সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • আমাদের চমৎকার বড়দা প্রসঙ্গে
    ইয়ে, স-অ-অ-অ-ব দেখছে। বড়দা সব দেখছে। বড়দা স্রেফ দেখেনি ওইখানে এক দিন রাম জন্মালেন, তার পর কারা বিদেশ থেকে এসে যেন ভেঙেটেঙে মসজিদ স্থাপন করল, কেন না বড়দা তখন ঘুমোচ্ছিলেন। ঘুম ভাঙল যখন, চোখ কচলেটচলে দেখলেন মস্ত ব্যাপার এ, বড়দা বললেন, ভেঙে ফেলো মসজিদ, জমি ...
  • ধর্ষকের মৃত্যুদন্ড দিলেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে ?
    যেকোন নারকীয় ধর্ষণের ঘটনা সংবাদ মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়ে সামনে আসার পর নাগরিক হিসাবে আমাদের একটা ঈমানি দায়িত্ব থাকে। দায়িত্বটা হল অভিযুক্ত ধর্ষকের কঠোরতম শাস্তির দাবি করা। কঠোরতম শাস্তি বলতে কারোর কাছে মৃত্যুদন্ড। কেউ একটু এগিয়ে ধর্ষকের পুরুষাঙ্গ কেটে নেওয়ার ...
  • তোমার পূজার ছলে
    বাঙালি মধ্যবিত্তের মার্জিত ও পরিশীলিত হাবভাব দেখতে বেশ লাগে। অপসংস্কৃতি নিয়ে বাঙালি চিরকাল ওয়াকিবহাল ছিল। আজও আছে। বেশ লাগে। কিন্তু, বুকে হাত দিয়ে বলুন, আপনার প্রবল ক্ষোভ ও অপমানে আপনার কি খুব পরিশীলিত, গঙ্গাজলে ধোওয়া আদ্যন্ত সাত্ত্বিক শব্দ মনে পড়ে? না ...
  • The Irishman
    দা আইরিশম্যান। সিনেমা প্রেমীদের জন্য মার্টিন স্করসিসের নতুন বিস্ময়। ট্যাক্সি ড্রাইভার, গুডফেলাস, ক্যাসিনো, গ্যাংস অব নিউইয়র্ক, দা অ্যাভিয়েটর, দ্য ডিপার্টেড, শাটার আইল্যান্ড, দ্য উল্ফ অব ওয়াল স্ট্রিট, সাইলেন্টের পরের জায়গা দা আইরিশম্যান। বর্তমান সময়ের ...
  • তোকে আমরা কী দিইনি?
    পূর্ণেন্দু পত্রী মশাই মার্জনা করবেন -********তোকে আমরা কী দিইনি নরেন?আগুন জ্বালিয়ে হোলি খেলবি বলে আমরা তোকে দিয়েছি এক ট্রেন ভর্তি করসেবক। দেদার মুসলমান মারবি বলে তুলে দিয়েছি পুরো গুজরাট। তোর রাজধর্ম পালন করতে ইচ্ছে করে বলে পাঠিয়ে দিয়েছি স্বয়ং আদবানীজীকে, ...
  • ইশকুল ও আর্কাদি গাইদার
    "জাহাজ আসে, বলে, ধন্যি খোকা !বিমান আসে, বলে, ধন্যি খোকা !এঞ্জিনও যায়, ধন্যি তোরে খোকা !আসে তরুণ পাইওনিয়র,সেলাম তোরে খোকা !"আরজামাস বলে একটা শহর ছিল। ছোট্ট শহর, অনেক দূরের, অন্য মহাদেশে। অনেক ছোটবেলায় চিনে ফেলেছিলাম। ভৌগোলিক দূরত্ব টের পাইনি।টের পেতে দেননি ...
  • ছন্দহীন কবিতা
    একদিন দুঃসাহসের পাখায় ভর করে,ছুঁতে চেয়েছিলাম কবিতার শরীর ।দ্বিখন্ডিত বাংলার মত কবিতা হয়ে উঠলোছন্দহীন ।অর্থহীন যাত্রার “কা কা” চিৎকারে,ছুটে এলোপ্রতিবাদী পাঠক।ছন্দভঙ্গের নায়কডানা ভেঙ্গে পড়িপুঁথি পুস্তকের এক দোকানে।আলোক প্রাপ্তির প্রত্যাশায়,যোগ ধ্যানে কেটে ...
  • হ্যালোউইনের ভূত
    হ্যালোউইন চলে গেল। আমাদের বাড়িতে হ্যালোউইনের রীতি হল মেয়েরা বন্ধুদের সঙ্গে ট্রিক-অর-ট্রিট করতে বেরোয় দল বেঁধে। পেছনে পেছনে চলে মায়েদের দল। আর আমি বাড়িতে থাকি ক্যান্ডি বিতরণ করব বলে। মুহূর্মুহূ কলিং বেল বাজে, আমি হাসি-হাসি মুখে ক্যান্ডির গামলা নিয়ে দরজা ...
  • হয়নি
    তুমি ভালবাসতে চেয়েছিলে।আমিও ।হয়নি।তুমিঅনেক দূর অব্দি চলে এসেছিলে।আমিও ।হয়নি আর পথ চলা।তুমি ফিরে গেলে,জানালে,ভালবাসতে চেয়েছিলেহয়নি। আমি জানলামচেয়ে পাইনি।হয়নি।জলভেজা চোখে ভেসে গেলআমাদের অতীত।স্মিত হেসে সামনে এসে দাঁড়ালোপথদুজনার দু টি পথ।সেপ্টেম্বর ২২, ...
  • তিরাশির শীত
    ১৯৮৩ র শীতে লয়েডের ওয়েস্টইন্ডিজ ভারতে সফর করতে এলো। সেই সময়কার আমাদের মফস্বলের সেই শীতঋতু, তাজা খেজুর রস ও রকমারি টোপা কুলে আয়োজিত, রঙিন কমলালেবু-সুরভিত, কিছু অন্যরকম ছিলো। এত শীত, এত শীত সেই অধুনাবিস্মৃত কালে, কুয়াশাআচ্ছন্ন পুকুরের লেগে থাকা হিমে মাছ ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা...

Muhammad Sadequzzaman Sharif

যুদ্ধ নিয়ে শেষ কথা হচ্ছে যারা যুদ্ধ করে তাঁরা যুদ্ধ চায় না, যারা বা যাদের যুদ্ধে যাওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই তাঁরাই যুদ্ধের পক্ষে রায় দেয়। সোজা এবং সরল কথা এটা। কয়েকদিনের ভারত পাকিস্তান যুদ্ধের উত্তেজনায় এ কথা আরও বেশ ভাল ভাবে প্রমাণ হয়ে গেছে।ভারতীয় জনগণ কেন যুদ্ধ চায় তার হয়ত নানা ব্যাখ্যা পাওয়া যাবে, পাওয়া যাবে পাকিস্তানের পক্ষেও। কিন্তু আশ্চর্যজনক ভাবে বাংলাদেশের মানুষ কেন এই অনাকাঙ্ক্ষিত যুদ্ধ চাচ্ছে তার কোন উত্তর নেই। উত্তর বোধহয় উপরের কথাটাই, যাদের যুদ্ধ করার সম্ভাবনা নাই তাঁরাই যুদ্ধ চায়…
আরও পড়ুন...

হোমিওপ্যাথি এবং তার দর্শন বিষয়ে কিছু কথা

Bishan Basu

মডার্ন মেডিসিনের ছাত্র হিসেবে হোমিওপ্যাথি বিষয়ে কিছু ভাবনার কথা লিখেছিলাম অনেকদিন আগে।

কথাগুলো প্রাসঙ্গিক বোধ করায় আরেকবার শেয়ার করলাম।

প্রথমেই জানাই, আমি মডার্ন মেডিসিন প্র‍্যাক্টিশনার, ওরফে এলোপ্যাথি চিকিৎসক আর অন্য চিকিৎসাপদ্ধতি বিষয়ে খুব একটা বিশেষ জানি না। আর, সেই না জানার জন্যেই, অন্যান্য চিকিৎসা পদ্ধতি বিষয়ে আমি খুব একটা কথাবার্তা বলতে চাই না।

হোমিওপ্যাথি নিয়ে আমার খুব একটা জ্ঞানগম্যি আছে এমন নয়। আর সেইজন্যেই, এই চিকিৎসা পদ্ধতির মাধ্যমে নিকটজনের অসুস্থতার তদারক

আরও পড়ুন...

আমার এ ঘর

ন্যাড়া

ভদ্রলোকের সঙ্গে আলাপ হয়েছিল বালেশ্বরে। চাঁদিপুরে গেছিলাম সাতদিনের জন্যে। গিয়ে দেখি প্রেশারের ওষুধ আনিনি। বালেশ্বরে গেলাম ওষুধ কিনতে। বলল, "আনিয়ে দেব, কাল আসুন।" বাজারে চা খেতে গিয়ে আলাপ হল ভদ্রলোকের সঙ্গে। স্বাস্থ্যবান, দেহাতি চেহারা। খেটো ধুতির ওপর মোটা সুতির পাঞ্জাবি, গলায় তুষের উড়ুনি। ভদ্রলোক যে কোন প্রদেশের বোঝা মুশকিল। আমার সঙ্গে পরিষ্কার বাংলায় কথা বললেন, দোকানির সঙ্গে উড়িয়ায়, সঙ্গে দুজন আদিবাসী মজুর ছিল - তাদের সঙ্গে কোন এক উপভাষায়। আমার জঙ্গলপ্রীতির কথা জেনে বললেন, "আসুন না। জঙ্গল দেখে য

আরও পড়ুন...

শহীদনামা

Prativa Sarker

বাংলা ভাষায় শহীদ শব্দটি কি খুব গোলমেলে হয়ে উঠেছে ?
নেটে দেখলাম মহৎ কারণে নিজের প্রাণ বিসর্জন দেওয়া ব্যক্তি বোঝাতে শহীদ শব্দটি ঐশ্লামিক না উৎসে ইহুদী, তাই নিয়ে বিস্তর কোন্দল। কারা সত্যিকারের শহীদ সেই তর্কের ফলাফলে রুটিরুজি হারাতে হতে পারে তার সাক্ষী তো আমরা সদ্যই হলাম। স্বাধীনতা সংগ্রামীকে ছাড়িয়ে শব্দটি নাকি বাংলাদেশে পরিস্থিতির হেরফেরে রাজাকারদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হতে পারে !
এতো বৈপরীত্য ঘাবড়ে দিল বলে সত্যি শহীদ কে বা কারা সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গত পর্শু হাজির ছিলাম "শহীদ-এ-আজম" ভগ

আরও পড়ুন...

#মারখা_মেমারিজ (পর্ব ৮)

Biswajit Hazra

কাং ইয়াৎজে বেসক্যাম্প (০৮.০৯.২০১৮)
___________________________

কলকাতায় সারাবছর চারদেওয়ালের মধ্যে বসে পরিচিত মুখগুলোর সাথে বক্‌বকম করতে করতে খালি মনে হয়, ধুস্‌, পুরো হেজে গেলাম। কবে পাহাড়ে যাবো! সারাদিন হাঁটবো! বসে বসে গায়ে-গতরে তো জং ধরে গেলো! আর পাহাড়ে এসে চার-পাঁচ দিন একটানা চড়াই ভাঙ্গার পর-পরই মনে হয়, লাইফে রেস্ট বলে কি কোনও জিনিস নেই রে! কোথায় টেন্টে বসে শান্তিতে দু-দন্ড জিরোবো, স্লিপিং ব্যাগ থেকে আলগোছে মুখ বের করে আশেপাশের পাহাড়-চুড়োগুলোর দিকে পিট পিট করে তাকিয়ে আবার পাশ ফিরে

আরও পড়ুন...

অভিশাপ

Debasis Bhattacharya

[ আর্থার সি ক্লার্ক-এর ‘The Curse’, প্রথম প্রকাশ ১৯৪৬ সালে । হিরোশিমা-নাগাসাকি-পর্বের পরের বছর, বুঝতেই পারছেন । কারা যেন যুদ্ধের কথা বলছে এখন ? ] .........

তিনশো বছর ধরে নদীর বাঁকে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে নিজের খ্যাতি ছড়িয়েছিল এ শহর, বদল আর সময়ের হাত হয়ত বা শুধু একটু আলতো করে ছুঁয়েছিল তাকে । কবে তীরে এসে ভিড়ল আর্মাডা, কবেই বা ভেঙে পড়ল তৃতীয় রাইখ --- এই সব কিছুই শুধু দূর থেকে শুনেছিল সে । মানুষের যাবতীয় যুদ্ধবিগ্রহ পাশ কাটিয়ে গেছে তাকে ।

আর আজ, পুরো উবে গেছে সে শহর । এমনভাবেই, যেন

আরও পড়ুন...

সিপাহী

একক


নিডলটা ঝেড়ে, খাপে ঢুকিয়ে, বিনে ফেলে, সোফায় এসে বসে শ্রাবণ। ললিত উঠে বসে, শোয়া অবস্থা থেকে। ইনজেকশন নেওয়ার তুলোটা দুবার ঘষে ফেলে দেয় তারপর জামার বোতাম আট্‌কাতে আট্‌কাতে জিজ্ঞেস করে ;

- কিরে, কোনো সাইড-এফেক্ট নেই তো ?
- সেরকম কিছু না। ইরেকশন কম হতে পারে। কফি টেবিলটাকে হাত দিয়ে টেনে ইঞ্চি তিনেক সরায় শ্রাবণ : ম্যাক্সিমাম ফোর্টি-এইট-আওয়ার্স। নাথিং সিরিয়াস।

হেসে ফেলে। চোখ পাকায়। শ্রাবণ। হাফুবেলার বন্ধু, আর আজকাল, ললিতের 'যখন দরকার পড়ে' ফিজিশিয়ান। ললিত উঠতে গিয়ে সোফাতে আবার

আরও পড়ুন...

নিমতলি থেকে চকবাজার...

Muhammad Sadequzzaman Sharif

নিমতলি থেকে চকবাজার। দূরত্ব খুব বেশি না। নাজিমউদ্দিন রোড দিয়ে হেলে দুলে হেটে গেলে খুব বেশি হলে পনেরো থেকে বিশ মিনিট লাগতে পারে।হোসনে দালান হয়ে গেলেও এমনই লাগার কথা। একটু এদিক সেদিক হতে পারে। এই অল্প দূরত্বের শিক্ষা সফর আমাদের শেষ হয় না। ২০১০ সালের ৩ জুন ভয়াবহ আগুনে পুড়ে এক সাথে ১১৭ জন মারা যায়। গতকাল, ২০ ফেব্রুয়ারি রাতে লাগা আগুনে এখন সম্ভবত পর্যন্ত ৭০ জন মারা গেছে। দুই ঘটনার এত মিল যে আশ্চর্য হয়ে যেতে হয় আমাদের। নিমতলি অগ্নিকান্ডের পর জানা যায় ট্রান্সফরমার বিস্ফোরণে আগুনের সূচনা হয় তারপর আশেপাশ

আরও পড়ুন...

poreeksha

স্বাতী রায়

test

আরও পড়ুন...

জানবাজারের জাঁহাবাজ

Saikat Bandyopadhyay

বিশেষ সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী জানবাজারের অঘটনের পর গতরাতে ভক্তদের সারারাতব্যাপী মিটিং চলছে। মিটিংএ নাকি ব্যাপক গোলযোগ। এর সূত্রপাত কয়েকদিন আগে। গত সপ্তাহের শেষেও আসন্ন যুদ্ধ নিয়ে ভক্তদের এক গোপন মিটিং হয়। আশ্চর্য হলেও সত্যি, যে, গুজরাত থেকে আসা এক নেতা মিটিংএর শুরুতে মনুস্মৃতির বদলে মোল্লা নাসিরুদ্দিনের সেই বিখ্যাত গল্প পড়ে শোনান, যে গল্পে মোল্লা রাত্রিবেলা তাঁর হারিয়ে যাওয়া পয়সা খুঁজছিলেন । পয়সা হারিয়েছিল নদীর ধারে, কিন্তু খুঁজছিলেন রাস্তার মোড়ে। কেন? জিজ্ঞাসা করলে মোল্লা বলেন, নদীর পাড়ে তো

আরও পড়ুন...

মাতৃভাষা দিবস

Muhammad Sadequzzaman Sharif

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস শুধু মাত্র বাংলার জন্য না। যেহেতু এখন আন্তর্জাতিক সম্মান পেয়েছে তাই বিশ্বের সকল নাগরিকের যার যার নিজের মাতৃভাষা দিবস আজকে। আমরা রক্তের বিনিময়ে এই দিন পেয়েছে কারন আমাদের কপাল খারাপ ছিল। অদ্ভুত মাথা মোটা এ জাতির সাথে ইতিহাসের মারপ্যাঁচে জরিয়ে গিয়েছিলাম আমরা। প্রাথমিক অবস্থায় ভাষা আন্দোলন অন্য কোন ভাষার বিরুদ্ধে ছিল না। উর্দু এবং বাংলা দুইটাই রাষ্ট্রীয় ভাষা হোক এমন দাবীই ছিল সকলের। কিন্তু নিজের শ্রেষ্ঠত্ব জাহিরের জন্য হোক বা আসলেই বাংলা কে অবমূল্যায়নের জন্য হোক এই সহজ হিসে

আরও পড়ুন...

#মারখা_মেমারিজ (পর্ব ৭)

Biswajit Hazra

থাচুংসে – কাং ইয়াৎজে বেসক্যাম্প (০৭.০৯.২০১৮)
-------------------------------------------------------

ঝকঝকে একটা সকালে ঘুম ভাঙলো থাচুংসে ক্যাম্প-সাইটে। আহা! এরকম আকাশ, এরকম ওয়েদার যদি আরও দু-তিনটে দিন থাকে! আজ আমাদের যাওয়ার কথা ১৬,৫০০ ফুটের কাং-ইয়াৎজে-২ বেসক্যাম্পে। ২,৬০০ ফুটের মতো অল্টিটিউড গেইন হবে। গতকাল হাঙ্কারের ফোনবুথ থেকে আমাদের ক্লাইম্বিং-গাইডের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিলো। মানালির ছেলে। কিরণ কাপুর। ওকে বলা হয়েছে আগামীকাল বেসক্যাম্পে পৌঁছে যেতে। চোকদো থেকে নিমালিং হয়ে কিরণ সরা

আরও পড়ুন...

রাষ্ট্রের ম্যাজিকথলি

Anamitra Roy

রাষ্ট্র একটি কল্পিত ব্যবস্থা। রাষ্ট্র বলে আসলে কিছু হয় না। আমরা ভেবে নিয়েছি এবং বিশ্বাস করছি তাই রাষ্ট্র আছে। আমার সামনে এই মুহূর্তে যে কম্পিউটারটা রয়েছে রাষ্ট্রের থেকে তা অনেক বেশি সত্যি। এই স্ক্রীনটাকে আমি ছুঁয়ে দেখতে পারি, রাষ্ট্রকে ছুঁয়ে দেখতে পারি না; বিভিন্ন প্রতীক ও প্রতিষ্ঠানের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্র প্রতিভাত হয় আমার কাছে।

ধরা যাক, একটি হাওয়া ভর্তি থলি, তার ভিতরে যে হাওয়াই রয়েছে এমনটা কেউ বুক ঠুকে বলতে পারে না। কারণ হাওয়া চোখে দেখা যায় না। থলিটি বন্ধ থাকলে বোঝা যায় শুধু যে ভিতরে কিছু

আরও পড়ুন...

অ্যান্টনির বেহালা

ন্যাড়া

তখন আমি এফডি ব্লকে মুস্তাফির নেটে খেলতে যাই। আমার নিজের কোন ব্যাট ছিল না। ইংলিশ উইলো আর কোত্থেকে পাব! বাবা কাশ্মীরে কাজে গেছিল। একটা কাশ্মীর উইলোর ব্যাট এনে দিয়েছিল। সে ব্যাটে খেলা হয়নি। আসলে ব্যাটটা একেবারে কাঁচা, কারখানা থেকে কেনা। দেশের সব ভাল ব্যাট কাশ্মীরে তৈরি হয়। সেখান থেকে বম্বে-দিল্লি-কলকাতায় গিয়ে মহাজন কি সাইমন্ডস ব্র্যান্ডে বিক্কিরি হয়। বাবা জানত না যে ব্যাটে তখন অয়েলিং-ও হয়নি। অয়েলিং করে নকিং করে খেলব, এই ছিল বাসনা। সে সব আর করে ওঠা হয়নি। কাজেই একেবারে আনকোরা, নতুন অবস্থাতেই ওটা ছিল।

আরও পড়ুন...

সেন্সরের হাত থেকে বাঁচার সহজ উপায়

Saikat Bandyopadhyay

অনেকেই বুঝতে পারছেননা, ভবিষ্যতের ভূত বাতিল হয়েছে স্রেফ শিল্পগত কারণে। বাংলায় এখন শিল্পী একজনই, ভুল করলে তিনি কান মলে দেবেনই। কেউ সেটা না বুঝলে তার একমাত্র কারণ, তিনি মাননীয়ার কবিতা খুঁটিয়ে পড়েনি। পুরোটাই শিক্ষার অভাব। মাননীয়া তাঁর 'নামতা' শীর্ষক কবিতায় বহুকাল আগেই এই শিক্ষার অভাব নিয়ে আমাদের সচেতন করেছিলেনঃ

নয়-দশ-এগারো-বারো
পড়াশোনা করলে পোয়াবারো।
তেরো-চোদ্দো-পনেরো-ষোলো
রেজাল্ট শুনেই কান্না পেলো।
(নামতা)

কবিতাটি খুবই সহজ ভাষায় লেখা। একবার চোখ বোলালেই বোঝা যায়,

আরও পড়ুন...

জঙ্গিবাদ প্রবণতা তৈরির ক্ষেত্রে অনেকাংশেই দায়ী সামাজিক বিচ্ছিন্নতাবোধ

Sumit Roy

জঙ্গিবাদ বর্তমান বিশ্বের একটি অন্যতম সমস্যা ও সব থেকে উত্তপ্ত টপিকগুলোর মধ্যে একটি। জঙ্গিবাদকে ঠেকানোর জন্য সব সময়ই নতুন নতুন পদক্ষেপ নেয়ার কথা ভাবা হচ্ছে, নেয়াও হচ্ছে। কিন্তু কোন সমস্যার বিরুদ্ধে লড়াই করতে গেলে সেই সমস্যার কারণ জানাটা আবশ্যক। আর সেই কারণটি খুঁজে বের করার জন্য অনেক বিজ্ঞানীই কাজ করে চলেছেন। সম্প্রতি নিউরোলজিস্টরা কিছু মানুষের, বিশেষ করে জঙ্গিবাদের ক্ষেত্রে সদস্য হবার প্রবণতা দেখান এরকম মানুষের মস্তিষ্কে স্ক্যান করে এই বিষয়ে কিছু খুঁজে পেয়েছেন।

জঙ্গিরা সাধারণত দাবি করে

আরও পড়ুন...

#মারখা_মেমারিজ (পর্ব ৬)

Biswajit Hazra

মারখা – থাচুংসে (০৬.০৯.২০১৮)
-------------------------------------

এই বুদ্ধিমান ছেলেটিকে যত দেখছি, তত অবাক হচ্ছি। আজব স্যাম্পেল। কথা ছিল সকাল ছটায় চা করে ডেকে দেওয়ার। ধোঁয়া ওঠা গরম চায়ের গেলাস নিয়ে বুদ্ধিমানের হেল্পার স্টেনসিলের হাঁকাহাঁকিতে যখন ঘুম ভাঙল, তখন পাঁচটা পঞ্চান্ন নয়, ছটা পাঁচও নয়, পার্ফেক্টলি ছটা। এই দুদিনে যতটুকু দেখলাম, সাতটার মধ্যে দু-তিন রাউন্ড চা খেয়ে নড়তে নড়তে যতক্ষনে আমরা তৈরি হবো, বুদ্ধিমানের ব্রেকফাস্ট রেডি হবে তো বটেই, এমনকি প্যাকড্‌ লাঞ্চও প্রায় কমপ্লিট! রান্ন

আরও পড়ুন...

শেষ অস্ত্র

Muradul islam

ইঁদুরের উপদ্রব এতোই বেড়েছে যে, তাদের যন্ত্রণায় বেঁচে থাকাটা দায় হয়ে পড়েছে। আব্দুর রহমান সাহেব তার এই পঞ্চাশ বছরের জীবনে এমন ইঁদুরের বিস্তার দেখেন নি। সারা বাড়িতে ইঁদুর আর ইঁদুর। দিনে দুপুরে দেখা যায় ইঁদুরেরা দলবল নিয়ে ঘোরাঘোরি করছে।

এতোসব ইঁদুরকে নিধন করা বিড়ালের কাজ নয়। বিড়ালেরা তাই অসহায়, তারা আত্মসমর্পন করে বসে আছে। আব্দুর রহমান সাহেবের বাড়িতে তিনটি বিড়াল। তারা ইঁদুর মারে না, ইঁদুরের পিছনে ধাওয়াও করে না। ভাত মাছ যা পায় খায়, ইঁদুরদের ঘাঁটাতে যায় না।

ভাতের

আরও পড়ুন...

জার্ণাল ২০১৯ - ২

ফরিদা

জার্ণাল ২০১৯ লেখা শুরু হয়েছিল বছরের গোড়ায়। যেমন হয়, বাকি পড়ে, কিছু লেখাও হয়।

আগের লেখার নিচে পর পর জুড়ব ভেবেছিলাম, তা আর হচ্ছে না, তার বদলে আগের লেখার লিঙ্ক রইল।



http://www.guruchandali.com/blog/2019/01/06/1546743042533.html

পরের থেকে এখানে জুড়বে


২১ জানুয়ারি ২০১৯

রান্নাঘর সাজগোজ করছে বলে বাড়িশুদ্ধু তোলপাড়
প্রতিবেশী বাড়ির জলে তেষ্টা নিবারণ, রান্নার কাজ
আপাতত ডাইনিং হলে। সব মশলার কৌটোরা দল বেঁধে
সারাবাড়ি গুটি গুটি হেঁটে বেড়

আরও পড়ুন...

শ্রীপঞ্চমী: পুণ্য মাঘ মাস

কুশান গুপ্ত

"যায় অন্তরীক্ষেতে অঙ্গদ ডাকাবুকা।
বায়ুভরে উড়ে যেন জ্বলন্ত উল্কা।।
লঙ্কাপুরী গেল বীর ত্বরিত গমন।
পাত্রমিত্র লয়ে যথা বসেছে রাবণ।।"


গল্পটি শ্রদ্ধেয় অধ্যাপক সৌমেন্দ্রনাথ পালের কাছে শোনা। সৌমেনবাবু আমার বাবারই বয়েসী ছিলেন। স্যারের জন্মদিন বোধহয় 11ই মার্চ, বাবার 5ই মার্চ।

স্যার যাদবপুরেই পড়েছেন, তবে কিছুদিন প্রেসিডেন্সিতে পড়েছিলেন, পরে ছেড়ে দেন। সেটা ষাটের দশক। প্রেসিডেন্সির কোনো এক স্বনামধন্য বাংলার অধ্যাপক ক্লাশ নিচ্ছেন। সৌমেনবাবুর সহপাঠী একটি পাগলা মতন ছেলে, ক্লাস

আরও পড়ুন...

অভাজনের ভারত ভ্রমণ

Muhammad Sadequzzaman Sharif

ছোটবেলায় একবার আমার প্রায় ভারত ভ্রমণ হয়েই গিয়েছিল। আমার ছোটবেলা বলতে ১৯৯৭ সালের কথা। ক্লাস সিক্সে পড়ি। স্কুল থেকে পিকনিকের আয়োজন করা হল। আমাদের শেরপুরের গজনীতে যাওয়া হবে। গজনীর পাস দিয়ে দুই দেশের সীমান্তরেখা। একটু বেখেয়ালে একটু বেশি হাঁটলে নিজের অজান্তেই ভারত ভ্রমণ হয়ে যায় অনেকের। আমাদের বেখেয়াল হওয়ার কোন সুযোগ নেই। আমাদের প্রত্যেকের মনের ভিতরে সুপ্ত ইচ্ছা এবার ভারতের মাটি থেকে ঘুরে আসবই। আমাদের বন্ধুদের মনে মনে জানা যে ঘুরে ফিরে একটা সুযোগ নিব আমরা। মুখে উচ্চারণ না করলেও আমরা সবাই তা নিশ্চিত জা

আরও পড়ুন...

শ্রীপঞ্চমী

ফরিদা

তখন চন্দ্র সূর্য উঠত, দু'শো ছয় সারা কলকাতা ঘুরে করুণাময়ী পৌঁছত। অনেকটা যেন, সারা দিন সারা রাত মিউজিকাল চেয়ার খেলার মতো — কে তোমাকে স্কুলে নিয়ে যেতে পারে, কে আবার ফেরাবে বিকেলে, যখন রোদ্দুরের তাত কিছুটা উতপ্ত হয় তোমার কপালে হাত রেখে। যে তোমাকে পেত, সেই বাসটি যেন অকারণে — টার্মিনাসের সামান্য বিশ্রামে রাতের আকাশ ব্ল্যাকবোর্ড মনে করে তারা জুড়ে জুড়ে ছবি টবি হিজিবিজি আঁকত, শব্দ জুড়ত মনে মনে। বাস কন্ডাক্টর এগরোল কিনে তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরতেন সেদিন আর তাসের আড্ডায় না গিয়ে। ড্রাইভারটি নিতেন পাড়ার কুকুরদের জ

আরও পড়ুন...

বাস্তুহারা

স্বাতী রায়

।। ০।।

সেদিন সদর শহরের কাছের ক্যান্টনমেন্টে এক ছোকরা অফিসার ছুটতে ছুটতে এসে তার লাঞ্চরত সুপারভাইজারকে খবর দিল, স্যার আকাশে একটা ইউ এফ ও র মত কি দেখা যাচ্ছে। স্যর যখন ন্যাপকিনটি নামিয়ে, সেটি প্লেটের পাশে গুছিয়ে রেখে হাত মুখ ধুয়ে ধীরে সুস্থে এসে টেলিস্কোপে চোখ ঠেকালেন, তখন আকাশ মেঘমুক্ত – একেবারে নিদাগ। ছোকরাটি তুতলে মুতলে যা বিবরণ দিল, তাতে লাহোরিয়া সুপারভাইজার শুধু হিমশীতল কন্ঠে “আপকা কাম করো” বলে শিশ দিতে দিতে বেরিয়ে গেলেন। সুবে সুবে খোয়াব দেখ রহা হ্যায়। ইঊ এফ ও! ড্যাম, মাই ফুট! ইসিকো

আরও পড়ুন...

হৃদয়হীন

স্বাতী


টনটনে একটা ব্যথায় ঘুম ভেঙে গেলো নাটার। গত পরশু রেললাইনের পাশে ঝুপড়িতে পেটো বাঁধতে গিয়ে বাঁ হাতের বুড়ো আঙুল আর তর্জনী উড়ে গ্যাছে। বছর দশেক বয়স থেকে পেটের ধান্ধায় হাত সাফাই, পকেটমারি, পেটো বাঁধা চালাচ্ছে। এই তেরো বছর বয়েসে প্রথম বিপদ। শালা বেশি টাইট করে বাঁধতে গিয়ে এই লাফড়া, তাও ভালো, কমের উপর দিয়ে গেছে। সরকারী হাসপাতালের ডাক্তার গুলো শালা হেব্বি হারামী। কত প্রশ্ন, নাকি পুলিশ ডাকবে। আরে বাল পেটো না বাঁধলে খেতে দিবি তোরা? কোনো মতে পরিস্কার করে ওষুধ পাতি দিয়ে ব্যান্ডেজ মেরেই খালাস। বলেছে দিন তি

আরও পড়ুন...

জীবনের নানা ওঠাপড়া যেন সহজে গায়ে না লাগে

Bishan Basu

জীবনের নানা ওঠাপড়া যেন সহজে গায়ে না লাগে

বিষাণ বসু



বইমেলা লোকারণ্য, মহা হইচই।
মুখোমুখি রণংদেহি ফিশফ্রাই-বই।।

লেখকের ভিড় ঠেলে বই পাও যদি।
ফ্লেক্সবোর্ডে উজ্জ্বল সহাস্য সেই দিদি।।

সেনচুরি ছুঁয়ে যেতে আর বাকি তেরো।
হেনকালে সিবিআই বাধালেন গেড়ো।।

ব্রিগেডের প্রেরণায় ডিম নাকি ভ্রম।
মঞ্চে ঝলমলে দেবলীনা হেমব্রম।।

(আহা) আজ শুধু বইমেলা সেই কথা হোক।
বাকি মাস সিরিয়াল (কিন্তু) মেলাতে পাঠক।।

অপ্রিয় কথাটি নাই বা আজ তু

আরও পড়ুন...

প্রাগৈতিহাসিক কাঁকড়া ও স্টিফেন স্পিলবার্গ

অভিষেক ভট্টাচার্য্য

ভোরবেলা সমুদ্রের ধারে বেড়াতে বেরিয়ে প্রদীপ্ত একটা বিশাল কাঁকড়া দেখেছে। একথা শুভম, অঙ্কিতা, সহেলিরা কেউই বিশ্বাস করতে চাইছে না। বিশাল মানে বিশাল। সেই অতিকায়, রাক্ষুসে কাঁকড়ার এক দাঁড়া থেকে আরেক দাঁড়ার বিস্তার প্রায় মাইলখানেক। মানে সেই গোটা কাঁকড়াটা প্রায় কয়েক কিলোমিটার লম্বা ও চওড়া। এত বড় কাঁকড়া হয় নাকি? প্রদীপ্ত বলছে হয়। কারণ সে নিজের চোখে দেখেছে। ভোরবেলা সে সমুদ্রের ধারে সূর্য ওঠা দেখতে গেছিল। তখনই সেই মহাজাগতিক কাঁকড়া মাইলখানেক দূরে সমুদ্রের মাঝখানে ভুউউস করে ভেসে ওঠে। সেই বিরাআআআট কাঁকড়ার দাঁ

আরও পড়ুন...

বইমেলা কড়চা - ২০১৯ প্রথম ভাগ

Rouhin Banerjee

আদি পর্ব - লটারি

উপন্যাস ছাড়া নাকি প্রোলোগ লেখার নিয়ম নেই - তাই বুজুরগলোগ মাপ করবেন - এই উপন্যাসোপম আখ্যানে এই আদিপর্বটা প্রতিবারেই ঘাপলা হয়ে যায়, তাই এবারে এটা দিতেই হল। কারণ না দিলে মিস। বইমেলার লটারি এক জব্বর বস্তু - সে অভিজ্ঞতা না কহিলেই নহে। অতএব গিল্ড লটারির কথা অমৃতসমান - পূণ্যবানেরা আসুন আসুন - পিঁড়ে পেতে বসে পড়ুন। গিল্ড ফ্রী তে চা খাওয়ায়, এমন কি টপ বিস্কুটও খাওয়ায়, হাতে হাতে নিয়ে নিন বাবাসকল, মা সকল। কৃতাঞ্জলিপুটে বসে পড়ুন।

ঘোষিত সময় দুপুর বারোটা। জনতা সাড়ে এগারোটা থেক

আরও পড়ুন...

তুষারঝড়

ন্যাড়া

নিউ ইয়র্কের জেএফকে এয়ারপোর্টে যখন নেবেছি তখন বেলা প্রায় দেড়টা। নাবার কথা ছিল সকাল নটায়। স্যান ফ্র্যান্সিসকো থেকে সোজা নিউ ইয়র্ক। বাজে আবহাওয়ার জন্যে প্লেন ঘুরে এল ডেনভার দিয়ে। ব্যস সাড়ে চার ঘন্টা মায়া। আমরা যাব নায়াগ্রা ফলস। এয়ারপোর্ট থেকে সময় লাগবে সাত ঘন্টা। নটায় নাবলে পথে থেমে-টেমেও ছটার মধ্যে হোটেলে ঢুকে যাবার কথা। হতচ্ছাড়া শীতকাল।

অনেকদিনের ইচ্ছে ছিল শীতের মাঝে একবার নায়াগ্রা ফলস দেখতে যাব। চতুর্দিক সাদা, নায়াগ্রারও অনেক অংশ জমে গেছে, তারই মাঝে সে ঝিরঝিরি বয়ে আচমকা দেড়শো ফুট ঝাঁপ দ

আরও পড়ুন...

নিজের বাছাই-- মলয় রায়চৌধুরীঃ প্রাথমিক পাঠ প্রতিক্রিয়া

Sakyajit Bhattacharya

যে লেখকের কলমের ভরকেন্দ্র হল মনস্হিতির বোধ ও উপলব্ধির, একাকীত্বের খুল্লমখুল্লা জবানবন্দি, তাঁর সামনে দাঁড়াতে অস্বস্তি হয়। প্রচলিত জনপ্রিয় সাহিত্যের ফিল-গুড ব্যাপারটা হারিয়ে যায় দুম করে, কারণ এতটা সততা তীব্র ও অসহনীয়। কিভাবে মলয় রায়চৌধুরী তাঁর লেখায় আত্মপ্রক্ষেপণ ঘটিয়েও নিরপেক্ষ হয়ে যান, সামাজিক ঘটনার দ্রষ্টা হন, নির্মম সমালোচনায় শাণিত ইস্পাত হয়ে ওঠেন, তাঁর নিজের এই বাছাই সঙ্কলনটি পড়লে টের পাওয়া যায় । কিভাবে মলয় রায়চৌধুরী তাঁর লেখায় আত্মপ্রক্ষেপণ ঘটিয়েও নিরপেক্ষ হয়ে যান, সামাজিক ঘটনার দ্রষ্টা হন,

আরও পড়ুন...

সিজনস অব বিট্রেয়াল: দময়ন্তী

কুশান গুপ্ত

"কে কাকে রেখেছে মনে?
হিজলের বনে দোল খায় পুবদেশী হাওয়া
আজীবন যাকে চাওয়া সে হয়েছে ঈশানের মেঘ..."

সেই পুবদেশী আশ্চর্য হাওয়া আজও বয় কলকাতায় তথা মফস্বলে। সে দেশ একটাই ছিল, তারপর কাদের প্ররোচনায়, কাদের বিট্রেয়ালে কবে ভাগ হয়ে গেল গঙ্গায় পদ্মায়? দেশভাগ উদ্বেল করেছিলো সাদাত মান্টো আর ঋত্বিক ঘটককে, যুগপৎ। সমরেশ বসুর আদাব আমরা আঠারো পার করার আগেই পড়েছি। এই নিয়ে বিস্তর চর্চা ঐতিহাসিকদের। সম্প্রতি পড়লাম দময়ন্তীর লেখা ' সিজনস অব বিট্রেয়াল'। তিনি 'দ' নামে লেখেন গুরুচন্ডা৯ তে। দ বলে একটি লোকশব্

আরও পড়ুন...