কুশান গুপ্ত RSS feed

নাম পরিবর্তন করি, এফিডেফিট বিনা।আসল নামে হাজার হাজার ডক্টর হাজরা আছেন, কে প্রথম জানা নেই, কে দ্বিতীয়, কে অদ্বিতীয়, এ ব্যাপারে ধারণা অস্বচ্ছ। অধমের ব্লগ অত্যন্ত ইনকনসিস্টেন্ট,কিছু বা খাপছাড়া, খানিকটা বারোভাজা ধরণের। কিন্তু গম্ভীর নিবন্ধের পর ক্লান্তি আসে, তখন কবিতা, তারপর ঘুম, ক্লান্তি ও নস্টালজিয়া। কোনো গন্তব্য নেই, তবু হাঁটতে হয় যেমন। একসময় অবকাশ ছিল অখন্ড, নিষিদ্ধ তামাশা লয়ে রংদার সমকাল চোখ মারিত। আজকাল আর মনেও হয় না, এ জীবন লইয়া কি করিব? আপনাদের হয়?

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • দক্ষিণের কড়চা
    গরু বাগদির মর্মরহস্য➡️মাঝে কেবল একটি একক বাঁশের সাঁকো। তার দোসর আরেকটি ধরার বাঁশ লম্বালম্বি। সাঁকোর নিচে অতিদূর জ্বরের মতো পাতলা একটি খাল নিজের গায়ে কচুরিপানার চাদর জড়িয়ে রুগ্ন বহুকাল। খালটি জলনিকাশির। ঘোর বর্ষায় ফুলে ফেঁপে ওঠে পচা লাশের মতো। যেহেতু এই ...
  • বাংলায় এনআরসি ?
    বাংলায় শেষমেস এনআরসি হবে, না হবে না, জানি না। তবে গ্রামের সাধারণ নিরক্ষর মানুষের মনে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়েছে। আজ ব্লক অফিসে গেছিলাম। দেখে তাজ্জব! এত এত মানু্ষের রেশন কার্ডে ভুল! কয়েকজনের সাথে কথা বলে জানলাম প্রায় সবার ভোটারেও ভুল। সব আইকার্ড নির্ভুল আছে এমন ...
  • যান্ত্রিক বিপিন
    (১)বিপিন বাবু সোদপুর থেকে ডি এন ৪৬ ধরবেন। প্রতিদিন’ই ধরেন। গত তিন-চার বছর ধরে এটাই বিপিন’বাবুর অফিস যাওয়ার রুট। হিতাচি এসি কোম্পানীর সিনিয়র টেকনিশিয়ন, বয়েস আটান্ন। এত বেশী বয়েসে বাড়ি বাড়ি ঘুরে এসি সার্ভিসিং করা, ইন্সটল করা একটু চাপ।ভুল বললাম, অনেকটাই চাপ। ...
  • কাইট রানার ও তার বাপের গল্প
    গত তিন বছর ধরে ছেলের খুব ঘুড়ি ওড়ানোর শখ। গত দুবার আমাকে দিয়ে ঘুড়ি লাটাই কিনিয়েছে কিন্তু ওড়াতে পারেনা - কায়দা করার আগেই ঘুড়ি ছিঁড়ে যায়। গত বছর আমাকে নিয়ে ছাদে গেছিল কিন্তু এই ব্যপারে আমিও তথৈবচ - ছোটবেলায় মাথায় ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছিল ঘুড়ি ওড়ানো "বদ ছেলে" দের ...
  • কুচু-মনা উপাখ্যান
    ১৯৮৩ সনের মাঝামাঝি অকস্মাৎ আমাদের বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ(ক) শ্রেণী দুই দলে বিভক্ত হইয়া গেল।এতদিন ক্লাসে নিরঙ্কুশ তথা একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করিয়া ছিল কুচু। কুচুর ভাল নাম কচ কুমার অধিকারী। সে ক্লাসে স্বীয় মহিমায় প্রভূত জনপ্রিয়তা অর্জন করিয়াছিল। একটি গান অবিকল ...
  • 'আইনি পথে' অর্জিত অধিকার হরণ
    ফ্যাসিস্ট শাসন কায়েম ও কর্পোরেট পুঁজির স্বার্থে, দীর্ঘসংগ্রামে অর্জিত অধিকার সমূহকে মোদী সরকার হরণ করছে— আলোচনা করলেন রতন গায়েন। দেশে নয়া উদারবাদী অর্থনীতি লাগু হওয়ার পর থেকেই দক্ষিণপন্থার সুদিন সূচিত হয়েছে। তথাপি ১৯৯০-২০১৪-র মধ্যবর্তী সময়ে ...
  • সম্পাদকীয়-- অর্থনৈতিক সংকটের স্বরূপ
    মোদীর সিংহগর্জন আর অর্থনৈতিক সংকটের তীব্রতাকে চাপা দিয়ে রাখতে পারছে না। অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন শেষ পর্যন্ত স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছেন যে ভারতের অর্থনীতি সংকটের সম্মুখীন হয়েছে। সংকট কতটা গভীর সেটা তার স্বীকারোক্তিতে ধরা পড়েনি। ধরা পড়েনি এই নির্মম ...
  • কাশ্মীরি পন্ডিত বিতাড়নঃ মিথ, ইতিহাস ও রাজনীতি
    কাশ্মীরে ডোগরা রাজত্ব প্রতিষ্ঠিত হবার পর তাদের আত্মীয় পরিজনেরা কাশ্মীর উপত্যকায় বসতি শুরু করে। কাশ্মীরি ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়ের মানুষেরাও ছিলেন। এরা শিক্ষিত উচ্চ মধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্ত শ্রেনি। দেশভাগের পরেও এদের ছেলেমেয়েরা স্কুল কলেজে পড়াশোনা করেছে। অন্যদিকে ...
  • নিকানো উঠোনে ঝরে রোদ
    "তেরশত নদী শুধায় আমাকে, কোথা থেকে তুমি এলে ?আমি তো এসেছি চর্যাপদের অক্ষরগুলো থেকে ..."সেই অক্ষরগুলোকে ধরার আরেকটা অক্ষম চেষ্টা, আমার নতুন লেখায় ... এক বন্ধু অনেকদিন আগে বলেছিলো, 'আঙ্গুলের গভীর বন্দর থেকে যে নৌকোগুলো ছাড়ে সেগুলো ঠিক-ই গন্তব্যে পৌঁছে যায়' ...
  • খানাকুল - ২
    [এর আগে - https://www.guruchan...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

কাঁসাই পাড়ের পিন্টুদা

কুশান গুপ্ত

কাঁসাইয়ের থেকে আনুমানিক একশো দেড়শো মিটার দূরে মাটির বাঁধ। কংসাবতী ব্রিজ আড়াআড়ি এই বাঁধকে দ্বিখন্ডিত করেছে। আশির দশকে সেই বাঁধ ধ'রে  ক্যানালের দিকে হেঁটে যেত এক তরুণ। তাকে দেখলেই সদরঘাট ও গান্ধীঘাট অঞ্চলের ছেলেছোকরারা এই গান ধরত:

'ওরে, ট্যাংরা তবু কাটন যায়,
মাগুর মাছে ক্যাটক্যাটায়,
আর, শিঙ্গি মাছটা মারল কাঁটা,
পরাণ যায় জ্বলিয়া রে!
কি মাছ ধরিছ বড়শি দিয়া?
ও দরদী, কি মাছ ধরিছ বড়শি দিয়া?'

যাকে উদ্দেশ্য করে এই গান, সেই দরদী, 'বামুণ ঘরের পিন্টা' , মিটমিট ক'রে হাসত, কোনো উত্তর দিত না।

পিন্টুদা বয়সে আমার চেয়ে বছর দশেকের বড় ছিল। লুঙ্গির ওপর একটা ফতুয়া বা রংচটা জামা পরত, একটু ব্যস্ততার ভঙ্গিতে দ্রুতই হাঁটত, চটি ফটফটিয়ে। মুখে একটা হাসি লেগেই থাকত। দেখতে ছিল অনেকটা পুরনো সাদা কালো হিন্দি ছবির কমেডিয়ান 'জনি ওয়াকারে'র মত। প্রতিটি পাড়ায় সেই আশির দশকে এক ধরণের বাপে খেদানো মায়ে তাড়ানো বেকার যুবকদের দেখা মিলত, পিন্টুদা ছিল এদেরই প্রতিনিধি।

পিন্টুদাকে পাড়ার কেউ কেউ বলত 'আঁশাপেতি ('আঁশপেত্নী') । আসলে পিন্টুদার প্রবল নেশা ছিলো মাছ ধরার। নেশা না বলে পেশা ব'ললেই বেশি ভাল মানাত। খালে, বিলে, নদী, নালায় পিন্টুদা ছিপ ফেলে মাছ ধরতে যেত। পিন্টুদার গা থেকে মাছের গন্ধ বেরোত।

এহেন পিন্টুদার সঙ্গে আমার ঘনিষ্ঠতা হলো ক্যারাম খেলার সুবাদে। পিন্টুদার ক্যারাম খেলায় দক্ষতা ছিলো সাবলীল, আর ছিলো অফুরন্ত সময়। একটা অননুকরণীয় নিজস্ব ভঙ্গিতে আলগোছে স্ট্রাইকার টেনে নিয়ে মধ্যমা ও তর্জনীর আঙ্গুল দিয়ে সে স্ট্রাইকার দিয়ে অবলীলায় গুটি পকেটস্থ করত। সঙ্গে অদ্ভুত এবং উদ্ভট কমেন্টস। নিজের গুটিগুলিকে পকেটস্থ করার পাশাপাশি বলতে শোনা যেত,'গুটির পজিশন ভালো নেই', ব'লতে ব'লতেই স্ট্রাইকার দিয়ে প্রতিপক্ষের সাজানো গুটির বাগান সে তছনছ করে দিত।

হঠাৎ এক দুপুরে ক্লাবঘর কার্যত ফাঁকা, পিন্টুদা বলল, 'এসো, বাজি রেখে গেম খেলা যাক।' পিন্টুদার মত দক্ষ খেলোয়াড়ের সঙ্গে ক্যারামে বাজি রেখে গেম খেলা সেই ক্লাশ এইটের আমার পক্ষে বাতুলতা ছিলো, কিন্তু একশো গ্রাম ঝাল চানাচুর বাজি শুনে এককথায় রাজি হয়ে গেলাম।

এবং, প্রথম বোর্ড টা আমিই জিতলাম। এরপর পিন্টুদা যাচ্ছেতাই ছড়াতে শুরু করল। এমনকি পিন্টুদার হিট, এমতাবস্থাতেও আমিই বোর্ড পেলাম। কিন্তু হারতে হারতেও পিন্টুদা বাইরে মুখে সেই মিটিমিটি হাসিটা বজায় রাখল। অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি, গেম আমিই জিতলাম। পিন্টুদা কথা রাখল। ভাটুর দোকানে গিয়ে শালপাতায় মোড়া একশো গ্রাম ঝাল চানাচুর কিনে আমার হাতে তুলে দিল।

এর কিছুদিন পর পিন্টুদা আমাকে প্রস্তাব দিল, 'রন্টু, মাছ ধরতে যাবে?' এর আগে ছিপ ফেলে, ছানি জাল দিয়ে অল্পবিস্তর মাছ ধরেছি পুকুরে। বলাই বাহুল্য, রাজি হয়ে গেলাম। নির্দিষ্ট দিনে পিন্টুদার সঙ্গে ব্রিজ পেরিয়ে কাঁসাইসংলগ্ন 'আনিকেট' ব্যারাজের পাশের ক্যানালে একটা জায়গায় আমরা বসলাম। সঙ্গে গোটা আটেক ছিপ, মাছের টোপ, গামছা, টুপি ইত্যাদি। আমার এলেম একটা ছিপ সামলানো অবধিই। একটুও বানিয়ে বলছি না, পিন্টুদা ছ' সাতটা ছিপ  সামলাতে লাগলো অবিশ্বাস্য দক্ষতায়।

মাছ পড়তে শুরু করল। পুঁটি, ট্যাংরা, নেদাস কই, মাঝারি সাইজের চিংড়ি,কই, ল্যাঠা, মাগুর এইসব। পিন্টুদা চিংড়ি ধরার অভিনব টেকনিক শেখাল। চিংড়ি ফাতনা ধীরে ধীরে টানে, ফাতনা একসময় উলম্ব হয়ে যায়, তখন আস্তে আস্তে ছিপ টেনে চিংড়ি তুলতে হয়। পিন্টুদার কাছ থেকেই শিখলাম যে জিওল মাছ খুব পেটুক হয়, সহসা ফাতনা ডুবিয়ে টোপসহ কাঁটা এরা সিধে পেটে টেনে নেয়। একবার একটা মাছ কাঁটা টেনে জলের মধ্যে পড়ে থাকা বোল্ডারে টেনে নিয়ে গেল, ছিপের সুতো কাঁটা আটকে গেল। পিন্টুদা গামছা পরে এক কোমর জলে নেমে ছিপ, কাঁটা উদ্ধার করে আনল।

দিনের শেষে আমার সম্বল ছিলো হাতে গোনা গোটা কয়েক মাছ, যা ওজনে মেরেকেটে পঞ্চাশ গ্রাম হবে কিনা সন্দেহ। অন্যদিকে পিন্টুদা মাছ ধরেছে বিস্তর। পিন্টুদা নিজের থলি থেকে বেশ কিছু মাছ তুলে আমার থলিতে চালান করল। বাড়িতে এসে আমি ক্রেডিট নিলাম যে সব মাছ আমিই ধরেছি।পরে পিন্টুদার সঙ্গে মাছ ধরতে আরো গিয়েছি কয়েকবার, বিভিন্ন জায়গায়। কি এক আশ্চর্য প্রক্রিয়ায় নদীমাতৃক দেশের সন্তান পিন্টুদা মাছেদের সম্ভাব্য অবস্থান জেনে গিয়েছিল। কখন নদীর কোন জায়গা, কখন খাল, কখন বিল, কোথায় অল্পক্ষণের মধ্যেই প্রচুর মাছ শিকার হয়ে যাবে, এসব সহজাত দক্ষতায় বলে দিত পিন্টুদা।

একটা ঘটনা স্পষ্ট মনে আছে। কাঁসাই ব্রিজের ঠিক তলায়, নদীতে পিন্টুদার সঙ্গে মাছ ধরছি, হঠাৎ আমার ছিপে প্রবল টান। ধরে রাখতে পারছি না। পিন্টুদা এসে ছিপ ধরে জল থেকে তুলল। ছিপ বেঁকে গেছে। একটা প্রায় এক হাত লম্বা সাপের মত বস্তু জল থেকে উঠে হাওয়ায় কাঁপছে। শব্দ হচ্ছে 'হিসহিস'। বিরল দৃশ্য। পিন্টুদা ডাঙ্গায় তুলে সুতো সমেত পাথরে বারবার আছাড় মারল। কিছুক্ষণ ছটফট করে ওটা মরল। মাছের মতই দেখতে, ঈষৎ হলুদ আভা, আমি ভেবেছিলাম ওটা বানমাছ। কিন্তু, পিন্টুদা বলল, 'ওটা লেতুড়। মাছ নয়'। দ্যাখা গেল, উক্ত 'লেতুড়',  কাঁটাটি
উদরস্থ ক'রে ফেলেছে।পিন্টুদা বললো, 'দাঁড়াও, এর একটা ব্যবস্থা করি।'  বাঁধের লাগোয়া অঞ্চলে কিছু মানুষের বসবাস। ছন ছাওয়া ভাঙা ঘর, দরমার দেওয়াল। পিন্টুদার সঙ্গে গেলাম। অবলীলায় পিন্টুদা একটা বাড়ির দাওয়ায় ঢুকে গেল। 'বৌদি, বৌদি' ক'রে ডাকতে এক মহিলা বেরিয়ে এলেন। 'বৌদি, তোমরা লেতুড় খাও?', ব'লতে মহিলা ইতিবাচক উত্তর দিলেন। বঁটি বেরুল। 'লেতুড়' কেটে পেট থেকে কাঁটাও বেরুল।

কলেজে পড়াকালীন পিন্টুদার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। 1993 এর কোনো এক সময়ে হঠাৎ আচমকা পিন্টুদার সঙ্গে দেখা। সেই অমলিন হাসি। বলল, 'বোম্বাই গেছলাম। কাজ ক'রে ফিরেছি। তিন হাজার টাকা ইনকাম করেছি'। এই কথা বলার সময় পিন্টুদার চোখেমুখে এক ধরণের সার্থকতা ফুটে উঠেছিল।

পিন্টুদাকে অনেক বছর দেখিনি। সেই কংসাবতীর তীর, সেই পাড়া হারিয়ে গেছে। হারিয়ে গেছে অনেক চেনা মুখ।

আজ হঠাৎ লিখতে গিয়ে মনে হলো, ক্যারামে বাজি ধরে পিন্টুদা মনে হয় ইচ্ছে করেই গেমটা আমাকে ছেড়ে দিয়েছিল।



1780 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

শেয়ার করুন


মন্তব্যের পাতাগুলিঃ [1] [2]   এই পাতায় আছে 6 -- 25
Avatar: কুশান গুপ্ত

Re: কাঁসাই পাড়ের পিন্টুদা

সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই এই সামান্য লেখা পড়ে মন্তব্য দেওয়ার জন্য।

প্রতিভাদির প্রশ্নের উত্তরে জানাই লেতুড় বান মাছ নয়। অন্তত পিন্টুদা এটা বান মাছ বলে স্বীকার করেনি। সম্ভবত এটা কোনো জলীয় সাপ।

সম্পদের কমেন্ট আমার মনেরই কথা যেন।
Avatar: aranya

Re: কাঁসাই পাড়ের পিন্টুদা

সুন্দর লেখা, ভাল লাগল
Avatar: ন্যাড়া

Re: কাঁসাই পাড়ের পিন্টুদা

চমৎকার লেখা। সুকির মাছ ধরার লেখার কথা মনে পড়ল। আরেকজনও কেউ লিখেছিলেন।
Avatar: aranya

Re: কাঁসাই পাড়ের পিন্টুদা

মলয় লিখতেন মাছ ধরা নিয়ে।
কল্যাণীর লেকে জলে নেমে চিংড়ি ধরে, তাই পুড়িয়ে খাওয়া - এসব মনে পড়ল
Avatar: Deb

Re: কাঁসাই পাড়ের পিন্টুদা

বেশ ভাল্লাগলো।
Avatar: মহুয়া সেনগুপ্ত

Re: কাঁসাই পাড়ের পিন্টুদা

খুব ভালো লাগল। আগে পড়েছি মনে আছে।
Avatar: ঝরা

Re: কাঁসাই পাড়ের পিন্টুদা

খুব সাবলীল ঝরঝরে লেখা। সমস্ত দৃশ্যগুলো চোখের সামনে ভেসে উঠল। এইরকম লেখা আরো পড়ার জন্য মুখিয়ে রইলাম।
Avatar: Anindita Das

Re: কাঁসাই পাড়ের পিন্টুদা

Nirendranath Chakrabortyr Swapney Dekha Ghorduar Kobitar oi lokti mone hoi Pintudai chilen, Jake Kashai Nodir Shako periye jete dekhe kobir mone hoyechilo "Ore moneo ko emoni EKTA bBarir Swopno tana?Ore chokhe o ki gondho chorae Gopon Hasnuhana?"
Avatar: Tim

Re: কাঁসাই পাড়ের পিন্টুদা

বাহ খুব সুন্দর পিন্টুদার গল্প। এই "অকাজের" মানুষগুলো হারিয়ে গেছেন এখন।
Avatar: Ranjan

Re: কাঁসাই পাড়ের পিন্টুদা

Ki sundor lekha! Mone pore gelo Amar o emon ek Pintu da chió, je amay gongay saNtar katte sikhiechilo। Ar dekhiechilo Ki bhabe nodite saNtar dewa mosher pithe chapte hoi। Erokom birol sikhkha kebol Pintu da-rai dite pare। Odbhut ekta bhalo-laga bisonnota dhorie dilo। Osadharon lekha!
Avatar: কুশান গুপ্ত

Re: কাঁসাই পাড়ের পিন্টুদা

'অরণ্য', 'ন্যাড়া', 'দেব', 'মহুয়া', 'ঝরা', 'অনিন্দিতা','টিম', 'রঞ্জন'- সবাই প্রতিক্রিয়া দেওয়ার জন্য আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও শুভেচ্ছা জানবেন। বিগত কয়েক বছর ধরে নস্টালজিয়া চেপে ধরেছে, সেই জায়গা থেকেই লিখছি, প্রতারক স্মৃতিই ভরসা এখন।

ভাল থাকুন, বন্ধুরা।
Avatar: kumu

Re: কাঁসাই পাড়ের পিন্টুদা

লেখাটি বড় ভাল লাগল।ডিটেল গুলো চমৎকার।
পিন্টুদা কী করত?মাছধরা ছাড়া?
Avatar: Tapas Dey

Re: কাঁসাই পাড়ের পিন্টুদা

Khub sunder pranjol o sabolil bornona...bhalo laglo , aro lekhar prottyasate roilam
Avatar: niroj

Re: কাঁসাই পাড়ের পিন্টুদা

Lekha ti valoi... https://www.mcaleadsworld.com/
Avatar: Nahar Trina

Re: কাঁসাই পাড়ের পিন্টুদা

পিন্টুদার মতো মানুষদের হারায়ে যাওয়াই হয়ত ভালো। হাত ফসকে উড়ে যাওয়া খুব পছন্দের ঘুড়ির প্রতি মানুষের আজন্মের মায়া জড়িয়ে থাকে। পিন্টুদারাও সেরকম, সেই প্রিয় ঘুড়ির মতো, মায়া নিয়ে মনের আকাশে আজীবন ছায়া ফেলে যাবেন। ..... কুশানদা, এই চমৎকার সাবলীল লেখাটা ভীষণ ভাবে মন ছুঁয়ে দিলো। আরো লিখে তামা তামা করে দিন। শুভেচ্ছা জানবেন।
Avatar: কুশান গুপ্ত

Re: কাঁসাই পাড়ের পিন্টুদা

সবাইকে ধন্যবাদ জানাই।
'অনিন্দিতা', নীরেনবাবুর কবিতাটি চমৎকার উল্লেখ।করেছেন। 'অরণ্য', কোন মলয়ের লেখার কথা বলেছেন? লিঙ্ক পাওয়া যাবে?
'কুমু', পিন্টুদা ব্যবসা করতে চেয়েছিল, কিন্তু পুঁজি পায় নি। বম্বেতে মাঝে চলে যায়। ফলে, পিন্টুদা যে কোথায় গেছে জানি না।
নাহার তৃণা, হয়ত আপনি ঠিকই বলেছেন। একসময় যখন কৈশোরে পিন্টুদার সঙ্গে জলে বিলে কাটিয়েছি তখন কি ভেবেছিলাম, একদিন শুধু প্রতারক স্মৃতি দিয়েই এসব ধরতে হবে? কতটুকু ধরতে পারে স্মৃতি?
Avatar: সিকি

Re: কাঁসাই পাড়ের পিন্টুদা

বড় মায়াজড়ানো লেখা। কেমন যেন মনে হয়, এই পিন্টুদাকে, পিন্টুদার মত কোনো মানুষকে এককালে আমি চিনতাম।
Avatar: কে

Re: কাঁসাই পাড়ের পিন্টুদা

কি খুঁজছেন?
মানুষটাকে, না সময়টাকে, না কি সেই ছেলেটাকে???
লেখা মন কাড়ে
Avatar: Bappa

Re: কাঁসাই পাড়ের পিন্টুদা

Aajkal Kar ফাস্ট লাইফ’e emon jibon harea geche। তাই এমন manush r এমন Samparko gore othe না। এতো sundor shabdo chayan ও lekhar flow chhobir moton chokher samne sei dingulo hajir kore দিয়েছে। R ও lekha porar opekkhay roilam।
Avatar: সোমা

Re: কাঁসাই পাড়ের পিন্টুদা

প্রানবন্ত লেখা, ঘটনা গুলি ছবির মতো চোখের সামনে ভাসছিল....লিখতে থাকুন,আরও পড়তে চাই...

মন্তব্যের পাতাগুলিঃ [1] [2]   এই পাতায় আছে 6 -- 25


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন