কুশান গুপ্ত RSS feed

নাম পরিবর্তন করি, এফিডেফিট বিনা।আসল নামে হাজার হাজার ডক্টর হাজরা আছেন, কে প্রথম জানা নেই, কে দ্বিতীয়, কে অদ্বিতীয়, এ ব্যাপারে ধারণা অস্বচ্ছ। অধমের ব্লগ অত্যন্ত ইনকনসিস্টেন্ট,কিছু বা খাপছাড়া, খানিকটা বারোভাজা ধরণের। কিন্তু গম্ভীর নিবন্ধের পর ক্লান্তি আসে, তখন কবিতা, তারপর ঘুম, ক্লান্তি ও নস্টালজিয়া। কোনো গন্তব্য নেই, তবু হাঁটতে হয় যেমন। একসময় অবকাশ ছিল অখন্ড, নিষিদ্ধ তামাশা লয়ে রংদার সমকাল চোখ মারিত। আজকাল আর মনেও হয় না, এ জীবন লইয়া কি করিব? আপনাদের হয়?

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • সেলিব্রিটির প্রতি ভালোবাসা
    নিউজফিড ঘাঁটতে ঘাঁটতে বর্তমানের ফেমাস সিঙ্গার, মেয়েদের ক্রাশ মাঈনুল আহসান নোবেলের একটা ছবি হঠাৎ সামনে চলে এলো। ছবিটা দেখামাত্র আমার পা থেকে মাথা পর্যন্ত একটা শিহরণ বয়ে গেল। ইউরেকা! পেয়েছি! আমার জীবনসঙ্গী,আমার বাচ্চার বাপ, আমার নাতি-পুতির দাদা। সেই ...
  • ভ্যান গগ ও একটি কুৎসিত তৈলচিত্র
    রঙ! শব্দটা শুনলে একটা অদ্ভুত অনুভূতি জাগে মনে। হঠাৎ যেন মনে হয় কেউ এক মুঠো লাল - হলুদ আবির ছড়িয়ে দিল হাওয়ায়। রঙ শুনলে আমার কেন জানি মনে হয়, একটা ক্যানভাসে খুব পাৎলা করে কেউ ক্রিমসন রেডের একটা শেডের উপরে ক্রোম ইয়োলোর এক পোঁচ ভেজা রঙ লাগিয়েছে। আপনাদের কি ...
  • সম্রাট ও সারমেয়
    একটি খুব স্নেহের মেয়ে, বিদেশে পড়াশুনো করছে, সূর্যের নীচে সবকিছু ভালোর জন্যই ওর গভীর ভালবাসা। মাঝে মাঝে পাগলামি করে বটে,আবার শুধরে নেওয়ায় কোন অনীহা নেই।আমার খুব পছন্দের মানুষ !সে একদিন লিখলো ইসলামে কুকুর নাপাক জীব। এইটাতে সে ভয়ানক খাপ্পা, কারণ কুকুর তার ...
  • ইন্দুবালা ভাতের হোটেল-৬
    চিংড়ির হলুদ গালা ঝোলকোলাপোতা গ্রামটার পাশ দিয়ে বয়ে চলেছে কপোতাক্ষ। এছাড়া চারিদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে খাল বিল পুকুর। সবুজ জংলা ঝোপের পাশে সন্ধ্যামণি ফুল। হেলেঞ্চার লতা। উঠোনের কোন ঘেঁষে কাঠ চাঁপা। পঞ্চমুখী জবা। সদরের মুখটায় শিউলি। সাদা আঁচলের মতো পড়ে থাকে ...
  • যৌন শিক্ষা মহাপাপ...
    কিছুদিন ধরে হুট করেই যেন ধর্ষণের খবর খুব বেশি পাওয়া যাচ্ছে। যেন হুট করে কোন বিষাক্ত পোকার কামড়ে পাগলা কুকুরের মত হয়ে গেছে কিছু মানুষ। নিজের খিদে মিটাতে শিশু বৃদ্ধ বাছ বিচার করারও সময় নাই, হামলে পড়ছে শুধু। যদি বিষাক্ত পোকার কামড়ে হত তাহলে এই সমস্যার সমাধান ...
  • ইতিহাসবিদ সব্যসাচী ভট্টাচার্য
    আধুনিক ভারতের ইতিহাস চর্চায় সব্যসাচী ভট্টাচার্য এক উল্লেখযোগ্য নাম। গবেষক লেখক শিক্ষক এবং শিক্ষা প্রশাসক হিসেবে তাঁর অবদান বিশেষ উল্লেখযোগ্য। সবসাচীবাবুর বিদ্যালয় শিক্ষা বালিগঞ্জ গভর্মেন্ট হাই স্কুলে। তারপর পড়তে আসেন প্রেসিডেন্সি কলেজের ইতিহাস বিভাগে। ...
  • পাগল
    বিয়ের আগে শুনেছিলাম আজহারের রাজপ্রাসাদের মতো বিশাল বড় বাড়ি! তার ফুপু বিয়ে ঠিকঠাক ‌হবার পর আমাকে গর্বের সাথে বলেছিলেন, "কয়েক একর জায়গা নিয়ে আমাদের বিশাল বড় জমিদার বাড়ি আছে। অমুক জমিদারের খাস বাড়ি ছিল সেইটা। আজহারের চাচা কিনে নিয়েছিলেন।"সেইসব ...
  • অশোক দাশগুপ্ত
    তোষক আশগুপ্ত নাম দিয়ে গুরুতেই বছর দশেক আগে একটা ব্যঙ্গাত্মক লেখা লিখেছিলাম। এটা তার দোষস্খালন বলে ধরা যেতে পারে, কিন্তু দোষ কিছু করিনি ধর্মাবতার।ব্যাপারটা এই ২০১৭ সালে বসে বোঝা খুব শক্ত, কিন্ত ১৯৯২ সালে সুমন এসে বাঙলা গানের যে ওলটপালট করেছিলেন, ঠিক সেইরকম ...
  • অধিকার এবং প্রতিহিংসা
    সল্ট লেকে পূর্ত ভবনের পাশের রাস্তাটায় এমনিতেই আলো খুব কম। রাস্তাটাও খুব ছোট। তার মধ্যেই ব্যানার হাতে একটা মিছিল ভরাট আওয়াজে এ মোড় থেকে ও মোড় যাচ্ছে - আমাদের ন্যায্য দাবী মানতে হবে, প্রতিহিংসার ট্রান্সফার মানছি না, মানব না। এই শহরের উপকন্ঠে অভিনীত হয়ে ...
  • লে. জে. হু. মু. এরশাদ
    বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটা অধ্যায় শেষ হল। এমন একটা চরিত্রও যে দেশের রাজনীতিতে এত গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে থাকতে পারে তা না দেখলে বিশ্বাস করা মুশকিল ছিল, এ এক বিরল ঘটনা। মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে যুদ্ধ না করে কোন সামরিক অফিসার বাড়িতে ঘাপটি মেরে বসে ছিলেন ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

কুশান গুপ্ত প্রদত্ত সর্বশেষ দু পয়সা

লেখকের আরও পুরোনো লেখা >> RSS feed

কাঁটা ও কমল


আজ মঙ্গলবার। ভাব সম্প্রসারণের দিন।

খগেনবাবু দ্রুত রোলকল সারিয়া, গলা খাঁকারিকরত, ছাত্রদের ভাব সম্প্রসারণ করিতে দিলেন। বলিলেন: 'ল্যাখো'।

খগেনবাবুর উচ্চারণের বিশেষত্ব আছে। তিনি হেমন্তকে হ্যামন্ত বলেন, অথচ, লজ্জাকে, লোজ্জা উচ্চারণ করিতেই তিনি অভ্যস্ত।

অতঃপর খগেনকন্ঠে উচ্চারিত হইল:

"কাঁটা হেরি ক্ষান্ত কেন কমল তুলিতে,
দুঃখ বিনা সুখলাভ হয় কি মহীতে?"

খগেনবাবুর উচ্চারণের জন্যই হউক, আর নিজের বানানের দোষই হউক,গজা খাতায় এইরূপ লিখিল:

"কাঁটা হ্য

বিনয় মজুমদারের একটি কবিতা: শৈলীবিজ্ঞানের আঙ্গিকে নিবিড় পাঠ

('আরেক রকম' পত্রিকার ১৬-২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সংখ্যায় নিবন্ধটি প্রকাশিত)


সন্তপ্ত কুসুম ফুটে পুনরায় ক্ষোভে ঝরে যায়। (১)
দেখে কবিকুল এত ক্লেশ পায়, অথচ হে তরু, (২)
তুমি নিজে নির্বিকার, এই প্রিয় বেদনা বোঝো না। (৩)
কে কোথায় নিভে গেছে তার গুপ্ত কাহিনী জানি না। (৪)
নিজের অন্তর দেখি, কবিতার কোনো পংক্তি আর (৫)
মনে নেই গোধূলিতে ; ভালবাসা অবশিষ্ট নেই। (৬)
অথবা গৃহের থেকে ভুলে বহির্গত কোনো শিশু (৭)
হারিয়ে গিয়েছে পথে

ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন বম্বে

বেশ মনে পড়ে, 'অমর প্রেম' ও 'আনন্দ' ছবিদুটি ক্লাস নাইনের আনাড়ি হৃদয়ে দাগ কেটেছিল। 'অমর প্রেম' ছবিতে রাজেশ খান্না দিব্যি ধুতি-পাঞ্জাবি পরে শর্মিলার দরজায় 'এ পুষ্পা' ব'লে সান্ধ্যকালীন, নৈমিত্তিক, টোকা মারতেন। বারবনিতা শর্মিলা দেরাজ থেকে মদের বোতল খুলে সযত্নে গেলাসে ঢেলে দিতেন রঙিন পানীয়। ক্লীন শেভড খান্না-গালে একটি  লালচে দর্শনীয় ব্রণ ছিল। ব্রণসম্বলিত সুপারস্টার গেলাসে মারিতেন আলতো সিপ। মধ্যে মধ্যে, অকস্মাৎ, চিত্রনাট্যের প্রয়োজনীয়তা মেনে, দার্শনিক হয়ে উঠতেন।  গালে টোল পড়া প্রেমাভিলাষী শর্মিলা ঘনঘন

শ্রীপঞ্চমী: পুণ্য মাঘ মাস

"যায় অন্তরীক্ষেতে অঙ্গদ ডাকাবুকা।
বায়ুভরে উড়ে যেন জ্বলন্ত উল্কা।।
লঙ্কাপুরী গেল বীর ত্বরিত গমন।
পাত্রমিত্র লয়ে যথা বসেছে রাবণ।।"


গল্পটি শ্রদ্ধেয় অধ্যাপক সৌমেন্দ্রনাথ পালের কাছে শোনা। সৌমেনবাবু আমার বাবারই বয়েসী ছিলেন। স্যারের জন্মদিন বোধহয় 11ই মার্চ, বাবার 5ই মার্চ।

স্যার যাদবপুরেই পড়েছেন, তবে কিছুদিন প্রেসিডেন্সিতে পড়েছিলেন, পরে ছেড়ে দেন। সেটা ষাটের দশক। প্রেসিডেন্সির কোনো এক স্বনামধন্য বাংলার অধ্যাপক ক্লাশ নিচ্ছেন। সৌমেনবাবুর সহপাঠী একটি পাগলা মতন ছেলে, ক্লাস

সিজনস অব বিট্রেয়াল: দময়ন্তী

"কে কাকে রেখেছে মনে?
হিজলের বনে দোল খায় পুবদেশী হাওয়া
আজীবন যাকে চাওয়া সে হয়েছে ঈশানের মেঘ..."

সেই পুবদেশী আশ্চর্য হাওয়া আজও বয় কলকাতায় তথা মফস্বলে। সে দেশ একটাই ছিল, তারপর কাদের প্ররোচনায়, কাদের বিট্রেয়ালে কবে ভাগ হয়ে গেল গঙ্গায় পদ্মায়? দেশভাগ উদ্বেল করেছিলো সাদাত মান্টো আর ঋত্বিক ঘটককে, যুগপৎ। সমরেশ বসুর আদাব আমরা আঠারো পার করার আগেই পড়েছি। এই নিয়ে বিস্তর চর্চা ঐতিহাসিকদের। সম্প্রতি পড়লাম দময়ন্তীর লেখা ' সিজনস অব বিট্রেয়াল'। তিনি 'দ' নামে লেখেন গুরুচন্ডা৯ তে। দ বলে একটি লোকশব্

পাড়াতুতো চাঁদ: ইন্দ্রাণীর গল্প সংকলন

"তুমিও হয়ত লিখবে একদিন। আসলে, একটা নদী আছে কোথাও, দেখা যায় না, তবে আছে। সেই নদীর ধারে, সন্ধ্যার পরে অদ্ভূত এক হাট বসে। সেখানে দুঃখের বেচাকেনা হয়। ঐ নদী যেদিন দেখতে পাবে, লেখা ছাড়া গতি থাকবে না।"

বোধহয় ইন্দ্রাণী ওই নদীটি দেখে ফেলেছেন। আর দুঃখের বেচাকেনা করেন সেই হাটে যারা, তাঁদের কথা লেখেন ইন্দ্রাণী। আমরা যারা পাঠক, তারা শিউরে শিউরে উঠি এসমস্ত তীব্র আখ্যানে।

কাদের কথা লেখেন দুখজাগানিয়া ইন্দ্রাণী? কারা এই গল্পের চরিত্র? পাঠক পড়ুন, নিজেদের চিনবেন একভাবে। পাঠিকারা হয়ত চিনবেন আরো অন

সাধু কালাচাঁদ, ট‍্যাঁপা-মদনা, পটলা ও রুনু

'ভালো লাগছে না রে তোপসে' বা 'ডিলাগ্রান্ডি' বললে বাঙালি মননে এক ধরনের রিফ্লেক্স অ্যাকশন কাজ করে যেন। ফেলুদা/তোপসে, টেনিদা, ঘনাদা ইত্যাকার নামগুলি বাঙালির আড্ডার স্বাভাবিক উপাদান। এই অনুষঙ্গগুলি দিয়ে বাঙালি তার হিউমারের অভ্যাস ঝালিয়ে নেয়, কিছুটা আক্রান্ত হয় নস্টালজিয়াতেও।

তবে, এইসবের মধ্যে বাল্যবেলায় পড়া কিছু কিশোরচরিত্ররা হারিয়ে গেছে, কিছুটা উপেক্ষিতই যেন তারা। ক'জন আর নগণ্য সাধু কালাচাঁদকে মনে রেখেছে? ট্যাঁপা-মদনা বললে আমরা ক'জনই বা সহসা আবার ক্লাস ফোরের পূজাপ্রাক্কালে চলে যাই? এইসব চরি

বসন্তকাল

(ছোটদের জন্য, বড়রাও পড়তে পারেন)

'Nay!' answered the child; 'but these are the wounds of Love'

একটা দানো, হিংসুটে খুব, স্বার্থপরও:
তার বাগানের তিন সীমানায় ক'রলো জড়ো,
ইঁট, বালি, আর, গাঁথলো পাঁচিল,
ঢাকলো আকাশ,
সেই থেকে তার বাগান থেকে উধাও সবুজ, সবটুকু নীল।
রঙ হারালো সবক'টি ঘাস।

সেই থেকে কেউ আর আসে না তার বাগানে।
সেই শিশুরা কোথায় গেলো কেউ কি জানে?
শীত চ'লে যায়, লাগল আগুন সব বনে তাই;
পলাশ, শিমুল, কৃষ্ণচূড়ার পাতায় পাতায়।
কিন্তু দানোর সেই

শীতের কবিতাগুচ্ছ


ফাটাও বিষ্টু

এবার ফাটাও বিষ্টু, সামনে ট্রেকার,
পেছনে হাঁ হাঁ করে তেড়ে আসছে দিঘাগামী সুপার ডিলাক্স।
আমাদের গন্তব্য অন্য কোথাও,
নন্দকুমারে গিয়ে এক কাপ চা,
বিড়িতে দুটান দিয়ে অসমাপ্ত গল্প শোনাব
সেই মেয়েটার,
সেই যার
জয়া প্রদার মত ফেস কাটিং, রাখীর মত চোখ।
বাঁয়ে রাখো, বিষ্টুপদ, মেজাজ হারিও না,
যতক্ষন হারু আছে জমিয়ে চালাও,
সঙ্কেত শুনে নিও, কখন বলছি, 'আস্তে, লেডিজ'

এখন দুধারে ধানক্ষেত, পাগলা হাওয়া...
তোমার জন্য চালিয়ে দিচ্ছি, ' কি আশায়

শীতকাল কবে আসবে, সুপর্ণা?

শীতের সেই শিহরিত সন্ধেগুলো মনে পড়ে, আশিস?

হাড়জমানো বাঘের মত জাঁকিয়ে ঠান্ডা পড়ত দক্ষিণবঙ্গের ডিসেম্বর-অধ্যুষিত 'মাওয়া' গ্রামে। বাঁদর টুপি, রঙিন মাফলার ও ধূসর চাদরে ঢেকে যেত নানাবয়সের মুখ, কান, নাকসকল। সন্ধে থেকে রাত শীতকালীন গ্রামবাংলা মেতে উঠত পাঁচদিন ব্যাপী যাত্রানুষ্ঠানে। এ সেই সুসময়, যখন খেজুর রসের মৌতাত ও শস্যফলনের হাসি বাংলার ঘরে ঘরে, আপামর বাংলার গ্রামীণ জীবনের এ এক ঐকান্তিক উদযাপন। গ্রামের, গঞ্জের আবালবৃদ্ধবনিতাকে জাপটে ধরত শীতের বিশ্রুত যাত্রাজ্বরের তাড়স।

ক্লাস ফোরে দে
>> লেখকের আরও পুরোনো লেখা >>

এদিক সেদিক যা বলছেনঃ

15 Mar 2019 -- 11:48 AM:মন্তব্য করেছেন
ধন্যবাদ সবাইকে।
05 Feb 2019 -- 06:58 PM:মন্তব্য করেছেন
আমার তিন কপি মিনিমাম লাগবে। আগের দিন গিয়ে আসেনি বলে পাইনি। পরের দিন গিয়েও হয়ত শুনব দেরিতে গেলাম বলে ...
03 Feb 2019 -- 10:19 PM:মন্তব্য করেছেন
ভাই রৌহীন। তোমার লিখনে ক্ষুরের চেয়ে অনেক বেশি ধার। তাই বিশেষণ খুঁজে পাচ্ছি নে। ধার-আ-বিবরণী পড়ে ...
28 Nov 2018 -- 09:44 PM:মন্তব্য করেছেন
আলোচনাটি ভাল। তবে, সত্যজিৎকৃত 'জন অরণ্য'-তে নটবর মিত্রর রোলটি একটি দুরূহ ভিন্ন ধারার অভিনয় ...
28 Nov 2018 -- 09:39 PM:মন্তব্য করেছেন
আরে!! উপরের মন্তব্যটিও আমার (কুশান গুপ্তর) করা নয়। কি করে বারবার এমন ঘটছে ? Admin, অনুগ্রহপূর্বক দেখ ...
28 Nov 2018 -- 09:43 AM:মন্তব্য করেছেন
সবাইকে ধন্যবাদ জানাই। 'অনিন্দিতা', নীরেনবাবুর কবিতাটি চমৎকার উল্লেখ।করেছেন। 'অরণ্য', কোন মলয়ের ল ...
27 Nov 2018 -- 12:17 AM:মন্তব্য করেছেন
'অরণ্য', 'ন্যাড়া', 'দেব', 'মহুয়া', 'ঝরা', 'অনিন্দিতা','টিম', 'রঞ্জন'- সবাই প্রতিক্রিয়া দেওয়ার জন্য আ ...
26 Nov 2018 -- 12:13 AM:মন্তব্য করেছেন
সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই এই সামান্য লেখা পড়ে মন্তব্য দেওয়ার জন্য। প্রতিভাদির প্রশ্নের উ ...
25 Nov 2018 -- 11:24 PM:মন্তব্য করেছেন
কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ প্রতিভাদি। এটা আমি কুশানই লিখছি। এডমিন একটু অনুগ্রহপূর্বক দেখবেন অন্যের কমেন্ট ...
25 Nov 2018 -- 01:12 PM:মন্তব্য করেছেন
চমৎকার ঝরঝরে গদ্য লেখকের। মন ভরে যায়। অনেক অজানা তথ্য জানলাম। ভালো হয় লেখা এবং লেখকের সঙ্গে ...
16 Nov 2018 -- 02:41 PM:মন্তব্য করেছেন
দ, আপনার দীর্ঘ লেখার জন্য ধন্যবাদ। i dd ও স্মৃতি যে, আমার তুচ্ছ লেখা মন দিয়ে পড়লেন, ধন্যবাদ জানবেন।
16 Nov 2018 -- 02:17 PM:মন্তব্য করেছেন
ভুল শুধরে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। শৈলেশ ই হবেন। আমি সুভাষ বলছি কিছুটা পড়েছিলাম। ওখানে উল্লিখিত নিকুঞ্জ ...
16 Nov 2018 -- 09:44 AM:মন্তব্য করেছেন
শৈলজাসংক্রান্ত তথ্যটি একেবারেই জানতাম না, dd.শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
16 Nov 2018 -- 09:36 AM:মন্তব্য করেছেন
মতামত ও প্রতিক্রিয়ার জন্য ধন্যবাদ জানবেন সবাই। dd না কবিতা ছাপা হতো না বলেই মনে হয়। তবে এগু ...
14 Nov 2018 -- 07:15 AM:মন্তব্য করেছেন
ধন্যবাদ। আপনি ঠিকই বলেছেন। সম্পূর্ণ স্মৃতির ওপর নির্ভর ক'রে লিখেছি বলেই এই অসতর্ক ভুল, হয়তো বা, মার্ ...
11 Nov 2018 -- 10:18 AM:মন্তব্য করেছেন
ভূত চতুর্দশী তে আহ্লাদে আটখানা হইয়া ভালোবাসা লইলাম। তথাপি, পায়সান্ন খাইতে ইচ্ছুক।
11 Nov 2018 -- 08:18 AM:মন্তব্য করেছেন
আজকের হুজুগে মধ্যবিত্ততার বিপক্ষে শাণিত প্রতিবাদ অনমিত্রর কলমে। বেঁচে থাক কলম, বেঁচে থাক বিকল্প চিন্ ...
10 Nov 2018 -- 11:12 PM:মন্তব্য করেছেন
সৎ উচ্চারণ। এক ধরণের বিশ্বাসবোধ, আর জীবনের প্রতি আস্থার সংরাগ পংক্তিমালায়। ভাবতে বাধ্য করে। পড়তেও।শু ...
05 Nov 2018 -- 02:13 PM:মন্তব্য করেছেন
খালপাড়, ধানি-বিল,ডাল বা ঢাকুরিয়া লেকে এক পায়ে যে দণ্ডায়ে আছে সে কি তালগাছ? আসলে সে অধার্মিক ও সন ...
04 Nov 2018 -- 06:48 PM:মন্তব্য করেছেন
আমি সর্বাঙ্গাসনে এই প্রস্তাব সমর্থন করিলাম। এবং, মৌনতা। আসলে শবাসনে আছি।