তাঁকে টানতে পারিনি আমরা, ‘কল্লোল’-এর, ‘পরিচয়’-এর ‘কবিতা’-র আড্ডা তিনি সযত্নে এড়িয়ে চলেছেন। এবং তাঁর সঙ্গে- আর আ আর যৌবনকালে সহযোগী বন্ধুদের মধ্যে শুধু তাঁরই সঙ্গে- আমার দেখাশোনাও হয়েছে অবিচ্ছিন্নভাবে। অনেক মাস বা দু-এক বছর বাদ দিয়ে-দিয়ে, খুব অল্প সময়ের জন্য। চিঠি লিখতেন সংক্ষেপে, শুধু কাজের কথা। যেন ধরাছোঁয়ার বাইরে, সম্পূর্ণভাবে নিজের মধ্যে গুটনো, তাঁর ভাষায় বলতে গেলে তাঁর পুরোটাই যেন ‘স্বাভাবিক’ ‘সামাজিক’ প্রায় কিছুই নেই- যেন কবিতা ছাড়া অন্য সব প্রকাশের দরজায় তিনি স্থায়ীভাবে খিল এঁটে রেখেছেন, যাতে তাঁর কবিতা আরো গাঢ হতে পারে। তাঁর চেহারায় বা চালে- চলনে কিছু নেই যাকে বলা যায় ‘কাব্যিক’ অথবা ‘খেয়ালি’- চওড়া কাঁধে বলিষ্ঠ তাঁর গড়ন, চুলের ছাঁট যে- কোনো আপিশের বাবুর মতো, পরনে সাধারণ ধুতি- পাঞ্জাবী, কথা বলেন কাটা কাটা, একটানা বেশীক্ষণ নয়। দু-হাত ছড়িয়ে প্রায় নিঃশব্দে উচ্চ হেসে ওঠার একটা ধরণ আছে তাঁর- হঠাৎ যখন কৌতুকরসে তাঁকে অধিকার করে, বা বিশেষ কোনো সমালোচকের কথা উঠলে ছুঁড়ে দেন কোনো তীব্র মন্তব্য- ‘asinine intellect!’ বা ‘abysmal stupidity’- কিন্তু তার জের টেনে আর কিছু বলেন না, ঐ হাসির দমক ফুরনোমাত্র তাঁর কথাও থেমে যায়। যতদূর মনে পড়ে, ‘কল্লোল’-এর সময়ে আমি দু-বার মাত্র দেখেছিলাম তাঁকে- তার বেশি না। এক বিকেলে অচিন্ত্য আর আমি উৎসাহের ঝোঁকে হানা দিয়েছিলাম তাঁর প্রেসিডেন্সি বোর্ডিংয়ের তেতলায় বা চারতলায়- তিনি ঘরে ছিলেন, আমরা চেয়েছিলাম তাঁকে নিয়ে কোথাও বেরোবে, কিন্তু সেই ইচ্ছেটি পূরণ হয়নি আমাদের। আর একদিন- অনেকে মিলে যাচ্ছি, ‘কল্লোল’- দলের প্রিয় রেস্তোরাঁ বৌবাজাজের মোড়ে ইন্দো- বর্মায়, আমাদের সামনে দেখা গেল জীবনানন্দকে- আমরা, তাঁকে চমকে দিয়ে এবং সম্ভবত বিব্রত করে, তাঁকে পিছন থেকে ধরে ফেলেছিলাম। তাঁরও গন্তব্য ছিল ইন্দো- বর্মা, কিন্তু তিনি বসলেন আলাদা টেবিলে আহারের পরেই অন্তর্হিত হলেন।

    মনে হয় এই অবগুণ্ঠিত ব্যক্তিত্ব নিয়েই জীবনানন্দ সারা জীবন কাটিয়েছিলেন- তাঁর মতো এমন নিভৃত মানুষ আমি আর দেখিনি। বহুকাল পরে আমরা দু-জনেই যখন বালিগঞ্জবাসী, তাঁকে মাঝে- মাঝে দেখতাম সাদারন অ্যাভিন্যুর ফুটপাতে- তখনও সেই পুরনো ঘটনার পুনরাবৃত্তি হত। বাঁ হাতে কোঁচার প্রান্তটি তুলে আমার আগে- আগে চলেছেন তিনি, আমি এগিয়ে গিয়ে ধরে ফেলি তাঁকে- তিনি চকিত চোখে তাকান, হাসেন, ভাবটা অপ্রস্তুত- মতো। ‘এই যে’। ‘এই যে’। তারপর কয়েকটা অর্থহীন কথায় বিনিময়, কয়েক মিনিট নিঃশব্দে পাশাপাশি হাঁটা, তারপর, তাঁকে আরাম দেবার জন্য, আমি রাস্তা পেরিয়ে লেক-এ ঢুকি, বা তিনিই ‘আচ্ছা’- বলে হাত তুলে কোনো ভিন্ন পথ নেন।'
    - বুদ্ধদেব বসু
    ('আমার যৌবন' বই থেকে উদ্ধৃত )

    জীবনানন্দ সম্পর্কে সেই সময়ে আর কারো স্মৃতিচারণ আছে ?
  • commentPT | 141.101.107.119 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৩:৩৫
  • "'কেন্দ্রের এজেন্সির অত্যাচারে ক্ষতবিক্ষত, রাজনৈতিক প্রতিহিংসাতেই মৃত্যু তাপসের'"
    না পসন্দ হলেও মৃত্যুর রাজনৈতিক ব্যবহার হতেই থাকে!!
  • commentসে | 162.158.150.99 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৩:২৩
  • আমার একটা প্রশ্ন ছিল — বার্ণীর মেন্টর কে?
    কেউ উত্তর দিতে পারল না।
  • commentg | 162.158.159.77 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৩:১৩
  • ইকোর এই প্রবন্ধটা হোলো, intertextual irony and levels of reading, প্রচন্দ রসবোধ না থাকলে খ টাইপের না হোলে এই জিনিস লেখা মুশকিল ঃ-)))

    I aologise if in the course of this talk, I will have to quote among my various examples, some of that come from my own work as a story teller as well, but I shall have to dwell on certain characteristics of so called postmodern narrative, which some lterary critics and theoreticians (leaving the names - - me ) have found to be not only present in my fiction but also explicitly theorized in my 'Reflections on 'The name of the Rose" . These features are metanarratives, dialogism (in Bakhtin's sense, in which, as I said in Reflections, texts talk to one another ) , "double coding" and intertextual irony."

    er pore dekhaachhen onaar upanyaase byabahRita meTaanyaareTibh manjoni ((born March 7, 1785, Milan—died May 22, 1873, Milan)) তে আচ্চে এবোঙ্গ হোমার এ আছে ঃ-)) এবোঙ্গ ডাইলোজিসম এর ধারা টি, দান্তে তে উপস্থিত। পোস্ট মডার্নিজম নিয়ে এতো বড় হ্যা হ্যা বেশি দেখি নি, তবে, সেটা যে শুধু টেকনিক না, আদতে সময় ও সেটা বোঝার কথা বলছেন হয়তো।
  • commentS | 162.158.106.101 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৩:০৩
  • মাইনরিটিজ বাদ দিলে সাদাদের মধ্যে মহিলা এবং ইয়ঙ্গ জেনারেশনেই ডেমদের একটু অ্যাডভান্টেজ আছে। সেই বেনিফিট তুলতে গেলে বার্ণীকে অবশ্যই চাই। এই মুহুর্তে ট্রাম্পের যা অবস্থা তাতে কোনও রেড স্টেট ডেমরা নিতে পারবেনা। সুইঙ্গ স্টেটগুলো নেওয়ার ক্ষমতা বাইডেনের আছে বলে মনে হয়্না। আমি ডিবেটগুলো তেমন দেখিনি। কিন্তু যেটুকু দেখেছি তাতে বাইডেন মোটামুটি পুরোনো পার্টি লাইনে ইউজুয়াল কথা বলে গেছে। সেগুলো ভোটারদের মধ্যে খুবেকটা রেজনেট করছে বলে তো মনে হয় না।
  • commentঅপু | 172.69.134.26 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১২:৫৫
  • প্রচুর পড়াশুনা করতে হবে। গুরু তে এলে বুজতে পারি ।

    আগে সময় নিয়ে সত্যি চাপ ছিল। এখন আকাডেমিক্সে এসে মনের শান্তি আর সময় দুটোই আছে।

    গল্পের বই পড়ছি। কিন্তু অনেক অনেক সিলেক্টিভ হতে হবে। জীবন একটাই।
  • commentg | 141.101.98.9 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১২:৫৪
  • আইওয়াতে যে ভালো টার্ন আউট হয় নি, সেটা কে বার্ণির বিরুদ্ধে ইউজ করা হচ্ছে, ব্রো দেড় যুক্তি হলো, ৩৩% বেশি ভোট দিয়েছে আন্ডার থার্টি।
  • commentS | 162.158.106.101 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১২:৫৩
  • ডেম এস্টাব্লিশমেন্ট স্পষ্টতই চাইছে বাইডেন ক্যান্ডিডেট হোক। ব্লুমবার্গের ফান্ডটাকে ইউজ করছে বার্ণীর ক্যাম্পেইনের বিরুদ্ধে। বার্ণীর পরিবর্তে বাইডেনকে ক্যান্ডিডেট করানোর জন্যই ব্লুমবার্গ মাঠে নেমেছে মনে হচ্ছে। সেটা যে এইমুহুর্তে খুবেকটা কাজ করছে, তা তো মনে হচ্ছে না। ব্ল্যাক ভোটারদের মধ্যে বাইডেন জনপ্রিয়। কিন্তু বার্ণীর অ্যাপিলটা খুব ওয়াইড আর ওপেন। লোকটার কথা দুবার শুনলেই বোঝা যায় যে তিনি জেনুইন এবং রিয়েল ইস্যুগুলো নিয়ে কথা বলতে ভালোবাসেন। যেটা বেশিরভাগ আম্রিগান পলিটিশিয়ানরাই অ্যাভয়েড করে যায়। ফলে ব্ল্যাক ভোটারদের মধ্যেও হি উইল বি পপুলার। স্পেশালি অন্যদিকে যেখানে ট্রাম্প।

    আগেই বলেছি ব্ল্যাক ভোটারদের মধ্যে বাইডেন জনপ্রিয়। তাহলে বাইডেন নমিনেশান পাবে কি করে? যেসব স্টেটে ডেমরা কোনোদিনও জিতবে না সেই সাউথ স্টেটগুলোতে বাইডেন জিততে পারে। ক্যারোলাইনাজ, জর্জিয়া, টেক্সাস এইগুলোতে। বাইডেনের নমিনেশানের সমস্যা হলঃ তার মানে ডেম উইল হ্যাভ আ ক্যান্ডিডেট হু ইজ আনপপুলার ইন সুইঙ্গ স্টেটস। অ্যান্ড পপুলার ইন স্টেটস যেগুলো শিওর ট্রাম্প পাবে।

    উদাহরণঃ এই অলরেডি ভোটিং চলছে নেভাডাতে। সমস্ত পোলিং দেখাচ্ছে যে সেখানে বার্ণী ইজ ওয়ে মোর পপুলার দ্যান অল আদার ক্যান্ডিডেটস। এর পর লিজ ওয়ারেণ সড়ে গিয়ে বার্নীকে এন্ডর্স করলে পার্টির যে কি পরিমাণ লাভ হবে সেটা তিনিও জানেন না। আমার ধারণা বাইডেন আল্টিমেটলি নেভাডা প্রাইমারিতে সেকেন্ডও হবেনা। তার মানে হি ইজ নট ভেরি পপুলার অ্যামঙ্গ নেভাডা ডেম। এখন নেভাডা ইজ আ সুইঙ্গ স্টেট। এই স্টেট জেতার একটাই উপায় আছে ডেমদের। প্রচুর ভোটার টার্ণাউট। বাইডেণ ক্যান্ডিডেট হলে সেটা হওয়ার সম্ভাবনা কম।

    একটা খুব গুরুত্বপূর্ন এবং সমস্যার ডেটা পয়েন্ট হল আইওয়াতে নাকি প্রাইমারিতে ২০১৬র থেকে বেশি টার্ণাউট হয়নি। ২০০৮ বা ২০১২তে বেশি ছিল।
  • commentS | 108.162.246.244 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১২:৩৪
  • সারা দুনিয়াতেই নেটিভিজম আর অ্যান্টাই ইমিগ্রেশান এই মুহুর্তে লোকজন বেশ চেটেপুটে খাচ্ছে। এইসব কথা লোকজন আগে হালকা চালেই বলতো। কোলকাতাটা ননবেঙ্গলিতে ভরে গেল টাইপের। বা বুশের আমলেও শোনা যেত যে এত লোক মেক্সিকো থেকে আসছে, এদেরকে ফেরত পাঠাতে হবে ইত্যাদি। কিন্তু সেসব নিয়ে যে সিরিয়াস পলিটিক্স-্পলিসি হতে পারে, সেই ধারণাটা ছিলনা।

    আমার মনে হয় এটা মিডিয়ার তৈরী। ফাইনান্সিয়াল ক্রাইসিসের পরে যখন ক্যাপিটালিজমের জোড় বোঝা হয়ে গেল এবং দেখা গেল ক্যাপিটালিজমের সবথেকে বড় পুজারিরাও হাত পেতে সরকারি প্রসাদ নিচ্ছে (গরীব লোকের ক্ষেত্রে যেগুলোকে ফ্রিবিজ বলে গাল দেয়), তখন থেকেই পুরো আলোচনাটা অন্যদিকে ঘোরানোর জন্য ইমিগ্রেশানের পিছনে পড়েছে বিগ ক্যাপিটাল স্পন্সর্ড মিডিয়া।
  • commentb | 162.158.159.89 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১২:২৬
  • আরে না না।
    ১৮২৬ এ আসাম (ব্রহ্মপুত্র ভ্যালি) ব্রিটিশ ইন্ডিয়াতে আসে, অফিশিয়ালি।
  • comment | 172.69.135.105 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১২:১৮
  • না একলহমা একটা চমৎকার নিক। প্লীজ বদলাবেন না সহসচলের দিব্বি।
  • commentS | 162.158.107.84 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১২:১৮
  • মহারাষ্ট্রে ব্যাপারটা আমার সেরকম মনে হয়নি। অন্তত বম্বেতে বা জেনারালি মারাঠিরা অতটা উগ্র জাত নয়। যেকারণে রাজ ঠাকরের পলিটিক্স চললো না। উদ্ভবকেও সফট হতে হচ্ছে। মুম্বাই মারাত্মক কসমোপলিটান। দুয়েকটা লোকেশান ছাড়া মারাঠিদের খুঁজেই পাওয়া যায়্না। সেটা ক্রমশঃ পুরো মহারাষ্ট্রেই ছড়িয়েছে। এমনিতেও ক্যাপিটাল সবই অন্যদের হাতে। ফলে মহারাষ্ট্রে সেরকম হওয়া মুশকিল আছে। মহারাষ্ট্র থেকে লোক সড়লে যে সেখানকার অর্থনীতির ক্ষতি হবে সেটা ওখানকার লোকেরা বোঝে।
  • commentS | 162.158.107.84 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১২:১২
  • গুজরাতে ২০০২ তেও এইধরনের দাবী ওঠে। গুজরাত ইজ ফর গুজরাতিজ। তখন চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখানো হয় যে সবথেকে বেশি ইমিগ্রেশান, এমিগ্রেশান হয়েছে গুজরাত থেকেই। সেইকালে বোধয় ডিসকোর্সের অবস্থা একটু বেটার ছিল, তাই সবাই চুপচাপ হয়ে যেত। এখন তো জোড় যার, মুলুক তার। তা যে দুটো গুজরাতিকে দিল্লি পাঠিয়েছে, তাদেরকে ফেরত নিয়ে নিলে আমিও ভেবে দেখবো।

    এখন ট্রাম্পের সাপোর্টাররা আম্রিগায় যেটা বলে সেটা ব্যাঙ্গালোরের লোকেরা আগেই বলতো। অন্য জায়্গার লোকেরা এসে আমাদের চাকরি (আইটি তে) নিয়ে নিল। বেশ একটা চাপা ক্ষোভ ছিল। বক্তব্য ছিল যে তোমরা না এলে এইসব চাকরি আমাদের লোকেরাই করতো। আর নর্থ ইন্ডিয়ানরা আসার পর ক্রাইম বেড়ে গেছে, বা নর্থ ইন্ডিয়ানদের জন্য ক্রাইম বেড়ে গেছে টাইপের বক্তব্য আগেও ছিল।
  • commentg | 162.158.154.30 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১২:১০
  • ১৫২৬ ও বলতে পারে বা ১১৭৬ ।
  • commentg | 162.158.154.30 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১২:০৫
  • এগ্রিড।
    ফ্লোরেন্সএ একটা চার্চ এ লেখা আছে, দুয়োমোর ঠিক পেছনে, ওখানে নাকি দান্তে র জন্ম, নাকি ওর মেয়ের জন্ম এগজ্যাক্টলি ভুলে গেছি, একদম ছোট একটা চ্যাপেল। এবার আমি বহুত নেকা সি টাইপের হয়ে ওখানে এতো ক্ষণ ওখানে বসে ছিলাম, যে মাইরি ট্রেন মিস হয়ে গেলো, এবং অল্প দূরে নেয়ামত ডেভিড দেখার বেশি সময় পাওয়া গেল না। তাইতে ক্লিয়ারলি সঙ্গিনী অফেন্ডেড হয়েছিলেন, আমি অবশ্য অসভ্যতামি টি ঐতিহাসিক বলে তেমন রাগ করি নি :-) এবং ছোট হু: জিনিসটা র সঙ্গে রেনেসাঁ` আমলের একটা ধারণা জড়িয়ে আছে শোনা গেছিলো, যে তখন নাকি ধারণা প্রবল হয়, যে ইন্টেলেকচুয়াল পুরুষ এর ইন্সট্রুমেন্ট ছোট হবে, তো আমি অনৈতিহাসিক ভাবে এটা যে কতদিন আগে ফ্রয়েড এর আগে থেকেই জানি সেটা আর গলা উঁচু করে বলিনি , অচেনার একটা আনন্দ থাকা ভালো এই যুক্তি তে ;-)


  • গুরুর মোবাইল অ্যাপ চান? খুব সহজ, অ্যাপ ডাউনলোড/ইনস্টল কিস্যু করার দরকার নেই । ফোনের ব্রাউজারে সাইট খুলুন, Add to Home Screen করুন, ইন্সট্রাকশন ফলো করুন, অ্যাপ-এর আইকন তৈরী হবে । খেয়াল রাখবেন, গুরুর মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করতে হলে গুরুতে লগইন করা বাঞ্ছনীয়।
  • হরিদাসের বুলবুলভাজা : সর্বশেষ লেখাগুলি
  • জাগ্রত শাহিন বাগ
    (লিখছেন... বিপ্লব রহমান, আজ সুপ্রিম কোর্টে, Anjan Banerjee)
    জনসন্ত্রাসের রাজধানী
    (লিখছেন... র, pi, রঞ্জন)
    কোকিল
    (লিখছেন... দেবাশিস ঘোষ)
    বিনায়করুকুর ডায়েরি
    (লিখছেন... ^&*, একলহমা , pi)
    মিষ্টিমহলের আনাচে কানাচে - দ্বিতীয় পর্ব
    (লিখছেন... দীপক দাস , দীপক, দীপক)
  • টইপত্তর : সর্বশেষ লেখাগুলি
  • আগামীর অবয়ব
    (লিখছেন... দ্রি, দ্রি, দ্রি)
    নিমো গ্রামের গল্প
    (লিখছেন... সুকি , সুকি , সুকি)
    যুক্তরাস্ট্র নির্বাচন ২০২০
    (লিখছেন... )
    প্রেমিকাকে কোলকাতাতে ফুল পাঠাবো কিভাবে?
    (লিখছেন... pi, pi, সুকি)
    পুরোনো লেখা খুঁজছেন, পাচ্ছেন না - এখানে জিজ্ঞেস করুন
    (লিখছেন... lcm, r2h, দু:শাসন)
  • হরিদাস পালেরা : যাঁরা সম্প্রতি লিখেছেন
  • শ্রী রামকৃষ্ণ : কিছু দ্বন্দ্ব : Sumana Sanyal
    (লিখছেন... রঞ্জন, এলেবেলে, Anjan Banerjee)
    যুদ্ধ : Swapan Majhi
    (লিখছেন... )
    গাধা সময়ের পদাবলী : রোমেল রহমান
    (লিখছেন... Du)
    জোড়াসাঁকো জংশন ও জেনএক্স রকেটপ্যাড-৮ : শিবাংশু
    (লিখছেন... dd, i, শিবাংশু)
    তিরাশির শীত : কুশান গুপ্ত
    (লিখছেন... anandaB, ন্যাড়া, Apu)
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তত্ক্ষণাত্ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ যে কেউ যেকোনো বিষয়ে লিখতে পারেন, মতামত দিতে পারেন৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
  • যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
    মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত