কুশান গুপ্ত RSS feed

নাম পরিবর্তন করি, এফিডেফিট বিনা।আসল নামে হাজার হাজার ডক্টর হাজরা আছেন, কে প্রথম জানা নেই, কে দ্বিতীয়, কে অদ্বিতীয়, এ ব্যাপারে ধারণা অস্বচ্ছ। অধমের ব্লগ অত্যন্ত ইনকনসিস্টেন্ট,কিছু বা খাপছাড়া, খানিকটা বারোভাজা ধরণের। কিন্তু গম্ভীর নিবন্ধের পর ক্লান্তি আসে, তখন কবিতা, তারপর ঘুম, ক্লান্তি ও নস্টালজিয়া। কোনো গন্তব্য নেই, তবু হাঁটতে হয় যেমন। একসময় অবকাশ ছিল অখন্ড, নিষিদ্ধ তামাশা লয়ে রংদার সমকাল চোখ মারিত। আজকাল আর মনেও হয় না, এ জীবন লইয়া কি করিব? আপনাদের হয়?

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • নাদির
    "ইনসাইড আস দেয়ার ইজ সামথিং দ্যাট হ্যাজ নো নেম,দ্যাট সামথিং ইজ হোয়াট উই আর।"― হোসে সারামাগো, ব্লাইন্ডনেস***হেলেন-...
  • জিয়াগঞ্জের ঘটনাঃ সাম্প্রদায়িক রাজনীতি ও ধর্মনিরপেক্ষতা
    আসামে এনার্সি কেসে লাথ খেয়েছে। একমাত্র দালাল ছাড়া গরিষ্ঠ বাঙালী এনার্সি চাই না। এসব বুঝে, জিয়াগঞ্জ নিয়ে উঠেপড়ে লেগেছিল। যাই হোক করে ঘটনাটি থেকে রাজনৈতিক ফায়দা তুলতেই হবে। মেরুকরনের রাজনীতিই এদের ভোট কৌশল। ঐক্যবদ্ধ বাঙালী জাতিকে হিন্দু মুসলমানে ভাগ করা ...
  • অরফ্যানগঞ্জ
    পায়ের নিচে মাটি তোলপাড় হচ্ছিল প্রফুল্লর— ভূমিকম্পর মত। পৃথিবীর অভ্যন্তরে যেন কেউ আছাড়ি পিছাড়ি খাচ্ছে— সেই প্রচণ্ড কাঁপুনিতে ফাটল ধরছে পথঘাট, দোকানবাজার, বহুতলে। পাতাল থেকে গোঙানির আওয়াজ আসছিল। ঝোড়ো বাতাস বইছিল রেলব্রিজের দিক থেকে। প্রফুল্ল দোকান থেকে ...
  • থিম পুজো
    অনেকদিন পরে পুরনো পাড়ায় গেছিলাম। মাঝে মাঝে যাই। পুরনো বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হয়, আড্ডা হয়। বন্ধুদের মা-বাবা-পরিবারের সঙ্গে কথা হয়। ভাল লাগে। বেশ রিজুভিনেটিং। এবার অনেকদিন পরে গেলাম। এবার গিয়ে শুনলাম তপেস নাকি ব্যবসা করে ফুলে ফেঁপে উঠেছে। একটু পরে তপেসও এল ...
  • কাঁসাইয়ের সুতি খেলা
    সেকালে কাঁসাই নদীতে 'সুতি' নামের একটা খেলা প্রচলিত ছিল। মাছ ধরার অভিনব এক পদ্ধতি, বহু কাল ধরে যা চলে আসছে। আমাদের পাড়ার একাধিক লোক সুতি খেলাতে অংশ নিত। এই মৎস্যশিকার সার্বজনীন, হিন্দু ও মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ে জনপ্রিয়। মনে আছে ক্লাস সেভেনে পড়ার সময় একদিন ...
  • শুভ বিজয়া
    আমার যে ঠাকুর-দেবতায় খুব একটা বিশ্বাস আছে, এমন নয়। শাশ্বত অবিনশ্বর আত্মাতেও নয়। এদিকে, আমার এই জীবন, এই বেঁচে থাকা, সবকিছু নিছকই জৈবরাসায়নিক ক্রিয়া, এমনটা সবসময় বিশ্বাস করতে ইচ্ছে করে না - জীবনের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য-পরিণ...
  • আবরার ফাহাদ হত্যার বিচার চাই...
    দেশের সবচেয়ে মেধাবীরা বুয়েটে পড়ার সুযোগ পায়। দেশের সবচেয়ে ভাল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিঃসন্দেহে বুয়েট। সেই প্রতিষ্ঠানের একজন ছাত্রকে শিবির সন্দেহে পিটিয়ে মেরে ফেলল কিছু বরাহ নন্দন! কাওকে পিটিয়ে মেরে ফেলা কি খুব সহজ কাজ? কতটুকু জোরে মারতে হয়? একজন মানুষ পারে ...
  • ইন্দুবালা ভাতের হোটেল-৭
    চন্দ্রপুলিধনঞ্জয় বাজার থেকে এনেছে গোটা দশেক নারকেল। কিলোটাক খোয়া ক্ষীর। চিনি। ছোট এলাচ আনতে ভুলে গেছে। যত বয়েস বাড়ছে ধনঞ্জয়ের ভুল হচ্ছে ততো। এই নিয়ে সকালে ইন্দুবালার সাথে কথা কাটাকাটি হয়েছে। ছোট খাটো ঝগড়াও। পুজো এলেই ইন্দুবালার মন ভালো থাকে না। কেমন যেন ...
  • গুমনামিজোচ্চরফেরেব্বাজ
    #গুমনামিজোচ্চরফেরেব্...
  • হাসিমারার হাটে
    অনেকদিন আগে একবার দিন সাতেকের জন্যে ভূটান বেড়াতে যাব ঠিক করেছিলাম। কলেজ থেকে বেরিয়ে তদ্দিনে বছরখানেক চাকরি করা হয়ে গেছে। পুজোর সপ্তমীর দিন আমি, অভিজিৎ আর শুভায়ু দার্জিলিং মেল ধরলাম। শিলিগুড়ি অব্দি ট্রেন, সেখান থেকে বাসে ফুন্টসলিং। ফুন্টসলিঙে এক রাত্তির ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

কাঁসাইয়ের সুতি খেলা

কুশান গুপ্ত

সেকালে কাঁসাই নদীতে 'সুতি' নামের একটা খেলা প্রচলিত ছিল। মাছ ধরার অভিনব এক পদ্ধতি, বহু কাল ধরে যা চলে আসছে। আমাদের পাড়ার একাধিক লোক সুতি খেলাতে অংশ নিত। এই মৎস্যশিকার সার্বজনীন, হিন্দু ও মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ে জনপ্রিয়। মনে আছে ক্লাস সেভেনে পড়ার সময় একদিন নদীর কাছে গিয়ে দেখি আমাদের পাড়ার প্রতিবেশী জনাব রাজা সুতিতে একটি মাঝারি রুই তুললেন। মাছটিকে খেলিয়ে টেনে তুলে এনে মাছের খাবি খাওয়া ঠোঁট মুখের কাছে নিয়ে কীসব অদ্ভুত মন্ত্র বিড়বিড় করে জপতে লাগলেন। এইসব লোকাচার খেলারই অঙ্গ।

শরতের কাঁসাই

যাই হোক, এবার নবমীর দিন সকালে কাঁসাই অভিমুখে রওনা দিলাম। অভিপ্রায়, পুরনো কৈশোরের নদীকে আবার ফিরে দেখা। গিয়ে দেখি, শরতের নদীর শরীর ভরা। আর, লক্ষ্যণীয় এই, যে, এখনো ভরা নদীতে জমিয়ে চলছে সেই সুতি খেলা। পুরনো স্মৃতির ঘন্টা ঢং করে বেজে উঠলো। চোখে পড়লো 'মালাছড়'। সারি সারি পাড়ে গাঁথা 'খুড়কি'। রোদ ঢাকার জন্য বড় কালো ছাতা।

মালাছড় বা বাঁশের লগি, ওপরে অর্ধ গোলাকার ঢিমার বাটি

কী থাকে এই অভিনব মৎস্য-শিকারে? একটি লাটাইয়ের মতন ফাঁপা বাঁশের 'খুড়কি', যাতে মোটা মজবুত সুতো জড়ানো। পর্যাপ্ত পরিমাণে সুতো রাখা হয়। সুতোর অন্য প্রান্তে বাঁধা হয় বড় মাছের উপযোগী বঁড়শির বড়সড় কাঁটা। কাঁটার ওপরের সুতোয় একটি এঁটেল কাদার মন্ড গোল করে আটকানো থাকে। এই কাদাতে মেশানো থাকে মাছের পছন্দসই ঝাঁঝালো গন্ধের মশলা। এই জমাট মন্ডটিকে বলা হয় 'ঢিমা'। কাঁটাতে কেঁচো গেঁথে মাটির গোলাকার ঢিমাটিকে একটি বাঁশের লগিতে রাখা একটি অর্ধগোলাকার বাটিতে বসানো হয়। এই বাটি সম্বলিত বাঁশের লগাটিকে 'মালাছড়' বা 'মালাবাড়ি' বলা হয়। এর পরে পর্যাপ্ত পরিমাণে খুড়কির সুতো ছেড়ে বাঁশের ছিপছিপে লগি তুলে মাঝ দরিয়ায় দুরন্ত গতিতে নিক্ষেপ করা হয়। গভীর জলে নিক্ষেপের উদ্দেশ্য, যাতে বড় মাছ এসে কাঁটায় গাঁথে।


খুড়কি ও আড়াডাং

নদীর জলে চেরা বাঁশের একটি বাতা রাখা হয়, যার নাম চিপ্পি। চিপ্পিতে সুতো টানটান রাখা হয়। খুড়কিগুলি গাঁথা থাকে লোহার শিকে বা শক্ত মজবুত ডান্ডায়, যার নাম 'আড়াডাং'।

ঢিমাটি মাঝদরিয়ায় ফেলার পরে সুতির শিকারী চুপচাপ বসে থাকে। মাছ এসে প্রথমে ঢিমার মাছের মশলার গন্ধে আকৃষ্ট হয় এবং ওই অংশ ঠোকরায়। কোনো ফাতনা না থাকলেও অভিজ্ঞ সুতি-খিলাড়ি বুঝতে পারে, কারণ সুতোয় অল্পবিস্তর টানাটানি পড়ে। এরপরে মাছ কেঁচোসহ কাঁটা গিলে টানাটানি করলে সুতোয় জোর টান পড়ে। নদীর জলে তীব্র বেগে ছোটাছুটি করে আক্রান্ত মাছ। খুড়কি নির্লিপ্ত ভাবে সুতো ছাড়তে থাকে, ঘরঘর করে ঘোরে তখন। এইবার শিকারির তৎপরতা শুরু হয়। আরম্ভ হয় মাছ-মানুষের দ্বৈরথ। কাঁসাইয়ের জলে ঢেউ ওঠে। যত বড় মাছ তত বড় ঢেউ। এ খেলায় মুন্সিয়ানা লাগে। লাগে ধৈর্য্য ও সময়জ্ঞান। আনাড়ি হাতের থেকে বড় মাছ কাঁটাসহ সুতো ছিঁড়ে পালিয়ে যায়। কিন্তু দক্ষ সুতির খেলোয়াড় মাছকে খেলিয়ে ক্লান্ত করে ধীরে ধীরে ডাঙার দিকে আনে। চরের কাছে এলেই ছোট ছানিজাল দিয়ে শেষ অবধি মাছটিকে ধরা হয়।
সুতিতে গাংরুই তোলা হচ্ছে

নদীর পাড়েই দেখা বসিরের সঙ্গে। ছোটবেলায় কবাডি খেলতাম। নিঃসঙ্কোচে জড়িয়ে ধরলো। জানা গেল, গতকালের ম্যান অফ দ্য ম্যাচ ছিলো বসির। সাড়ে নয় কিলোর কাতলা ধরেছে গতকাল সুতিতে। আজ্ঞে হ্যাঁ আট ন কিলো অবধি মাছ ধরা পড়ে এই সুতিতে।

চোখের সামনে ধরা পড়লো একজনের সুতিতে একটি আনুমানিক এক কিলো ওজনের গাংরুই। মিনিট পাঁচেকের কসরতে সে তুলে ফেললো মাছটি। গাংরুই হলো রুই ও কাতলার ক্রস। জিজ্ঞেস করলাম, এই মাছ নদীতে কীভাবে? ছোটবেলায়, এমনকী নব্বইয়ের দশকেও, এই মাছ বড়ো একটা দেখিনি। জবাব এলো, হয়ত কেউ পুকুরে হাইব্রিড চাষ করেছে। নদী বন্যায় হয়ত কারুর পুকুর ভাসিয়েছে। পরে নদীতে এই মাছ মিশে গেছে।

ফিরে আসার সময় মনে হচ্ছিলো কত শরৎ পেরিয়ে গেছে। তবুও শরতের ভরা আমাদের কাঁসাই এখনো এত উর্বর, এত মৎস্যপ্রসবা। কাঁসাইয়ের দুই পাড়ে কত মানুষের রুটির উৎস এই মাছের শিকার।

আর সেই শরৎ থেকে এই শরতের সুতি খেলা, আজও অব্যাহত, আজও সার্বজনীন।

সুতি খিলাড়ি বসিরের সঙ্গে

~~~~
কৃতজ্ঞতা: নারায়ণ বর্মন



400 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

শেয়ার করুন


Avatar: r2h

Re: কাঁসাইয়ের সুতি খেলা

এটা খুব ভালো লাগলো।

গাংরুই পড়ে মাঠমাগুর মনে পড়ে গেল। গোসাপকে আবার অনেক জায়গায় বলে বনরুই।
Avatar: প্রতিভা

Re: কাঁসাইয়ের সুতি খেলা

যেন নিজের চোখে দেখলাম। এইসব নিরীহ জীবিকা, বিনোদন সবই হারিয়ে যেতে বসেছে। উত্তরবঙ্গেও বড় ছাতা মাথায় লোকে সাগর দিঘিতে দেদার মাছ ধরতো। টিকেটরও ব্যবস্থা থাকতো। সব যেন চোখের সামনে ভেসে উঠলো।
Avatar: স্বাতী রায়

Re: কাঁসাইয়ের সুতি খেলা

খুব ভালো লাগল। মেদিনীপুরের এক পুকুরে আমার গামছা দিয়ে মাছ ধরার শুরু। আর শেষ মাত্র কবছর পরেই। মনে পড়ে গেল সেই হাতে জ্যান্ত কুচো মাছ ধরার আনন্দ। আবার জলে ছেড়ে দেওয়া। বাড়িতে আনলে পিটানি নিশ্চিত ছিল।
Avatar: i

Re: কাঁসাইয়ের সুতি খেলা

ছবিসমেত লেখা খুব ভালো লাগল।
Avatar: সুদীপ্ত রায়

Re: কাঁসাইয়ের সুতি খেলা

আমাদের মত শহুরে লোকেরা এসব জানে না। নগরায়নের চাপে এসব ক্রমে কমেও যাচ্ছে। লিপি বদ্ধ করে রাখাটা জরুরি। ধন্যবাদ।
Avatar: বিপ্লব রহমান

Re: কাঁসাইয়ের সুতি খেলা

চমৎকার লেখা ও ছবি! যেন সুতি খিলাড়ির সাথে নৌ বিহার হলো।

একটি তথ্যঃ এপারে রুই ও কাতলের ক্রস কে "কার্ফু" বলে, লেখক যাকে "গাং রুই" বলেছেন। খুবই সুস্বাদু খেতে, দেখতেও সেরাম সোনালি আভার।

আরো লিখুন। 🌷

~
অফটপিকঃ লেখায় ছবি দেন কিভাবে?
Avatar: b

Re: কাঁসাইয়ের সুতি খেলা

পঃ বঙ্গে আরো একটা নাম আছে, নাদিম রুই।
Avatar: Titir

Re: কাঁসাইয়ের সুতি খেলা

মেদিনীপুরের বাসিন্দা হলেও এই সুতি খেলার কথা কখন ও শুনিনি। এমন কি ওই বিভিন্ন নামগুলো বেশ অপরিচিত লাগল। শুধু ছানিজালটা চেনা।
বাড়িতে ফোন করে জানলাম বেশ বড় বড় মানে ওই কিলো পাঁচেক মত হবে রুই কাতলা পুকুরপাড় থেকে ভেসে গেছে অতি বর্ষণের ফলে।
Avatar: Sampad Roy

Re: কাঁসাইয়ের সুতি খেলা

প্রাঞ্জল লেখা. কিন্তু মন খারাপ হয়ে গেলো. চোখের সামনে
ভেসে উঠছে চূর্ণী নদীর তীরে হারানো শৈশব.
Avatar: কুশান

Re: কাঁসাইয়ের সুতি খেলা

প্রতিভাদি, সুদীপ্তদা, সম্পদ, স্বাতীদি, তিতির, বিপ্লব, I, b, r2h সবাইকে ধন্যবাদ মূল্যবান কমেন্টের জন্য। আর কিছু নয়, অভিজ্ঞতাটুকু সকলের সঙ্গে শেয়ার করাই ছিল এই নাতিদীর্ঘ লেখার উদ্দেশ্য।

গাংরুই এর অন্যান্য প্রচলিত নামগুলি জেনে ভালো লাগল।
তিতির হয়ত জানেন, মাছ ধরার, জাল ও ছিপ ছাড়া, অনেক দেশজ পদ্ধতি রয়েছে। কখনো সময় সুযোগ করে লিখব।

বিপ্লবকে জানাই, ছবিগুলি জুড়ে দিয়েছেন টিম গুরুচন্ডালি র সায়ন। ওকে অনুরোধ জানিয়েছিলাম।

ভাল থাকুন বন্ধুরা।
Avatar: বিপ্লব রহমান

Re: কাঁসাইয়ের সুতি খেলা

সায়ন দা লোক ভাল না, শুধু পার্সিয়াল্টি! 😴

আবার ছাতা কিনলে বসিরের মতো হাওয়াই মিঠে রং-এর কিনবো। হে হে... 👌
Avatar: অনিরুদ্ধ

Re: কাঁসাইয়ের সুতি খেলা

ভাই এবারের পাওনা তোমার ছবিতে গল্প। বাবার মুখে শুনেছিলাম অনেক টা এরকম মাছ ধরার গল্প। সেটা অবশ্য বীরভূম জেলার এক বর্ধিষ্ণু গ্রাম। আমাদের প্রত্যেক বছরের কালী পূজা র গন্তব্য।
এবারও যাচ্ছি, তোমার ছবির মত গল্প আর গল্প এর মতো ছবি গুলো খুঁজে বেড়াব।
Avatar: ষষ্ঠ পাণ্ডব

Re: কাঁসাইয়ের সুতি খেলা

@কুশান গুপ্তঃ ছবি, বর্ণনা আর গল্প মিলিয়ে চমৎকার পোস্ট। কাঁসাইয়ের গল্প আরও আসুক।

@r2h: আপনার একটু ভুল হচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। কারণ, গোসাপ/গুইসাপ (Monitor Lizard) হচ্ছে সরীসৃপ (Reptile) যা Varanidae পরিবারের (Family) অন্তর্ভুক্ত। অন্যদিকে, বনরুই (Pangolin) হচ্ছে স্তন্যপায়ী (Mammal) যা Manidae পরিবারের অন্তর্ভুক্ত।

@বিপ্লব রহমানঃ কমরেড, কুশান গুপ্ত গাঙরুইয়ের যে ছবি দিয়েছেন তাতে বোঝা যাচ্ছে এটা কারফু মাছ নয়। কারফু মাছের গায়ের অনেকটা জুড়ে আঁশ থাকে না। পেট কাতলা মাছের চেয়েও বড়। রঙ কমলার কাছাকাছি। তাছাড়া কারফু মোটেও রুই-কাতলার শংকর মাছ নয়।
Avatar: বিপ্লব রহমান

Re: কাঁসাইয়ের সুতি খেলা

পান্ডব দা'র ইনফো ঠিকই আছে। গো সাপ, বনরুই ইত্যাদি প্রসংগে আমিও ওই কথা বলতে চেয়েছিলাম।

যা হোক, কার্ফু কি মাছ, আর রুই/কাতলার ক্রস এপারে কি নামে পরিচিত জানা হলো না।
Avatar: র২হ

Re: কাঁসাইয়ের সুতি খেলা

ষষ্ঠ পান্ডব, হ্যাঁ ভুল হতে পারে, অনেক ছোটবেলায় শোনা। তবে স্থানভেদে ডাক পাল্টেও যায় হামেশাই।

বিপ্লবদা 😀😀। তা নয়, দরকার হলে অবশ্যই বান্দা হাজির।
তবে এটার একটা স্থায়ী সমাধান হয়ে যাবে মনে হয়, আর কদিন সবুর করুন।


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন