সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • পাহাড়ে শিক্ষার বাতিঘর
    পার্বত্য জেলা রাঙামাটির ঘাগড়ার দেবতাছড়ি গ্রামের কিশোরী সুমি তঞ্চঙ্গ্যা। দরিদ্র জুমচাষি মা-বাবার পঞ্চম সন্তান। অভাবের তাড়নায় অন্য ভাইবোনদের লেখাপড়া হয়নি। কিন্তু ব্যতিক্রম সুমি। লেখাপড়ায় তার প্রবল আগ্রহ। অগত্যা মা-বাবা তাকে বিদ্যালয়ে পাঠিয়েছেন। কোনো রকমে ...
  • বেঁচে আছি, আত্মহারা - জার্নাল, জুন ১৯
    ১এই জল, তুমি তাকে লাবণ্য দিয়েছ বলেবাণিজ্যপোত নিয়ে বেরোতেই হ'লযতক্ষণ না ডাঙা ফিকে হয়ে আসে।শুধু জল, শুধু জলের বিস্তার, ওঠা পড়া ঢেউসূর্যাস্তের পর সূর্যোদয়ের পর সূর্যাস্তমেঘ থেকে মাঝে মাঝে পাখিরা নেমে আসেকুমীরডাঙা খেলে, মাছেরা ঝাঁক বেঁধে চলে।চরাচর বলে কিছু ...
  • আনকথা যানকথা
    *****আনকথা যানকথা*****মোটরবাইক ঃ ইহা একটি দ্বিচক্রী স্থলযান। পেট্রল ডিজেল জাতীয় জীবাশ্ম জ্বালানির সাহায্যে চলে। বিভিন্ন আকারের ও বিভিন্ন ক্ষমতাসম্পন্ন মোটরবাইক আমরা দেখিতে পাই। কোন কোন বাইকের পাশে ক্যারিয়ার থাকে। শোলে বাইক আজকাল সেরকম দেখিতে পাওয়া যায়না। ...
  • সরকারী পরিষেবার উন্নতি না গরীবকে মেডিক্লেম বানিয়ে দেওয়া? কোনটা পথ?
    এন আর এস এর ঘটনাটি যে এতটা স্পর্শকাতর ইস্যু হয়ে উঠতে পারল এবং দেখিয়ে দিল হাসপাতালগুলির তথা স্বাস্থ্য পরিষেবার হতশ্রী দশা, নির্দিষ্ট ঘটনাটির পোস্টমর্টেম পেরিয়ে এবার সে নিয়ে নাগরিক সমাজে আলোচনা দরকার।কিন্তু এই আলোচনা কতটা হবে তাই নিয়ে সংশয় আছে। কারণ ...
  • জুনিয়র ডাক্তারদের ধর্মঘট ও সরকারের ভূমিকা
    হিংসার ঘটনা এই তো প্রথম নয়। ২০১৭ ফেব্রুয়ারীতে টাউনহল খাপ পঞ্চায়েত বসিয়ে বেসরকারি হাসপাতালের ম্যানেজমেন্ট কে তুলোধোনা করার পর রাজ্যে ১ নতুন ক্লিনিক্যাল এস্তব্লিশমেন্ট অ্যাক্ট চালু হয়েছিল। বলা হয়েছিল বেসরকারি হাসপাতাল গুলি র রোগী শোষণ বন্ধ করার জন্য, ...
  • ব্রুনাই দেশের গল্প
    আশেপাশের ভূতেরা – ব্রুনাই --------------------...
  • 'বখাটে'
    তেনারা বলতেই পারেন - কেন, মাও সে তুঙ যখন ঘোষণা করেছিল, শিক্ষিত লোকজনের দরকার নেই, লুম্পেন লোকজন দিয়েই বিপ্লব হবে, তখন দোষ ছিল না, আর 'বখাটে' ছেলেদের নিয়ে 'দলের কাজে' চাকরি দেওয়ার কথা উঠলে দোষ!... কিন্তু, সমস্যা হল লুম্পেনের ভরসায় 'বিপ্লব' সম্পন্ন করার পর ...
  • ডাক্তার...
    সবচেয়ে যে ভাল ছাত্র তাকেই অভিভাবকরা ডাক্তার বানাতে চায়। ছেলে বা মেয়ে মেধাবী বাবা মা স্বপ্ন দেখে বসে থাকল ডাক্তার বানানোর। ছেলে হয়ত প্রবল আগ্রহ নিয়ে বসে আছে ইঞ্জিনিয়ারিঙের কিন্তু বাবা মা জোর করে ডাক্তার বানিয়েছে এমন উদাহরণ খুঁজতে আমাকে বেশি দূর যেতে হবে ...
  • বাতাসে আবারও রেকর্ড সংখ্যক কার্বন-ডাই-অক্সাইড, কোন পথে এগোচ্ছে পৃথিবী?
    সাম্প্রতিক একটি প্রতিবেদন বলছে বায়ুতে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ আবারও বেড়ে গেছে। এই নিয়ে প্রতিবছর মে মাসে পরপর কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ বৃদ্ধি পেতে পেতে বর্তমানে বায়ুতে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ রেকর্ড সংখ্যক। গত মাসে (মে-তে) কার্বন ডাই অক্সাইডের ...
  • ফেসবুক রোগী
    অবাক হয়ে আমার সামনে বসা ছেলেটার কান্ড দেখছি। এই সময়ে তার আমার পাশে বসে আমার ঘোমটা তোলার কথা। তার বদলে সে ল্যাপটপের সামনে গিয়ে বসেছে।লজ্জা ভেঙ্গে বলেই ফেললাম, আপনি কি করছেন?সে উৎকণ্ঠার সাথে জবাব দিলো, দাঁড়াও দাঁড়াও! 'ম্যারিড' স্টাটাস‌ই তো এখনো দেইনি। ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

পাহাড়ে শিক্ষার বাতিঘর

বিপ্লব রহমান

পার্বত্য জেলা রাঙামাটির ঘাগড়ার দেবতাছড়ি গ্রামের কিশোরী সুমি তঞ্চঙ্গ্যা। দরিদ্র জুমচাষি মা-বাবার পঞ্চম সন্তান। অভাবের তাড়নায় অন্য ভাইবোনদের লেখাপড়া হয়নি। কিন্তু ব্যতিক্রম সুমি। লেখাপড়ায় তার প্রবল আগ্রহ। অগত্যা মা-বাবা তাকে বিদ্যালয়ে পাঠিয়েছেন। কোনো রকমে মেয়ের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গণ্ডিটুকু পার করাতে পেরেছেন। কিন্তু এরপর? চটপটে পাহাড়ি মেয়েটি এই লেখককে বলে, ‘আমি ভেবেছিলাম আমার লেখাপড়া এখানেই শেষ। এ সময় আমরা শুনতে পাই ‘মোনঘর শিশু সদন‘র কথা। সেখানে নাকি নামমাত্র বেতনে খুব ভালো লেখাপড়া হয়। এরপর আমি এই

আরও পড়ুন...

বেঁচে আছি, আত্মহারা - জার্নাল, জুন ১৯

ফরিদা


এই জল, তুমি তাকে লাবণ্য দিয়েছ বলে
বাণিজ্যপোত নিয়ে বেরোতেই হ'ল
যতক্ষণ না ডাঙা ফিকে হয়ে আসে।

শুধু জল, শুধু জলের বিস্তার, ওঠা পড়া ঢেউ
সূর্যাস্তের পর সূর্যোদয়ের পর সূর্যাস্ত
মেঘ থেকে মাঝে মাঝে পাখিরা নেমে আসে
কুমীরডাঙা খেলে, মাছেরা ঝাঁক বেঁধে চলে।

চরাচর বলে কিছু নেই, চিঠিপত্র নেই বন্ধুদের
মাসপয়লার মাইনে মাণিকতলা বাজারে ইলিশ
এই জলে জীবন্ত হয়। যাতে তুমি লাবণ্য দিয়েছ।


সেই কথা মতো সবকিছু চলেছে অতঃপর
আবহাওয়া জনিত বাজারের দর ওঠাপড়া<

আরও পড়ুন...

আনকথা যানকথা

Ritwik Gangopadhyay

*****আনকথা যানকথা*****

মোটরবাইক ঃ ইহা একটি দ্বিচক্রী স্থলযান। পেট্রল ডিজেল জাতীয় জীবাশ্ম জ্বালানির সাহায্যে চলে। বিভিন্ন আকারের ও বিভিন্ন ক্ষমতাসম্পন্ন মোটরবাইক আমরা দেখিতে পাই। কোন কোন বাইকের পাশে ক্যারিয়ার থাকে। শোলে বাইক আজকাল সেরকম দেখিতে পাওয়া যায়না। যানজট জনিত সমস্যায় বাইক অকুতোভয়, অত্যল্প জায়গার ভেতর দিয়েও ইহা নিষ্ক্রান্ত হইতে পারে। বাইকে চড়িবার পর হেলমেট পরিবার প্রয়োজন। অন্যথা ফেজ টুপি চলিতে পারে। রাস্তার মোড়ে পুলিশ দেখিতে পেলে শীর্ন গলিপথ ধরিয়া অন্তর্হিত হওয়াই শ্রেয় কারন বাইক ব

আরও পড়ুন...

সরকারী পরিষেবার উন্নতি না গরীবকে মেডিক্লেম বানিয়ে দেওয়া? কোনটা পথ?

souvik ghoshal

এন আর এস এর ঘটনাটি যে এতটা স্পর্শকাতর ইস্যু হয়ে উঠতে পারল এবং দেখিয়ে দিল হাসপাতালগুলির তথা স্বাস্থ্য পরিষেবার হতশ্রী দশা, নির্দিষ্ট ঘটনাটির পোস্টমর্টেম পেরিয়ে এবার সে নিয়ে নাগরিক সমাজে আলোচনা দরকার।

কিন্তু এই আলোচনা কতটা হবে তাই নিয়ে সংশয় আছে। কারণ মধ্যবিত্ত শিক্ষিত সমাজ যারা এই আলোচনা করবেন, তারা তো মেডিক্লেম এর আওতায় প্রাইভেট হাসপাতালে চলে এসেছেন বেশ কিছুদিন হল।
মেডিক্লেম পলিসির শর্তাবলী, রি ইমবার্সমেন্ট, ক্যাশলেস ট্রিটমেন্ট এর অ্যাপ্রুভাল - এসবই তো সেখানে মনযোগের বিষয় বস্তু।

আরও পড়ুন...

জুনিয়র ডাক্তারদের ধর্মঘট ও সরকারের ভূমিকা

পুণ্যব্রত গুণ

হিংসার ঘটনা এই তো প্রথম নয়। ২০১৭ ফেব্রুয়ারীতে টাউনহল খাপ পঞ্চায়েত বসিয়ে বেসরকারি হাসপাতালের ম্যানেজমেন্ট কে তুলোধোনা করার পর রাজ্যে ১ নতুন ক্লিনিক্যাল এস্তব্লিশমেন্ট অ্যাক্ট চালু হয়েছিল। বলা হয়েছিল বেসরকারি হাসপাতাল গুলি র রোগী শোষণ বন্ধ করার জন্য, সেগুলিকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য নাকি এই আইন। কিন্তু আইনের বলে যে রেগুলেটরি কমিশন তৈরি হলো তার শীর্ষে রইলেন বেসরকারি হাসপাতালে র ডাক্তাররা। আর বেসরকারি হাসপাতাল কে নিয়ন্ত্রণ করার বদলে কমিশন ভিক্টিমাইজ করতে লাগলো ব্যক্তি ডাক্তারদের। পাশাপাশি ডাক্তার ও চিকিৎসা কর্মীদের ওপর আক্রমণের ঘটনা কয়েকগুণ বেড়ে গেল। ডাক্তারদের যুক্ত মঞ্চ জয়েন্ট প্লাটফর্ম অফ ডক্টর স পরিসংখ্যান বলে গত আড়াই বছরে হিংসার ঘটনা ঘটেছে প্রায় ২৩৫ টি। এর মধ্যে অধিকাংশই কিন্তু সরকারি হাসপাতালে। সরকারি হাসপাতালে চকচকে নীল সাদা রং হয়েছে, ভেতরে যথেষ্ট সংখ্যায় ডাক্তার নেই, চিকিৎসা কর্মী নেই, যন্ত্রপাতি নেই। সরকারের প্রচার আছে সরকারি হাসপাতাল এ বিনামূল্যে চিকিৎসা পাওয়া যায়। পরিকাঠামোর অভাবে মানুষ যখন চিকিৎসা পান না স্বভাবতই তারা ক্ষুব্ধ হন। ক্ষোভের কারণ সরকার কিন্তু সরকারকে তো হাতের সামনে পাওয়া যায় না। হাতের সামনে যাদের পাওয়া যায় সেই ডাক্তার নার্স আর চিকিৎসা কর্মীদের ওপর ক্ষোভ উগরে দেন তারা। হিংসার ঘটনা গুলো বিশ্লেষণ করে আমরা দেখেছি অধিকাংশ ক্ষেত্রে রোগীর পরিজনের ক্ষোভের সুযোগ নিয়ে হামলা চালায় শাসকদলের আশ্রয়ে থাকা দুষ্কৃতীরা।

আরও পড়ুন...

ব্রুনাই দেশের গল্প

সুকান্ত ঘোষ

আশেপাশের ভূতেরা – ব্রুনাই
----------------------------------

ব্রুনাই-এর মত এত বেশী ভূতের আশে পাশে আমি অন্য কোন দেশে থাকি নি। দেশটা ছোট বা চারিদিকে ঘন বন ইত্যাদি আছে কিনা বলতে পারব না, তবে ব্রুনাই-য়ে ভূতের ঘনত্ব অন্যদেশের থেকে অনেক বেশী। নিমো গ্রাম ছাড়ার পর দীর্ঘদিন দেশের বা বিদেশের বড় বড় শহরে বাস করেছি, তেমন ভাবে ভূত নিয়ে ভাবিত হই নি।
ব্রুনাই-য়ে এসে আবার অনেক দিন পরে ভূতেদের সাথে মেলামেশা শুরু করলাম। এদিকে ঠাকুমার শেখানো বাংলা ভূত তাড়ানো মন্ত্র সব ভুলে গেছি – সে এক

আরও পড়ুন...

'বখাটে'

Sourav Mitra

তেনারা বলতেই পারেন - কেন, মাও সে তুঙ যখন ঘোষণা করেছিল, শিক্ষিত লোকজনের দরকার নেই, লুম্পেন লোকজন দিয়েই বিপ্লব হবে, তখন দোষ ছিল না, আর 'বখাটে' ছেলেদের নিয়ে 'দলের কাজে' চাকরি দেওয়ার কথা উঠলে দোষ!...

কিন্তু, সমস্যা হল লুম্পেনের ভরসায় 'বিপ্লব' সম্পন্ন করার পর তাদের নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য দরকার হয় যথাযথ প্রশাসন ও আদর্শ। প্রশাসন যদি 'শীর্ষাসনে', (সময়বিশেষে) 'ভুজঙ্গাসনে' বা 'শবাসনে' রত হয় তাহলে লুম্পেন কেন, কিছুই নিয়ন্ত্রণে থাকে না! ১৯৯২ হোক কি ২০০৭ বা ২০১৯, -কখনই থাকে না। আদর্শের কথা না বলাই ভ

আরও পড়ুন...

ডাক্তার...

Muhammad Sadequzzaman Sharif

সবচেয়ে যে ভাল ছাত্র তাকেই অভিভাবকরা ডাক্তার বানাতে চায়। ছেলে বা মেয়ে মেধাবী বাবা মা স্বপ্ন দেখে বসে থাকল ডাক্তার বানানোর। ছেলে হয়ত প্রবল আগ্রহ নিয়ে বসে আছে ইঞ্জিনিয়ারিঙের কিন্তু বাবা মা জোর করে ডাক্তার বানিয়েছে এমন উদাহরণ খুঁজতে আমাকে বেশি দূর যেতে হবে না, অহরহ আছে এমন ঘটনা। আমার যেটা প্রশ্ন তা হচ্ছে প্রচণ্ড মেধাবী এরা ডাক্তারি পাশ করেই কী বদলে যায়? দেশের সিংহভাগ মানুষ ডাক্তার বলতেই কেন খুব কুৎসিত মনোভাব পোষণ করে?

ডাক্তাররা ভাল না খারাপ সেই প্রসঙ্গে একটু পড়ে আসছি। আমরা কতটুকু ভাল মানুষ

আরও পড়ুন...

বাতাসে আবারও রেকর্ড সংখ্যক কার্বন-ডাই-অক্সাইড, কোন পথে এগোচ্ছে পৃথিবী?

Sumit Roy

সাম্প্রতিক একটি প্রতিবেদন বলছে বায়ুতে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ আবারও বেড়ে গেছে। এই নিয়ে প্রতিবছর মে মাসে পরপর কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ বৃদ্ধি পেতে পেতে বর্তমানে বায়ুতে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ রেকর্ড সংখ্যক।

গত মাসে (মে-তে) কার্বন ডাই অক্সাইডের গড় মাত্রা ছিল ৪১৪.৭ পার্টস পার মিলিয়ন। যা গত বছরের ওই সময়ের কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণের চেয়ে (৪১১.২ পিপিএম) ৩.৫ পিপিএম বেশি ছিল। আর ১১ই মে, ২০১৯ তারিখে পাওয়া গিয়েছিল বায়ুতে রেকর্ড সংখ্যক কার্বন ডাই অক্সাইড। এই প্রথমবারের মত বাতাসে কার

আরও পড়ুন...

ফেসবুক রোগী

জান্নাতুল ফেরদৌস লাবণ্য

অবাক হয়ে আমার সামনে বসা ছেলেটার কান্ড দেখছি। এই সময়ে তার আমার পাশে বসে আমার ঘোমটা তোলার কথা। তার বদলে সে ল্যাপটপের সামনে গিয়ে বসেছে।

লজ্জা ভেঙ্গে বলেই ফেললাম, আপনি কি করছেন?

সে উৎকণ্ঠার সাথে জবাব দিলো, দাঁড়াও দাঁড়াও! 'ম্যারিড' স্টাটাস‌ই তো এখনো দেইনি। ম্যারিড স্টাটাস না দিলে বিয়ে হয় নাকি!

ও হ্যাঁ! তোমাকে তো ট্যাগ করতে হবে। তুমি তোমার ফেসবুক আইডির নাম বলো আমি রিকোয়েস্ট পাঠাচ্ছি।

আমি খানিকক্ষণ অবাক হয়ে তাকিয়ে র‌ইলাম। ম্যারিড স্টাটাস না দিলে বিয়ে হয়

আরও পড়ুন...

ভালো গরু খারাপ গরু

Ritwik Gangopadhyay

আজকাল হ্যাজ দিতে ভালো লাগেনা। সামাজিক অসামাজিক রাজনৈতিক প্রাকৃতিক পারিবারিক - কিচ্ছুর ওপর না। পুরো " ভাড় মে যায় দুনিয়া হাম বাজায়ে হারমুনিয়া" মোডে থাকি। তবু, তবু, তবু দু একটা জিনিস নিয়ে না লিখলে ব্রেন থেকে চোঁয়া ঢেকুরের আওয়াজ আসে। বাধ্য হয়ে এই ক্যাচাল লেখাটা নামাতেই হচ্ছে। আমার লেখার নাম ঃ

****ভালো গরু খারাপ গরু******

ঘটনা হচ্ছে এই যে কলকাতা শহরে একটা " বিফ ফেস্টিভাল " হওয়ার কথা ছিলো। মেনুতে কি পাওয়া যাবে জানতাম না তবে মনে হচ্ছিলো গরুর রকমারি পদ থাকবে আর ব্যাপারটার মধ্যে বেশ এক

আরও পড়ুন...

চলো পাল্টাই ২০২১ আন্দোলন

Saikat Bandyopadhyay

বিগত কয়েকদিন ধরে "চলো পাল্টাই" নামক বঙ্গভাষীদের একটি আন্দোলনের নাম সামাজিক মাধ্যমের ইতিউতি কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে। এও শোনা যাচ্ছে, এ নিয়ে আসাম উত্তাল। যদিও পশ্চিমবঙ্গের বঙ্গভাষীরা এ নিয়ে খুব বেশি ওয়াকিবহাল, একথা বলা যায়না।

কী নিয়ে এই আন্দোলন? খুব বড় কিছু না। দলীয় রাজনীতির সঙ্গে তেমন ভাবে সংযুক্তও না। আসামে প্রচুর বাংলাভাষী আছেন, ২০২১ সালের জনগণনায় এঁদের সকলকে নিজের মাতৃভাষা হিসেবে বাংলা কে নথিভুক্ত করতে ডাক দেওয়া হয়েছে এই আন্দোলন থেকে। অর্থাৎ, সরকারি খাতায় আসামের বাঙালির মাতৃভাষা ব

আরও পড়ুন...

ভালোবাসা ও বন্ধুত্ব

জান্নাতুল ফেরদৌস লাবণ্য

আমার জীবনে দেখা একটা ইন্টারেস্টিং ক্যারেক্টার হলো প্রত্যয়। খুব সুন্দর করে কথা বলতে পারে সে। আর সবসময়ই হাসছে। কেউ খারাপ কথা বললেও হাসছে,ভালো কথা বললেও হাসছে।

পরিবার নিয়ে আমাকে দেখতে এসেছিলো প্রত্যয়। সেখানেই আমাদের প্রথম আলাপ। কথাবার্তা প্রায় পাকা হয়ে যাওয়ার পর আমি ওকে বললাম, আমার এরকম বিয়ে পছন্দ না।

সে হাসতে হাসতে বললো, তাহলে কিরকম বিয়ে পছন্দ? গ্রান্ড ওয়েডিং? নায়ক-নায়িকাদের মতো?

আমি না সূচক মাথা নেড়ে চুপ করে বসে র‌ইলাম।

তার কয়দিনের মধ্যে‌ই যখন

আরও পড়ুন...

দৃশ্যের জন্ম:ব্রোকন ইমেজেস

Anuradha Kunda

রাণী ছিল গাঁয়ের মেয়ে। ছোট্ট।লক্ষ্মী। শান্ত।যেমনটি মেয়েদের হতে হয় আর কি।মানে যেমন হলে লোকে লক্ষ্মী মেয়ে বলে।ধরা যাক তাকে নিয়ে একটা গান বাঁধা হল।এইরকম।
এক যে ছিল মেয়ে
মেয়ের নামটি ছিল রাণী
ঘন চুলে খোঁপা বেঁধে
সাজাতো ফুলখানি।
রাণীর হাঁটু পর্যন্ত ঘন কালো কোঁকড়া চুল।যেন কালনাগিণীরা ফণা তুলে আছে পদ্মের মতো মুখখানি ঘিরে।তো এই রাণীর বিয়ে হল অপ্পন্নার সঙ্গে। ভারি কড়া স্বামী।সুন্দরী বউকে ঘরে তালা বন্ধ করে রেখে সে রোজ রাতে বাইজি বাড়ি যায়।ভয়ে রাণীর মুখে কথা সরে না।জানলা দিয়ে চেয়ে থাকে ব

আরও পড়ুন...

জোড়াসাঁকো জংশন ও জেনএক্স রকেটপ্যাড-১০

শিবাংশু

আমায় তাই পরালে মালা, সুরের গন্ধ ঢালা....
-----------------------------------------
"আকাশ যখন চক্ষু বোজে অন্ধকারের শোকে
তখন যেমন সবাই খোঁজে সুচিত্রা মিত্রকে
তেমনি আবার কাটলে আঁধার, সূর্য উঠলে ফের
সবাই মিলে খোঁজ করি কার? সুচিত্রা মিত্রের
তাঁরই গানের জ্যোৎস্নাজলে ভাসাই জীবনখানি
তাইতো তাঁকে শিল্পী বলে, বন্ধু বলে জানি...."
(নীরেন্দ্রনাথ)
প্রিয় শিল্পী হয়ে ওঠার অবশ্যই কিছু ব্যাকরণ থাকে। কিন্তু শিল্পী যখন বন্ধু হয়ে ওঠেন, তখন তাকে যুক্তিগত ব্যাকরণের বাইরে একটা নৈসর্গিক

আরও পড়ুন...

বাম-Boo অথবা জয়শ্রীরাম - পর্ব ১০: কচি ঘাসে দুটি ফুল

Anamitra Roy

আজ আমি প্রায় সারাদিন ধরে লিখছি বলা চলে। এরপরও যদি বিপ্লব না হয় আমার কিছু করার নেই। প্রথমেই সেই অমোঘ প্রশ্নের উত্তর দিয়ে ফেলা যাক, যে পর্ব ৬ লেখার পর হপ্তাদুয়েক ঘাপটি মেরে থেকে আজ হঠাৎ ফিরে এসে আমি পর্ব ১০ লিখতে বসলাম কেন! জানিয়ে রাখা যাক যে এসব পরিকল্পনা অনুযায়ী হচ্ছে না, নিয়তিদেবী করিয়ে নিচ্ছেন। হয়েছে কি, আমি "পর্ব ৭" লিখছিলাম দুপুর থেকে সন্ধ্যে অবধি, সেটা পোস্ট করতে গিয়ে উড়ে গেলো। তারপর ঘন্টাদুয়েক বাদে মনের জোর সংগ্রহ করে এসে "পর্ব ৭ অথবা ৮" নাম দিয়ে লিখতে গেলাম, সেটাও তলিয়ে গেলো সার্ভারের গর্

আরও পড়ুন...

দূষণ ≠ প্লাস্টিক, প্লাস্টিক ≠ দূষণ

Aniket Pathik

বেশ কয়েক বছর আগের কথা; পলিমার সোসাইটি-র একটা আলোচনাসভায় পলিমারবিজ্ঞানী প্রফেসর অনিল ভৌমিক-এর বক্তৃতার বিষয়বস্তু ছিল ‘আরো বেশি প্লাস্টিক ব্যবহার করুন’। পৃথিবীর নানারকম সমস্যার সমাধানে প্লাস্টিক কিভাবে কার্যকরী হয়ে উঠতে পারে, তা সেই আলোচনায় ব্যাখ্যা করা ছিল। আর গত ৫ই জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে খবরের কাগজ থেকে শুরু করে সেই দিনের যাবতীয় কার্যকলাপের দিকে চোখ রেখে মনে হল পরিবেশ মানে শুধু দূষন আর বিশেষভাবে প্লাস্টিক দূষণ, আর ৫ই জুন আসলে প্লাস্টিক বিরোধি দিবস; তাই সমস্ত আলোচনা-পদক্ষেপ সবই প্লাস্টিক দ

আরও পড়ুন...

চশমা

জান্নাতুল ফেরদৌস লাবণ্য

পুরোপুরি সেজেগুজে পাত্রপক্ষের সামনে যাওয়ার আগে ভাবী চোখ থেকে চশমা খুলে রেখে বললো, পাত্রপক্ষের সামনে চশমা পরে যাওয়ার দরকার নাই। এমনিই যাও।

আমি গেলাম।

বসার ঘরে অনেকে বসে আছেন। বয়স্কা কেউ একজন বলে উঠলেন, মা! ছেলের পাশে বসো।

আমি বসে পড়লাম।

সেই ভদ্রমহিলা আবার হায়হায় করে উঠে‌ বললেন, আরে আরে! এইটা তো ছেলের চাচা! ছেলের পাশে বসো মা।

আমি বলতে যাচ্ছিলাম, আমি দেখতে পাচ্ছি না ছেলে কোনটা।‌ কার পাশে বসবো একটু দেখিয়ে দেন।

এমন সময় ভাইয়া আমার হাত ধরে

আরও পড়ুন...

জয় শ্রীরাম

Prativa Sarker

এখানে ঘরের চাল মাঝে মাঝে রাংতার তৈরি মনে হয়। কেননা ওগুলো নতুন টিনের তৈরি, আর প্রখর রোদে ঢেউখেলানো,কোঁচকানো রাংতার মত ঝকঝকে। পুরো ট্রেণরাস্তা জুড়ে সুপুরি গাছের ফাঁকে ফাঁকে উঁকি দেয় উত্তরবঙ্গের এইসব বসত, চালাঘর।

কয়েকমাস আগেও, আর এখনও দেখি ঐ রাংতা ফুঁড়ে ওঠা সরু লম্বা বাঁশের ডগায় উজ্জ্বল কমলা পতাকা। সরু, ত্রিকোণ। ভেতরে লেখা জয় শ্রীরাম। অনেক বাড়িতে।

এক সদ্য আলাপিনী, এতো শান্ত, কোমল, উত্তর বঙ্গের প্রকৃতির মতো, জানাল তার বাড়ির পাশে ময়নাঝোড়া, নখ দিয়ে আঁচড়ালেই মাটি চিরে সেখানে কুল ক

আরও পড়ুন...

ইফতার ওয়াক

স্বাতী রায়

#এ_কলকাতার_ভিতর_আছে_আরেকটা_কলকাতা
১লা জুন ২০১৯

ছোটবেলায় বিজাতীয় খানা বলতে মাঝে সাঝে ছপ্পর ফুঁড়কে মিলে যাওয়া সাবিরের রেজালা আর ফিরনি-ই মনে পড়ে। উত্তর কলকাতা থেকে মধ্য কলকাতায় পাড়ি দিয়ে সেই খেতে আসাটাই একটা বেশ বড় সড় ঘটনা ছিল তখন। অথচ কি অবাক কান্ড। তারই কাছে অলি-গলির পেটের মধ্যে সেঁধিয়ে আছে আরেক কলকাতা সেটা জানতে আমাকে দু-কুড়ি পাঁচেরও বেশি বছর পেরোতে হল। সৌজন্যে কুণাল বসু। কালকুত্তার দৌলতে চিনলাম এক অজানা পৃথিবী। মনে আছে বইটা পড়ে নরেন্দ্রনাথ মিত্রের লেখা প্রথম পড়ার সময় যে শিহরণ জাগত

আরও পড়ুন...

ভুখা বাংলা ঃ ' ৪৩-এর মন্বন্তর (পর্ব ৬)

I



একজন মানুষ বাংলার দুর্ভিক্ষে অত্যন্ত বিচলিত হয়ে পড়েছিলেন, যাঁর বিচলিত হওয়ার বিশেষ কোনো কারণ ছিল না। কিম্বা এভাবেও বলা যেতে পারে, বিচলিত না হয়েও তিনি দিব্যি জীবন কাটিয়ে দিতে পারতেন। ইনি স্টেটসম্যান পত্রিকার তৎকালীন মুখ্য সম্পাদক ইয়ান স্টিফেন্স। আপাদমস্তক রক্ষণশীল ইংরেজ এই মানুষটি ভারতের স্বদেশী আন্দোলনের প্রতি আদৌ সহানুভূতিশীল ছিলেন না। গান্ধীর তিন সপ্তাহব্যাপী অনশনকে তিনি কড়া ভাষায় সমালোচনা করেছিলেন; বলেছিলেন-প্রচারের আলোয় আসার উদ্দেশ্যে একজন রাজনীতিবিদের হীন প্রয়াস।

এহেন স্ট

আরও পড়ুন...

হিন্দী আগ্রাসনের প্রেক্ষিতঃ দেশ, রাষ্ট্র ও ভাষা

Samrat Amin

ফেব্রুয়ারী মাস প্রেমের মাস, ভাষারও মাস । শুধুই প্রেমের কুহুতান নয়, "অমর একুশে" ডাক দেয় এ মাসেই । আমার ভায়ের রক্তে রেঙে লাল হয়েছে ঢাকার রাজপথ, অমর একুশেই । হোক না পদ্মার ওপারের গল্প, তবুও বরকতরা তো আমারই ভাই, আমারই রক্ত । যে ভাষার জন্য তাদের আন্দোলন সেটা আমারই মায়ের ভাষা, যে সংস্কৃতির জন্য তাদের লড়াই সেটা আমারই সংস্কৃতি । অনেক লম্বা সে প্রেক্ষাপট । স্বাধীনতা-উত্তর দূর্বল রাষ্ট্রীয় কাঠামো নিয়ে গঠিত পাকিস্তান রাষ্ট্র (পশ্চিম পাকিস্তান) চেয়েছিল "পূর্ব পাকিস্তানের" উপর সাংস্কৃতিক আধিপত্য বজায় রাখতে ।

আরও পড়ুন...

মায়ামহল

Muradul islam

পত্রিকায় বিজ্ঞান নিয়ে লেখালেখি করতাম। এর সুবাদে কিছু পাঠক পেয়ে যাই, যেটাকে বলে একরকম জনপ্রিয়তা, এবং এরই ধারাবাহিকতায় বিজ্ঞান বিষয়ক কয়েকটি বই আমার প্রকাশিত হয়। বইয়ের জনরা হিসেবে ধরলে এগুলি পপ সায়েন্সের বই। বিজ্ঞান নিয়ে আমার আগ্রহ অনেক, সেই আগ্রহ থেকেই এ বিষয়ে লেখালেখির শুরু।

হঠাৎ করেই একবার সমাজে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ঘটনা যেগুলির ব্যাখ্যা হয়ত পাওয়া যাচ্ছে না, এসবের বিজ্ঞান ভিত্তিক ব্যাখ্যা দিয়ে গল্প লেখার চেষ্টা করি। সে চেষ্টাতেও সফল হই। প্রিয় পাঠকেরা আমার গল্পগুলিকে ভালোভাব

আরও পড়ুন...

দ্বিতীয় কিস্তি।আরো ঋতুপর্ণ।

Anuradha Kunda

ঋতুবৃত্তান্ত এক কিস্তিতে শেষ হবার নয়।এতো বহুমাত্রিক তাঁর কাজ যে বারবার দেখি।ফিরে ফিরে দেখি।হয়তো একটু বেশি ই সাজানো গোছানো।একটু বেশি মাত্রায় নান্দনিক। সাজের টেবিলে ঠিক যে ফুল থাকলে মানায় তাই থাকে।ঠিকঠাক থাকে পর্দার রং।দেওয়ালে রবীন্দ্রনাথের ছবি চোখ দিয়ে কথা বলে।অধিকাংশ চরিত্র কথা বলেন নিচু স্বরে।পরিশীলিত। মৃদু।সোফিস্টিকেশনের চূড়ান্ত। খাবার টেবিলের আলো থেকে শুরু করে ল্যাম্প শেড, পোশাক,গয়না, কোথাও এতটুকু খুঁত নেই।ঋতুপর্ণর ছবিতে অন্দরসজ্জা। এই নিয়ে একটা প্রবন্ধ হয়।লেখার সুপ্ত ইচ্ছেও আছে।কারণ ওঁর ছবিত

আরও পড়ুন...

নৈঃশব্দের পত্রগুচ্ছ

সুকান্ত ঘোষ

নৈঃশব্দের পত্রগুচ্ছ
----------------------

আরো অনেক কিছুর মত বহুদিন পর্যন্ত ‘প্রান্তিক যৌনতা’ জিনিসটা কি আমার জানা ছিল না। আর তারপর কি ভাবে এই প্রান্তিক যৌনতার সাথে ‘এলজিবিটিকিউআইএ’ শব্দগুলি মিশে গেছে তাও টের পাই নি। এদের মধ্যে আদৌ কি কোন সংজ্ঞাগত পার্থক্য আছে? আমি জানি না এখনো – আর সেই থেকে থাকা পার্থক্য নিয়ে মাথা ঘামাই ও না তেমন। বরং আমি অনুভব করতে চেয়েছি এই মানুষগুলোর লড়াইয়ের কথা – আর এমন ‘লড়াই’ যে আদৌ করতে হতে পারে কাউকে, সেই কারণটাই আমি ধরতে পারি নি অনেকদিন।

আরও পড়ুন...

পরমাণু গল্প

Tanwi,. Halder


পরমাণু গল্প

মানুষের ক্রমশ সময় নাকি কমে আসছে। সময় কমে আসার সাথে সাথে কথাও ফুরিয়ে আসে। যোগাযোগ, সম্পর্ক, প্রেম, রাগ, দুঃখ, অভিমান প্রকাশের ভাষা সবকিছু এখন ইমোজি নির্ভর। সেই কবেই পৃথিবীটা ছোট হতে হতে স্যাটেলাইট আর বোকা বাক্সতে বন্দী হয়ে গেছিল। এখন এই বন্দীদশা মুঠো ফোনে এসে ঠেকেছে। তাই উপন্যাস, বড় গল্প, ছোট গল্প, অণু গল্প থেকে এই পরমাণু গল্প কিংবা পরমাণু বিস্ফোরণ !!

(১)

রাজনীতি

হ্যালো, শুনতে পাচ্ছিস, আজ রাতে একটা লাশ পড়বে, মিছিলটা রেডি রাখিস।

আরও পড়ুন...

শিক্ষা দীক্ষা ভাগ্য ও নাগপাশ

Sourav Mitra


বাংলাভাষায় ‘দীক্ষা’ শব্দটি বড়ই অভাগা। ‘শিক্ষা-দীক্ষা’-র মতো যুগলে ছাড়া সে এককভাবে কানে এলেই কেমন একটা ‘ধম্ম-ধম্ম’ গন্ধ পাওয়া যায়! বেশিরভাগ অভিধানেই শব্দটির অর্থ হিসেবে পাওয়া যায়, ‘হিন্দুধর্মীয় সংস্কারবিশেষ’ বা ‘গুরু কর্তৃক শিষ্যকে বিশেষ কোনো দেবতার মন্ত্র দান’ বা ‘নির্দিষ্ট দেবতার উপাসনায় উপদেশ দান’, ইত্যাদি।

এই কথা ঠিক যে, হিন্দুধর্ম্মে শাক্ত, শৈব, বৈষ্ণব, ইত্যাদি বিভিন্ন মতে দীক্ষার প্রচলন আছে। তান্ত্রিক মতে দীক্ষা দুই প্রকারের হয়, ‘বহির্দীক্ষা’ ও ‘অন্তর্দীক্ষা’। পূজা, হোম প্র

আরও পড়ুন...

আদরের ছোট ভাই

জান্নাতুল ফেরদৌস লাবণ্য

মামাতো ভাই ইমুর নামে প্রায়‌ই উল্টাপাল্টা কথা শুনি। পাশের বাসার আন্টি প্রায় রোজ‌ই আমাকে দেখলেই বলেন, তোমার ভাই এত বেসন কেনে কেন? পাড়ার দোকান থেকে যখন‌ই দেখি বেসন কিনছে। আর বারবার বলে বেসনের দাম এত বাড়াইছেন,আব্বার কাছ থেকে টাকা নেয়াই ঝামেলা। এত বেসন সে কি করে? তোমরা কি ভাজাভুজির ব্যবসা শুরু করেছো?

ব্যাপারটা বুঝে নিয়ে আমিও হালকা হেসে উড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করতে করতে বলি,রোজার মাসতো আন্টি! বেসন একটু বেশী লাগে। তাছাড়া আমাদের বাসার সবার চপ,পেঁয়াজু এসব একটু বেশী পছন্দ।

কিন্তু ভ

আরও পড়ুন...