Sumit Roy RSS feed

Sumit Royএর খেরোর খাতা।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • সোনারপুরে সোনার মেলা
    শীত ভাল করে পড়তে না পড়তেই মেলার সীজন শুরু হয়ে গেছে। গুরু এবারে ওমনিপ্রেজেন্ট – গাদাগুচ্ছের মেলাতে অংশ নেবার মনস্থ করেছে। একেবারে সূচনাপর্বেই সোনারপুর মেলা – বোতীনবাবুর দৌলতে তার কথা এখন এখানে অনেকেই জানেন। তো সেই সোনারপুর বইমেলাকেই পদধূলি দিয়ে ধন্য করব ...
  • এন জি রোডের রামলাল-বাংগালি
    রামলাল রাস্তা পার হইতে যাইবেন, কিছু গেরুয়া ফেট্টি বাঁধা চ্যাংড়া যুবক মোড়ে বসিয়া তাস পিটাইতেছিল— অকস্মাৎ একজন তাহার পানে তাকাইল।  রামলাল সতর্ক হইলেন। হাত মুষ্টিবদ্ধ করিলেন, তুলিয়া, ক্ষীণকন্ঠে বলিলেন, 'জ্যায় শ্রীরাম।'পূর্বে ভুল হইত। অকস্মাৎ কেহ না কেহ পথের ...
  • কিউয়ি আর বাঙালী
    পৃথিবীতে ছোট বড় মিলিয়ে ২০০র' কাছাকাছি দেশ, তার প্রায় প্রতিটিতেই বাঙালীর পদধূলি পড়েছে। তবে নিউজিল্যাণ্ড নামে দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে একটি দ্বীপমালা আছে, সে দেশের সঙ্গে ভারতীয়দের তথা বাঙালীদের আশ্চর্য ও বিশেষ সব সম্পর্ক, অনেকে জানেন নিশ্চয়ই।সে সব সম্পর্কের ...
  • মহামহিম মোদী
    মহামহিম মোদী নিঃসন্দেহে ইতিহাসে নাম তুলে ফেলেছেন। আজ থেকে পাঁচশো বছর পরে, ইশকুল-বইয়ে নিশ্চয়ই লেখা হবে, ভারতবর্ষে এমন একজন মহাসম্রাট এসেছিলেন, যিনি কাশ্মীরে টিভি সম্প্রচার বন্ধ করে কাশ্মীরিদের উদ্দেশে টিভিতে ভাষণ দিতেন। যিনি উত্তর-পূর্ব ভারতে ইন্টারনেট ...
  • পার্টিশানের অজানা গল্প ১
    এই ঘোর অন্ধকার সময়ে আরেকবার ফিরে দেখি ১৯৪৭ এর রক্তমাখা দিনগুলোকে। সেই দিনগুলো পার করে যাঁরা বেঁচে আছেন এখনও তাঁদেরই একজনের গল্প রইল আজকে। পড়ুন, জানুন, নিজের দিকে তাকান...============...
  • কাশ্মীরের ইতিহাস : পালাবদলের ৭৫ বছর
    কাশ্মীরের ইতিহাস : পালাবদলের ৭৫ বছর - সৌভিক ঘোষালভারতভুক্তির আগে কাশ্মীর১ব্রিটিশরা যখন ভারত ছেড়ে চলে যাবে এই ব্যাপারটা নিশ্চিত হয়ে গেল, তখন দুটো প্রধান সমস্যা এসে দাঁড়ালো আমাদের স্বাধীনতার সামনে। একটি অবশ্যই দেশ ভাগ সংক্রান্ত। বহু আলাপ-আলোচনা, ...
  • গাম্বিয়া - মিয়ানমারঃ শুরু হল যুগান্তকারী মামলার শুনানি
    নেদারল্যান্ডের হেগ শহরে অবস্থিত আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস—আইসিজে) মিয়ানমারের বিরুদ্ধে করা গাম্বিয়ার মামলার শুনানি শুরু হয়েছে আজকে। শান্তি প্রাসাদে শান্তি আসবে কিনা তার আইনই লড়াই শুরু আজকে থেকে। নেদারল্যান্ডের হেগ শহরের পিস ...
  • রাতপরী (গল্প)
    ‘কপাল মানুষের সঙ্গে সঙ্গে যায়। পালানোর কি আর উপায় আছে!’- এই সপ্তাহে শরীর ‘খারাপ’ থাকার কথা। কিন্তু, কিছু টাকার খুবই দরকার। সকালে পেট-না-হওয়ার ওষুধ গিলে, সন্ধেয় লিপস্টিক পাউডার ডলে প্রস্তুত থাকলে কী হবে, খদ্দের এলে তো! রাত প্রায় একটা। এই গলির কার্যত কোনো ...
  • রাতপরী (গল্প)
    ‘কপাল মানুষের সঙ্গে সঙ্গে যায়। পালানোর কি আর উপায় আছে!’- এই সপ্তাহে শরীর ‘খারাপ’ থাকার কথা। কিন্তু, কিছু টাকার খুবই দরকার। সকালে পেট-না-হওয়ার ওষুধ গিলে, সন্ধেয় লিপস্টিক পাউডার ডলে প্রস্তুত থাকলে কী হবে, খদ্দের এলে তো! রাত প্রায় একটা। এই গলির কার্যত কোনো ...
  • বিনম্র শ্রদ্ধা অজয় রায়
    একুশে পদকপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক অজয় রায় (৮৪) আর নেই। সোমবার ( ৯ ডিসেম্বর) দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার একটি হাসপাতালে শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। অধ্যাপক অজয় দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত নানা অসুখে ভুগছিলেন।২০১৫ ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

জাস্ট ওয়ার্ল্ড হাইপোথিসিজ এবং বিশ্বকাপ জেতানো ফুটবলার

Sumit Roy

আমি খেলা-টেলা তেমন দেখি না, কিন্তু কাল বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে একটা লেখা আমার নজর কাড়ে। সেখানে প্রশ্ন করা হয়, মানুষ ফুটবলারদের বা অন্য কোন ক্রীড়াবিদদের বেলায় কাপ জেতাকেই এত বেশি মূল্য দেয় কেন? অন্যান্য জায়গায় খেলোয়াড়রা কতটা ভাল খেলছে, তার ওভারল পারফরমেন্স কেমন হচ্ছে সেদিকে তারা দেখছেই না... এমনটা হচ্ছে কেন?

মেসির কথাই ধরা যাক, দলকে বিশ্বকাপ জেতাতে পারছেন না বলে তাকে নিয়ে কতই না আলোচনা সমালোচনা চলছে, অথচ দলের বাইরে তার পারফরমেন্স প্রশ্নাতীত। এই তালিকায় পাওয়া যাবে ফুটবল গ্রেট ডি স্তেফানো, ইয়োহান ক্রুইফের মত নামও। এদিকে আরেকজন গ্রেট মারাদোনার কথাই দেখুন। একজন লিখেছেন, ম্যারাদোনা বিশ্বকাপ জিতেছেন বলে বিনা বাক্যেই তিনি সেরা। অথচ মেসি ১১৭ ম্যাচে মেসির গোল সংখ্যা ৬৪ যেখানে মারাদোনার ৯১ ম্যাচে গোলসংখ্যা ছিল ৩৪।

দেশের হয়ে মারাদোনার পারফরমেন্সের দিকে একটু নজর দেয়া যাক। কোপার ক্ষেত্রে মারাদোনা '৭৯ এ গ্রুপ লীগ থেকেই বিদায় '৮৩-তে চোটের জন্য খেলেননি, '৮৭-তে সেমিফাইনালে পরাস্ত। '৮৯তে - ফাইনালে পরাস্ত, '৯১তে- ড্রাগ খেয়ে ব্যান কিন্তু আর্জেন্টিনা চ্যাম্পিয়ন, '৯৩তে - কোচের সঙ্গে ঝামেলা করে খেলেননি এবং আর্জেন্টিনা আবার চ্যাম্পিয়ন।

এবার চলুন বিশ্বকাপে। '৮২তে তিনি মাথা গরম করে লালকার্ড পান আর আর্জেন্টিনা গ্রুপ লিগে বিদায়। '৮৬ তে দলকে চ্যাম্পিয়ন বানান, যার জন্য সবাই তাকে মনে রেখেছে, আর একজন অন্যতম ফুটবল গ্রেট হিসেবে দেখেব, '৯০তে আর্জেন্টিনা রানার্স আপ হয় কিন্তু তাতে মারাদোনার কোন গোল ছিল না, যুগোস্লাভিয়ায় টাইব্রেকারে গোল মিস করেন, আর গোলকিপার গোইকেচিয়ার দয়ায় সে যাত্রায় বেঁচে গিয়েছিলেন, সেটা না হলে এখন মেসির মতই গালাগাল শুনতে হত, '৯৪ তে - তদকালীন বিশ্বের অন্যতম সেরা টিমকে ডোপ করে ধরা পড়ে মনোবল ভেঙে দেন এবং টিম বিদায় নেয়... এই ছিল দলের হয়ে মারাদোনার ফুটবল জীবনের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস। কিন্তু তার এত ব্যর্থতাকে কেউই মনে রাখেনি, মনে রেখেছে কেবল তার বিশ্বকাপ জয়কে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে কেন এমনটা হয়?

শিরোনাম দেখেই বুঝতে পারছেন, এখানে জাস্ট ওয়ার্ল্ড হাইপোথিসিজ (Just-world hypothesis) বা ন্যায্য বিশ্ব অনুকল্প নামে একটা কনসেপ্ট নিয়ে লিখতে চাচ্ছিলাম। এটি একটি কগনিটিভ বায়াজ বা জ্ঞানীয় পক্ষপাত। এই পক্ষপাতের কারণে মানুষ অন্তর্নিহিতভাবেই তার জন্য নৈতিকভাবে ন্যায্য ফলাফল আশা করে, সে মনে করে যে পরিশেষে তার সমস্ত মহৎ কাজকেই পুরস্কৃত করা হবে, এবং সমস্ত অন্যায় কার্যের শাস্তি দেয়া হবে। এই অনুকল্পে ধরে নেয়া হয় যে কোন অতিপ্রাকৃতিক সত্তা রয়েছে যা সমাজের ভাল ও মন্দের মধ্যে একটি নৈতিক ভারসাম্য রক্ষা করে, যার কারণে কোন সৎ মানুষের সাথে অন্যায় কিছু ঘটে না, আর যদি ঘটেও থাকে তাহলে সেই সৎ ব্যক্তিকে ক্ষতিপূরণ দেয়া হয়, এবং অন্যায়কারীকে অবশ্যই শাস্তি দেয়া হয়। এই বিশ্বাসটি মানুষকে আধ্যাত্মিক বিচার, পরকাল ইত্যাদির দিকেও ধাবির করে, আর সেই সাথে এর কারণে মানুষের কুযুক্তি বা যৌক্তিক হেত্বাভাস গ্রহণ করার সম্ভাবনার সৃষ্টি হয়। এখানে সে মনে করে যে, তার সাথে খারাপ কিছু হয়েছে কারণ সে এটাই ডিজার্ভ করে।

এই কগনিটিভ বায়াজ নিয়ে মনোবিজ্ঞানী মেলভিন জে. লারনার গবেষণা করেছেন। লারনারের মনে প্রশ্ন তৈরি হয় যে, কোন রাজতন্ত্রের রাজা যদি নিষ্ঠুরভাবে তার প্রজাদেরকে অত্যাচার করত, এবং প্রজারা সেই কষ্ট সহ্য করত, তাহলে কেনই বা তারপরও রাজাদের প্রতি প্রজাদের জনসমর্থন বলবৎ থাকত? আর এই ভোগান্তিমূলক ও কষ্টদায়ী আইন ও রীতিকে কেন মানুষ সমাজস্বীকৃত প্রথা হিসেবেই মেনে নিত?

লারনার অনুসন্ধান করে বের করেন যে, মানুষের মধ্যে ভিক্টিম ব্লেমিং বা ভুক্তভোগীকেই দায়ী করার প্রবণতা কাজ করে। লারনার যখন মনোবিজ্ঞানী হবার ক্লিনিকাল ট্রেইনিং নিচ্ছিলেন তখন তিনি দেখেন, অনেক শিক্ষিত দয়ালু ব্যক্তিই রোগীদের ভোগান্তির জন্য সেই রোগীদেরকেই দায়ী করে। লারনার অবাক হয়ে দেখলেন যে, তার ছাত্র ছাত্রীরা গরীবদেরকে অপমান করছে, কারণ তারা মনে করছে যে তাদের এই দারিদ্র্যের জন্য তারাই দায়ী। তিনি তার একটি গবেষণায় দেখলেন, দুইজন মানুষের মধ্যে র‍্যান্ডমলি বা যাদৃচ্ছিকভাবে একজনকে বেছে নিয়ে তাকে পুরস্কৃত করলে, এই ঘটনার পর্যবেক্ষক বা অবজারভারগণ পুরস্কৃত ব্যক্তিকেই অধিকতর শ্রেয় হিসেবে মূল্যায়িত করেন, তাকেই বেশি ভাল মানুষ ভাবেন।

পূর্ববর্তী কোন সাইকোলজিকাল থিওরি যেমন কগনিটিভ ডিজোনেন্স বা অন্য কিছু এই ঘটনার ব্যাখ্যা দিতে পারে নি, আর তাই তিনি এর ব্যাখ্যার জন্য নতুন এক সাইকোলজিকাল ফেনোমেনার অস্তিত্ব আবিষ্কার করলেন। তিনি উত্তর পেলেন, কেন প্রজারা রাজার নিষ্ঠুরতাগুলো সহজেই মেনে নিত, নিত কারণ তারা মনে করত যাদেরকে অত্যাচার করা হয় তারাই তাদের দুর্ভাগ্যের জন্য দায়ী। একটি অতিপ্রাকৃত শক্তি সবসময় ভাল খারাপকে ব্যালেন্স করে, সবসময় অন্যায়কারীর অমঙ্গল করে ও ভাল মানুষকে পুরস্কৃত করে, মানুষের এইরকম পক্ষপাত তাদের ভিক্টিম ব্লেমিং এর দিকে নিয়ে গেছে। এজন্য তারা যারা সমাজের নিষ্ঠুরতার বলি হয়, অন্যায়ের স্বীকার হয়, তার দায় সেই ভুক্তভোগীদের উপরেই চাপায়। এজন্যই মানুষ ধর্ষণের জন্য ধর্ষিতাকে দায়ী করে। লারনার তার আবিষ্কৃত এই ফেনোমেনার নাম দিলেন জাস্ট ওয়ার্ল্ড হাইপোথিসিজ, বাংলায় “ন্যায্য বিশ্ব অনুকল্প”।


আবার আগের প্রশ্নে ফিরে যাই। কেন খেলোয়াড়রা কতটা ভাল খেলল তা নিয়ে মানুষ ভাবিত হয় না, কেবল কে দলকে বিশ্বকাপ জেতাচ্ছে, বিশ্বকাপ পাচ্ছে তা নিয়েই ভাবিত হয়? আর কেনইবা কেবল সেই বিশেষ খেলোয়াড়ই মানুষের কাছে এত মূল্যবান, অন্যান্যরা ভাল খেললেও মূল্যহীন? এই জাস্ট ওয়ার্ল্ড হাইপোথিসিজ নামক বায়াজের কারণেই মানুষ কেবল জয়ী খেলোয়াড়কেই সবচেয়ে ভালো খেলোয়াড় বলে মনে করে। আর মনে করে অন্যেরা তার মত এত ভাল না, ভাল হলে তো কাপ নিয়ে দেখাতোই। প্রকৃতি কি ভালো খেলোয়াড়দের সাথে ন্যায়বিচার না করে পারে? নিশ্চই ওদের মধ্যেই কোন দোষ আছে...

যাই হোক, বিশ্বকাপের মত একটি গ্লোবাল ফেনোমেনার ক্ষেত্রে এই ধরণের বায়াজ সমাজে কী প্রভাব ফেলবে সেটা একটা ভাল প্রশ্ন। দেখা গেছে মানুষের মধ্যে জাস্ট ওয়ার্ল্ড হাইপোথিসিজের মত বিভিন্ন কগনিটিভ বায়াজ তৈরিতে পরিবেশের একটা বড় ভূমিকা থাকে। আশেপাশের মানুষ কীভাবে চিন্তা করছে, সবাই কিভাবে চিন্তা করছে তা একজনের চিন্তা করার ধরণকে প্রভাবিত করে। শিশুদের ক্ষেত্রে এর প্রভাব আরও বেশি। এই বিশ্বকাপের দরুন মানুষের এই ব্যক্তিগত চিন্তা পরিণত হচ্ছে সমাজ চিন্তায়। তাই হয়তো অনেকের মাঝে থাকা এই বায়াজটি প্রভাবিত করছে তাদেরকে যারা এভাবে কখনও ভাবেনি, হয়তো এটা শিশুদের মধ্যেও এই বায়াজের বিকাশ ঘটাতে সাহায্য করে, একই সাথে হয়তো এর জন্য বাড়ছে মানুষের ন্যায্য বিশ্বের প্রতি অবাস্তব ভরসা, বাড়ছে ভিক্টিম ব্লেমিং এর প্রবণতা।

391 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

শেয়ার করুন


Avatar: কল্লোল

Re: জাস্ট ওয়ার্ল্ড হাইপোথিসিজ এবং বিশ্বকাপ জেতানো ফুটবলার

বিশ্বকাপ পাননি পুসকাস। বিশ্বকাপ খেলতেই পারেন নি ডি স্তিফানো আর জর্জ বেস্ট। বিশ্বকাপ পাননি, ক্রয়েফ, গুলিট, জিকো, সোক্রেটিস। নেইমার, মেসি, রোনল্ডো পাবেন কি পাবেন না, সেটা ভবিষ্যতের গর্ভে।
মেসি ভালো, কিন্তু সত্যি কথা বলতে কি মারাদোনা নন, যিনি একাই বিশ্বকাপ এনে দেবেন। তবু মারাদোনার পাশে বুরুচাগা, ক্যানিজিয়ারা ছিলো, মেসির পাশে কে?
পর্তুগাল বা ব্রাজিল দল হিসাবে অর্জেন্টিনার চেয়ে ভালো খেলছে।
তবে এবার বোধহয় ইউরোপেই যাবে কাপ।
স্পেন, জার্মানি, পর্তুগাল, বেলজিয়াম - যে কেউ পেতে পারে।

Avatar: +

Re: জাস্ট ওয়ার্ল্ড হাইপোথিসিজ এবং বিশ্বকাপ জেতানো ফুটবলার

মেসি-দি'স্তাফানোর মাঝে দুম করে ক্রুয়েফকে ঢুকিয়ে দিলেন স্যার? এরা কি এক হল? ক্রুয়েফ একটা অন্য ব্যাপার।

না জিতলে কেউ মনে রাখেনা টাইপ কথাবার্তা ভুলভাল। সাইকোলজির জ্ঞান কম তা'বলে "কেন খেলোয়াড়রা কতটা ভাল খেলল তা নিয়ে মানুষ ভাবিত হয় না, কেবল কে দলকে বিশ্বকাপ জেতাচ্ছে, বিশ্বকাপ পাচ্ছে তা নিয়েই ভাবিত হয়?" ধুর মশাই!!

সক্রেটিস, জিকো, গুলিট এদের লোকে মনে রাখেনি? আমি তো এদের খেলা লাইভ দেখিনি, কিন্তু জানি কি করে? বেস্ট-ডাগলিস এরা? দেশের হয়ে তো কিছুই করেননি, যা করেচেন ক্লাবের হয়ে, যেটা ভারতে বসে অন্তত কেউ দেখেনি। রিকলমে-হাজি-স্তৈচকভদের লোক কেন মনে রেখেছে? আজকাল কাগজে মেসি-রোনাল্ডো করে নাচার মানে এই নয় যে লোকে অন্যদের মনে রাখেনা।

"অথচ মেসি ১১৭ ম্যাচে মেসির গোল সংখ্যা ৬৪ যেখানে মারাদোনার ৯১ ম্যাচে গোলসংখ্যা ছিল ৩৪।"
এবার বোকা বোকা কথা হয়ে গেল। আমি তাইলে সুনীল ছেত্রীর গোলের হিসেব দিই??
Avatar: Sumit Roy

Re: জাস্ট ওয়ার্ল্ড হাইপোথিসিজ এবং বিশ্বকাপ জেতানো ফুটবলার

আপনার চিন্তাগুলো মেজোরিটির চিন্তাকে রিপ্রেজেন্ট করে তা আমার মনে হয় না। আমার অভিজ্ঞতা তাই বলে। আপনি নিশ্চিত যে আপনার চারপাশের মানুষেরা সবাই এভাবেই ভাবে? তাদের মধ্যে এরকম বায়াজ নেই?
Avatar: Atoz

Re: জাস্ট ওয়ার্ল্ড হাইপোথিসিজ এবং বিশ্বকাপ জেতানো ফুটবলার

বায়াসকে বায়াজ বলেন কেন?
Avatar: SM

Re: জাস্ট ওয়ার্ল্ড হাইপোথিসিজ এবং বিশ্বকাপ জেতানো ফুটবলার

ফালতু লেখা। ফুটবল যখন খেলেন না তখন তাই নিয়ে উল্টো পাল্টা লেখার কি দরকার
Avatar: sm

Re: জাস্ট ওয়ার্ল্ড হাইপোথিসিজ এবং বিশ্বকাপ জেতানো ফুটবলার

এ কোন SM। এটা আমি sm নয়।
Avatar: netai

Re: জাস্ট ওয়ার্ল্ড হাইপোথিসিজ এবং বিশ্বকাপ জেতানো ফুটবলার

শিলাচিকে লোকে মনে রাখেনি কেন। রোমারিওকে লোকে ম্যারাদোনার সমকক্ষ বলে কেউ দাবী করেনা কেন। জাস্ট ওয়ার্ল্ড হাইপোথিসিজ কী বলে।

কোন খেলোয়াড়রা কতটা ভাল খেলল কীভাবে বুঝবো।গোলসংখ্যা? ওদিকে নেভিল কার্ডাস আবার বলে গেছেন স্কোরবোর্ড গাধা। আসলে কি উনিই তাই?
Avatar: +

Re: জাস্ট ওয়ার্ল্ড হাইপোথিসিজ এবং বিশ্বকাপ জেতানো ফুটবলার

@Comment from Sumit Roy on 27 June 2018 02:32:46 IST 340112.244.3412.59 (*) #

মেজরিটি বলতে কাকে বলতে চাইছেন? ফেসবুক ফাটানো লোকজন, ৪বছর অন্তর খেলা দেখা লোকজন, রেগুলার খেলা দেখা লোকজন? প্রথমটা বাদে সবাই বোধহয় আমার সাথে একমত হবে।

এসব বাদ দিয়ে আপনি জার্মানীর খেলার একটা অ্যানালিসিস নামান
Avatar: দ

Re: জাস্ট ওয়ার্ল্ড হাইপোথিসিজ এবং বিশ্বকাপ জেতানো ফুটবলার

Avatar: T

Re: জাস্ট ওয়ার্ল্ড হাইপোথিসিজ এবং বিশ্বকাপ জেতানো ফুটবলার

:)) ঠিকই লিখেছে। এদিকে সুযোগ পেলেই মেশিন লার্ণিং এ পন্ডিতি ফলানোর সুযোগ কে আর ছাড়তে চায়। হ্যা হ্যা। ইন্টেলিজেন্ট ইডিয়ট অ্যালগোরিদমের জয় হোক। ;)
Avatar: Sumit Roy

Re: জাস্ট ওয়ার্ল্ড হাইপোথিসিজ এবং বিশ্বকাপ জেতানো ফুটবলার

চার বছর অন্তর ফুটবল খেলা দেখা সবাই আপনার সাথে একমত হবেন বলে মনে হয়না। এদের একটা বড় অংশকে উপরে বর্ণিত বায়াস থেকে সিদ্ধান্ত নিতে দেখেছি। তা নিক, সেটা সমস্যার না। আমার আশঙ্কা এই বায়াস প্রমোশনের এফেক্ট নিয়েই। সমাজের অন্যান্য ক্ষেত্রে এর কী ফল হচ্ছে তা নিয়ে।


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন