Prativa Sarker RSS feed

Prativa Sarkerএর খেরোর খাতা।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • বিনম্র শ্রদ্ধা অজয় রায়
    একুশে পদকপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক অজয় রায় (৮৪) আর নেই। সোমবার ( ৯ ডিসেম্বর) দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার একটি হাসপাতালে শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। অধ্যাপক অজয় দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত নানা অসুখে ভুগছিলেন।২০১৫ ...
  • আমাদের চমৎকার বড়দা প্রসঙ্গে
    ইয়ে, স-অ-অ-অ-ব দেখছে। বড়দা সব দেখছে। বড়দা স্রেফ দেখেনি ওইখানে এক দিন রাম জন্মালেন, তার পর কারা বিদেশ থেকে এসে যেন ভেঙেটেঙে মসজিদ স্থাপন করল, কেন না বড়দা তখন ঘুমোচ্ছিলেন। ঘুম ভাঙল যখন, চোখ কচলেটচলে দেখলেন মস্ত ব্যাপার এ, বড়দা বললেন, ভেঙে ফেলো মসজিদ, জমি ...
  • ধর্ষকের মৃত্যুদন্ড দিলেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে ?
    যেকোন নারকীয় ধর্ষণের ঘটনা সংবাদ মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়ে সামনে আসার পর নাগরিক হিসাবে আমাদের একটা ঈমানি দায়িত্ব থাকে। দায়িত্বটা হল অভিযুক্ত ধর্ষকের কঠোরতম শাস্তির দাবি করা। কঠোরতম শাস্তি বলতে কারোর কাছে মৃত্যুদন্ড। কেউ একটু এগিয়ে ধর্ষকের পুরুষাঙ্গ কেটে নেওয়ার ...
  • তোমার পূজার ছলে
    বাঙালি মধ্যবিত্তের মার্জিত ও পরিশীলিত হাবভাব দেখতে বেশ লাগে। অপসংস্কৃতি নিয়ে বাঙালি চিরকাল ওয়াকিবহাল ছিল। আজও আছে। বেশ লাগে। কিন্তু, বুকে হাত দিয়ে বলুন, আপনার প্রবল ক্ষোভ ও অপমানে আপনার কি খুব পরিশীলিত, গঙ্গাজলে ধোওয়া আদ্যন্ত সাত্ত্বিক শব্দ মনে পড়ে? না ...
  • The Irishman
    দা আইরিশম্যান। সিনেমা প্রেমীদের জন্য মার্টিন স্করসিসের নতুন বিস্ময়। ট্যাক্সি ড্রাইভার, গুডফেলাস, ক্যাসিনো, গ্যাংস অব নিউইয়র্ক, দা অ্যাভিয়েটর, দ্য ডিপার্টেড, শাটার আইল্যান্ড, দ্য উল্ফ অব ওয়াল স্ট্রিট, সাইলেন্টের পরের জায়গা দা আইরিশম্যান। বর্তমান সময়ের ...
  • তোকে আমরা কী দিইনি?
    পূর্ণেন্দু পত্রী মশাই মার্জনা করবেন -********তোকে আমরা কী দিইনি নরেন?আগুন জ্বালিয়ে হোলি খেলবি বলে আমরা তোকে দিয়েছি এক ট্রেন ভর্তি করসেবক। দেদার মুসলমান মারবি বলে তুলে দিয়েছি পুরো গুজরাট। তোর রাজধর্ম পালন করতে ইচ্ছে করে বলে পাঠিয়ে দিয়েছি স্বয়ং আদবানীজীকে, ...
  • ইশকুল ও আর্কাদি গাইদার
    "জাহাজ আসে, বলে, ধন্যি খোকা !বিমান আসে, বলে, ধন্যি খোকা !এঞ্জিনও যায়, ধন্যি তোরে খোকা !আসে তরুণ পাইওনিয়র,সেলাম তোরে খোকা !"আরজামাস বলে একটা শহর ছিল। ছোট্ট শহর, অনেক দূরের, অন্য মহাদেশে। অনেক ছোটবেলায় চিনে ফেলেছিলাম। ভৌগোলিক দূরত্ব টের পাইনি।টের পেতে দেননি ...
  • ছন্দহীন কবিতা
    একদিন দুঃসাহসের পাখায় ভর করে,ছুঁতে চেয়েছিলাম কবিতার শরীর ।দ্বিখন্ডিত বাংলার মত কবিতা হয়ে উঠলোছন্দহীন ।অর্থহীন যাত্রার “কা কা” চিৎকারে,ছুটে এলোপ্রতিবাদী পাঠক।ছন্দভঙ্গের নায়কডানা ভেঙ্গে পড়িপুঁথি পুস্তকের এক দোকানে।আলোক প্রাপ্তির প্রত্যাশায়,যোগ ধ্যানে কেটে ...
  • হ্যালোউইনের ভূত
    হ্যালোউইন চলে গেল। আমাদের বাড়িতে হ্যালোউইনের রীতি হল মেয়েরা বন্ধুদের সঙ্গে ট্রিক-অর-ট্রিট করতে বেরোয় দল বেঁধে। পেছনে পেছনে চলে মায়েদের দল। আর আমি বাড়িতে থাকি ক্যান্ডি বিতরণ করব বলে। মুহূর্মুহূ কলিং বেল বাজে, আমি হাসি-হাসি মুখে ক্যান্ডির গামলা নিয়ে দরজা ...
  • হয়নি
    তুমি ভালবাসতে চেয়েছিলে।আমিও ।হয়নি।তুমিঅনেক দূর অব্দি চলে এসেছিলে।আমিও ।হয়নি আর পথ চলা।তুমি ফিরে গেলে,জানালে,ভালবাসতে চেয়েছিলেহয়নি। আমি জানলামচেয়ে পাইনি।হয়নি।জলভেজা চোখে ভেসে গেলআমাদের অতীত।স্মিত হেসে সামনে এসে দাঁড়ালোপথদুজনার দু টি পথ।সেপ্টেম্বর ২২, ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

হোপ ও পনির গপ্প

Prativa Sarker



চুয়াত্তর বার তাকে গুলি করা হয়েছিল। পেলেটের আঘাতে চোখদুটোও গেল শেষমেশ। বর্শার আঘাতে ক্ষতবিক্ষত করা হলো,রেহাই পায়নি তার বুক আঁকড়ে থাকা বাচ্চাটাও। কিন্তু কোথায়ই বা যেতে পারতো সে ! বনের পর বন উজাড় হয়ে গেছে,এক ফোঁটা খাবার নেই কোথাও। অন্যের ক্ষেত থেকে খাবার চুরি করবার অপরাধে এক রাতে তার কোলের বাচ্চাটাকে কেড়ে নেওয়া হয়। অন্ধেরও তো চোখের জল বাড়ন্ত হয়না। তাই খুব কাঁদলো সে,বোবা কান্না। কেউ শুনলো না,শুনলেও খুশি হতো,এতো কষ্টের ফসল তো আর অনাহুতদের জন্য নয়। বাচ্চাটাকে বিক্রি করবার জন্য একটা খুব ছোট বাস্কেটে ফেলে রাখা হলো এক বাড়ির বারান্দায়। সে ভালো করে হাত পা নাড়াতেও পারছিলো না,দু তিনদিন পর মায়ের দুধের অভাবে মরো মরো হয়ে গেলেও কেউ তার দিকে ফিরে তাকালো না।সম্ভাব্য খদ্দেররা নেড়েচেড়ে ঠোঁট উলটে ফিরে গেল।

গাছ কেটে ফেলা,জলের স্বার্থপর অপচয়,অসুস্থ বৃদ্ধ বাবা মাকে চিকিৎসা না করিয়ে অবহেলায় ফেলে রাখা, শারীরিক মানসিক অক্ষমতার কারণে তাদের প্রহার করা, পশুপাখির প্রতি অকারণ নিষ্ঠুরতা--এই সবের মধ্যে আমার কোথায় একটা ভীষণ মিল চোখে পড়ে। যেন এইগুলির কার্যকারণ সম্পর্ক এক। একই মানসিকতা সবগুলি করতে প্ররোচনা দেয় যেন। সে মানসিকতা হতে পারে ব্যক্তিগত বা গোষ্ঠীবদ্ধ,রাজনৈতিক বা অরাজনৈতিক,বিশ্বজোড়া বা ঘরকুনো। শুধু ব্যক্তিগত লাভ ও লোভ সেখানে প্রধান চালিকাশক্তি। সেই লোভের কারণেই অপরিমেয় নিষ্ঠুরতা।কর্পোরেট বিপুল মুনাফার জন্য উজাড় করে দিচ্ছে গোটা পৃথিবী-জোড়া অরণ্য,জলের উৎস। ব্যক্তি মানুষ আর্থিকভাবে সক্ষম হলেও হয়তো নার্সিং হোমের ঝামেলা থেকে বাঁচতে বা কখনো শুধুমাত্র একখানি ঘর ফাঁকা পাওয়া যাবে বলে ত্বরাণ্বিত করতে চাইছে বুড়ো মায়ের মৃত্যু।
গোড়ায় সব একই। তাই মানসিকতার বদল খুব জরুরি। দরদী মানুষ ছাড়া কেইই বা এই লোভ আর লুন্ঠনের বিরুদ্ধে দাঁড়াবে।

ব্যক্তিগত শোক, মৃত্যু, নিষ্ঠুরতার কাঁটায় সদ্য রক্তাক্ত হলাম, এখনো মন বৃষ্টিপাতে সদ্যভেজা ঝাউপাতার মতো হয়ে আছে, প্রত্যেকটি পত্রশীর্ষে টলমল করছে অশ্রুবিন্দু।
জানি এটা সঠিক সময় নয় কোনো মূল্যায়নের,বা কাউকে বিচার করবার। তবুও মনে হচ্ছে মানুষের মধ্যে সবচেয়ে ঘৃণার্হ অপগুণ নিষ্ঠুরতা,আর সবচেয়ে আদরণীয় হলো কম্প্যাশন,আমার মতে যার সবচাইতে কাছাকাছি বাংলা প্রতিশব্দ দরদ। যার মনে দরদ আছে সে যশোর রোডের গাছ কাটার প্রতিবাদ করতেই পারে,চেন্নাইয়ের জল সঙ্কটে তার মাথাব্যথা হবে,কুকুরের লেজে পটকা বাঁধা বা পিটিয়ে মারা তার চিন্তার অতীত। এই গ্রহের পরিবেশ প্রতিবেশকে তছনছ করে দিয়ে শুধুমাত্র কামাবার ধান্দায় অহরহ ঘটে যাচ্ছে মানুষ ও পশুর প্রতি যে কর্পোরেটিয় নিষ্ঠুরতা তার বিরুদ্ধেও লড়তে হবে তাকে। এই নিষ্ঠুরতা ও তার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অজস্র উদাহরণ ছড়িয়ে আছে এদেশে ও বিদেশে। হোপের গল্প তারই একটুকরো।

একদম শুরুতে যার কথা বললাম তারই নাম হোপ। ওরাংওটাং বলে তাচ্ছিল্যের কোনো জায়গা নেই। এদের ডিএনএ গঠনের ৯৭% এর সঙ্গে মানুষের মিল রয়েছে। বাকী যে ৩% এর গরমিল তাতে যে কোন মানুষ মায়ের মতোই কেড়ে নেওয়া বাচ্চার জন্য হোপের বুকের দুধ চুইয়ে পড়া বন্ধ হয়নি।
একেবারে বিলীন হবার কিনারায় এসে দাঁড়িয়েছে এই সুমাত্রার ওরাংওটাং প্রজাতি, বৈজ্ঞানিকরা মনে করছেন এদের আয়ু আর মাত্র ২৫ বছর। বিবর্তনের নানা ধাপ পেরিয়ে এসে মানুষের এই নিকটতম আত্মীয়ের কী করুণ পরিণতি ! কিন্তু ওই যে, মানুষের লোভ । দুদিন পর নিজের এই পরিণতিই হতে চলেছে জেনেও কী দুর্নিবার চূড়ান্ত চলা ধ্বংসের দিকে। ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়াতে পাম তেলের জন্য আদি অরণ্য আগুন দিয়ে সাফ করে লাগানো হচ্ছে সারি সারি পাম গাছ। কোথায় যাবে জঙ্গলের আদি বাসিন্দা ওরাংওটাং,হাতী,বাঘ ? ওরাংওটাং শব্দটার মানেই হলো অরণ্যবাসী। আবাস, খাদ্য সব হারিয়ে সেই অরণ্যজাতরাই দলে দলে হোপের মতো অসহায় হয়ে পড়ছে। অতিকায় এবং চূড়ান্ত বুদ্ধিমান এই বানরজাতীয় প্রাণী হানা দিচ্ছে পামক্ষেতের আশেপাশের গ্রামে। আর তাদের তাড়াবার জন্য মানুষ অবর্ণনীয় নিষ্ঠুরতার আশ্রয় নিচ্ছে।
ঐ দুটো দেশে উৎপন্ন পাম তেল গোটা বিশ্বের ৮০% চাহিদা মেটায়।বায়োফুয়েল থেকে শুরু করে ভোজ্যতেল, প্রসাধনী,চকোলেটে এর নানান ব্যবহার। সেই ঠেলায় একা সুমাত্রা দ্বীপেই ১৯৮৫ থেকে পাম চাষ প্রসারণের কারণে উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে মোট বনাঞ্চলের অর্ধেকের বেশি । আগুন লাগিয়ে সাফ করবার কারণে কার্বণ এমিশন বেড়ে গেছে ভয়াবহ ভাবে। এক লক্ষ ওরাংওটাংয়ের মধ্যে ধুঁকে ধুঁকে বেঁচে আছে মাত্র চোদ্দ হাজার।

বাচ্চাটার কি হলো ? হোপের কোল থেকে কেড়ে নেওয়া বাচ্চাটার ?
একটা বাচ্চার জন্মের পর ওরাং ওটাং মা তাকে বড় করবার পেছনে লেগে থাকে প্রায় সাত আট বছর। তারপর নতুন বাচ্চার জন্ম দেয় সে। ওরাংওটাং বাচ্চা তাই আকছার মেলে না।গোল গোল চোখে একটা লাজুক বাঁদর টাইপের বাচ্চা , সে খুব মজার জিনিস বটে। প্রাইভেট মালিকানা ছাড়াও বিভিন্ন জু তে এরা চড়া দামে বিক্রি হয়। বিভিন্ন অঙ্গ প্রত্যঙ্গ থেকে ওষুধবিষুধ তৈরি হয়।
হোপ আর তার বাচ্চার পুনর্মিলন হয়েছিল, কিন্তু খুব অল্প সময়ের জন্য। অর্ধমৃত হোপকে উদ্ধার করে সিডেটিভ দিয়ে দশ ঘন্টাব্যাপী যাত্রায় যখন রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল তখন অর্ধচৈতন্যেও তার দুই হাতের বন্ধনে তার বুকের ওপরেই ছিল উদ্ধার করা বাচ্চাটিও। কিন্তু রাস্তাতেই সে মারা যায়। একাই আছে হোপ এখন। সুস্থ,তবে চির অন্ধ।

বাচ্চাটা বেঁচে থাকলে কী কী হতে পারতো ? সে সম্ভাবনা অসীম। আর এইখানেই উঠে আসে পনির গল্প। সেও শিশু অবস্থায় মায়ের কাছ থেকে হারিয়ে গিয়েছিল। মাত্র ছ বছর বয়সে। পরে যখন তাকে দেখা যায় পাম প্ল্যান্টেশনের কাছে এক গ্রামে তখন তাকে দিয়ে শ্রমিকদের যৌনক্ষুধা মেটানো হচ্ছে। সেই কাজের জন্য তাকে এমন ট্রেণিং দিয়েছে বাড়িউলি যে কোন পুরুষ ধারেকাছে এলেই সে জাইরেট করতে থাকে। একদিন অন্তর তার সারা শরীর কামিয়ে দেওয়া হয়। শেকলে বেঁধে রাখা হয় একটি হাত। কান ফুটো করে বাহারি দুল আর ঠোঁটে লিপস্টিক। কামিয়ে দেবার কারণে পনির সারা শরীরে মশার কামড় ও অন্যান্য দগদগে ক্ষত।তবু শয্যাসঙ্গিনী
পনির চাহিদা প্রবল। খবর পেয়ে এক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা তাকে উদ্ধার করতে এলে গোটা গ্রাম ছুরি বন্দুক নিয়ে তেড়ে আসে। পনি নাকি গোটা গ্রামের শুভ চিনহ। তাকে নিয়ে গেলে গ্রামের সর্বনাশ হবে। শেষমেষ অনেক পুলিশ এনে তবে পনিউদ্ধার করা হয়। এতোবার ধর্ষণ করা হয়েছে তাকে যে পুনর্বাসন কেন্দ্রে পুরুষসেবকদের সে প্রথম প্রথম খদ্দের ভাবতো,পরে ভয় পেতো।

বলছিলাম না মানুষের সবচাইতে বড় অপগুণ লোভ আর নিষ্ঠুরতা। কারণ নিজের স্বপক্ষে সে নানা গল্প গড়ে নিতে পারে,যুক্তিজাল ছড়াতে পারে।
সত্যিই তো,পনি বা হোপের জন্য চকোলেট খাওয়া বা লিপস্টিক লাগানো বন্ধ করে দিতে হবে নাকি ! বস্তিবাসী আজ জল পাচ্ছে না বলে আজ থেকেই জল ব্যবহারে কড়াকড়ি করার তো কোনো মানেই হয় না।
সত্যিই কি আমাদের কিছু করার আছে ? খুব সচেতন হলে আমরা পাম অয়েল ফ্রি প্রডাক্ট ব্যবহার করতে পারি। অনেক সময় শুধু ভেজ অয়েল লেখা থাকে। যদি দেখা যায় সেরকম প্রোডাক্টে স্যাচুরেটেড ফ্যাট কনটেন্ট ৫০% এর কাছে তাহলে বুঝতে হবে ওটা পাম অয়েল। অনেক সময় পাম অয়েলের বদলে sodium laureth বা lauryl sulphate লেখা থাকতে পারে। এগুলো বর্জন করা দরকার। পিটিশন সাইন করা বা এর বিরুদ্ধে লেখালিখি করা যেতেই পারে।
তবে এসবের আগে দরকার নিজেদের মনে দুফোঁটা দরদের চাষ করা আর সেই ফসল সন্তানের গোলাঘরে গচ্ছিত রাখা।

325 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

শেয়ার করুন


Avatar: aranya

Re: হোপ ও পনির গপ্প

'তবুও মনে হচ্ছে মানুষের মধ্যে সবচেয়ে ঘৃণার্হ অপগুণ নিষ্ঠুরতা,আর সবচেয়ে আদরণীয় হলো কম্প্যাশন,আমার মতে যার সবচাইতে কাছাকাছি বাংলা প্রতিশব্দ দরদ। '
- এই কথাগুলো ই আমারও মনে হয়।
আর একটা জিনিস ভাবি - এই যে কমিউনিজম ব্যর্থ হচ্ছে, দক্ষিণপন্থার রমরমা বাড়ছে সারা পৃথিবী জুড়ে, মানুষ বোধ হয় কমিউনিজমের জন্য এখনও তৈরী নয়।
'From each according to his ability, to each according to his needs' - এ ভাবে ভাবার জন্য আরও মানুষের আরও অনেক নিঃস্বার্থ হওয়া দরকার

Avatar: তন্বী হালদার

Re: হোপ ও পনির গপ্প

লেখাটি পড়ে কেমন হচ্ছে সমস্ত শরীর এবং মনে। মানুষের মতো অসভ্য প্রাণী জীব জগতে আর একটি ও নেই
Avatar: Du

Re: হোপ ও পনির গপ্প

মরে যাবার গল্প না থাকলে ভগবানকেও ছিঁড়ে খাবে।
Avatar: বিপ্লব রহমান

Re: হোপ ও পনির গপ্প

শিউড়ে উঠি বার বার!


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন