সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • তিরাশির শীত
    ১৯৮৩ র শীতে লয়েডের ওয়েস্টইন্ডিজ ভারতে সফর করতে এলো। সেই সময়কার আমাদের মফস্বলের সেই শীতঋতু, তাজা খেজুর রস ও রকমারি টোপা কুলে আয়োজিত, রঙিন কমলালেবু-সুরভিত, কিছু অন্যরকম ছিলো। এত শীত, এত শীত সেই অধুনাবিস্মৃত কালে, কুয়াশাআচ্ছন্ন পুকুরের লেগে থাকা হিমে মাছ ...
  • ‘দাদাগিরি’-র ভূত এবং ভূতের দাদাগিরি
    রণে, বনে, জলে, জঙ্গলে, শ্যাওড়া গাছের মাথায়, পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে, ছাপাখানায় এবং সুখী গৃহকোণে প্রায়শই ভূত দেখা যায়, সে নিয়ে কোনও পাষণ্ড কোনওদিনই সন্দেহ প্রকাশ করেনি । কিন্তু তাই বলে দুরদর্শনে, প্রশ্নোত্তর প্রতিযোগিতার অনুষ্ঠানেও ? আজ্ঞে হ্যাঁ, দাদা ভরসা ...
  • আর কিছু নয়
    প্রতিদিন পণ করি, তোমার দুয়ারে আর পণ্য হয়ে থাকা নয় ।তারপর দক্ষিণা মলয়ের প্রভাবে, পণ ভঙ্গ করে, ঠিক ঠিকখুলে দেই নিজের জানা-লা। তুমি ভাব, মূল্য পড়ে গেছে।আমি ভাবি, মূল্য বেড়ে গেছে।কখন যে কার মূল্য বাড়ে আর কার কমে , এই কথা ক'জনাই বা জানে?এই না-জানাদের দলে আমিই ...
  • একা আমলকী
    বাইরে কে একটা চিৎকার করছে। বাইরে মানে এই ছোট্টো নোংরা কফির দোকানটা, যার বৈশিষ্ট্যহীন টেবিলগুলোর ওপর ছড়িয়ে রয়েছে খাবারের গুঁড়ো আর দেয়ালে ঝোলানো ফ্যাকাশে ছবিটা কোনো জলপ্রপাত নাকি মেয়ের মুখ বোঝা যাচ্ছে না — এই দোকানটার দরজার কাছে দাঁড়িয়ে কেউ চিৎকার করছে। ...
  • গল্পঃ রেড বুকের লোকেরা
    রবিবার। সকাল দশটার মত বাজে।শহরের মিরপুর ডিওএইচেসে চাঞ্চল্যকর খুন। স্ত্রীকে হত্যা করে স্বামী পলাতক।টিভি স্ক্রিণে এই খবর ভাসছে। একজন কমবয়েসী রিপোর্টার চ্যাটাং চ্যাটাং করে কথা বলছে। কথা আর কিছুই নয়, চিরাচরিত খুনের ভাষ্য। বলার ভঙ্গিতে সাসপেন্স রাখার চেষ্টা ...
  • মহাভারতের কথা অমৃতসমান ২
    মহাভারতের কথা অমৃতসমান ২চিত্রগুপ্ত: হে দ্রুপদকন্যা, যজ্ঞাগ্নিসম্ভূতা পাঞ্চালী, বলো তোমার কি অভিযোগ। আজ এ সভায় দুর্যোধন, দু:শাসন, কর্ণ সবার বিচার হবে। দ্রৌপদী: ওদের বিরূদ্ধে আমার কোনও অভিযোগ নেই রাজন। ওরা ওদের ইচ্ছা কখনো অপ্রকাশ রাখেন নি। আমার অভিযোগ ...
  • মহাভারতের কথা অমৃতসমান
    কুন্তী: প্রণাম কুরুজ্যেষ্ঠ্য গঙ্গাপুত্র। ভীষ্ম: আহ্ কুন্তী, সুখী হও। কিন্তু এত রাত্রে? কোনও বিশেষ প্রয়োজন? কুন্তী: কাল প্রভাতেই খান্ডবপ্রস্থের উদ্দেশ্যে যাত্রা করব। তার আগে মনে একটি প্রশ্ন বড়ই বিব্রত করছিল। তাই ভাবলাম, একবার আপনার দর্শন করে যাই। ভীষ্ম: সে ...
  • অযোধ্যা রায়ঃ গণতন্ত্রের প্রত্যাশা এবং আদালত
    বাবরি রায় কী হতে চলেছে প্রায় সবাই জানতেন। তার প্রতিক্রিয়াও মোটামুটি প্রেডিক্টেবল। তবুও সকাল থেকে সোশ্যাল মিডিয়া, মানে মূলতঃ ফেবু আর হোয়াটস অ্যাপে চার ধরণের প্রতিক্রিয়া দেখলাম। বলাই বাহুল্য সবগুলিই রাজনৈতিক পরিচয়জ্ঞাপক। বিজেপি সমর্থক এবং দক্ষিণপন্থীরা ...
  • ফয়সালা বৃক্ষের কাহিনি
    অতিদূর পল্লীপ্রান্তে এক ফয়সালা বৃক্ষশাখায় পিন্টু মাষ্টার ও বলহরি বসবাস করিত । তরুবর শাখাবহুল হইলেও নাতিদীর্ঘ , এই লইয়া , সার্কাস পালানো বানর পিন্টু মাষ্টারের আক্ষেপের অন্ত ছিলনা । এদিকে বলহরি বয়সে অনুজ তায় শিবস্থ প্রকৃতির । শীতের প্রহর হইতে প্রহর ...
  • গেরিলা নেতা এমএন লারমা
    [মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমার ব্যক্তি ও রাজনৈতিক জীবনের মধ্যে লেখকের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়েছে, তার প্রায় এক দশকের গেরিলা জীবন। কারণ এম এন লারমাই প্রথম সশস্ত্র গেরিলা যুদ্ধের মাধ্যমে পাহাড়িদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখান। আর তাঁর ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

চৌত্রিশ নম্বর জাতীয় সড়ক (গল্প)

Sourav Mitra

কয়েক হপ্তা আগেও রাত নামলে যে সড়ক অন্ধকারে মুখ লুকিয়েছে, সেখানে হঠাৎ বিশ-পঁচিশ পা অন্তর অন্তর তিন মানুষ উঁচু উঁচু খাম্বা আর আলোর বহর দেখে আরও একবার নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়ে হারু। একখানা ভাঙার চেষ্টায় হাতের শেষ ঢিলটি ফসকে গেলে অনেকটা যেন প্রতিবর্ত ক্রিয়ার মতো অস্ফুটে গালাগাল বেরিয়ে আসে ভেতর থেকে, ‘ধুর শালা, এত উঁচুতে কেউ লাইট লাগায়!’
- গুলতি আনলে হয় না হারুদা?
- তোর যেমন বুদ্ধি! খোলার কাচখানা কি মোটকা দেখছিস? তার ওপরে আবার লোহার জালি, - গুলতির নুড়িতে আঁচড়ও ধরবে না।
- মেলা ফ

আরও পড়ুন...

মা দূর্গাই নারী-রোবট সোফিয়ার অনুপ্রেরণা

Samrat Amin

কিছুদিন আগে মার্কিন মুলুকে একটি নারী রোবট তৈরি হয়েছে। সোফিয়া। ওয়াহাবিদের দেশ সৌদি আরব সোফিয়াকে প্রথম নাগরিকত্ব দিয়েছে। সোফিয়া ন্যাড়া, মাথায় চুল নেই। হিজাব নেই। বেগানা বেপর্দা নারী রোবট। তবুও ওয়াহাবিরা তাঁকে নাগরিকত্ব দিয়েছে। আবেগঘন বন্ধুত্বের দোহাই । সৌদিতে তাই যেকোন মার্কিন প্রোডাক্টই জায়েজ। এমনকি হলিউডের সিনেমাও। সে যাকগে, মোদ্দা কথাই আসি। তো এই যে সোফিয়া, আপনারা কি ভাবছেন ভারতীয় পূরাণের অনুপ্রেরনা ছাড়াই সেটা মার্কিনীরা বানিয়ে ফেলল ? সেটা আদৌ সম্ভব ? ধৃতরাষ্ট্রের পার্সোনাল পাইলট সঞ্জয়ের দিব্যদ

আরও পড়ুন...

মহালয়া

Parthasarathi Giri


মহালয়া

🌺


শহরে হেমন্ত আসে না। আসতে আসতে দু'দুটো ঢাউস জোড়া ব্রিজের মুখে সে কর্পুরের মতো উবে যায়। বিকেল নাগাদ একটা অজানা ঠাণ্ডা গন্ধ ছড়ায়। কারোর হঠাৎ মন কেমন করে। প্রয়োজনীয় কথার ফাঁকে ফাঁকে অকারণ ক্ষণবিরতি। এক মুহূর্তের কিছু বা বিস্মরণ। কোথাও কি যাবার ছিল? কেউ আসবে? কী জানি। পথচলতি লোকজন অকস্মাৎ একেকবার চোখ তুলে অকারণ আকাশ দেখে নেয়। কী দেখল কেন দেখল, জিজ্ঞেস করলে বলতে পারবে না।

সেসময় রোদ মরে এলে ঘোষগিন্নি ফণিমনসার গাছের টব থেকে গতকালের বাসি প্রদীপ তুলে নিয়ে যে

আরও পড়ুন...

বিপ্লব ও ঘটির অ্যামেরিকা দর্শন

ন্যাড়া

ফার্স্ট ইয়ারে ফাইলের ওপরে লিখেছিলাম "ইউনিভার্সিটি অফ যাদবপুর"। এদিকে প্রতিবাদী বামপন্থী। কিন্তু বিক্ষুব্ধ। মানে কোন দলে নেই। ইন্ডিপেন্ডেন্ট। কী করে যেন তালেগোলে আমি ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ক্লাস রিপ্রেজেন্টেটিভ মানে সিআর ক্যান্ডিডেট হয়ে গেলাম। কাগজের ভাষায় ডিএসএফ সমর্থিত নির্দল প্রার্থী। প্রতিদ্বন্দী এসএফয়াই-এর হয়ে দাঁড়ান আশিস দাস। অসম্ভব ম্যাড়ুম্যাড়ে ব্যাপার-স্যাপার। আমি আর আশিস গাছতলায় বসে কাউন্টার করে সিগারেট খাচ্ছিলাম আর জীবনের সুখ-দুঃখের গল্প করছিলাম। মেন বিল্ডিং-এ ব্যালট গোনা হচ্ছে। আমরা দুজন

আরও পড়ুন...

ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র

Bishan Basu

ভারত আর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র - মিল কতটুকু?

একটি দেশ যদি বিশ্বের সবচাইতে শক্তিশালী অর্থনীতি হয়, আরেকটির হাল বেশ নড়বড়ে - মানুষের হাতে কাজ নেই, আদ্ধেক মানুষের পেটে খাবার নেই, মাথার ওপরে ছাদ নেই, অসুস্থ হলে চিকিৎসার বন্দোবস্ত নেই। অবশ্য দুর্জনেরা বলেন, প্রথম দেশটিরও হাল সুবিধের নয় - গরীব-বড়লোকের মধ্যে বিভাজন বাড়ছে সেদেশেও, কাজ হারাচ্ছেন সেদেশেও হাজারে হাজারে মানুষ, চিকিৎসা করাতে না পেরে অসুস্থতা-হতাশায় ভুগছেন বিশ্বের সবচাইতে শক্তিশালী অর্থনীতির অজস্র নাগরিক।

কিন্তু, সে তো গেল আজকের

আরও পড়ুন...

দক্ষিণের কড়চা

Parthasarathi Giri

গরু বাগদির মর্মরহস্য

➡️

মাঝে কেবল একটি একক বাঁশের সাঁকো। তার দোসর আরেকটি ধরার বাঁশ লম্বালম্বি। সাঁকোর নিচে অতিদূর জ্বরের মতো পাতলা একটি খাল নিজের গায়ে কচুরিপানার চাদর জড়িয়ে রুগ্ন বহুকাল। খালটি জলনিকাশির। ঘোর বর্ষায় ফুলে ফেঁপে ওঠে পচা লাশের মতো। যেহেতু এই খালে চার চারটি রাইস মিলের ধানসেদ্ধ জল পড়ে, তাই লোকমুখে নাম পচুয়াখাল। খালটি মাতলায় গিয়ে পড়েছে।

গরু বাগদির কথা কেউ কখনও শোনে না। অথচ সে বোবা, এমন নয়। অপ্রয়োজনীয় কথা বলে না। তার কথা মান্যতা পায় না বলে সেও কারুর কথা মানতে

আরও পড়ুন...

বাংলায় এনআরসি ?

Samrat Amin

বাংলায় শেষমেস এনআরসি হবে, না হবে না, জানি না। তবে গ্রামের সাধারণ নিরক্ষর মানুষের মনে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়েছে। আজ ব্লক অফিসে গেছিলাম। দেখে তাজ্জব! এত এত মানু্ষের রেশন কার্ডে ভুল! কয়েকজনের সাথে কথা বলে জানলাম প্রায় সবার ভোটারেও ভুল। সব আইকার্ড নির্ভুল আছে এমন মানুষ খুঁজে পাওয়াই দুস্কর।

অন্যের ভুলের দায় সাধারন মানুষ গুলোকে পোহাতে হচ্ছে। লাল্টু সেখ, ফরিদা বিবি, লক্ষীরানী বাউরি, গোবিন্দ বায়েনদের লম্বা লাইন সাপের মতো চলে গেছে। কাউন্টার থেকে অফিসের প্রধান দরজা পেরিয়ে রোড অব্দি। ঘন্টার পর ঘন্টা এভ

আরও পড়ুন...

যান্ত্রিক বিপিন

অনির্বাণ দত্ত চৌধুরী

(১)

বিপিন বাবু সোদপুর থেকে ডি এন ৪৬ ধরবেন। প্রতিদিন’ই ধরেন। গত তিন-চার বছর ধরে এটাই বিপিন’বাবুর অফিস যাওয়ার রুট। হিতাচি এসি কোম্পানীর সিনিয়র টেকনিশিয়ন, বয়েস আটান্ন। এত বেশী বয়েসে বাড়ি বাড়ি ঘুরে এসি সার্ভিসিং করা, ইন্সটল করা একটু চাপ।


ভুল বললাম, অনেকটাই চাপ। সাধারণত: কেউ করে না। এই বয়েসে ম্যাক্সিমাম অফিসে বসে হাল্কা ডেস্ক ওয়ার্ক। খুব বেশী কায়িক পরিশ্রমের কাজ হলে কর্পোরেট অফিসে টানা সেন্ট্রাল এসি বসানোর কাজের দেখভাল। ওসব প্রোজেক্টে অনেক জুনিয়র ছেলে কাজ করে, তাদেরকে দিয়ে ঠিকঠ

আরও পড়ুন...

কাইট রানার ও তার বাপের গল্প

Rouhin Banerjee

গত তিন বছর ধরে ছেলের খুব ঘুড়ি ওড়ানোর শখ। গত দুবার আমাকে দিয়ে ঘুড়ি লাটাই কিনিয়েছে কিন্তু ওড়াতে পারেনা - কায়দা করার আগেই ঘুড়ি ছিঁড়ে যায়। গত বছর আমাকে নিয়ে ছাদে গেছিল কিন্তু এই ব্যপারে আমিও তথৈবচ - ছোটবেলায় মাথায় ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছিল ঘুড়ি ওড়ানো "বদ ছেলে" দের কাজ - অতএব গ্রাম / মফস্বলে ছেলেবেলা কাটিয়েও আমার ঘুড়ি ওড়ানো হয়নি - অন্যরা ওড়াতো, আমি সতৃষ্ণ নয়নে চেয়ে দেখে বোঝার চেষ্টা করতাম কেন এটা খারাপ কাজ। সে বোধ আজও হলনি আমার - এদিকে যারা এসব বলত, তারা দেখি কবে যেন পালটি খেয়ে গেছে - ঘুড়ি ওড়ানো নাকি খুবই

আরও পড়ুন...

কুচু-মনা উপাখ্যান

কুশান গুপ্ত

১৯৮৩ সনের মাঝামাঝি অকস্মাৎ আমাদের বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ(ক) শ্রেণী দুই দলে বিভক্ত হইয়া গেল।

এতদিন ক্লাসে নিরঙ্কুশ তথা একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করিয়া ছিল কুচু। কুচুর ভাল নাম কচ কুমার অধিকারী। সে ক্লাসে স্বীয় মহিমায় প্রভূত জনপ্রিয়তা অর্জন করিয়াছিল। একটি গান অবিকল কিশোরের স্টাইলে গাহিবার অব্যবহিত পরেই সে মহম্মদ রফির স্টাইলে পরবর্তী গান গাহিত। এছাড়া মিঠুনের কোন সিনেমা রিলিজ করিল, 'তেরি মেহেরবানিয়া'র স্টোরি কীরূপে অভিনব, দলবদলে ইস্টবেঙ্গল কীরূপ কৌশলে মোহনবাগানের হাতে হ্যারিকেন ধরাইল, এইসব বিষয়েও তা

আরও পড়ুন...

'আইনি পথে' অর্জিত অধিকার হরণ

দেশকাল ভাবনা

ফ্যাসিস্ট শাসন কায়েম ও কর্পোরেট পুঁজির স্বার্থে, দীর্ঘসংগ্রামে অর্জিত অধিকার সমূহকে মোদী সরকার হরণ করছে— আলোচনা করলেন রতন গায়েন।

দেশে নয়া উদারবাদী অর্থনীতি লাগু হওয়ার পর থেকেই দক্ষিণপন্থার সুদিন সূচিত হয়েছে। তথাপি ১৯৯০-২০১৪-র মধ্যবর্তী সময়ে দক্ষিণপন্থার দাপট বাম ও আঞ্চলিক শক্তির প্রভাবের কারণে কিছু পরিমাণে প্রশমিত ছিল। ২০১৪-র লোকসভা নির্বাচনে মোদীর নেতৃত্বে বিজেপি’র একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ চরম দক্ষিণপন্থার জন্ম দেয়। ২০১৯-র নির্বাচনে আরো বেশি গরিষ্ঠতা লাভকে মোদী দক্ষিণপন্থার পক্ষে এ

আরও পড়ুন...

সম্পাদকীয়-- অর্থনৈতিক সংকটের স্বরূপ

দেশকাল ভাবনা

মোদীর সিংহগর্জন আর অর্থনৈতিক সংকটের তীব্রতাকে চাপা দিয়ে রাখতে পারছে না। অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন শেষ পর্যন্ত স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছেন যে ভারতের অর্থনীতি সংকটের সম্মুখীন হয়েছে। সংকট কতটা গভীর সেটা তার স্বীকারোক্তিতে ধরা পড়েনি। ধরা পড়েনি এই নির্মম সত্যটি যে শ্রীনগরের লালচকে ভারতীয় সেনাবাহিনীর পৃষ্ঠপোষকতায় উগ্র হিন্দুত্ববাদী হরিয়ানার উছৃঙ্খল যুববাহিনীর উদ্দাম নৃত্যের ব্যবস্থা করে কিংবা গোবলয়ে মুসলিম পিটিয়ে অথবা দলিতনারীকে ধর্ষণ করার ঢালাও ব্যবস্থা করে এই সংকট এড়ানো যাবে না। বিষয়টা

আরও পড়ুন...

কাশ্মীরি পন্ডিত বিতাড়নঃ মিথ, ইতিহাস ও রাজনীতি

Samrat Amin

কাশ্মীরে ডোগরা রাজত্ব প্রতিষ্ঠিত হবার পর তাদের আত্মীয় পরিজনেরা কাশ্মীর উপত্যকায় বসতি শুরু করে। কাশ্মীরি ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়ের মানুষেরাও ছিলেন। এরা শিক্ষিত উচ্চ মধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্ত শ্রেনি। দেশভাগের পরেও এদের ছেলেমেয়েরা স্কুল কলেজে পড়াশোনা করেছে। অন্যদিকে কাশ্মীরে শিখ সম্প্রদায়ের মানুষ ব্যবসা বানিজ্যের সঙ্গে যুক্ত ছিল। সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিমরা ছিল কৃষি শ্রমিক, শিল্প সামগ্রী ও পর্যটন শ্রমিক। ডোগরা রাজাদের পৃষ্ঠপোষক ছিল হিন্দু জমিদার মালিক ও কাশ্মীরি পন্ডিতরা। প্রজাদের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশই মুসলিম। মালিকশ

আরও পড়ুন...

নিকানো উঠোনে ঝরে রোদ

জ্যোতিষ্ক

"তেরশত নদী শুধায় আমাকে, কোথা থেকে তুমি এলে ?
আমি তো এসেছি চর্যাপদের অক্ষরগুলো থেকে ..."

সেই অক্ষরগুলোকে ধরার আরেকটা অক্ষম চেষ্টা, আমার নতুন লেখায় ... এক বন্ধু অনেকদিন আগে বলেছিলো, 'আঙ্গুলের গভীর বন্দর থেকে যে নৌকোগুলো ছাড়ে সেগুলো ঠিক-ই গন্তব্যে পৌঁছে যায়' .. সেই বন্দরের দিকে তাকিয়েই ভাসিয়ে দিলাম এই লেখাটাও !

(বিধিসম্মত সতর্কীকরণঃ এই গল্পের সমস্ত ঘটনা কাল্পনিক, মনগড়া, আজগুবি এটসেটেরা। আসলে বাংলা মিডিয়ামের ছেলেরা আদৌ আমার মতন ল্যাদাভ্যারুস না, বরং অনেক স্মার্ট হয় ! কাউকে কাউ

আরও পড়ুন...

খানাকুল - ২

ন্যাড়া

[এর আগে - https://www.guruchandali.com/blog/2019/01/10/1547060078721.html]

অযোধ্যার নবাবির পত্তন করেছিলেন প্রথম সাদত আলি। পারস্যের লোক। দিল্লির মুঘল বাদশা তাঁকে অযোধ্যার নাজিম করে দেন। সেই নাজিমই লক্ষ্ণৌর কাছে ফয়জাবাদের রাজধানী স্থাপন করে অযোধ্যার নবাবি শুরু করেছিলেন। তৃতীয় নবাব সুজা-উদ-দৌলার আমলে রাজধানী চলে আসে লক্ষ্ণৌতে। সেই থেকে অযোধ্যা আর লক্ষ্ণৌ সমার্থক হয়ে ওঠে। তদ্দিনে দিল্লির অস্তগামী ছায়া পড়েছে লক্ষ্ণৌতে। লক্ষ্ণৌ তখন হিন্দুস্তানী সংস্কৃতির শুধু ধারক-বাহকই নয়, তার অগ্রডোমও বটে।

আরও পড়ুন...

চন্দ্রযান-উন্মত্ততা এবং আমাদের বিজ্ঞান গবেষণা

Debasis Bhattacharya

চন্দ্রযান-২ চাঁদের মাটিতে ঠিকঠাক নামতে পারেনি, তার ঠিক কী যে সমস্যা হয়েছে সেটা এখনও পর্যন্ত পরিষ্কার নয় । এই নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতে শুরু হয়েছে তর্কাতর্কি, সরকারের সমর্থক ও বিরোধীদের মধ্যে । প্রকল্পটির সাফল্য কামনা করে ইসরো-র শীর্ষস্থানীয় বিজ্ঞানীরা প্রকাশ্যে পুজো-আর্চা করেছেন, গুরুর শরণ নিয়েছেন । তাই নিয়ে চলেছে প্রবল হাসিঠাট্টা । আর সরকারের সমর্থকেরা তার উত্তরে বলছেন, চন্দ্রযানকে চাঁদে নামাতে না পারলেও নামবার অবস্থা পর্যন্ত পাঠাতে পারাটাই এক বিরাট কৃতিত্ব, এবং দেশের পক্ষে এক ভীষণ গর্বের ব্যাপার,

আরও পড়ুন...

দেশত্যাগ...

Muhammad Sadequzzaman Sharif

আমার এক বন্ধু ওর একটা ভিজিটিং কার্ড আমাকে দিয়েছিল। আমি হাতে নেওয়ার সময় কার্ডটা দেখে বুঝতে পারলাম কার্ডটা গতানুগতিক কোন কার্ড না, বেশ দামি বলা চলে। আমি বাহ! বলে কাজ শেষ করে দিলাম। আমি আমার বন্ধুকে চিনি, ওর কার্ডের প্রতি এরচেয়ে বেশি আগ্রহ দেখালে ও আমার মাথা নষ্ট করে দিবে এই কার্ডের আলাপ করেই। যা একশ তা হয়ত দু হাজার বলে বসে থাকবে। কিছু না বললেও হয়ত এই প্যাঁচাল আমাকে শুনতে হতে পারে, তাই আমি চুপ। কিন্তু আমি চুপ করলেও আমার পাশের জনের আর তর সইল না, জিজ্ঞাস করে বসল, দারুণ তো কার্ডটা, কত করে হাজার এই কার

আরও পড়ুন...

পাঠকের সঙ্গে তাদের হয় না কো দেখা

বোধশব্দ পত্রিকা

মানস চক্রবর্তী

কবিতা কি বিনােদনসামগ্রী? তর্ক এ নিয়ে আপাতত নয়। কবিতা কি আদৌ কোনাে সামগ্রী? কোনাে কিছুকে পণ্য হয়ে উঠতে হলেও তার একটা যােগ্যতা দরকার হয়। আজকের দিনে কবিতা সে-অবস্থায় আদৌ আছে কি না সবার আগে স্পষ্ট হওয়া দরকার। কবিতা নামে একটা ব্যাপার আছে, এটুকু সাধারণভাবে স্বীকৃত। স্বীকৃত বলেই নিউইয়র্ক টাইমস-এর গত নভেম্বরের বেস্টসেলার লিস্টে তিন নম্বরে ছিল কানাডার পাঞ্জাবি বংশােদ্ভূত কবি রুপি কউর-এর অক্টোবর ২০১৭-য় প্রকাশিত দ্য সান অ্যান্ড হার ফ্লাওয়ারস কবিতার বইটি। অর্থাৎ, মানুষ কবিত

আরও পড়ুন...

হে মোর দেবতা

শিবাংশু

তোমারি তুলনা তুমি....

আজ তাঁর জন্মদিন। আমার জংলা ডায়রির কয়েকটা ছেঁড়া পাতা উড়িয়ে দিলুম তাঁর ফেলে যাওয়া পথে।
দাঁড়াও পথিকবর....জন্ম যদি তব অরণ্যে,

" সবুজ কাগজে
সবুজেরা লেখে কবিতা
পৃথিবী এখন তাদের হাতের মুঠোয়"
(বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়)
মহাভারতের কালে অঙ্গ ও বঙ্গদেশ শুধুই অরণ্য ছিলো। কিন্তু বাঙালির অরণ্যপ্রীতির ইতিহাস বিশেষ প্রাচীন নয়। রাজা রামমোহন বেশ কিছুদিন চাতরার জঙ্গলমহলে আমিন ও মুন্সির কাজ করেছিলেন প্রায় দু'শো ব্ছর আগে। যে চাতরা আজকের দিনেও প্রায় দুর্গম একটি

আরও পড়ুন...

বেকার ও সমীকরণ

কুশান গুপ্ত

'বেকার'-এই শব্দটি আমাকে আজন্ম বিস্মিত করেছে।

বাংলায় লেখাপড়া শিখে, এমনকী একাদশ শ্রেণীতে বিজ্ঞান বিভাগে পড়ে, সে কী বাংলায় পদার্থবিদ্যার বিদ্যা বালানীয় চর্চা! যেমন, 'ও বিন্দুর সাপেক্ষে ভ্রামক লইয়া পাই।' ভ্রামক কি রে? ভ্রম না ভ্রমণের কাছাকাছি? না, ভ্রামকের নিকটবর্তী শব্দ হলো দ্বন্দ্ব। মূল শব্দ দুটি হলো, যথাক্রমে মোমেন্ট ও কাপল। অর্থাৎ, মুহূর্ত এবং দম্পতি/যুগল ভাবলেই ল্যাঠা চুকে যায়। তা নয়, একটি তীর আঁকা ভেক্টরীয় বল এবং নির্দিষ্ট বিন্দু হইতে উল্লম্ব দূরত্বের নির্ণেয় আজব গুণফল, চিত্তরঞ্জন দা

আরও পড়ুন...

ধানবাদের রায়বাবু

শ্রমজীবী ভাষা

অরূপ বসু

বেশ কয়েকমাস আগে লিখেছিলাম, ভাল নেই ধানবাদের রায়বাবু। অরুণকুমার রায়ের স্মিত হাসিমুখ ছবির সঙ্গে সেই খবর পড়ে অনেকেই বিচলিত হয়েছিলেন। এখন লিখতে হচ্ছে, ধানবাদের রায়বাবু আর নেই! যে খবর ইতিমধ্যেই অনেকের হৃদয়, মন বিবশ করেছে। রায়বাবু নেই, কিন্তু আন্দোলনের পথ রয়ে গেছে। গরিব, প্রান্তিক মানুষ, আদিবাসী, শ্রমিকদের জন্য যে পথ বেঁধে দেয় বন্ধনহীন গ্রন্থি!

বাবা-মায়ের দেওয়া নাম অরুণকুমার রায়। বিধায়ক ও সাংসদ হিসেবে রাজনৈতিক মহলে পরিচিত এ কে রায় হিসেবে। ধানবাদ, ঝরিয়া অঞ্চলে

আরও পড়ুন...

চন্দ্রকান্ত নাকেশ্বর

সৈকত ভট্টাচার্য

চন্দ্রযান-৩ যখন ফাইনালি টুক করে চাঁদে নেমেই পড়ল তখন 'বিশ্বে সে কী কলরব, সে কী মা ভক্তি, সে কী মা হর্ষ'-র মধ্যে বোম্বে ফিল্ম কোম্পানি ঠিক করল একটা ছবি বানাবে। চন্দ্রযান-১ যখন চাঁদে গেছিল, তখন একটুও ফুটেজ পায়নি। কিন্তু তারপর মঙ্গলযান নিয়ে একটা আস্ত ছবি হয়ে যাওয়ার অব্যবহিত পরই যখন চন্দ্রযান-২ চাঁদের থেকে কিলোমিটার দুয়েক আগে অবধি পৌঁছে যোগাযোগ হারিয়ে ফেলল, মানুষজন সমালোচনা করার জন্য তেড়েফুঁড়ে উঠল। কারণ একই সমস্যা মঙ্গলযানেও হয়েছিল। অন্ততঃ ছবিতে তাই দেখিয়েছে। তখন হাসব্যান্ডের শেখানো বুদ্ধিতে নায়িকা প

আরও পড়ুন...

পাখিদের পাঠশালা

কুশান গুপ্ত

'আচ্ছা, সারা দেশে মোট কতজন ক্যান্ডিডেট এই পরীক্ষাটা দেয়?', লোকটা সিগারেটে একটা টান দিয়ে প্রশ্ন করলো।

-'জানা নেই। তবে লাখ দশেক তো হবেই।', আমি বললাম।

- 'বাব্বা! এতজন! সিট কতো ?'

-'বলতে পারব না। ভাল কলেজ পেতে গেলে মেরিট লিস্টে যথেষ্ট ওপরে নাম থাকতে হবে।'

-' তার মানে একটা লম্বা মেরিট লিস্ট হবে নিশ্চয়। তা, সবাই সবার নাম দেখতে পাবে ?'

এই প্রশ্নে একটু অবাক হলাম। একটু বিরক্তিও বোধ হলো।

-'সবাই সবার নাম দেখতে পাওয়াটা ইস্যু না। যে যার নামই নিশ্চয় খুঁজে

আরও পড়ুন...

নীলকণ্ঠ পাখির খোঁজে - অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়

Muhammad Sadequzzaman Sharif

দেশভাগ। অদ্ভুত উদ্ভট কাণ্ড আমাদের পূর্বপুরুষদের। প্রাচীন এই পৃথিবীতে কত কাণ্ডই তো ঘটেছে, কোন কিছুই নতুন নয়। কিন্তু এমন ধারার কাণ্ড আর হয়নি। আর ভাগ তো ভাগ, মানুষজন এমন এক পরিস্থিতি তৈরি করে ফেলল যেন এই ভূমিতে তারা কোনদিন ছিলই না। এমন ভাবে তাদের কে দেশ ত্যাগ করানো হল যেন এরা এই দেশের কেউ না, কোন কালে ছিলও না। অথচ দুইদিন আগেও হয়ত একে ওপরের সুখে সুখী হয়েছে, দুঃখে কষ্ট পেয়েছে। নানান সামাজিক রাজনৈতিক প্যাচ মোচড়ে একদিন হুট করে খবর হল এই দেশ আর তোমাদের না, এই ভিটে মাটি তোমাদের না, তোমার বাপ দাদার আমলের

আরও পড়ুন...

ছবি দেখা - আর্শিল গোর্কির জীবন ও ছবি

Bishan Basu

ছবি দেখা - আর্শিল গোর্কির জীবন ও ছবি

বিষাণ বসু


ছবি নিয়ে, মেনেই নেওয়া যাক, আমাদের আগ্রহ তেমন একটা নেই। স্বভাবতই,ছবি-আঁকিয়েদের জীবন নিয়েও তেমন আগ্রহ থাকবে না - প্রত্যাশিত। তবু, ভ্যান গগ নিয়ে অনেকেই অল্পবিস্তর জানি। সিনেমা গল্প উপন্যাস মিলে, সেই জীবন ঘিরে তৈরী হয়েছে মিথ - সেই সুবাদেই দেখে নিয়েছি তাঁর আঁকা সূর্যমুখী, অন্ততপক্ষে - আর জিনিয়াসকে সমকাল তেমন করে চিনতে পারে না, তার উদাহরণ দিতে হলে বারবার উঠে এসেছে তাঁর নাম। আমজনতার কাছে ভ্যান গগের পরিচিতি হয়ত এটুকুই - কিন্তু, চিত্র

আরও পড়ুন...

আলফা, জিতেন দত্ত এবং এন-আর-সি

Saikat Bandyopadhyay

হ্যাঁ, এরই মধ্যে অসমীয়া উগ্র জাতিয়তাবাদীরা আসরে নেমে পড়েছেন। অসমীয়া পত্রপত্রিকায় চলছে খুল্লমখুল্লা জাতিরক্ষার আহ্বান। খিলঞ্জিয়াদের নিষ্ক্রিয়তা ত্যাগ করে জেগে ওঠার আহ্বান।

আলফা নেতা জিতেন দত্ত সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছেনঃ

"ছয় বছরের আসাম আন্দোলন, চল্লিশ বছরের প্রতীক্ষা আর চৌদ্দশ কোটি টাকা খরচ করে বাংলাদেশীদের স্বদেশী বানানো হল। কাল পর্যন্ত ভয়ে ভয়ে থাকা বাংলাদেশীরা এখন বুক ফুলিয়ে সামনে দাঁড়িয়ে জমির অধিকার চাইতে পারবে রাজনৈতিক অধিকার চাইতে পারবে। পাল পাল সন্তানের জন্ম দিয়ে, দ

আরও পড়ুন...

চঞ্চল নদের নাম ‌শঙ্খ*

বিপ্লব রহমান

[* এপারের "ইকরি-মিকরি" নামে বাচ্চাদের একটি পত্রিকার জন্য নদী বিষয়ক রচনা]

ছোট্ট বন্ধুরা, তোমরা কি জান, আমাদের বাংলাদেশের এক কোনে, দক্ষিণ-পূর্ব দিকে রয়েছে উঁচু উঁচু পাহাড়, ঘন সবুজ বন, ঝর্ণা, মেঘে আর প্রাকৃতিক শোভায় সুন্দর এক জনপদ? রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান– এই তিনটি জেলা নিয়ে গড়ে ওঠা পার্বত্য চট্টগ্রাম এই জনপদের নাম। পাহাড়ি-বাঙালি মিলিয়ে সেখানে আনুমানিক প্রায় ১৫ লাখ লোক বাস করেন।

প্রতিবেশী দেশ মায়ানমারের সীমান্ত ঘেঁষে দুর্গম বান্দরবান জেলাটি আয়তন প্রায় সাড়ে চার

আরও পড়ুন...

সংবিধানের ৩৭০ ধারা নিষ্ক্রিয়করণ ও রাজ্য ভাগ প্রসঙ্গে

দেশকাল ভাবনা

[জম্মু ও কাশ্মীরে সংবিধান স্বীকৃত বিশেষ অধিকার বিলোপ ও রাজ্যটিকে ভাগ করার সংবিধান বিরোধী পদক্ষেপ আসলে দেশের বহুত্ববাদ ও ধর্মনিরপেক্ষতার উপর আঘাত, বিজেপি’র হিন্দুত্ববাদ প্রতিষ্ঠার গেম প্ল্যান আলোচনা করলেন- রতন গায়েন।]

ভারতের রাষ্ট্রপতি ২০১৯-এর ৫ আগস্ট সংবিধানের ৩৭০(১) ধারা মোতাবেক এক আদেশনামায় জম্মু ও কাশ্মীর সরকারের ‘সম্মতিক্রমে’ কনস্টিটিউশন (অ্যাপ্লিকেশন টু জম্মু অ্যান্ড কাশ্মীর) অর্ডার ২০১৯ জারি করে ১৯৫৪ সালে ও তার পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রপতি জম্মু ও কাশ্মীর সংক্রান্ত যেসব আদেশনামা জার

আরও পড়ুন...

শুধু পদ্ধতিগত ত্রুটি?

দেশকাল ভাবনা

সম্পাদকীয় (আগস্ট সংখ্যা)

নানা ধর্ম, নানা বর্ণ, নানা ভাষা, নানা সংস্কৃতির দেশ ভারতবর্ষকে এক রাষ্ট্র এক নিশান-এর মধ্যে ঐক্যবদ্ধ রাখার পূর্বশর্ত হল সকলের স্বাতন্ত্র্য বজায় রেখে এক বহুত্ববাদী গণতান্ত্রিক ধর্মনিরপেক্ষ শাসন কাঠামোর নিশ্চয়তা প্রদান। এই রাষ্ট্রের অবয়ব যাঁরা গড়েছেন তারা যে এটা বুঝেছিলেন, এ দেশের সংবিধানের ছত্রে ছত্রে তার প্রমাণ আছে। তারা অবাস্তব কোনো কিছু অর্জন করার জন্য তাদের মেধা ও মনন প্রয়োগ করেছিলেন, যে উদ্ধত, অপরিণামদর্শী স্বল্প মেধার টুইট-নির্ভর ইনটেলেকচুয়াল গুন্ডারা

আরও পড়ুন...

পৃথিবীর মন ভালো নেই

Nahar Trina

পৃথিবীর মন ভালো নেই। থাকার কথাও না। এপ্রান্ত-ওপ্রান্ত জুড়ে চলছে অশান্তি আর অশান্তি। এত অশান্তি নিয়ে ভালো থাকা যায় না। প্রাকৃতিক বিপর্যয় ঠেকানোর ব্যাপারে মানুষ অনেক সময় অসহায়- এটা সত্যি। ধেয়ে আসা হারিকেন ডরিয়ান ইতিমধ্যেই ক্যাটাগরি পাঁচে উঠে বাহামার উত্তর পশ্চিমে আঘাত করেছে। তার পরবর্তী লক্ষ্য ফ্লোরিডা। স্বভাবতই স্হানীয় মানুষজনেরা ভীত। জীবন বাঁচানোর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্হায় ব্যস্ত। ১৯৩৫ সালের লেবার ডে হারিকেনের পর ডরিয়ান ধেয়ে আসছে ভয়াবহ গতিময় চেহারায়। সবদিক থেকে ক্ষয়ক্ষতি কম হোক সে প্রার্থনা।
আরও পড়ুন...

মনে করি আসাম যাবো জোরা পাঙ্খা টঙাইবো

Muhammad Sadequzzaman Sharif

আসাম তার চূড়ান্ত নাগরিক পঞ্জি প্রকাশ করেছে। জায়গা হয়নি ১৯ লাখ ৬ হাজার ৬৫৭ জনের। বাদ পড়ারা আবেদন করতে পারবে। অনেকের কাছেই এই তালিকা বিস্ময় হিসেবে এসেছে। সংখ্যা এত কমে যাবে ভাবেনি খোদ বিজেপি সরকার। তার ওপরে এই উনিশ লাখের মধ্যে হিন্দুদের সংখ্যা বেশি। এতে আরও ক্ষিপ্ত বিজেপির নেতারা। যেই আওয়াজ তুলে এত ঘটা করে এই নাগরিক তালিকা করা হল তা পুরোটাই ভেস্তে যেতে বসেছে। রাজ্যের গণপূর্ত, স্বাস্থ্য ও অর্থ বিষয়ক মন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা রীতিমত হতাশা ব্যক্ত করেছেন এই তালিকা নিয়ে। বাংলাদেশী মুসলিম তাড়ানোর যে পরি

আরও পড়ুন...

আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের শাড়ি রচনা প্রসঙ্গে

Muhammad Sadequzzaman Sharif

এর আগে তেঁতুল মার্কা হুজুরেরা তেঁতুল তত্ত্ব দিয়েছে। সমাজের নানা উঠতি মাঝারি, নিম্ন - নিম্ন মধ্যবিত্ত, দীর্ঘ, ক্ষুদ্র, নানা আকারের তাত্ত্বিকগণ নারী নিয়ে তত্ত্ব দিয়ে গেছে। নারী যেন পুরুষের তত্ত্বের জন্যই বেঁচে থাকে। যার যেমন দৃষ্টিভঙ্গি সে তেমন তেমন তত্ত্ব দিয়ে গেছে। নারীর কী করা যাবে আর কী করা যাবে না তা ঠিক করে দিবে পুরুষ। ঠিকাদারি দায়িত্ব নিয়ে এসেছে পুরুষ, এই দায়িত্ব বিল্ট ইন দেওয়া হয়েছে জন্মের সময় থেকেই। এই তত্ত্ব তত্ত্ব খেলা এতদিন নানাজনে দিয়ে গেলেও এর বিপরীতে দাঁড়ানোর মত মানুষ ছিল এখনো আছে।

আরও পড়ুন...