Debashish Bhattacharya RSS feed

Debashish Bhattacharyaএর খেরোর খাতা।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • কাশ্মীরের ইতিহাস : পালাবদলের ৭৫ বছর
    কাশ্মীরের ইতিহাস : পালাবদলের ৭৫ বছর - সৌভিক ঘোষালভারতভুক্তির আগে কাশ্মীর১ব্রিটিশরা যখন ভারত ছেড়ে চলে যাবে এই ব্যাপারটা নিশ্চিত হয়ে গেল, তখন দুটো প্রধান সমস্যা এসে দাঁড়ালো আমাদের স্বাধীনতার সামনে। একটি অবশ্যই দেশ ভাগ সংক্রান্ত। বহু আলাপ-আলোচনা, ...
  • গাম্বিয়া - মিয়ানমারঃ শুরু হল যুগান্তকারী মামলার শুনানি
    নেদারল্যান্ডের হেগ শহরে অবস্থিত আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস—আইসিজে) মিয়ানমারের বিরুদ্ধে করা গাম্বিয়ার মামলার শুনানি শুরু হয়েছে আজকে। শান্তি প্রাসাদে শান্তি আসবে কিনা তার আইনই লড়াই শুরু আজকে থেকে। নেদারল্যান্ডের হেগ শহরের পিস ...
  • রাতপরী (গল্প)
    ‘কপাল মানুষের সঙ্গে সঙ্গে যায়। পালানোর কি আর উপায় আছে!’- এই সপ্তাহে শরীর ‘খারাপ’ থাকার কথা। কিন্তু, কিছু টাকার খুবই দরকার। সকালে পেট-না-হওয়ার ওষুধ গিলে, সন্ধেয় লিপস্টিক পাউডার ডলে প্রস্তুত থাকলে কী হবে, খদ্দের এলে তো! রাত প্রায় একটা। এই গলির কার্যত কোনো ...
  • রাতপরী (গল্প)
    ‘কপাল মানুষের সঙ্গে সঙ্গে যায়। পালানোর কি আর উপায় আছে!’- এই সপ্তাহে শরীর ‘খারাপ’ থাকার কথা। কিন্তু, কিছু টাকার খুবই দরকার। সকালে পেট-না-হওয়ার ওষুধ গিলে, সন্ধেয় লিপস্টিক পাউডার ডলে প্রস্তুত থাকলে কী হবে, খদ্দের এলে তো! রাত প্রায় একটা। এই গলির কার্যত কোনো ...
  • বিনম্র শ্রদ্ধা অজয় রায়
    একুশে পদকপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক অজয় রায় (৮৪) আর নেই। সোমবার ( ৯ ডিসেম্বর) দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার একটি হাসপাতালে শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। অধ্যাপক অজয় দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত নানা অসুখে ভুগছিলেন।২০১৫ ...
  • আমাদের চমৎকার বড়দা প্রসঙ্গে
    ইয়ে, স-অ-অ-অ-ব দেখছে। বড়দা সব দেখছে। বড়দা স্রেফ দেখেনি ওইখানে এক দিন রাম জন্মালেন, তার পর কারা বিদেশ থেকে এসে যেন ভেঙেটেঙে মসজিদ স্থাপন করল, কেন না বড়দা তখন ঘুমোচ্ছিলেন। ঘুম ভাঙল যখন, চোখ কচলেটচলে দেখলেন মস্ত ব্যাপার এ, বড়দা বললেন, ভেঙে ফেলো মসজিদ, জমি ...
  • ধর্ষকের মৃত্যুদন্ড দিলেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে ?
    যেকোন নারকীয় ধর্ষণের ঘটনা সংবাদ মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়ে সামনে আসার পর নাগরিক হিসাবে আমাদের একটা ঈমানি দায়িত্ব থাকে। দায়িত্বটা হল অভিযুক্ত ধর্ষকের কঠোরতম শাস্তির দাবি করা। কঠোরতম শাস্তি বলতে কারোর কাছে মৃত্যুদন্ড। কেউ একটু এগিয়ে ধর্ষকের পুরুষাঙ্গ কেটে নেওয়ার ...
  • তোমার পূজার ছলে
    বাঙালি মধ্যবিত্তের মার্জিত ও পরিশীলিত হাবভাব দেখতে বেশ লাগে। অপসংস্কৃতি নিয়ে বাঙালি চিরকাল ওয়াকিবহাল ছিল। আজও আছে। বেশ লাগে। কিন্তু, বুকে হাত দিয়ে বলুন, আপনার প্রবল ক্ষোভ ও অপমানে আপনার কি খুব পরিশীলিত, গঙ্গাজলে ধোওয়া আদ্যন্ত সাত্ত্বিক শব্দ মনে পড়ে? না ...
  • The Irishman
    দা আইরিশম্যান। সিনেমা প্রেমীদের জন্য মার্টিন স্করসিসের নতুন বিস্ময়। ট্যাক্সি ড্রাইভার, গুডফেলাস, ক্যাসিনো, গ্যাংস অব নিউইয়র্ক, দা অ্যাভিয়েটর, দ্য ডিপার্টেড, শাটার আইল্যান্ড, দ্য উল্ফ অব ওয়াল স্ট্রিট, সাইলেন্টের পরের জায়গা দা আইরিশম্যান। বর্তমান সময়ের ...
  • তোকে আমরা কী দিইনি?
    পূর্ণেন্দু পত্রী মশাই মার্জনা করবেন -********তোকে আমরা কী দিইনি নরেন?আগুন জ্বালিয়ে হোলি খেলবি বলে আমরা তোকে দিয়েছি এক ট্রেন ভর্তি করসেবক। দেদার মুসলমান মারবি বলে তুলে দিয়েছি পুরো গুজরাট। তোর রাজধর্ম পালন করতে ইচ্ছে করে বলে পাঠিয়ে দিয়েছি স্বয়ং আদবানীজীকে, ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

আমরা কিরকম করে বেঁচে আছি

Debashish Bhattacharya

বেশ কিছুদিন হল আমাদের বাঙ্গালিদের মূত্ররোগ ধরা পড়েছে। কিন্তু কন্ট্রোল নহি হোতা গোছের ব্যাপার আর কি। বাঙ্গালি বলতে এখানে আমি বাঙ্গালি পুরুষদের কথাই বলছি। কলকাতার যে কোনও রাস্তায় দিন বা রাতের যে কোনও সময়ে তাকাবেন দেখবেন critical ও strategic মোড়ে মোড়ে দাঁড়িয়ে নিজেকে মুক্ত করছে মূত্ররোগীরা, সব বয়সের পুরুষ ভদ্র অভদ্র চাকুরে ফুটপাথবাসী খুচরো ভেন্ডার থেকে মায় পুলিশ সিপাহী সব্বাই। আমার ছেলেবেলায় এসব মফস্বল বা পাড়াগাঁয় হত, শহরে খুব নির্জন গলি বা বেশি রাত দুপুরে কেউ দাগ রেখে যেত কিন্তু যখন তখন যেখানে সেখানে এরকম হতে দেখিনি। এই কর্মটি আইন শৃঙ্খলার রক্ষকদের পুঁথিতে minor offence এর জন্য পুলিশ ধরার কথা ও জরিমানা আদায়ের কথা কিন্তু পুলিশ তার পুঁথি খুব একটা খোলে বলে আমাদের মনে হয় না। বিশেষত যখন পুলিশের লোকেরাই বহুমূত্রে ভোগে।

আশ্চর্য এই যে ট্র্যাফিক আরক্ষা মায়ের মমতায় লক্ষ্য করে কে গাড়ির মধ্যে সিট বেল্ট লাগিয়েছে না লাগায় নি, কে স্পিড লিমিট পেরিয়ে গেল কে গেল না, কে মোবাইল কানে দিয়ে গাড়ি হাঁকাচ্ছে, কে কতটুকু চুলচেরা নিয়ম ভঙ্গ করে ফেলল, এর জন্য সঙ্গে সঙ্গে কেস খেতে হয় সাধারণ মানুষকে, হয় আইনের পথে নয়তো পুলিশ কর্মচারীর সঙ্গে রফা করে। কিন্তু রাস্তায় চারদিকে বাড়ি অন্য মানুষ বিশেষ করে মহিলাদের মধ্যে দাঁড়িয়ে মুক্ত হলেও তার কোনও ব্যবস্থা নেই। সাইকেলে আলো বা ঘণ্টি না থাকলে পুলিশ ধরে, ঠেলাগাড়ি ভ্যান গাড়ি ট্রাক লরি পুলিশের সবিশেষ শাসন ও আদায় উসুলের উৎস কিন্তু উন্মুক্ত জায়গায় প্রস্রাব করার কোনও শাস্তি বা নিদান নেই।

সম্ভবত আমরা রামমোহন রবীন্দ্রনাথ বিবেকানন্দ সুভাষ বোসের স্বজাতি বলে নিজেদের মনে করি না। আমি আমার পাড়ায় বা অন্যত্র কোথাও কোনও মানুষকে এগিয়ে এসে এর প্রতিবাদ করতে দেখি নি।

এই প্রসঙ্গে আরও দু চারটি interesting বিষয়ের কথা বলতে ইচ্ছে করে। ইদানীং প্রাইভেট গাড়িতে পুলিশ উকিল ব্যবাসায়ী লেখা থাকে। আমাদের ছোটবেলা ডাক্তারের গাড়ি ও প্রেসের গাড়ি প্রাইভেট হলেও বিশেষ বিবেচিত হত। কিন্তু একজন পুলিশ অফিসার তার ব্যক্তিগত গাড়িতে পুলিশ লিখবে কেন? পুলিশের সরকারী গাড়ি ও ব্যক্তিগত গাড়ি এই দুইয়ে কোনও প্রভেদ কেন মুছে যাচ্ছে? ব্যক্তিগত সুবিধার জন্য?

চারিদিকে ঝাঁ চকচকে রাস্তা সেতু প্রচুর আলো নিঃসন্দেহে প্রশংসার যোগ্য কিন্তু প্রত্যেকটি নাগরিক বাতিদানে একটির জায়গায় তিনটি করে আলো কেন? এতে করে সরকারী অর্থ ও মহার্ঘ্য বিদ্যুতের অকারণ অপচয় হয় না?

একটু দাঁড়ান, এর মধ্যে তৃনমূল সি পি এম বি জে পি আনবেন না। বাম জমানার শেষ দিকে একটানা প্রায় এক থেকে দেড় বছর ধরে পার্ক স্ট্রীটে একটি hoarding দেখতাম একাধিক ভুল বানান নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে, hoardingটি দেয়া হয়েছিল তথ্য সংস্কৃতি দপ্তর থেকে, মন্ত্রী ছিলেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী যিনি কবি ও সংস্কৃতিবান বলে খ্যাত ছিলেন। সবচেয়ে আশ্চর্য তৎকালীন সরকারের আমলা মন্ত্রীদের কেউ বা বন্ধু বুদ্ধিজীবী কবি সাহিত্যিকের একজনেরও এই দৃষ্টিকটু ভ্রান্তি নজর পড়ে নি, অথবা তাঁরা এসবের পরোয়া করতেন না, এইসব ভুলের সংশোধন প্রয়োজন বলে মনে করতেন না।

তাহলে সমস্যাটা আসলে কি? আমরা কি গুণগত মান ও চরিত্রের দিক দিয়ে সত্যিই এক ব্যাপক বহুমূত্র রোগের শিকার?

247 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

শেয়ার করুন


Avatar: বিপ্লব রহমান

Re: আমরা কিরকম করে বেঁচে আছি

এইসব নগর বিড়ম্বনা অপরিকল্পিত নগরায়নের বাই প্রডাক্ট মাত্র। এপারে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ বড় বড় শহরগুলোও এর শিকার।

কোটি কোটি টাকার উড়াল সড়কের নীচে ছিন্নমূল মানুষের সংসার, মাছের বাজার, নানান রকম খুচরো দোকান, এমন কি পুরুষের ভারমুক্ত হওয়ার জন্য ছালাঘেরা বন্দোবস্ত সত্যিই নগর পরিকল্পকরা বোধহয় দেখেন না!

অবশ্য এখন ঢাকায় কয়েকটি পয়েন্টে পরিচ্ছন্ন পাবলিক টয়লেট, মোবাইল টয়লেট ইত্যাদি হয়েছে, কিন্তু প্রয়োজনের তুলনায় তা কিছুই নয়।

অধিকাংশ পুরুষ দিনমজুর ও পথচারী এখনো মূত্রত্যাগ করেন নর্দমা ঘেঁষে অনেকটা প্রকাশ্যে, এই নোটে যেমন বলা আছে!
Avatar: রুদ্র প্রসাদ বালা

Re: আমরা কিরকম করে বেঁচে আছি

লেখাটা পড়ে ভালো লাগলো


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন