ন্যাড়া RSS feed
বাচালের স্বগতোক্তি

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • আর কিছু নয়
    প্রতিদিন পণ করি, তোমার দুয়ারে আর পণ্য হয়ে থাকা নয় ।তারপর দক্ষিণা মলয়ের প্রভাবে, পণ ভঙ্গ করে, ঠিক ঠিকখুলে দেই নিজের জানা-লা। তুমি ভাব, মূল্য পড়ে গেছে।আমি ভাবি, মূল্য বেড়ে গেছে।কখন যে কার মূল্য বাড়ে আর কার কমে , এই কথা ক'জনাই বা জানে?এই না-জানাদের দলে আমিই ...
  • একা আমলকী
    বাইরে কে একটা চিৎকার করছে। বাইরে মানে এই ছোট্টো নোংরা কফির দোকানটা, যার বৈশিষ্ট্যহীন টেবিলগুলোর ওপর ছড়িয়ে রয়েছে খাবারের গুঁড়ো আর দেয়ালে ঝোলানো ফ্যাকাশে ছবিটা কোনো জলপ্রপাত নাকি মেয়ের মুখ বোঝা যাচ্ছে না — এই দোকানটার দরজার কাছে দাঁড়িয়ে কেউ চিৎকার করছে। ...
  • গল্পঃ রেড বুকের লোকেরা
    রবিবার। সকাল দশটার মত বাজে।শহরের মিরপুর ডিওএইচেসে চাঞ্চল্যকর খুন। স্ত্রীকে হত্যা করে স্বামী পলাতক।টিভি স্ক্রিণে এই খবর ভাসছে। একজন কমবয়েসী রিপোর্টার চ্যাটাং চ্যাটাং করে কথা বলছে। কথা আর কিছুই নয়, চিরাচরিত খুনের ভাষ্য। বলার ভঙ্গিতে সাসপেন্স রাখার চেষ্টা ...
  • মহাভারতের কথা অমৃতসমান ২
    মহাভারতের কথা অমৃতসমান ২চিত্রগুপ্ত: হে দ্রুপদকন্যা, যজ্ঞাগ্নিসম্ভূতা পাঞ্চালী, বলো তোমার কি অভিযোগ। আজ এ সভায় দুর্যোধন, দু:শাসন, কর্ণ সবার বিচার হবে। দ্রৌপদী: ওদের বিরূদ্ধে আমার কোনও অভিযোগ নেই রাজন। ওরা ওদের ইচ্ছা কখনো অপ্রকাশ রাখেন নি। আমার অভিযোগ ...
  • মহাভারতের কথা অমৃতসমান
    কুন্তী: প্রণাম কুরুজ্যেষ্ঠ্য গঙ্গাপুত্র। ভীষ্ম: আহ্ কুন্তী, সুখী হও। কিন্তু এত রাত্রে? কোনও বিশেষ প্রয়োজন? কুন্তী: কাল প্রভাতেই খান্ডবপ্রস্থের উদ্দেশ্যে যাত্রা করব। তার আগে মনে একটি প্রশ্ন বড়ই বিব্রত করছিল। তাই ভাবলাম, একবার আপনার দর্শন করে যাই। ভীষ্ম: সে ...
  • অযোধ্যা রায়ঃ গণতন্ত্রের প্রত্যাশা এবং আদালত
    বাবরি রায় কী হতে চলেছে প্রায় সবাই জানতেন। তার প্রতিক্রিয়াও মোটামুটি প্রেডিক্টেবল। তবুও সকাল থেকে সোশ্যাল মিডিয়া, মানে মূলতঃ ফেবু আর হোয়াটস অ্যাপে চার ধরণের প্রতিক্রিয়া দেখলাম। বলাই বাহুল্য সবগুলিই রাজনৈতিক পরিচয়জ্ঞাপক। বিজেপি সমর্থক এবং দক্ষিণপন্থীরা ...
  • ফয়সালা বৃক্ষের কাহিনি
    অতিদূর পল্লীপ্রান্তে এক ফয়সালা বৃক্ষশাখায় পিন্টু মাষ্টার ও বলহরি বসবাস করিত । তরুবর শাখাবহুল হইলেও নাতিদীর্ঘ , এই লইয়া , সার্কাস পালানো বানর পিন্টু মাষ্টারের আক্ষেপের অন্ত ছিলনা । এদিকে বলহরি বয়সে অনুজ তায় শিবস্থ প্রকৃতির । শীতের প্রহর হইতে প্রহর ...
  • গেরিলা নেতা এমএন লারমা
    [মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমার ব্যক্তি ও রাজনৈতিক জীবনের মধ্যে লেখকের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়েছে, তার প্রায় এক দশকের গেরিলা জীবন। কারণ এম এন লারমাই প্রথম সশস্ত্র গেরিলা যুদ্ধের মাধ্যমে পাহাড়িদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখান। আর তাঁর ...
  • হ্যামলিনের বাঁশিওলা
    হ্যামলিনের বাঁশিওলার গল্পটা জানিস তো? একটা শহরে খুব ইঁদুরের উপদ্রব হয়েছিল। ইঁদুরের জ্বালায় শহরের লোকের ত্রাহি ত্রাহি রব। কিছুতেই ইঁদুর তাড়ান যাচ্ছেনা। এমন সময়ে হ্যামলিন শহর থেকে একজন বাঁশিওলা বাঁশি নিয়ে এল। শহরের মেয়রকে বলল যে উপযুক্ত পারিশ্রমিক পেলে সে ...
  • প্রেমের জীবন চক্র অথবা প্রেমিক-প্রেমিকার
    "তোমার মিলনে বুঝি গো জীবন, বিরহে মরণ"।প্রেমের চরম স্টেজটা পার করতে গিয়ে এই রকম একটা অনুভূতি আসে। একজন আরেকজনকে ছাড়া বাঁচে না। এই স্টেজটা যদি কোনভাবে খারাপের দিকে যায় তখন মানুষের নানা পাগলামি লক্ষ্য করা যায়। কখনো কখনো পাগলামিটা তার গন্ডি ছাড়িয়ে ছাগলামিতে ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

থিম পুজো

ন্যাড়া

অনেকদিন পরে পুরনো পাড়ায় গেছিলাম। মাঝে মাঝে যাই। পুরনো বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হয়, আড্ডা হয়। বন্ধুদের মা-বাবা-পরিবারের সঙ্গে কথা হয়। ভাল লাগে। বেশ রিজুভিনেটিং। এবার অনেকদিন পরে গেলাম। এবার গিয়ে শুনলাম তপেস নাকি ব্যবসা করে ফুলে ফেঁপে উঠেছে। একটু পরে তপেসও এল আড্ডায়। জিগেস করলাম, কী ব্যাপার কাকা? ্বেওসা করে লাল হয়ে গেছ শুনলাম এই কদিনে, ড্রাগ বেচছ নাকি?

"আরে ড্রাগ ছাড়। পুজো-পুজো। আজকাল এই পুজো-টুজো কীরকম নুইসেন্স হয়েছে জানিস তো! তার ওপর জুটেছে থিম। কাগজ আর টিভির দৌলতে সব পুজোই এখন হিট পুজো। আমাদের পাড়ার পুজো তো চিরকালই দারুণ বিখ্যাত, এখন এই থিমের ঠ্যালায় আর পাড়ায় থাকা দায়। বছর দুয়েক আগের পুজোর চতুর্থীর দিন এই এখানেই আড্ডা মেরে ফিরছি, বাড়ি ঢুকব। তো সেবার কি বৌদ্ধ স্তুপ না কী ছাতার মাথা করেছে, আমাদের সদরে যাবার শর্টকাটটি বন্ধ। প্যান্ডেল তো শুরু হয়েছে দেড় মাস আগে থেকে। আমি এদ্দিন বাঁশ ডিঙিয়ে, তেরপল তুলে ঢুকে যেতাম। চতুর্থীর দিন দেখি সেখানে নীল রঙের সিকিউরিট গার্ডের পোশাক পরে এক পিস ভলান্টিয়ার সেখানে দাঁড়িয়ে গেছে। আজকাল ভাবতে পারবি না, শালারা পারলে মহালয়া থেকে পুজো শুরু করে দেয়। চতুর্থী থেকে তো প্রাইমটাইম শুরু। আমাদের সময়ে আসল পুজো শুরু হত সপ্তমী থেকে। ষষ্ঠীও নমোনমো করে সারা হত। তা সে মরুকগে যাক, আমি সেই ছোকরা ভলান্টিয়ারকে পাশ কাটিয়ে ঢুকতে যাব, সে বলে কোথায় যাচ্ছেন? আমি বলি, কোথায় মানে? বাড়ি যাচ্ছি। সে বলে, কার্ড কোথায়? কার্ড আবার কিসের? আমি বললাম, ভাই আমি এ পাড়ার লোক। সদরে যাবার পথ তো প্যান্ডেলে আটকে দিয়েছ। তাই প্যান্ডেলের ভেতর দিয়ে যাচ্ছি। সে শালা কংসরাজার মতন হেসে বলে, কাকু, সবাই বলে পাড়ার লোক। পাড়ার লোক হলে কার্ড দেখান। আর নইলে জেন্টসদের লাইনে দিয়ে ঘুরে আসুন। ভাব তুই। পঞ্চাশ বছর ধরে এ পাড়ায়া থাকার পরে কার্ড দেখিয়ে বাড়িতে ঢুকতে হবে। সেদিন আবার আমার হাতে চারটে পাকা কলা। ভাইঝির জন্যে। পেট ছেড়েছিল বলে বৌদি আনতে বলেছিল। মনে হচ্ছিল দিই ছুঁড়ে ওই কলাগুলো হতচ্ছাড়া ভলান্টিয়ারের মুখে। তারপরে ভাবলাম এ শালার আর কী দোষ। এ তো কটা টাকার জন্যে হুকুম তামিল করছে। অনেক তর্জন-গর্জন, কাকুতি-মিনতি করলাম - ভবি কিছুতেই ভুলল না। বরং আরও দুটো ভলান্টিয়ার এসে জুটল। দেখলাম এবার নিজের পাড়ায় বেপাড়ার ছেলের হাতে প্যাঁদানি খেতে হবে। সেটা ঠিক ভাল হবে না ভেবে, আমি মানে মানে কেটে পড়লাম। কেটে পড়লাম মানে জেন্টসের লাইনে গিয়ে দাঁড়ালাম। ঊফ, সে কী ভীড় মাইরি। চতুর্থীর দিন সব শালা রঙবেরঙের পাঞ্জাবী পরে বেরিয়ে পরেছে রাত্তিরবেলা ঠাকুর দেখবে বলে। দৃশ্যটা একবার ভাব। সেইসব ভাল জামাকাপড়ের মাঝে আমি শার্ট আর ময়লা পায়জামা পরে ধীরে ধীরে মাইলখানেক লম্বা সর্পিল লাইন ধরে নিতাই গৌরাঙ্গর মতন দুহাত মাথার ওপর তুলে এগোচ্ছি। সেই দুহাতে দুটি-দুটি চারটি আধপাকা মর্তমান কলা। মাথার ওপর তুলে না রাখলে সে কলা এতক্ষনে সিন্নি হয়ে যেত। বুঝলি, ওইরকম হরেকৃষ্ণ হয়ে লাইন ধরে এগোচ্ছি, আর মনে মনে ভাবছি, বাবার শরীরটা কদিন ভাল যাচ্ছে না। হার্টের ট্রাবলটা আবার আরম্ভ হয়েছে। এই সময়ে যদি বাড়াবাড়ি কিছু হয়ে যায়, অ্যাম্বুলেন্স ডাকতে হয়, সে অ্যাম্বুলেন্স যে কোথা দিয়ে ঢুকবে সে ভগা জানে! অ্যাম্বুলেন্সও ছেড়ে দে, ধর কোন বাড়িতে হঠাৎ কারুর যদি ভালমন্দ কিছু একটা হয়ে যায়, শালার এই প্যান্ডেল না খোলা অব্দি বডি পর্যন্ত বের করা যাবে না। মারা গেল পঞ্চমীর দিন, দাহ হবে লক্ষ্মীপুজো পেরিয়ে। ভাবতে পারিস!"

আর তক্ষুণি আমার মাথায় খেলে গেল বিজিনেস আইডিয়া। বুঝলি। হেলিকপ্টার সার্ভিস। ওপর থেকে হেলিকপ্টার ঘুরবে। দড়ি নাবিয়ে দেব। দড়িতে খাটিয়া বেঁধে দেবে। সেখান থেকে স্ট্রেট শ্মশান তো শ্মশান, কবরখানা তো কবরখানা, হসপিটাল তো হসপিটাল। এক্সট্রা চার্জ দিয়ে ওই দড়ি দিয়ে ডাক্তার, স্পেশালিস্ট, নার্স সব নেবে আসবে।"

- তুই হেলিকপ্টার সার্ভিস দিস!

- দাঁড়া না ঘোড়াড্ডিম। হেলিকপ্টার সার্ভিস চালু করতে পারলে এখানে থাকতাম নাকি? কবে শালা আলিপুরে উঁচু পাঁচিলওলা বাড়ি কিনে চলে যেতাম!

- তাহলে হলনা, বিজনেস?

- বিজনেস কেন হবে না? স্ট্র্যাটেজি চেঞ্জ করে ফেললাম। হেলিকপ্টারের অনেক হ্যাপা। বুঝলি। ও হবে না। তার বদলে কী করলাম, জানিস? এই যে পুরনো সব বাড়ি না, সবগুলোর ভেতরে ইয়াব্বড়া বড়া সব চৌবাচ্চা আছে। একটা নয় অনেকগুলো। ছেলেরা গামছা পরে বগলে সাবান ঘষে চান করে সকালে। দুপুরে বউরা বাসন মাজে। মাথায় বুদ্ধি খেলে গেল। চৌবাচ্চাই বিজনেস ধরবে।

- চৌবাচ্চা?

- তবে আর বলছি কী! চৌবাচ্চা। আমি কী করি জানিস? প্যান্ডেলে বাঁশ পড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমি একটা চৌবাচ্চা সাফ করে ফেলি, বুঝলি? ফেলে, তাতে মোটা করে কাঠের গুঁড়ো ছড়িয়ে দিই।

- কাঠের গুঁড়ো?

- ইয়েস স্যার। কাঠের গুঁড়ো। ব্যস, আমি রেডি। যেদিন থিমের প্যান্ডেল ফাইনাল হবে, তার ঠিক আগেরদিন আমার লোকেরা মোটা মোটা বরফের চাঙড় ফেলে দেবে ওই চৌবাচ্চায় কাঠের গুঁড়োর ওপর। একটা করে চাঁই ফেলবে, তারপরে তার ওপরে নীচে ভাল করে কাঠের গুঁড়ো ... ব্যস লক্ষ্মীপুজো অব্দি নিশ্চিন্দি। এইট্টি পারসেন্ট বরফ ইন্ট্যাক্ট থাকবে। কেউ টেঁসে গেলে বরফে শুইয়ে রাখ। প্যান্ডেলে খোলা হলে, বডি নিয়ে দাহ করে এস। কতবার হয়েছে। শ্রাদ্ধ, নিয়মভঙ্গ হয়ে গেছে, ছবির মালা শুকিয়ে গেছে - তারপরে দাহ হয়েছে। সার্ভিসের কী কাটতি ভাবতে পারবি না কাকা। এখন তো পুজো কমিটি আমাকে ডেকে ডেকে বিজনেস দিচ্ছে। তবে এতেই শেষ নয়। পরের বছর আনছি ডাক্তার।

- অ্যাঁ, চৌবাচ্চায় ডাক্তার বসিয়ে রাখবি?

- না বে না। মুর্তির পেছনে একটা পর্দা ফেলে ওখানে দুটো বেড লাগিয়ে দেব। হসপিটাল হয়ে যাবে। একটা করে নার্স আর হেল্পার পার হসপিটাল। পঁয়েরো দিন ওখানেই থাকবে। ভোগ দিয়ে ব্রেকফাস্ট, লাঞ্চ, ডিনার। সাত্ত্বিক মেনু। আর প্যানেল অফ ডাক্তার থাকবে, ঘুরে ঘুরে ডিউটি দেবে। শালা শহরের লাইফ এক্সপেক্টেন্সি হুহু করে বাড়িয়ে দেবে এই শর্মা। কেমন হবে? সব পুজোয় হসপিটাল থিম।

436 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

শেয়ার করুন


Avatar: ন্যাড়া

Re: থিম পুজো

#
Avatar: বিপ্লব রহমান

Re: থিম পুজো

!!
Avatar: Munia

Re: থিম পুজো

উফ, হাসতে হাসতে পেট ফেটে গেল! বেড়ে হ্য়েছে! 😁😂
Avatar: কৌশিক সাহা

Re: থিম পুজো

লেখাটি ভাল হয়েছে, যদিচ একটু কষ্টকল্পিত।
কিন্তু ভাই, এই পরিস্থিতি তো বোধকরি সর্বদাই ছিল। 1971/72 এর রেকর্ডে ধ্বনিগৃহিত স্বর্গত ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়ের কৌতুক নক্শা "যুগের অভিযোগ" থেকে উদ্ধৃতি দেওয়া যেতে পারে।

স্থান - আদালত
" ফরিয়াদি: পুজোর দশ দিন পর প্রতিমার সামনে জলসা হচ্ছিল।
বিচারক: দশ দিন পর প্রতিমা ছিল কোথায়?
আসামী (ভানু) : ক্যান হুজুর, প্যান্ডেলে। মায়েরা বিসর্জন দিতে মন চায় না। মায়েরে ছাড়লেই তো আবার বাবার পাল্লায় পড়তে হইব। যতদিন প্যান্ডেলে মায়ে থাকেন বাড়িতে যাওনের প্রশ্ন নাই, মায়েরে পাহারা দিতে হয় তো। মায়ে চইলা গ্যালেই বাবায় ইস্কুলে পাঠাইতে চায়।
-------------
বিচারক: কেন, অন্ধকার কেন, রাস্তায় আলো ছিল না?
আসামী (ভানু): ছিল হুজুর, পূজার আগে ছিল। পূজার সময় রাস্তার ব্যাবাক আলো খুইলা প্যান্ডেলে লাগান হইছিল।"

সেই tradition সমানে চলছে। পার্থক্য কেবল মাত্রায়।
Avatar: এলেবেলে

Re: থিম পুজো

বড়ই কষ্টকল্পনা মনে হল। ডাক্তাররা পনেরোদিন ভোগ দিয়ে ব্রেকফাস্ট, লাঞ্চ, ডিনার সারবে? কলকাতার বারোয়ারিগুলোতে ভোগ পনেরো দিনের জন্য তৈরি হয় বুঝি? তাহলে তো গল্প মায়ের ভোগে চলে গেল।


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন