Prativa Sarker RSS feed

Prativa Sarkerএর খেরোর খাতা।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • ধর্ষকের মৃত্যুদন্ড দিলেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে ?
    যেকোন নারকীয় ধর্ষণের ঘটনা সংবাদ মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়ে সামনে আসার পর নাগরিক হিসাবে আমাদের একটা ঈমানি দায়িত্ব থাকে। দায়িত্বটা হল অভিযুক্ত ধর্ষকের কঠোরতম শাস্তির দাবি করা। কঠোরতম শাস্তি বলতে কারোর কাছে মৃত্যুদন্ড। কেউ একটু এগিয়ে ধর্ষকের পুরুষাঙ্গ কেটে নেওয়ার ...
  • তোমার পূজার ছলে
    বাঙালি মধ্যবিত্তের মার্জিত ও পরিশীলিত হাবভাব দেখতে বেশ লাগে। অপসংস্কৃতি নিয়ে বাঙালি চিরকাল ওয়াকিবহাল ছিল। আজও আছে। বেশ লাগে। কিন্তু, বুকে হাত দিয়ে বলুন, আপনার প্রবল ক্ষোভ ও অপমানে আপনার কি খুব পরিশীলিত, গঙ্গাজলে ধোওয়া আদ্যন্ত সাত্ত্বিক শব্দ মনে পড়ে? না ...
  • The Irishman
    দা আইরিশম্যান। সিনেমা প্রেমীদের জন্য মার্টিন স্করসিসের নতুন বিস্ময়। ট্যাক্সি ড্রাইভার, গুডফেলাস, ক্যাসিনো, গ্যাংস অব নিউইয়র্ক, দা অ্যাভিয়েটর, দ্য ডিপার্টেড, শাটার আইল্যান্ড, দ্য উল্ফ অব ওয়াল স্ট্রিট, সাইলেন্টের পরের জায়গা দা আইরিশম্যান। বর্তমান সময়ের ...
  • তোকে আমরা কী দিইনি?
    পূর্ণেন্দু পত্রী মশাই মার্জনা করবেন -********তোকে আমরা কী দিইনি নরেন?আগুন জ্বালিয়ে হোলি খেলবি বলে আমরা তোকে দিয়েছি এক ট্রেন ভর্তি করসেবক। দেদার মুসলমান মারবি বলে তুলে দিয়েছি পুরো গুজরাট। তোর রাজধর্ম পালন করতে ইচ্ছে করে বলে পাঠিয়ে দিয়েছি স্বয়ং আদবানীজীকে, ...
  • ইশকুল ও আর্কাদি গাইদার
    "জাহাজ আসে, বলে, ধন্যি খোকা !বিমান আসে, বলে, ধন্যি খোকা !এঞ্জিনও যায়, ধন্যি তোরে খোকা !আসে তরুণ পাইওনিয়র,সেলাম তোরে খোকা !"আরজামাস বলে একটা শহর ছিল। ছোট্ট শহর, অনেক দূরের, অন্য মহাদেশে। অনেক ছোটবেলায় চিনে ফেলেছিলাম। ভৌগোলিক দূরত্ব টের পাইনি।টের পেতে দেননি ...
  • ছন্দহীন কবিতা
    একদিন দুঃসাহসের পাখায় ভর করে,ছুঁতে চেয়েছিলাম কবিতার শরীর ।দ্বিখন্ডিত বাংলার মত কবিতা হয়ে উঠলোছন্দহীন ।অর্থহীন যাত্রার “কা কা” চিৎকারে,ছুটে এলোপ্রতিবাদী পাঠক।ছন্দভঙ্গের নায়কডানা ভেঙ্গে পড়িপুঁথি পুস্তকের এক দোকানে।আলোক প্রাপ্তির প্রত্যাশায়,যোগ ধ্যানে কেটে ...
  • হ্যালোউইনের ভূত
    হ্যালোউইন চলে গেল। আমাদের বাড়িতে হ্যালোউইনের রীতি হল মেয়েরা বন্ধুদের সঙ্গে ট্রিক-অর-ট্রিট করতে বেরোয় দল বেঁধে। পেছনে পেছনে চলে মায়েদের দল। আর আমি বাড়িতে থাকি ক্যান্ডি বিতরণ করব বলে। মুহূর্মুহূ কলিং বেল বাজে, আমি হাসি-হাসি মুখে ক্যান্ডির গামলা নিয়ে দরজা ...
  • হয়নি
    তুমি ভালবাসতে চেয়েছিলে।আমিও ।হয়নি।তুমিঅনেক দূর অব্দি চলে এসেছিলে।আমিও ।হয়নি আর পথ চলা।তুমি ফিরে গেলে,জানালে,ভালবাসতে চেয়েছিলেহয়নি। আমি জানলামচেয়ে পাইনি।হয়নি।জলভেজা চোখে ভেসে গেলআমাদের অতীত।স্মিত হেসে সামনে এসে দাঁড়ালোপথদুজনার দু টি পথ।সেপ্টেম্বর ২২, ...
  • তিরাশির শীত
    ১৯৮৩ র শীতে লয়েডের ওয়েস্টইন্ডিজ ভারতে সফর করতে এলো। সেই সময়কার আমাদের মফস্বলের সেই শীতঋতু, তাজা খেজুর রস ও রকমারি টোপা কুলে আয়োজিত, রঙিন কমলালেবু-সুরভিত, কিছু অন্যরকম ছিলো। এত শীত, এত শীত সেই অধুনাবিস্মৃত কালে, কুয়াশাআচ্ছন্ন পুকুরের লেগে থাকা হিমে মাছ ...
  • ‘দাদাগিরি’-র ভূত এবং ভূতের দাদাগিরি
    রণে, বনে, জলে, জঙ্গলে, শ্যাওড়া গাছের মাথায়, পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে, ছাপাখানায় এবং সুখী গৃহকোণে প্রায়শই ভূত দেখা যায়, সে নিয়ে কোনও পাষণ্ড কোনওদিনই সন্দেহ প্রকাশ করেনি । কিন্তু তাই বলে দুরদর্শনে, প্রশ্নোত্তর প্রতিযোগিতার অনুষ্ঠানেও ? আজ্ঞে হ্যাঁ, দাদা ভরসা ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

অধিকার এবং প্রতিহিংসা

Prativa Sarker





সল্ট লেকে পূর্ত ভবনের পাশের রাস্তাটায় এমনিতেই আলো খুব কম। রাস্তাটাও খুব ছোট। তার মধ্যেই ব্যানার হাতে একটা মিছিল ভরাট আওয়াজে এ মোড় থেকে ও মোড় যাচ্ছে - আমাদের ন্যায্য দাবী মানতে হবে, প্রতিহিংসার ট্রান্সফার মানছি না, মানব না।

এই শহরের উপকন্ঠে অভিনীত হয়ে যাচ্ছে প্রতিহিংসা এবং প্রতিরোধের এক কাহিনী, কিন্তু আমরা নাগরিকেরা আশ্চর্যভাবে কিছু না জেনেই সপ্তাহান্তে হস্তশিল্পমেলায় দৌড়চ্ছি, অথবা মাল্টিপ্লেক্সে। রোদ বৃষ্টি মাথায় নিয়ে অনশনরত প্রাথমিক শিক্ষকদের পাশে তেমনভাবে দাঁড়ায়নি এখনো এই শহর। জনসমর্থনের অভাবেই বোধহয় শিক্ষামন্ত্রী হুমকি দিতে দুবার ভাবেন না। যারা স্কুল কামাই করে আন্দোলন করছেন তাদের কোন ছুটি এডজাস্ট হবেনা, নিজের শীততাপ নিয়ন্ত্রিত চেম্বার থেকে মন্ত্রীমশাই গর্জন করছেন। কিন্তু একবারও বলছেন না যে প্রয়োজনীয় সমস্ত শর্ত পূরণের পরেও কেন প্রাথমিক শিক্ষকরা সর্বভারতীয় কাঠামো অনুযায়ী বেতন পাবেন না।

বিহারী বলে খুব নাক সেটকাই আমরা। বিহারে প্রাথমিক শিক্ষকদের গ্রেড পে ৪,২০০ টাকা। মানে বেতনক্রম ৯,৩০০ থেকে ৩৪,৮০০ টাকা। এই টাকাই মাস গেলে পান আরো ১৯টি রাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষকরা। সেখানে পশ্চিমবঙ্গে জাতির ভবিষ্যত নির্মাতাদের গ্রেড পে ২৬০০ টাকা। মাসমাইনের ফারাক ১৫ হাজার টাকার মতো। একে শোষণ বলা যাবে না ? প্রতিবাদ করা যাবে না এর বিরুদ্ধে?

উস্থি ইউনাইটেড প্রাইমারি টিচার্স এসোসিয়েশন দীর্ঘ দিন যাবত এই বেতনবৈষম্য দূর করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। গত মাসে ৭০ হাজার মিছিল- মানুষকে শাসক উত্তর দিয়েছে জলকামান,জেল, লাঠিচার্জ, শারীরিক নিপীড়নের মাধ্যমে। গত মাসে নেতৃত্বে থাকা ১৪ জন শিক্ষককে নিয়ম না থাকলেও ৬০০ কিমি দূরে অন্য জেলাতে আচমকা বদলি করে দিয়েছে। প্রতিবাদ দানা বাঁধলে অস্বস্তিতে তাদের ফিরিয়ে আনবার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল প্রশাসন। বাস্তবে কিছুই হয়নি।

শুধু বেতন বাড়াবার আন্দোলন এ নয়। অধিকার বুঝে নেবার আন্দোলনও বটে। বহু আগেই শিক্ষকদের ওপর নানা শর্ত চাপানো হয়েছিল - এনসিটিইর যোগ্যতামান অর্জন করতে হবে, হাইয়ার সেকেন্ডারিতে ৫০% চাই, শিক্ষক প্রশিক্ষণ থাকতে হবেই, ইত্যাদি। এর প্রত্যেকটিই তাঁরা অর্জন করেছেন। এনসিটিইর নিয়ম মানা হবে শর্তের ক্ষেত্রে শুধু একতরফা আর বেতনের বেলায় লবডঙ্কা তা তো হতে পারেনা। তাই শিক্ষকদের দাবী এনসিটিইর পে ব্যান্ড ৯,৩০০ টাকা পাওয়া তাদের অধিকারের মধ্যে পড়ে। মাসে ১৫০০০ টাকা বেতন কম নেবার মতো রহিস আদমি তারা কেউই নন। এই বর্ধিত বেতন তাদের পাওনা ২০১৫ সালের এপ্রিল মাস থেকে।

আবার পুলিশি নিপীড়ন কেবল সময়ের অপেক্ষা। রাত এগারোটা বেজে গেলেই রাস্তার ওপারে যাওয়া মানা। জলের ট্যাংকার দেয়নি সরকার। নিজেদের ভাড়া করতে হয়েছে। রাস্তাঘাট পরিষ্কার তাও শিক্ষদের দায়ি। সবসময় নজর রাখছে সাদা পোশাকের পুলিশ। তবু ছড়িয়েছিটিয়ে অদম্য কয়েকশো তরুণ তরুণী। মঞ্চে আমরণ অনশনে তাদের আঠারো জন প্রতিনিধি। আজ তিনদিন ছাড়িয়ে চতুর্থ দিন চলছে। বার বারই মনে পড়ে যাচ্ছিল প্রেস ক্লাবের সামনে চাকুরিপ্রার্থী ভবিষ্যত শিক্ষকদের জমায়েত। তাদেরকে দেওয়া প্রতিশ্রুতির খবর কী ?

ওদের পাশে গিয়ে দাঁড়াই, ওদের কথা শুনি। তারপর একমত হলে নাহয় শিক্ষকদের শ্লোগানে গলা মেলাব। আপাতত শহুরে জাড্য ভেঙে ওদের কাছে যাওয়া খুব জরুরী।


286 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

শেয়ার করুন


Avatar: Prativa Sarker

Re: অধিকার এবং প্রতিহিংসা

Avatar: Prativa Sarker

Re: অধিকার এবং প্রতিহিংসা

Avatar: Prativa Sarker

Re: অধিকার এবং প্রতিহিংসা

Avatar: Prativa Sarker

Re: অধিকার এবং প্রতিহিংসা

Avatar: বিপ্লব রহমান

Re: অধিকার এবং প্রতিহিংসা

এপারেও সরকারি তালিকাভূক্তির (এমপিও) দাবিতে প্রাথমিক শিক্ষকদের দীর্ঘ আন্দোলন চলছে।

অনশন, অবস্থান, জলকামান, লাঠিলেটা, টিয়ারগ্যাস, পিপার স্প্রে -- সবই চলছে, লাঠির আঘাতে এক বৃদ্ধ শিক্ষকের মৃত্যু পর্যন্ত হয়েছে, কিন্তু সরকার বাহাদুর যেন জেগে ঘুমাচ্ছেন।

ওদিকে উন্নয়নের খোয়াবনামায় দেশে দুধ ও মধুর নহর বইছে, অনুন্নত থেকে উন্নয়নশীল, তারপর নাকি স্বল্প আয় থেকে দেশ পৌঁছে গেছে মধ্যম আয়ে, আর বেসরকারি স্কুলের শিক্ষকরা বেতন-ভাতার দাবিতে ধুঁকে ধুঁকে মরছেন।

শিক্ষাই৷ নাকি জাতির মেরুদণ্ড, আর শিক্ষকদের অভুক্ত রেখে কি চমৎকার মেরুদণ্ডই না আমরা গড়ে তুলেছি!








Avatar: রঞ্জন

Re: অধিকার এবং প্রতিহিংসা

্সম্ভবতঃ আম্মাদের বেশ বড় অংশই এই সরকারি প্রাইমারি স্কুলে নিজের বাচ্চাদের পড়তে পাঠাই না । তাই ওঁদের আন্দোলন নিয়ে দূর থেকে নমস্কার করি , ইনভল্ভড হই না ।
Avatar: Nabanita

Re: অধিকার এবং প্রতিহিংসা

এনারা বেশিই সেই সব স্কুলের শিক্ষক যেখানে মধ্যবিত্তরা আজকাল ছেলেমেয়েদের পাঠাই না বলে শ্লাঘা অনুভব করি। কিন্তু অন্লে জায়্গাতেই এই শিক্ষকরা প্রথম প্রজন্মের সাক্ষর তৈরী করেন। “ট্যুকু বুনি উইঠ্লেই” রাতে রেল লাইনের ধারে বাবু ধরা ছাড়াও অন্য career choice এর সন্ধান দেন।

Avatar: Atoz

Re: অধিকার এবং প্রতিহিংসা

অন্য মধ্যবিত্ত তো দূরের কথা, এই শিক্ষক শিক্ষিকারা নিজেদের সন্তানদেরই কি এইসব সরকারী প্রাথমিক(এবং মাধ্যমিকও) স্কুলে পাঠান? একেবারেই না। নিজেরা চাকরি করবো অথচ নিজের সন্তানদের সেখানে পড়তে পাঠাবো না। এই আমাদের অবস্থা। তবেই বুঝুন কী সাংঘাতিক অবস্থা। এই পুরো ব্যাপারটার মধ্যেই একটা ভয়ানক ফোঁপড়া হয়ে যাওয়ার গল্প রয়েছে। যেকোনো মুহূর্তে ভেঙে পড়ার সম্ভাবনা। গোড়া কেটে আগায় জল দিলে এ অসুখ সারবে কি?
Avatar: শামীম আহমেদ

Re: অধিকার এবং প্রতিহিংসা

পড়শি রাজ্যের একজন পাঠশালা শিক্ষক হিসেবে এ লড়াই আমারও নিজের লড়াই। অনেক জরুরী একটা বিষয় নিয়ে লিখেছেন। এই আন্দোলনের প্রতি পূর্ণ সমর্থন রইল।
অনশনরত শিক্ষকদের পাশে দাঁড়াক জনগণ। সরকারও বাধ্য হোক দাবী মেনে নিতে।
Avatar: রঞ্জন

Re: অধিকার এবং প্রতিহিংসা

ওপরের সব মন্তব্যই যথাযথ।
কিন্তু এতে যেন আম্মাদের কারেন্ট ভয়াবহ সমস্যার থেকে চোখ সরে না যায় । একটি ক্লাস অফ টিচারদের ন্যায্য পেমেন্ট থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। এই অন্যায় কাল আম্মাদের সংগেও হতে পারে । তাই ওদের পাশে দাঁড়ানো খুব দরকারি। নইলে স্বেচ্ছাচারের আগুনে আমার ঘরও কাল পুড়তে পারে ।
Avatar: nabanita

Re: অধিকার এবং প্রতিহিংসা

আমার নিজের ছোট বোনের কথা জানি - masters degree with 1st class নিয়েও বাচ্চাদের পড়াতে ভালবাসে বলে প্রাইমারি টীচার্স ট্রেনিঙ নিয়ে প্রাইমারিতে চাকরি নেয়। সরকার বলেন NCERT approved ট্রেনিং করতে হবে - পুজো ও গরমের ছুটি জুড়ে নিজের পয়সায় সেই ট্রেনিং নেয়। প্রথম আন্দোলনে গ্রেফতার বরণ করে - ফলে আসানসোল থেকে ৭০ কিমি দূরে ট্রান্সফার, তায় আবার যখন ছেলে মেয়ের উচ্চ মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্যে ছুটিতে ছিল। ওর বর্তমান স্কুলে যাবার পথে ১৫/১৬ কিমি ঘন জঙ্গল, কোনো public transport চলে না। প্রতিদিন স্কুটি করে ঐ রাস্তা যাতায়াত করতে হয়। কিছুদিন আগে হাতি এক বাইক চালককে মেরে ফেলেছে ঐ রাস্তায় - ওরা ৩ ঘন্টা আটকে ছিল।

ঐ স্কুলে এর আগে কোনো মহিলা শিক্ষক ছিলেন না।

ঘটনাক্রমে আমার বোনের শাশুড়ি মা এক প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও জল সংরক্ষণের এক নামি activist, তিনি তাঁর চেনা জানাদের বললেই কিন্তু ব্যক্তিগত ভাবে ওর বদলী রদ হয়ে যেত। কিন্তু আদর্শগত ভাবে আমরা কেউ এটা চাই না। গত ৫ দিন শুধু জল খেয়ে অন্শনে। আমার ৭৪ বছরের মা কলকাতায় মাঝে মাঝে ওর কাছে যাচ্ছেন সাপোর্ট দিতে, আবার অব্সর প্রাপ্ত শিক্ষিকা হিসাবেও।

যে কোনো পেশাতেই ভাল খারাপ/efficient/inefficient মানুষ থাকেন। সেটা কিন্তু স্বেচ্ছাচারকে সমর্থন করার কোনো যুক্তি নয়।


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন