Tapas Das RSS feed

Tapas Dasএর খেরোর খাতা।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
    ভারত আর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র - মিল কতটুকু?একটি দেশ যদি বিশ্বের সবচাইতে শক্তিশালী অর্থনীতি হয়, আরেকটির হাল বেশ নড়বড়ে - মানুষের হাতে কাজ নেই, আদ্ধেক মানুষের পেটে খাবার নেই, মাথার ওপরে ছাদ নেই, অসুস্থ হলে চিকিৎসার বন্দোবস্ত নেই। অবশ্য দুর্জনেরা বলেন, প্রথম ...
  • দক্ষিণের কড়চা
    গরু বাগদির মর্মরহস্য➡️মাঝে কেবল একটি একক বাঁশের সাঁকো। তার দোসর আরেকটি ধরার বাঁশ লম্বালম্বি। সাঁকোর নিচে অতিদূর জ্বরের মতো পাতলা একটি খাল নিজের গায়ে কচুরিপানার চাদর জড়িয়ে রুগ্ন বহুকাল। খালটি জলনিকাশির। ঘোর বর্ষায় ফুলে ফেঁপে ওঠে পচা লাশের মতো। যেহেতু এই ...
  • বাংলায় এনআরসি ?
    বাংলায় শেষমেস এনআরসি হবে, না হবে না, জানি না। তবে গ্রামের সাধারণ নিরক্ষর মানুষের মনে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়েছে। আজ ব্লক অফিসে গেছিলাম। দেখে তাজ্জব! এত এত মানু্ষের রেশন কার্ডে ভুল! কয়েকজনের সাথে কথা বলে জানলাম প্রায় সবার ভোটারেও ভুল। সব আইকার্ড নির্ভুল আছে এমন ...
  • যান্ত্রিক বিপিন
    (১)বিপিন বাবু সোদপুর থেকে ডি এন ৪৬ ধরবেন। প্রতিদিন’ই ধরেন। গত তিন-চার বছর ধরে এটাই বিপিন’বাবুর অফিস যাওয়ার রুট। হিতাচি এসি কোম্পানীর সিনিয়র টেকনিশিয়ন, বয়েস আটান্ন। এত বেশী বয়েসে বাড়ি বাড়ি ঘুরে এসি সার্ভিসিং করা, ইন্সটল করা একটু চাপ।ভুল বললাম, অনেকটাই চাপ। ...
  • কাইট রানার ও তার বাপের গল্প
    গত তিন বছর ধরে ছেলের খুব ঘুড়ি ওড়ানোর শখ। গত দুবার আমাকে দিয়ে ঘুড়ি লাটাই কিনিয়েছে কিন্তু ওড়াতে পারেনা - কায়দা করার আগেই ঘুড়ি ছিঁড়ে যায়। গত বছর আমাকে নিয়ে ছাদে গেছিল কিন্তু এই ব্যপারে আমিও তথৈবচ - ছোটবেলায় মাথায় ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছিল ঘুড়ি ওড়ানো "বদ ছেলে" দের ...
  • কুচু-মনা উপাখ্যান
    ১৯৮৩ সনের মাঝামাঝি অকস্মাৎ আমাদের বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ(ক) শ্রেণী দুই দলে বিভক্ত হইয়া গেল।এতদিন ক্লাসে নিরঙ্কুশ তথা একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করিয়া ছিল কুচু। কুচুর ভাল নাম কচ কুমার অধিকারী। সে ক্লাসে স্বীয় মহিমায় প্রভূত জনপ্রিয়তা অর্জন করিয়াছিল। একটি গান অবিকল ...
  • 'আইনি পথে' অর্জিত অধিকার হরণ
    ফ্যাসিস্ট শাসন কায়েম ও কর্পোরেট পুঁজির স্বার্থে, দীর্ঘসংগ্রামে অর্জিত অধিকার সমূহকে মোদী সরকার হরণ করছে— আলোচনা করলেন রতন গায়েন। দেশে নয়া উদারবাদী অর্থনীতি লাগু হওয়ার পর থেকেই দক্ষিণপন্থার সুদিন সূচিত হয়েছে। তথাপি ১৯৯০-২০১৪-র মধ্যবর্তী সময়ে ...
  • সম্পাদকীয়-- অর্থনৈতিক সংকটের স্বরূপ
    মোদীর সিংহগর্জন আর অর্থনৈতিক সংকটের তীব্রতাকে চাপা দিয়ে রাখতে পারছে না। অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন শেষ পর্যন্ত স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছেন যে ভারতের অর্থনীতি সংকটের সম্মুখীন হয়েছে। সংকট কতটা গভীর সেটা তার স্বীকারোক্তিতে ধরা পড়েনি। ধরা পড়েনি এই নির্মম ...
  • কাশ্মীরি পন্ডিত বিতাড়নঃ মিথ, ইতিহাস ও রাজনীতি
    কাশ্মীরে ডোগরা রাজত্ব প্রতিষ্ঠিত হবার পর তাদের আত্মীয় পরিজনেরা কাশ্মীর উপত্যকায় বসতি শুরু করে। কাশ্মীরি ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়ের মানুষেরাও ছিলেন। এরা শিক্ষিত উচ্চ মধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্ত শ্রেনি। দেশভাগের পরেও এদের ছেলেমেয়েরা স্কুল কলেজে পড়াশোনা করেছে। অন্যদিকে ...
  • নিকানো উঠোনে ঝরে রোদ
    "তেরশত নদী শুধায় আমাকে, কোথা থেকে তুমি এলে ?আমি তো এসেছি চর্যাপদের অক্ষরগুলো থেকে ..."সেই অক্ষরগুলোকে ধরার আরেকটা অক্ষম চেষ্টা, আমার নতুন লেখায় ... এক বন্ধু অনেকদিন আগে বলেছিলো, 'আঙ্গুলের গভীর বন্দর থেকে যে নৌকোগুলো ছাড়ে সেগুলো ঠিক-ই গন্তব্যে পৌঁছে যায়' ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

তাপস দাস

Tapas Das

নেহি তো হাম সরকার বদল দেঙ্গে-২
তাপস দাস

দিল্লি থেকে অাগ্রা যেতে চাইলে দুটো পথ। এক, নয়ডা টু অাগ্রা, যমুনা এক্সপ্রেস ওয়ে। ঝা চকচকে ডিজাইন ইন্ডিয়া। অন্য পথ চিরাচরিত ধ্যারধেরা খানাখন্দর জ্যামে কাহিল পুরনো পথ। যমুনা এক্সপ্রেস ওয়েতে চলতে গেলে অতিরিক্ত কড়ি গুনতে হবে। নো কড়ি, নো এন্ট্রি। মানে সবকা পথ নয়, সব কা বিকাশ নয়, কুছ কুছ লোগো কা বিকাশ । উদার অর্থনীতি, যার অাছে সে খাবে, যার নেই সে খাবে না ব্যাস। দেশ চুরি যাচ্ছে প্রতিদিন।

দিল্লি কিষান মজদুর জমায়েতে কত লোক হয়েছিল? পঞ্চাশ লক্ষ, দশ লক্ষ, পাঁচ লক্ষ? না। তবে সংখ্যাটা বধির সরকারের বুকে কাঁপন ধরাতে যথেষ্ট ছিল। লোহার শিক গরম করে সরকারের কানে ঢোকানোর জন্য যথেষ্ট ছিল। হাইরাইজ বিল্ডিং থেকে নীচের দিকে তাকাতে বাধ্য করার জন্য যথেষ্ট ছিল।

দক্ষিণপন্থী দল দেশের কৃষক শ্রমিকের স্বার্থে অান্দোলন করে না। সোজা কথা মুরোদ নেই। টিকি বাঁধা।
কেন রাজস্থানের বুন্দি জেলা থেকে মডুলাল, বরদি লাল এসেছিলেন? অারো অাশিজনকে সাথে নিয়ে। বরদিলাল বলেছেন, সংঘর্ষ, হক। নাসিকের ইপকস ইন্ডিয়া থেকে পাটিল জেডি, প্রণব পাটিল এসেছেন যেন কাজ না যায়, কাজ গেলে কেউ যেন লড়াইয়ে থাকে।
কেন কেন এই লোকগুলো বারবার বলে কমিউনিস্ট পার্টি সে জুড়ে হ্যায়। কই বিকল্প নেহি। কেন বৃষ্টির মধ্যে মাইকে ঘোষণার সাথে সাথে হাসতে হাসতে দঙ্গল দঙ্গল লোক মিছিল সাজায়?

এই যে বিহারের বেতিয়া জেলার গরহন রাম, জমিনের জন্য এসেছেন। অনেক করেও বলতে পারেননি রাজ্যের নাম। শেষে বলেছেন উ নিতিশুয়া? কুছ নাহি দিয়া। দেহাতি ভারতবর্ষ যেন অাশ্রয় প্রার্থী লাল ঝাণ্ডার কাছে। রুখা শুখা খেতি করা কৃষক যেন বলেছে তুমি ছাড়া পথ নেই। তুমি ছাড়া মুক্তি নেই। তাই "অামি উড়িতেছি লাল ঝাণ্ডায়। "
গরহন রাম জানেন না স্বামীনাথন কমিশনের নাম। গরহন রাম জানেন দাবীগুলো তারর জীবনের সাথে যুক্ত। তার পেটের জন্য, তার ঘরের জন্য, তার সুস্থ নীরোগ জীবনের জন্য। গরহন শুধু দাবী জানান। ঘর, খেতি, রোটি, মাকান। কেউ তার কথা পৌঁছে দিক অনেক উপরে, যেখানে শাসক থাকে।
রাম রাজ্যে গরহন রামের ছবি তুলেছি। যেন পাথর খোদাই করা। ভালো নেই তার পরিবার। গরহন রাম অামার কাছে ছবি চেয়েছেন। দেখতে চেয়েছেন কেমন দেখায় তাকে ডিজিটাল দুনিয়ায়। ঠিক মানুষের মত মনে হয় কিনা তাকে? গরহন রাম বুকের পাঁজর থেকে বের করেছেন চিরকুট। লেখা অাছে তার উত্তরাধিকারের নাম, নাম্বার। অামি গরহন রামকে সেভ করেছি। কথা দিয়েছি ছবি পাঠাবো। কিন্তু অামি ভুলে যাব ধিক ধিক করে জ্বলতে থাকা উনুনের অাগুন। চাল শূন্য হাড়ি, অনুর্বর ফসলহীন জমি।অামি কিছুতেই পাঠাবো না প্রায় মানুষের মত গরহন রামের ছবি।

অনেক দিন পরে, অ্যাকাডেমি কালচারের বাইরে, দেশের বামপন্থীরা সোজা সাপ্টা ভাষায়, মডু রামের ভাষায়, দেহাতি ভাষায় কথা বলছেন। তাদের কথা গরহন রাম বিশ্বাস করছেন, ভরসা রাখছেন। তাই লাল ঝাণ্ডার ভরসায় বেতিয়া থেকে দিল্লি দীর্ঘ পথ পাড়ি দেন। বামপন্থীরা অাবার বরদিরামের খৈলানে হাজির। বদরি রাম তাই বলেন হামারা পার্টি সংঘর্ষ জারি রাখে গা।

গরহন রামের ঠিকানায় একদিন চিঠি যাবে। বেতিয়ার নাম না জানা গ্রামে। গরহন হয়ত ততদিন থাকবেন না, কিন্তু চিঠি যাবে। এদেশের বামপন্থা, সোনালী দিনের ছবি, শোষণ মুক্ত ভারতের ছবি পাঠাবে তার কাছে।
দিল্লির জমায়েত সেই অাখর লিখতে অারম্ভ করেছে ৫ই সেপ্টেম্বর।

389 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

শেয়ার করুন


Avatar: দ

Re: তাপস দাস

আপনি না লেখার নামের জায়গায় নিজের নাম লিখছেন। কেমন অস্বস্তি হচ্ছে দেখতে। ব্লগ লিখছেন যখন, অলরেডি লগিন করেই আছেন, নিজের নাম আর আলাদা করে লেখার দরকার নেই। উপরে যে সরুমত ফাঁকা বক্সটা পাবেন ওখানেই লিখুন "নেহি তো হাম সরকার বদল দেঙ্গে-২" ইত্যাদি।

অভিজ্ঞাতা এবং লেখা যথারীতি দুর্দান্ত।
Avatar: বিপ্লব রহমান

Re: তাপস দাস

"হামারা পার্টি সংঘর্ষ জারি রাখে গা।"

পুরাই চাবুক! দাদা, পরের পর্বের অপেক্ষায়।

#

দাদা, লগিন করে লিখলে শুধু শিরোনাম ও টেক্সট (লেখা) দাও। নিজের নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে শিরোনামের নীচে প্রকাশিত হবে, আলাদা করে নাম লেখার দরকার নেই। চলুক।
Avatar: Prativa Sarker

Re: তাপস দাস

এই লেখাটা চলুক বেশ কয়েকটা কিস্তি।
Avatar: Arijit Guha

Re: তাপস দাস

অনেকদিন পর বামপন্থীদের নিয়ে স্বপ্ন দেখছি।হমারা লড়াই জারি রহেগা।চাবুক।
Avatar: Arijit Guha

Re: তাপস দাস

অনেকদিন পর বামপন্থীদের নিয়ে স্বপ্ন দেখছি।হমারা লড়াই জারি রহেগা।চাবুক।


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন