ফরিদা RSS feed

পাঁচকথা সাতকান করতে করতে উনিশ-বিশ যা হয় তারই সাত-সতের কথা। এর একচুল বেশিও না, কমও না।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • ইন্দুবালা ভাতের হোটেল-৬
    চিংড়ির হলুদ গালা ঝোলকোলাপোতা গ্রামটার পাশ দিয়ে বয়ে চলেছে কপোতাক্ষ। এছাড়া চারিদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে খাল বিল পুকুর। সবুজ জংলা ঝোপের পাশে সন্ধ্যামণি ফুল। হেলেঞ্চার লতা। উঠোনের কোন ঘেঁষে কাঠ চাঁপা। পঞ্চমুখী জবা। সদরের মুখটায় শিউলি। সাদা আঁচলের মতো পড়ে থাকে ...
  • যৌন শিক্ষা মহাপাপ...
    কিছুদিন ধরে হুট করেই যেন ধর্ষণের খবর খুব বেশি পাওয়া যাচ্ছে। যেন হুট করে কোন বিষাক্ত পোকার কামড়ে পাগলা কুকুরের মত হয়ে গেছে কিছু মানুষ। নিজের খিদে মিটাতে শিশু বৃদ্ধ বাছ বিচার করারও সময় নাই, হামলে পড়ছে শুধু। যদি বিষাক্ত পোকার কামড়ে হত তাহলে এই সমস্যার সমাধান ...
  • ইতিহাসবিদ সব্যসাচী ভট্টাচার্য
    আধুনিক ভারতের ইতিহাস চর্চায় সব্যসাচী ভট্টাচার্য এক উল্লেখযোগ্য নাম। গবেষক লেখক শিক্ষক এবং শিক্ষা প্রশাসক হিসেবে তাঁর অবদান বিশেষ উল্লেখযোগ্য। সবসাচীবাবুর বিদ্যালয় শিক্ষা বালিগঞ্জ গভর্মেন্ট হাই স্কুলে। তারপর পড়তে আসেন প্রেসিডেন্সি কলেজের ইতিহাস বিভাগে। ...
  • পাগল
    বিয়ের আগে শুনেছিলাম আজহারের রাজপ্রাসাদের মতো বিশাল বড় বাড়ি! তার ফুপু বিয়ে ঠিকঠাক ‌হবার পর আমাকে গর্বের সাথে বলেছিলেন, "কয়েক একর জায়গা নিয়ে আমাদের বিশাল বড় জমিদার বাড়ি আছে। অমুক জমিদারের খাস বাড়ি ছিল সেইটা। আজহারের চাচা কিনে নিয়েছিলেন।"সেইসব ...
  • অশোক দাশগুপ্ত
    তোষক আশগুপ্ত নাম দিয়ে গুরুতেই বছর দশেক আগে একটা ব্যঙ্গাত্মক লেখা লিখেছিলাম। এটা তার দোষস্খালন বলে ধরা যেতে পারে, কিন্তু দোষ কিছু করিনি ধর্মাবতার।ব্যাপারটা এই ২০১৭ সালে বসে বোঝা খুব শক্ত, কিন্ত ১৯৯২ সালে সুমন এসে বাঙলা গানের যে ওলটপালট করেছিলেন, ঠিক সেইরকম ...
  • অধিকার এবং প্রতিহিংসা
    সল্ট লেকে পূর্ত ভবনের পাশের রাস্তাটায় এমনিতেই আলো খুব কম। রাস্তাটাও খুব ছোট। তার মধ্যেই ব্যানার হাতে একটা মিছিল ভরাট আওয়াজে এ মোড় থেকে ও মোড় যাচ্ছে - আমাদের ন্যায্য দাবী মানতে হবে, প্রতিহিংসার ট্রান্সফার মানছি না, মানব না। এই শহরের উপকন্ঠে অভিনীত হয়ে ...
  • লে. জে. হু. মু. এরশাদ
    বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটা অধ্যায় শেষ হল। এমন একটা চরিত্রও যে দেশের রাজনীতিতে এত গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে থাকতে পারে তা না দেখলে বিশ্বাস করা মুশকিল ছিল, এ এক বিরল ঘটনা। মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে যুদ্ধ না করে কোন সামরিক অফিসার বাড়িতে ঘাপটি মেরে বসে ছিলেন ...
  • বেড়ানো দেশের গল্প
    তোমার নাম, আমার নামঃ ভিয়েতনাম, ভিয়েতনাম --------------------...
  • সুভাষ মুখোপাধ্যায় : সৌন্দর্যের নতুন নন্দন ও বামপন্থার দর্শন
    ১৯৪০ সালে প্রকাশিত হয়েছিল সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘পদাতিক’। এর এক বিখ্যাত কবিতার প্রথম পংক্তিটি ছিল – “কমরেড আজ নবযুগ আনবে না ?” তার আগেই গোটা পৃথিবীতে কবিতার এক বাঁকবদল হয়েছে, বদলে গেছে বাংলা কবিতাও।মূলত বিশ্বযুদ্ধের প্রভাবে সভ্যতার ...
  • মৃণাল সেনের চলচ্চিত্র ভুবন
    মৃণাল সেনের জন্ম ১৯২৩ সালের ১৪ মে, পূর্ববঙ্গে। কৈশোর কাটিয়ে চলে আসেন কোলকাতায়। স্কটিশ চার্চ কলেজ ও কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থবিদ্যায় স্নাতক ও স্নাতকোত্তর স্তরে পড়াশুনো করেন। বামপন্থী রাজনীতির সাথে বরাবর জড়িয়ে থেকেছেন, অবশ্য কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

জার্ণাল ২০১৯ - ২

ফরিদা

জার্ণাল ২০১৯ লেখা শুরু হয়েছিল বছরের গোড়ায়। যেমন হয়, বাকি পড়ে, কিছু লেখাও হয়।

আগের লেখার নিচে পর পর জুড়ব ভেবেছিলাম, তা আর হচ্ছে না, তার বদলে আগের লেখার লিঙ্ক রইল।



http://www.guruchandali.com/blog/2019/01/06/1546743042533.html

পরের থেকে এখানে জুড়বে


২১ জানুয়ারি ২০১৯

রান্নাঘর সাজগোজ করছে বলে বাড়িশুদ্ধু তোলপাড়
প্রতিবেশী বাড়ির জলে তেষ্টা নিবারণ, রান্নার কাজ
আপাতত ডাইনিং হলে। সব মশলার কৌটোরা দল বেঁধে
সারাবাড়ি গুটি গুটি হেঁটে বেড়াচ্ছে, দরকারে বেপাত্তা।
যত্রতত্র প্যাকিং বাক্স, মাঝে মাঝে যুদ্ধভূমির ধুলো বালি
পাউডার ঘসছে রান্নাঘর। নতুন পোশাক চকচকে টালি।

এই ভাল, এতদিনের ঝুল কালি তেলচিটে দাগ মুছে যাবে
হয়ত মনে পড়বে না চটজলদি মুখে মুখে বানানো ছড়াগুলি
যা প্রায়শই লিখিত রেসিপি থেকে অনেক দূরে গিয়ে অচেনা
স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে বসে পা নাচাত দেহাতি নেড়ির সমীপে।
বাড়িতে অতিথি এলে খুশি হ'ত খুব। ভোরে গরম চা নিয়ে
ডেকে দিত ম্যারিনেট করা মাংস চাপাতে। মশলার কৌটরা
একে একে সামনে দাঁড়াত যেন প্রার্থনাসভায় স্কুলের জামায়
এক হপ্তার চড়ুইভাতি। তাকে সারা বাড়ি ভালবাসা জানায়।




কালো মেঘগুলো সচরাচর আকাশের এক কোণ থেকে
গুড়ি মেরে উঠে ঢেকে দেয় পৃথিবীকে অন্ধকারে
বৃষ্টিও এসেছে এক্ষুণি।
দাঁতের ব্যথাটি যেন, আচমকা ছুরি ঠেকিয়েছে গালে —
পাথরের মুখ। সাদা পোশাকের পেশাদার খুনি।

অথবা তোমার প্রথম চিঠি, অপ্রত্যাশিত গ্রীষ্ম অবকাশে
টুমান-ডুংরি থেকে সাদা পাতায় নীল কালি মাখা
অক্ষরে অক্ষরে টুপটাপ গার্হস্থ্য বৃষ্টি, যাতে —

আজীবন শস্যশ্যামলা হয়।


২২ জানুয়ারি ২০১৯

আকাশ কালো করে এল ফের,
চলন্ত পিঁপড়ে রেলগাড়ি দেওয়ালে চঞ্চলতর
বারান্দার বাইরেটা আবছা হতে হতে
অদৃশ্য হয়ে গেল দেখতে দেখতে।
জলের ছাট লাগে, হাওয়ার ঝাপটে
দরজারা সশব্দে খোলে আর বন্ধ হয়।

দেখার কিচ্ছু নেই, মেঘের ওপারেই সমুদ্রে বড় বড় ঢেউ
অথবা কাঞ্চনজঙ্ঘা এখন হয়ত রৌদ্রকরোজ্জ্বল
নয়ত ঘরের টালিচাল থেকে জরি-সুতো বৃষ্টি লাইনে
মা কাকিমা রা বালতি পেতে দেয়, রাতের এঁটো বাসনও
ইস্কুল অফিস দোকান — আজ কেউ কোত্থাও যাবে না
শুধু জানলার গরাদে গাল ঠেকিয়ে বৃষ্টির ছাট, দমকা হাওয়া
ভিতর বাইরের দরজা জানালাগুলি সশব্দে খোলা বন্ধ হয়।



সব কথা শোনা হয়ে ওঠে না, দেখা ও,
দুর্দান্ত শব্দের ঘুড়ি এক পেট মাঞ্জা নিয়ে
বারান্দায় হাতের নাগাল এড়িয়ে পালায়।

সকালে বৃষ্টির ঠিক পরে ছোট ছোট পাখিরা
জল ছুঁই ছুঁই খেলা খেলে, যখন শাকের ক্ষেত
রোদ্দুরে বৃষ্টির অক্ষর লেখা খাতা মেলে ধরে।

কে দেওয়ালে জলের ছোপ ছবি এঁকেছিল?
কবে ফাঁকা ক্লাসঘরে রবীন্দ্রসঙ্গীতের গেলাস
ভরে দিয়েছিল সামান্য অজুহাত দেখিয়ে।
সব নয়, বৃষ্টির দিনে খুব সামান্যই দেখা যায়।

পায়ে পায়ে ঘুরি, ডানা থেকে জলকণাগুলি
আঙুলের ফাঁক থেকে প্রিয় মুহূর্তরা তখনই
ধীরে ধীরে নামে। জন্মের শোধ পৃথিবীতে
তারই কিয়দংশ শেষ অবধি লিপিবদ্ধ হয়।


ফেব্রুয়ারি….



৪ ফেব্রুয়ারি ১৯

যেভাবে নিজস্ব হয় জলে ভেসে যাওয়াটুকু
স্রোত মুখাপেক্ষী যদিও, দৃশ্যান্তর, শব্দের বদল
এত চমৎকার চোখে পড়ে, ছোটখাট ঘূর্ণিতে পড়ে
পাক খেয়ে নাগরদোলার কথা মনে পড়ে।

প্রথম খেলনা বেলুন, প্রথম রঙিন কাগজ,
আঠার শিশি কাঁচি নিয়ে ইস্কুলে গিয়ে আম কাটি, সবুজ
আঁকাবাঁকা লাল আপেল। সেটা খাতায় জোড়ার আগেই
ঢালু ডেস্ক থেকে আঠার শিশি পড়ে চুরমার।
একলা সবুজ আম ভেসেছিল হাতের কাজের খাতায়।

একা একা ঘুরে ঘুরে যাওয়া ইস্কুল বাড়ির চারপাশে
অনেকগুলো ছোট ছোট খেলা।
হঠাৎ একটা বল হারিয়ে গেলে তাকে যেন নিজস্ব মনে হয়।



৫ ফেব্রুয়ারি

কিছুটা দূরত্ব ছাড়া কিছুই দাওনি তুমি
সেটাকেই সেতু ভাবি, যতদূর চোখ যায়
কাঁপা কাঁপা হাওয়ায় মিশে যায় ল্যাম্পপোস্ট গুলি
কুয়াশায় তার বেশি কিছুই দেখা যায় না।
যদিও দিনমানে লোকে আসা যাওয়া করে, পাখিরাও,
জলপথে পণ্য পরিবহণ, হাঁকডাক চিঠি যায় আসে।
লোকের মুখেই পাওয়া কথা কাগজের নৌকায় ভাসে।

বয়সের ঝোঁকে মাঝে মাঝে পাড় ভেঙে যায়
উত্তাল জলের স্রোতে হিমশিম খাই,
শীতে ভিজে কাঁপি ঠকঠক করে
সতৃষ্ণ তাকিয়ে থাকি, যতক্ষণ না ওই পাড়ে
তোমার অন্তত একটি আলো চোখে এসে পড়ে।



বিদ্যুতের লাস্যলতাগুলি একটা দূরত্বের চেয়ে কাছে এলে
সবকিছু নিয়ে আঁকড়ে ধরে দম বন্ধ করে দেয়
কতদিনের পুরনো গন্ধ, যারা এতদিন যেন খুঁজে খুঁজে হয়রান
তাদের প্রত্যেকের সব কথা যেন তক্ষুণি সব বলে দিতে চায়
শুনে নিতে চায় সব - এতদিন এত দূরে আমি ছিলাম কীভাবে

খুব ঝড় জল। ভীষণ তেষ্টা। দমকা হাওয়ায় জানলার পাল্লা
খুলে গেলে ঝড়ের যাবতীয় ধুলো বালি ফুল পাতা কাঁকড়
শরীরে চাবুকের মতো লাগে, তার মধ্যেই ছুঁচবৃষ্টি ফলা
খুব কাছে এসে এত জোরে কথা বলে। এত ঘন ঘন শ্বাস
উতরোল পৃথিবীতে এর বেশি ঢেউ কোনও সুনামিও
দিতে পারে নি। এত রেগে গিয়েছিলে। এতটা আগুন যদি
বুকে নিয়ে এতদিন ছিলে - একবারও জানালে না তুমি!


এত ভণিতার দরকার ছিল না, যদি না সময়মতো
ঠিক কথাগুলো বলে দেওয়া যেত। সহজে তাকিয়ে
দৃষ্টি ফেরৎ দেওয়া যেত ন্যুনতম রুচির খুঁটি ধরে।
তাতে সৌন্দর্যের সামনে নিজেকে চোরের মতো লাগত না।

যদি অল্প কিছু টাকা থাকত। আর একটু পড়াশোনা,
নিদেনপক্ষে একটা দোতলার টানা বারান্দা,
দু একটা ফুলগাছ, এক প্রস্থ সাফসুতরো পাঞ্জাবী পাজামা
একটু সাবেকি বাড়ি, পদবীটি অনেকেরই জানা।

তাহলে কি পাখি এসে বসত এ কাঁধে? তখনও কি
এতদিন পরে এতখানি লিখতাম রাতের শেষবিন্দু আলো
কায়ক্লেশে দু'হাতে আঁকড়ে এতটা আদিখ্যেতা করে?



৬ ফেব্রুয়ার, ১৯

আমাদের অজান্তে প্রচুর শ্যাওলা জন্মায়
মাঝ-মধ্যিখানে না বলা কথারা অপরের দৃষ্টি বাঁচিয়ে
মাথা নিচু করে চলে যায় বলে রাস্তার ধুলো মাটি নুড়ি
মাথায় ঝমঝম করে বাজে।

মাঝে মাঝে ট্রেন থামে, পুরনো কথারা, গন্ধ
জানলার পাশের স্টেশনে বসে চা খায়
খয়ের ছাড়া একশো বিশ জর্দার পান সাজতে বলে
আর তখনই, বাঁশি বেজে ওঠে বলে দ্রুত ফেরে কামরায়।

যারা অভিমানে একবারও সে ট্রেনে আসে না
তাদের জানলায় কি ট্রেন থামে? জানতে ইচ্ছে হয়।


৮ ফেব্রুয়ারি

মনে হয় বিদ্যুতের মাঝামাঝি একটা প্রশান্ত দ্বীপ আছে
কালো বালির উঠোন, সামান্য গাছপালা
একটা গাছের গুঁড়ি নিজে নিজে চেয়ার টেবিল হয়ে বসে
দিবারাত্রি সমুদ্রের তরঙ্গ গোণে।

দু একটা ছোটখাট দোকান,বাড়ির আলমারির মতো
দু'জনের ঘুমোনর জন্য বেলুন আর একটা
আখাম্বা বেখাপ্পা বেয়াড়া অঙ্ক আছে খিদের জন্য।

বিদ্যুতের মধ্যে প্রশান্ত দ্বীপ আছে, এক অ্যাস্ট্রে ভরা অরণ্য।


১০ ফেব্রুয়ারি



সরলরৈখিক ছিল পুরোটাই, এ যাপন পতনের
গোঁত খাওয়া ঘুড়ি নয়, যেন বা তপ্ত অঙ্গার খণ্ড
হীরকের উজ্জলতা পেয়েছে ভেবে থেকে নেমে আসে
অভিকর্ষ জনিত ত্বরণে আরও দ্রুতি আরও উত্তাপ
মাটি ছুঁতে ছুঁতে ছাই পুরোটাই, সামান্য অবশেষটুকু
হাতে পেতে দেখি শুধু ঠান্ডা অন্ধকার গায়ে লেগে আছে।

মুঘল সাম্রাজ্যের পতনের কারণ মনে পড়ে ইতিহাস বইতে
কয়েক পরিচ্ছদের শেষে থাকত, তার আগে জিতে নেওয়া
মানচিত্রের মাপ, শাসনব্যবস্থা, তাজমহল লাল কেল্লাও ছিল
তোমার তো শুরু থেকে শুধু নেমে যাওয়া ক্রমশ অতলে
ঝুঁকে দেখি, অন্ধকার কুয়োর মধ্যে নেমে গেছ, ডাক দিলে
সাড়া তুমি কখনও দাওনি, শুধু প্রতিধ্বনি ফিরে এসেছিল
মাঝে মধ্যে পাতা উলটে দেখতাম বাকিরা একত্র হলে
সেই শুরুর দিকের হলদে হওয়া ছবি, যখন উজ্জ্বল ছিলে।


যদিও পৃথিবী কারুরই মালিকানাধীন নয়
তবুও প্রত্যেকের নিজস্ব পৃথিবী থাকে
লাইব্রেরী, সাদা পাতা, রঙিন নোট, পাখি
ফুল মৌমাছি মায় ভাঙা মাছের বাজার অবধি
এক একটা আস্ত পৃথিবী নিয়ে লোকে মশগুল থাকে।

যে যতটুকু পারে ভালোবাসে, দূরে যায় অভিমানে
কখনও হয়ত ফেরে, কখনও বা বদলায় পৃথিবীর মানে।



467 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

শেয়ার করুন


Avatar: ফরিদা

Re: জার্ণাল ২০১৯ - ২

তোলা থাক।
Avatar: প্রতিভা

Re: জার্ণাল ২০১৯ - ২

থাকার জন্যই এসেছে এই লেখারা। তোলা থাক।


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন