কুশান গুপ্ত RSS feed

নাম পরিবর্তন করি, এফিডেফিট বিনা।আসল নামে হাজার হাজার ডক্টর হাজরা আছেন, কে প্রথম জানা নেই, কে দ্বিতীয়, কে অদ্বিতীয়, এ ব্যাপারে ধারণা অস্বচ্ছ। অধমের ব্লগ অত্যন্ত ইনকনসিস্টেন্ট,কিছু বা খাপছাড়া, খানিকটা বারোভাজা ধরণের। কিন্তু গম্ভীর নিবন্ধের পর ক্লান্তি আসে, তখন কবিতা, তারপর ঘুম, ক্লান্তি ও নস্টালজিয়া। কোনো গন্তব্য নেই, তবু হাঁটতে হয় যেমন। একসময় অবকাশ ছিল অখন্ড, নিষিদ্ধ তামাশা লয়ে রংদার সমকাল চোখ মারিত। আজকাল আর মনেও হয় না, এ জীবন লইয়া কি করিব? আপনাদের হয়?

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • ধর্ষকের মৃত্যুদন্ড দিলেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে ?
    যেকোন নারকীয় ধর্ষণের ঘটনা সংবাদ মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়ে সামনে আসার পর নাগরিক হিসাবে আমাদের একটা ঈমানি দায়িত্ব থাকে। দায়িত্বটা হল অভিযুক্ত ধর্ষকের কঠোরতম শাস্তির দাবি করা। কঠোরতম শাস্তি বলতে কারোর কাছে মৃত্যুদন্ড। কেউ একটু এগিয়ে ধর্ষকের পুরুষাঙ্গ কেটে নেওয়ার ...
  • তোমার পূজার ছলে
    বাঙালি মধ্যবিত্তের মার্জিত ও পরিশীলিত হাবভাব দেখতে বেশ লাগে। অপসংস্কৃতি নিয়ে বাঙালি চিরকাল ওয়াকিবহাল ছিল। আজও আছে। বেশ লাগে। কিন্তু, বুকে হাত দিয়ে বলুন, আপনার প্রবল ক্ষোভ ও অপমানে আপনার কি খুব পরিশীলিত, গঙ্গাজলে ধোওয়া আদ্যন্ত সাত্ত্বিক শব্দ মনে পড়ে? না ...
  • The Irishman
    দা আইরিশম্যান। সিনেমা প্রেমীদের জন্য মার্টিন স্করসিসের নতুন বিস্ময়। ট্যাক্সি ড্রাইভার, গুডফেলাস, ক্যাসিনো, গ্যাংস অব নিউইয়র্ক, দা অ্যাভিয়েটর, দ্য ডিপার্টেড, শাটার আইল্যান্ড, দ্য উল্ফ অব ওয়াল স্ট্রিট, সাইলেন্টের পরের জায়গা দা আইরিশম্যান। বর্তমান সময়ের ...
  • তোকে আমরা কী দিইনি?
    পূর্ণেন্দু পত্রী মশাই মার্জনা করবেন -********তোকে আমরা কী দিইনি নরেন?আগুন জ্বালিয়ে হোলি খেলবি বলে আমরা তোকে দিয়েছি এক ট্রেন ভর্তি করসেবক। দেদার মুসলমান মারবি বলে তুলে দিয়েছি পুরো গুজরাট। তোর রাজধর্ম পালন করতে ইচ্ছে করে বলে পাঠিয়ে দিয়েছি স্বয়ং আদবানীজীকে, ...
  • ইশকুল ও আর্কাদি গাইদার
    "জাহাজ আসে, বলে, ধন্যি খোকা !বিমান আসে, বলে, ধন্যি খোকা !এঞ্জিনও যায়, ধন্যি তোরে খোকা !আসে তরুণ পাইওনিয়র,সেলাম তোরে খোকা !"আরজামাস বলে একটা শহর ছিল। ছোট্ট শহর, অনেক দূরের, অন্য মহাদেশে। অনেক ছোটবেলায় চিনে ফেলেছিলাম। ভৌগোলিক দূরত্ব টের পাইনি।টের পেতে দেননি ...
  • ছন্দহীন কবিতা
    একদিন দুঃসাহসের পাখায় ভর করে,ছুঁতে চেয়েছিলাম কবিতার শরীর ।দ্বিখন্ডিত বাংলার মত কবিতা হয়ে উঠলোছন্দহীন ।অর্থহীন যাত্রার “কা কা” চিৎকারে,ছুটে এলোপ্রতিবাদী পাঠক।ছন্দভঙ্গের নায়কডানা ভেঙ্গে পড়িপুঁথি পুস্তকের এক দোকানে।আলোক প্রাপ্তির প্রত্যাশায়,যোগ ধ্যানে কেটে ...
  • হ্যালোউইনের ভূত
    হ্যালোউইন চলে গেল। আমাদের বাড়িতে হ্যালোউইনের রীতি হল মেয়েরা বন্ধুদের সঙ্গে ট্রিক-অর-ট্রিট করতে বেরোয় দল বেঁধে। পেছনে পেছনে চলে মায়েদের দল। আর আমি বাড়িতে থাকি ক্যান্ডি বিতরণ করব বলে। মুহূর্মুহূ কলিং বেল বাজে, আমি হাসি-হাসি মুখে ক্যান্ডির গামলা নিয়ে দরজা ...
  • হয়নি
    তুমি ভালবাসতে চেয়েছিলে।আমিও ।হয়নি।তুমিঅনেক দূর অব্দি চলে এসেছিলে।আমিও ।হয়নি আর পথ চলা।তুমি ফিরে গেলে,জানালে,ভালবাসতে চেয়েছিলেহয়নি। আমি জানলামচেয়ে পাইনি।হয়নি।জলভেজা চোখে ভেসে গেলআমাদের অতীত।স্মিত হেসে সামনে এসে দাঁড়ালোপথদুজনার দু টি পথ।সেপ্টেম্বর ২২, ...
  • তিরাশির শীত
    ১৯৮৩ র শীতে লয়েডের ওয়েস্টইন্ডিজ ভারতে সফর করতে এলো। সেই সময়কার আমাদের মফস্বলের সেই শীতঋতু, তাজা খেজুর রস ও রকমারি টোপা কুলে আয়োজিত, রঙিন কমলালেবু-সুরভিত, কিছু অন্যরকম ছিলো। এত শীত, এত শীত সেই অধুনাবিস্মৃত কালে, কুয়াশাআচ্ছন্ন পুকুরের লেগে থাকা হিমে মাছ ...
  • ‘দাদাগিরি’-র ভূত এবং ভূতের দাদাগিরি
    রণে, বনে, জলে, জঙ্গলে, শ্যাওড়া গাছের মাথায়, পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে, ছাপাখানায় এবং সুখী গৃহকোণে প্রায়শই ভূত দেখা যায়, সে নিয়ে কোনও পাষণ্ড কোনওদিনই সন্দেহ প্রকাশ করেনি । কিন্তু তাই বলে দুরদর্শনে, প্রশ্নোত্তর প্রতিযোগিতার অনুষ্ঠানেও ? আজ্ঞে হ্যাঁ, দাদা ভরসা ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

তিরাশির শীত

কুশান গুপ্ত

১৯৮৩ র শীতে লয়েডের ওয়েস্টইন্ডিজ ভারতে সফর করতে এলো। সেই সময়কার আমাদের মফস্বলের সেই শীতঋতু, তাজা খেজুর রস ও রকমারি টোপা কুলে আয়োজিত, রঙিন কমলালেবু-সুরভিত, কিছু অন্যরকম ছিলো। এত শীত, এত শীত সেই অধুনাবিস্মৃত কালে, কুয়াশাআচ্ছন্ন পুকুরের লেগে থাকা হিমে মাছ অবধি ঘাই মারতে ভুলে যেত। মাইরি!

বললাম বটে লয়েডের ওয়েস্টইন্ডিজ, আসলে সেই শীতের মূর্তিমান আতঙ্ক ছিলো ম্যালকম মার্শাল নামের এক তরুণ ফাস্ট বোলার। কোণাকুনি দৌড়ে এসে বাঁহাত টা সামনে তুলে দ্রুত ডেলিভারি করতেন। হৃৎকম্পন শুরু হতো আপামর ভারতীয় দর্শকের। সেই মার্শালের বলে গ্রীন পার্কে গাভাসকারের হাত থেকে ব্যাট সহসা ছিটকে গেল। গেল গেল রব উঠল।

ওদিকে অ্যানুয়াল শুরু হয়ে গেছে। পরীক্ষা হলে ইনভিজিলেশন দিচ্ছেন উত্তমবাবু। কানের কাছে হাল্কা সাউন্ডে ফিলিপসের ছোট্ট ট্রানজিস্টর ধরা। হঠাৎ রেডিওতে চিৎকার। লেখা থামিয়ে বেঞ্চে বসা জনৈক ছাত্রের প্রশ্ন, কী হলো, স্যার? স্যার বললেন, বেঙ্গসরকার বাউন্ডারী মারল রে।

সম্ভবত, চতুর্থ টেস্ট চলছিল।

কিছুক্ষণ পর পরবর্তী শোরগোলের সময় স্যারের নেক্সট আপডেট, বেঙ্গসরকার হাফ সেঞ্চুরি করলো।

এই সেই সময়, যখন শীত, অ্যানুয়াল ও ক্রিকেট ছিলো অভিন্ন। ক্রিকেট অর্থে টেস্টই ধরতে হবে।

পঞ্চম তথা ইডেন টেস্ট শুরু হয় হয়। পরীক্ষা শেষ। মামাবাড়িতে সকাল সকাল টিভি খুললো ছোটমামা। গাভাসকার ব্যাট হাতে দাঁড়িয়ে। হেলমেটহীন, সাদা টুপিতে, গাভাসকারীয় রাজকীয় স্ট্যান্স। প্রথম ইনিংসের প্রথম বল। যতেক দর্শকের প্যালপিটেশন বাড়িয়ে কোনাকুনি দৌড়ে আসছেন রাগী ম্যালকম মার্শাল। ও মা! প্রথম বলেই গাভাসকার কট বিহাইন্ড। গজ গজ করতে করতে ছোটমামা টিভি বন্ধ করলো। তখনকার খেলায় গাভাসকার আউট হওয়ার অর্থ ভারতের জন্য অপেক্ষমান বিপন্ন বিস্ময়। বাকিরা ততোটা ভরসাযোগ্য নয়। শুধু যাওয়া আসা। ব্যাটসম্যানদের। অন্য কোনোখানে নয়, হেথা, হেথা, প্যাভিলিয়ন হতে পুনঃ প্যাভিলিয়নে। সেই টেস্টে প্রথম ইনিংসে ইন্ডিয়াকে কম রানে বান্ডিল করে বেশ গুছিয়ে রানটান করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ইনিংস ডিক্লেয়ার করলো। দ্বিতীয় ইনিংসে গাভাসকার, মনে আছে, পর পর ছটি চার মারলেন। তারপর দুম করে আউট।

সে ম্যাচে ইনিংস ডিফিট হয়েছিল ভারতের।

সেই সিরিজেই গাভাসকার একটা অনবদ্য ইনিংস খেলে ফিরোজ শা কোটলায় সবাইকে চমকে দিলেন। যে গাভাসকার আদ্যন্ত ব্যাকরণমনস্ক, যে গাভাসকার যুধিষ্ঠিরের মত স্থৈর্যের ও স্ট্রেট ব্যাটের প্রতীক, তাঁকেই নির্বিচারে ক্রিকেট-ব্যাকরণ ভাঙতে দেখা গেল। যথেচ্ছ পুল, হুক ও স্কোয়ার কাট মেরে মার্শাল, হোল্ডিং, রবার্টসদের বধ করলেন। ২৯তম শতরান করে ব্র্যাডম্যানের রেকর্ড স্পর্শ করলেন। পরে তিরিশতম সেঞ্চুরি সেই সিরিজেই। ২৩৬ নট আউট মাদ্রাজে।

রেকর্ডের পর রেকর্ড হয়েছিল সেই সিরিজে। গাভাস্কার ৮০০০ রান করলেন। তৎকালীন বিশ্বের সর্বোচ্চ সেঞ্চুরি করে ব্র্যাডম্যানের রেকর্ড ভাঙলেন। ভাঙলেন ভিনু মানকড়ের সর্বোচ্চ ভারতীয় রানের রেকর্ড। অশোক দাশগুপ্ত খেলা পত্রিকায় লিখলেন, কপিলদেবকে বোলারের ভূমিকায় তেমন কিছু করতে দেখছি না। কপিলদেব, ব্যাটে নয়, বরং বলে জ্বলে উঠুন। তার ঠিক পরেই কপিলদেব লয়েডদের বিরুদ্ধে কোনো এক ইনিংসে নয় নয়।করে নয়টি উইকেট নেবেন। অ্যান্ডি রবার্টস ইডেনে কিরমানিকে আউট করে দুশো উইকেট নিলেন। আনন্দবাজারের ছবি ছিল, রবার্টসের দুশোতম শিকার কিরমানি।

বিশ্বকাপে হারার প্রতিশোধ নির্মমভাবে নিয়ে লয়েড সিরিজ ৩-০ জিতে দেশে ফেরত যান। আমরাও পরের শীতের অপেক্ষা করতে থাকি। পরের শীত মানেই পরের অ্যানুয়াল, রোদভরা মাঠে পরের টেস্ট সিরিজ...

এখন একেকদিন মনে হয়, সেরকম অফুরান শীত আর পড়ে না কেন ! কৈশোরে ক্যাম্বিস থেকে রাবার ডিউজ, রাবার ডিউজ থেকে কর্কেট, কর্কেট থেকে ডিউজে উত্তরণ হতে হতে সেই আশ্চর্য মাঠভরা রোদ আর মায়াবী শীত কবে যেন ফুরিয়ে গেল পৃথিবীর ভাঁড়ারের থেকে...

740 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

শেয়ার করুন


Avatar: দ

Re: তিরাশির শীত

ইইইশশশ পুরো ছোটবেলা হু হু করে চলে এলো সামনে।
Avatar: avi

Re: তিরাশির শীত

আসে আসে, শীত কি আর শুধু সানি-মার্শালে আটকে থাকে? শীতে আসে ডোনাল্ড-ডেভিলিয়ার্স-ম্যাকমিলান-ক্লুজনারের সামনে নিশ্চিত হারের মুখে মহম্মদ আজহারউদ্দিনের মারকুটে একশোয়, শীত আসে প্রথম সকালে ২৬-৬ হয়ে গিয়ে ওয়াসিম আক্রমের অনবদ্য কাউন্টারে, শীত আসে যখন উত্তল ইডেনের দড়ির কাছ থেকে ছুটতে শুরু করে দেড়শো কিমির ওপরে বল করা এক চওড়া কাঁধের যুবক পরপর তুলে নেয় রাহুল আর শচীনকে, শীত আসে যখন লং অনে দাঁড়ানো ম্যাথু হাইডন তার বিশাল চেহারা দিয়ে দুই কিশোরের সামনে পিচ আড়াল করে দেয়, শীত আসে কুকের কভার ড্রাইভে, লক্ষ্মণ রাহুলের রাজকীয়তায়, সৌরভের কামব্যাকে, ঋদ্ধির ম্যাচ জেতানো ডাবল ফিফটিতে। এখনও শীত আসে। নাহয় কমলালেবু-সোয়েটার বোনা নেই, নাহয় গঙ্গার হাওয়া ধাক্কা খেয়ে ঢোকে, নাহয় মাঠে জায়ান্ট স্ক্রীন - তবু এখনও শীত আসে।
Avatar: অনিরুদ্ধ

Re: তিরাশির শীত

ভাই এ গল্প নয়, আয়না।
ওই সিরিজ টার পুঙ্খানুপুঙ্খ রেডিও বিবরণী এখনও মনের মধ্যে লেখা।
গাভাস্কার প্রথম বলে আউট হয়ে গেল ইডেনের ম্যাচে। আমি ছিলাম এবং আছি কপিল দেবের অন্ধ ভক্ত।
অশোক দাশগুপ্তের ওর বিরুদ্ধে লেখা মোটেও ভালো লাগতো না।
অনেক অনেক ধন্যবাদ পুরনো স্মৃতি কে জাগ্রত করার জন্য
Avatar: খ

Re: তিরাশির শীত

২৬/৪ মনে হচ্ছে, শ্রীনাথ। ভুল হতে পারে অবশ্য।


Avatar: রনুদা

Re: তিরাশির শীত

অনবদ্য স্মৃতি চিত্রন ! এখনতো সারাবছর নানান ধরনের ক্রিকেট........। সেকালের মত শীত ও ক্রিকেটের প্রতিক্ষায় কেউ থাকে না। বাকি সবের কিছু কিছু আজো টিকে আছে তবে ধরনটা পাল্টে যাচ্ছে। সাফল্যের পরিসংখ্যানে ভারতীয়
ক্রিকেটের বর্তমান প্রজন্ম এগিয়ে থাকলেও কপিবুক ও ক্লাসিক্যাল টাচ গুলো যেন কমলদা - পূস্পেনের সাথে সাথেই মিলিয়ে যাচ্ছে....
Avatar: ন্যাড়া

Re: তিরাশির শীত

দিল্লি টেস্টের আগের দিন কোটলায় নেট প্র‍্যাকটিসে কিছু ফোক্কড় ছেলে গাভাসকারকে "উও মার্শাল আ রহা হ্যায়" বলে উত্যক্ত করেছিল।
Avatar: b

Re: তিরাশির শীত

পরের শীতে কলকাতায় আজহারের ডেব্যু ম্যাচ আর সেঞ্চুরী।
Avatar: দোবরু পান্না

Re: তিরাশির শীত

২৬/৬ - শ্রীনাথ - প্রসাদ। তারপর মইন খানের সেঞ্চুরী। ভারত হেরেই গেল সেই ম্যাচটা। ইডেনে ছিলাম
Avatar: b

Re: তিরাশির শীত

কানপুর, কলকাতা আর আমেদাবাদে (কপিলের ন উইকেট) ভারত হারে। দিল্লি আর মাদ্রাজ টেস্ট ড্র।

ইন্সিডেন্টালি, আজহারের ডেব্যু ম্যাচে কপিল বাদ পড়েছিলো, গোটা ক্যারিয়ারে ঐ একটাই বাদ। সেটাও গাভাসকারের চুকলিবাজিতে। আর এখোনো মনে আছে ইংল্যান্ডের এক খেলোয়াড় ফিল্ডিং করতে করতে খবরের কাগজ পড়ছেন। ছবিটা আনন্দমেলায় বেরিয়েছিলো তো, বোধ হয় আনন্দবাজারই হবে।
Avatar: ঐ

Re: তিরাশির শীত

ইডেনের ম্যাচটা মাঠে দেখেছিলাম। সিট পড়েছিল প্যাভেলিয়ানের পাশে। গাভাসকার প্রথম বলে আউট, আর মহিন্দার অমরনাথ ১৫ বলে শুন্য করে আউট হয়েছিল ক&ব মার্শাল, কপিলদেব একটা লড়াই দিয়েছিল শুধু।
Avatar: kano bolbo

Re: তিরাশির শীত

ইন্সিডেন্টালি, আজহারের ডেব্যু ম্যাচে কপিল বাদ প
Avatar: b

Re: তিরাশির শীত

আউট হয়ে ফেরার সময় গাভাসকারের দিকে বোধ হয় কমলালেবুর বিচি না খোসা ছোঁড়া হয়েছিলো। এছাড়া উদুম খিস্তিও করা হয়েছিলো, (খোদায় মালুম গাভাসকার কি ভাবে সেগুলো বুঝতে পেরেছিলো), তাতে নাকি গাভাসকার ক্ষেপে গিয়ে ইডেনে আর না খেলার সিদ্ধান্ত নেয়। এর পরে একবার ভারত পাকিস্তান খেলায় (মনে হয় ৮৭তে শেষ সিরিজ) গাভাসকার খেলবে না বলে অরুণলালকে নেওয়া হল। অরুণলাল ৫২ আর ৮০ করেছিলো, তাও পরের খেলায় ওকে বসিয়ে দেয়। সেই পরের খেলায় গাভাসকার প্রথম বলে আউট। যা খুশী হয়েছিলাম বলার নয়!
আর, ৮৭-র সেমিফাইন্যালে গাভাসকার আউট হয়েছিলো ৯ রানে। ইডেনে যাতে খেলতে না হয় তার জন্যে ইচ্ছে করে বল মিস করে বোল্ড হয়েছিলো, বাজারে সেই কন্সপিরেসী থিওরী বহুদিন চালু ছিলো।
Avatar: ন্যাড়া

Re: তিরাশির শীত

গাভাসকার সেমিফাইনালে যে বলে আউট হয়েছিল, পুরো বিউটি ছিল। ইংল্যান্ডের কালো বোলারটা, কী যেন নাম, ডেভন ম্যালকম না কী, সে করেছিল।
Avatar: b

Re: তিরাশির শীত

হ্যাঁ, বলটা এখোনো চোখে লেগে আছে। অফ কাটার হয়ে মিডল স্টাম্পে লেগেছিলো। গাভাসকার বুঝতে পারে নি, সোজা মারতে গিয়ে (কপিল স্টাইলে) ঘচাং ফুঃ।
আমার এক বন্ধুর ঠাকুমা টি ভিতে ইংল্যান্ডের খেলা দেখতে দেখতে ম্যালকম না স্মল কাকে দেখে বলেছিলেন " এ কি রে, ওদের তো একটা নিজেদের দেশ আছে, ওরা হঠাৎ ইংল্যান্ডের হয়ে খেলছে কেন?"
Avatar: lcm

Re: তিরাশির শীত

বি, ঃ-)

গাভাসকারের বৌ-কে কমলালেবুর খোসা ছুঁড়েছিল কেউ ইডেনে - তাতে গাভাসকার প্রতিজ্ঞা করেন জীবনে আর ইডেনে খেলবে না - এমন কিছু একটা ব্যাখা পরে দিয়েছিলেন।
Avatar: b

Re: তিরাশির শীত

হ্যাঁ, ঐ ভদ্রলোকের সাথে পরে দেখা হয়েছিলো। উনি বলেছিলেন, আরে, পুরো কমলালেবুটাই তো দেওয়ার কথা ছিলো, কিন্তু লোভে পড়ে কোয়াগুলো খেয়ে নিয়েছিলাম। তাই, অগত্যা ..
Avatar: anandaB

Re: তিরাশির শীত

ফিলিপ ডিফ্রিটার্স মোস্ট প্রবাবলী বোলার ছিলেন, স্মৃতি থেকে বললাম, ভুল হতে পারে
Avatar: ন্যাড়া

Re: তিরাশির শীত

কারেক্ট। ডিফ্রিটাস। থ্যাঙ্কি।


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন