Rouhin Banerjee RSS feed

Rouhin Banerjeeএর খেরোর খাতা।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • তিরাশির শীত
    ১৯৮৩ র শীতে লয়েডের ওয়েস্টইন্ডিজ ভারতে সফর করতে এলো। সেই সময়কার আমাদের মফস্বলের সেই শীতঋতু, তাজা খেজুর রস ও রকমারি টোপা কুলে আয়োজিত, রঙিন কমলালেবু-সুরভিত, কিছু অন্যরকম ছিলো। এত শীত, এত শীত সেই অধুনাবিস্মৃত কালে, কুয়াশাআচ্ছন্ন পুকুরের লেগে থাকা হিমে মাছ ...
  • ‘দাদাগিরি’-র ভূত এবং ভূতের দাদাগিরি
    রণে, বনে, জলে, জঙ্গলে, শ্যাওড়া গাছের মাথায়, পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে, ছাপাখানায় এবং সুখী গৃহকোণে প্রায়শই ভূত দেখা যায়, সে নিয়ে কোনও পাষণ্ড কোনওদিনই সন্দেহ প্রকাশ করেনি । কিন্তু তাই বলে দুরদর্শনে, প্রশ্নোত্তর প্রতিযোগিতার অনুষ্ঠানেও ? আজ্ঞে হ্যাঁ, দাদা ভরসা ...
  • আর কিছু নয়
    প্রতিদিন পণ করি, তোমার দুয়ারে আর পণ্য হয়ে থাকা নয় ।তারপর দক্ষিণা মলয়ের প্রভাবে, পণ ভঙ্গ করে, ঠিক ঠিকখুলে দেই নিজের জানা-লা। তুমি ভাব, মূল্য পড়ে গেছে।আমি ভাবি, মূল্য বেড়ে গেছে।কখন যে কার মূল্য বাড়ে আর কার কমে , এই কথা ক'জনাই বা জানে?এই না-জানাদের দলে আমিই ...
  • একা আমলকী
    বাইরে কে একটা চিৎকার করছে। বাইরে মানে এই ছোট্টো নোংরা কফির দোকানটা, যার বৈশিষ্ট্যহীন টেবিলগুলোর ওপর ছড়িয়ে রয়েছে খাবারের গুঁড়ো আর দেয়ালে ঝোলানো ফ্যাকাশে ছবিটা কোনো জলপ্রপাত নাকি মেয়ের মুখ বোঝা যাচ্ছে না — এই দোকানটার দরজার কাছে দাঁড়িয়ে কেউ চিৎকার করছে। ...
  • গল্পঃ রেড বুকের লোকেরা
    রবিবার। সকাল দশটার মত বাজে।শহরের মিরপুর ডিওএইচেসে চাঞ্চল্যকর খুন। স্ত্রীকে হত্যা করে স্বামী পলাতক।টিভি স্ক্রিণে এই খবর ভাসছে। একজন কমবয়েসী রিপোর্টার চ্যাটাং চ্যাটাং করে কথা বলছে। কথা আর কিছুই নয়, চিরাচরিত খুনের ভাষ্য। বলার ভঙ্গিতে সাসপেন্স রাখার চেষ্টা ...
  • মহাভারতের কথা অমৃতসমান ২
    মহাভারতের কথা অমৃতসমান ২চিত্রগুপ্ত: হে দ্রুপদকন্যা, যজ্ঞাগ্নিসম্ভূতা পাঞ্চালী, বলো তোমার কি অভিযোগ। আজ এ সভায় দুর্যোধন, দু:শাসন, কর্ণ সবার বিচার হবে। দ্রৌপদী: ওদের বিরূদ্ধে আমার কোনও অভিযোগ নেই রাজন। ওরা ওদের ইচ্ছা কখনো অপ্রকাশ রাখেন নি। আমার অভিযোগ ...
  • মহাভারতের কথা অমৃতসমান
    কুন্তী: প্রণাম কুরুজ্যেষ্ঠ্য গঙ্গাপুত্র। ভীষ্ম: আহ্ কুন্তী, সুখী হও। কিন্তু এত রাত্রে? কোনও বিশেষ প্রয়োজন? কুন্তী: কাল প্রভাতেই খান্ডবপ্রস্থের উদ্দেশ্যে যাত্রা করব। তার আগে মনে একটি প্রশ্ন বড়ই বিব্রত করছিল। তাই ভাবলাম, একবার আপনার দর্শন করে যাই। ভীষ্ম: সে ...
  • অযোধ্যা রায়ঃ গণতন্ত্রের প্রত্যাশা এবং আদালত
    বাবরি রায় কী হতে চলেছে প্রায় সবাই জানতেন। তার প্রতিক্রিয়াও মোটামুটি প্রেডিক্টেবল। তবুও সকাল থেকে সোশ্যাল মিডিয়া, মানে মূলতঃ ফেবু আর হোয়াটস অ্যাপে চার ধরণের প্রতিক্রিয়া দেখলাম। বলাই বাহুল্য সবগুলিই রাজনৈতিক পরিচয়জ্ঞাপক। বিজেপি সমর্থক এবং দক্ষিণপন্থীরা ...
  • ফয়সালা বৃক্ষের কাহিনি
    অতিদূর পল্লীপ্রান্তে এক ফয়সালা বৃক্ষশাখায় পিন্টু মাষ্টার ও বলহরি বসবাস করিত । তরুবর শাখাবহুল হইলেও নাতিদীর্ঘ , এই লইয়া , সার্কাস পালানো বানর পিন্টু মাষ্টারের আক্ষেপের অন্ত ছিলনা । এদিকে বলহরি বয়সে অনুজ তায় শিবস্থ প্রকৃতির । শীতের প্রহর হইতে প্রহর ...
  • গেরিলা নেতা এমএন লারমা
    [মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমার ব্যক্তি ও রাজনৈতিক জীবনের মধ্যে লেখকের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়েছে, তার প্রায় এক দশকের গেরিলা জীবন। কারণ এম এন লারমাই প্রথম সশস্ত্র গেরিলা যুদ্ধের মাধ্যমে পাহাড়িদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখান। আর তাঁর ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

অযোধ্যা রায়ঃ গণতন্ত্রের প্রত্যাশা এবং আদালত

Rouhin Banerjee

বাবরি রায় কী হতে চলেছে প্রায় সবাই জানতেন। তার প্রতিক্রিয়াও মোটামুটি প্রেডিক্টেবল। তবুও সকাল থেকে সোশ্যাল মিডিয়া, মানে মূলতঃ ফেবু আর হোয়াটস অ্যাপে চার ধরণের প্রতিক্রিয়া দেখলাম। বলাই বাহুল্য সবগুলিই রাজনৈতিক পরিচয়জ্ঞাপক। বিজেপি সমর্থক এবং দক্ষিণপন্থীরা খুশী, প্রত্যাশিতভাবেই। মুসলিম কমিউনিটির মধ্যে মোটামুটি দু ধরণের প্রতিক্রিয়া - এক দল মনে করছেন যা হবার মিটে গেল, এই টেনশনের চেয়ে এটা বেটার। অন্য দল ক্ষুব্ধ, কিন্তু মুখে কিছু বলছেন না এখনো পর্যন্ত। দুই দলই ব্যথিত, স্বাভাবিকভাবেই। বামপন্থীরা মোটের ওপর ক্ষিপ্ত, প্রকাশ্যে বলছেনও, কিন্তু দাঙ্গার পরিকল্পনা তাদের নেই, আর তারা সংখ্যায় এত কম যে তাদের ক্ষিপ্ততায় কারো বেশী কিছু এসে যাচ্ছে না। আর লিবারালেরা একটা অদ্ভুত অবস্থান আগেই নিয়েছিলেন, সেই নিয়েই হেজিয়ে যাচ্ছেন এখনো - ওখানে মন্দির মসজিদ কিছুই দরকার নেই, হাসপাতাল হোক। প্রথমত সেটা যে হবে না সবাই জানে, ওরাও জানেন, তবু ওই ধ্বনিগত সৌন্দর্যটুকু উপভোগ করার জন্যই ওরা বলে চলেছেন এখনো। দ্বিতীয়ত ঐ বাকি পাঁচ একরেও হাসপাতাল হতে পারত, এখানে বিতর্কটা শুধু মন্দির-মসজিদের ব্যপারই নয় এটা হয় ওরা ভুলে যান অথবা বোঝেন না।

রায়ের প্রতিলিপি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে যা বেরিয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে রায়টি পাঁচ বিচারকের "সর্বসম্মত" হলেও তা স্ববিরোধিতায় ভর্তি। যেমন রায়ে বলা হয়েছে বাবরি মসজিদ ভাঙা বে আইনী কাজ ছিল, অথচ রামলালা বিরজমান এর দাবী মেনে নেবার মাধ্যমে সেই বে-আইনী কাজকেই স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। প্রমাণ হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছে এ এস আই এর একটি পরীক্ষা - যেখানে দেখা গেছে বাবরি মসজিদের নীচে অন্য একটি স্থাপত্য ছিল। এ কথা আদৌ প্রমাণ হয়নি যে ওটা ইসলামের ভারতে আসার আগের স্থাপত্য - "রামের সময়" (যেটাকেই বলা হোক - ন্যুনতম খ্রীঃপূঃ ৯০০ সাল এর আগে তো নিশ্চই নয়) এর স্থাপত্য এরকম প্রমাণের প্রশ্নই নেই - তবু মহামান্য আদালত সেটিকেই পাথুরে প্রমাণ বলে মেনেছেন। এমনকি আদালত এ-ও বলেছেন যে "ওটাই রামজন্মভূমি - হিন্দুদের এই বিশ্বাস যে মিথ্যা, সেরকম কোন প্রমাণ পাওয়া যায়নি"। আমি লজিকের ছাত্র নই - তবে এই থ্রেডে নিশ্চিত কিছু ডট ডাবল ডট ট্রিপল ডট মার্কা ব্যক্তিবর্গ আসবেন যাদের কেউ কেউ আইনজীবি - তাদের কাছে জানতে চাইব এই লজিকটা আপনাদের ঠিক কেমন মনে হচ্ছে। উত্তর অজানা নয় যদিও।

কিন্তু এত স্ববিরোধিতা, দুর্বল যুক্তি, অক্ষম জাস্টিফিকেশন, এসব সত্ত্বেও, দেখা যাচ্ছে প্রতিক্রিয়া যাই হোক, রায় প্রায় সবার কাছেই প্রত্যাশিত ছিল। "মজার ব্যাপার" ফ্রেজটা ব্যবহার করতে গিয়েও করলাম না - কারণ ঠিক "মজা" মনে হচ্ছে না। ভারতীয় রাজনীতি প্রায় সূচনালগ্ন থেকেই দুর্নীতিগ্রস্ত - কখনো বেশী কখনো কম। সংবাদমাধ্যম শুরু থেকে না হলেও অনেকদিনই সেই পথে পা বাড়িয়েছে - আমাদের বুঝতে একটু সময় লেগেছে কিন্তু এখন এটা আর কোন গোপন খবর নয়। বাকি ছিল বিচার ব্যবস্থা - আমাদের শেষ আশা ভরসা। বহুবার এমন হয়েছে যে আদালত রাজনীতিকে কান ধরেও সঠিক পদক্ষেপ নিতে বাধ্য করেছেন। আমরা অনেক সময়ে আদালতের অতি-সক্রিয়তা নিয়ে সমালোচনাও করেছি, কিন্তু তার সদিচ্ছা এবং সক্ষমতা নিয়ে সংশয়িত হইনি। বিগত কয়েক বছরে সেই ভরসায় ছোট বড় ধাক্কা লেগেছে, সেগুলিকে ব্যতিক্রম হিসাবে ভেবে সান্ত্বনা পাবার চেষ্টা করেছিলাম। আজকের পরে সেই ভরসা একটা বড়সড় ধাক্কা খেল নিঃসন্দেহে। এবং খুশী হোন বা না হোন, প্রায় প্রত্যেকেই যে আদালতের কাছ থেকে এটাই প্রত্যাশা করেছিলেন, এটা স্পষ্ট। অর্থাৎ আদালতের সদিচ্ছা পুরো দেশবাসীর চোখেই আজ প্রশ্নাতীত াতীত নাতয়ত এ বড় সুখের সময় নয়।

701 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

শেয়ার করুন


মন্তব্যের পাতাগুলিঃ [1] [2]   এই পাতায় আছে 3 -- 22
Avatar: dc

Re: অযোধ্যা রায়ঃ গণতন্ত্রের প্রত্যাশা এবং আদালত

একটা স্ট্রাকচার ভাঙা হলো। যারা ভাঙলো সে জায়গাটা তাদের হাতেই তুলে দেওয়া হলো। আর বলা হলো ভাঙার কাজটা এক্কেবারে বেআইনি। ব্যাপক।
Avatar: সিএস

Re: অযোধ্যা রায়ঃ গণতন্ত্রের প্রত্যাশা এবং আদালত

ক্লোজার দেওয়ার চেষ্টা আর প্র্যাকটিক্যাল সিদ্ধান্তে আসার চেষ্টা আর কি।

আর ভাঙাটা বেআইনি ও স্বাধীনতার সময় যে কোন ধর্মীয় স্থানের চরিত্র যেমন ছিল সেটার দায়িত্ব সরকারকেই নিতে হবে - এই দুটো কমেন্ট করে সংবিধানকে ফলো করার চেষ্টা আর অন্য দাবীগুলিকে খোলা মাঠ না ছেড়ে দেওয়া।

কত কী হবে কে জানে।
Avatar: দোবরু পান্না

Re: অযোধ্যা রায়ঃ গণতন্ত্রের প্রত্যাশা এবং আদালত

এটা "ক্লোজার" দেবার চেষতা হয়ে থাকলে তা অত্যন্ত প্যাথেটিক চেষ্টা। জাস্টিস ছাড়া ক্লোজার হয় না। ইনজাস্টিস শুধু আরো বৃহত্তর অশান্তির জন্ম দেয়। এখানে সেটাই হয়েছে
Avatar: সিএস

Re: অযোধ্যা রায়ঃ গণতন্ত্রের প্রত্যাশা এবং আদালত

হুঁ সেটাই দেখার, কিসে কী হয়। যা সলিউশন হল, সেটা বিজেপি তো বহুদিন থেকেই বলত যে মসজিদটা অন্য কোথাও হোক। তো সেটাই হল, শুধু আইনী মতে।
Avatar: Du

Re: অযোধ্যা রায়ঃ গণতন্ত্রের প্রত্যাশা এবং আদালত

তালিবানদের মহামান্য সুপ্রীম কোর্ট ছিলোনা নইলে তারাও বামিয়ানটা মুসলিমদের হাতে তুলে দিতে পারতো ভাঙ্গার পর।
Avatar: Du

Re: অযোধ্যা রায়ঃ গণতন্ত্রের প্রত্যাশা এবং আদালত

আরেকটা প্রতিক্রিয়া টিভিতে - এদেশে জন্মে পদাঘাতই শুধু পেলাম--সেলাম তোমারে সেলাম।
Avatar: এলেবেলে

Re: অযোধ্যা রায়ঃ গণতন্ত্রের প্রত্যাশা এবং আদালত

সুপ্রিম কোর্টে এত বছর ধরে চলা মামলার রায় যখন প্রকাশিত হওয়ার আগেই মানুষের প্রত্যাশিত রায়ে পরিণত হয়, তবে আর তা নিয়ে অকারণ দুঃখ করা কেন? রঞ্জন গগৈ ২৫ নভেম্বর অবসর নেবেন, তিনি তাঁর অবসর জীবনের আয়াসকে নিশ্চিত করলেন। মোদী-শাহ জুটি নির্বাচনের আগে তাঁদের ধামাকা জারি অব্যাহত রাখলেন। নোটবন্দি, বালাকোট, তিন তালাক বিল, ৩৭০-এর পরে 'মন্দির ওহি বানায়েঙ্গে'-তে তাঁদের বাপ মোহন ভাগবত খুশি হয়েছেন। দলে নিরঙ্কুশ আধিপত্য রাখা আরও সুবিধেজনক হবে।

যা নেই, ছিল না কোনও দিন, তাকে হাওয়ায় ভাসিয়ে দিয়ে কেমন ম্যাজিক দেখিয়ে আছে-তে পরিণত করতে হয় পাকাপোক্তভাবে - তা তাঁরা প্রমাণ করলেন আবারও।

সবচেয়ে হতাশার কথা এই যে, আমরা আবারও গড্ডলিকা প্রবাহের অন্যতম গড্ডল হিসেবে পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্রে সুপ্রিম কোর্টকে অ্যাপেক্স কোর্টের মর্যাদা দেব এবং সেখানে নিয়মকানুন বা লজিকের বিন্দুমাত্র তোয়াক্কা না করে রায়দানের প্রসঙ্গটা অসহায়ের মতো নির্বিবাদে মেনে নেব।

রাষ্ট্রযন্ত্রের এই নির্লজ্জ প্রচারের হাতিয়ারটিকে অস্বীকার করার ক্ষমতা যে আমাদের নেই, সেটা মেনে নেওয়াই ভালো।
Avatar: S

Re: অযোধ্যা রায়ঃ গণতন্ত্রের প্রত্যাশা এবং আদালত

শুধু সংবিধানেই লেখা রইলো দেশটা সেকুলার।
Avatar: রিভু

Re: অযোধ্যা রায়ঃ গণতন্ত্রের প্রত্যাশা এবং আদালত

হ্যাঁ। সংবিধান টা পাল্টে দিলেই হয়। শুধু শুধু সং সেজে আর কি লাভ।

আর যা যেখানে আছে ভেঙে দিলেই হয়। দেখাই যাচ্ছে ভেঙে ফেললেই নতুন জিনিস গড়ার পারমিশন পাওয়া যাচ্ছে।
Avatar: এলেবেলে

Re: অযোধ্যা রায়ঃ গণতন্ত্রের প্রত্যাশা এবং আদালত

ওসব অলুক্ষুণে অ্যানার্কিস্টদের মতো কথা বলবেন না। সংবিধান মহান, তাকে মেনে চলার ঢংটা অন্তত বজায় রাখতে হবে। না মানতে চাইলে সোজা ডিটেনশন ক্যাম্পে পাঠিয়ে দেব। হ্যাঁ, মহামান্য সংবিধানকে পূর্ণ মর্যাদা দিয়েই। মনে রাখবেন অযোধ্যা দখল হয়েছে কেবল, মথুরা-কাশী এখনও বাকি আছে। আর ২০২৪ আসতেও ঢের দেরি। তার আগে জিগিরটা জারি রাখতে হবে মিত্রোঁওওও।
Avatar: S

Re: অযোধ্যা রায়ঃ গণতন্ত্রের প্রত্যাশা এবং আদালত

সেদিন এক চেনা চাড্ডী জানালেন যে সংবিধানটা নাকি ঠিকমতন লেখা হয়নি, এদিক সেদিক থেকে কপি পেস্ট করে দিয়েছে।
Avatar: এলেবেলে

Re: অযোধ্যা রায়ঃ গণতন্ত্রের প্রত্যাশা এবং আদালত

একদম ঠিক বলেছেন তিনি। সংবিধান বিশেষজ্ঞ আমাদের দলে প্রায় প্রত্যেকেই। ইচ্ছে করলেই ওটা এক মুহূর্তে পাল্টে ফেলতে পারি। কিন্তু আমরা বাম-ঐস্লামিকদের খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে মারায় বিশ্বাসী। ওই স্যাডিস্ট আনন্দ লাভ করার জন্যেই ওটাকে দয়াধম্মো করে টিকিয়ে রেখেছি। দাপিয়ে মর শালারা সংবিধান-সংবিধান করে।
Avatar: দোবরু পান্না

Re: অযোধ্যা রায়ঃ গণতন্ত্রের প্রত্যাশা এবং আদালত

সুন্নি বোর্ড সিদ্ধান্ত নিয়েছে শুনলাম যে পাঁচ একর জমি নেবে না
Avatar: সিএস

Re: অযোধ্যা রায়ঃ গণতন্ত্রের প্রত্যাশা এবং আদালত

প্রতি ক্ষেত্রেই মনে হবে এবার নিশ্চয় সংবিধান অনুযায়ী সিদ্ধান্ত হবে, তারপর দেখা যাবে না এবারও হল না, প্রবোধ দেওয়া যাবে যে পরের বার নিশ্চয় হবে। খুড়োর কল। এনারসি করে ঘা করা হয়েছে, ৩৭০ নিয়ে কেসের ওপর ওপর কিছু হবে, শুনানি চলবে আর একটা জায়গা পুরো জেলখানা হয়ে থাকবে, আর এবার এইটা। অন্যদিকে আধার ঠিকই থাকবে, ফোনে স্পাইং হবে, সবই চলবে, আইনে যা আছে তার উল্টোদিকে।
Avatar: এলেবেলে

Re: অযোধ্যা রায়ঃ গণতন্ত্রের প্রত্যাশা এবং আদালত

ওসব বলবেন না, সিনেমা দেখুন, আনন্দে বগল বাজান, ধেইনেত্য করুন।


https://i.postimg.cc/7Zj1ZHhd/75580391-10220209410416336-4353303517499
228160-o.jpg


ওটা না ভালো লাগলে এটা দেখুন।

https://i.postimg.cc/N0hTwdPw/75196317-2633258906734302-42100590910929
63328-n.jpg


আমাদের মাত্র ২.৭৭, ওদের ৫। না পোষালে এখান থেকে কাটুন, অন্য বাগানে ফুল হয়ে ফুটুন।


Avatar: কিছু চাপা পড়া কথা

Re: অযোধ্যা রায়ঃ গণতন্ত্রের প্রত্যাশা এবং আদালত

Avatar: aranya

Re: অযোধ্যা রায়ঃ গণতন্ত্রের প্রত্যাশা এবং আদালত

ঠিকই লিখেছে রৌহিন, একমাত্র বিচার ব্যবস্থাতেই একটু আধটু ভরসা ছিল
Avatar: Arin

Re: অযোধ্যা রায়ঃ গণতন্ত্রের প্রত্যাশা এবং আদালত

"এবং খুশী হোন বা না হোন, প্রায় প্রত্যেকেই যে আদালতের কাছ থেকে এটাই প্রত্যাশা করেছিলেন, এটা স্পষ্ট। অর্থাৎ আদালতের সদিচ্ছা পুরো দেশবাসীর চোখেই আজ প্রশ্নাতীত াতীত নাতয়ত এ বড় সুখের সময় নয়।"

১৯৩৮ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মুখে নেভিল চেম্বারলেন মিউনিখে হিটলারের সঙ্গে মিটিং করে এসে বলেছিলেন , "I believe we will have peace in our time. Now go home and sleep quietly in your beds." আপনার লেখাটা পড়ে আর কংগ্রেসের/বিরোধীদের প্রতিক্রিয়া পড়তে পড়তে এই কথাটা বার বার মনে হচ্ছে। লক্ষণ ভালো নয় মশাই।
Avatar: Du

Re: অযোধ্যা রায়ঃ গণতন্ত্রের প্রত্যাশা এবং আদালত

ইসলামের ইতিহাসে মূর্তি পূজকদের সাথে একটি সংঘর্ষের সম্পর্ক ছিল। সেটা হিন্দু মুসলিম একতার পক্ষে একটা বিশেষ অন্তরায় ছিল। আমার চিরকাল মনে হত দক্ষিণ পশ্চিম এশিয়ার সেই মন্দির এবং প্রতিমা পুজকদের সাথে হিন্দুদের একটা তফাত রয়েছে যেটা ভেবে দেখলে মুসলিমরা তাদেরকে ঐ চোখে দেখবেন না। কারন হিন্দুরা মুর্তি পুজা করলেও তারা মুর্তি বা ফিজিক্যাল মন্দিরটাকেই ঈশ্বরের সমার্থক মনে করেন না।
এই মামলা দেখে আমার মূল উপপাদ্যটাই নাড়া খেয়ে গেল। এক তো বার বার হিন্দুরা এই বলেছেন টাইপের মোনোলিথিক লেবেল। রামের জন্মস্থান অযোধ্যার অমুক জায়গায় এবং সেইখানেই পুজো করতে হবে বলে নাকি হিন্দুদের বিশ্বাস। তো বাকী নটা অবতারের জন্মস্থান গেল কোথায়? নাকি 'হিন্দুরা' নিজেরাই মেনে নিলেন রাম আদৌ ঈশ্বর নন, এক রাজা মাত্র? হিন্দুরা সেই রাজার ফলোয়ার এক গোষ্ঠী মাত্র, তারা রাজার জমির দখল চায় আর এর চেয়ে উঁচু কোন দর্শন হিন্দুধর্মের অংশ নয়।
Avatar: b

Re: অযোধ্যা রায়ঃ গণতন্ত্রের প্রত্যাশা এবং আদালত

"হিন্দুরা মুর্তি পুজা করলেও তারা মুর্তি বা ফিজিক্যাল মন্দিরটাকেই ঈশ্বরের সমার্থক মনে করেন না"

এটা সবসময়ে ঠিক নয়। বিবেকানন্দ আর কোথাকার যেন রাজার (আলোয়ার?) এই নিয়ে গল্পটা মনে পড়ছে।

"হিন্দুদের একটা তফাত রয়েছে যেটা ভেবে দেখলে"

অত কে ভাবে মশাই? অত ভাবলে তো এসব কিসুই হত না।


মন্তব্যের পাতাগুলিঃ [1] [2]   এই পাতায় আছে 3 -- 22


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন