সৈকত ভট্টাচার্য RSS feed

লেখালিখি ইচ্ছেমত। অনিয়মিত। শখ মূলতঃ ঘোরাঘুরি। ছবি দেখা, ছবি তোলা। আর সুযোগ পেলে নতুন নতুন বেকিং রেসিপি ট্রাই করা।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • আর কিছু নয়
    প্রতিদিন পণ করি, তোমার দুয়ারে আর পণ্য হয়ে থাকা নয় ।তারপর দক্ষিণা মলয়ের প্রভাবে, পণ ভঙ্গ করে, ঠিক ঠিকখুলে দেই নিজের জানা-লা। তুমি ভাব, মূল্য পড়ে গেছে।আমি ভাবি, মূল্য বেড়ে গেছে।কখন যে কার মূল্য বাড়ে আর কার কমে , এই কথা ক'জনাই বা জানে?এই না-জানাদের দলে আমিই ...
  • একা আমলকী
    বাইরে কে একটা চিৎকার করছে। বাইরে মানে এই ছোট্টো নোংরা কফির দোকানটা, যার বৈশিষ্ট্যহীন টেবিলগুলোর ওপর ছড়িয়ে রয়েছে খাবারের গুঁড়ো আর দেয়ালে ঝোলানো ফ্যাকাশে ছবিটা কোনো জলপ্রপাত নাকি মেয়ের মুখ বোঝা যাচ্ছে না — এই দোকানটার দরজার কাছে দাঁড়িয়ে কেউ চিৎকার করছে। ...
  • গল্পঃ রেড বুকের লোকেরা
    রবিবার। সকাল দশটার মত বাজে।শহরের মিরপুর ডিওএইচেসে চাঞ্চল্যকর খুন। স্ত্রীকে হত্যা করে স্বামী পলাতক।টিভি স্ক্রিণে এই খবর ভাসছে। একজন কমবয়েসী রিপোর্টার চ্যাটাং চ্যাটাং করে কথা বলছে। কথা আর কিছুই নয়, চিরাচরিত খুনের ভাষ্য। বলার ভঙ্গিতে সাসপেন্স রাখার চেষ্টা ...
  • মহাভারতের কথা অমৃতসমান ২
    মহাভারতের কথা অমৃতসমান ২চিত্রগুপ্ত: হে দ্রুপদকন্যা, যজ্ঞাগ্নিসম্ভূতা পাঞ্চালী, বলো তোমার কি অভিযোগ। আজ এ সভায় দুর্যোধন, দু:শাসন, কর্ণ সবার বিচার হবে। দ্রৌপদী: ওদের বিরূদ্ধে আমার কোনও অভিযোগ নেই রাজন। ওরা ওদের ইচ্ছা কখনো অপ্রকাশ রাখেন নি। আমার অভিযোগ ...
  • মহাভারতের কথা অমৃতসমান
    কুন্তী: প্রণাম কুরুজ্যেষ্ঠ্য গঙ্গাপুত্র। ভীষ্ম: আহ্ কুন্তী, সুখী হও। কিন্তু এত রাত্রে? কোনও বিশেষ প্রয়োজন? কুন্তী: কাল প্রভাতেই খান্ডবপ্রস্থের উদ্দেশ্যে যাত্রা করব। তার আগে মনে একটি প্রশ্ন বড়ই বিব্রত করছিল। তাই ভাবলাম, একবার আপনার দর্শন করে যাই। ভীষ্ম: সে ...
  • অযোধ্যা রায়ঃ গণতন্ত্রের প্রত্যাশা এবং আদালত
    বাবরি রায় কী হতে চলেছে প্রায় সবাই জানতেন। তার প্রতিক্রিয়াও মোটামুটি প্রেডিক্টেবল। তবুও সকাল থেকে সোশ্যাল মিডিয়া, মানে মূলতঃ ফেবু আর হোয়াটস অ্যাপে চার ধরণের প্রতিক্রিয়া দেখলাম। বলাই বাহুল্য সবগুলিই রাজনৈতিক পরিচয়জ্ঞাপক। বিজেপি সমর্থক এবং দক্ষিণপন্থীরা ...
  • ফয়সালা বৃক্ষের কাহিনি
    অতিদূর পল্লীপ্রান্তে এক ফয়সালা বৃক্ষশাখায় পিন্টু মাষ্টার ও বলহরি বসবাস করিত । তরুবর শাখাবহুল হইলেও নাতিদীর্ঘ , এই লইয়া , সার্কাস পালানো বানর পিন্টু মাষ্টারের আক্ষেপের অন্ত ছিলনা । এদিকে বলহরি বয়সে অনুজ তায় শিবস্থ প্রকৃতির । শীতের প্রহর হইতে প্রহর ...
  • গেরিলা নেতা এমএন লারমা
    [মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমার ব্যক্তি ও রাজনৈতিক জীবনের মধ্যে লেখকের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়েছে, তার প্রায় এক দশকের গেরিলা জীবন। কারণ এম এন লারমাই প্রথম সশস্ত্র গেরিলা যুদ্ধের মাধ্যমে পাহাড়িদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখান। আর তাঁর ...
  • হ্যামলিনের বাঁশিওলা
    হ্যামলিনের বাঁশিওলার গল্পটা জানিস তো? একটা শহরে খুব ইঁদুরের উপদ্রব হয়েছিল। ইঁদুরের জ্বালায় শহরের লোকের ত্রাহি ত্রাহি রব। কিছুতেই ইঁদুর তাড়ান যাচ্ছেনা। এমন সময়ে হ্যামলিন শহর থেকে একজন বাঁশিওলা বাঁশি নিয়ে এল। শহরের মেয়রকে বলল যে উপযুক্ত পারিশ্রমিক পেলে সে ...
  • প্রেমের জীবন চক্র অথবা প্রেমিক-প্রেমিকার
    "তোমার মিলনে বুঝি গো জীবন, বিরহে মরণ"।প্রেমের চরম স্টেজটা পার করতে গিয়ে এই রকম একটা অনুভূতি আসে। একজন আরেকজনকে ছাড়া বাঁচে না। এই স্টেজটা যদি কোনভাবে খারাপের দিকে যায় তখন মানুষের নানা পাগলামি লক্ষ্য করা যায়। কখনো কখনো পাগলামিটা তার গন্ডি ছাড়িয়ে ছাগলামিতে ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

চন্দ্রকান্ত নাকেশ্বর

সৈকত ভট্টাচার্য

চন্দ্রযান-৩ যখন ফাইনালি টুক করে চাঁদে নেমেই পড়ল তখন 'বিশ্বে সে কী কলরব, সে কী মা ভক্তি, সে কী মা হর্ষ'-র মধ্যে বোম্বে ফিল্ম কোম্পানি ঠিক করল একটা ছবি বানাবে। চন্দ্রযান-১ যখন চাঁদে গেছিল, তখন একটুও ফুটেজ পায়নি। কিন্তু তারপর মঙ্গলযান নিয়ে একটা আস্ত ছবি হয়ে যাওয়ার অব্যবহিত পরই যখন চন্দ্রযান-২ চাঁদের থেকে কিলোমিটার দুয়েক আগে অবধি পৌঁছে যোগাযোগ হারিয়ে ফেলল, মানুষজন সমালোচনা করার জন্য তেড়েফুঁড়ে উঠল। কারণ একই সমস্যা মঙ্গলযানেও হয়েছিল। অন্ততঃ ছবিতে তাই দেখিয়েছে। তখন হাসব্যান্ডের শেখানো বুদ্ধিতে নায়িকা পাওয়ার অফ করে আবার অন্ করতেই কী সুন্দর ঝকঝকে কানেকশন! দরকার হলে মঙ্গলবাসীদের সাথে স্কাইপে চ্যাট অবধি করে ফেলা যাবে। এত চকচকে ছবি যে মঙ্গলকে কৃষ্ণনগর রোড বলে ভুল হচ্ছিল।

তাহলে? এই সহজ বুদ্ধিটা ইসরোর বিজ্ঞানীদের মাথায় এলো না?

সেই নিয়ে দেশে বিক্ষোভ হল। 'চন্দ্র সেনা' নামে এক নতুন দল এসে ব্যাঙ্গালোরে ইসরোর অফিসের সামনে ধর্ণায় বসার কর্মসূচী নিয়েছিল - কিন্তু ট্র্যাফিকে ফেঁসে গিয়ে সময় মত পৌঁছতে পারেনি কেউ। ইসরোর অফিস বন্ধ করে সবাই বাড়ি চলে গেছিল। তাই সেই ধর্ণা আর হয়নি। কেউ কেউ আবার ইসরো আর ইসকনের মধ্যে গুলিয়ে ফেলে ইসকন মন্দিরে গিয়ে ভাঙচুর করে এসেছিল বলেও রিপোর্ট পাওয়া গেছে! বিরোধী দল লোকসভার ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখিয়েছে। আবার এক অপেক্ষাকৃত বুদ্ধিমান দল বিএসএনএলের অফিস ভেঙে দিয়েছে - কারণ তাদের বিএসএনএল নেটওয়ার্ক বছরে তিনশোচুয়াল্লিশ দিন কাজ করেনা। তারা ভেবেছে সরকারি জিনিস যখন চন্দ্রযানকেও নিশ্চয়ই বিএসএনএল মোবাইল দিয়েই পাঠানো হয়েছিল।

দেশে কিছুদিন এমন বিক্ষোভ অনশন চলার পর মানুষ আবার আই পি এল নিয়ে ব্যস্ত হয়ে এসব ভুলে গেছিল। আমজনতার রকেট সায়েন্সের জ্ঞানে ধুলো জমছিল। ঠিক তখনই ইসরো নিজেকে প্রমাণ করার জন্য 'ভারত আবার জগতসভায় শ্রেষ্ঠ আসন লবে' ইত্যাদি গান-টান গেয়ে চন্দ্রযান-৩ কে চাঁদ তাক করে দেগে দিয়েছিল। এবং সেটা শেষমেশ শুধু ল্যান্ডই করেনি - পাঁচশো মিটার চলেছে, দেড়শ মিটার দৌড়েছে আর নাকি পঞ্চাশ মিটার একটু নেচেও নিয়েছে বলে শোনা গেছে। বিশ্বের এই প্রথম মুনরোভার যে নাকি নেচেছে - তাই বিশ্বে কলরব টলরব শোনা গেছে। দেশবাসী, মন্ত্রী, আমলা, সেনাবাহিনী, কূটনীতিক, মাওবাদী - সবাই হেব্বি খুশিতে ডগমগ। এই খুশির ব্যাপারটাকে মানিটাইজ করতে বোম্বে ফিল্ম কোম্পানি ঠিক করল যে একটি ছবি বানাবে।

ছবি বানাতে গেলে প্রাথমিকভাবে দুটো জিনিস লাগে - পয়সা আর হিরো। শ্রীগণেশের কল্যাণে বোম্বে ফিল্ম কোম্পানির পয়সার অভাব নেই। পুরোনাম শ্রীগনেশ মুত্তুস্বামী - কোম্পানির মালিক। আগে ইডলির দোকান ছিল। তারপর সারা ভারত জুড়ে সেই দোকানের চেন খুলে এখন বিলিয়নিয়ার। তাই ট্যাক্স ফাঁকি দেওয়া পয়সা রাখার জায়গা না পেয়ে বোম্বে ফিল্ম কোম্পানি খুলেছে। সুতরাং তাদের পয়সার সাথে 'অভাব' শব্দটা কোনভাবে যুক্ত হতে পারে - এই ধারণাটারই কোনও অস্তিত্ব নেই। দ্বিতীয় জিনিস হল - একজন হিরো। জিনিস বলে 'অব্জেক্টিফাই' করাটা ঠিক হল না। হিরো একজন মানুষ - সাইকেল নয়। সাধারণতঃ যে সব সিনেমাতে দেশাত্মবোধ-টোধ জড়িত থাকে সেখানে বাই ডিফল্ট একজন হিরোই চান্স পান। আর সিনেমায় চান্স না পেলে সিনেমার আগে সিগারেট না খেয়ে সেই পয়সায় বৌকে স্যানিটারি ন্যাপকিন কিনে দিয়ে এক ঢিলে দুই পাখি মারতে বলেন। এই ছবিতে যেহেতু ভারত চাঁদে পৌঁছাবে, তাই তাঁকেই পাকড়াও করা হল। তিনি রাজিও হয়ে গেলেন। ব্যাস! এবার ছবি বানিয়ে ফেললেই হয়!

এতক্ষণে শ্রীগনেশের মনেহল যে সিনেমা হলে তো গল্পও লাগবে। গল্প কোথায় পাওয়া যায়? মানে মোটামুটি ব্যাপারটা ভাবাই আছে। চাঁদে পৌঁছে মুনরোভারকে নাচাতে হবে - সেটা নাহয় স্পেশাল এফেক্ট দিয়ে হয়ে যাবে। কিন্তু বাকি সিনেমাটা? ঘন্টাদুয়েক মানুষকে এক ঠোঙা পপকর্ণ দিয়ে বসিয়ে রাখতে হবে তো!

অতএব গল্প চাই।

পয়সা থাকলে সব হয়। গল্পও হল। চারটে গান আছে। একজন বুদ্ধিমান ভিলেইন আছে। হিরো অসমীয়া। নাম নাকেশ্বর ওঝা। রকেটকে চাঁদ অবধি পৌঁছে দেয়ার দায়িত্ব তার উপর বর্তেছে। কিন্তু ভিলেইন ব্যাগরা দিচ্ছে। ভিলেন কেন ব্যাগরা দিচ্ছে - সেটা অবিশ্যি ভাল বোঝা যাচ্ছে না - কিন্তু দিচ্ছে। মানুষ অত কার্য কারণ ভেবে ছবি দেখেনা। যখনই যুক্তি কমজোরি মনে হবে, তখনই ভিলেইনের সাথে পাকিস্তানের একটা কানেকশন দেখিয়ে দিলেই হবে।

ছবির শুরুতে দেখা যাচ্ছে চন্দ্রযান-২ এর কন্ট্রোল রুম। রোভার চাঁদে নামবে নামবে করছে। কিন্তু কমিউনিকেশন উধাও। একজন মহিলা বিজ্ঞানী আগেই ঠাহর করেছিলেন একতা ঘাপলা কিছু হতে পারে - কিন্তু 'স্মার্ট রিস্ক' নেওয়ার চক্করে কাউকে কিছু বলেনি। ফলে প্রোডাকশনে গিয়ে ফেটে গেছে। মিশন ফেইলড। সে বেচারা বিজ্ঞানী মরমে মরে আছে। সরকারি চাকরির মায়া ত্যাগ করে উটিতে গিয়ে ক্যাফে খুলেছে। বলা বাহুল্য ইনিই হিরোইন। বিয়ে ফিয়ে করেননি। অ্যাপ্রন পরে নিজেই স্যান্ডুইচ বানিয়ে নিজেই সার্ভ করেন। একদিন হঠাৎ ক্যাফেতে দেখা হবে হিরোর সাথে। হিরো ঊটি ঘুরতে এসেছিল। হিরোইনকে দেখে চন্দ্রযান-৩ এর প্রজেক্টে যোগ দিতে বলে। কিন্তু তাহলে ক্যাফে কে চালাবে? ধনলক্ষ্মী ব্যাঙ্ক থেকে লোন নেওয়া আছে। ক্যাফে বন্ধ করে দিলে চলবে কী করে? সরকারি মাইনের টাকার অর্ধেক তো ব্যাঙ্গালোরে বাড়ি ভাড়া দিতেই চলে যাবে। এইসব ভেবে হিরোইন যখন নিমরাজি, তখন হিরো একটা দেশভক্তিমূলক গান গাইবে। হিরোইন পটে যাবে।

মিশনের সব তৈরি। এর মধ্যে অসমে থাকা বাঙালী হিরোর ফ্যামিলির সাথে এন আর সি নিয়ে হেব্বি বাওয়াল দিচ্ছে অসম সরকার। হিরোর মাথা হেব্বি গরম। মন্ত্রী ফন্ত্রীকে র‍্যান্ডম ঝাড় দিয়ে দিচ্ছে। ওদিকে ভিলেইন কাঠি করেই যাচ্ছে। সব মিলিয়ে পুরো ঘেঁটে ঘ।

যাইহোক অবশেষে সেই দিন এল। এদিকে ভিলেইন ফাইনাল কাঠি করার জন্য পকেটে করে আনা কাঁচি দিয়ে রোভারের তার কেটে দিয়েছে - যাতে রোভার নাচতে না পারে। দশ থেকে শূন্য অবধি গুনে চাঁদ তাক করে দেগে দেওয়া হল রকেট। সোঁ সোঁ করে রকেট উড়ে গেল। এবার থিম মিউজিক বাজবে। মহাকাশ থেকে দেখান হবে কীভাবে একটা একটা করে জ্বালানির স্টেজ আলাদা হয়ে রকেট চাঁদের দিকে যাচ্ছে। ঠিক এই সময় হিরো টের পাবে যে রোভারের তার কাটা। কারণ পকেট কাঁচিটা ভিলেইনের মেইন পয়েন্টে খোঁচা দিচ্ছিল বলে সেটা ডাস্টবিনে ফেলে দিয়েছিল সে। হিরো নাকেশ্বর বিড়ি খেয়ে ছাই ফেলতে গিয়ে সেটা দেখতে পেয়ে সব বুঝে গেছে। সাথে সাথে আয়রনম্যানকে ফোন করে স্যুট ধার চেয়েছে। এখানে আয়রণম্যানের একটা ক্যামিও রোল থাকবে। সেটা পরে নাকেশ্বর শাঁই করে উড়ে চলে গেছে চন্দ্রযানকে ধাওয়া করে। কন্ট্রোল রুমে কেউ এসব জানতে পারেনি। সবাই হঠাৎ স্ক্রিনে দেখতে পাচ্ছে চন্দ্রযানের দিকে একটা অজানা বস্তু উড়ে যাচ্ছে। ভাল করে দূরবীন দিয়ে দেখে দেখা গেল ওটা নাকেশ্বর। ভিলেইন যে এতক্ষণ দাঁত কেলিয়ে ঘুরছিল, তার মুখ শুকিয়ে গেছে। পরের শট মহাকাশে। নাকেশ্বর চন্দ্রযানকে খপ করে ধরে তার জুড়ে দিচ্ছে। তার জুড়ে দিতেই হল ফাটিয়ে হাততালি।

তারপরের ঘটনা খুব সংক্ষিপ্ত। নাকেশ্বর ফেরার সময় ভুল করে পাকিস্তানের মাটিতে ল্যান্ড করে যায়। কিন্তু নাকেশ্বরের দেশপ্রেম দেখে পাকিস্তানও হেব্বি খুশি হয়ে তাকে কিছু বলেনা - স্যাল্যুট করে টরে ছেড়ে দেয়। নইলে সিনেমা প্রায় তিনঘণ্টা হয়ে যাচ্ছিল। এরপর সরকার খুশি হয়ে নাকেশ্বরকে 'চন্দ্রকান্ত' উপাধি দেয়। নাকেশ্বরের নাম হয় - 'চন্দ্রকান্ত নাকেশ্বর'। ছবির শেষে স্ক্রিনে লেখা ফুটে উঠবে -

"চাঁদ চাঁদনি চক্রধর
চন্দ্রকান্ত নাকেশ্বর
ছল ছল খালের জল
নিরাকার মোষের দল
ত্রিভুবন থরোথরো
চাঁদে চড়ো, চাঁদে চড়ো।"

অবিশ্যি এই কবিতা হিন্দি অনুবাদ হলে কী হবে আমার জানা নেই - কেউ জানলে বলবেন...

474 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

শেয়ার করুন


Avatar: Atoz

Re: চন্দ্রকান্ত নাকেশ্বর

নাকেশ্বর নামার সময় হু হু করে নামতে নামতে খালের জলে এসে পড়লে আরো জমে যাবে। জলের মধ্যে মস্ত মস্ত কালো মোষ নিরাকার হয়ে অর্থাৎ কিনা জলে ডুবে স্নান করছিল।
ঃ-)
বিজ্ঞানীর চাকরি ছেড়ে ক্যাফে খুলে ফেলা নায়িকার নাম কী? নাকেশ্বরী? ঃ-)
Avatar: ন্যাড়া

Re: চন্দ্রকান্ত নাকেশ্বর

একঘর হয়েচে।
Avatar: dc

Re: চন্দ্রকান্ত নাকেশ্বর

ভিলেনের মুখ যখন আমসি হয়ে গেছে তখন ব্যাকগ্রাউন্ডে চ'য়ে চমৎকার কবিতাটা কেউ আবৃত্তি করলে ভালো হয়।
Avatar: দ

Re: চন্দ্রকান্ত নাকেশ্বর

হ্যা হ্যা ব্যপ্পক
Avatar: শঙ্খ

Re: চন্দ্রকান্ত নাকেশ্বর

জয়শ্রীর আম!


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন