Tim RSS feed
Tim এর খেরোর খাতা।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • এন জি রোডের রামলাল-বাংগালি
    রামলাল রাস্তা পার হইতে যাইবেন, কিছু গেরুয়া ফেট্টি বাঁধা চ্যাংড়া যুবক মোড়ে বসিয়া তাস পিটাইতেছিল— অকস্মাৎ একজন তাহার পানে তাকাইল।  রামলাল সতর্ক হইলেন। হাত মুষ্টিবদ্ধ করিলেন, তুলিয়া, ক্ষীণকন্ঠে বলিলেন, 'জ্যায় শ্রীরাম।'পূর্বে ভুল হইত। অকস্মাৎ কেহ না কেহ পথের ...
  • কিউয়ি আর বাঙালী
    পৃথিবীতে ছোট বড় মিলিয়ে ২০০র' কাছাকাছি দেশ, তার প্রায় প্রতিটিতেই বাঙালীর পদধূলি পড়েছে। তবে নিউজিল্যাণ্ড নামে দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে একটি দ্বীপমালা আছে, সে দেশের সঙ্গে ভারতীয়দের তথা বাঙালীদের আশ্চর্য ও বিশেষ সব সম্পর্ক, অনেকে জানেন নিশ্চয়ই।সে সব সম্পর্কের ...
  • মহামহিম মোদী
    মহামহিম মোদী নিঃসন্দেহে ইতিহাসে নাম তুলে ফেলেছেন। আজ থেকে পাঁচশো বছর পরে, ইশকুল-বইয়ে নিশ্চয়ই লেখা হবে, ভারতবর্ষে এমন একজন মহাসম্রাট এসেছিলেন, যিনি কাশ্মীরে টিভি সম্প্রচার বন্ধ করে কাশ্মীরিদের উদ্দেশে টিভিতে ভাষণ দিতেন। যিনি উত্তর-পূর্ব ভারতে ইন্টারনেট ...
  • পার্টিশানের অজানা গল্প ১
    এই ঘোর অন্ধকার সময়ে আরেকবার ফিরে দেখি ১৯৪৭ এর রক্তমাখা দিনগুলোকে। সেই দিনগুলো পার করে যাঁরা বেঁচে আছেন এখনও তাঁদেরই একজনের গল্প রইল আজকে। পড়ুন, জানুন, নিজের দিকে তাকান...============...
  • কাশ্মীরের ইতিহাস : পালাবদলের ৭৫ বছর
    কাশ্মীরের ইতিহাস : পালাবদলের ৭৫ বছর - সৌভিক ঘোষালভারতভুক্তির আগে কাশ্মীর১ব্রিটিশরা যখন ভারত ছেড়ে চলে যাবে এই ব্যাপারটা নিশ্চিত হয়ে গেল, তখন দুটো প্রধান সমস্যা এসে দাঁড়ালো আমাদের স্বাধীনতার সামনে। একটি অবশ্যই দেশ ভাগ সংক্রান্ত। বহু আলাপ-আলোচনা, ...
  • গাম্বিয়া - মিয়ানমারঃ শুরু হল যুগান্তকারী মামলার শুনানি
    নেদারল্যান্ডের হেগ শহরে অবস্থিত আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস—আইসিজে) মিয়ানমারের বিরুদ্ধে করা গাম্বিয়ার মামলার শুনানি শুরু হয়েছে আজকে। শান্তি প্রাসাদে শান্তি আসবে কিনা তার আইনই লড়াই শুরু আজকে থেকে। নেদারল্যান্ডের হেগ শহরের পিস ...
  • রাতপরী (গল্প)
    ‘কপাল মানুষের সঙ্গে সঙ্গে যায়। পালানোর কি আর উপায় আছে!’- এই সপ্তাহে শরীর ‘খারাপ’ থাকার কথা। কিন্তু, কিছু টাকার খুবই দরকার। সকালে পেট-না-হওয়ার ওষুধ গিলে, সন্ধেয় লিপস্টিক পাউডার ডলে প্রস্তুত থাকলে কী হবে, খদ্দের এলে তো! রাত প্রায় একটা। এই গলির কার্যত কোনো ...
  • রাতপরী (গল্প)
    ‘কপাল মানুষের সঙ্গে সঙ্গে যায়। পালানোর কি আর উপায় আছে!’- এই সপ্তাহে শরীর ‘খারাপ’ থাকার কথা। কিন্তু, কিছু টাকার খুবই দরকার। সকালে পেট-না-হওয়ার ওষুধ গিলে, সন্ধেয় লিপস্টিক পাউডার ডলে প্রস্তুত থাকলে কী হবে, খদ্দের এলে তো! রাত প্রায় একটা। এই গলির কার্যত কোনো ...
  • বিনম্র শ্রদ্ধা অজয় রায়
    একুশে পদকপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক অজয় রায় (৮৪) আর নেই। সোমবার ( ৯ ডিসেম্বর) দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার একটি হাসপাতালে শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। অধ্যাপক অজয় দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত নানা অসুখে ভুগছিলেন।২০১৫ ...
  • আমাদের চমৎকার বড়দা প্রসঙ্গে
    ইয়ে, স-অ-অ-অ-ব দেখছে। বড়দা সব দেখছে। বড়দা স্রেফ দেখেনি ওইখানে এক দিন রাম জন্মালেন, তার পর কারা বিদেশ থেকে এসে যেন ভেঙেটেঙে মসজিদ স্থাপন করল, কেন না বড়দা তখন ঘুমোচ্ছিলেন। ঘুম ভাঙল যখন, চোখ কচলেটচলে দেখলেন মস্ত ব্যাপার এ, বড়দা বললেন, ভেঙে ফেলো মসজিদ, জমি ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

Tim প্রদত্ত সর্বশেষ দু পয়সা

লেখকের আরও পুরোনো লেখা >> RSS feed

পায়ের তলায় সর্ষে : আলাস্কা

আলাস্কা পার্ট ওয়ানঃ উইন্টার ২০১৫।
স্থান, কাল, ইত্যাদিঃ
ফেয়ারব্যাঙ্কস। ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহ (২৪-২৮)। উদ্দেশ্যঃ মূলত অরোরা বোরিয়ালিস খুঁজে দেখা, পারলে ছবি তোলা, এবং আর্কটিক সার্কল পর্যন্ত রোডট্রিপ। চেনা হট স্প্রিং, নর্থ পোল বলে একটা গ্রামে সাজিয়ে রাখা স্যান্টার বাড়ি এগুলো ফাউ।
---------------------------------

(১)
অনেকদিনের ইচ্ছে ছিলো আলাস্কা যাব। বাঘার যেমন ছেলেবেলার সাধ ছিলো রাজকন্যা বিয়ে করবে, সেরকম। কিন্তু রাজকন্যা কিনা গুলিসুতো খেয়ে ফেলেছে, সেই ইস্তক তার দেখা পাওয়া ভ

রাজনৈতিক অস্থিরতা, কাশ্মীর, ও জনমত: আমরা কী জানি

এই লেখার যা পটভূমিকা বেশ দীর্ঘ, জটিল, এবং মোটেই সরলরৈখিক নয়। এই মুহূর্তে ভারতে রাজনৈতিক অস্থিরতা জেএনইউ তে ঘটে চলা ছাত্র আন্দোলন ও তার অভিঘাতে তুঙ্গে। একই সঙ্গে নানা স্তরে রাজনৈতিক চাপানউতোর চলছে, এবং তার মোটের ওপর নানান ডাইমেনশন পাওয়া যাচ্ছে। এক, অবশ্যই যে ছাত্র সংগঠনেই আন্দোলনের পুরোভাগে। দুই, শাসক বিজেপি এবং তার অনুগত দলগুলি। তিন, ভারতীয় মিডিয়া। চার, এবং এরাই ক্রমশ বেশি করে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে, বিপুল সংখ্যক মানুষ, যারা আপাতদৃষ্টিতে অরাজনৈতিক। যদিও আমি মনে করিনা অরাজনৈতিক মানুষ হতে পারে, কিন

"শূন্যে দিলাম উড়া, যাইতে চান্দের চর"

হাওয়াই চটির স্ট্র্যাপ সেফটিপিনে লাগানো হয়েছে। উঠোনের ঝাঁটপাট শেষ হয়ে বেড়ার কঞ্চি মেরামত সেরে কলতলায় হাত পা ধুয়ে আসেন নগেনবাবু। জামগাছের তলাটা আজ আর পরিষ্কার করা হলোনা, সন্ধ্যে নেমে আসছে। কলতলায় আলো নেই, সেখানে জোনাকি ওড়াউড়ি করে, অন্ধকার জাঁকিয়ে বসার আগে সামান্য কিছু সরলরেখা তৈরী হয়। শাঁখ বাজে, পাশের বাড়িতে হারমোনিয়াম বেরোয়, আর অলকেন্দু মাইতি বাড়ির ঠিক বাইরেই, দেওয়াল ঘেঁষে পেচ্ছাপ করতে বসেন, প্রায় একইসঙ্গে। নগেনবাবু ঘরে আসেন, পরনের গামছাটাতেই হাত মুছে লুঙ্গি পরে মেঝেতে বসে হাতপাখায় হাওয়া খান, এবং

পালানোর দিন -৬

বিহারের ভোটের ফলাফল বেরোতে শুরু করার সাথে সাথেই, যখন বিজেপির রাজনৈতিক দর্শনের সাথে সহমত নন যেসব বন্ধুরা, তাঁদের খুশিতে সামিল হয়ে পড়ছি, তখনই আচমকা অন্য কথা মনে পড়লো। এবং যে প্রসঙ্গে এই লেখার সূত্রপাত, তা হলো, সাময়িকভাবে আমার রাজনৈতিক চেতনাকে সরিয়ে রেখে, সেই "অন্য কথা"। ঊনিশশো তিরানব্বই সালের কথা।
ভোটের ফলে খুশি হয়ে একটা লাগসই মত স্ট্যাটাস দেব ভাবতেই প্রথমে যা মনে এলো তা হলো পান। তো সেই চক্করে একটা ডায়লগ মনে এলো। সেই ডায়লগ ঠিক মনে আছে কিনা দেখে নিতে গিয়ে খেয়াল হলো সালটা '৯৩। মুনদির বিয়ের বছর।

পালানোর দিন -৫

উৎসবের দিন, মানেই পালিয়ে বেড়ানোর সময়। ছুটির সময়। ছোটবেলা থেকেই শুনতাম পুজোর ছুটিতে অনেকে বেড়াতে যায়, তখনও আদিখ্যেতা করে "উফ পুজোয় কলকাতায় থাকা যায়না" মার্কা উন্নাসিকতা চালু হয়নি। লোকে বেড়াতে যেত বেড়াতে যাওয়ার জন্যেই, কলকাতা ছেড়ে পালাতে হলে তো গ্রামে গিয়ে কাটিয়ে আসতো। সে যাহোক, আমি কোনদিনই কলকাতা ছেড়ে নড়তে চাইতাম না পুজোর সময়। একবারের কথা বাদ দিলে হয়ওনি। সে কথা অন্যত্র। যেটা বলার, এই কিস্তিতে সেই উৎসবের মরসুমে কলকাতা ছেড়ে পালানোর গল্প লিখতে বসিনি।

দেশের বাইরে এখন বাধ্যতামূলকভাবেই থাকতে হ

উগনা ও বোতোকের গল্প

আমাদের জীবন অসংখ্য সমাপতন জুড়ে জুড়ে তৈরী এক কোলাজ। যে সমাপতনে মানুষ জন্মায়, বড়ো হয়ে স্কুলে পড়ে, ভালো রেজাল্ট করে অথবা করেনা, প্রেম করে, অপ্রেমে থাকে... সেই সমাপতনের জালের মত ঘটনাপ্রবাহের এক একটিতে আমরা হঠাৎ কখনো উদ্বুদ্ধ হই কলম তুলে নিতে। কলম তুলে নেওয়া আজকালকার যুগে অচল, এখন কীবোর্ডের দিন, কিন্তু বলতে ভালো লাগলো। বিশেষ করে, উগনার গল্প বলতে গিয়ে। শিরোনামে যেহেতু উট আছে, বোঝাই যাচ্ছে
গল্পে উটও আছে। ছোটবেলায় যখন রচনা লিখতে হতো, আমরা বিদ্যের জাহাজেরা, কায়দা করে লিখেছি উট হলো মরুভূমির জাহাজ। আরো

পালানোর দিন-৪

..."এবার জ্যোৎস্নায়
সেইপথে বসন্ত আসবে, দু-এক রক্তের বিন্দু লেগে থাকবে গায়ে।"

চওড়া, পাকা ব্রিজ পেরিয়ে একটা মোড়। এককোণে বিজ্ঞাপণ, মুখ্যমন্ত্রী হাসছেন। অন্যকোণে বহুতলের বিজ্ঞাপণ, টিবিএইচকে, থ্রিবিএইচকে, সুইমিং পুল। ডানদিকে ঘুরলে নালার পাশ দিয়ে রাস্তা, তাও মোটের ওপর খুব সরু না। দুটো গাড়ি পাশাপাশি আসা যাওয়া করে। বাস যায়। মন্দির, কারখানা, ভাটিখানা ও ইশকুল। পলিটেকনিক কলেজ, বাঁয়ে সরু রাস্তা, দেড়খানা গাড়ির বেশি জায়গা নেই। কোথাও হয়ত একটু চেপে এলো, কোথাও অল্প হাঁফ ছাড়ার মত চওড়া। তারপর আবার বাঁ

পালানোর দিন -৩

একশো আশি ডিগ্রী জুড়ে, অনেকটা নিচে, বরফ। রাস্তা দিয়ে মেঘের মত তুষারের ঢেউ, তার ওঠাপড়া। সমস্ত রাত, শহর, শিশুরাও ঘুমন্ত। ফুল ফুটছে, কোথাও না কোথাও। হাওয়ায় কান পাতলে শোনা যায়, দূরের কথা। গরম কেটে একটু শিরশিরে হাওয়ায় শুকনো পাতা ওড়ে। অন্ধকারে কীটের সংসার লেপ্টে মাটিতে মিশে যায় পায়ে পায়ে। সেই সারে যদিও গাছ হবে। সেই গাছ কেটে জ্বালানী। বছরকার দিনে একটা অনুষ্ঠান, কটি লোক। সামান্য মাছভাত, দই। মাটির ভাঁড়ে জল।

চওড়া রাস্তা, পিচঢালা। ক্রমশ সরু হতে হতে একসময়, দেওয়ালের ধারে শেষ। সবুজ সতেজ ঘাস, ফুলসমেত।

অনন্ত কুয়ার জলে...

কাচের জানলা সারসার। আলো কোথাও জ্বলে, কোথাও ঢিমে আঁচে নিভন্ত। জানলার মুখোশের আড়ালে জীবন। ফুটন্ত চায়ের মত, শুকিয়ে আসা আধাসবুজ ডালের মত। দেওয়ালির আলো মেখে সারারাত ভিজে পুড়ে ওঠা নক্ষত্রের মত। সেই জানলায় ছায়া পড়ে, অনন্তের। "অনন্ত কুয়ার জলে চাঁদ পড়ে আছে।"

যে সমুদ্র শ্বাস নেয় তার কাছে সবাই ফকির। প্রচন্ড এক মাথাপাগল লোকের মত, সে শাসায়। মেঘ করে এলে সে লাফিয়ে নাচে, মেঘ সরে গেলে ভিজে ভিজে সে মাতাল ঝিমোয়। পাড়ার কাঁচাপাকা চুল, নোংরা জামার সংকর প্রজাতির মানুষটার মত। সে মাতাল না, মদ কেনবার পয়সা ও ধ্বক

টুকরো টাকরা - ২

বসফরাসের জল অন্ধকার হয়ে এসেছে অনেকটা, ইতস্তত আলোর ছোট ছোট কৌটোর মত ভাসছে কিছু মালবাহী জাহাজ ও জনপ্রিয় ক্রুজ, কারুকার্য্যখচিত মিনারওয়ালা মসজিদের সিল্যুয়েট ভেঙে যাচ্ছে পাখিদের ঝাঁকে, মাঝে মাঝেই --- এমন সময় আমার দেশের কথা মনে পড়লো। দেশ মানে বাড়ি, বাড়ির মানুষ, বাড়ির বাইরেও শহর, শহরের বাইরে যেতে যেতে যেতে অচেনা বাঁশবন পুকুরঘাট ভাঙা শিবমন্দির আর মসজিদের মাইক। কিংবা শুধুই তারে বসে থাকা এক শালিক। এইসব, যার অনেক কিছুই আমি চিনি, আর তারো অনেক বেশি কিছুই, যা আমি চিনিনা, এসব কথা। বাংলাভাষায় কথা বলা দুই ভূখন্
>> লেখকের আরও পুরোনো লেখা >>

এদিক সেদিক যা বলছেনঃ

13 Feb 2018 -- 12:11 PM:ভাটে বলেছেন
আর্ভুত টা ভালো হয়েছে
13 Feb 2018 -- 12:10 PM:ভাটে বলেছেন
তুলে দিয়েছি টই
13 Feb 2018 -- 12:09 PM:টইয়ে লিখেছেন
.
13 Feb 2018 -- 11:59 AM:ভাটে বলেছেন
একে হানি ও ক্রাশকাব্য লেখা হয়েছে আজ, তায় হুতোদা ভ্রুভঙ্গীর কথা বলছে। কী আর করা।
13 Feb 2018 -- 11:56 AM:ভাটে বলেছেন
ঃ-)))
13 Feb 2018 -- 11:50 AM:ভাটে বলেছেন
এই সুবাদে কহিপ্তাশাকে একটু ডাকা হোক। বসন্তই তো চলছে ঃ-)
09 May 2016 -- 12:24 PM:ভাটে বলেছেন
sch ঃ-))) কাশ্মীর নিয়ে ব্লগের একটা বানান টানান ঠিক করা ভার্সন ছিলো। ফেসবুক লিংক দিলে হবে?
31 Mar 2016 -- 08:46 AM:ভাটে বলেছেন
আমি তো রেসিপির লোক, আমার কাছে খালি আইডিয়া আছে, ইম্প্লিমেন্টেশন আমার কাজ নহে ;-)
31 Mar 2016 -- 08:10 AM:ভাটে বলেছেন
একিরে! চমৎকার রেসিপি দিলাম, যা যা দিয়ে বানানো সবকটাই খেতে ভালো, এন্ড প্রোডাক্টও ভালো না হওয়ার কারণ ন ...
24 Mar 2016 -- 12:16 AM:ভাটে বলেছেন
শান্তি মনে হয় কেউ চায়না। চায়না তো বটেই, কেউ চায়না
12 Mar 2016 -- 01:57 AM:মন্তব্য করেছেন
হ্যাঁ ওখানে গ্রেড পে সংক্রান্ত কিছু কনফিউশন হয়েছে। তাই নেট ঘেঁটে যা পেলাম টীকা করে লিখে দিয়েছি। আমার ...
11 Mar 2016 -- 12:49 PM:মন্তব্য করেছেন
-
11 Mar 2016 -- 12:49 PM:মন্তব্য করেছেন
-
04 Mar 2016 -- 11:28 AM:ভাটে বলেছেন
এস, আম্রিকা না, থাইল্যান্ড। তবে সে কোথাওই কিছু বলবেনা, খুবই শান্ত বাবা বাছা করা মানুষ ঃ-)
27 Feb 2016 -- 02:49 PM:মন্তব্য করেছেন
-----
18 Oct 2015 -- 01:34 PM:টইয়ে লিখেছেন
রোবু থ্যাঙ্কু
18 Oct 2015 -- 01:52 AM:ভাটে বলেছেন
মাঝে মাঝে ফুটবল নিয়ে পোস্ট পড়ি আর গহস'র ভানুর মত জিগ্যেস করতে ইচ্ছে করে, "তুই যাদের নাম বল্লি এর সব ...
18 Oct 2015 -- 01:50 AM:টইয়ে লিখেছেন
ইউরোতে রবেনের যাত্রাপালা দেখতে হবেনা ভেবেই রোমাঞ্চ হচ্চে ঃ-)
16 Oct 2015 -- 11:22 PM:ভাটে বলেছেন
কুমুদি কে নিয়ে কোনদিন কমিক্স লেখা হলে চরিত্রের নাম হবে কুমুদিকেমিস্ট ঃ-) (কতগুলো ক দেকেচেন?)
16 Oct 2015 -- 03:45 AM:ভাটে বলেছেন
কুমুদি হ্যাপি বাড্ডে