সুকান্ত ঘোষ RSS feed

কম জেনে লেখা যায়, কম বুঝেও!

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
    ভারত আর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র - মিল কতটুকু?একটি দেশ যদি বিশ্বের সবচাইতে শক্তিশালী অর্থনীতি হয়, আরেকটির হাল বেশ নড়বড়ে - মানুষের হাতে কাজ নেই, আদ্ধেক মানুষের পেটে খাবার নেই, মাথার ওপরে ছাদ নেই, অসুস্থ হলে চিকিৎসার বন্দোবস্ত নেই। অবশ্য দুর্জনেরা বলেন, প্রথম ...
  • দক্ষিণের কড়চা
    গরু বাগদির মর্মরহস্য➡️মাঝে কেবল একটি একক বাঁশের সাঁকো। তার দোসর আরেকটি ধরার বাঁশ লম্বালম্বি। সাঁকোর নিচে অতিদূর জ্বরের মতো পাতলা একটি খাল নিজের গায়ে কচুরিপানার চাদর জড়িয়ে রুগ্ন বহুকাল। খালটি জলনিকাশির। ঘোর বর্ষায় ফুলে ফেঁপে ওঠে পচা লাশের মতো। যেহেতু এই ...
  • বাংলায় এনআরসি ?
    বাংলায় শেষমেস এনআরসি হবে, না হবে না, জানি না। তবে গ্রামের সাধারণ নিরক্ষর মানুষের মনে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়েছে। আজ ব্লক অফিসে গেছিলাম। দেখে তাজ্জব! এত এত মানু্ষের রেশন কার্ডে ভুল! কয়েকজনের সাথে কথা বলে জানলাম প্রায় সবার ভোটারেও ভুল। সব আইকার্ড নির্ভুল আছে এমন ...
  • যান্ত্রিক বিপিন
    (১)বিপিন বাবু সোদপুর থেকে ডি এন ৪৬ ধরবেন। প্রতিদিন’ই ধরেন। গত তিন-চার বছর ধরে এটাই বিপিন’বাবুর অফিস যাওয়ার রুট। হিতাচি এসি কোম্পানীর সিনিয়র টেকনিশিয়ন, বয়েস আটান্ন। এত বেশী বয়েসে বাড়ি বাড়ি ঘুরে এসি সার্ভিসিং করা, ইন্সটল করা একটু চাপ।ভুল বললাম, অনেকটাই চাপ। ...
  • কাইট রানার ও তার বাপের গল্প
    গত তিন বছর ধরে ছেলের খুব ঘুড়ি ওড়ানোর শখ। গত দুবার আমাকে দিয়ে ঘুড়ি লাটাই কিনিয়েছে কিন্তু ওড়াতে পারেনা - কায়দা করার আগেই ঘুড়ি ছিঁড়ে যায়। গত বছর আমাকে নিয়ে ছাদে গেছিল কিন্তু এই ব্যপারে আমিও তথৈবচ - ছোটবেলায় মাথায় ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছিল ঘুড়ি ওড়ানো "বদ ছেলে" দের ...
  • কুচু-মনা উপাখ্যান
    ১৯৮৩ সনের মাঝামাঝি অকস্মাৎ আমাদের বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ(ক) শ্রেণী দুই দলে বিভক্ত হইয়া গেল।এতদিন ক্লাসে নিরঙ্কুশ তথা একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করিয়া ছিল কুচু। কুচুর ভাল নাম কচ কুমার অধিকারী। সে ক্লাসে স্বীয় মহিমায় প্রভূত জনপ্রিয়তা অর্জন করিয়াছিল। একটি গান অবিকল ...
  • 'আইনি পথে' অর্জিত অধিকার হরণ
    ফ্যাসিস্ট শাসন কায়েম ও কর্পোরেট পুঁজির স্বার্থে, দীর্ঘসংগ্রামে অর্জিত অধিকার সমূহকে মোদী সরকার হরণ করছে— আলোচনা করলেন রতন গায়েন। দেশে নয়া উদারবাদী অর্থনীতি লাগু হওয়ার পর থেকেই দক্ষিণপন্থার সুদিন সূচিত হয়েছে। তথাপি ১৯৯০-২০১৪-র মধ্যবর্তী সময়ে ...
  • সম্পাদকীয়-- অর্থনৈতিক সংকটের স্বরূপ
    মোদীর সিংহগর্জন আর অর্থনৈতিক সংকটের তীব্রতাকে চাপা দিয়ে রাখতে পারছে না। অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন শেষ পর্যন্ত স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছেন যে ভারতের অর্থনীতি সংকটের সম্মুখীন হয়েছে। সংকট কতটা গভীর সেটা তার স্বীকারোক্তিতে ধরা পড়েনি। ধরা পড়েনি এই নির্মম ...
  • কাশ্মীরি পন্ডিত বিতাড়নঃ মিথ, ইতিহাস ও রাজনীতি
    কাশ্মীরে ডোগরা রাজত্ব প্রতিষ্ঠিত হবার পর তাদের আত্মীয় পরিজনেরা কাশ্মীর উপত্যকায় বসতি শুরু করে। কাশ্মীরি ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়ের মানুষেরাও ছিলেন। এরা শিক্ষিত উচ্চ মধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্ত শ্রেনি। দেশভাগের পরেও এদের ছেলেমেয়েরা স্কুল কলেজে পড়াশোনা করেছে। অন্যদিকে ...
  • নিকানো উঠোনে ঝরে রোদ
    "তেরশত নদী শুধায় আমাকে, কোথা থেকে তুমি এলে ?আমি তো এসেছি চর্যাপদের অক্ষরগুলো থেকে ..."সেই অক্ষরগুলোকে ধরার আরেকটা অক্ষম চেষ্টা, আমার নতুন লেখায় ... এক বন্ধু অনেকদিন আগে বলেছিলো, 'আঙ্গুলের গভীর বন্দর থেকে যে নৌকোগুলো ছাড়ে সেগুলো ঠিক-ই গন্তব্যে পৌঁছে যায়' ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

তাতেও কোন সমস্যা হয় নি কোনদিন

সুকান্ত ঘোষ

গরমের দিনে মাটির কলসী, শীতের দিনে আসকে পিঠে বানাবার মাটির সড়া, সরুচাকলীর তাওয়া, সর্বসময়ের ধুনুচী, পুজোর সিজিনের ঘট, মোচ্ছবের – হব্যিষ্যির মালসা ইত্যাদি নানা মাটির জিনিসের ওয়ান স্টপ শপ্‌ আমাদের গ্রামে ছিল রশিদ চাচার দোকান। চাচার বাড়ির কাঠামো ছিল অনেকটা প্যারিসের ল্যুভের মিউজিয়ামের মত, মানে তিন দিক খোলা, একদিক ফাঁকা – আর যে তিন দিক ঘেরা তার দুই দিকে যথাক্রমে পুরানো এবং নতুন বাড়ি এবং একদিকে পাঁচিল। বাকি খালি দিকে রইল গিয়ে জুঙ্গিতে নামক এক দীঘি এবং চাচার অন্দর মহলের অপার রহস্য। এমন নয় যে চাচার অনেক বিবি বা বাড়িতে হুরী-পরি ঘোরা ফেরা করছে – কিন্তু চাচা নিজের জীবন এমন রহস্যবৃত্য ছিল যে আমাদের ওই চাচার বাড়ির বিস্তৃত ফাঁকা উঠনে কি হচ্ছে বা হতে পারে এই নিয়ে জল্পনার শেষ ছিল না। চাচার চার ছেলের মধ্যে সেজ এবং ছোটর সাথে আমাদের ঘনিষ্ট সম্পর্ক থাকলেও সেই রহস্যের উদঘাটন হয় নি। তাতেও কোন প্রবলেম হয় নি কোনদিন।

তা সেই বাড়িরই বাইরের দিকের বারান্দায় ছিল চাচার দোকান যা আমরা আজন্ম দেখে আসছি। পুজোর সময় প্রতিবার ঘট কিনতে গেলে চাচা একটাই ফাটা রেকর্ড বাজাত, দ্যাখ বাবারা, রাতের বেলায় যখন তোরা বিসর্জন করতে যাবি, যেন আমার এই বারান্দায় তোদের ওই চকোলেট বা কাদা বোম গুলো ছুঁড়িস না। কিন্তু কে শোনে কার কথা! চাচার বারান্দায় বেশ ভালো ইকো হত বলে আমাদের সেখানে বোমা ছোঁড়া ম্যান্ডেটরী ছিল। এবার ঘটনা হল আমাদের বাপেরা আমাদের সেই কাজের জন্য ক্যালানী দিতে শুরু করতে, আমাদের অন্য কথাটা বলতে হল বাধ্য হয়ে। দূর্গা পুজোর নবমীর হোমে যে পাঁচ রকমের গাছের ডাল লাগে তার মধ্যে পলাশ ছিল একটি। এবং আমাদের গ্রামে ওই পলাশ গাছ সাকুল্যে ছিল রশিদ চাচার পুকুর পাড়ে এক খানি। একবার আমরা পলাশ ডাল ভাঙতে গিয়ে দেখলাম, গাছের গোড়ায় এক বিশাল টিবিয়া-ফিবুলা টাইপের কিছু পড়ে আছে। আমরা সাবস্ত করলাম যে ইহা হল গরুর হাড়। কেউ বলল যে চাচা পুজোয় ব্যাগড়া দেবার জন্য গাছের ডালেও নাকি গরুর হাড় ঝুলিয়ে রেখেছে। সেটা আমাদের কাছে কোন ব্যাপার ছিল না – সামান্য গরুর হাড় দিতে পুজোর হোম আটকানো যাবে এ আমাদের কল্পনাতেও আসে নি। চাচা প্রথমে গাছে গরুর হাড় ঝুলিয়েছিল নাকি আমরা ওর বারান্দায় বোম প্রথম ছুঁড়েছিলাম, সে এক চিকেন অ্যান্ড এগ সিচ্যুয়েশন। কিন্তু তাতেও কোন প্রবলেম হয় নি কোনদিন।

আমাদের মনে বদ্ধমূল ধারণা ছিল যে রশিদ চাচা বিশাল হারামি টাইপের লোক। আমরা বলতে, ঘোষ পাড়া, বাউড়ি পাড়া, পাল পাড়া, জেলে পাড়া, মুসনলমান পাড়ার এই সকল ছেলেরা যারা খেলাধূলা, ক্লাব এবং পুজোর সাথে জড়িত ছিলাম। এমনকি চাচার ছেলেদের সামনে কেউ মুখ ফুটে সে কথা বলে ফেললেও, কোন প্রতিবাদ শোনা যায় নি – ফলতঃ ধারণা হয়েছিল যে তার ছেলের জানে যে বাপ হারামি। এতেও কোন প্রবলেম হয় নি কোনদিন।

নিমো ভারত সেবক সমাজের দীর্ঘদিন সেক্রেটারী ছিল সফিক মল্লিক – মানে পুজোর আয়োজন থেকে ফাংশন সব কিছুই দায়িতক নিয়ে করত। সরস্বতী পুজোর সময় বেশীর ভাগ ছেলে মাল খেয়ে পড়ে আছে, কিন্তু ঘট বসাবার গোবর থেকে শুরু করে পুজোয় লাগা গোচনা সবই সফিক সিদ্ধ হস্তে কালেক্ট করত। এমনকি পুজোয় বসে পুরোহিতের কিসের পর কি লাগবে তাও তার সব মুখস্ত ছিল। একবার কোন এক মৌলবী শুক্রবারে নামাজ পড়তে যাবার জন্য বেলা বারোটার সময় ক্রিকেট মাঠ থেকে সফিককে ডেকে পাঠাতে বললে প্রতিক্রিয়া এসেছিল, বাঁ* এরা লাইফ জ্বালিয়ে দিল। তাতেও কোন প্রবলেম হয় নি কোনদিন।

চাচা আমাদের প্রতিবছর বাঁশ দিত – মানে সরস্বতী পূজার সময় প্যান্ডেল করার জন্য। একবার বাঁশ দিতে নিমরাজী থাকার জন্য রশিদ চাচার গাঁ* ভেঙে দেওয়া হবে বলে হুজ্জুত হয়েছিল। চাচা মহামেডান ফুটবল ক্লাবকে সমর্থন করত এমনকি নির্দিষ্ট সময়ে হজ পর্যন্ত করে এল, তাতেও কোন প্রবলেম হয় নি কোনদিন। সে কি কান্ড, হজে যাবার আগে চাচা বাড়ির সামনে যাকেই পায়, তাকেই জড়িয়ে ধরে আর বলে, ভাই যা করেছি আগে সব ক্ষমা করে দাও, ফ্রেস মনে হজটা করে আসি। লোকে প্রথমে ঘাবড়ে গেল, চাচার মুখে রামনাম! সামনা সামনি বলল, চাচা তুমি তো আর একাই হারামি নও, আমরাও তো হারামি গিরি করেছি তোমার সাথে। তা সব এক সাথে ভুলে যাওয়া যাক। একটু পিছনে ফিরে বলল, রশিদ কবরে গিয়েও স্বভাব পালটাবে না, যেমন ঘোষ পাড়ার তমুক তীরুপতি থেকে ফিরে এসেও একই হারামি রয়ে গ্যাছে। ওদের কথাই ঠিক প্রমানিত হল, চাচা সেই একই হারামি রয়ে গেল হজ থেকে ফিরে আসার পরও। তাতেও কোন প্রবলেম হয় নি কোনদিন।

চাচার ছোট ছেলে গোলাপ যখন ট্রাকটরের ব্যবসা শুরু করল, মানে জমি চাষ দেওয়া, তখন আমরা বন্ধুত্বের সুযোগ নিয়ে লাইন জাম্প করার চেষ্টা করল। গোলাপ বলল, বাপের কাছে তোরা যাস নি, কিছু রেট কম বা লাইন চেঞ্জ হবে না, আমাকে হ্যাণ্ডেল করতে যে ব্যাপারটা। আমাদের আউস, আমন, বোরো চাষ হয়েছে চাচার ট্রাকটর দিয়ে, আলু গ্যাছে কোল্ড স্টোরে সেই ট্রাকটরেই - তাতেও কোন প্রবলেম হয় নি কোনদিন।

চাচার সেজ ছেলে আসগার আলি ছিল আমাদের বাল্যের ফুটবল ক্যাপ্টেন। চাঁদা নিয়ে আসগারের কাছে আমরা ঘোষ পাড়া, পাল পাড়া এবং তার নিজের কাকার ছেলে আলম সমান ধ্যাতানি খেয়েছি, ম্যাচে খারাপ খেলে ক্যালানি। সেই আসগার ক্লাস নাইনে প্রেম করল ঢ্যাপা শৈলেনের মেয়ে সুমনার সাথে – সুমনার চিঠি বলে আমাদের দেখিয়ে দেখিয়ে একটা কারুকাজ করা বক্সে কি সব ঢুকিয়ে রাখত। প্রেম একটু পেকে এলে আসগার নিলো স্টেশনে প্রথম (এবং একমাত্র) দেওয়াল পত্রিকা চালু করল, যার নাম ধার নিল আমার কাছ থেকে, নাম হল ‘আলিঙ্গন’। তাতেও কোন প্রবলেম হয় নি কোনদিন।

রশিদ চাচা আমাদের গ্রামের প্রথম কৃর্ষি বিজ্ঞানী ছিল। আল-বাল নানা ধরনের ফসল ফলাতো বাড়ির ভিতরে এবং বাইরের জমিতে। আর সে ফসল হত দেখবার মত। গ্রামে সবার আলুতে ধসা রোগ লেগে গেল, কিন্তু চাচার জমিতে কিচ্ছু প্রবলেম নেই। আলুই – আলু। তাতেও কোন প্রবলেম হয় নি কোনদিন।
করিম চাচা নি্মো স্টেশনের পাশে চায়ের দোকান দেয়। আমাদের স্টেশনে আগেকার দিনে মাঝে মাঝেই ব্যার্থ প্রেমিক প্রেমিকারা আসত রেলে মাথা দিয়ে আত্মহত্যা করতে। রেলে কাটা পড়া সেই সব বডি (আমাদের গ্রামের কিছু লোকঅ অবশ্য রেলে মাথা দিত) জি আর পি আসার আগে করিম চাচা ঝুড়ি করে কুড়াতো। তাতেও কোন প্রবলেম হয় নি কোনদিন।

মোটা শৈলেনের সমন্ধি বাবুয়া বাইক কিনে খুব কেউকাটা হয়ে উঠেছিল এবং গ্রামের ভিতর দিয়ে খুব জোড়ে বাইক চালাচ্ছিল দিন রাত। কালাম কাকা একদিন বাবুয়াকে হাত তুলে দাঁড় করিয়ে বলল, যদি তুই কোনদিন অ্যাক্সিডেন্ট করিস, তোর বডি তো ঝুড়ি করে কুড়াতে হবে রে! আর যেন গ্রামের ভিতরে এতো জোরে গাড়ি চালাতে না দেখি। বাবুয়া মাথা নীচু করে চলে গেল। তাতেও কোন প্রবলেম হয় নি কোনদিন।

সালাম জ্যাঠা হল গিয়ে আমাদের পাল পাড়া, ঘোষ পাড়ার বাকি জ্যাঠাদের অন্তরঙ্গ বন্ধু। জীবনের অনেক গ্রীষ্মের দুপুর এবং সন্ধ্যের সময় কেটেছে তার গ্রামের শিবতলায়। ঝাঁটা দিয়ে ঝাঁট দিয়ে নিদারুন বসে তাস খেলা আর আশে পাশের লোকেদের কান ঝালা পালা করে দেওয়া। তাতেও কোন প্রবলেম হয় নি কোনদিন।

বাবা মারা যাবার পর দেখলাম আমাদের সম্পত্তির কোথায় কি আছে বা চাষ বাস কি-কেমন হয় তা সব থেকে বেশী জানে বাবার বাল্যবন্ধু রেজাককাকা। আমাকে ডেকে কিছু বোঝালো এবং বলল তোর তো চিন্তার কিছু নেই, আমরা তো রয়েছি। পেনশন থেকে শুরু করে ট্রেজারী ওফিসে পেনশন সব জায়গায় দৌড়াদৌড়িতে ন্যাড়াকাকার সাথে ছিল রেজাক-কাকা। আর পঞ্চায়েত, ব্লক ইত্যাদিতে কালামকাকা। তাতেও কোন প্রবলেম হয় নি তখনো।

আর দুমাস পর আমি বাড়ি যাবো পুজোর ছুটিতে। আমি হলফ করে বলতে পারি এই এখনো আমি গিয়ে কোন প্রবলেমই দেখব না।

ইহা কোন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির গল্প নয়। ইহা রশিদ চাচার সাথে আমাদের খুনসুটির গল্প। আমাদের গ্রামে অনেকে এখনো মনে করে যে রশিদ চাচা মনেপ্রাণে পাকিস্তানের সমর্থক, এমনকি অন্দরমহলে সবুজ পতাকা ওড়াও অবিশাস্য কিছু নয়। কিন্তু ঘটনা হল, চাচার দরজা ভেঙে ঢুকে আমরা কেউ সেটা যাচাই করে দেখার প্রয়োজন অনুভব করি নি। বা আমাদের গ্রামের পঞ্চায়েত চাচার দোকানে পুজোর ঘট বিক্রী হওয়া বন্ধ করে নি। আমাদের নেকস্ট জেনারেশন এখনও বাস্তব বা কল্পিত গরুর হাড় পায়ে ফুটে যাওয়া সামলেই পুজোর পলাশ ডাল ভাঙতে যায়। তাতেও কোন প্রবলেম হয় নি এখনও।


834 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

শেয়ার করুন


মন্তব্যের পাতাগুলিঃ [1] [2]   এই পাতায় আছে 7 -- 26
Avatar: T

Re: তাতেও কোন সমস্যা হয় নি কোনদিন

আশীর্ব্বাদ করি।
Avatar: prosanta Dutta

Re: তাতেও কোন সমস্যা হয় নি কোনদিন

খুব ভালো লাগলো !

Avatar: সুকি

Re: তাতেও কোন সমস্যা হয় নি কোনদিন

সবাইকে ধন্যবাদ লেখা পড়ার জন্য।

আসলে এই সব টপিক নিয়ে লিখি না, কারণ আমরা যে পরিপার্শে মানুষ হয়েছি তাতে করে এই সব নিয়ে আলাদা করে ভাবতে হবে, সেই ভাবনাটাই আমি হজম করে উঠতে পারি নি এখনো পর্যন্ত। বার বার আমার কত বন্ধু মুসলিম, আমরা কত উদার, আমাদের ছোটবেলা কত ভালো ছিল একসাথে মেশাবার জন্য - এই সব বলা কেমন যেন আরোপিত মনে হয়!
Avatar: সিকি

Re: তাতেও কোন সমস্যা হয় নি কোনদিন

আখলাককে যখন পিটিয়ে খুঁচিয়ে মারা হয়, ঠিক এই কথাটাই তখন আলোচনা করেছিলাম এক বন্ধুর সাথে। মানে, এই যেমন আলুভাজা চিকেন মাটন রসগোল্লা ফুচকা পাতে পেলে প্রাণভরে পেটপুরে খাই, তেমনি গরুও খাই - এটা যে আলাদা করে ডিক্লেয়ার করে প্রতিবাদ জানানোর পন্থা হিসেবে বিবেচনা করে জোর গলায় বলতে হবে, স্টেটাস আপডেট দিতে হবে, এইটা এর আগে কোনওদিন মাথায় আসে নি। এগুলো আলাদা করে বলার জিনিস বলেই মনে হয় নি।

কী সব হয়ে গেল কয়েক বছরে।
Avatar: h

Re: তাতেও কোন সমস্যা হয় নি কোনদিন

খুব ই সুন্দর লেখা। আমাকে সুকান্ত বাবুর লেখা অসম্ভব আকর্ষণ করে।

কিন্তু কিছু সমস্যা যে হয়েছে। কিন্তু মুসলমান আর হিন্দু দের বিয়ে হয় নি, উচ্চবর্ণ হিন্দু দের বাড়িতে মুসলমান রা অনেক ক্ষেত্রেই আলাদা বাসনে খেয়েছেন ইত্যাদি, অতএব এটা ভাবার কারণ নেই, যে কোন এক আগে সব কিছু ঠিক ছিল , এমনকি এটা ভাবার ও কারণ নেই, বিশুদ্ধ গ্রামীন পরিবেশে কোন ধরণের সমস্যা ছিল না। সহাবস্থান থাকলেও একটা ব্যাবধান ছিল না। বা রক্ষনশীল সমাজে সব সময়েই সহাবস্থান শান্তিপুর্ন ছিল বা শান্তিপুর্ন সহাবস্থান যেটা ছিল, সেটা স্থিতাবস্থা হলেও, কাঙ্খিত মাত্রায় উদার ছিল কিনা। দেশ ভাগের পরে পশ্চিম বঙ্গে ষাঠের দশক অব্দি সমস্যা হয়েছে, নিয়মিত, ৯০ এর দশক থেকে ক্রমশ বাড়ছে, এখন মাত্রাতিরিক্ত বেড়েছে। আসামে বরাবর হয়েছে। হ্যাঁ ধর্মীয় রাজনীতির প্রতিপত্তি বাড়ে কমে , এগ্রিড যে বাবরি মসজিত ধ্বংসের সময় থেকে ধর্মীয় ভাবাবেগে উস্কানি দেওয়ার রাজনীতির প্রাবল্য বেশি, মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতির প্রভাব পড়া ইত্যাদি হয়তো বেড়েওছে, কিন্তু রক্ষনশীলতা বা অপর- ঘৃণা ছিল না, এটা বলাটা অনৈতিহাসিক।
Avatar: h

Re: তাতেও কোন সমস্যা হয় নি কোনদিন

*সহাবস্থান থাকলেও একটা ব্যাবধান ছিল না , এটা বলা যায় না।
Avatar: সুকি

Re: তাতেও কোন সমস্যা হয় নি কোনদিন

ধন্যবাদ সিকি, তোমার বক্তব্য আমি বুঝতে পারছি। আশা করছি খুব তাড়াতাড়ি এই সব ডামাডোলের হত থেকে আমরা নিস্তার পাব।

আমি হনুদার সাথে সম্পূর্ণ (তবে হনুদা আমাকে বাবু করে না বললেই খুশী হব - তুই বা তুমি দুই চলতে পারে) একমত।

বিশুদ্ধ গ্রামীন পরিবেশেও কোনদিন হিন্দু-মুসলিম সব বিষয়ে গলায় গলায় মিলে বাস করে নি বা অদূর ভবিষ্যতে করার সম্ভাবনাও দেখি না। কিছু কিছু প্রত্যন্ত গ্রামে সেই দুই সমাজের মধ্যে এতই দুস্তর ব্যবধান ছিল (বা এখনও আছে) যে জোর করে সেই সব মেলানোর চেষ্টাও আমার কাছে আজকাল আরোপিত বলে মনে হয়। তবে আমার কাছে মূল আজকাল মূল কথা হল ওই শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান। বিশাল পরিমাণে রক্ষণশীলতা ছিল - সময়ের সাথে সাথে অনেকটা দূর হয়েছে। এই যেমন আমার বাবার-কাকার মুসলিম বন্ধুরা বেশীরভাগই আমাদের দূর্গা দালান এড়িয়ে চলত - কোন দিন সরাসরি জিজ্ঞেস করি নি কারণটা - তবে অনুমান করতে পারি নি আমার দাদুদের সময়ের কোন অপ্রীতির স্মৃতি জড়িয়ে আছে হয়ত। কিন্তু আমাদের ব্যাচে সেই ব্যবধান অনেক কমে গিয়েছিল। কিন্তু আমার এও ধারণা যে, এই সব জিনিস এতই ডেলিকেট (অর্থনৈতিক, সামাজিক, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ইত্যাদি) এবং এত বেশী ফ্যাক্টর জড়িয়ে আছে যে, জোর করে কিছু চেঞ্জ করা বা ফোর্স ফিটিং করা যাবে না। সময়ের সাথেই যা গুরুত্বপূর্ণ কিছু হবার হবে। সাময়িক হই-হুল্লোড় বেশীর ভাগই অ্যাজেন্ডা ড্রিভেন, এবং আজকাল বেশ চোখে পড়ার মত রাজনৈতিক প্রভাব যুক্ত - সমস্যা এবং তার প্রতিবাদ দুইই। এই দিয়ে ফেসবুক ভরানো ছাড়া আর প্রায় কিছুই কাজ হবে না।
Avatar: h

Re: তাতেও কোন সমস্যা হয় নি কোনদিন

ফেসবুক এর উপরে অনেক রাগ দেখি। ঃ-)))))) কিন্তু তাইলে পোবোন্দো লিখেই বা কি হবে। একটা কথা বোঝার চেশ্টা করো, লোকে ফেক প্রোগ্রেসিভ এফ বি থাকলেও হবে না থাকলেও হবে,সততা প্রমাণ করতে গিয়ে সাম্প্রদায়িক হয়ে যাচ্ছে এরকম তো কম দেখ নি, লোক্কে সিউডো সেকুলার বলা টা তো এফ বি র আগে থেকেই আছে। কিন্তু ঘটনা হল পোলিটিকালি অসংগঠিত ওপিনিওয়ন গুলো লুজ অ্যাসোসিয়েশনের মাধ্যমে কখনো কোহেসিভ হবে , কখ্কনো হবে না, এটাও সোশাল নেটওয়ার্কিং নিরপেক্ষে। ক্ষমতার রাজনীতিতে পার্টিসিপেট করতে চায় না কিন্তু ওভারল বাওয়াল চায় না, বা সায়েন্স এডুকেশন বাড়ুক এটা চায় এরকম লোকের অবস্থান কে অস্বীকার করার কিছু নেই।

মৌলিক ভাবে আমি মনে করি না, এমন কোনো আদর্শ বিশুদ্ধতা ছিল যেটা এখন বিঘ্নিত হচ্চ্ছে, তিরিশের দশকের ইন্ডিয়া অ্যাক্ট এর পর থেকেই সহাবস্থান স্ট্রেইন্ড। হ্যা এখন একজন বিচার ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিতে সফল অপরাধী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরে দেশ হু হু করে হিন্দু রাষ্ট্রের দিকে এগোচ্ছে, এখন আমি ফেক ও রিয়েল সব রকম ডেমোন্স্ট্রেব্লে অ্যাক্ট অফ টুগেদারনেস কেই স্বাগত জানাই।

তোমার বন্ধুদের কথা এত সুন্দর লিখেছো চোখে জল এসে যাচ্ছে, আর কিছু বলতে ইচ্ছে করছে না। অমর এরকম বন্ধু ছিল, কিন্তু আমাদের হিন্দু আত্মীয় বন্ধু দের কাছে তারা অনেকেই খারাপ ব্যবহার পেয়েছে, এখন যোগাযোগ সুকনো করে দিয়েছে, বুকের ভেতরে কোথাও অভিমান হয়তো রয়ে গেছে।
Avatar: h

Re: তাতেও কোন সমস্যা হয় নি কোনদিন

এবং সেটা বহুদিন ধরে পেয়েছে। নতুন না।
Avatar: Ishan

Re: তাতেও কোন সমস্যা হয় নি কোনদিন

আমারও মাইরি লজ্জা করে। লজ্জ করে আশাবুলের কথা লিখতে। একসঙ্গে বসে মৌলবীদের কত পিন্ডি চটকেছি, সে কথা আলাদা করে লিখব? তুমি সারাদিন হ্যাহ্যা করে ঘুরে বেড়াও কেন, মসজিদে যেতে পারনা? কোন এক চাচা তাকে জিজ্ঞাসা করেছিল। আশাবুল প্রবল দার্শনিকতা সহ জবাবে বলে, সারা দুনিয়াই আমার মসজিদ তো। সেই নিয়ে কত হাসাহাসি।

জাকিরদা তবলা বাজাত। এখনও বাজায় নিশ্চয়ই। বাড়িতে এলেই কোনো না কোনো একটা কঠিন গান গাইতে বলত। মানে চাপাচাপি আর কি। হারমোনিয়াম কোনো কালেই আমার পোষায়না। অন্য কাউকে বাজাতে বসাতো। তারপর, কথার কথা 'এ মৌসমে যেতে তোমায় দেবনা' এক লাইন গাইবার পরেই তবলা থামিয়ে বলত হলনা। আগেরবার কি একটা কাজ করেছিলি সেটা কর। ওইটা ভালো ছিল।
এই আগেরবারের চক্কর আমি কোনোকালেই কাটাতে পারতামনা। গানও শেষ হতনা। গানটান শিখলিনা, শিখলে তোর হত। তা না ঝ্যাং ঝ্যাং করে কীসব করিস। বলে আক্ষেপ করত। বস্তুত, আমার যে অনেক কিছুই হত, কিন্তু কিছুই হলনা, এই অপপ্রচার জাকিরদাই এলাকা জুড়ে শুরু করে। সেই নিয়ে আমি দেখাসাক্ষাৎ হলে এখনও আমি গালমন্দ করে থাকি।

এইসব আলাদা করে লিখতে আমার লজ্জা করে। কী লিখব, কেন লিখব। এসব তো সম্প্রীতি দেখাচ্ছি বলে করিনি কখনও। সেরকম খুব সম্প্রীতি ছিলওনা। গোঁড়ামি ছিল, ছোঁয়াছুঁয়ি ছিল, বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ছিল, বহু কিছুই ছিল আড়ালে আবডালে। সঙ্গে খিল্লি টিল্লিও ছিল। বিশ্ব হিন্দু পরিষদ নামটাই খিল্লির একটা উপাদান ছিল। এসব লিখতে গেলে পুরো মফস্বল তুলে আনতে হয়। সেটা এমনি এমনি নিশ্চয়ইই করা যায়। কিন্তু এখন জোর করে কী লিখব, কেন লিখব। লজ্জা করে।

সুকির লেখা পড়ে এইসব মনে পড়ল। তবে লজ্জা গেলনা। আমি তো নামদুটোও বদলে দিলাম। আসল নাম লিখতে লজ্জা করল বলে।
Avatar: aranya

Re: তাতেও কোন সমস্যা হয় নি কোনদিন

৭০-এর দশকে, কল্যাণীতে আমার স্কুলে একমাত্র মুসলিম ছাত্রী পারভিন, এক ব্যাচ জুনিয়র। পন্ডিত স্যার সংস্কৃত পড়াতে আসতেন, আর নাসের বলে একটি ছেলের কথা বলতেন - 'মুসলমানের ছেলে, কিন্তু সংস্কৃতে কি জ্ঞান!', কোন বিদ্বেষ ছিল না স্যারের সেই মন্তব্যে, বিস্ময় ছিল। পরে পান্নালাল স্কুলে পড়তে গিয়ে সেই নাসের হল বন্ধু, একসাথে শিমূলতলা ঘুরতে গেলাম।
খুবই কম মুসলিম তখন আমার পরিচিতদের মধ্যে, বিদ্বেষের ছিটেফোঁটা ছিল না - এটা নিশ্চিত্ভাবেই বলতে পারি। সৈয়দ মহম্মদ নাসের - মজা করে ডাকতাম সৈয়দ কাজী মহম্মদ পাজি নাসের উল মুলুক। তাতেও কোন প্রবলেম হয় নি কোনদিন।

সুকি-র লেখাটা খুবই ভাল লেগেছে - বলাই বাহুল্য
Avatar: Kakali Sinha Roy

Re: তাতেও কোন সমস্যা হয় নি কোনদিন

পড়ে মনটা ভালো হয়ে গেল। এমন টা ই তো হওয়া উচিৎ তাহলে কোথাও কোন সমস্যা হয়না। কিন্তু হায়।।।
Avatar: শক্তি করভৌমিক দত্ত রায়

Re: তাতেও কোন সমস্যা হয় নি কোনদিন

ভালো গল্প তবে এরকম গল্প সবসময় শুধু গল্প নয়
Avatar: b

Re: তাতেও কোন সমস্যা হয় নি কোনদিন

সেই সব না সমস্যার মধ্যেই কি কিছু ছিলো তবে? নিহিত পাতালছায়া?
Avatar: Swati

Re: তাতেও কোন সমস্যা হয় নি কোনদিন

বাঃ সুন্দর লাগল. আসলে বিদ্বেষ ব্যাপারটা বোধহয় পারিবারিক স্তরে চুপি চুপি ছড়ায়. সেটা না থাকলে এবং তাতে সামাজিক ইন্ধ্বন না থাকলে কোথাও ই কোন প্রবলেম নেই. বা ছিল না.
Avatar: lcm

Re: তাতেও কোন সমস্যা হয় নি কোনদিন

সুসম্পর্ক, বিদ্বেষ - দুই দেখেছি, শুনেছি - সবই ছিল। নইলে আর '৪৬-এ ওই লেভেলে খুনোখুনি হয়েছিল কেমনে।
হিন্দু বাড়িতে গরুর মাংস রান্না দেখি নি, প্রগতিশীল বাড়িতেও নয়। আগে ছেলেছোকরার দল দোকানে বিফ খেত, কিন্তু বাড়িতে রান্না শুনি নি। আজকাল বরং দেখি, কম, কিন্তু দেখেছি। কোনো মুসলিমকে পর্ক খেতে দেখি নি (অবশ্য পর্ক তেমন পাওয়াও যেত না, আর মুসলিম বন্ধু সংখ্যাও কম ছিল), আজকাল দেখি, কম, কিন্তু দেখেছি।
স্বাধীনতার পর থেকে ধর্মীয় অনুভূতিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার একেবারে হয় নি তা নয়, তবে তা ছিল খুবই পরোক্ষভাবে, আজকের মতন এমন খোলাখুলি ভাবে নয়। আদবানি দেশ জুড়ে রামরথে প্রচার করার ঘটনা থেকে এটি একেবারে সামনে চলে আসে। তবে এলাকার ডেমোগ্রাফি দেখে ভোটে প্রার্থী দেবার ব্যাপার বহুদিন ধরেই ছিল যার থেকে বোঝা যায় যে ধর্মীয় অনুভূতি তলে তলে ভোটে কাজ করত।
Avatar: Kaushik

Re: তাতেও কোন সমস্যা হয় নি কোনদিন

বেশ লাগলো লেখটা। এরকম লেখা আরো আসুক।
Avatar: সুকি

Re: তাতেও কোন সমস্যা হয় নি কোনদিন

ঈশানদাকে 'ক'। আমিও এই লেখাটি আলাদা করে সাম্প্রদায়িক কিছু প্রমাণ করার জন্য লিখতে চাই নি। জাষ্ট মফঃস্বলের এক গল্প মনে করেই ভাবা আর কি।
Avatar: Abhishek Sharma

Re: তাতেও কোন সমস্যা হয় নি কোনদিন

nice <a href="https://www.akhrifood.in/2019/03/chilli-chicken-recipe-in-hindi.html">chilli chicken recipe in hindi</a>
Avatar: problem

Re: তাতেও কোন সমস্যা হয় নি কোনদিন

এই সকরুণ বেণুটা (মানে কদ্দিন পরে বোধয় ত্যামন ই লাগবে) যেভাবেই তোলা হোক - ভাল হয়েছে।
চিলি চিকেনের এটা একটা উপকারি প্রকল্প।

মন্তব্যের পাতাগুলিঃ [1] [2]   এই পাতায় আছে 7 -- 26


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন