Tim RSS feed
Tim এর খেরোর খাতা।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • বদল
    ছাত্র হয়ে অ্যামেরিকায় পড়তে যারা আসে - আমি মূলতঃ ছেলেদের কথাই বলছি - তাদের জীবনের মোটামুটি একটা নিশ্চিত গতিপথ আছে। মানে ছিল। আজ থেকে কুড়ি-বাইশ বছর বা তার আগে। যেমন ধরুন, পড়তে এল তো - এসে প্রথম প্রথম একেবারে দিশেহারা অবস্থা হত। হবে না-ই বা কেন? এতদিন অব্দি ...
  • নাদির
    "ইনসাইড আস দেয়ার ইজ সামথিং দ্যাট হ্যাজ নো নেম,দ্যাট সামথিং ইজ হোয়াট উই আর।"― হোসে সারামাগো, ব্লাইন্ডনেস***হেলেন-...
  • জিয়াগঞ্জের ঘটনাঃ সাম্প্রদায়িক রাজনীতি ও ধর্মনিরপেক্ষতা
    আসামে এনার্সি কেসে লাথ খেয়েছে। একমাত্র দালাল ছাড়া গরিষ্ঠ বাঙালী এনার্সি চাই না। এসব বুঝে, জিয়াগঞ্জ নিয়ে উঠেপড়ে লেগেছিল। যাই হোক করে ঘটনাটি থেকে রাজনৈতিক ফায়দা তুলতেই হবে। মেরুকরনের রাজনীতিই এদের ভোট কৌশল। ঐক্যবদ্ধ বাঙালী জাতিকে হিন্দু মুসলমানে ভাগ করা ...
  • অরফ্যানগঞ্জ
    পায়ের নিচে মাটি তোলপাড় হচ্ছিল প্রফুল্লর— ভূমিকম্পর মত। পৃথিবীর অভ্যন্তরে যেন কেউ আছাড়ি পিছাড়ি খাচ্ছে— সেই প্রচণ্ড কাঁপুনিতে ফাটল ধরছে পথঘাট, দোকানবাজার, বহুতলে। পাতাল থেকে গোঙানির আওয়াজ আসছিল। ঝোড়ো বাতাস বইছিল রেলব্রিজের দিক থেকে। প্রফুল্ল দোকান থেকে ...
  • থিম পুজো
    অনেকদিন পরে পুরনো পাড়ায় গেছিলাম। মাঝে মাঝে যাই। পুরনো বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হয়, আড্ডা হয়। বন্ধুদের মা-বাবা-পরিবারের সঙ্গে কথা হয়। ভাল লাগে। বেশ রিজুভিনেটিং। এবার অনেকদিন পরে গেলাম। এবার গিয়ে শুনলাম তপেস নাকি ব্যবসা করে ফুলে ফেঁপে উঠেছে। একটু পরে তপেসও এল ...
  • কাঁসাইয়ের সুতি খেলা
    সেকালে কাঁসাই নদীতে 'সুতি' নামের একটা খেলা প্রচলিত ছিল। মাছ ধরার অভিনব এক পদ্ধতি, বহু কাল ধরে যা চলে আসছে। আমাদের পাড়ার একাধিক লোক সুতি খেলাতে অংশ নিত। এই মৎস্যশিকার সার্বজনীন, হিন্দু ও মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ে জনপ্রিয়। মনে আছে ক্লাস সেভেনে পড়ার সময় একদিন ...
  • শুভ বিজয়া
    আমার যে ঠাকুর-দেবতায় খুব একটা বিশ্বাস আছে, এমন নয়। শাশ্বত অবিনশ্বর আত্মাতেও নয়। এদিকে, আমার এই জীবন, এই বেঁচে থাকা, সবকিছু নিছকই জৈবরাসায়নিক ক্রিয়া, এমনটা সবসময় বিশ্বাস করতে ইচ্ছে করে না - জীবনের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য-পরিণ...
  • আবরার ফাহাদ হত্যার বিচার চাই...
    দেশের সবচেয়ে মেধাবীরা বুয়েটে পড়ার সুযোগ পায়। দেশের সবচেয়ে ভাল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিঃসন্দেহে বুয়েট। সেই প্রতিষ্ঠানের একজন ছাত্রকে শিবির সন্দেহে পিটিয়ে মেরে ফেলল কিছু বরাহ নন্দন! কাওকে পিটিয়ে মেরে ফেলা কি খুব সহজ কাজ? কতটুকু জোরে মারতে হয়? একজন মানুষ পারে ...
  • ইন্দুবালা ভাতের হোটেল-৭
    চন্দ্রপুলিধনঞ্জয় বাজার থেকে এনেছে গোটা দশেক নারকেল। কিলোটাক খোয়া ক্ষীর। চিনি। ছোট এলাচ আনতে ভুলে গেছে। যত বয়েস বাড়ছে ধনঞ্জয়ের ভুল হচ্ছে ততো। এই নিয়ে সকালে ইন্দুবালার সাথে কথা কাটাকাটি হয়েছে। ছোট খাটো ঝগড়াও। পুজো এলেই ইন্দুবালার মন ভালো থাকে না। কেমন যেন ...
  • গুমনামিজোচ্চরফেরেব্বাজ
    #গুমনামিজোচ্চরফেরেব্...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

সিজনস অফ বিট্রেয়ালঃ একটি বহুপ্রতীক্ষিত প্রোজেক্ট

Tim

দময়ন্তী লেখালেখি করছেন অনেকদিন। গুরুচন্ডা৯ অনলাইন পত্রিকার একেবারে জন্মলগ্ন থেকেই সম্ভবত, হিসেব করলে বছর পনেরো পেরিয়ে গেছে। এর মধ্যে আমরা আন্তর্জালেই পড়ে ফেলেছি বিভিন্ন সময়ে লেখা গল্প, আত্মজীবনীমূলক রচনা, ছোট প্রবন্ধ। এই বিভিন্ন ফর্ম ও কন্টেন্ট নিয়ে কাজ করতে করতে দময়ন্তী একবারও বিচ্যুত হন নি তাঁর লেখালেখির প্রধান উদ্দেশ্যগুলো থেকে। অবশ্যই এ আমার নিজের ইন্টারপ্রিটেশন, কী উদ্দেশ্যে দময়ন্তী লেখেন তা নিয়ে আমরা নিশ্চয়ই আগ্রহের সঙ্গে লেখকের নিজের কথাই শুনবো। একজন পাঠক হিসেবে এই লেখাগুলো আমার কাছে ধরা পড়েছে সৎ, আন্তরিক ও নির্মোহ ডকুমেন্টেশনের প্রোজেক্ট হিসেবে। একটু দূর থেকে, ঠিক যতটা দূরে গেলে নিজের কষ্টটা প্রধান না হয়ে সামূহিক ট্র্যাজেডিটাই বড়ো হয়ে ওঠে, লেখা ব্যক্তিগত হয়েও বদ্ধ হয়না -- সেই দূরত্বে থেকে লেখেন দময়ন্তী। এই দূরত্বের ব্যাপারটা বড়ো গোলমেলে, ব্যালেন্স না থাকলেই তা হয় আবেগজর্জর ভারাক্রান্ত হয় নয়ত কিছুতেই কিছু এসে যায়না প্রকারের নিস্পৃহতা ছায়া ফেলে। সেইসব থেকে মুক্তি দিয়ে, এমনিতেই লেখালেখিকে খুব ঋজু করে ফেলেছেন লেখক। "সিজনস অফ বিট্রেয়াল" এ সেই লেখাই অনুসরণ করে ফেরে উপমহাদেশের সম্ভবত বৃহত্তম ট্র্যাজেডি - দেশভাগ। ছিন্ন বিচ্ছিন্ন জীবন ও ইতিহাসের গিঁট ছাড়িয়ে টুকরো হয়ে যাওয়া দেশ ও মানুষের গল্প বলা ---- এক ভয়ানক দুঃসাধ্য প্রয়াস। এই ইতিহাস ভুলিয়ে দেওয়া, অতীত অস্বীকার করা সরকারের রাজত্বে এই কাজ যে কি প্রচন্ড দরকারি তা বলার অপেক্ষা রাখেনা।

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট বাদ দিলেও, স্রেফ সাধারণ কিছু পরিবারের আটপৌরে জীবনে ঘটে চলা অসাধারণ ঘটনাবলী -- যা আসলে আমাদের সকলের জীবনেই ঘটে চলে, সেইসব ভারি চমৎকার পর্যবেক্ষণও স্মৃতিতে ধরে রেখেছেন লেখক। আমরা হয় সব দেখিনা নয়ত সব মনে রাখিনা। সেখানেই "সিজনস অফ বিট্রেয়াল" এর মজা। প্রাচীন, পিঁজে যাওয়া অথচ ভারি সূক্ষ্য কাজ করা একখানি কাপড়ের টুকরো যেন - যাতে সমস্তটা হয়ত নেই কিন্তু যা আছে তার আকর্ষণও কম না।

দময়ন্তীর লেখা নিয়ে আলোচনা চলবে এরকমটাই মনে হয়। আপাতত আমার এই পোস্টের উদ্দেশ্য যাতে আগ্রহীরা নেড়েচেড়ে দেখেন, খবর রাখেন। কথা হোক।

সিজনস অফ বিট্রেয়াল প্রকাশিত হচ্ছে গুরুচন্ডা৯ থেকে। বইমেলায় ২৯৩ নং স্টল।

686 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

শেয়ার করুন


Avatar: খাতাঞ্চী

Re: সিজনস অফ বিট্রেয়ালঃ একটি বহুপ্রতীক্ষিত প্রোজেক্ট

.
Avatar: কুশান

Re: সিজনস অফ বিট্রেয়ালঃ একটি বহুপ্রতীক্ষিত প্রোজেক্ট

পড়ার আন্তরিক ইচ্ছে রাখি। আলোচনাটি আগ্রহ আরো বাড়িয়ে দিলো।
Avatar: অনিকেত পথিক

Re: সিজনস অফ বিট্রেয়ালঃ একটি বহুপ্রতীক্ষিত প্রোজেক্ট

বাঙলায় বললে বিশ্বাসভঙ্গের সময়কাল। নিজের দেশ বলতে যে বিশ্বাস, যে আবেগ, ‘যা-ই হোক, এখানেই থাকব’ নিজের ভিটে মাটি ছেড়ে যেতে হবে না, নামক যে বিশ্বাস তা চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যাবার নাম হল দেশভাগ। তাই দেশভাগকে একটা চূড়ান্ত ‘বিট্রেয়াল’ বা বিশ্বাসভঙ্গ বললে একেবারে সঠিক কথাটি বলা হয়। সুতরাঙ দেশবিভাজনের পটভূমিতে দুটি পরিবারের ওঠাপড়ার কথা পর্বে পর্বে লিখলে তাকে ‘সিজন্‌স্‌ অফ বিট্রেয়াল’ ছাড়া আর কিই বা বলা যাতে পারে ! গল্পের আঙ্গিকে লেখক দময়ন্তীর এই লেখা গুরুচন্ডালী পত্রিকায় পর্বে পর্বে প্রকাশিত হয়েছিল, মোটামুটি সেই ‘পান্ডুলিপি’ই আপাততঃ বই হিসেবে আমাদের হাতে।
দূর্দান্ত প্রচ্ছদ সমেত গোটা বইতে প্রচুর পড়াশোনা ও যত্নের ছাপ স্পষ্ট। দেশভাগের পটভূমিতে লেখা হলেও এই কাহিনী মূলতঃ দুটি পরিবারের দিনযাপনের ও দিনবদলের দলিল, যেখানে দেশভাগ প্রায় একটি চরিত্র হিসেবে উপস্থিত। তাই একটি বহুচর্চিত বিষয় হলেও দেশভাগ এখানে কোনো চর্বিতচর্বণের অনুভূতি সৃষ্ট করেনি। উপমাহীন ঝরঝরে ভাষা এবং লেখকের যা ‘সিগনেচার স্টাইল’ সেই নিরাসক্ত বর্ণনাও এই বইয়ের সম্পদ। কোনো চরিত্রের ওপরই লেখকের কোনো পক্ষপাতিত্ব নেই, যা বিশেষভাবে উল্লেখ করার মত। গল্পের গতি কিছুটা মন্থর। তবে সেটা বড় কথা নয়। কথা হল প্রতিটি পরিচ্ছদের স্থান-কাল খুব সচেতন ভাবে খেয়াল না রাখলে ঘটনার অগ্রগতি বুঝতে অসুবিধে হবে। এই পাঠককে বার বার পাতা উলটে দেখে আসতে হয়েছে, কবেকার ও কোথাকার ঘটনা। সেটা পাঠকের ব্যর্থতা, মানে পাঠক প্রথম থেকে যথেষ্ট মনোযগী নন না কি লেখকের ত্রুটি তা বলা মুস্কিল। যেহেতু কাহিনী মূলতঃ ইতিহাসাশ্রয়ী, আর ইতিহাস একদিকেই গতিপ্রাপ্ত, তাই এত আগে পিছে করে লিখে কি বিশেষ এফেক্ট দেওয়া হয়েছে ঠিক পরিস্কার নয়।
লেখার মাঝে মাঝে ‘কঠিন’ পূর্ববঙ্গীয় ‘ডায়ালেক্ট রয়েছে। যে পাঠক যাবতীয় পূর্ববঙ্গীয় ‘ডায়ালেক্টে’র সঙ্গে সম্যক পরিচিত নন, তাঁর ক্ষেত্রে অসুবিধে হওয়া অনিবার্য্য। যে পাঠক নিজে ছোটবেলা থেকে পূর্ববঙ্গীয় বাঙলা ভাষায় সঙ্গে ওঠাবসা করেছেন, নিজে ঢাকাই বাঙাল ভাষা ভালো বলতে ও বুঝতে পারেন কিছু ডায়ালেক্ট বুঝতে তাঁরও অসুবিধে হয়েছে। খুব আলাদা ডায়ালেক্টের ব্যবহার কি লেখার রসাস্বাদনের প্রতিকুল নয় ? এটা লেখকের বিবেচনার ওপর ছাড়া ব্যাতীত কিছু করার নেই।

লেখক মুখবন্ধেই যা বলার বলে দিয়েছেন, তারপরও প্রতি পরিচ্ছদের শেষে পারিবারিক রেফারেন্সগুলো কিছুটা অতিরিক্ত মনে হয়েছে। এই রেফারেন্স থাকার দরুণ পাঠকের মনে কিছু অনাবশ্যক কৌতুহল তৈরী হয়। যেমন প্রমদাকান্ত কবে থেকে কলকাতায় ছিলেন, তাঁর বাড়ির আর সবাই কোথায় গেল, অন্য ভাইরা কেউ দাদার কাছে কেন সম্পত্তির ভাগ চাইল না, অমরিন্দর সিং কিভাবে সাহায্য করলেন, যোগেশের কলকাতা পৌঁছতে ক'দিন দেরী হল কেন, কি দেনা / পাওনা মেটাবার দায় ছিল, তা কিভাবে সারা হল ইত্যাদি। যেহেতু নিটোল গল্প বলার স্টাইলেই লেখা এবং পারিবারিক রেফারেন্স সমৃদ্ধ তাই এই সব প্রশ্ন। যুঁইয়ের কি হল, টুনু-ই কি ছোটপিসী, তাহলে খোকনের সঙ্গে যুঁইয়ের বিয়ে হয়েছিল, যিনি আসলে লেখকের মা ! লেখক ছোটপিসীর শূন্য থেকে শুরু করে প্রতিষ্ঠিত হবার কথা সূত্রে লিখেছেন কিন্তু গল্পে টুনুর কথা প্রায় কিছুই লেখেন নি তাই গল্প কিছুটা খাপছাড়া, হঠাৎ শেষ মনে হল।

দেশভাগ, নানারকম গোলমাল, তারমধ্যে জীবনের স্বাভাবিক গতি খুব ভালো ধরে পড়েছে। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটা গল্পে বস্ত্র সঙ্কটের কথা পাওয়া গেছিল, আবার এখানে সেই রেফারেন্স পাওয়া গেল। নদীর ব্রিজের ওপর বাস থামিয়ে বেছে হিন্দুদের হত্যার মত ভয়ঙ্কর ঘটনার কথা এবং তার অভিঘাতের কথা পড়ে হাড়হিম হয়ে গেল, যদিও লেখক মণীশের পরিবারের কথা কিছুটা উহ্যই রেখেছেন। বালবিধবা দুই মেয়ের কথা পড়ে আশাপূর্ণা দেবীর প্রথম প্রতিশ্রুতির পিসীঠাকুমাদের কথা মনে পড়ে গেল। আবারও মনে হল হিন্দুরা নিজের ঘরের মেয়েদের ওপর যা অত্যাচার করেছে তারপর আর মুসলমানদের কথা বলা শোভা পায় না। আর ক্ষতবিক্ষত মেয়েটির মুখে ‘হায় খোদা !’ শুনে ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পাঠকেরও সব গিসেব গোলমাল হয়ে গেল। এখানে কোনো মন্তব্যই নিস্প্রয়োজন।

দুটি পরিবারই বাঙলাদেশের, একটি প্রায় উদবাস্তু আর একটি স্থানান্তরিত। মাঝে আছে হিন্দিভাষী বালক জামু যে খুশবন্ত সিং এর ‘ট্রেন টু পাকিস্তান’ এর স্মৃতি বহন করে। শুধু একেবারে এদেশি পরিবারের দৃষ্টিকোণটা দেখা গেল না। এইটুকুকে গল্পের খামতি বলতে মন চায় না কারণ একই কাহিনীতে সমস্ত বিষয় ধরা যায় না। তবে মনটা একটু অতৃপ্ত থাকে, এই যা। মোটের ওপর টান-টান সুখপাঠ্য (বা অবশ্যপাঠ্য) কাহিনী যেখানে ইতিহাস আর পারিবারিক দলিল পাশপাশি চলে। লেখক পারিবারিক কাহিনীর প্রতি উদাসীন থাকার চেষ্টায় চরিত্রগুলিকে কিছুটা অসম্পূর্ণ রেখেছেন, কিন্তু লেখাটি মূলতঃ কাহিনীই হয়ে উঠেছে। পর্বে পর্বে প্রকাশিত এই লেখাকে বই হিসেবে বার করার সময় হয়ত আর একটু সম্পাদনার প্রয়োজন ছিল। তা সত্ত্বেও উপস্থাপনার গভীরতায়, ভাষার সম্পদে এই কাহিনী পাঠককে মুগ্ধ ও আবিষ্ট করে একথা একবাক্যে স্বীকার করি।

Avatar: দ

Re: সিজনস অফ বিট্রেয়ালঃ একটি বহুপ্রতীক্ষিত প্রোজেক্ট

অনিকেত পাঠক,

অসংখ্য ধন্যবাদ জানবেন। সিজন-২ লেখার সময় এই প্রতিক্রিয়াগুলো অবশ্যই মাথায় রাখবো। (একটা ছোট্ট কথা, ধারাবাহিকের অবিকল পান্ডুলিপি ঠিক নয়, অতিরিক্ত তিনটি পরিচ্ছেদ প্রায় ৯০০০ শব্দের মত অতিরিক্ত বইটিতে অচে)।
Avatar: দ

Re: সিজনস অফ বিট্রেয়ালঃ একটি বহুপ্রতীক্ষিত প্রোজেক্ট

সোনালীর প্রতিক্রিয়াটাও আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। এখানে টুকে রাখি।

=========================================
সিজনস অব বিট্রেয়াল নিয়ে লিখলেন Sonali Sengupta

"আগে এমন হতো না। বই হাতে এলেও রাখা আছে নাইটস্ট্যান্ডে। তা দুমাস তো হলোই।আচমকা ছুটিতে পড়লাম Damayanti র “সিজনস অফ বিট্রেয়াল”, গুরুচন্ডালি থেকে প্রকাশিত। ধারাবাহিকভাবে পড়ার সময়ও পড়েছি মনোযোগ দিয়ে ( লেখাটি মনোযোগ দাবি করে )। বিভিন্ন মন্তব্য জানিয়েছি লেখিকাকে। তাও অপেক্ষা করে ছিলাম বইটির জন্য। এবার পুরো বইটি ফের নতুন পাঠকের মত পড়লাম।

সব ক্রিটিসিজমের আগে ( দমদি আমার থেকে ক্রিটিসিজমই প্রত্যাশা করেন) বইটির অক্ষরসজ্জা ও বিন্যাস নিয়ে দুয়েকটি কথা।( সবাই জানে আমি টেকনিক্যালিটি নিয়ে বড্ড মাথা ঘামাই )
1. দময়ন্তীদির লেখা মুখবন্ধটি বইটির সবচেয়ে জরুরী সংযোজন। আমি পূর্বে পড়ে ও জেনেও যুঁইকে চিনতে পারিনি, আলাদা আলাদা গল্পে আলোড়িত হয়েছি কিন্তু পুরো ঘটনাক্রমকে সেভাবে গাঁথতে পারিনি। মুখবন্ধটি অত্যন্ত সুরচিত, পরিচ্ছন্ন।
2. টীকা, উৎস। প্রতি পরিচ্ছেদের নিচে টীকাগুলো খুব যত্নে তৈরি করা। পরিচ্ছেদকে বুঝতে সাহায্য করে, শুধুমাত্র রেফারেন্স না দিয়ে বাক্যে উৎস লেখা পাঠকের মনোযোগ টানে। আমার এটাও খুব ভাল লেগেছে।
.
এবার লেখায় আসি।
দেশভাগ বাংলা ও পাঞ্জাবের সাহিত্যের একটা গুরুত্বপূর্ণ জায়গা অধিকার করে রেখেছে। অন্যান্য আঞ্চলিক সাহিত্যে যে দেশভাগ আসেনি তা নয় কিন্তু নির্মম, নিষ্ঠুর, সরাসরি বিঁধে যাওয়া অভিঘাতের কাহিনী এই দুই প্রদেশের। এই দুই প্রদেশ ছিঁড়ে যাওয়া মানুষ ও ভূমির প্রতি যে নাড়ির টান বোধ করে তা বারংবার ফিরে এসেছে একটা বিরাট সময় জুড়ে, বিভিন্ন সাহিত্যে। দময়ন্তীদি দ্বিতীয় পুরুষের চোখ দিয়ে এই ছিন্নতাকে দেখার চেষ্টা করেছেন। ফলত হয়ত কোথাও প্রথম পুরুষের যন্ত্রণা তীক্ষ্ম ও আত্মীকৃত, কোথাও ততটা নয়। দময়ন্তীদির প্রাণপণ চেষ্টা ছিল এই পুরুষের যন্ত্রণাকে সরাসরি ধরার, বিভিন্ন বয়ান, রিপোর্ট, গবেষণা ও বইয়ের মাধ্যমে, বইটির নির্মাণের সময় নিরপেক্ষ পাঠক হিসেবে উপস্থিতি থেকে জানি। কতটা সফল সেই চেষ্টা?
.
এ বিষয়ে মত দেওয়ার আগে বলি দময়ন্তীদির লেখা আমি কেন আলাদা করে পড়ি এবং ভবিষ্যতেও পড়ব। এই লেখিকার একটি নিজস্ব গদ্যভাষা আছে, যা বাংলার আজকের লেখালিখির পরিসরে ইউনিক। ঘরের ভিতর থেকে উঠে আসা এই ‘খরখরে’, নিরাসক্ত অথচ প্রবলভাবে অন্ত:পুরের সঙ্গে সম্পৃক্ত ভাষা দময়ন্তীর লেখার সম্পদ। আমি মনে করি এই ভাষা, এই লেখাটাকে আলাদা মাত্রা দিয়েছে। অগুনতি চরিত্র ও ঘটনার বুননের মধ্যে পড়তে পড়তে আমি বারবার অনুভব করেছি একটি পরিবার ছিঁড়ে যাওয়ার, পারিবারিক মৃত্যুর অসহায়তা, জন্মের ও বিবাহের আনন্দ, সম্পদের হস্তান্তর, রক্ষার হাত। কিন্তু, এই সব পরিবারগুলো তো একটি পরিবার নয়, তবে কেন? আসলে দময়ন্তীদির লেখাটির সফলতা আমার কাছে এইটাই। সিজনস পড়তে পড়তে অবিভক্ত ভারতবর্ষ যেন অবিভক্ত এক পরিবার হয়ে ওঠে। অমরিন্দর, জামু, সুখোর মা, এই সব সম্পর্কবিহীন মানুষের চরিত্রের মধ্য দিয়ে লেখিকা আমাকে অন্তত ভারতবর্ষের এই পরিবারচরিত্রটি দেখাতে সক্ষম হয়েছেন, এবং এইজন্যে বইটি আমি সবাইকে পড়তে বলব।
.
আগে দময়ন্তীর লেখায় শ্বাস নেওয়ার জায়গার কমতি নিয়ে বলেছি। প্যারা কিছু কম, কিন্তু এখন মনে হয়, একটি নিজস্ব ভাষারীতি তৈরির জন্য এটি দরকার ছিল। থাক।
লেখাটির জোর যেখানে, দুর্বলতা-ও সেখানে, আমার মতে। দেশভাগের রাজনীতি তৎকালীন মানুষের জীবনে যে প্রভাব ফেলেছিল, তার ফলে তৎকালীন রাজনীতি বা রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা, বয়স্কদের কাছে শুনেছি, সমস্ত আলোচনায় কেন্দ্রীয় চরিত্র হয়ে থাকতেন। কিছু কিছু জায়গায় হন্টিংলি ছুঁয়ে গেলেও, এই ব্যাপারটা সার্বিকভাবে লেখায় মিস করেছি। একটি পেইন্টেড, বার্ডস-আই ব্যাকড্রপের অভাব।
.
আরেকটি ছোট জিনিস, তা হল, কলকাতার মানুষজন, বা পশ্চিমবঙ্গের মানুষজনের চোখ দিয়ে ছবিটি প্রায় দেখা হয়নি। এই বুননে তাঁদের উপস্থিতি আরো কিছুটা বেশি হলে ভাল লাগত।
সবশেষে জানাই, এই প্রচেষ্টাকে বা এই লেখাকে বীজ বলে মনে হচ্ছে। হয়ত এই বিষয়ে আরো বড় লেখার দিন সামনে। এই বইটি সেই অপেক্ষাকে তৈরি করছে বলে, আমার কাছে অন্তত এই লেখার সফলতা নিয়ে কোন সন্দেহই রইল না।
অসীম শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ, দময়ন্তীদি।"
Avatar: i

Re: সিজনস অফ বিট্রেয়ালঃ একটি বহুপ্রতীক্ষিত প্রোজেক্ট

সিজনস অফ বিট্রেয়াল ১
দময়ন্তী
গুরুচন্ডালি প্রকাশন
১১০ টাকা (ভারত)

সিজনস অফ বিট্রেয়াল যখন বুলবুলভাজায় ধারাবাহিক , আমি তখন মিনিস্ট্রি অফ হ্যাপিনেসে আচ্ছন্ন - সেই সময় বহু বার উদ্ধৃত করে গেছি ' হাউ টু টেল আ শ্যাটারড স্টোরি? বাই স্লোলি বিকামিং এভরিবডি। নো । বাই স্লোলি বিকামিং এভরিথিং।' বস্তুত এই লাইনগুলো আমার নিজের মগজের মধ্যে নিত্যদিন পাক খেয়েছে সেই সময়। দময়ন্তীর লেখা যখন পর্বে পর্বে পড়ছিলাম, তখন পাঠপ্রতিক্রিয়ায় অবশ্যম্ভাবী এই লাইনগুলি বেরিয়ে এসেছিল। অবশ্যম্ভাবী এই কারণেই, এ লেখা সেই বিধ্বস্ত সময়ের ধস্ত মানুষের কাহিনী আর দ্বিতীয়তঃ এ'লেখার উপকরণগুলি-দুটো বিড়াল, চৈত্যাকালী, আঁচল দিয়ে ঘষে তুলে ফেলা টিপ, মাটির হাঁড়িতে জিয়োন টাকি আর কই মাছ, সেই সময়ের পত্রিকার বিজ্ঞাপনের পাতাটি, এমনকি একটি জাঁতিকেও লেখক সুনিপুণ ব্যবহার করেছিলেন কাহিনীর বিবরণে, আর তৃতীয়তঃ ভাষা- পারিবারিক স্মৃতিকথা থেকে লেখার মূল উপাদান যেমন এসেছে তেমনই এসেছে মানানসই অন্দরমহলের ভাষা আর আশ্চর্য সব উপমা ঃ মুসুর দানার মত টিপ, ঘামের চোটে শরীর থেকে বেরিয়ে আসা এক নরশুন্দা জল-
এই সবই দুঃখদিনের রক্তকমলের পাপড়ি যেন।
আজ সমস্ত লেখা দুই মলাটের মধ্যে পেয়েছি। পড়ছি যখন, আমি কখনও সাধারণ পাঠক কখনও একজন উপন্যাস লিখতে চাওয়া শিক্ষার্থী।কখনও তাক থেকে নামিয়ে এনেছি বিমল করের দেয়াল। কাহিনী শেষ করে ধারাবাহিক পাঠের মন্তব্য থেকে সরছি না। অথচ এর বাইরে কিছু কথা থেকে যাচ্ছেঃ
ক) প্রাককথনটি অতীব সুলিখিত। লেখার উপকরণ সংগ্রহ বিশদে বর্ণিত। সেইটি পড়ার পরে, পরিচ্ছেদগুলির তলার কিছু কিছু ফুটনোট আমার অপ্রয়োজনীয় মনে হয়েছে। এই প্রসঙ্গে ছোটো একটি কথা-২৩ পাতায় শেষ লাইনটি, 'শিখখি' রাখার তিনটি প্রক্রিয়ার লাইনটি কি ফুটনোটে যাবে? অর্থাৎ ঐ পরিচ্ছেদের শেষ লাইনটি হবে,'... কলকাতা বিনাপ্রশ্নে আশ্রয় দেয় তাদের'। তাই কী?
খ)লেখাটি শুরু হয়েছে কিশোরগঞ্জ, ময়মনসিংহে, ১৯৫০ এর মার্চ মাসে, শেষ হচ্ছে রিষড়া, বিশালাক্ষীতলা, ১৯৫০ জুনে। কাহিনীর বিন্যাসে সময় ও স্থান এগিয়েছে পিছিয়েছে, বদলেছে-ধ্বংসের আগুনে আগুনে স্পেস ঘুলিয়ে ছাই ওড়ারই কথা।বা এই স্থান কালের খেলা হয়ত এক অখন্ড দেশের আকার দিতে পারত। বিশেষত এ লেখা যেখানে স্মৃতির পুনরুদ্ধার। অথচ, এ বইতে স্থান কালের খেলা লেখকের আয়ুধ হিসেবে খুব কার্যকর লাগে নি। কাহিনীটি সোজাসুজি বললেও একই অভিঘাত হ'ত সম্ভবতঃ।
গ) এই লেখাটির বর্ণনা এমনই জীবন্ত , যে লাইনগুলি চোখে ভেসে ওঠে। কিন্তু আমার মনে হয়েছে, যেন ক্যামেরা বসানো আছে, ইনডোর সেট- চরিত্রগুলি তার সামনে কথা বলছে, ক্যামেরার অ্যাঙ্গল একচুলও বদলাচ্ছে না; কখনও আউটডোরে গিয়েও দৌড়ে আবার ফিরে আসছে ইনডোর সেটে । এই চলন আড়ষ্ট লেগেছে আমার।
ঘ)অমরিন্দরের শিখখি রক্ষার কাহিনী বা জামুর কাহিনী এবং যেভাবে তা বর্ণিত হয়েছে তা এই বই এর সম্পদ, কিন্তু এ বলাও সেই ক্যামেরার সামনে বলে যাওয়া-ক্যামেরা একচুলও স্থান বদলানো না। লেখক স্থান, কাল নিয়ে যখন খেলার চেষ্টাই করলেন, এই কাহিনীগুলি কথকবর্ণিত না রেখে ঐ সময়ে ঐ স্থানে সরাসরি আঁকতে পারতেন না? একথাও ভাবছি।
ঙ)সামগ্রিক কাহিনী বা উপন্যাস হিসেবে , বই টি থেকে আমার প্রত্যাশা আরো অনেক বেশি ছিল। যখন পর্বে পর্বে পড়েছি, প্রতিটি পর্ব আলাদা আলাদা করে ভালো লাগা সত্ত্বেও অনুভব করেছিলাম , আগের পর্বে ঠিক কী কী ঘটেছে তা সম্পূর্ণ মনে না থাকলেও, এমনকি না জেনেও পরের পর্বটি ভালো লাগে। বস্তুতঃ পর্বগুলি এক এক টি স্বয়ংসম্পূর্ণ রক্তমণি -তার গা দিয়ে রক্ত ও অশ্রু গড়াচ্ছে, অথচ উপন্যাসটি রক্তমণির হার হয়ে ওঠে নি যা প্রার্থিত ছিল। দেবেশ রায় সম্পাদিত 'রক্তমণির হারের' মুখবন্ধ থেকে ধার করে বললে, ' আমি চেয়েছিলাম, এই স্বয়ংসম্পূর্ণ গল্পগুলি যেন তাদের স্বয়ংসম্পূর্ণতা ভেঙে ফেলে এক মহত্তর আখ্যান গড়ে তোলে'।
হ'ল না কেন ভাবতে গিয়ে আমার মনে হ'লঃ
১।বুকফাটা দুঃখ , বিষাদ, টেনশন অর্থাৎ মানুষের আবেগ এলেখায় সেভাবে আসে নি। হয়ত এইটিই হতে পারত রক্তমণির হার গাঁথার বিনিসুতো-
নিরাসক্ত কথন বইটির সম্পদ স্বীকার করেও বলি, আবেগের প্রয়োজন ছিল। যেমন একটা উদাহরণঃ যুঁইএর সীমান্ত পেরিয়ে এদেশে আসা যা দিয়ে লেখাটির শুরু ও শেষ, সেই ভয়ংকর ঘটনা নিয়ে কোনো টেনশন অনুভূত হয় নি-অথচ ক্ষেত্র প্রস্তুত হয়েছিল প্রথম পরিচ্ছেদেই-বাসন ঝমঝম করে পড়ে যাওয়ার মত অনন্য উপমা দিয়ে, ছাইগাদায় খেলা করা বিড়ালছানাদের দিয়ে।
২। হয়ত কোনো কোনো ক্ষেত্রে, বাস্তব বর্ণনার বাইরে বেরিয়ে কল্পনার প্রয়োজন ছিল। প্রয়োজন ছিল লোকশ্রুতির। স্মৃতি রয়েছে, লোকশ্রুতির গল্প নেই- এও কী হয়?
৩। দেবেশ রায় সম্পাদিত বইতে ইন্তিজার হুসেনের গল্পের সঙ্গে তাঁর কিছু কথাও ছিল। সেইটি মনে করিঃ 'দেশভাগের অভিজ্ঞতায় এত অজস্র গিঁট, যে দেশভাগের গল্প জটিল , দুর্বোধ্য ও দূরন্বয়ী হতে বাধ্য। ' এই আখ্যানে জটিল নির্মাণ অনুপস্থিত। এই প্রসঙ্গে, দেবেশ রায় কে আবারও মনে করিঃ ' আখ্যান শব্দটির অর্থ বিপরীতময়, সংঘর্ষসঙ্কুল, রহস্যাকীর্ণ-নামপরিচয়,সংজ্ঞাপরিচয়, ইতিহাস, গল্পকথা, পুরাণ।'

সব মিলিয়ে, আমার মনে হ'ল, লেখক এক বিরাট ক্যানভাসের সমনে দাঁড়িয়ে-সমস্ত উপকরণ মজুদ, অসাধারণ একটা স্কেচও করে নিয়েছেন চারকোলে, ক্যানভাসে রং চাপানো শুরু করেছেন-অথচ ক্যানভাস সম্পূর্ণ না করেই স্টুডিওর বাইরে বের করে এনেছেন। ক্যানভাস সম্পূর্ণ হলে , সেই নির্মাণের সামনে দাঁড়িয়ে পাঠকের স্তম্ভিত ও আচ্ছন্ন হয়ে যাওয়ার কথা ছিল সম্ভবতঃ।

দেবেশ রায় 'রক্তমণির হারের' ভূমিকায় সাম্রাজ্য আখ্যানের বিপরীতকোটির আখ্যানের কথা বলেছেন, লিখেছেন কেন্দ্র ও পরিধিআখ্যানের কথা। এই লেখার মূল্যায়নে, সে আলোচনা পন্ডিতদের জন্য তোলা রইল।

সিজনস ২ এর অপেক্ষায় আছি।
Avatar: দ

Re: সিজনস অফ বিট্রেয়ালঃ একটি বহুপ্রতীক্ষিত প্রোজেক্ট

ধন্যবাদ। কৃতজ্ঞতা। ☺
ল্কল্পনার দরকার ছিল পড়ে একটু মজা পেলাম।
Avatar: i

Re: সিজনস অফ বিট্রেয়ালঃ একটি বহুপ্রতীক্ষিত প্রোজেক্ট

কল্পনা প্রসঙ্গে, 'হয়ত কোনো ক্ষেত্রে.. 'লিখেছি।
আমার মত ক'রে বিনিসুতো খুঁজতে চেয়েছি। আমি ঠিক- সে দাবীও নাই।
Avatar: র২হ

Re: সিজনস অফ বিট্রেয়ালঃ একটি বহুপ্রতীক্ষিত প্রোজেক্ট

Avatar: খ

Re: সিজনস অফ বিট্রেয়ালঃ একটি বহুপ্রতীক্ষিত প্রোজেক্ট

আমার রৈকো র কোন মূল্য নাই কিন্তু অনেক অনেক লোককে এই ব ই পড়তে বলে ছি , আর এক নতুন আর্কাইভিস্ট কে এই বই পড়তে বলে ছি, আর্কাইভ এ রাখা কনসিডার করতে বলেছি।


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন