Swarnendu Sil RSS feed

Swarnendu Silএর খেরোর খাতা।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • রাতপরী (গল্প)
    ‘কপাল মানুষের সঙ্গে সঙ্গে যায়। পালানোর কি আর উপায় আছে!’- এই সপ্তাহে শরীর ‘খারাপ’ থাকার কথা। কিন্তু, কিছু টাকার খুবই দরকার। সকালে পেট-না-হওয়ার ওষুধ গিলে, সন্ধেয় লিপস্টিক পাউডার ডলে প্রস্তুত থাকলে কী হবে, খদ্দের এলে তো! রাত প্রায় একটা। এই গলির কার্যত কোনো ...
  • রাতপরী (গল্প)
    ‘কপাল মানুষের সঙ্গে সঙ্গে যায়। পালানোর কি আর উপায় আছে!’- এই সপ্তাহে শরীর ‘খারাপ’ থাকার কথা। কিন্তু, কিছু টাকার খুবই দরকার। সকালে পেট-না-হওয়ার ওষুধ গিলে, সন্ধেয় লিপস্টিক পাউডার ডলে প্রস্তুত থাকলে কী হবে, খদ্দের এলে তো! রাত প্রায় একটা। এই গলির কার্যত কোনো ...
  • বিনম্র শ্রদ্ধা অজয় রায়
    একুশে পদকপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক অজয় রায় (৮৪) আর নেই। সোমবার ( ৯ ডিসেম্বর) দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার একটি হাসপাতালে শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। অধ্যাপক অজয় দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত নানা অসুখে ভুগছিলেন।২০১৫ ...
  • আমাদের চমৎকার বড়দা প্রসঙ্গে
    ইয়ে, স-অ-অ-অ-ব দেখছে। বড়দা সব দেখছে। বড়দা স্রেফ দেখেনি ওইখানে এক দিন রাম জন্মালেন, তার পর কারা বিদেশ থেকে এসে যেন ভেঙেটেঙে মসজিদ স্থাপন করল, কেন না বড়দা তখন ঘুমোচ্ছিলেন। ঘুম ভাঙল যখন, চোখ কচলেটচলে দেখলেন মস্ত ব্যাপার এ, বড়দা বললেন, ভেঙে ফেলো মসজিদ, জমি ...
  • ধর্ষকের মৃত্যুদন্ড দিলেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে ?
    যেকোন নারকীয় ধর্ষণের ঘটনা সংবাদ মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়ে সামনে আসার পর নাগরিক হিসাবে আমাদের একটা ঈমানি দায়িত্ব থাকে। দায়িত্বটা হল অভিযুক্ত ধর্ষকের কঠোরতম শাস্তির দাবি করা। কঠোরতম শাস্তি বলতে কারোর কাছে মৃত্যুদন্ড। কেউ একটু এগিয়ে ধর্ষকের পুরুষাঙ্গ কেটে নেওয়ার ...
  • তোমার পূজার ছলে
    বাঙালি মধ্যবিত্তের মার্জিত ও পরিশীলিত হাবভাব দেখতে বেশ লাগে। অপসংস্কৃতি নিয়ে বাঙালি চিরকাল ওয়াকিবহাল ছিল। আজও আছে। বেশ লাগে। কিন্তু, বুকে হাত দিয়ে বলুন, আপনার প্রবল ক্ষোভ ও অপমানে আপনার কি খুব পরিশীলিত, গঙ্গাজলে ধোওয়া আদ্যন্ত সাত্ত্বিক শব্দ মনে পড়ে? না ...
  • The Irishman
    দা আইরিশম্যান। সিনেমা প্রেমীদের জন্য মার্টিন স্করসিসের নতুন বিস্ময়। ট্যাক্সি ড্রাইভার, গুডফেলাস, ক্যাসিনো, গ্যাংস অব নিউইয়র্ক, দা অ্যাভিয়েটর, দ্য ডিপার্টেড, শাটার আইল্যান্ড, দ্য উল্ফ অব ওয়াল স্ট্রিট, সাইলেন্টের পরের জায়গা দা আইরিশম্যান। বর্তমান সময়ের ...
  • তোকে আমরা কী দিইনি?
    পূর্ণেন্দু পত্রী মশাই মার্জনা করবেন -********তোকে আমরা কী দিইনি নরেন?আগুন জ্বালিয়ে হোলি খেলবি বলে আমরা তোকে দিয়েছি এক ট্রেন ভর্তি করসেবক। দেদার মুসলমান মারবি বলে তুলে দিয়েছি পুরো গুজরাট। তোর রাজধর্ম পালন করতে ইচ্ছে করে বলে পাঠিয়ে দিয়েছি স্বয়ং আদবানীজীকে, ...
  • ইশকুল ও আর্কাদি গাইদার
    "জাহাজ আসে, বলে, ধন্যি খোকা !বিমান আসে, বলে, ধন্যি খোকা !এঞ্জিনও যায়, ধন্যি তোরে খোকা !আসে তরুণ পাইওনিয়র,সেলাম তোরে খোকা !"আরজামাস বলে একটা শহর ছিল। ছোট্ট শহর, অনেক দূরের, অন্য মহাদেশে। অনেক ছোটবেলায় চিনে ফেলেছিলাম। ভৌগোলিক দূরত্ব টের পাইনি।টের পেতে দেননি ...
  • ছন্দহীন কবিতা
    একদিন দুঃসাহসের পাখায় ভর করে,ছুঁতে চেয়েছিলাম কবিতার শরীর ।দ্বিখন্ডিত বাংলার মত কবিতা হয়ে উঠলোছন্দহীন ।অর্থহীন যাত্রার “কা কা” চিৎকারে,ছুটে এলোপ্রতিবাদী পাঠক।ছন্দভঙ্গের নায়কডানা ভেঙ্গে পড়িপুঁথি পুস্তকের এক দোকানে।আলোক প্রাপ্তির প্রত্যাশায়,যোগ ধ্যানে কেটে ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

ভারতে বিজ্ঞান গবেষণা

Swarnendu Sil

ভারতে বিজ্ঞান গবেষণা ও সেই সংক্রান্ত ফান্ডিং ইত্যাদি নিয়ে কিছুদিন আগে 'এই সময়' কাগজে একটা লেখা প্রকাশিত হয়েছে।
http://www.epaper.eisamay.com/Details.aspx?id=32514&boxid=145526674


https://s2.postimg.org/4oxpryqll/145526674.jpg

সেই লেখাটা নিজে ফেসবুকে দুচার কথা লিখেছিলুম। এখানেও দিলাম। আলোচনা হলে ভাল লাগবে।

"এটা একটু গাছে না উঠতেই এক কাঁদি চাওয়া হয়ে যাচ্ছে। বিশ্বমানের গবেষণা করতে শুধুই টাকা আর সুযোগ-সুবিধে লাগে (এমনও নয় যে ভারতে টাকা আর সুযোগ-সুবিধার অভাব নেই) এমন না, একটা thriving research community ও লাগে ( রিসার্চ -এ থাকতে ইচ্ছুক ছাত্রছাত্রীরাও তার একটা জরুরী অংশ) । একে তো সেরকম কম্যুইনিটি ভারতে নেই বললেই চলে, তার ওপর এইসব 'বেছে বেছে সার-জল দেওয়া'-র যুক্তি মেনে চললে গড়ে ওঠার যেটুকু সম্ভাবনা আজকে একটু একটু দেখা যাচ্ছে, সেও যাবে।

এই লেখাটাতেই লেখক লিখেছেন "পারিজাত ফুটতে বড় বাগান লাগে"...সেই যুক্তিটাকে লেখক আর একটু বেশী সিরিয়াসলি নিলেই ওনার বক্তব্যের ভ্রান্তিটা দেখতে পেতেন। দেশের এখন রিসার্চের যা অবস্থা, তাতে বড় বাগান দুরের কথা, ছাদে কটা টব ও লাগানো হয়নি। টবের সংখ্যা আরও কমাব বললে ছাত্রছাত্রীরা একে তো আরোই রিসার্চে আসতে চাইবে না, যারা আসবে তারাও thriving community র অভাবে বিদেশে যেতে বাধ্য হবে।

আর বিশ্বমানের গবেষণা চরক-সুশ্রুতের সময়ে একা একা করা যেত, আজ আর যায় না। বিশ্বমানের গবেষণা করতে সেই ফিল্ডে সারা পৃথিবীর প্রথম সারির গবেষকরা কি করছে, বলছে ও ভাবছে সেটা জানাটা নিতান্ত জরুরী একটা বিষয়, তাই বিদেশে কনফারেন্স ও ভিজিট-এ যাওয়া নেহাতই জরুরী একটা জিনিস, সেটাকে লেখকের 'পুতুল খেলা' মনে হয়েছে যখন, তখন আর বোধহয় বিশ্বমানের গবেষণা ইত্যাদি ভারী ভারী কথা নিয়ে আলোচনা না করাই ভাল। :)

ভারতে গবেষণার সত্যিকারের মূল সমস্যা এই 'কোহিনূর খুঁজে পাওয়া' অ্যাটিচিউডটাই। যেন প্রতিভা একটা জন্মগত বিষয়, তার লয়-ক্ষয়-বিবর্তন কিচ্ছু নেই, খুঁজে পেলেই হল। প্রতিভা যে একটা অনুকূল পরিবেশের ফসল, সেই বোধ যতদিন না তৈরি হচ্ছে, এইরকম লেখাও লেখা হতে থাকবে, সাধারণ মানুষের মধ্যে এইসব লেখার সমর্থন ও থাকবে। খুবই দুঃখজনক, কিন্তু নিছক সত্যি।"

324 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

শেয়ার করুন


Avatar: T

Re: ভারতে বিজ্ঞান গবেষণা

দূর, কনফারেন্স ভিজিট এমন কিস্যু 'জরুরী' বা নেসেসিটি বলে মনে করি না যেখানে উদ্দেশ্যটা হচ্ছে সারা পৃথিবীর গবেষকরা কি ভাবছে সেইটে জানা। সাবস্ক্রিপশন থাকলেই হয়। পেপার তো পাওয়াই যাচ্ছে। এছাড়া কনফারেন্স রেজিস্ট্রেশনের খচ্চা যা দাঁড়িয়েছে তাতে টাকা যোগাড় করাও খুব মুশকিল। কদ্দিন আর গ্রান্ট পাওয়া যায়।
দেশের গবেষণার বিবর্তনের জন্য পরিবেশ অবশ্যই দরকার। সরকারী ফান্ডিং না বাড়ালে, মানে যা দেওয়া হচ্ছে তার থেকে আরো অনেক বেশী না ঢাললে কিচ্ছু এগোবে না। 'প্রচুর' দরকার কারণ কিছু জলাঞ্জলি যাবেই। বেসিক সায়েন্সে রিসার্চ সারা পৃথিবীতেই এখন উন্নতমানের যন্ত্রনির্ভর হয়ে গ্যাছে বহুকাল আগে। সেখানে দেশের আদ্দেক রিসার্চ ল্যাবের বা ইন্সটিট্যুটের পরিকাঠামো কিচ্ছু নেই। যদ্দিন না তা হচ্ছে 'পরিবেশ'ও তৈরী হবে না।

ফিজিক্স ইত্যাদিতে একটু উঁচুদরের গবেষণার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি কিস্যু দেশে তৈরী হয় না। সেরম ইন্ডাস্ট্রীও নেই। স্পেশালাইজড ইক্যুপমেন্ট নেই, বিদেশ থেকে আনতে প্রচুর খরচ। এবং যেটা ট্রেন্ড সেটা হচ্ছে সস্তায় জুগাড় টাইপ কিছু বানানোর চেষ্টা। সঙ্গে মিডিয়া হাইপ। অমুক দেশের তুলনায় অনেক সস্তায় আমরা বানাচ্ছি ইত্যাদি।

বড়সড় প্যারাডাইম শিফট না হলে ভারতীয় অ্যাকাডেমিক্স এমনিই জিজিতে চলে যাবে আর বছর দশ পনেরোর মধ্যে। যেসময় উন্নত দেশগুলো কী টেকনোলজি ডেভেলপ করছিল, আমরা তখন জুগাড় বানাতে গিয়ে সময় নষ্ট করেছি। এর ফলটা তো ভুগতে হবে। চীন কারখানার মতো প্রতিভা তৈরী করে বলে এইসময়ের লেখক আক্ষেপ করেছেন (যেটা বেসিক্যালি সানি), কিন্তু সেদেশ বেসিক সায়েন্সের রিসার্চ বা ইনফ্রা বিল্ডাপে বহু বহু গুণ এগিয়ে গেছে। এবং স্কুল লেভেল থেকে ডেভেলপমেন্টের দিকে ওরা নজর দিয়েছে। ফিজিক্স ম্যাথ অলিম্পিয়াডে চীনের পারফরম্যান্স সবাইকে লজ্জা দেবে। এঞ্জিনিয়ারিং রিসার্চ তো ছেড়েই দিলাম। যাবতীয় স্পেশালাইজড ইক্যুপমেন্ট চীন নিজেরাই দেশে তৈরী করে চলেছে।

দেশের রিসার্চ এখন করে খাওয়া পাবলিকে ভর্ত্তি। এ আর কিছু করা যাবে না। যেমন চলছে চলবে। আমরা কিছু ভালো ছাত্র ছাত্রী তৈরী করব যাদের বেসিক এডুকেশন ঠিকঠাক। তারা বাইরে যাবে। বাকিরা অসীম আনন্দময় গোঁতাগুঁতিতে সামিল হবে।

পিকক।


Avatar: sswarnendu

Re: ভারতে বিজ্ঞান গবেষণা

অন্য বিষয়ে খুব ভাল জানি না তাই বলার কোন মানে নেই হয়ত, কিন্তু অঙ্কে অন্তত কাজ যতদিনে পেপারে ছেপে বেরোয় ততদিনে তা ওল্ড নিউজ, কারণ কাজ জমা দেওয়া থেকে পেপার ছাপা হওয়ার মধ্যে দুবছরের ব্যবধান বেশ সাধারণ ঘটনা।

বাকিটা একদমই একমত। এই জোগাড়ে তৈরির চেষ্টাটা ভয়ানক ক্ষতিকর।
Avatar: b

Re: ভারতে বিজ্ঞান গবেষণা

যুগাড় শুধু যন্ত্রে নয় হে টি, আইডিয়াতেও। এটা অবশ্য আমার সাবজেক্টে বল্লাম।
Avatar: pi

Re: ভারতে বিজ্ঞান গবেষণা

কনফারেন্স ভিজিটে বা মিটিঙ্গ এ সামনাসামনি আলোচনায় কিছু লাভ তো হয় বটেই।

ফিজিক্সের হাই ফাই যন্ত্র ছেড়ে দিলাম, বায়ো কি কেমিস্ট্রির কাজের সাধারণ কেমিক্যাল, এপেন্ডর্ফের মত সাধারণ জিনিস কেন ভাল মানে ( বোল্ড, আণ্ডারলাইন্ড) , দেশের কোন কোম্পানি বানাতে পারবেনা? একগাদা বেশি খরচ করে, সময় দিয়ে, হ্যাপা পুইয়ে বিদেশি কোম্পানির থেকে কিনতে হবে?

জরমানির কিছু প্রাসঙ্গিক অভিজ্ঞতার কথা লিখব, পরে কম্প থেকে।
Avatar: PT

Re: ভারতে বিজ্ঞান গবেষণা

আমার পরিচিত এক অধ্যাপক এক সময়ে গবেষণা বন্ধ করে দেন। DBT, DST, DRDO ইত্যাদি থ্কে প্রাপ্ত টাকার ব্যবহার সম্পর্কে তাঁর তত্বগুলো এইরকমঃ
- গবেষণার জন্যে প্রয়োজনীয় প্রায় সব ইন্স্ট্রুমেন্ট কেনা হবে বিদেশের কোম্পানি থেকে।
- গবেষণার জন্যে প্রয়োজনীয় ফাইন কেমিকাল্স কেনা হবে বিদেশী কোম্পানী থেকে।
- গবেষণাপত্র ছাপানো হবে বিদেশী জার্নালে।
- গবেষণার পরে ছাত্র পিএইচডি করে বিদেশে চলে যাবে পোস্টডক করতে। আর বেশীর ভাগই দেশে ফিরবে না।
অতএব এদেশের করদাতাদের টাকায় গবেষণা করে ও করিয়ে দেশের কোনই উপকার হয়না কিছু ব্যক্তিগত প্রাপ্তি ছাড়া।
বলাবাহুল্য যে তিনি ইন্টার্ভিউ বোর্ডের এক্সপার্টদের এই যুক্তি দেখানোর ফলে প্রফেসর না হয়েই অবসর নেন। যদিও ক্লাশে পড়াতেন চমৎকার!!
Avatar: sswarnendu

Re: ভারতে বিজ্ঞান গবেষণা

PT যেরকম ঘটনা বললেন সেরকম ঘটনা খুব বিরল নয়, কিন্তু গবেষণা বন্ধ করে দিয়ে কি একটারও সমাধান হবে?

b,
আইডিয়ায় তো বটেই, সবচেয়ে বিশ্রী ব্যাপারটা হল এ নিয়ে একটা resigning attitude. মানে এই ফোর্থ হ্যান্ড-ফিফথ হ্যান্ড আইডিয়া নিয়ে কাজ করছেন শুধু না, তাইই করে যাওয়ার বাইরে অ্যাম্বিশন ও নেই, পুরোটাই 'করে তো খেতে হবে' এইরকম মনোভাব। অঙ্ক করতে যন্ত্র-রিয়েজেন্ট-ইন্সট্রুমেন্ট কিচ্ছু লাগে না বলেই বোধহয় এইটা অঙ্কে সবচেয়ে প্রকটভাবে দেখেছি।

পাই,
দেশে ইন্সট্রুমেন্ট বানানোর কোম্পানীই তো নেই। যাদবপুর যখন ন্যাশনাল ইন্সট্রুমেন্ট-এর পড়ে থাকা ফেসিলিটি কিনল, ভেবেছিলাম হয়ত যে পড়ে থাকা ছিটেফোঁটা সেট-আপটা রিভাইভ করে ইন্সট্রুমেন্ট বানাবে। কোথায় কি? জমিজায়গা কেনার মত কিনেছে, একই ভাবেই পড়ে আছে, একই রকম অগাছা হচ্ছে।
Avatar: রামরাহা

Re: ভারতে বিজ্ঞান গবেষণা

যুগাড় ইনোভেশন কত্ত ভালো এই নিয়ে তাবড় তাবড় লোক কত বক্তিমে দ্যান। গত পাঁচ বছর ধরে শুনছি সেসব।
Avatar: sswarnendu

Re: ভারতে বিজ্ঞান গবেষণা

:)


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন