Prativa Sarker RSS feed

Prativa Sarkerএর খেরোর খাতা।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • থিম পুজো
    অনেকদিন পরে পুরনো পাড়ায় গেছিলাম। মাঝে মাঝে যাই। পুরনো বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হয়, আড্ডা হয়। বন্ধুদের মা-বাবা-পরিবারের সঙ্গে কথা হয়। ভাল লাগে। বেশ রিজুভিনেটিং। এবার অনেকদিন পরে গেলাম। এবার গিয়ে শুনলাম তপেস নাকি ব্যবসা করে ফুলে ফেঁপে উঠেছে। একটু পরে তপেসও এল ...
  • কাঁসাইয়ের সুতি খেলা
    সেকালে কাঁসাই নদীতে 'সুতি' নামের একটা খেলা প্রচলিত ছিল। মাছ ধরার অভিনব এক পদ্ধতি, বহু কাল ধরে যা চলে আসছে। আমাদের পাড়ার একাধিক লোক সুতি খেলাতে অংশ নিত। এই মৎস্যশিকার সার্বজনীন, হিন্দু ও মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ে জনপ্রিয়। মনে আছে ক্লাস সেভেনে পড়ার সময় একদিন ...
  • শুভ বিজয়া
    আমার যে ঠাকুর-দেবতায় খুব একটা বিশ্বাস আছে, এমন নয়। শাশ্বত অবিনশ্বর আত্মাতেও নয়। এদিকে, আমার এই জীবন, এই বেঁচে থাকা, সবকিছু নিছকই জৈবরাসায়নিক ক্রিয়া, এমনটা সবসময় বিশ্বাস করতে ইচ্ছে করে না - জীবনের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য-পরিণ...
  • আবরার ফাহাদ হত্যার বিচার চাই...
    দেশের সবচেয়ে মেধাবীরা বুয়েটে পড়ার সুযোগ পায়। দেশের সবচেয়ে ভাল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিঃসন্দেহে বুয়েট। সেই প্রতিষ্ঠানের একজন ছাত্রকে শিবির সন্দেহে পিটিয়ে মেরে ফেলল কিছু বরাহ নন্দন! কাওকে পিটিয়ে মেরে ফেলা কি খুব সহজ কাজ? কতটুকু জোরে মারতে হয়? একজন মানুষ পারে ...
  • ইন্দুবালা ভাতের হোটেল-৭
    চন্দ্রপুলিধনঞ্জয় বাজার থেকে এনেছে গোটা দশেক নারকেল। কিলোটাক খোয়া ক্ষীর। চিনি। ছোট এলাচ আনতে ভুলে গেছে। যত বয়েস বাড়ছে ধনঞ্জয়ের ভুল হচ্ছে ততো। এই নিয়ে সকালে ইন্দুবালার সাথে কথা কাটাকাটি হয়েছে। ছোট খাটো ঝগড়াও। পুজো এলেই ইন্দুবালার মন ভালো থাকে না। কেমন যেন ...
  • গুমনামিজোচ্চরফেরেব্বাজ
    #গুমনামিজোচ্চরফেরেব্...
  • হাসিমারার হাটে
    অনেকদিন আগে একবার দিন সাতেকের জন্যে ভূটান বেড়াতে যাব ঠিক করেছিলাম। কলেজ থেকে বেরিয়ে তদ্দিনে বছরখানেক চাকরি করা হয়ে গেছে। পুজোর সপ্তমীর দিন আমি, অভিজিৎ আর শুভায়ু দার্জিলিং মেল ধরলাম। শিলিগুড়ি অব্দি ট্রেন, সেখান থেকে বাসে ফুন্টসলিং। ফুন্টসলিঙে এক রাত্তির ...
  • দ্বিষো জহি
    বোধন হয়ে গেছে গতকাল। আজ ষষ্ঠ্যাদি কল্পারম্ভ, সন্ধ্যাবেলায় আমন্ত্রণ ও অধিবাস। তবে আমবাঙালির মতো, আমারও এসব স্পেশিয়ালাইজড শিডিউল নিয়ে মাথা ব্যাথা নেই তেমন - ছেলেবেলা থেকে আমি বুঝি দুগ্গা এসে গেছে, খুব আনন্দ হবে - এটুকুই।তা এখানে সেই আকাশ আজ। গভীর নীল - ...
  • গান্ধিজির স্বরাজ
    আমার চোখে আধুনিক ভারতের যত সমস্যা তার সবকটির মূলেই দায়ী আছে ব্রিটিশ শাসন। উদাহরণ, হাতে গরম এন আর সি নিন, প্রাক ব্রিটিশ ভারতে এরকম কোনও ইস্যুই ভাবা যেতো না। কিম্বা হিন্দু-মুসলমান, জাতিভেদ, আর্থিক বৈষম্য, জনস্ফীতি, গণস্বাস্থ্য ব্যবস্থার অভাব, শিক্ষার অভাব ...
  • সার্ধশতবর্ষে গান্ধী : একটি পুনর্মূল্যায়নের (অপ?) প্রয়াস
    [কথামুখ — প্রথমেই স্বীকার করে নেওয়া ভালো, আমার ইতিহাসের প্রথাগত পাঠ মাধ্যমিক অবধি। তবুও অ্যাকাডেমিক পরিসরের বাইরে নিছকই কৌতূহল থেকে গান্ধী বিষয়ক লেখাপত্তর পড়তে গিয়ে ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের এই অবিসংবাদী নেতাটি সম্পর্কে যে ধারণা লাভ করেছি আমি, তা আর ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

অধিকার এবং প্রতিহিংসা

Prativa Sarker





সল্ট লেকে পূর্ত ভবনের পাশের রাস্তাটায় এমনিতেই আলো খুব কম। রাস্তাটাও খুব ছোট। তার মধ্যেই ব্যানার হাতে একটা মিছিল ভরাট আওয়াজে এ মোড় থেকে ও মোড় যাচ্ছে - আমাদের ন্যায্য দাবী মানতে হবে, প্রতিহিংসার ট্রান্সফার মানছি না, মানব না।

এই শহরের উপকন্ঠে অভিনীত হয়ে যাচ্ছে প্রতিহিংসা এবং প্রতিরোধের এক কাহিনী, কিন্তু আমরা নাগরিকেরা আশ্চর্যভাবে কিছু না জেনেই সপ্তাহান্তে হস্তশিল্পমেলায় দৌড়চ্ছি, অথবা মাল্টিপ্লেক্সে। রোদ বৃষ্টি মাথায় নিয়ে অনশনরত প্রাথমিক শিক্ষকদের পাশে তেমনভাবে দাঁড়ায়নি এখনো এই শহর। জনসমর্থনের অভাবেই বোধহয় শিক্ষামন্ত্রী হুমকি দিতে দুবার ভাবেন না। যারা স্কুল কামাই করে আন্দোলন করছেন তাদের কোন ছুটি এডজাস্ট হবেনা, নিজের শীততাপ নিয়ন্ত্রিত চেম্বার থেকে মন্ত্রীমশাই গর্জন করছেন। কিন্তু একবারও বলছেন না যে প্রয়োজনীয় সমস্ত শর্ত পূরণের পরেও কেন প্রাথমিক শিক্ষকরা সর্বভারতীয় কাঠামো অনুযায়ী বেতন পাবেন না।

বিহারী বলে খুব নাক সেটকাই আমরা। বিহারে প্রাথমিক শিক্ষকদের গ্রেড পে ৪,২০০ টাকা। মানে বেতনক্রম ৯,৩০০ থেকে ৩৪,৮০০ টাকা। এই টাকাই মাস গেলে পান আরো ১৯টি রাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষকরা। সেখানে পশ্চিমবঙ্গে জাতির ভবিষ্যত নির্মাতাদের গ্রেড পে ২৬০০ টাকা। মাসমাইনের ফারাক ১৫ হাজার টাকার মতো। একে শোষণ বলা যাবে না ? প্রতিবাদ করা যাবে না এর বিরুদ্ধে?

উস্থি ইউনাইটেড প্রাইমারি টিচার্স এসোসিয়েশন দীর্ঘ দিন যাবত এই বেতনবৈষম্য দূর করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। গত মাসে ৭০ হাজার মিছিল- মানুষকে শাসক উত্তর দিয়েছে জলকামান,জেল, লাঠিচার্জ, শারীরিক নিপীড়নের মাধ্যমে। গত মাসে নেতৃত্বে থাকা ১৪ জন শিক্ষককে নিয়ম না থাকলেও ৬০০ কিমি দূরে অন্য জেলাতে আচমকা বদলি করে দিয়েছে। প্রতিবাদ দানা বাঁধলে অস্বস্তিতে তাদের ফিরিয়ে আনবার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল প্রশাসন। বাস্তবে কিছুই হয়নি।

শুধু বেতন বাড়াবার আন্দোলন এ নয়। অধিকার বুঝে নেবার আন্দোলনও বটে। বহু আগেই শিক্ষকদের ওপর নানা শর্ত চাপানো হয়েছিল - এনসিটিইর যোগ্যতামান অর্জন করতে হবে, হাইয়ার সেকেন্ডারিতে ৫০% চাই, শিক্ষক প্রশিক্ষণ থাকতে হবেই, ইত্যাদি। এর প্রত্যেকটিই তাঁরা অর্জন করেছেন। এনসিটিইর নিয়ম মানা হবে শর্তের ক্ষেত্রে শুধু একতরফা আর বেতনের বেলায় লবডঙ্কা তা তো হতে পারেনা। তাই শিক্ষকদের দাবী এনসিটিইর পে ব্যান্ড ৯,৩০০ টাকা পাওয়া তাদের অধিকারের মধ্যে পড়ে। মাসে ১৫০০০ টাকা বেতন কম নেবার মতো রহিস আদমি তারা কেউই নন। এই বর্ধিত বেতন তাদের পাওনা ২০১৫ সালের এপ্রিল মাস থেকে।

আবার পুলিশি নিপীড়ন কেবল সময়ের অপেক্ষা। রাত এগারোটা বেজে গেলেই রাস্তার ওপারে যাওয়া মানা। জলের ট্যাংকার দেয়নি সরকার। নিজেদের ভাড়া করতে হয়েছে। রাস্তাঘাট পরিষ্কার তাও শিক্ষদের দায়ি। সবসময় নজর রাখছে সাদা পোশাকের পুলিশ। তবু ছড়িয়েছিটিয়ে অদম্য কয়েকশো তরুণ তরুণী। মঞ্চে আমরণ অনশনে তাদের আঠারো জন প্রতিনিধি। আজ তিনদিন ছাড়িয়ে চতুর্থ দিন চলছে। বার বারই মনে পড়ে যাচ্ছিল প্রেস ক্লাবের সামনে চাকুরিপ্রার্থী ভবিষ্যত শিক্ষকদের জমায়েত। তাদেরকে দেওয়া প্রতিশ্রুতির খবর কী ?

ওদের পাশে গিয়ে দাঁড়াই, ওদের কথা শুনি। তারপর একমত হলে নাহয় শিক্ষকদের শ্লোগানে গলা মেলাব। আপাতত শহুরে জাড্য ভেঙে ওদের কাছে যাওয়া খুব জরুরী।


248 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

শেয়ার করুন


Avatar: Prativa Sarker

Re: অধিকার এবং প্রতিহিংসা

Avatar: Prativa Sarker

Re: অধিকার এবং প্রতিহিংসা

Avatar: Prativa Sarker

Re: অধিকার এবং প্রতিহিংসা

Avatar: Prativa Sarker

Re: অধিকার এবং প্রতিহিংসা

Avatar: বিপ্লব রহমান

Re: অধিকার এবং প্রতিহিংসা

এপারেও সরকারি তালিকাভূক্তির (এমপিও) দাবিতে প্রাথমিক শিক্ষকদের দীর্ঘ আন্দোলন চলছে।

অনশন, অবস্থান, জলকামান, লাঠিলেটা, টিয়ারগ্যাস, পিপার স্প্রে -- সবই চলছে, লাঠির আঘাতে এক বৃদ্ধ শিক্ষকের মৃত্যু পর্যন্ত হয়েছে, কিন্তু সরকার বাহাদুর যেন জেগে ঘুমাচ্ছেন।

ওদিকে উন্নয়নের খোয়াবনামায় দেশে দুধ ও মধুর নহর বইছে, অনুন্নত থেকে উন্নয়নশীল, তারপর নাকি স্বল্প আয় থেকে দেশ পৌঁছে গেছে মধ্যম আয়ে, আর বেসরকারি স্কুলের শিক্ষকরা বেতন-ভাতার দাবিতে ধুঁকে ধুঁকে মরছেন।

শিক্ষাই৷ নাকি জাতির মেরুদণ্ড, আর শিক্ষকদের অভুক্ত রেখে কি চমৎকার মেরুদণ্ডই না আমরা গড়ে তুলেছি!








Avatar: রঞ্জন

Re: অধিকার এবং প্রতিহিংসা

্সম্ভবতঃ আম্মাদের বেশ বড় অংশই এই সরকারি প্রাইমারি স্কুলে নিজের বাচ্চাদের পড়তে পাঠাই না । তাই ওঁদের আন্দোলন নিয়ে দূর থেকে নমস্কার করি , ইনভল্ভড হই না ।
Avatar: Nabanita

Re: অধিকার এবং প্রতিহিংসা

এনারা বেশিই সেই সব স্কুলের শিক্ষক যেখানে মধ্যবিত্তরা আজকাল ছেলেমেয়েদের পাঠাই না বলে শ্লাঘা অনুভব করি। কিন্তু অন্লে জায়্গাতেই এই শিক্ষকরা প্রথম প্রজন্মের সাক্ষর তৈরী করেন। “ট্যুকু বুনি উইঠ্লেই” রাতে রেল লাইনের ধারে বাবু ধরা ছাড়াও অন্য career choice এর সন্ধান দেন।

Avatar: Atoz

Re: অধিকার এবং প্রতিহিংসা

অন্য মধ্যবিত্ত তো দূরের কথা, এই শিক্ষক শিক্ষিকারা নিজেদের সন্তানদেরই কি এইসব সরকারী প্রাথমিক(এবং মাধ্যমিকও) স্কুলে পাঠান? একেবারেই না। নিজেরা চাকরি করবো অথচ নিজের সন্তানদের সেখানে পড়তে পাঠাবো না। এই আমাদের অবস্থা। তবেই বুঝুন কী সাংঘাতিক অবস্থা। এই পুরো ব্যাপারটার মধ্যেই একটা ভয়ানক ফোঁপড়া হয়ে যাওয়ার গল্প রয়েছে। যেকোনো মুহূর্তে ভেঙে পড়ার সম্ভাবনা। গোড়া কেটে আগায় জল দিলে এ অসুখ সারবে কি?
Avatar: শামীম আহমেদ

Re: অধিকার এবং প্রতিহিংসা

পড়শি রাজ্যের একজন পাঠশালা শিক্ষক হিসেবে এ লড়াই আমারও নিজের লড়াই। অনেক জরুরী একটা বিষয় নিয়ে লিখেছেন। এই আন্দোলনের প্রতি পূর্ণ সমর্থন রইল।
অনশনরত শিক্ষকদের পাশে দাঁড়াক জনগণ। সরকারও বাধ্য হোক দাবী মেনে নিতে।
Avatar: রঞ্জন

Re: অধিকার এবং প্রতিহিংসা

ওপরের সব মন্তব্যই যথাযথ।
কিন্তু এতে যেন আম্মাদের কারেন্ট ভয়াবহ সমস্যার থেকে চোখ সরে না যায় । একটি ক্লাস অফ টিচারদের ন্যায্য পেমেন্ট থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। এই অন্যায় কাল আম্মাদের সংগেও হতে পারে । তাই ওদের পাশে দাঁড়ানো খুব দরকারি। নইলে স্বেচ্ছাচারের আগুনে আমার ঘরও কাল পুড়তে পারে ।
Avatar: nabanita

Re: অধিকার এবং প্রতিহিংসা

আমার নিজের ছোট বোনের কথা জানি - masters degree with 1st class নিয়েও বাচ্চাদের পড়াতে ভালবাসে বলে প্রাইমারি টীচার্স ট্রেনিঙ নিয়ে প্রাইমারিতে চাকরি নেয়। সরকার বলেন NCERT approved ট্রেনিং করতে হবে - পুজো ও গরমের ছুটি জুড়ে নিজের পয়সায় সেই ট্রেনিং নেয়। প্রথম আন্দোলনে গ্রেফতার বরণ করে - ফলে আসানসোল থেকে ৭০ কিমি দূরে ট্রান্সফার, তায় আবার যখন ছেলে মেয়ের উচ্চ মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্যে ছুটিতে ছিল। ওর বর্তমান স্কুলে যাবার পথে ১৫/১৬ কিমি ঘন জঙ্গল, কোনো public transport চলে না। প্রতিদিন স্কুটি করে ঐ রাস্তা যাতায়াত করতে হয়। কিছুদিন আগে হাতি এক বাইক চালককে মেরে ফেলেছে ঐ রাস্তায় - ওরা ৩ ঘন্টা আটকে ছিল।

ঐ স্কুলে এর আগে কোনো মহিলা শিক্ষক ছিলেন না।

ঘটনাক্রমে আমার বোনের শাশুড়ি মা এক প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও জল সংরক্ষণের এক নামি activist, তিনি তাঁর চেনা জানাদের বললেই কিন্তু ব্যক্তিগত ভাবে ওর বদলী রদ হয়ে যেত। কিন্তু আদর্শগত ভাবে আমরা কেউ এটা চাই না। গত ৫ দিন শুধু জল খেয়ে অন্শনে। আমার ৭৪ বছরের মা কলকাতায় মাঝে মাঝে ওর কাছে যাচ্ছেন সাপোর্ট দিতে, আবার অব্সর প্রাপ্ত শিক্ষিকা হিসাবেও।

যে কোনো পেশাতেই ভাল খারাপ/efficient/inefficient মানুষ থাকেন। সেটা কিন্তু স্বেচ্ছাচারকে সমর্থন করার কোনো যুক্তি নয়।


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন