কুশান গুপ্ত RSS feed

নাম পরিবর্তন করি, এফিডেফিট বিনা।আসল নামে হাজার হাজার ডক্টর হাজরা আছেন, কে প্রথম জানা নেই, কে দ্বিতীয়, কে অদ্বিতীয়, এ ব্যাপারে ধারণা অস্বচ্ছ। অধমের ব্লগ অত্যন্ত ইনকনসিস্টেন্ট,কিছু বা খাপছাড়া, খানিকটা বারোভাজা ধরণের। কিন্তু গম্ভীর নিবন্ধের পর ক্লান্তি আসে, তখন কবিতা, তারপর ঘুম, ক্লান্তি ও নস্টালজিয়া। কোনো গন্তব্য নেই, তবু হাঁটতে হয় যেমন। একসময় অবকাশ ছিল অখন্ড, নিষিদ্ধ তামাশা লয়ে রংদার সমকাল চোখ মারিত। আজকাল আর মনেও হয় না, এ জীবন লইয়া কি করিব? আপনাদের হয়?

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • কিউয়ি আর বাঙালী
    পৃথিবীতে ছোট বড় মিলিয়ে ২০০র' কাছাকাছি দেশ, তার প্রায় প্রতিটিতেই বাঙালীর পদধূলি পড়েছে। তবে নিউজিল্যাণ্ড নামে দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে একটি দ্বীপমালা আছে, সে দেশের সঙ্গে ভারতীয়দের তথা বাঙালীদের আশ্চর্য ও বিশেষ সব সম্পর্ক, অনেকে জানেন নিশ্চয়ই।সে সব সম্পর্কের ...
  • মহামহিম মোদী
    মহামহিম মোদী নিঃসন্দেহে ইতিহাসে নাম তুলে ফেলেছেন। আজ থেকে পাঁচশো বছর পরে, ইশকুল-বইয়ে নিশ্চয়ই লেখা হবে, ভারতবর্ষে এমন একজন মহাসম্রাট এসেছিলেন, যিনি কাশ্মীরে টিভি সম্প্রচার বন্ধ করে কাশ্মীরিদের উদ্দেশে টিভিতে ভাষণ দিতেন। যিনি উত্তর-পূর্ব ভারতে ইন্টারনেট ...
  • পার্টিশানের অজানা গল্প ১
    এই ঘোর অন্ধকার সময়ে আরেকবার ফিরে দেখি ১৯৪৭ এর রক্তমাখা দিনগুলোকে। সেই দিনগুলো পার করে যাঁরা বেঁচে আছেন এখনও তাঁদেরই একজনের গল্প রইল আজকে। পড়ুন, জানুন, নিজের দিকে তাকান...============...
  • কাশ্মীরের ইতিহাস : পালাবদলের ৭৫ বছর
    কাশ্মীরের ইতিহাস : পালাবদলের ৭৫ বছর - সৌভিক ঘোষালভারতভুক্তির আগে কাশ্মীর১ব্রিটিশরা যখন ভারত ছেড়ে চলে যাবে এই ব্যাপারটা নিশ্চিত হয়ে গেল, তখন দুটো প্রধান সমস্যা এসে দাঁড়ালো আমাদের স্বাধীনতার সামনে। একটি অবশ্যই দেশ ভাগ সংক্রান্ত। বহু আলাপ-আলোচনা, ...
  • গাম্বিয়া - মিয়ানমারঃ শুরু হল যুগান্তকারী মামলার শুনানি
    নেদারল্যান্ডের হেগ শহরে অবস্থিত আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস—আইসিজে) মিয়ানমারের বিরুদ্ধে করা গাম্বিয়ার মামলার শুনানি শুরু হয়েছে আজকে। শান্তি প্রাসাদে শান্তি আসবে কিনা তার আইনই লড়াই শুরু আজকে থেকে। নেদারল্যান্ডের হেগ শহরের পিস ...
  • রাতপরী (গল্প)
    ‘কপাল মানুষের সঙ্গে সঙ্গে যায়। পালানোর কি আর উপায় আছে!’- এই সপ্তাহে শরীর ‘খারাপ’ থাকার কথা। কিন্তু, কিছু টাকার খুবই দরকার। সকালে পেট-না-হওয়ার ওষুধ গিলে, সন্ধেয় লিপস্টিক পাউডার ডলে প্রস্তুত থাকলে কী হবে, খদ্দের এলে তো! রাত প্রায় একটা। এই গলির কার্যত কোনো ...
  • রাতপরী (গল্প)
    ‘কপাল মানুষের সঙ্গে সঙ্গে যায়। পালানোর কি আর উপায় আছে!’- এই সপ্তাহে শরীর ‘খারাপ’ থাকার কথা। কিন্তু, কিছু টাকার খুবই দরকার। সকালে পেট-না-হওয়ার ওষুধ গিলে, সন্ধেয় লিপস্টিক পাউডার ডলে প্রস্তুত থাকলে কী হবে, খদ্দের এলে তো! রাত প্রায় একটা। এই গলির কার্যত কোনো ...
  • বিনম্র শ্রদ্ধা অজয় রায়
    একুশে পদকপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক অজয় রায় (৮৪) আর নেই। সোমবার ( ৯ ডিসেম্বর) দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার একটি হাসপাতালে শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। অধ্যাপক অজয় দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত নানা অসুখে ভুগছিলেন।২০১৫ ...
  • আমাদের চমৎকার বড়দা প্রসঙ্গে
    ইয়ে, স-অ-অ-অ-ব দেখছে। বড়দা সব দেখছে। বড়দা স্রেফ দেখেনি ওইখানে এক দিন রাম জন্মালেন, তার পর কারা বিদেশ থেকে এসে যেন ভেঙেটেঙে মসজিদ স্থাপন করল, কেন না বড়দা তখন ঘুমোচ্ছিলেন। ঘুম ভাঙল যখন, চোখ কচলেটচলে দেখলেন মস্ত ব্যাপার এ, বড়দা বললেন, ভেঙে ফেলো মসজিদ, জমি ...
  • ধর্ষকের মৃত্যুদন্ড দিলেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে ?
    যেকোন নারকীয় ধর্ষণের ঘটনা সংবাদ মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়ে সামনে আসার পর নাগরিক হিসাবে আমাদের একটা ঈমানি দায়িত্ব থাকে। দায়িত্বটা হল অভিযুক্ত ধর্ষকের কঠোরতম শাস্তির দাবি করা। কঠোরতম শাস্তি বলতে কারোর কাছে মৃত্যুদন্ড। কেউ একটু এগিয়ে ধর্ষকের পুরুষাঙ্গ কেটে নেওয়ার ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

কাঁসাইয়ের সুতি খেলা

কুশান গুপ্ত

সেকালে কাঁসাই নদীতে 'সুতি' নামের একটা খেলা প্রচলিত ছিল। মাছ ধরার অভিনব এক পদ্ধতি, বহু কাল ধরে যা চলে আসছে। আমাদের পাড়ার একাধিক লোক সুতি খেলাতে অংশ নিত। এই মৎস্যশিকার সার্বজনীন, হিন্দু ও মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ে জনপ্রিয়। মনে আছে ক্লাস সেভেনে পড়ার সময় একদিন নদীর কাছে গিয়ে দেখি আমাদের পাড়ার প্রতিবেশী জনাব রাজা সুতিতে একটি মাঝারি রুই তুললেন। মাছটিকে খেলিয়ে টেনে তুলে এনে মাছের খাবি খাওয়া ঠোঁট মুখের কাছে নিয়ে কীসব অদ্ভুত মন্ত্র বিড়বিড় করে জপতে লাগলেন। এইসব লোকাচার খেলারই অঙ্গ।

শরতের কাঁসাই

যাই হোক, এবার নবমীর দিন সকালে কাঁসাই অভিমুখে রওনা দিলাম। অভিপ্রায়, পুরনো কৈশোরের নদীকে আবার ফিরে দেখা। গিয়ে দেখি, শরতের নদীর শরীর ভরা। আর, লক্ষ্যণীয় এই, যে, এখনো ভরা নদীতে জমিয়ে চলছে সেই সুতি খেলা। পুরনো স্মৃতির ঘন্টা ঢং করে বেজে উঠলো। চোখে পড়লো 'মালাছড়'। সারি সারি পাড়ে গাঁথা 'খুড়কি'। রোদ ঢাকার জন্য বড় কালো ছাতা।

মালাছড় বা বাঁশের লগি, ওপরে অর্ধ গোলাকার ঢিমার বাটি

কী থাকে এই অভিনব মৎস্য-শিকারে? একটি লাটাইয়ের মতন ফাঁপা বাঁশের 'খুড়কি', যাতে মোটা মজবুত সুতো জড়ানো। পর্যাপ্ত পরিমাণে সুতো রাখা হয়। সুতোর অন্য প্রান্তে বাঁধা হয় বড় মাছের উপযোগী বঁড়শির বড়সড় কাঁটা। কাঁটার ওপরের সুতোয় একটি এঁটেল কাদার মন্ড গোল করে আটকানো থাকে। এই কাদাতে মেশানো থাকে মাছের পছন্দসই ঝাঁঝালো গন্ধের মশলা। এই জমাট মন্ডটিকে বলা হয় 'ঢিমা'। কাঁটাতে কেঁচো গেঁথে মাটির গোলাকার ঢিমাটিকে একটি বাঁশের লগিতে রাখা একটি অর্ধগোলাকার বাটিতে বসানো হয়। এই বাটি সম্বলিত বাঁশের লগাটিকে 'মালাছড়' বা 'মালাবাড়ি' বলা হয়। এর পরে পর্যাপ্ত পরিমাণে খুড়কির সুতো ছেড়ে বাঁশের ছিপছিপে লগি তুলে মাঝ দরিয়ায় দুরন্ত গতিতে নিক্ষেপ করা হয়। গভীর জলে নিক্ষেপের উদ্দেশ্য, যাতে বড় মাছ এসে কাঁটায় গাঁথে।


খুড়কি ও আড়াডাং

নদীর জলে চেরা বাঁশের একটি বাতা রাখা হয়, যার নাম চিপ্পি। চিপ্পিতে সুতো টানটান রাখা হয়। খুড়কিগুলি গাঁথা থাকে লোহার শিকে বা শক্ত মজবুত ডান্ডায়, যার নাম 'আড়াডাং'।

ঢিমাটি মাঝদরিয়ায় ফেলার পরে সুতির শিকারী চুপচাপ বসে থাকে। মাছ এসে প্রথমে ঢিমার মাছের মশলার গন্ধে আকৃষ্ট হয় এবং ওই অংশ ঠোকরায়। কোনো ফাতনা না থাকলেও অভিজ্ঞ সুতি-খিলাড়ি বুঝতে পারে, কারণ সুতোয় অল্পবিস্তর টানাটানি পড়ে। এরপরে মাছ কেঁচোসহ কাঁটা গিলে টানাটানি করলে সুতোয় জোর টান পড়ে। নদীর জলে তীব্র বেগে ছোটাছুটি করে আক্রান্ত মাছ। খুড়কি নির্লিপ্ত ভাবে সুতো ছাড়তে থাকে, ঘরঘর করে ঘোরে তখন। এইবার শিকারির তৎপরতা শুরু হয়। আরম্ভ হয় মাছ-মানুষের দ্বৈরথ। কাঁসাইয়ের জলে ঢেউ ওঠে। যত বড় মাছ তত বড় ঢেউ। এ খেলায় মুন্সিয়ানা লাগে। লাগে ধৈর্য্য ও সময়জ্ঞান। আনাড়ি হাতের থেকে বড় মাছ কাঁটাসহ সুতো ছিঁড়ে পালিয়ে যায়। কিন্তু দক্ষ সুতির খেলোয়াড় মাছকে খেলিয়ে ক্লান্ত করে ধীরে ধীরে ডাঙার দিকে আনে। চরের কাছে এলেই ছোট ছানিজাল দিয়ে শেষ অবধি মাছটিকে ধরা হয়।
সুতিতে গাংরুই তোলা হচ্ছে

নদীর পাড়েই দেখা বসিরের সঙ্গে। ছোটবেলায় কবাডি খেলতাম। নিঃসঙ্কোচে জড়িয়ে ধরলো। জানা গেল, গতকালের ম্যান অফ দ্য ম্যাচ ছিলো বসির। সাড়ে নয় কিলোর কাতলা ধরেছে গতকাল সুতিতে। আজ্ঞে হ্যাঁ আট ন কিলো অবধি মাছ ধরা পড়ে এই সুতিতে।

চোখের সামনে ধরা পড়লো একজনের সুতিতে একটি আনুমানিক এক কিলো ওজনের গাংরুই। মিনিট পাঁচেকের কসরতে সে তুলে ফেললো মাছটি। গাংরুই হলো রুই ও কাতলার ক্রস। জিজ্ঞেস করলাম, এই মাছ নদীতে কীভাবে? ছোটবেলায়, এমনকী নব্বইয়ের দশকেও, এই মাছ বড়ো একটা দেখিনি। জবাব এলো, হয়ত কেউ পুকুরে হাইব্রিড চাষ করেছে। নদী বন্যায় হয়ত কারুর পুকুর ভাসিয়েছে। পরে নদীতে এই মাছ মিশে গেছে।

ফিরে আসার সময় মনে হচ্ছিলো কত শরৎ পেরিয়ে গেছে। তবুও শরতের ভরা আমাদের কাঁসাই এখনো এত উর্বর, এত মৎস্যপ্রসবা। কাঁসাইয়ের দুই পাড়ে কত মানুষের রুটির উৎস এই মাছের শিকার।

আর সেই শরৎ থেকে এই শরতের সুতি খেলা, আজও অব্যাহত, আজও সার্বজনীন।

সুতি খিলাড়ি বসিরের সঙ্গে

~~~~
কৃতজ্ঞতা: নারায়ণ বর্মন



494 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

শেয়ার করুন


Avatar: r2h

Re: কাঁসাইয়ের সুতি খেলা

এটা খুব ভালো লাগলো।

গাংরুই পড়ে মাঠমাগুর মনে পড়ে গেল। গোসাপকে আবার অনেক জায়গায় বলে বনরুই।
Avatar: প্রতিভা

Re: কাঁসাইয়ের সুতি খেলা

যেন নিজের চোখে দেখলাম। এইসব নিরীহ জীবিকা, বিনোদন সবই হারিয়ে যেতে বসেছে। উত্তরবঙ্গেও বড় ছাতা মাথায় লোকে সাগর দিঘিতে দেদার মাছ ধরতো। টিকেটরও ব্যবস্থা থাকতো। সব যেন চোখের সামনে ভেসে উঠলো।
Avatar: স্বাতী রায়

Re: কাঁসাইয়ের সুতি খেলা

খুব ভালো লাগল। মেদিনীপুরের এক পুকুরে আমার গামছা দিয়ে মাছ ধরার শুরু। আর শেষ মাত্র কবছর পরেই। মনে পড়ে গেল সেই হাতে জ্যান্ত কুচো মাছ ধরার আনন্দ। আবার জলে ছেড়ে দেওয়া। বাড়িতে আনলে পিটানি নিশ্চিত ছিল।
Avatar: i

Re: কাঁসাইয়ের সুতি খেলা

ছবিসমেত লেখা খুব ভালো লাগল।
Avatar: সুদীপ্ত রায়

Re: কাঁসাইয়ের সুতি খেলা

আমাদের মত শহুরে লোকেরা এসব জানে না। নগরায়নের চাপে এসব ক্রমে কমেও যাচ্ছে। লিপি বদ্ধ করে রাখাটা জরুরি। ধন্যবাদ।
Avatar: বিপ্লব রহমান

Re: কাঁসাইয়ের সুতি খেলা

চমৎকার লেখা ও ছবি! যেন সুতি খিলাড়ির সাথে নৌ বিহার হলো।

একটি তথ্যঃ এপারে রুই ও কাতলের ক্রস কে "কার্ফু" বলে, লেখক যাকে "গাং রুই" বলেছেন। খুবই সুস্বাদু খেতে, দেখতেও সেরাম সোনালি আভার।

আরো লিখুন। 🌷

~
অফটপিকঃ লেখায় ছবি দেন কিভাবে?
Avatar: b

Re: কাঁসাইয়ের সুতি খেলা

পঃ বঙ্গে আরো একটা নাম আছে, নাদিম রুই।
Avatar: Titir

Re: কাঁসাইয়ের সুতি খেলা

মেদিনীপুরের বাসিন্দা হলেও এই সুতি খেলার কথা কখন ও শুনিনি। এমন কি ওই বিভিন্ন নামগুলো বেশ অপরিচিত লাগল। শুধু ছানিজালটা চেনা।
বাড়িতে ফোন করে জানলাম বেশ বড় বড় মানে ওই কিলো পাঁচেক মত হবে রুই কাতলা পুকুরপাড় থেকে ভেসে গেছে অতি বর্ষণের ফলে।
Avatar: Sampad Roy

Re: কাঁসাইয়ের সুতি খেলা

প্রাঞ্জল লেখা. কিন্তু মন খারাপ হয়ে গেলো. চোখের সামনে
ভেসে উঠছে চূর্ণী নদীর তীরে হারানো শৈশব.
Avatar: কুশান

Re: কাঁসাইয়ের সুতি খেলা

প্রতিভাদি, সুদীপ্তদা, সম্পদ, স্বাতীদি, তিতির, বিপ্লব, I, b, r2h সবাইকে ধন্যবাদ মূল্যবান কমেন্টের জন্য। আর কিছু নয়, অভিজ্ঞতাটুকু সকলের সঙ্গে শেয়ার করাই ছিল এই নাতিদীর্ঘ লেখার উদ্দেশ্য।

গাংরুই এর অন্যান্য প্রচলিত নামগুলি জেনে ভালো লাগল।
তিতির হয়ত জানেন, মাছ ধরার, জাল ও ছিপ ছাড়া, অনেক দেশজ পদ্ধতি রয়েছে। কখনো সময় সুযোগ করে লিখব।

বিপ্লবকে জানাই, ছবিগুলি জুড়ে দিয়েছেন টিম গুরুচন্ডালি র সায়ন। ওকে অনুরোধ জানিয়েছিলাম।

ভাল থাকুন বন্ধুরা।
Avatar: বিপ্লব রহমান

Re: কাঁসাইয়ের সুতি খেলা

সায়ন দা লোক ভাল না, শুধু পার্সিয়াল্টি! 😴

আবার ছাতা কিনলে বসিরের মতো হাওয়াই মিঠে রং-এর কিনবো। হে হে... 👌
Avatar: অনিরুদ্ধ

Re: কাঁসাইয়ের সুতি খেলা

ভাই এবারের পাওনা তোমার ছবিতে গল্প। বাবার মুখে শুনেছিলাম অনেক টা এরকম মাছ ধরার গল্প। সেটা অবশ্য বীরভূম জেলার এক বর্ধিষ্ণু গ্রাম। আমাদের প্রত্যেক বছরের কালী পূজা র গন্তব্য।
এবারও যাচ্ছি, তোমার ছবির মত গল্প আর গল্প এর মতো ছবি গুলো খুঁজে বেড়াব।
Avatar: ষষ্ঠ পাণ্ডব

Re: কাঁসাইয়ের সুতি খেলা

@কুশান গুপ্তঃ ছবি, বর্ণনা আর গল্প মিলিয়ে চমৎকার পোস্ট। কাঁসাইয়ের গল্প আরও আসুক।

@r2h: আপনার একটু ভুল হচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। কারণ, গোসাপ/গুইসাপ (Monitor Lizard) হচ্ছে সরীসৃপ (Reptile) যা Varanidae পরিবারের (Family) অন্তর্ভুক্ত। অন্যদিকে, বনরুই (Pangolin) হচ্ছে স্তন্যপায়ী (Mammal) যা Manidae পরিবারের অন্তর্ভুক্ত।

@বিপ্লব রহমানঃ কমরেড, কুশান গুপ্ত গাঙরুইয়ের যে ছবি দিয়েছেন তাতে বোঝা যাচ্ছে এটা কারফু মাছ নয়। কারফু মাছের গায়ের অনেকটা জুড়ে আঁশ থাকে না। পেট কাতলা মাছের চেয়েও বড়। রঙ কমলার কাছাকাছি। তাছাড়া কারফু মোটেও রুই-কাতলার শংকর মাছ নয়।
Avatar: বিপ্লব রহমান

Re: কাঁসাইয়ের সুতি খেলা

পান্ডব দা'র ইনফো ঠিকই আছে। গো সাপ, বনরুই ইত্যাদি প্রসংগে আমিও ওই কথা বলতে চেয়েছিলাম।

যা হোক, কার্ফু কি মাছ, আর রুই/কাতলার ক্রস এপারে কি নামে পরিচিত জানা হলো না।
Avatar: র২হ

Re: কাঁসাইয়ের সুতি খেলা

ষষ্ঠ পান্ডব, হ্যাঁ ভুল হতে পারে, অনেক ছোটবেলায় শোনা। তবে স্থানভেদে ডাক পাল্টেও যায় হামেশাই।

বিপ্লবদা 😀😀। তা নয়, দরকার হলে অবশ্যই বান্দা হাজির।
তবে এটার একটা স্থায়ী সমাধান হয়ে যাবে মনে হয়, আর কদিন সবুর করুন।
Avatar: দ

Re: কাঁসাইয়ের সুতি খেলা

বাহ ভারী সুন্দর। অনেক দেরীতে পড়লাম।
ভাল লাগল কুশান।
Avatar: b

Re: কাঁসাইয়ের সুতি খেলা

গুগলিয়ে যা বোজলাম, কার্ফু ফিশ হল পঃ বঙ্গের আমেরিকান রুই। আবার আসামে ওকে বলে "কোমল কান্ত"


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন