ফরিদা RSS feed

পাঁচকথা সাতকান করতে করতে উনিশ-বিশ যা হয় তারই সাত-সতের কথা। এর একচুল বেশিও না, কমও না।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • নিকানো উঠোনে ঝরে রোদ
    "তেরশত নদী শুধায় আমাকে, কোথা থেকে তুমি এলে ?আমি তো এসেছি চর্যাপদের অক্ষরগুলো থেকে ..."সেই অক্ষরগুলোকে ধরার আরেকটা অক্ষম চেষ্টা, আমার নতুন লেখায় ... এক বন্ধু অনেকদিন আগে বলেছিলো, 'আঙ্গুলের গভীর বন্দর থেকে যে নৌকোগুলো ছাড়ে সেগুলো ঠিক-ই গন্তব্যে পৌঁছে যায়' ...
  • খানাকুল - ২
    [এর আগে - https://www.guruchan...
  • চন্দ্রযান-উন্মত্ততা এবং আমাদের বিজ্ঞান গবেষণা
    চন্দ্রযান-২ চাঁদের মাটিতে ঠিকঠাক নামতে পারেনি, তার ঠিক কী যে সমস্যা হয়েছে সেটা এখনও পর্যন্ত পরিষ্কার নয় । এই নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতে শুরু হয়েছে তর্কাতর্কি, সরকারের সমর্থক ও বিরোধীদের মধ্যে । প্রকল্পটির সাফল্য কামনা করে ইসরো-র শীর্ষস্থানীয় বিজ্ঞানীরা ...
  • দেশত্যাগ...
    আমার এক বন্ধু ওর একটা ভিজিটিং কার্ড আমাকে দিয়েছিল। আমি হাতে নেওয়ার সময় কার্ডটা দেখে বুঝতে পারলাম কার্ডটা গতানুগতিক কোন কার্ড না, বেশ দামি বলা চলে। আমি বাহ! বলে কাজ শেষ করে দিলাম। আমি আমার বন্ধুকে চিনি, ওর কার্ডের প্রতি এরচেয়ে বেশি আগ্রহ দেখালে ও আমার মাথা ...
  • পাঠকের সঙ্গে তাদের হয় না কো দেখা
    মানস চক্রবর্তীকবিতা কি বিনােদনসামগ্রী? তর্ক এ নিয়ে আপাতত নয়। কবিতা কি আদৌ কোনাে সামগ্রী? কোনাে কিছুকে পণ্য হয়ে উঠতে হলেও তার একটা যােগ্যতা দরকার হয়। আজকের দিনে কবিতা সে-অবস্থায় আদৌ আছে কি না সবার আগে স্পষ্ট হওয়া দরকার। কবিতা নামে একটা ব্যাপার আছে, ...
  • হে মোর দেবতা
    তোমারি তুলনা তুমি....আজ তাঁর জন্মদিন। আমার জংলা ডায়রির কয়েকটা ছেঁড়া পাতা উড়িয়ে দিলুম তাঁর ফেলে যাওয়া পথে।দাঁড়াও পথিকবর....জন্ম যদি তব অরণ্যে," সবুজ কাগজেসবুজেরা লেখে কবিতাপৃথিবী এখন তাদের হাতের মুঠোয়"(বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়)মহাভারত...
  • বেকার ও সমীকরণ
    'বেকার'-এই শব্দটি আমাকে আজন্ম বিস্মিত করেছে। বাংলায় লেখাপড়া শিখে, এমনকী একাদশ শ্রেণীতে বিজ্ঞান বিভাগে পড়ে, সে কী বাংলায় পদার্থবিদ্যার বিদ্যা বালানীয় চর্চা! যেমন, 'ও বিন্দুর সাপেক্ষে ভ্রামক লইয়া পাই।' ভ্রামক কি রে? ভ্রম না ভ্রমণের কাছাকাছি? না, ভ্রামকের ...
  • ধানবাদের রায়বাবু
    অরূপ বসুবেশ কয়েকমাস আগে লিখেছিলাম, ভাল নেই ধানবাদের রায়বাবু। অরুণকুমার রায়ের স্মিত হাসিমুখ ছবির সঙ্গে সেই খবর পড়ে অনেকেই বিচলিত হয়েছিলেন। এখন লিখতে হচ্ছে, ধানবাদের রায়বাবু আর নেই! যে খবর ইতিমধ্যেই অনেকের হৃদয়, মন বিবশ করেছে। রায়বাবু নেই, কিন্তু ...
  • চন্দ্রকান্ত নাকেশ্বর
    চন্দ্রযান-৩ যখন ফাইনালি টুক করে চাঁদে নেমেই পড়ল তখন 'বিশ্বে সে কী কলরব, সে কী মা ভক্তি, সে কী মা হর্ষ'-র মধ্যে বোম্বে ফিল্ম কোম্পানি ঠিক করল একটা ছবি বানাবে। চন্দ্রযান-১ যখন চাঁদে গেছিল, তখন একটুও ফুটেজ পায়নি। কিন্তু তারপর মঙ্গলযান নিয়ে একটা আস্ত ছবি হয়ে ...
  • পাখিদের পাঠশালা
    'আচ্ছা, সারা দেশে মোট কতজন ক্যান্ডিডেট এই পরীক্ষাটা দেয়?', লোকটা সিগারেটে একটা টান দিয়ে প্রশ্ন করলো।-'জানা নেই। তবে লাখ দশেক তো হবেই।', আমি বললাম।- 'বাব্বা! এতজন! সিট কতো ?'-'বলতে পারব না। ভাল কলেজ পেতে গেলে মেরিট লিস্টে যথেষ্ট ওপরে নাম থাকতে হবে।'-' তার ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

অসভ্যতার লাইসেন্স

ফরিদা

কোনটা ভাল কোনটা খারাপ - এই বোধ ব্যাক্তিবিশেষে আলাদা। মানুষ শুরুতে বাড়ির বড়দের থেকে শিখেছে, পরে ইস্কুল কলেজ পাড়ায় খেলতে গিয়ে বা পড়াশোনা করার সময়ে তার ধারণা কিছুটা বদলে গেল, অনেক নতুন পরিস্থিতি এল তারও ভাল-মন্দ সম্পর্কে ধারণা হল। আবার, ছাত্রাবস্থার শেষ ও পরবর্তী কাজের জায়গার শুরুর দিকে তারও বদল হয় বটে, কলেজ - বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখার ব্যাপ্তি ইস্কুলের চেয়ে স্বাভাবিক ভাবেও বড়, কিন্তু আদত মূল ব্যাপারটার খুব একটা পরিবর্তন হয় না।

এই মূল ভাল-মন্দের ধারণা, যা খানিকটা মূল্যবোধ বলব বা ইংরাজিতে “ভ্যালু সিস্টেম” — তার একটা আমূল পরিবর্তন খেয়াল করেছি গত দশ-বারো বছরে।

এই বদলের অঙ্কুরোদগম অনেক আগে থেকেই হয়েছিল। তার কারণ, প্রেক্ষিত অনেকটাই রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক। কিন্তু তার থেকে বেড়ে ওঠা গাছটির বাড়বাড়ন্তের প্রভাব এই দশ-বারো বছরে সর্বাধিক।

আমরা জানি, এই বিভিন্নতার মধ্যেও কয়েকটি প্রাথমিক ভাল-মন্দ বোধ সমস্ত মানব জাতির মধ্যে মোটামুটি এক। মিথ্যে কথা বলা ঠিক নয়। মানুষকে ঘৃণা করা উচিৎ নয়। মানুষের লিঙ্গ, জাতি, ধর্ম, বিশ্বাস, প্রতিবন্ধকতা বা চেহারার বৈশিষ্ট্য নিয়ে মন্তব্য করা ঠিক নয়। এইগুলো একই।

আমরা জানতাম “ওই ব্যাটারা বড় বাড় বেড়েছে” বলে এক বিশেষ সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে মত পোষণ করা বাড়ির এক বয়স্ক সদস্যকে বাড়ির অন্যরাই একটু চেপেচুপে থাকতে বলতেন বাড়িতে অনুষ্ঠান হেতু আত্মীয় -কুটুমের সমাগম হলে। “ওবেলা বাড়িতে লোকজন আসবে, দেখ, তুমি যেন হুটহাট লুঙ্গি পরে খালি গায়ে বেরিও না ওদের সামনে” - সুরটা এইরকমই থাকত।

অর্থাৎ, আমরা জানতাম বাইরের লোকের সামনে লুঙ্গি পরে খালি গায়ে বেরিয়ে পড়াটা শোভন নয়। শোভন নয় কোনও বিশেষ ধর্ম, সম্প্রদায়, লিঙ্গ, বিশ্বাস, গায়ের রঙ, প্রতিবন্ধকতা, চরিত্র বা চেহারার বৈশিষ্ট্যের উল্লেখ করে মন্তব্য। এই কয়েকটি বৈশিষ্ট্যের নিরিখে মানুষের যোগ্যতা নির্ধারণ করা ঠিক নয়। উচিৎ নয়।

আর এই গত দশ- বারো বছর ধরে দেখছি ঠিক এই ধরণের কথাবার্তা খবরের কাগজে, টিভিতে, সোশ্যাল মিডিয়ায় ছেয়ে রয়েছে। সাম্প্রদায়িক অসূয়া ও বিপক্ষের প্রতি ঘৃণাবর্ষণ একটা সীমার নিচে না গেলে যেন তা গণমাধ্যমে প্রকাশের যোগ্যতা পায় না - এ ধারণা কেউ পোষণ করলে তার খুব একটা দোষ দেখি না। নিজের দল বা দেশ কে সমর্থন করতে গেলে যে প্রতিপক্ষের প্রতি ঘৃণা দেখান যে আবশ্যকীয় — তাও জানা ছিল না। জানা ছিল না নির্লজ্জ মিথ্যাচার ধরা পড়ে গেলে অন্য মিথ্যার আশ্রয়ে অনায়াসে পার পাওয়া যায়। এই দেশের বর্তমান প্রধাণমন্ত্রী, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী এই ব্যাপারে নিজস্ব স্বকীয়তা দেখিয়েছেন।

কিন্তু মুশকিল হল যে এই প্রবণতা মানব-সমাজের ভিত নাড়িয়ে দেয়। প্রধাণমন্ত্রী বা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর আলপটকা অসংস্কৃত মন্তব্যের জের এবং জোর দুইই প্রবল। প্রথমত, যেহেতু তাঁরা জনসমর্থনে জিতে এসে দেশ ও রাজ্য চালানর কাজ পেয়েছেন, কাজেই তাদের করা মন্তব্যগুলি এক ধরণের সাফল্য-রসায়ন বলে সাধারণ জনমানসে অনুদিত হয়। দ্বিতীয়ত, এই মন্তব্যগুলি একটা লাইসেন্স পেয়ে যায় জনসমক্ষে সোচ্চারে বলার।

কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী বা প্রধাণমন্ত্রী বললেও - কথাগুলো তো আর ঠিক নয়। এতদিনকার সমাজবদ্ধ জীব বলে স্বীকৃত মানুষের প্রাথমিক ভাল-মন্দের জ্ঞান এত চটজলদি আমূল বদলে যায় না। এটা কেউ বা কয়েকজন ব্যবহার করতে শুরু করে সাধারণ লোকের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়েছেন। হয়ত এই কারণে বা অন্য কারণেই ভোটে জিতে দেশ বা রাজ্য চালানর ক্ষমতা পেয়েছেন বলেই তো সে সব কিছু রাতারাতি মিথ্যে হয়ে যেতে পারে না। যারা পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে এই মুল্যবোধ - হত্যার খেলায় নামলেন তারা এই চালাকি দিয়ে পাঁচ, দশ বা পনের বছরের বেশি টিকবেন না। টিকে গেলেও এদের কার্যকলাপ “অসভ্যতা”ই থাকবে। কিন্তু এর ফলে সমাজের একটা বড় অংশ শিখছে বা শিখে গেল যে এই ধরণের মন্তব্য লোকসমক্ষে এমনকী গণমাধ্যমে সহজেই বলা যায়।

আগের উদাহরণের বাড়ির সেই বয়স্ক সদস্যটি আজকের দিনে যদি অন্তর্বাস পরেই বাইরের আত্মীয়-কুটুমের সামনে আসতে চান, তাকে ঠেকান বেশ কঠিন হবে। আজকের শাসক যাঁরা আগামী দশ বছরের মধ্যে তাদের ধারণা সহ আস্তাকুঁড়ে যাবেন, তা নিয়ে সন্দেহ করি না, কিন্তু যে ক্ষতিটা তাঁরা করে দিয়ে গেলেন তাতে একজন নাগরিক হিসেবে সামনে অনেক লজ্জার দিন আসছে তাতে খারাপই লাগে। সময় লাগবে এই দেশের মানুষকে আবার সেই প্রাথমিক পাঠ থেকে শেখাতে।


1192 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

শেয়ার করুন


মন্তব্যের পাতাগুলিঃ [1] [2] [3]   এই পাতায় আছে 1 -- 20
Avatar: ফরিদা

Re: অসভ্যতার লাইসেন্স

#
Avatar: বিপ্লব রহমান

Re: অসভ্যতার লাইসেন্স

অসভ্যতাই এখন দেশপ্রেম, এমন কি ধর্মেরও প্রায় সমর্থক হয়ে উঠেছে। একই আত্মীয়তায় জিহাদেরও।

"অদ্ভুত আঁধার এক এসেছে এ পৃথিবীতে আজ,
যারা অন্ধ সবচেয়ে বেশি আজ চোখে দেখে তারা;
যাদের হৃদয়ে কোনো প্রেম নেই-প্রীতি নেই-করুনার আলোড়ন নেই
পৃথিবী অচল আজ তাদের সুপরামর্শ ছাড়া।"


Avatar: PM

Re: অসভ্যতার লাইসেন্স

যাহ-- কিসুই জানেননা । আগে তাবর গুরুজনেরা এককালে এই পাতায় আমাদের বুঝিয়েছেন যে এটা আসলেই ধুতি পড়া বাঙ্গালী বাবুদের নন্দন কালচারের প্রতিস্পর্ধি সাব অল্টর্ন কালচারের উথ্থান। আপনি এখন একে অসভ্যতা বল্লেই মেনে নেবো ? ইল্লি আর কি।

যাই হোক লেখাটা দরকারী
Avatar: pujari

Re: অসভ্যতার লাইসেন্স

ধুতি পড়া সিপিএম নেতা অনিল বসু রা বিরোধী নেত্রীকে ‘ভাতার’ বলে সম্বোধন করে যে সব অসামান্য শিষ্টতার নিদর্শন রেখে গেছেন - সেগুলি অবশ্য অর্ধসত্যের চর্চাকারীরা মনে রাখবেনই বা কেন।
Avatar: অনিল

Re: অসভ্যতার লাইসেন্স

আমাকে পার্টি থেকে বহিস্কৃত হতে হয়েছিলো ঃ( এই অর্ধসত্য টা উইকি ও জানে ঃ(


"He was caught making derogatory remarks about Mamta Banerjee and for this he was severely criticised by his own partymen.[1] In 2012, he was expelled from the Communist Party of India (Marxist) on charge of nepotism, anti-party activities & breach of discipline".

ফরিদা বলেছেন---

"প্রধাণমন্ত্রী বা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর আলপটকা অসংস্কৃত মন্তব্যের জের এবং জোর দুইই প্রবল। প্রথমত, যেহেতু তাঁরা জনসমর্থনে জিতে এসে দেশ ও রাজ্য চালানর কাজ পেয়েছেন, কাজেই তাদের করা মন্তব্যগুলি এক ধরণের সাফল্য-রসায়ন বলে সাধারণ জনমানসে অনুদিত হয়। দ্বিতীয়ত, এই মন্তব্যগুলি একটা লাইসেন্স পেয়ে যায় জনসমক্ষে সোচ্চারে বলার।" এটাও খেয়াল রাখবেন। আমি মুখ্যমন্ত্রী ছিলাম না। হুগলি র সবথেকে ক্ষমতাশালী নেতা ছিলাম মাত্র। কিন্তু তাতেও পার্টিতে কানমলা খাওয়া আটকায় নি


Avatar: pujari

Re: অসভ্যতার লাইসেন্স

হাইকোর্ট এর বিচারপতি অমিতাভ লালা-র উদ্দেশ্যে বিমান বসু-র গুণ্ডাসুলভ ধমক — ওরে লালা, তুই বাংলা ছেড়ে পালা ।
বিনয়বাবুর (কোঙার) অসভ্যতার নমুনা না হয় থাক ।
আর ধুতি-সভ্যতার বিকাশ হয় যখন মাফিয়া স্টাইলের মন্তব্য শোনা যায় - we paid them in same coin ।
তারই প্রতিফলন শোনা যায় কয় বছর বাদে - ঘরে ছেলে ঢুকিয়ে দেব ।
এই তো সভ্যতা !
Avatar: S

Re: অসভ্যতার লাইসেন্স

প্রতিফলন? আমি তো শুনেছিলাম পরিবত্তন।
Avatar: PM

Re: অসভ্যতার লাইসেন্স

ওহ তাই বলুন। আনে এরকম ই চলবে ।

তা অবশ্য ঠিক । এখন কেই বা কার কান মোলে -- ঠক বাছতে গা উজার
Avatar: মানিক

Re: অসভ্যতার লাইসেন্স

লালা আর পালার মিল দেওয়ার সাথে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী আর প্রধানমন্ত্রীর আচরণের সমীকরণ যদি করেন তো বলতেই হবে অসভ্যতার এই লাইসেন্সটা প্রাপ্যই ছিল। সভ্যতা অসভ্যতার মধ্যে প্রধান তফাৎ পরিমিতিবোধে।

ভবিষ্যতের ভুত নিয়ে কৌশিক সেন আগের ওদের সাথে বর্তমানেদের একটা তুলনা করেছিলেন। ক্লিপটা ইউটিউবে আছে। আগের ওরা যে তুলনায় ভাল ছিলেন, সে কথাটা বলতে উনি ইতস্ততঃ করেন নি।

প্লেটোর চেয়ার মনে আসে। চেয়ারটা নিশ্চয় শক্ত, নইলে বসি কি করে? নিশ্চয় নরম, নইলে কাটি কি করে? সিদ্ধান্ত চেয়ার বলে কিছু নেই। শক্ত নরমের পরিমাপের কোন বালাই নেই।
Avatar: sm

Re: অসভ্যতার লাইসেন্স

Avatar: sm

Re: অসভ্যতার লাইসেন্স

বিমান বাবু উবাচ।ঠক বাছতে সত্যি সত্যিই গাঁ উজাড়!
Avatar: ফরিদা

Re: অসভ্যতার লাইসেন্স

যাঁরা পড়লেন, লিখলেন তাঁদের ধন্যবাদ।

বাম "অসভ্যতা" র উদাহরণ যিনি টেনে আনলেন ২০১১ সাল থেকে, ধন্যবাদ তাঁকেও। সঙ্গত কারণেই "লাইসেন্স" এর ব্যাপারটা এড়িয়ে গেলেন যেটা খুবই স্বাভাবিক।

মনে পড়ল ব্যাকরণ সিং এর কথা, যার মামা কে অর্ধেকটা কে যেন (বোধ হয় কুমীরে) খেয়ে নিয়েছিল বলে বাকি অর্ধেকটা মরে গেল।

সে যাক গে। এমন হয়। বুঝি।


Avatar: sm

Re: অসভ্যতার লাইসেন্স

কিন্তু রচনায় খালি বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী ও পিএম এলো কেন বুঝতে কষ্ট হলো।এই ট্র্যাডিশন তো সমানে চলছে। কেউ কেউ হোলিয়ার দ্যান দাউ প্রমান করে দেবার চেষ্টা চালাচ্ছিল তো,তাই একটা লিংক দিলাম।😊
Avatar: মানিক

Re: অসভ্যতার লাইসেন্স

এসেমের দেওয়া লিংক থেকে

Bose’s remark drew criticism even within his party. Some found it obscene,

Later coming under pressure from colleagues, Bose apologized.

আমার মনে হয় মুখ্যমন্ত্রী বা প্রধানমন্ত্রী অশালীন আচরণ করে নিজের পার্টির মধ্যে বিরোধীতার সম্মুখীন হয়ে থাকেন, ও ক্ষমা চাইতে বাধ্য হন বলে দেখা গেলে আগের ওদের এবং এখনকার এদের তুল্যমূল্য ভাবতে আমরা সবাই রাজি হব।


Avatar: amit

Re: অসভ্যতার লাইসেন্স

পাথলোজিকাল বাম বিরোধিতা কয়েক জনের মোক্ষ। আফটার অল বামেদের ভূমি সংস্কারে যাদের জোতদারির জমানো জমি খোয়া গেছে, সেই বামেদের ওপর মায়াপাতায় ঢিল ছুড়ে সেই গায়ের ঝাল কিছুটা মেটানোই মুখ্য উদ্দেশ্য।

সুতরাং আগের আমলের কিছু কিছু ইনসিগ্নিফিক্যান্ট ঘটনার লিংক তুলে তুলে এখনকার অল রাউন্ড নোংরামীকে জাস্টিফাই করার চেষ্টা হবেই।
Avatar: sm

Re: অসভ্যতার লাইসেন্স

মানিক,আপনি স্পেসিফিক উদাহরন দিয়ে বলুন মুখ্যমন্ত্রী কি কি অশালীন কার্যকলাপ বা বক্তব্য রেখেছেন?
প্রধান মন্ত্রীর টা পরে দিলেও চলবে।
তারপর নয়,বিমানবাবুদের সঙ্গে প্রতিতুলনা করা যাবে।
Avatar: sm

Re: অসভ্যতার লাইসেন্স

এই একটা বাচাল, আমার পোস্ট গুলোর পর পর ই চলে আসে,লেজ নাড়তে নাড়তে।
আগের যে ঘটনা গুলো রিপোর্টে আছে,সেগুলো নাকি ইন্সিগনিফিক্যান্ট!
বা রে বাহ!
Avatar: মানিক

Re: অসভ্যতার লাইসেন্স

ও, মুখ্যমন্ত্রী অশালীন কিছু বলেন বা করেন নি!!

তাহলে তো এই আলোচনার কোন প্রয়োজনই নেই।

আপনি বরং কে কোথায় লেজ নাড়ছে তার খবরদারি করতে বেশী সময় পাবেন। :-)
Avatar: sm

Re: অসভ্যতার লাইসেন্স

ব্যাস হয়ে গেল?ফুস।উত্তর দিতে গেলে তো কিছু ফ্যাক্ট থাকতে হবে।কিন্তু,ফস করে কমেন্ট করে দেওয়া যাবে,আগে মুখ্য মন্ত্রী ও প্রধান মন্ত্রী অশালীন আচরণ করে নিজের পার্টির মধ্যে বিরোধিতার সম্মুখীন হন বা ক্ষমা চান,ইত্যাদি প্রভৃতি..
Avatar: amit

Re: অসভ্যতার লাইসেন্স

সত্যি কথা গুলো আঁতে গিয়ে লেগেছে বোঝা যাচ্ছে।

মন্তব্যের পাতাগুলিঃ [1] [2] [3]   এই পাতায় আছে 1 -- 20


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন