রুকু RSS feed

"নই ঘোড়া, নই হাতি, নই সাপ বিচ্ছু মৌমাছি প্রজাপতি নই আমি কিচ্ছু । মাছ ব্যাং গাছপাতা জলমাটি ঢেউ নই, নই জুতা নই ছাতা, আমি তবে কেউ নই !"

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • আমাদের চমৎকার বড়দা প্রসঙ্গে
    ইয়ে, স-অ-অ-অ-ব দেখছে। বড়দা সব দেখছে। বড়দা স্রেফ দেখেনি ওইখানে এক দিন রাম জন্মালেন, তার পর কারা বিদেশ থেকে এসে যেন ভেঙেটেঙে মসজিদ স্থাপন করল, কেন না বড়দা তখন ঘুমোচ্ছিলেন। ঘুম ভাঙল যখন, চোখ কচলেটচলে দেখলেন মস্ত ব্যাপার এ, বড়দা বললেন, ভেঙে ফেলো মসজিদ, জমি ...
  • ধর্ষকের মৃত্যুদন্ড দিলেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে ?
    যেকোন নারকীয় ধর্ষণের ঘটনা সংবাদ মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়ে সামনে আসার পর নাগরিক হিসাবে আমাদের একটা ঈমানি দায়িত্ব থাকে। দায়িত্বটা হল অভিযুক্ত ধর্ষকের কঠোরতম শাস্তির দাবি করা। কঠোরতম শাস্তি বলতে কারোর কাছে মৃত্যুদন্ড। কেউ একটু এগিয়ে ধর্ষকের পুরুষাঙ্গ কেটে নেওয়ার ...
  • তোমার পূজার ছলে
    বাঙালি মধ্যবিত্তের মার্জিত ও পরিশীলিত হাবভাব দেখতে বেশ লাগে। অপসংস্কৃতি নিয়ে বাঙালি চিরকাল ওয়াকিবহাল ছিল। আজও আছে। বেশ লাগে। কিন্তু, বুকে হাত দিয়ে বলুন, আপনার প্রবল ক্ষোভ ও অপমানে আপনার কি খুব পরিশীলিত, গঙ্গাজলে ধোওয়া আদ্যন্ত সাত্ত্বিক শব্দ মনে পড়ে? না ...
  • The Irishman
    দা আইরিশম্যান। সিনেমা প্রেমীদের জন্য মার্টিন স্করসিসের নতুন বিস্ময়। ট্যাক্সি ড্রাইভার, গুডফেলাস, ক্যাসিনো, গ্যাংস অব নিউইয়র্ক, দা অ্যাভিয়েটর, দ্য ডিপার্টেড, শাটার আইল্যান্ড, দ্য উল্ফ অব ওয়াল স্ট্রিট, সাইলেন্টের পরের জায়গা দা আইরিশম্যান। বর্তমান সময়ের ...
  • তোকে আমরা কী দিইনি?
    পূর্ণেন্দু পত্রী মশাই মার্জনা করবেন -********তোকে আমরা কী দিইনি নরেন?আগুন জ্বালিয়ে হোলি খেলবি বলে আমরা তোকে দিয়েছি এক ট্রেন ভর্তি করসেবক। দেদার মুসলমান মারবি বলে তুলে দিয়েছি পুরো গুজরাট। তোর রাজধর্ম পালন করতে ইচ্ছে করে বলে পাঠিয়ে দিয়েছি স্বয়ং আদবানীজীকে, ...
  • ইশকুল ও আর্কাদি গাইদার
    "জাহাজ আসে, বলে, ধন্যি খোকা !বিমান আসে, বলে, ধন্যি খোকা !এঞ্জিনও যায়, ধন্যি তোরে খোকা !আসে তরুণ পাইওনিয়র,সেলাম তোরে খোকা !"আরজামাস বলে একটা শহর ছিল। ছোট্ট শহর, অনেক দূরের, অন্য মহাদেশে। অনেক ছোটবেলায় চিনে ফেলেছিলাম। ভৌগোলিক দূরত্ব টের পাইনি।টের পেতে দেননি ...
  • ছন্দহীন কবিতা
    একদিন দুঃসাহসের পাখায় ভর করে,ছুঁতে চেয়েছিলাম কবিতার শরীর ।দ্বিখন্ডিত বাংলার মত কবিতা হয়ে উঠলোছন্দহীন ।অর্থহীন যাত্রার “কা কা” চিৎকারে,ছুটে এলোপ্রতিবাদী পাঠক।ছন্দভঙ্গের নায়কডানা ভেঙ্গে পড়িপুঁথি পুস্তকের এক দোকানে।আলোক প্রাপ্তির প্রত্যাশায়,যোগ ধ্যানে কেটে ...
  • হ্যালোউইনের ভূত
    হ্যালোউইন চলে গেল। আমাদের বাড়িতে হ্যালোউইনের রীতি হল মেয়েরা বন্ধুদের সঙ্গে ট্রিক-অর-ট্রিট করতে বেরোয় দল বেঁধে। পেছনে পেছনে চলে মায়েদের দল। আর আমি বাড়িতে থাকি ক্যান্ডি বিতরণ করব বলে। মুহূর্মুহূ কলিং বেল বাজে, আমি হাসি-হাসি মুখে ক্যান্ডির গামলা নিয়ে দরজা ...
  • হয়নি
    তুমি ভালবাসতে চেয়েছিলে।আমিও ।হয়নি।তুমিঅনেক দূর অব্দি চলে এসেছিলে।আমিও ।হয়নি আর পথ চলা।তুমি ফিরে গেলে,জানালে,ভালবাসতে চেয়েছিলেহয়নি। আমি জানলামচেয়ে পাইনি।হয়নি।জলভেজা চোখে ভেসে গেলআমাদের অতীত।স্মিত হেসে সামনে এসে দাঁড়ালোপথদুজনার দু টি পথ।সেপ্টেম্বর ২২, ...
  • তিরাশির শীত
    ১৯৮৩ র শীতে লয়েডের ওয়েস্টইন্ডিজ ভারতে সফর করতে এলো। সেই সময়কার আমাদের মফস্বলের সেই শীতঋতু, তাজা খেজুর রস ও রকমারি টোপা কুলে আয়োজিত, রঙিন কমলালেবু-সুরভিত, কিছু অন্যরকম ছিলো। এত শীত, এত শীত সেই অধুনাবিস্মৃত কালে, কুয়াশাআচ্ছন্ন পুকুরের লেগে থাকা হিমে মাছ ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

আমি নস্টালজিয়া ফিরি করি

রুকু

The long narrow ramblings completely bewitch me....

The silently chaotic past casts the spell...

অতীত থমকে আছে;দেওয়ালে জমে আছে পলেস্তারার মত;অথবা জানলার শার্শিতে নিজের ছায়া রেখে গিয়েছে।
এক পা দু পা এগিয়ে যাওয়া আসলে অতীত পর্যটন, সমস্ত জায়গার বর্তমান মলাট এক ঝটকায় খুলে ফেললে এখনো খড়খড়ির ফাঁকে টেক্কা প্যাটার্নের নাকছাবি ঝকঝক করে ওঠে;কিংবা বারান্দা থেকে ঘরে যাওয়ার সময় আঁচলের চাবিতে মৃদু শব্দ হয়।
টাইম ওয়ার্প ঘটে যাওয়া দুপুরগুলোয় এই অতীত পর্যটনের নেশায় হাঁটতে হাঁটতে সে পৌঁছে যায় কলকাতা উত্তর, যেখানে সময় সেপিয়া কালারে থমকে থাকে... গহন বন ... গহিন নদী ... নলীন দীঘি ... নলেন গুড় ...
গুপি চলল বহুউউউ দূর ...

দু হাত বাড়িয়ে নিজের মধ্যে টেনে নেয় একটা বাড়ির দেওয়াল, আধখোলা ঝুরঝুরে জানলা,পুরোনো কড়িকাঠে পায়রার ডানার ঝটপটানি অথবা বারান্দা থেকে ঝুঁকে থাকা ঘোলাটে চশমার বয়স্ক মুখ। দিন যায় গো দিন যায়, অপেক্ষাই সার।

এবাড়ি থেকে ওবাড়ির উঁকি মারা দূরত্ব, ঘরের মধ্যে থেকে ভেসে আসা রেডিওর গান,সদ্য ফোটা ভাতের গন্ধ,তেলে ফোড়নের ঝাঁঝে মাখামাখি অতীত ঘেঁষা মধ্যবিত্ত সরু গলিগুলো ভীষণ নিস্তেজ করে দেয়;মুনলাইট সোনাটার রিনরিনে স্থবিরতা ছড়িয়ে যায় কোষে। নাগরিক চেতনায় সিঞ্চিত হয় তার মধ্যবিত্ত মননের শিকড়, যার কোনো এক অভিঘাতে কখনো উৎপাটিত হয়ে শহর কলকাতার হৃদয় ছেড়ে সরে যেতে হয়েছিলো দূরে, সরে যেতে হয় বহুদূরে। এও দেশভাগের যন্ত্রণার সমতুল্য...
তাই বারে বারে ফিরে আসার ইচ্ছেটাও জিইয়ে রাখতেই হয়...
"জল দাও আমার শিকড়ে"

একটা আলোর রাস্তা দিয়ে হাঁটছে সে। আলোয় সাজানো নয়, তাহলে তো সত্যি হয়ে যাবে। বরং আলোয় বানানো, ফার্স্ট সেকেন্ড থার্ড ফোর্থ ডাইমেনশন পার হয়ে। তার খানিক আগে সে একটা ঘরে ছিলো, সেই ঘরে একটা বেঁটে টেবিল, তার ওপর কোন এক বুনো ফুলে ছড়িয়ে থাকা কম্পাস, দিকভ্রান্ত। মোমের আলোয় ঘর বড়ই স্বল্পবসনা, আর ধুপের ধোঁয়া তাকে জড়িয়ে মায়ার ওম দিচ্ছে। মায়া , মায়া থেকেই তো আসে বিভ্রম, ভালোবাসা নয়। এই দিকভ্রান্তি থেকে ছিটকে বেরিয়ে এসেছে ঘর থেকে, তারপরেই সেই আলোর রাস্তা, কত্ত বাতাস!
অদ্ভুত মুখোশটা রাখা ছিলো, বেরোনোর আগে হাত লেগে পড়ে খানখান হয়ে গেলো। মুখোশ এত ঠুনকো হয়? মা গো!
এখন শুধু ওই দেওয়ালটা খুঁজে বের করতে হবে, জুলিয়েটের চিঠির মত যার অজস্র ইঁটের ফাঁকে সকলের জন্য হয় বালিঘড়ি নয় কম্পাস লুকোনো আছে। যে বালিঘড়ি পায় যত্ন করে একটা কোন খুঁজে নেয়, তারপর অপেক্ষা করে। অন্তহীন!
আর যে কম্পাস পায়, খড়কূটো ঠোঁটে নিয়ে এলোমেলো কথার ঝাঁপি সাথে করে রওনা হয়। নীল সমুদ্র, গহিন বন, ছাই ছাই আকাশ, ধোঁয়ার শহর।
শুধু দেওয়ালটা খুঁজে পাওয়া জরুরী, ওটাই আসলে চাবি, অন্য ডাইমেনশনের।
অন্য দেওয়ালের ফ্রেস্কো বড্ড হাতছানি দেয়। যেমন অচেনা যুবকের অন্যমনস্ক চোখ, প্রিয় বয়স্ক মানুষের চোখ কুঁচকানো হাসি, হঠাত কুড়িয়ে পাওয়া নাম না জানা পাখির পালক। কিন্তু না, এই আলোর রাস্তাও গোলকধাঁধা হয়ে যাবে এতে ডুব দিলে... থাক বরং!
ঝিরিঝিরি বৃষ্টির মধ্যে ওই যে ছেলেটা মেয়েটার বিড়াল ডাক শুনে ঠোঁটে ঠোঁট মিলিয়েছিলো সেটাও অগ্রাহ্য করে আলোর রাস্তা ধরে হেঁটে যাচ্ছে সে। এই কসমিক ফেয়ারিটেল শেষ হলে দেওয়ালটা খুঁজে পাবে সে, যত্ন করে একটা ইঁটের ফাঁক বেছে নেবে... বালিঘড়ি না কম্পাস সেটুকুই শুধু জেনে নেওয়ার ওয়াস্তা...

Winter is here,
I am travelling north
with frozen eyelashes..
তাহলে দুপুরগুলো তো সেপিয়া ছিলো তাই এপিসি রোডে গাড়িগুলো বুঝে উঠতে পারতো না তাদের কোথায় যাওয়া উচিত।
সেবার, টানা তিনদিন বৃষ্টি হয়েছিলো, ছাই ছাই পিচের রাস্তা লেপ্টে ছিলো হলুদ আঙুলের মত কীজানি কীসের পাতা, কাঠগোলাপ , অরেঞ্জ আইস ললির বাতিল র‍্যাপার।
শীতকালে বৃষ্টি তখনো সাধারণ হয়ে ওঠেনি কলকাতায়।
নিশ্চুপ দুপুরগুলো সেপিয়াই ছিলো, শুধু চুল সরিয়ে ঘাড় থেকে শিরদাঁড়া বরাবর জলরঙের আঁচড়গুলো চুঁইয়ে মিশতো।
ঠোঁট আঙুল ত্বক নিঃশ্বাস কিচ্ছু অভ্যেস হয়নি তখনো, শুধু এই দুপুরগুলোয় পর্দা ঠেলে ঘরে ঢুকে আসতো আলস্য, সোহাগ, নকুড়ের সন্দেশ।
প্রিয় গানের ভুল সুরে আটপৌরে ডাল ভাতের গন্ধ, তারপর ধুন্ধুমার ঝগড়া, তারপর আবার ঠিক সুর, তারপর আহ্লাদী কপালে একটা লাল টিপ, তারপর ট্রামের শব্দ, তারপর জানলার তাকে রাখা সবুজ সবুজ গাছটা, তারপর অ্যাকোয়ারিয়ামের গোল্ডফিশ... তারপর... তারপর...
উত্তর কলকাতার শরিকি বাড়ির চৌকাঠ ডিঙ্গানো ছেলেটা তাকে শিখিয়েছিলো ভালোবাসা আসলে আলোর মত, বুকের মধ্যে বয়ে নিয়ে চলতে হয় সারাজীবন

অনেক আক্ষেপ,আনন্দ,অভিমান,অভিসার,সঙ্কল্প,বিদ্রোহের সাক্ষী এলোমেলো আঁকাবাঁকা গলিগুলো প্রশ্বাসে দীর্ঘশ্বাসে সম্পৃক্ত। কান পাতলে এখনো অজস্র অনিমেষের সতর্ক পদক্ষেপ শোনা যায়, অথবা দৃপ্ত স্লোগান,অথবা………………..গুলির আওয়াজ আর অস্ফুট আর্তনাদ।নাহ, সত্তরের আন্দোলন সঠিক ছিলো, অথবা ছিলো না আলোচনার অবকাশ পরে। এখন শুধু পুরাতনে রাঙা বর্ণ, রোদের রঙ কাঁচা স্বর্ণ... অথবা সেপিয়া।। অথবা অসহ্য নস্টালজিক ন্যাকামি।

“কাচের কবিতা নিয়ে একটানা বৃষ্টিতে হাঁটছিলাম

আর কবে যে পড়ে গেছি আমি প্রাচীন ভাস্করের অন্তর গর্তে!”

পায়ের দুপাশ দিয়ে সূক্ষ্ম আকর্ষণের চোরাস্রোত ফাঁস বোনে, পা দেওয়া মাত্র যা তলিয়ে নিয়ে যায় অনুভূতির গভীরে, নতুন করে হয় আত্ম আবিষ্কার……Rediscovery….

তারপর আসে সোডিয়াম ভেপার লাইট।

“হাওয়া দেওয়ার আগে সমস্ত দৃশ্যগুলোকে তুলে রাখতে হবে…..”

মেহগিনি রঙের সন্ধ্যায় হলুদ সেই আলোর তলায় দাঁড়িয়ে নিজের সঙ্গে নিজের করা প্রতিজ্ঞা। গলিগুলো তখন কি অপার্থিব অন্ধকারকে লুকিয়ে রেখেছে আলোর চাদরের নীচে। নিঝুম আভায় এক এক টুকরো ছবি ক্যালাইডোস্কোপের মত ভেসে উঠছে, জোনাকির আলোর বিন্দু নিয়ে তাদের সহজ ঘোরা ফেরা।
সন্ধ্যা নেমে আসে, নির্জন গলিতে অদ্ভুত ভাবে একা একাই জ্বলে ওঠে অতলস্পর্শী আলো।
অদূরে হাতে টানা রিকশার ঠুনঠুন, আরো দূরে বড় রাস্তার বাসের হর্ন, জমজমাট হল্লা, ব্যস্ত শহর। আর সঙ্গোপন নিভৃত গলির গ্যাস লাইটের তলায় জল ভরা চোখ...
উত্তর কলকাতার এমন অনেক ম্যাজিক আছে, এই দেখা যায় একরকম আবার একটু উল্টেপাল্টে নিলেই আরেকরকম; এই আরেক রকমটাই রহস্যময়।
রহস্যময়তা তার শিরায়,মজ্জায়,ধমনিতে,গলিতে, রোয়াকে, জানলার তাকে রাখা ছোট্ট সতেজ গাছে আর টুংটাং উইন্ড চাইমে।
হারিয়ে যায় হারিয়ে যায় হারিয়ে যায় সে।
অনুভব করে এক অদম্য সময়হীনতায় থমকে গিয়েছে,কিন্তু তাতে কোনো যন্ত্রণা নেই,শুধু আত্ম সমর্পণ।
আসলে কলকাতা উত্তর কোনো জায়গা নয়, এক অন্তর্লীণ যাপন। কেউ যদি অন্য দেশের হয়, তারও একটা উত্তর কলকাতা আছে।

সবশেষে...

কানা গলিতে রাত তিনটেয় শুধু কোনো শব্দ আসেনা, অদ্ভুত ফাঁকা চৌখুপি আয়তনের বাক্স থেকে শুধু আখতারি বেগম রিনিঝিনি নূপুরের মত গড়িয়ে পড়েন...



446 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

শেয়ার করুন


Avatar: দ

Re: আমি নস্টালজিয়া ফিরি করি

বাহ সুন্দর!
Avatar: রুকু

Re: আমি নস্টালজিয়া ফিরি করি

:-)
Avatar: pi

Re: আমি নস্টালজিয়া ফিরি করি

বাহ! ফেরিওয়ালার কাছে আরো অর্ডার রইল!
Avatar: Tim

Re: আমি নস্টালজিয়া ফিরি করি

বাহ চমৎকার হয়েছে। আরো হোক !
Avatar: সিকি

Re: আমি নস্টালজিয়া ফিরি করি

চমৎকার!
Avatar: aranya

Re: আমি নস্টালজিয়া ফিরি করি

সুন্দর
Avatar: রুকু

Re: আমি নস্টালজিয়া ফিরি করি

থ্যাঙ্কিউ :-D
Avatar: রুকু

Re: আমি নস্টালজিয়া ফিরি করি

অসাধারণ!


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন