Muhammad Sadequzzaman Sharif RSS feed

Muhammad Sadequzzaman Sharifএর খেরোর খাতা।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • সোনারপুরে সোনার মেলা
    শীত ভাল করে পড়তে না পড়তেই মেলার সীজন শুরু হয়ে গেছে। গুরু এবারে ওমনিপ্রেজেন্ট – গাদাগুচ্ছের মেলাতে অংশ নেবার মনস্থ করেছে। একেবারে সূচনাপর্বেই সোনারপুর মেলা – বোতীনবাবুর দৌলতে তার কথা এখন এখানে অনেকেই জানেন। তো সেই সোনারপুর বইমেলাকেই পদধূলি দিয়ে ধন্য করব ...
  • এন জি রোডের রামলাল-বাংগালি
    রামলাল রাস্তা পার হইতে যাইবেন, কিছু গেরুয়া ফেট্টি বাঁধা চ্যাংড়া যুবক মোড়ে বসিয়া তাস পিটাইতেছিল— অকস্মাৎ একজন তাহার পানে তাকাইল।  রামলাল সতর্ক হইলেন। হাত মুষ্টিবদ্ধ করিলেন, তুলিয়া, ক্ষীণকন্ঠে বলিলেন, 'জ্যায় শ্রীরাম।'পূর্বে ভুল হইত। অকস্মাৎ কেহ না কেহ পথের ...
  • কিউয়ি আর বাঙালী
    পৃথিবীতে ছোট বড় মিলিয়ে ২০০র' কাছাকাছি দেশ, তার প্রায় প্রতিটিতেই বাঙালীর পদধূলি পড়েছে। তবে নিউজিল্যাণ্ড নামে দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে একটি দ্বীপমালা আছে, সে দেশের সঙ্গে ভারতীয়দের তথা বাঙালীদের আশ্চর্য ও বিশেষ সব সম্পর্ক, অনেকে জানেন নিশ্চয়ই।সে সব সম্পর্কের ...
  • মহামহিম মোদী
    মহামহিম মোদী নিঃসন্দেহে ইতিহাসে নাম তুলে ফেলেছেন। আজ থেকে পাঁচশো বছর পরে, ইশকুল-বইয়ে নিশ্চয়ই লেখা হবে, ভারতবর্ষে এমন একজন মহাসম্রাট এসেছিলেন, যিনি কাশ্মীরে টিভি সম্প্রচার বন্ধ করে কাশ্মীরিদের উদ্দেশে টিভিতে ভাষণ দিতেন। যিনি উত্তর-পূর্ব ভারতে ইন্টারনেট ...
  • পার্টিশানের অজানা গল্প ১
    এই ঘোর অন্ধকার সময়ে আরেকবার ফিরে দেখি ১৯৪৭ এর রক্তমাখা দিনগুলোকে। সেই দিনগুলো পার করে যাঁরা বেঁচে আছেন এখনও তাঁদেরই একজনের গল্প রইল আজকে। পড়ুন, জানুন, নিজের দিকে তাকান...============...
  • কাশ্মীরের ইতিহাস : পালাবদলের ৭৫ বছর
    কাশ্মীরের ইতিহাস : পালাবদলের ৭৫ বছর - সৌভিক ঘোষালভারতভুক্তির আগে কাশ্মীর১ব্রিটিশরা যখন ভারত ছেড়ে চলে যাবে এই ব্যাপারটা নিশ্চিত হয়ে গেল, তখন দুটো প্রধান সমস্যা এসে দাঁড়ালো আমাদের স্বাধীনতার সামনে। একটি অবশ্যই দেশ ভাগ সংক্রান্ত। বহু আলাপ-আলোচনা, ...
  • গাম্বিয়া - মিয়ানমারঃ শুরু হল যুগান্তকারী মামলার শুনানি
    নেদারল্যান্ডের হেগ শহরে অবস্থিত আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস—আইসিজে) মিয়ানমারের বিরুদ্ধে করা গাম্বিয়ার মামলার শুনানি শুরু হয়েছে আজকে। শান্তি প্রাসাদে শান্তি আসবে কিনা তার আইনই লড়াই শুরু আজকে থেকে। নেদারল্যান্ডের হেগ শহরের পিস ...
  • রাতপরী (গল্প)
    ‘কপাল মানুষের সঙ্গে সঙ্গে যায়। পালানোর কি আর উপায় আছে!’- এই সপ্তাহে শরীর ‘খারাপ’ থাকার কথা। কিন্তু, কিছু টাকার খুবই দরকার। সকালে পেট-না-হওয়ার ওষুধ গিলে, সন্ধেয় লিপস্টিক পাউডার ডলে প্রস্তুত থাকলে কী হবে, খদ্দের এলে তো! রাত প্রায় একটা। এই গলির কার্যত কোনো ...
  • রাতপরী (গল্প)
    ‘কপাল মানুষের সঙ্গে সঙ্গে যায়। পালানোর কি আর উপায় আছে!’- এই সপ্তাহে শরীর ‘খারাপ’ থাকার কথা। কিন্তু, কিছু টাকার খুবই দরকার। সকালে পেট-না-হওয়ার ওষুধ গিলে, সন্ধেয় লিপস্টিক পাউডার ডলে প্রস্তুত থাকলে কী হবে, খদ্দের এলে তো! রাত প্রায় একটা। এই গলির কার্যত কোনো ...
  • বিনম্র শ্রদ্ধা অজয় রায়
    একুশে পদকপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক অজয় রায় (৮৪) আর নেই। সোমবার ( ৯ ডিসেম্বর) দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার একটি হাসপাতালে শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। অধ্যাপক অজয় দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত নানা অসুখে ভুগছিলেন।২০১৫ ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

বন্ধু...

Muhammad Sadequzzaman Sharif

আজ আমার বন্ধুর গার্ল ফ্রেন্ডের গায়ে হলুদ। আগামি কাল বিয়ে। যদি হিসেব নিকেশ ঠিক থাকত তাহলে এই বিয়ের মধ্যমণি থাকতাম আমরা। বিশেষ করে আমি। আমি তাদের সম্পর্কের মাঝে এত উতপ্রত ভাবে জরিয়ে ছিলাম যে এখন ভাবতে অবাক লাগে। প্রেমে ঝগড়া থাকবেই আর আমি এই জীবনে প্রেমের ফাঁদে না পরেও দারুন ভাবে জানতাম এই দুইজনের কল্যাণে। যে কোন এক তরফ থেকে নোটিস পেতাম অন্য জন কি কি জঘন্য কাজ তার সাথে করেছে, কত বড় অন্যায় তার সাথে হয়েছে। আমার দায়িত্ব ছিল অপর পক্ষ কে বুঝিয়ে নতি স্বীকার করানো যে সে আসলেই মারাত্মক অন্যায় করে ফেলেছে, এমন ভুল ইহ জীবনে আর হবে না। আমার আসলে বেশি কিছু করার থাকত না। কোনমতে দুজন কে সামনা সামনি করেতে পারলেই খেলা শেষ হয়ে যেত বেশির ভাগ সময়।
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনেক প্রেমিক প্রেমিকারা প্রেম করত। আমার বন্ধু থাকত রাজশাহি। সেখান থেকে মাঝে সাঝে আসত ঢাকা। ওর প্রেমিকার সাথে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রেম সেও করত। তবে কাব্বাব মে হাড্ডি হিসেবে থাকতাম আমি। কখন চট করে একটু ঘুরে আসতে হবে তা আমি জানতাম। আর তাই কোনদিন আমার উপস্থিতি ওদের প্রেমে বাঁধা সৃষ্টি করেনি। আমার বন্ধুর প্রেমিকা রান্না করে নিয়ে আসত হল থেকে। প্লেট আসত তিনটা, একটা আমার জন্য। ওদের প্রেম আমি বাদ দিয়ে কতটুকু তা আসলে চিন্তার বিষয়।
তাই বলছিলাম দারুন ভাবে ওই বিয়ের মধ্যমণি থাকতাম আমি। কড়া ঝাড়ি দিতাম ডেকারেশনের লোকদের। ওমন ক্যাটকেটে হলুদ কাপড় কেন লাগিয়েছে বিয়ের প্যান্ডেলে তার জন্য এমন হুলুস্থুল করতাম যে মেয়ের বাবা এসে আমাকে শান্ত করত। মেয়ের বান্ধবি, আত্মীয় স্বজন যারা আছে তারা অবাক হয়ে আমাকে দেখত। যদিও ছেলে আর মেয়ের বাসা খুব কাছাকাছি। বন্ধু বৃত্ত প্রায় একই আমাদের। কিন্তু ওর কলেজের, ওর আবৃতির গ্রুপের সাঙ্গপাঙ্গদের বুঝিয়ে দিতাম না আমি কে!! মেয়ের ভাই বাবা মা ছেলের বাড়ির কোন কিছু জানতে আমাকে ধরত, আমাকে বলত, একটু ফোন করে জেনে নিবা বাবা, ওরা হলুদে কয়জন আসছে? আমি বলতাম, দেখছি, জানাচ্ছে আপনাদের।
বর নিয়ে যখন আসতাম তখন তো আমাদের দড়ি দিয়ে বেধে রাখার মত অবস্থা করে ফেলতাম। আমি সামাল দিতাম সব। কম বয়সিদের ধমক দিয়ে চুপ করাতাম। দেন মোহর নিয়ে আমি বিজ্ঞ মতামত দিতাম। আমি জানি আমার বন্ধু এই ব্যাপারে ওর অভিবাকদের বলে দিত, এগুলা ব্যাপারে আমাকে জিজ্ঞাস করো না তো, শরিফ যা বলবে তাই!! দুই পক্ষের মুরুব্বিরা খুঁজে বের করত আমাকে। আমি তখন হয়ত ব্যস্ত কনে বাড়ির সঙ্গিত রুচি নিয়ে। দুই চারটা কথা শুনাচ্ছি তাদের কে।
এভাবেই, এভাবেই আমি মিশে থাকতাম যদি হত ওই বিয়েটা। কিন্তু ওই যে বললাম, যদি সব হিসাব নিকাশ ঠিক থাকত। আচমকা এক দিন শুনলাম আমার বন্ধু রাজশাহীতে মারা গেছে। আমি ঢাকার ফার্মগেট থেকে দৌড়াচ্ছিলাম সে দিন। যেন দৌড় দিয়ে রাজশাহি যাওয়া যাবে!! যার আজকে বিয়ে তাকে কোন উল্লুক জানি ফোন করে জানিয়ে দিয়েছিল যে আমার বন্ধু মারা গেছে। ও পাগলের মত ফোন করে যাচ্ছে আমাকে। ফোন ধরতেই চিৎকার!!!
ওই মেয়ে অনেক চেষ্টা করেছে বিয়ে না করে একা একা জীবন কাটিয়ে দেওয়ার। কিন্তু পরিবার আর সমাজ অতটা আধুনিক হয়ে সারেনি আজো। তাই যোগ্য দেখে এবং একজন অসম্ভব ভাল মানুষ কে বিয়ে করার জন্য রাজি হয়ে গেছে। আর আমি সেই বিয়ের গায়ে হলুদের স্টেজে সাজানোর কাজ তাদারকি করছিলাম, করতে করতেই হুড়মুড় করে নানা স্মৃতি এসে আঁকড়িয়ে ধরল আমাকে। চুপ করে চলে এসেছি, বাসায় বসে লিখতে শুরু করলাম।
এখন পর্যন্ত কেউ ফোন দিয়ে খোঁজো নেয়নি যে আমি কোথায়? আমি কেন নাই গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে? অথচ আমি না থাকলে বিয়েই হবে না এমন কথা ছিল একদিন!! জীবন দারুন বিচিত্র, হায় বিচিত্র আমরা সবাই।

228 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

শেয়ার করুন


Avatar: m

Re: বন্ধু...

বানান ভুল গুলো চোখে লাগছে, উতপ্রত -> ওতপ্রোত, ফাঁদে না পরেও -> ফাঁদে না পড়েও, রাজশাহি -> রাজশাহী, প্রেমে বাঁধা -> প্রেমে বাধা, ওমন ক্যাটকেটে -> অমন ক্যাটকেটে, সঙ্গিত -> সঙ্গীত। আরও আছে, একটু দেখে নেবেন।
Avatar: pi

Re: বন্ধু...

এসব লেখা পড়ে কী বলি, অস্বস্তি হয়। ভাল থাকার চেষ্টা করুন।
Avatar: Muhammad Sadequzzaman Sharif

Re: বন্ধু...

দুঃখিত। বানান গুলো খেয়াল করা উচিত ছিল আমার। আসলে যখন লিখছিলাম তখন চোখ ছিল ঝাপসা আমার।
যা মনে আসছিল তাই লিখে গেছি, দ্বিতীয়বার পড়েও দেখিনি। তাই প্রচুর বানান ভুল হয়ে গেছে। এখানে সম্ভবত সংশোধনের কোন সুযোগ নাই। থাকলেও আমার জানা নাই। আমি ক্ষমা প্রার্থী।


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন