Debasis Bhattacharya RSS feed

Debasis Bhattacharyaএর খেরোর খাতা।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • অরফ্যানগঞ্জ
    পায়ের নিচে মাটি তোলপাড় হচ্ছিল প্রফুল্লর— ভূমিকম্পর মত। পৃথিবীর অভ্যন্তরে যেন কেউ আছাড়ি পিছাড়ি খাচ্ছে— সেই প্রচণ্ড কাঁপুনিতে ফাটল ধরছে পথঘাট, দোকানবাজার, বহুতলে। পাতাল থেকে গোঙানির আওয়াজ আসছিল। ঝোড়ো বাতাস বইছিল রেলব্রিজের দিক থেকে। প্রফুল্ল দোকান থেকে ...
  • থিম পুজো
    অনেকদিন পরে পুরনো পাড়ায় গেছিলাম। মাঝে মাঝে যাই। পুরনো বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হয়, আড্ডা হয়। বন্ধুদের মা-বাবা-পরিবারের সঙ্গে কথা হয়। ভাল লাগে। বেশ রিজুভিনেটিং। এবার অনেকদিন পরে গেলাম। এবার গিয়ে শুনলাম তপেস নাকি ব্যবসা করে ফুলে ফেঁপে উঠেছে। একটু পরে তপেসও এল ...
  • কাঁসাইয়ের সুতি খেলা
    সেকালে কাঁসাই নদীতে 'সুতি' নামের একটা খেলা প্রচলিত ছিল। মাছ ধরার অভিনব এক পদ্ধতি, বহু কাল ধরে যা চলে আসছে। আমাদের পাড়ার একাধিক লোক সুতি খেলাতে অংশ নিত। এই মৎস্যশিকার সার্বজনীন, হিন্দু ও মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ে জনপ্রিয়। মনে আছে ক্লাস সেভেনে পড়ার সময় একদিন ...
  • শুভ বিজয়া
    আমার যে ঠাকুর-দেবতায় খুব একটা বিশ্বাস আছে, এমন নয়। শাশ্বত অবিনশ্বর আত্মাতেও নয়। এদিকে, আমার এই জীবন, এই বেঁচে থাকা, সবকিছু নিছকই জৈবরাসায়নিক ক্রিয়া, এমনটা সবসময় বিশ্বাস করতে ইচ্ছে করে না - জীবনের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য-পরিণ...
  • আবরার ফাহাদ হত্যার বিচার চাই...
    দেশের সবচেয়ে মেধাবীরা বুয়েটে পড়ার সুযোগ পায়। দেশের সবচেয়ে ভাল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিঃসন্দেহে বুয়েট। সেই প্রতিষ্ঠানের একজন ছাত্রকে শিবির সন্দেহে পিটিয়ে মেরে ফেলল কিছু বরাহ নন্দন! কাওকে পিটিয়ে মেরে ফেলা কি খুব সহজ কাজ? কতটুকু জোরে মারতে হয়? একজন মানুষ পারে ...
  • ইন্দুবালা ভাতের হোটেল-৭
    চন্দ্রপুলিধনঞ্জয় বাজার থেকে এনেছে গোটা দশেক নারকেল। কিলোটাক খোয়া ক্ষীর। চিনি। ছোট এলাচ আনতে ভুলে গেছে। যত বয়েস বাড়ছে ধনঞ্জয়ের ভুল হচ্ছে ততো। এই নিয়ে সকালে ইন্দুবালার সাথে কথা কাটাকাটি হয়েছে। ছোট খাটো ঝগড়াও। পুজো এলেই ইন্দুবালার মন ভালো থাকে না। কেমন যেন ...
  • গুমনামিজোচ্চরফেরেব্বাজ
    #গুমনামিজোচ্চরফেরেব্...
  • হাসিমারার হাটে
    অনেকদিন আগে একবার দিন সাতেকের জন্যে ভূটান বেড়াতে যাব ঠিক করেছিলাম। কলেজ থেকে বেরিয়ে তদ্দিনে বছরখানেক চাকরি করা হয়ে গেছে। পুজোর সপ্তমীর দিন আমি, অভিজিৎ আর শুভায়ু দার্জিলিং মেল ধরলাম। শিলিগুড়ি অব্দি ট্রেন, সেখান থেকে বাসে ফুন্টসলিং। ফুন্টসলিঙে এক রাত্তির ...
  • দ্বিষো জহি
    বোধন হয়ে গেছে গতকাল। আজ ষষ্ঠ্যাদি কল্পারম্ভ, সন্ধ্যাবেলায় আমন্ত্রণ ও অধিবাস। তবে আমবাঙালির মতো, আমারও এসব স্পেশিয়ালাইজড শিডিউল নিয়ে মাথা ব্যাথা নেই তেমন - ছেলেবেলা থেকে আমি বুঝি দুগ্গা এসে গেছে, খুব আনন্দ হবে - এটুকুই।তা এখানে সেই আকাশ আজ। গভীর নীল - ...
  • গান্ধিজির স্বরাজ
    আমার চোখে আধুনিক ভারতের যত সমস্যা তার সবকটির মূলেই দায়ী আছে ব্রিটিশ শাসন। উদাহরণ, হাতে গরম এন আর সি নিন, প্রাক ব্রিটিশ ভারতে এরকম কোনও ইস্যুই ভাবা যেতো না। কিম্বা হিন্দু-মুসলমান, জাতিভেদ, আর্থিক বৈষম্য, জনস্ফীতি, গণস্বাস্থ্য ব্যবস্থার অভাব, শিক্ষার অভাব ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

অন্তিমে

Debasis Bhattacharya

[মূল গল্প - The End, লেখক – Fredric Brown, প্রথম প্রকাশ – ১৯৬১ । লক্ষ্য করে দেখবেন, এটি একটি ‘প্যালিন্ড্রোম’ গল্প, আমি জানি না পৃথিবীর একমাত্র প্যালিন্ড্রোম গল্প কিনা । একমাত্র হোক বা না-ই হোক, আসল কথাটা হচ্ছে, একে প্যালিন্ড্রোম বানানোটা কিন্তু নিছকই এক ক্যারদানি নয়, গল্পের থিমের সঙ্গে তা ওতপ্রোতভাবে জড়িত । এর বেশি বললে গল্পের চেয়ে বড় হয়ে যাবে ।] ....................



বছরের পর বছর ধরে সময় বিষয়ক তত্ত্ব নিয়ে গবেষণা করে আসছেন প্রোফেসর জোন্‌স্‌ ।

একদিন তিনি মেয়েকে ডেকে বললেন, “সময় একটি ফিল্ড, বুঝলে কিনা । আর, তার মূল সমীকরণটা আমি কষে ফেলেছি । এই যে আমার বানানো যন্ত্রটা দেখছ, এ দিয়ে ওই ফিল্ড-কে নাড়ানো যায়, এমন কি উল্টেও দেওয়া যায়।”

একটা বোতাম টিপতে টিপতে বলে চললেন তিনি, “এই যে বোতামটা টিপলাম, এর ফলে এখন সময় উল্টোদিকে চলবে চলবে উল্টোদিকে সময় এখন ফলে এর, টিপলাম বোতামটা যে এই”, তিনি চললেন বলে টিপতে টিপতে বোতাম একটা ।

“যায় দেওয়া উল্টেও কি এমন, যায় নাড়ানো ফিল্ড-কে ওই দিয়ে এ, দেখছ যন্ত্রটা বানানো আমার যে এই । ফেলেছি কষে আমি সমীকরণটা মূল তার, আর । কিনা বুঝলে, ফিল্ড একটি সময়”, বললেন ডেকে মেয়েকে তিনি একদিন ।

জোন্‌স্‌ প্রোফেসর আসছেন করে গবেষণা নিয়ে তত্ত্ব বিষয়ক সময় ধরে বছর পর বছরের ।


1722 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

শেয়ার করুন


মন্তব্যের পাতাগুলিঃ [1] [2]   এই পাতায় আছে 2 -- 21
Avatar: বিপ্লব রহমান

Re: অন্তিমে

সেরাম হইছে! 👍
Avatar: পাগলা দাশু

Re: অন্তিমে

দুর্দান্ত রচনা, দুর্দান্ত তার অনুবাদ। 👌
Avatar: dd

Re: অন্তিমে

বেশ বেশ
Avatar: Debasis Bhattacharya

Re: অন্তিমে

ধন্যবাদ সবাইকেই । আরও কয়েকটা করতে চাই, এই রকম আকারের ও মানের ইংরিজি গল্পের সন্ধান থাকলে জানাবেন প্লিজ ।
Avatar: pi

Re: অন্তিমে

আরে দারুণ কনসেপ্ট তো! অনুবাদও দারুণ!
Avatar: সমুদ্র সেনগুপ্ত

Re: অন্তিমে

ল্যাজে মোচড় না দিয়ে মোচড় টা একেবারে মধ্যিখানে। মোবিয়াস স্ট্রিপ বেয়ে কল্পনার হাঁটাহাঁটি করে এখন কোথায় দাঁড়িয়ে আছি নিজেই বুঝতে পারছি না। অনুবাদক কের অনবদ্য উপহারের জন্য ধন্যবাদ। গুরু তে একটা মাইলফলক অনুগল্প।
Avatar: Ishan

Re: অন্তিমে

এটা অনেক বেশি ইন্টারেস্টিং হতে পারত। দাঁড়ান।
Avatar: Ishan

Re: অন্তিমে

তিনি টিপলেন বোতাম। এবার হয় কী দেখ।
হবে?
হবেনা কেন? তিনি বললেন, আসলে সময় একটি ফিল্ড। বুঝলে কী তাহলে?
নতুন কী?
নতুন। হাসেন তিনি। ফিল্ড বদলায়, সময় বদলায়। এসবের সমীকরণ। জানা এখন শেষ। মাথা ঝাঁকান তিনি।
সব?
সমস্ত। ফিল্ড কাঁপানো। ফিল্ড ওল্টানো। সবকিছু জানা আমার।
কী ?
দেখাচ্ছি তো সব। দেখ।
থেমে গেলেন তিনি। উপরে যন্ত্র। তিনি নিচে। বোতাম টিপলেন তিনি। দেখ কী হয় এবার।

এবার হয় কী দেখ। তিনি টিপলেন বোতাম। নিচে তিনি। যন্ত্র উপরে। তিনি গেলেন থেমে।
দেখ। সব তো দেখাচ্ছি।
কী?
আমার জানা সবকিছু। ওল্টানো ফিল্ড। কাঁপানো ফিল্ড। সমস্ত।
সব?
তিনি ঝাঁকান মাথা। শেষ এখন জানা। সমীকরণ এসবের। বদলায় সময়, বদলায় ফিল্ড। তিনি হাসেন। নতুন।
কী নতুন?
তাহলে কী বুঝলে? ফিল্ড একটি সময় আসলে, বললেন তিনি। কেন হবেনা?
হবে?
দেখ কী হয় এবার। বোতাম টিপলেন তিনি।

তিনি টিপলেন বোতাম। এবার হয় কী দেখ।
হবে?
হবেনা কেন?
.....

(এইবার ঠিকঠাক বরহেসিয় হয়েছে :-) )
Avatar: T

Re: অন্তিমে

মাচ বেটার :)
Avatar: ন্যাড়া

Re: অন্তিমে

বাপ রে! কেয়া ইশটাইল। লিখতে নিশ্চয়ই খুব খাটুনি যায়। খাটুনি ও ইশটাইলে মুগ্ধ হয়েছি।
Avatar: একক

Re: অন্তিমে

খুবই লিটেরাল এপ্রোচ । পোশালোনা। মানে অনুবাদ নয় , মূল লেখাটা ই ।
Avatar: হ২র

Re: অন্তিমে

আমার বাপু টুকি এবং ঝা চমৎকার লেগেছিল।


https://www.ebanglalibrary.com/০১-টুকি-এবং-ঝা-দুজনকে-মিলি/
Avatar: Tim

Re: অন্তিমে

ভালো লাগলো অনুবাদ।
Avatar: lcm

Re: অন্তিমে

কিন্তু ব্যাদে সব আছে, অনু-পরমাণু সব গপ্পো আছে, এই যেমন একটা - -

রামরামরামরামরামরামরা
Avatar: Debasis Bhattacharya

Re: অন্তিমে

pi, ন্যাড়া এবং Tim --- আপনাদের উৎসাহ ও সমর্থন অনেকই ভরসা জোগাল ।

সমুদ্র সেনগুপ্ত --- মোবিয়াস স্ট্রিপ-এর প্রসঙ্গটা দারুণ এনেছেন, ব্যাপারটা ভাবাবে কিন্তু ।

Ishan --- আপনি একটি বিকল্প অনুবাদের খসড়া পেশ করেছেন, এবং তা সুখপাঠ্যও বটে । এ কষ্টস্বীকারের জন্য অশেষ ধন্যবাদ, ও থেকে অনেক কিছুই শেখার আছে আমার । এটি ঠিকঠাক বোর্হেসীয় হয়েছে কিনা, সেটা আমার অনতিযথেষ্ট বোর্হেস-পাঠ দিয়ে বিচার করে উঠতে পারিনি । কিন্তু, সেটা হোক বা না হোক, আমার প্রশ্ন, ব্রাউনকে বোর্হেসীয় আদৌ বানাতে হবে কেন ? আমি যতটুকু বুঝি, পো-মপাসাঁ-ডয়েল-ও হেনরি এঁরা ছোটগল্পের যে কাঠামোটা বানিয়ে দিয়ে গেছেন, তার মিনিম্যালিস্ট ব্যবহারের মধ্য দিয়ে ব্রাউন তাকে তার সম্ভাব্য আদর্শায়িত আকারের প্রায় শেষ সীমায় ঠেলে নিয়ে গেছেন, এবং সে এক্সপেরিমেন্টে কল্পবিজ্ঞান-থিম হয়ে উঠেছে তাঁর অন্যতম সেরা মাধ্যম (যদিও একমাত্র নয়) । কাজেই, আমার মতে, ব্রাউনকে অনুবাদ করতে গেলে সুখপাঠ্যতা ও যাথাযথ্যের দিকে যতটা নজর দিতে হবে, ঠিক ততটাই নজর দিতে হবে ব্রাউনের একান্ত নিজস্ব শৈল্পিক উদ্দেশ্য ও প্রক্রিয়ার দিকেও, অনুবাদে সংরক্ষিত থাকতে হবে সেটুকুও ।
Avatar: Debasis Bhattacharya

Re: অন্তিমে

T --- 'মাচ বেটার', কিন্তু কোনটা, মূল লেখা না অনুবাদ ? এবং, কীসের তুলনায় ?

একক --- অনুবাদে নয়, মূল গল্পেই 'লিটের‍্যাল অ্যাপ্রোচ' ? একটু বুঝিয়ে বলবেন প্লিজ ?

হ২র --- 'টুকি এবং ঝা'-এর গল্প ভাল লাগল, পড়া ছিল না । লিঙ্ক-টির জন্য ধন্যবাদ । তবে, সম্পাদনা ভাল নয় কিন্তু । যেখানে সেখানে দাঁড়ি কেন ?

lcm --- :-)
Avatar: হ২র

Re: অন্তিমে

হ্যাঁ, এই সাইটটাতে ওগুলো খুব গোলমেলে; এখানে অন্য অনেক বই পড়ে মনে হয় ওরা ওসিআর ব্যাবহার করে সোজা তুলে দেয়।
Avatar: ip

Re: অন্তিমে

আমি তো এমনিই প্যালিনড্রোমিক ছিলাম, র২হ র পদান্ক অনুসরণ করে প্যলিনড্রোমের প্যালিনড্রোম করে দিলাম।

দ, টি, খ, এস, দু র এসব সুযোগ নেই, হা হা হা। সিকি করলে অসইভ্য ব্যাপার হবে। টিমের টা ভাল হবে।
Avatar: Ishan

Re: অন্তিমে

আমার কথা বাদ দিন। আমি মোটে সয়েন্স ফিকশন পড়িনা। হাতে একটু সময় ছিল বলে ওটা লিখেছি। আপনি আপনার মতো লিখুন।
Avatar: Debasis Bhattacharya

Re: অন্তিমে

না Ishan, আপনার কথা মোটেই বাদ দিচ্ছি না । ব্রাউন-কে বোর্হেসীয় কায়দায় উপস্থাপিত করার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে হয়ত আপনার সাথে একমত হতে পারলাম না, কিন্তু বোর্হেস-কে পাশে রেখে কল্পবিজ্ঞান-পাঠ অনেক অন্তর্দৃষ্টি জোগাতে পারে বলে মনে হয় । বোর্হেস-এর গল্পে বৈজ্ঞানিক ও গাণিতিক অন্তর্বস্তু কম নেই । উড়ন্ত পাখিদের সংখ্যা বিষয়ক অনিশ্চয়তা থেকে ঈশ্বরের অস্তিত্ব নিরূপণ, চিতাবাঘের চামড়ার অদ্ভুত রঙিন নকশা যাকে গুপ্তমন্ত্র বলে মনে হয়, পাথরের অদ্ভুত নুড়ি যাদেরকে পাটিগণিত কষার কাজে ব্যবহার করা যায় না, ক্রমশ নিখুঁত ও বৃহৎ হতে হতে অকার্যকারিতার সীমানায় চলে যাওয়া মানচিত্র-নির্মাণ-প্রকৌশল, মাত্র একটি দিকেরই অস্তিত্ব আছে এইরকম দ্বিমাত্রিক চাকতি, মরুবাসী ক্ষুদ্র জনজাতি-গোষ্ঠীদের গুপ্ত ধর্মগ্রন্থ যাতে সসীম দুই মলাটের মাঝে ধরা আছে অসীম সংখ্যক পৃষ্ঠা --- এইসব অসাধারণ কনসেপ্ট-কে তিনি প্রায়শই পেশ করেছেন এক অদ্ভুত মিথিক্যাল-অকাল্টিক ফর্ম্যাটে । অপর দিকে, কল্পবিজ্ঞানের জনপ্রিয় দৃষ্টান্তগুলোতে প্রায়শই ঘটে ঠিক উল্টোটা --- মিথিক্যাল-অকাল্টিক থিম-কে পেশ করা হয় সায়েন্টিফিক ফর্ম্যাটে । যদিও একজন যুক্তিবাদী হিসেবে আমি এই ধরনের কল্পবিজ্ঞান মোটেই অনুবাদ করিনা, কিন্তু কেন এ রকম ঘটে তা নিয়ে তাত্ত্বিক চর্চা অতি জরুরি মনে করি ।

মন্তব্যের পাতাগুলিঃ [1] [2]   এই পাতায় আছে 2 -- 21


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন