Rouhin Banerjee RSS feed

Rouhin Banerjeeএর খেরোর খাতা।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • পার্টিশানের অজানা গল্প ১
    এই ঘোর অন্ধকার সময়ে আরেকবার ফিরে দেখি ১৯৪৭ এর রক্তমাখা দিনগুলোকে। সেই দিনগুলো পার করে যাঁরা বেঁচে আছেন এখনও তাঁদেরই একজনের গল্প রইল আজকে। পড়ুন, জানুন, নিজের দিকে তাকান...============...
  • কাশ্মীরের ইতিহাস : পালাবদলের ৭৫ বছর
    কাশ্মীরের ইতিহাস : পালাবদলের ৭৫ বছর - সৌভিক ঘোষালভারতভুক্তির আগে কাশ্মীর১ব্রিটিশরা যখন ভারত ছেড়ে চলে যাবে এই ব্যাপারটা নিশ্চিত হয়ে গেল, তখন দুটো প্রধান সমস্যা এসে দাঁড়ালো আমাদের স্বাধীনতার সামনে। একটি অবশ্যই দেশ ভাগ সংক্রান্ত। বহু আলাপ-আলোচনা, ...
  • গাম্বিয়া - মিয়ানমারঃ শুরু হল যুগান্তকারী মামলার শুনানি
    নেদারল্যান্ডের হেগ শহরে অবস্থিত আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস—আইসিজে) মিয়ানমারের বিরুদ্ধে করা গাম্বিয়ার মামলার শুনানি শুরু হয়েছে আজকে। শান্তি প্রাসাদে শান্তি আসবে কিনা তার আইনই লড়াই শুরু আজকে থেকে। নেদারল্যান্ডের হেগ শহরের পিস ...
  • রাতপরী (গল্প)
    ‘কপাল মানুষের সঙ্গে সঙ্গে যায়। পালানোর কি আর উপায় আছে!’- এই সপ্তাহে শরীর ‘খারাপ’ থাকার কথা। কিন্তু, কিছু টাকার খুবই দরকার। সকালে পেট-না-হওয়ার ওষুধ গিলে, সন্ধেয় লিপস্টিক পাউডার ডলে প্রস্তুত থাকলে কী হবে, খদ্দের এলে তো! রাত প্রায় একটা। এই গলির কার্যত কোনো ...
  • রাতপরী (গল্প)
    ‘কপাল মানুষের সঙ্গে সঙ্গে যায়। পালানোর কি আর উপায় আছে!’- এই সপ্তাহে শরীর ‘খারাপ’ থাকার কথা। কিন্তু, কিছু টাকার খুবই দরকার। সকালে পেট-না-হওয়ার ওষুধ গিলে, সন্ধেয় লিপস্টিক পাউডার ডলে প্রস্তুত থাকলে কী হবে, খদ্দের এলে তো! রাত প্রায় একটা। এই গলির কার্যত কোনো ...
  • বিনম্র শ্রদ্ধা অজয় রায়
    একুশে পদকপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক অজয় রায় (৮৪) আর নেই। সোমবার ( ৯ ডিসেম্বর) দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার একটি হাসপাতালে শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। অধ্যাপক অজয় দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত নানা অসুখে ভুগছিলেন।২০১৫ ...
  • আমাদের চমৎকার বড়দা প্রসঙ্গে
    ইয়ে, স-অ-অ-অ-ব দেখছে। বড়দা সব দেখছে। বড়দা স্রেফ দেখেনি ওইখানে এক দিন রাম জন্মালেন, তার পর কারা বিদেশ থেকে এসে যেন ভেঙেটেঙে মসজিদ স্থাপন করল, কেন না বড়দা তখন ঘুমোচ্ছিলেন। ঘুম ভাঙল যখন, চোখ কচলেটচলে দেখলেন মস্ত ব্যাপার এ, বড়দা বললেন, ভেঙে ফেলো মসজিদ, জমি ...
  • ধর্ষকের মৃত্যুদন্ড দিলেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে ?
    যেকোন নারকীয় ধর্ষণের ঘটনা সংবাদ মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়ে সামনে আসার পর নাগরিক হিসাবে আমাদের একটা ঈমানি দায়িত্ব থাকে। দায়িত্বটা হল অভিযুক্ত ধর্ষকের কঠোরতম শাস্তির দাবি করা। কঠোরতম শাস্তি বলতে কারোর কাছে মৃত্যুদন্ড। কেউ একটু এগিয়ে ধর্ষকের পুরুষাঙ্গ কেটে নেওয়ার ...
  • তোমার পূজার ছলে
    বাঙালি মধ্যবিত্তের মার্জিত ও পরিশীলিত হাবভাব দেখতে বেশ লাগে। অপসংস্কৃতি নিয়ে বাঙালি চিরকাল ওয়াকিবহাল ছিল। আজও আছে। বেশ লাগে। কিন্তু, বুকে হাত দিয়ে বলুন, আপনার প্রবল ক্ষোভ ও অপমানে আপনার কি খুব পরিশীলিত, গঙ্গাজলে ধোওয়া আদ্যন্ত সাত্ত্বিক শব্দ মনে পড়ে? না ...
  • The Irishman
    দা আইরিশম্যান। সিনেমা প্রেমীদের জন্য মার্টিন স্করসিসের নতুন বিস্ময়। ট্যাক্সি ড্রাইভার, গুডফেলাস, ক্যাসিনো, গ্যাংস অব নিউইয়র্ক, দা অ্যাভিয়েটর, দ্য ডিপার্টেড, শাটার আইল্যান্ড, দ্য উল্ফ অব ওয়াল স্ট্রিট, সাইলেন্টের পরের জায়গা দা আইরিশম্যান। বর্তমান সময়ের ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

বাংলা সাহিত্যে পোমো কবিতার অবদানঃ একটি নাতিদীর্ঘ প্রবন্ধ

Rouhin Banerjee

পোস্ট মডার্ণ বা উত্তর আধুনিককে বিদ্বজ্জনেরা সংক্ষেপে পোমো বলে থাকেন। অর্থাৎ পোমো কবিতা হল উত্তর আধুনিক কবিতা। সাহিত্যে, বিশেষতঃ বাংলা সাহিত্যে এই কবিতার এক অসামান্য অবদান রয়েছে – সেই নিয়েই আমাদের আজকের বিদগ্ধ আলোচনা। যারা বুদ্ধিজীবি নন বা এখনো সম্পূর্ণ হয়ে উঠতে পারেন নি – তারা এই আলোচনাকে এড়িয়ে যাবেন না – আপনাদের কিঞ্চিৎ জ্ঞানবৃদ্ধি না করতে পারলে আর এত বুদ্ধি নিয়ে করবটা কি বলুন – আজকাল আর কিডনিতেও ধরে না যে।

অনেকে ভাবেন যেমন তেমন অর্থহীন কিছু পংক্তি লিখে গেলেই বোধ হয় পোমো কবিতা হয়ে যায় – কিন্তু বিষয়টা অত সহজ নয়। পোমো কবিতা সবাই লিখতে পারেন না। সকলেই যেমন কবি নন, কেউ কেউ কবি, তেমনি সব অকবিতাই পোমো নয়। পোমো কবিতার কিছু নিজস্বতা আছে, অবদান আছে – এসব বুঝতে হবে। অবশ্য পোমোরও বাবা আছে – সে হল কথাঞ্জলী ঘরাণা – পোমো কবিতা এখনো সেই মানে পৌঁছাতে পারেনি – কিন্তু সে তার ব্যর্থতা নয় – যেমন মেসি একজনই হয়, তাই বলে তা হ্যারিকেন বা মোমবাতির ব্যর্থতা নয় – এ ভাবে ভাবুন (ভাবুন বললেই সাথে সাথে “ভাবা প্র্যাকটিস করুন” বলার নিয়ম আছে পোমোতে – কিন্তু আপাততঃ আলোচনার স্বার্থে আমরা তা উহ্য রাখলাম)।

পোমো কবিতার ভাষা কী? পাঠক ভাববেন এটা আবার কী ধরণের প্রশ্ন হল? শুরুতেই তো লেখা আছে বাংলা ভাষায় পোমো কবিতার অবদান। তাহলে অবশ্যই বাংলা হবে। কিন্তু যে সব অভিজ্ঞ পাঠক ইতিমধ্যেই বেশ কিছু পোমো কবিতা পড়ে ফেলেছেন তাঁরা জানেন যে এ ভাষা বাংলা হয়েও ঠিক বাংলা নয় – উত্তর বাংলা বলা যেতে পারে হয়তো (উত্তরবঙ্গ নয় তাই বলে, এক্সপ্রেসও নয়)। যেমন ছিল চর্যাপদের ভাষা – বাংলা হয়েও ঠিক বাংলা নয়। বস্তুতঃ চর্যাপদের ভাষা আর পোমোর ভাষাকে একই ঘরাণার বলা চলে – এরা উভয়েই সন্ধ্যাভাষা – আলো-আঁধারীতে ঘেরা। এই যেমন ধরুন – “শীতকাল কবে আসবে সুপর্ণা?” – এই লাইনটি শুনলেই আপনার মনে হবে এ শীতকাল নিশ্চই সাধারণ শীতকাল নয় – কবি অন্যকিছু বলতে চেয়েছেন। আবার পরক্ষণেই মনে হবে, কিন্তু “শীতকাল” কেন? কবি কি তাহলে কোন মৃত সময়ের কথা বলতে চাইলেন? বৃদ্ধ বয়সের অবসরের কথা? কিন্তু তাই বলতে চাইলে এত ঘুরিয়ে বলাই বা কেন? সুপর্ণারই বা এখানে ভূমিকা কী? এভাবে আপনার মনের মধ্যে সততঃ চলতে থাকবে আলো-আঁধারীর দোলা।

পোমো কবিতা হল এমন কবিতা, যাকে বলা যায় ফসকে গেল ঘরাণার। অর্থাৎ কবিতাটা পড়েই আপনি বুঝবেন যে এর একটা গুঢ় অর্থ আছে – কিন্তু সেই অর্থটা যে ঠিক কী, সেটা আপনি ধরতে পারবেন না – ধরি ধরি করেও শেষে ঠিক ফস্কে যাবে। এই ফসকে যাওয়াটাই পোমোর নিজস্বতা। একেবারে শেষ মুহুর্তে, যখন আপনার মনে হবে – এইই – এবারে ব্যাটাকে কব্জা করেছি, পড় পড় পড় পড়বি পাখী – খপ - ঠিক তখনই পাখী ফুস। এই শেষ মুহুর্তে ফসকে যাওয়ার এক গভীর মনস্তাত্ত্বিক অভিঘাত আছে। পাঠকের সততঃই মনে হয়, এই যে ধরতে পারলাম না – এটা একান্ত আমারই ব্যর্থতা – অন্যরা নিশ্চই ধরতে পেরেছেন। ফলে সকল পাঠকই নিশ্চিত থাকেন যে কবিতার অর্থ তিনি নিজে না বুঝলেও অন্যরা ঠিকই বুঝেছেন। এবং সেই কারণেই প্রায় কেউই স্বীকার করেন না যে তিনি কবিতাটি বোঝেন নি। এভাবেই গড়ে ওঠে পোমো লিজেন্ড – একটা কবিতা, যা সকলেই বুঝছে, শুধু আপনি বাদে।

এই হতাশার অভিঘাতই বাংলা কবিতায় পোমোর নিজস্ব অবদান। এই যে ফীলিং অফ হাম্বলনেস, যা আপনাকে হাঁটু মুড়ে বসিয়ে মনে করিয়ে দেয় যে আপনি যতই সর্ববোদ্ধা হোন না কেন, সাহিত্য শেষ অবধি আপনাকে ফাঁকি দিতে সক্ষম, এই রিয়ালাইজেশন আপনাকে বাস্তববাদী করে তোলে, নিজের গজদন্তমিনার থেকে নেমে এসে কাব্যদেবতার অপার করুণার সামনে আপনার মেষশাবক সত্ত্বাকে জাগিয়ে তোলে। পোমো কাব্য তাই সমাজের ভারসাম্য রক্ষাকারী এক মহাশক্তি –

*পাঠকের আগ্রহের কথা স্মরণে রেখে এখানে দুয়েকটি পোমো কবিতার নি্দর্শন দেওয়া হল –
১।
সারারাত ব্যালকনিতে
তোমার ঘরের জানালার পাশেই একখণ্ড
তিতাস একটি নদীর ডাকনাম
ভালোনামটা পোকাধরা বইপত্রের খাঁজে
নাকি তোমার স্তনযুগলের মাঝে -
নির্বিকার হারিয়ে আছে অনন্তকাল
তুমি দাঁত মেজেছিলে আজ?
তোমার মুখে তবুও বিড়ির সুগন্ধ
চোখের কোলে মধ্যযুগ
তুমি আজও রক্তমাংসের নারী হয়ে উঠলে না শ্রাবস্তী
২।
কফি হাউসের ছাদে দাঁড়িয়ে আছি
পরণে নিউটনের পরিত্যক্ত পায়জামা
জানিনা আবার কবে তোমার হৃদয়ের সসপ্যানে
প্রেমের ডিমভাজা খাব
বাসের চাকায় গুঁড়ো হরলিকসের গন্ধ
ভগবান, তুমি ঝুনো নারকেল

৩।
তোমার সঙ্গে দেখা হয়েছিল নাকি কাল?
কথা হয়েছিল কিছু, মনে আছে?
নাকি অনন্তকালের বিস্মৃতির সঙ্গিনী তুমি আমার –
পাউডারে ঢেকে রাখো পচা মাংসের গন্ধ?
তোমার সঙ্গে দেখা হয়েছিল পরশু – মনে আছে?
নীল শাড়ি পরোনি তুমি বলা সত্ত্বেও
তবুও অনন্তকাল তোমার নীল শাড়ির পাড়ে
একটা দীঘির ছবি আঁকা হবে
এই আশায় ট্রেনে গান গাইত অন্ধ বাউল
একতারাটা ভেঙে গেছে।

ইত্যাদিদ

566 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

শেয়ার করুন


মন্তব্যের পাতাগুলিঃ [1] [2]   এই পাতায় আছে 16 -- 35
Avatar: সৈকত

Re: বাংলা সাহিত্যে পোমো কবিতার অবদানঃ একটি নাতিদীর্ঘ প্রবন্ধ

খুব নাম আর কোথায় হয়েছিল তখন। সে তো প্রথম দিকের কবিতাই, ৬২-৬৩ হবে বলেই মনে হয়।

রোয়াব থাকতে হয়, কবিদেরও। ঃ-)


Avatar: Kaju

Re: বাংলা সাহিত্যে পোমো কবিতার অবদানঃ একটি নাতিদীর্ঘ প্রবন্ধ

অর্ধশতাব্দী পার করে দিনকাল পাল্টেছে, লেখার সিনট্যাক্স বদলেছে, কিন্তু সাধারণ পাঠক এখনো নাবালক অনেকাংশেই। যারা এসবের মধ্যে আছে বা নিজেরা মোটামুটি লেভেলের লেখা লেখে তারাই বোঝে এসব প্রয়োগ। তবে তাদেরও আবার পপিচু দলাদলি। আমার ভালো বলো তবে না তোমাকে আধ লাইন প্রোডাকটিভ কিছু বলব? শুধু ভালো বলতে বলছি না, সব মিলিয়ে, গ্রাহ্য করার মত। এই জন্যেই না বাঙালি !
Avatar: r2h

Re: বাংলা সাহিত্যে পোমো কবিতার অবদানঃ একটি নাতিদীর্ঘ প্রবন্ধ

সবকিছুতে বাঙালীকে গাল দেওয়া কেন বাপু। এসব কোন ভাষায় নেই?
ছদ্মনামে বড়লেখকের লেখা বা বড় শিল্পীর অজানা পিস কল্কে না পাওয়ার কী সব গল্প তো ইংরেজী বা অন্য ভাষাতেও আছে।
Avatar: Kaju

Re: বাংলা সাহিত্যে পোমো কবিতার অবদানঃ একটি নাতিদীর্ঘ প্রবন্ধ

সে অন্য ভাষায় থাকবে না কেন, কিন্তু বাঙালি ক্র্যাবপুলিঙে বলে বলে বিশ্বকাপ জিততে পারে যদি তেমন কিছু থাকত। "বাঙালি তো শুধু খচ্চর নয় তদুপরি অসহায়" ;-)

তবে এসব না ভেবে নিজের মত উৎকর্ষের সন্ধান করতে করতে খাতা ভর্তি করে চলা অনেক ভালো। ধরেই নিতে হবে কেউ পড়বে না। তুমি কী ভেবে লিখেছ কেন কেউ বুঝতে যাবে? সেতো ঠিকই। কবিতা তো কখনো Catharsis, কখনো হঠাৎ নিজের অতি ব্যক্তিগত কিছু পর্যবেক্ষণকে শব্দের বুনটে অক্ষয় করে রাখতে চাওয়া, হয়ত অতি অতি ক্ষুদ্র সেসব, তবু একান্ত মুহূর্তের কিছু ভাবনার বা এক থেকে অন্য ভাবনায় মসৃণভাবে চলে যাওয়াটুকু কেমন লাগে সেটাই পরীক্ষা করে দেখা। খেলা ছাড়া আর তো কিছু নয়। দেশ কাল নিয়ে লেখেন শঙ্খ ঘোষ, আর এখন শ্রীজাতবাবু, ফেবুতে দিলেই একেবারে দাবানল। ওসব পাতি লেখকের কম্মো নয়, কিছু বদলাতেও পারবে না সে অকিঞ্চিৎকর লেখা, ঝুলের ভেতর পড়ে থাকে। সেই নিয়ে আর টই বাড়িয়ে কী লাভ?
Avatar: ***

Re: বাংলা সাহিত্যে পোমো কবিতার অবদানঃ একটি নাতিদীর্ঘ প্রবন্ধ

আধুনিক, পোমো, পুনরাধুনিক -- এর পার্থক্য লেখার কাজ কি কাজু কে দেওয়া হবে? আই মীন, কাজু নেবে?

Avatar: Kaju

Re: বাংলা সাহিত্যে পোমো কবিতার অবদানঃ একটি নাতিদীর্ঘ প্রবন্ধ

না না আমি আর পরীক্ষায় বসব না, ওসব পার্থক্য টার্থক্য মাধ্যমিক উমা-তেই খতম।
Avatar: Kaju

Re: বাংলা সাহিত্যে পোমো কবিতার অবদানঃ একটি নাতিদীর্ঘ প্রবন্ধ

তবে উদাহরণ জোগাড় করে দিতে পারি। পাঠক হিসেবে আমার মনে হয়েছে এইটা সম্ভাব্য আধুনিক -


https://i.postimg.cc/3NHw0KW0/adhu.jpg

আর এইটা সম্ভাব্য পোমো বা পুনরাধুনিক -


https://i.postimg.cc/zXxJ8wwg/pomo.jpg
Avatar: Kaju

Re: বাংলা সাহিত্যে পোমো কবিতার অবদানঃ একটি নাতিদীর্ঘ প্রবন্ধ

ধুর পোমো-র ছবিটাও ভুল এল। এইটা হবে

সম্ভাব্য পোমো বা পুনরাধুনিক -

https://postimg.cc/7fTvN2WH
Avatar: Atoz

Re: বাংলা সাহিত্যে পোমো কবিতার অবদানঃ একটি নাতিদীর্ঘ প্রবন্ধ

"মাথায় কচুপাতা, ছিপ বসে আছে পুকুরে"
খুব ভালো লাগলো, ছবিটা ভেসে উঠল। ঃ-)
Avatar: prosno

Re: বাংলা সাহিত্যে পোমো কবিতার অবদানঃ একটি নাতিদীর্ঘ প্রবন্ধ

সেকেন কবিতাটার কবির নাম জানা যায়?
ডিম প্রসঙ্গে কবিতা তো বেশি পাওয়া যায় না
Avatar: dd

Re: বাংলা সাহিত্যে পোমো কবিতার অবদানঃ একটি নাতিদীর্ঘ প্রবন্ধ

ডিম প্রসংগে - খুব নামকরা গীতিকবিতাটি উল্লেখযোগ্য। "সেই যে আমার নানা রঙের ডিমগুলি"।

বা একটু আধুনিক "ডিমগুলি মোর সোনার খাঁচায় রইলো না"।
Avatar: ***

Re: বাংলা সাহিত্যে পোমো কবিতার অবদানঃ একটি নাতিদীর্ঘ প্রবন্ধ

অ্যাঁ! সম্ভাব্য পোমো তথা উত্তরাধুনিক আর পুনরাধুনিক এর উদা একই?
আর ওটা আধুনিকই কেন, বা অন্যটা উত্তরাধুনিকই বা কেন, সেটুকু যদি বলে, কাজু ...

আর ডিমের কবিতার লেখক তো ব্লগলেখক নিজেই। পোমো কবিতায় যাওয়ার আগে পোমো ব্যপারটা ডিফাইন করার চেষ্টা করলেই কত প্যাডি মেকস কত রাইস বুঝে যেত। হুঁঃ।
Avatar: Kaju

Re: বাংলা সাহিত্যে পোমো কবিতার অবদানঃ একটি নাতিদীর্ঘ প্রবন্ধ

আধুনিক বলে যেটা দিল্লম সুদীপ চট্টোপাধ্যায়ের লেখা আর পোমো/পুনরাধুনিক কবিতাটি পলাশ দে র লেখা।

কেন টেন জানি না, এনাদের লেখার সার্বিক ধরন দেখে আমার নিজের মনে হয়েছে এগুলি ঐ ঐ ক্যাটেগরি ভুক্ত। ভুল হতেও পারে, তাই সম্ভাব্য বলেছি।

আর কিছু জানি না, বলারও নেই। অধিকারী কেউ আলোকপাত করুন।
Avatar: Atoz

Re: বাংলা সাহিত্যে পোমো কবিতার অবদানঃ একটি নাতিদীর্ঘ প্রবন্ধ

ডিম্ভাজা বলেছে তো! প্রেমের ডিম্ভাজা খাবে বলেছে। শুধু ডিম বল্লে হবে?
(প্রেমের ঘোড়াড্ডিম্ভাজা কিন্তু আরও ভালো হয় ঃ-) )
Avatar: এলেবেলে

Re: বাংলা সাহিত্যে পোমো কবিতার অবদানঃ একটি নাতিদীর্ঘ প্রবন্ধ

রৌহিন বাঁড়ুজ্জের মস্ত সুবিধে এই যে তাঁর আস্ত একখানা ব্লগ আছে। এবং মস্ত ভাব এই যে তিনি বেজায় স্মার্ট এবং খিল্লিমাস্টের। এই ভাব সম্প্রসারণ করতে গিয়ে যেটা নামিয়েছেন তা অখাদ্য বললে কম বলা হয়। পোস্ট মডার্নের নামে তিনি প্রথম ধেড়িয়েছেন সান্ধ্যভাষাকে 'সন্ধ্যাভাষা' বলে। দ্বিতীয় ধ্যাড়ানো ভাস্কর চক্রবর্তীর বহু ব্যবহৃত পঙ্‌ক্তিকে পোমো হিসেবে ধরে। তৃতীয় ধ্যাড়ানো কবিতা সম্পর্কে যাঁরা নিয়মিত চর্চা করেন তাঁদের প্রচণ্ড হতচ্ছেদ্দা করে। এতে করে যেটা হবে সেটা হল বাংলা কবিতা নিয়ে পাতি চায়ের ঠেকে যেসব হাস্যকর আলোচনা চলে তাকে প্রশ্রয় দেওয়া। সন্দীপন বলেছিলেন কবিতার দু'টো পঙ্‌ক্তির মাঝখানের যে স্পেস সেটাও কবিতার অংশ। জয় গোস্বামী কবিতার যতিচিহ্ন নিয়ে এত খুঁতখুঁতে ছিলেন (এখন আছেন কিনা জানি না) যে দেশ-এ সে কবিতা ছাপার সময় হাজির থাকতেন। এসব কিছুই না জেনে খিল্লি করতে গেলে বিল্লির আওয়াজ ছাড়া আর কিছুই বেরোয় না, সে তিনি নিজেকে যতই সিংহ ভাবুন না কেন।
Avatar: কল্লোল

Re: বাংলা সাহিত্যে পোমো কবিতার অবদানঃ একটি নাতিদীর্ঘ প্রবন্ধ

এই যে আমি এট্টা পোম কবতে নামালাম - কেউ পাত্তাই দিলে না। হগ্গলে ভাবলে খিল্লি।
ভালো করে পড়ুন -
আহা ইঞ্জিন বাবা ইঞ্জিন তোর কি বড় কষ্ট
আহা ইঞ্জিন বাবা ইঞ্জিন দৌড়ে টেইম লষ্ট
আহা ইঞ্জিন বাবা ইঞ্জিন কেন এত দৌড়াস
আহা ইঞ্জিন বাবা ইঞ্জিন হ ল্যাদখোর বিন্দাস

কি বলছে - আহা ইঞ্জিন বাবা ইঞ্জিন - এই যে এট্টা যন্ত্রকে সম্পর্কে নিয়ে আসা এই ত্তো পোম। এ একমাত্র করেছিলেন ঋত্বিক। আর উনি যে মোট্টেও আধুনিক নন, সে তো সবাই জানে।
তাপ্পর ধরো গঠনটা, আহা ইঞ্জিন বাবা ইঞ্জিন না লিখে আহা ইঞ্জিন বাহা ইঞ্জিন - লেখা
যেতো। তাতে একটা সিমেট্রি থাকতো। ব্যস তাহলেই আধুনিক হয়ে যেতো। সিমেট্রি আধুনিকতার লক্ষণ। সম্পোক্কোটাও মারা যেতো।
তাপ্পর কি বলছে - দৌড়ে টেইম লষ্ট
টেইম আর লষ্ট সাব-অল্টার্ণ ভাষা = উত্তরাধুনিক। এখানেই শেষ লয়কো।
শেষ কি বলছে - হ ল্যাদখোর বিন্দাস - এদিকে বলছে - দৌড়ে টেইম লষ্ট - ওদিকে বলছে - হ ল্যাদখোর বিন্দাস - এই যে স্ববিরোধীতা - এক্কেবারে আধুনিক নয়। আবার ভাবো - দৌড়ে টেইম লষ্ট - মানে কি? দৌড়লে - ব্যাস্ততার প্রতীক = আধুনিকতা - সময় নষ্ট হয়ে যায় - প্রভু নষ্ট হয়ে যাই - সেই নষ্ট। তাই ল্যাদখোর বিন্দাস হতে বলা হচ্ছে - তাতেই তো সময় সুন্দর হয়ে ওঠে।
বোঝা গেলো?

Avatar: রৌহিন

Re: বাংলা সাহিত্যে পোমো কবিতার অবদানঃ একটি নাতিদীর্ঘ প্রবন্ধ

কল্লোলদা - জলবৎ বোঝা গেল।

মাঝে একদিন এদিকপানে আসিনি, আলোচনা দেখি অনেকদূর গড়িয়ে গেছে। আমি কবিতা বুঝিনা, সেকথা আর নিজমুখে বলিয়ে লজ্জা দেন কেন দাদারা
Avatar: এলেবেলে

Re: বাংলা সাহিত্যে পোমো কবিতার অবদানঃ একটি নাতিদীর্ঘ প্রবন্ধ

রৌহিন -: ))))) কিংবা :-)))))। কোনটা ঠিক ভুলে গেছি যদিও, সৈকত শিখিয়েছিলেন।
Avatar: :-) or (-:

Re: বাংলা সাহিত্যে পোমো কবিতার অবদানঃ একটি নাতিদীর্ঘ প্রবন্ধ

: হল চোখ, - হল নাক ) হল ঠোঁট/দাঁত
(-: এইটা একদিকে মুখ করে হাসি,
:-) এইটা অন্য দিকে মুখ করে।

বোঝা গেল? এবার নাক-চোখ-মুখ এই অর্ডারটা ভুল অবশ্যই, তাই না?
Avatar: দ

Re: বাংলা সাহিত্যে পোমো কবিতার অবদানঃ একটি নাতিদীর্ঘ প্রবন্ধ

লেখাটা পসা হইছে রৌহীন।

মন্তব্যের পাতাগুলিঃ [1] [2]   এই পাতায় আছে 16 -- 35


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন