কুশান গুপ্ত RSS feed

নাম পরিবর্তন করি, এফিডেফিট বিনা।আসল নামে হাজার হাজার ডক্টর হাজরা আছেন, কে প্রথম জানা নেই, কে দ্বিতীয়, কে অদ্বিতীয়, এ ব্যাপারে ধারণা অস্বচ্ছ। অধমের ব্লগ অত্যন্ত ইনকনসিস্টেন্ট,কিছু বা খাপছাড়া, খানিকটা বারোভাজা ধরণের। কিন্তু গম্ভীর নিবন্ধের পর ক্লান্তি আসে, তখন কবিতা, তারপর ঘুম, ক্লান্তি ও নস্টালজিয়া। কোনো গন্তব্য নেই, তবু হাঁটতে হয় যেমন। একসময় অবকাশ ছিল অখন্ড, নিষিদ্ধ তামাশা লয়ে রংদার সমকাল চোখ মারিত। আজকাল আর মনেও হয় না, এ জীবন লইয়া কি করিব? আপনাদের হয়?

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • কাশ্মীরের ইতিহাস : পালাবদলের ৭৫ বছর
    কাশ্মীরের ইতিহাস : পালাবদলের ৭৫ বছর - সৌভিক ঘোষালভারতভুক্তির আগে কাশ্মীর১ব্রিটিশরা যখন ভারত ছেড়ে চলে যাবে এই ব্যাপারটা নিশ্চিত হয়ে গেল, তখন দুটো প্রধান সমস্যা এসে দাঁড়ালো আমাদের স্বাধীনতার সামনে। একটি অবশ্যই দেশ ভাগ সংক্রান্ত। বহু আলাপ-আলোচনা, ...
  • গাম্বিয়া - মিয়ানমারঃ শুরু হল যুগান্তকারী মামলার শুনানি
    নেদারল্যান্ডের হেগ শহরে অবস্থিত আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস—আইসিজে) মিয়ানমারের বিরুদ্ধে করা গাম্বিয়ার মামলার শুনানি শুরু হয়েছে আজকে। শান্তি প্রাসাদে শান্তি আসবে কিনা তার আইনই লড়াই শুরু আজকে থেকে। নেদারল্যান্ডের হেগ শহরের পিস ...
  • রাতপরী (গল্প)
    ‘কপাল মানুষের সঙ্গে সঙ্গে যায়। পালানোর কি আর উপায় আছে!’- এই সপ্তাহে শরীর ‘খারাপ’ থাকার কথা। কিন্তু, কিছু টাকার খুবই দরকার। সকালে পেট-না-হওয়ার ওষুধ গিলে, সন্ধেয় লিপস্টিক পাউডার ডলে প্রস্তুত থাকলে কী হবে, খদ্দের এলে তো! রাত প্রায় একটা। এই গলির কার্যত কোনো ...
  • রাতপরী (গল্প)
    ‘কপাল মানুষের সঙ্গে সঙ্গে যায়। পালানোর কি আর উপায় আছে!’- এই সপ্তাহে শরীর ‘খারাপ’ থাকার কথা। কিন্তু, কিছু টাকার খুবই দরকার। সকালে পেট-না-হওয়ার ওষুধ গিলে, সন্ধেয় লিপস্টিক পাউডার ডলে প্রস্তুত থাকলে কী হবে, খদ্দের এলে তো! রাত প্রায় একটা। এই গলির কার্যত কোনো ...
  • বিনম্র শ্রদ্ধা অজয় রায়
    একুশে পদকপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক অজয় রায় (৮৪) আর নেই। সোমবার ( ৯ ডিসেম্বর) দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার একটি হাসপাতালে শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। অধ্যাপক অজয় দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত নানা অসুখে ভুগছিলেন।২০১৫ ...
  • আমাদের চমৎকার বড়দা প্রসঙ্গে
    ইয়ে, স-অ-অ-অ-ব দেখছে। বড়দা সব দেখছে। বড়দা স্রেফ দেখেনি ওইখানে এক দিন রাম জন্মালেন, তার পর কারা বিদেশ থেকে এসে যেন ভেঙেটেঙে মসজিদ স্থাপন করল, কেন না বড়দা তখন ঘুমোচ্ছিলেন। ঘুম ভাঙল যখন, চোখ কচলেটচলে দেখলেন মস্ত ব্যাপার এ, বড়দা বললেন, ভেঙে ফেলো মসজিদ, জমি ...
  • ধর্ষকের মৃত্যুদন্ড দিলেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে ?
    যেকোন নারকীয় ধর্ষণের ঘটনা সংবাদ মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়ে সামনে আসার পর নাগরিক হিসাবে আমাদের একটা ঈমানি দায়িত্ব থাকে। দায়িত্বটা হল অভিযুক্ত ধর্ষকের কঠোরতম শাস্তির দাবি করা। কঠোরতম শাস্তি বলতে কারোর কাছে মৃত্যুদন্ড। কেউ একটু এগিয়ে ধর্ষকের পুরুষাঙ্গ কেটে নেওয়ার ...
  • তোমার পূজার ছলে
    বাঙালি মধ্যবিত্তের মার্জিত ও পরিশীলিত হাবভাব দেখতে বেশ লাগে। অপসংস্কৃতি নিয়ে বাঙালি চিরকাল ওয়াকিবহাল ছিল। আজও আছে। বেশ লাগে। কিন্তু, বুকে হাত দিয়ে বলুন, আপনার প্রবল ক্ষোভ ও অপমানে আপনার কি খুব পরিশীলিত, গঙ্গাজলে ধোওয়া আদ্যন্ত সাত্ত্বিক শব্দ মনে পড়ে? না ...
  • The Irishman
    দা আইরিশম্যান। সিনেমা প্রেমীদের জন্য মার্টিন স্করসিসের নতুন বিস্ময়। ট্যাক্সি ড্রাইভার, গুডফেলাস, ক্যাসিনো, গ্যাংস অব নিউইয়র্ক, দা অ্যাভিয়েটর, দ্য ডিপার্টেড, শাটার আইল্যান্ড, দ্য উল্ফ অব ওয়াল স্ট্রিট, সাইলেন্টের পরের জায়গা দা আইরিশম্যান। বর্তমান সময়ের ...
  • তোকে আমরা কী দিইনি?
    পূর্ণেন্দু পত্রী মশাই মার্জনা করবেন -********তোকে আমরা কী দিইনি নরেন?আগুন জ্বালিয়ে হোলি খেলবি বলে আমরা তোকে দিয়েছি এক ট্রেন ভর্তি করসেবক। দেদার মুসলমান মারবি বলে তুলে দিয়েছি পুরো গুজরাট। তোর রাজধর্ম পালন করতে ইচ্ছে করে বলে পাঠিয়ে দিয়েছি স্বয়ং আদবানীজীকে, ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

কুশান গুপ্ত প্রদত্ত সর্বশেষ দু পয়সা

লেখকের আরও পুরোনো লেখা >> RSS feed

তোমার পূজার ছলে

বাঙালি মধ্যবিত্তের মার্জিত ও পরিশীলিত হাবভাব দেখতে বেশ লাগে। অপসংস্কৃতি নিয়ে বাঙালি চিরকাল ওয়াকিবহাল ছিল। আজও আছে। বেশ লাগে। কিন্তু, বুকে হাত দিয়ে বলুন, আপনার প্রবল ক্ষোভ ও অপমানে আপনার কি খুব পরিশীলিত, গঙ্গাজলে ধোওয়া আদ্যন্ত সাত্ত্বিক শব্দ মনে পড়ে? না প্রাণভরে বেশ খারাপ খারাপ কথা উচ্চারণ করতে মন চায়? আপনি কি কিশোর বয়সে, তরুণ বয়সে একটিও খারাপ উচ্চারণ-অযোগ্য অসাংবিধানিক অমার্জিত শব্দ বলেন নি? ঠাট্টাছলেও বলেন নি? বেশ, যদি একদমই না বলে থাকেন তাহলে তো আপনি প্রায় বোধি গাছের তলায় বসে আছেন, চরাচর আপনার

ইশকুল ও আর্কাদি গাইদার

"জাহাজ আসে, বলে, ধন্যি খোকা !
বিমান আসে, বলে, ধন্যি খোকা !
এঞ্জিনও যায়, ধন্যি তোরে খোকা !
আসে তরুণ পাইওনিয়র,
সেলাম তোরে খোকা !"

আরজামাস বলে একটা শহর ছিল। ছোট্ট শহর, অনেক দূরের, অন্য মহাদেশে। অনেক ছোটবেলায় চিনে ফেলেছিলাম। ভৌগোলিক দূরত্ব টের পাইনি।

টের পেতে দেননি আর্কাদি গাইদার নামের এক রুশ লেখক। মেদিনীপুর জেলার আদি ও অবিভক্ত কমিউনিস্ট পার্টির নেতা, কিংবদন্তীপ্রতিম দেবেন দাস, আমার দিদিকে ছোটবেলায় একটি বই উপহার দিয়েছিলেন। বইটির নাম- 'ইশকুল'। লেখকের নাম আর্কাদি গাইদ

তিরাশির শীত

১৯৮৩ র শীতে লয়েডের ওয়েস্টইন্ডিজ ভারতে সফর করতে এলো। সেই সময়কার আমাদের মফস্বলের সেই শীতঋতু, তাজা খেজুর রস ও রকমারি টোপা কুলে আয়োজিত, রঙিন কমলালেবু-সুরভিত, কিছু অন্যরকম ছিলো। এত শীত, এত শীত সেই অধুনাবিস্মৃত কালে, কুয়াশাআচ্ছন্ন পুকুরের লেগে থাকা হিমে মাছ অবধি ঘাই মারতে ভুলে যেত। মাইরি!

বললাম বটে লয়েডের ওয়েস্টইন্ডিজ, আসলে সেই শীতের মূর্তিমান আতঙ্ক ছিলো ম্যালকম মার্শাল নামের এক তরুণ ফাস্ট বোলার। কোণাকুনি দৌড়ে এসে বাঁহাত টা সামনে তুলে দ্রুত ডেলিভারি করতেন। হৃৎকম্পন শুরু হতো আপামর ভারতীয় দর্শক

আমি যামিনী, তুমি শশী হে

জেনিফার যেরূপ বলিয়াছিল শশী সেইরূপ সাজিয়া আসিয়াছেন। বিশুদ্ধ বাঙালির বেশ। গিলে করা সাদা পাঞ্জাবি ও সঙ্গে ধুতি। বাড়তি, একটি ওড়নাসম রঙিন উত্তরীয় রহিয়াছে।

জেনিফারের অদম্য বায়না শশীকে শুনিতেই হয়। চলো শশী, কতকাল ক্যালকাটা যাই নাই। মনে পড়ে শশী, ওখানেই প্রথম দেখা, সেই স্টেজ, সেই গ্রিনরুম, যেখানে দোঁহে প্রথম দৃষ্টিপাত। কী করে জানিলে ডিয়ার, আমার প্রিয় ফুল, প্রিয় রঙ, প্রিয় চকোলেট ও কেক। বড় মিস করি শশী সেসব দিন। চলো, এইবেলা ক্যালকাটা যাই।

জেনিফারের কথা ফেলিতে পারা যায় না। তথাপি, জেনির হাজার

কাঁসাইয়ের সুতি খেলা

সেকালে কাঁসাই নদীতে 'সুতি' নামের একটা খেলা প্রচলিত ছিল। মাছ ধরার অভিনব এক পদ্ধতি, বহু কাল ধরে যা চলে আসছে। আমাদের পাড়ার একাধিক লোক সুতি খেলাতে অংশ নিত। এই মৎস্যশিকার সার্বজনীন, হিন্দু ও মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ে জনপ্রিয়। মনে আছে ক্লাস সেভেনে পড়ার সময় একদিন নদীর কাছে গিয়ে দেখি আমাদের পাড়ার প্রতিবেশী জনাব রাজা সুতিতে একটি মাঝারি রুই তুললেন। মাছটিকে খেলিয়ে টেনে তুলে এনে মাছের খাবি খাওয়া ঠোঁট মুখের কাছে নিয়ে কীসব অদ্ভুত মন্ত্র বিড়বিড় করে জপতে লাগলেন। এইসব লোকাচার খেলারই অঙ্গ।

যাই হোক, এবার নবমী

কুচু-মনা উপাখ্যান

১৯৮৩ সনের মাঝামাঝি অকস্মাৎ আমাদের বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ(ক) শ্রেণী দুই দলে বিভক্ত হইয়া গেল।

এতদিন ক্লাসে নিরঙ্কুশ তথা একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করিয়া ছিল কুচু। কুচুর ভাল নাম কচ কুমার অধিকারী। সে ক্লাসে স্বীয় মহিমায় প্রভূত জনপ্রিয়তা অর্জন করিয়াছিল। একটি গান অবিকল কিশোরের স্টাইলে গাহিবার অব্যবহিত পরেই সে মহম্মদ রফির স্টাইলে পরবর্তী গান গাহিত। এছাড়া মিঠুনের কোন সিনেমা রিলিজ করিল, 'তেরি মেহেরবানিয়া'র স্টোরি কীরূপে অভিনব, দলবদলে ইস্টবেঙ্গল কীরূপ কৌশলে মোহনবাগানের হাতে হ্যারিকেন ধরাইল, এইসব বিষয়েও তা

বেকার ও সমীকরণ

'বেকার'-এই শব্দটি আমাকে আজন্ম বিস্মিত করেছে।

বাংলায় লেখাপড়া শিখে, এমনকী একাদশ শ্রেণীতে বিজ্ঞান বিভাগে পড়ে, সে কী বাংলায় পদার্থবিদ্যার বিদ্যা বালানীয় চর্চা! যেমন, 'ও বিন্দুর সাপেক্ষে ভ্রামক লইয়া পাই।' ভ্রামক কি রে? ভ্রম না ভ্রমণের কাছাকাছি? না, ভ্রামকের নিকটবর্তী শব্দ হলো দ্বন্দ্ব। মূল শব্দ দুটি হলো, যথাক্রমে মোমেন্ট ও কাপল। অর্থাৎ, মুহূর্ত এবং দম্পতি/যুগল ভাবলেই ল্যাঠা চুকে যায়। তা নয়, একটি তীর আঁকা ভেক্টরীয় বল এবং নির্দিষ্ট বিন্দু হইতে উল্লম্ব দূরত্বের নির্ণেয় আজব গুণফল, চিত্তরঞ্জন দা

পাখিদের পাঠশালা

'আচ্ছা, সারা দেশে মোট কতজন ক্যান্ডিডেট এই পরীক্ষাটা দেয়?', লোকটা সিগারেটে একটা টান দিয়ে প্রশ্ন করলো।

-'জানা নেই। তবে লাখ দশেক তো হবেই।', আমি বললাম।

- 'বাব্বা! এতজন! সিট কতো ?'

-'বলতে পারব না। ভাল কলেজ পেতে গেলে মেরিট লিস্টে যথেষ্ট ওপরে নাম থাকতে হবে।'

-' তার মানে একটা লম্বা মেরিট লিস্ট হবে নিশ্চয়। তা, সবাই সবার নাম দেখতে পাবে ?'

এই প্রশ্নে একটু অবাক হলাম। একটু বিরক্তিও বোধ হলো।

-'সবাই সবার নাম দেখতে পাওয়াটা ইস্যু না। যে যার নামই নিশ্চয় খুঁজে

তোমার বাড়ি

তোমার বাড়ি মেঘের কাছে, তোমার গ্রামে বরফ আজো?
আজ, সীমান্তবর্তী শহর, শুধুই বেয়নেটে সাজো।

সারাটা দিন বুটের টহল, সারাটা দিন বন্দী ঘরে।
সমস্ত রাত দুয়ারগুলি অবিরত ভাঙলো ঝড়ে।

জেনেছো আজ, কেউ আসেনি: তোমার জন্য পরিত্রাতা।
তোমার নমাজ হয় না আদায়, তোমার চোখে পেলেট গাঁথা।

কখন ছিলো পরদেশীরা, ডাল লেকে সেই রঙের পরব?
তোমার বোনা শালে ছিলো গালিব-গানের দুরূহ স্তব...

কিন্তু এ-দেশ সাংবিধানিক। তোমার হাতের কাটল শিরা।
তোমরা কি তাই পথ ভুলেছো? আপেল খেতের মৌমাছিরা?

লাল ঝুঁটি কাকাতুয়া

-'একটা ছিল লাল ঝুঁটি কাকাতুয়া।
আর ছিল একটা নীল ঝুঁটি মামাতুয়া।'

-'এরা কারা?' মেয়েটা সঙ্গে সঙ্গে চোখ বড়ো করে অদ্ভুত লোকটাকে জিজ্ঞেস করে।

-'আসলে কাকাতুয়া আর মামাতুয়া এক জনই। ওর আসল নাম তুয়া। কাকা-ও তুয়া বলে ডাকে, মামা-ও ডাকে তুয়া।'

শুনেই মেয়েটা ফিক করে হেসে ফেলে একদম, কেননা তুয়া তো ওরই নাম।

-'তারপর বলো না কী?'

-'তারপরে শোন। কাটাকাটির খেলা শুরু হবে। অংকে না এমনি কাটতে হয়। কেটে কেটে কেটে কেটে শেষে একটা সুন্দর সংখ্যা আসবে। ওটাকে বলে উত্তর। ওগুলো উত্তরম
>> লেখকের আরও পুরোনো লেখা >>

এদিক সেদিক যা বলছেনঃ

15 Mar 2019 -- 11:48 AM:মন্তব্য করেছেন
ধন্যবাদ সবাইকে।
05 Feb 2019 -- 06:58 PM:মন্তব্য করেছেন
আমার তিন কপি মিনিমাম লাগবে। আগের দিন গিয়ে আসেনি বলে পাইনি। পরের দিন গিয়েও হয়ত শুনব দেরিতে গেলাম বলে ...
03 Feb 2019 -- 10:19 PM:মন্তব্য করেছেন
ভাই রৌহীন। তোমার লিখনে ক্ষুরের চেয়ে অনেক বেশি ধার। তাই বিশেষণ খুঁজে পাচ্ছি নে। ধার-আ-বিবরণী পড়ে ...
28 Nov 2018 -- 09:44 PM:মন্তব্য করেছেন
আলোচনাটি ভাল। তবে, সত্যজিৎকৃত 'জন অরণ্য'-তে নটবর মিত্রর রোলটি একটি দুরূহ ভিন্ন ধারার অভিনয় ...
28 Nov 2018 -- 09:39 PM:মন্তব্য করেছেন
আরে!! উপরের মন্তব্যটিও আমার (কুশান গুপ্তর) করা নয়। কি করে বারবার এমন ঘটছে ? Admin, অনুগ্রহপূর্বক দেখ ...
28 Nov 2018 -- 09:43 AM:মন্তব্য করেছেন
সবাইকে ধন্যবাদ জানাই। 'অনিন্দিতা', নীরেনবাবুর কবিতাটি চমৎকার উল্লেখ।করেছেন। 'অরণ্য', কোন মলয়ের ল ...
27 Nov 2018 -- 12:17 AM:মন্তব্য করেছেন
'অরণ্য', 'ন্যাড়া', 'দেব', 'মহুয়া', 'ঝরা', 'অনিন্দিতা','টিম', 'রঞ্জন'- সবাই প্রতিক্রিয়া দেওয়ার জন্য আ ...
26 Nov 2018 -- 12:13 AM:মন্তব্য করেছেন
সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই এই সামান্য লেখা পড়ে মন্তব্য দেওয়ার জন্য। প্রতিভাদির প্রশ্নের উ ...
25 Nov 2018 -- 11:24 PM:মন্তব্য করেছেন
কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ প্রতিভাদি। এটা আমি কুশানই লিখছি। এডমিন একটু অনুগ্রহপূর্বক দেখবেন অন্যের কমেন্ট ...
25 Nov 2018 -- 01:12 PM:মন্তব্য করেছেন
চমৎকার ঝরঝরে গদ্য লেখকের। মন ভরে যায়। অনেক অজানা তথ্য জানলাম। ভালো হয় লেখা এবং লেখকের সঙ্গে ...
16 Nov 2018 -- 02:41 PM:মন্তব্য করেছেন
দ, আপনার দীর্ঘ লেখার জন্য ধন্যবাদ। i dd ও স্মৃতি যে, আমার তুচ্ছ লেখা মন দিয়ে পড়লেন, ধন্যবাদ জানবেন।
16 Nov 2018 -- 02:17 PM:মন্তব্য করেছেন
ভুল শুধরে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। শৈলেশ ই হবেন। আমি সুভাষ বলছি কিছুটা পড়েছিলাম। ওখানে উল্লিখিত নিকুঞ্জ ...
16 Nov 2018 -- 09:44 AM:মন্তব্য করেছেন
শৈলজাসংক্রান্ত তথ্যটি একেবারেই জানতাম না, dd.শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
16 Nov 2018 -- 09:36 AM:মন্তব্য করেছেন
মতামত ও প্রতিক্রিয়ার জন্য ধন্যবাদ জানবেন সবাই। dd না কবিতা ছাপা হতো না বলেই মনে হয়। তবে এগু ...
14 Nov 2018 -- 07:15 AM:মন্তব্য করেছেন
ধন্যবাদ। আপনি ঠিকই বলেছেন। সম্পূর্ণ স্মৃতির ওপর নির্ভর ক'রে লিখেছি বলেই এই অসতর্ক ভুল, হয়তো বা, মার্ ...
11 Nov 2018 -- 10:18 AM:মন্তব্য করেছেন
ভূত চতুর্দশী তে আহ্লাদে আটখানা হইয়া ভালোবাসা লইলাম। তথাপি, পায়সান্ন খাইতে ইচ্ছুক।
11 Nov 2018 -- 08:18 AM:মন্তব্য করেছেন
আজকের হুজুগে মধ্যবিত্ততার বিপক্ষে শাণিত প্রতিবাদ অনমিত্রর কলমে। বেঁচে থাক কলম, বেঁচে থাক বিকল্প চিন্ ...
10 Nov 2018 -- 11:12 PM:মন্তব্য করেছেন
সৎ উচ্চারণ। এক ধরণের বিশ্বাসবোধ, আর জীবনের প্রতি আস্থার সংরাগ পংক্তিমালায়। ভাবতে বাধ্য করে। পড়তেও।শু ...
05 Nov 2018 -- 02:13 PM:মন্তব্য করেছেন
খালপাড়, ধানি-বিল,ডাল বা ঢাকুরিয়া লেকে এক পায়ে যে দণ্ডায়ে আছে সে কি তালগাছ? আসলে সে অধার্মিক ও সন ...
04 Nov 2018 -- 06:48 PM:মন্তব্য করেছেন
আমি সর্বাঙ্গাসনে এই প্রস্তাব সমর্থন করিলাম। এবং, মৌনতা। আসলে শবাসনে আছি।