Garga Chatterjee RSS feed

Garga Chatterjeeএর খেরোর খাতা।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • নিকানো উঠোনে ঝরে রোদ
    "তেরশত নদী শুধায় আমাকে, কোথা থেকে তুমি এলে ?আমি তো এসেছি চর্যাপদের অক্ষরগুলো থেকে ..."সেই অক্ষরগুলোকে ধরার আরেকটা অক্ষম চেষ্টা, আমার নতুন লেখায় ... এক বন্ধু অনেকদিন আগে বলেছিলো, 'আঙ্গুলের গভীর বন্দর থেকে যে নৌকোগুলো ছাড়ে সেগুলো ঠিক-ই গন্তব্যে পৌঁছে যায়' ...
  • খানাকুল - ২
    [এর আগে - https://www.guruchan...
  • চন্দ্রযান-উন্মত্ততা এবং আমাদের বিজ্ঞান গবেষণা
    চন্দ্রযান-২ চাঁদের মাটিতে ঠিকঠাক নামতে পারেনি, তার ঠিক কী যে সমস্যা হয়েছে সেটা এখনও পর্যন্ত পরিষ্কার নয় । এই নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতে শুরু হয়েছে তর্কাতর্কি, সরকারের সমর্থক ও বিরোধীদের মধ্যে । প্রকল্পটির সাফল্য কামনা করে ইসরো-র শীর্ষস্থানীয় বিজ্ঞানীরা ...
  • দেশত্যাগ...
    আমার এক বন্ধু ওর একটা ভিজিটিং কার্ড আমাকে দিয়েছিল। আমি হাতে নেওয়ার সময় কার্ডটা দেখে বুঝতে পারলাম কার্ডটা গতানুগতিক কোন কার্ড না, বেশ দামি বলা চলে। আমি বাহ! বলে কাজ শেষ করে দিলাম। আমি আমার বন্ধুকে চিনি, ওর কার্ডের প্রতি এরচেয়ে বেশি আগ্রহ দেখালে ও আমার মাথা ...
  • পাঠকের সঙ্গে তাদের হয় না কো দেখা
    মানস চক্রবর্তীকবিতা কি বিনােদনসামগ্রী? তর্ক এ নিয়ে আপাতত নয়। কবিতা কি আদৌ কোনাে সামগ্রী? কোনাে কিছুকে পণ্য হয়ে উঠতে হলেও তার একটা যােগ্যতা দরকার হয়। আজকের দিনে কবিতা সে-অবস্থায় আদৌ আছে কি না সবার আগে স্পষ্ট হওয়া দরকার। কবিতা নামে একটা ব্যাপার আছে, ...
  • হে মোর দেবতা
    তোমারি তুলনা তুমি....আজ তাঁর জন্মদিন। আমার জংলা ডায়রির কয়েকটা ছেঁড়া পাতা উড়িয়ে দিলুম তাঁর ফেলে যাওয়া পথে।দাঁড়াও পথিকবর....জন্ম যদি তব অরণ্যে," সবুজ কাগজেসবুজেরা লেখে কবিতাপৃথিবী এখন তাদের হাতের মুঠোয়"(বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়)মহাভারত...
  • বেকার ও সমীকরণ
    'বেকার'-এই শব্দটি আমাকে আজন্ম বিস্মিত করেছে। বাংলায় লেখাপড়া শিখে, এমনকী একাদশ শ্রেণীতে বিজ্ঞান বিভাগে পড়ে, সে কী বাংলায় পদার্থবিদ্যার বিদ্যা বালানীয় চর্চা! যেমন, 'ও বিন্দুর সাপেক্ষে ভ্রামক লইয়া পাই।' ভ্রামক কি রে? ভ্রম না ভ্রমণের কাছাকাছি? না, ভ্রামকের ...
  • ধানবাদের রায়বাবু
    অরূপ বসুবেশ কয়েকমাস আগে লিখেছিলাম, ভাল নেই ধানবাদের রায়বাবু। অরুণকুমার রায়ের স্মিত হাসিমুখ ছবির সঙ্গে সেই খবর পড়ে অনেকেই বিচলিত হয়েছিলেন। এখন লিখতে হচ্ছে, ধানবাদের রায়বাবু আর নেই! যে খবর ইতিমধ্যেই অনেকের হৃদয়, মন বিবশ করেছে। রায়বাবু নেই, কিন্তু ...
  • চন্দ্রকান্ত নাকেশ্বর
    চন্দ্রযান-৩ যখন ফাইনালি টুক করে চাঁদে নেমেই পড়ল তখন 'বিশ্বে সে কী কলরব, সে কী মা ভক্তি, সে কী মা হর্ষ'-র মধ্যে বোম্বে ফিল্ম কোম্পানি ঠিক করল একটা ছবি বানাবে। চন্দ্রযান-১ যখন চাঁদে গেছিল, তখন একটুও ফুটেজ পায়নি। কিন্তু তারপর মঙ্গলযান নিয়ে একটা আস্ত ছবি হয়ে ...
  • পাখিদের পাঠশালা
    'আচ্ছা, সারা দেশে মোট কতজন ক্যান্ডিডেট এই পরীক্ষাটা দেয়?', লোকটা সিগারেটে একটা টান দিয়ে প্রশ্ন করলো।-'জানা নেই। তবে লাখ দশেক তো হবেই।', আমি বললাম।- 'বাব্বা! এতজন! সিট কতো ?'-'বলতে পারব না। ভাল কলেজ পেতে গেলে মেরিট লিস্টে যথেষ্ট ওপরে নাম থাকতে হবে।'-' তার ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

ভাষা, আত্মসম্মান ও অধিকার – পা চাটতে লাগে শুধু জিভ

Garga Chatterjee

পুরো দুনিয়া জুড়ে ব্যবসার একটা প্রাথমিক নিয়ম আছে। ইংরেজিতে এই নিয়ম-কে বলে ‘কাস্টমার ইজ কিং’ অথবা ‘কাস্টমার ইজ অলওয়েজ রাইট’। এর ভাবার্থ হলো, কোন পরিষেবা দানের ক্ষেত্রে, গ্রাহকের সুবিধে-অসুবিধে, সেইটাই আসল। যে পরিষেবা দিচ্ছে, যেহেতু যে গ্রাহকের থেকে টাকা নিচ্ছে, তাই তার দায়িত্ব হলো গ্রাহক-কে তার সুবিধে মত পরিসেবা দেওয়া। গ্রাহকের কাজ নয় পরিষেবা-দাতার সুবিধে মত ছাঁচে নিজেকে তৈরী করা। দুঃখের বিষয় হলো, নিখিল বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ শহর আমাদের এই কলকাতায় এই নিয়মটি বাঙালিদের ক্ষেত্রে খাটে না। একটু ভেঙ্গে বলি।

সম্প্রতি আমি প্লেনে চেপে চেন্নাই গেছিলাম। দমদম বিমানবন্দরে পৌছনোর পর ঘোষণায় জানলাম যে গেটটি থেকে প্লেন ছাড়ার কথা ছিল, সেটি পাল্টে গেছে। আমাকে যেতে হবে আরেকটি গেটে। অগত্যা তাই গেলাম। আমি ছিলাম প্লেনে ওঠার লাইনের একদম শেষের দিকে। আমরা সকলে প্রায় প্লেনে উঠে পরেছি তখন দেখলাম একজনকে বেশ ধমক দিতে দিতে একজন এয়ার ইন্ডিয়া কর্মী আমাদের লাইনের দিকে দেখাচ্ছেন। উনি বেশ অপদস্থ ও লজ্জিত বোধ করে গুটি গুটি আমাদের লাইনের দিকে এগিয়ে এলেন। আমি ওনাকে ব্যাপারটা জিজ্ঞেস করলাম। উনি আমাকে জানালেন যে উনি বাংলা জানেন কিন্তু ইংরেজি-হিন্দী জানেন না। না জানতেই পারেন। অধিকাংশ বাঙালি-ই ইংরেজি-হিন্দি জানেন না। বিশ্বজুড়ে অধিকাংশ মানুষই নিজেদের মাতৃভাষা ছাড়া অন্য ভাষা জানেন না। না জানাটা অপরাধ নয়। অধিকাংশ রুশ, অধিকাংশ জাপানি, অধিকাংশ চীনা মানুষ-ই নিজেদের মাতৃভাষাই শুধু জানেন। যেহেতু এই বাংলার সর্ববৃহৎ শহরের সর্ববৃহৎ বিমানবন্দরে এই বাঙ্গালীটি শুধু বাংলা জেনেই ঢুকে পড়েছেন প্লেনে চাপতে, তাই স্রেফ হিন্দি ও ইংরেজি-তে করা ঘোষণাগুলি উনি ঠিক ধরতে পারেননি। ফলে পুরনো গেটেই এদিক সেদিক করছিলেন। তারপর সেখানে চেন্নাই-এর প্লেন ছাড়ার কোন চিহ্ন না দেখে শেষে একে তাকে জিজ্ঞেস করে এই নতুন গেটে এসছেন। যেহেতু দেরি করে এসছেন, তাই যে এয়ার ইন্ডিয়াকে উনি গুনে গুনে প্লেনে চড়তে অনেক টাকাই দিয়েছেন, তারা তাকে দেরি করার জন্য ধমক দিচ্ছিলেন। উনি লজ্জা করে আর বলে উঠতে পারেননি যে উনি হিন্দি-ইংরেজি জানেন না। আসলে লজ্জা পাওয়ার কথা এয়ার ইন্ডিয়ার। যে কোম্পানি কারুর থেকে কড়ায়গন্ডায় টাকা বুঝে নিয়ে গ্রাহকের নিজের ভাষায় তাকে পরিষেবা দিতে অস্বীকার করে। আর লজ্জা পাওয়ার কথা আমাদের – যারা বাংলায় বসে বাঙালির সাথে এয়ার ইন্ডিয়ার এই হিন্দি-ইংরেজি খবরদারি নীতিকে স্বাভাবিক মনে করি এবং স্রেফ বাংলা জানা বাঙালির হিন্দি-ইংরেজি না জেনেই তার নিজেদের দেশ বাংলার মাটিতে গড়া বিমানবন্দরে এসে প্লেনে চড়ার ‘ধৃষ্টতা’কে অস্বাভাবিক মনে করি।

আমরা ভারতীয় ইউনিয়ন নাম এক অদ্ভূত রাষ্ট্রের অধীন। এখানে সরকারী এয়ারলাইন কোম্পানি, যা কিনা অনেকের মতই বাঙালির দেওয়া টাকার ভর্তুকি-তে চলে, এলাকার মানুষকে এলাকার ভাষায় পরিষেবা দিতে চায় না। বলে নিয়ম নেই। আসলে এই নিয়ম ভারত সরকারের। এ নিয়ম সচেতন। এ নিয়ম এই রাষ্ট্রে হিন্দি-ইংরেজি ভাষী ছাড়া আর সকলকে দ্বিতীয় শ্রেনীর নাগরিক করে রাখার এক সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। এই নিয়মতন্ত্র চলছে আমার আপনার টাকায়। এই নিয়মকে অনেক উড়ুক্কু বাঙালি সঠিক মনে করেন। আমাদের মতো নির্লজ্জ ও ক্ষমতার পা-চাটা জাত আর হয় না। বাঙালি এলিট-রা এককালে ইংরেজ-দের পা চাটত, এখন তারা পা চাটে দিল্লীর। এই পা চাটার মাধ্যমেই স্রেফ নামে একটি বাঙালি শ্রেণী সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রাণে-বচনে-যাপনে বাঙালিদের দাবিয়ে রেখেছে। এই শ্রেনীর উত্খাত এমন এক মঙ্গলময় প্রকল্প যাতে বঙ্গলক্ষ্মীর আশীর্বাদ থাকবে বলে আমি নিশ্চিত।

ওই প্লেন যাত্রায় বাঙালির বিড়ম্বনা এখানেই শেষ না। প্লেন যাচ্ছে বাংলা থেকে তামিল নাডু। প্লেনের অধিকাংশ যাত্রীর মাতৃভাষা হয় বাংলা কিম্বা তামিল। কি করে সিট-বেল্ট বাঁধতে হয় থেকে শুরু করে বিপদ হলে কি কি করতে হবে, এমন গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলি এই সরকারী প্লেনে বাংলা বা তামিল, কোন ভাষাতেই বিমান-সেবিকারা ঘোষণা করলেন না। এমনকি লিখিত অবস্থাতেও সেটি সে তথ্য কথাও ছিল না। যে সরকার তার নীতির অংশ হিসেবে বাঙালি ও তামিলদের সুরক্ষা নির্দেশাবলী শোনায় হিন্দি-তে, সে সরকার আর যাই হোক বাঙালি বা তামিলের প্রাণ ও সুরক্ষা নিয়ে চিন্তিত নয়। তাহলে এ কেন্দ্রীয় সরকার আসলে কার? যাদের ভাষায় তারা সুরক্ষা নির্দেশ দিল, তার। আমার বলতে লজ্জা করছে যে মধ্য-প্রাচ্য থেকে অনেক বিমানে চড়ে আমি কলকাতা এসছি, যেখানে প্লেনের নানা অংশে নানা নির্দেশ (যেমন দরজায় লেখা ‘টানুন’ বা ফ্লাস করতে কোথায় টিপতে হবে) বাংলা-তামিল-হিন্দি-আরবী-ইংরেজি এমন অনেক ভাষায় লেখা থাকে। কেন? তাদের কাছে বিমান একটি পরিষেবা, যেখানে তারা গ্রাহকের সুবিধা করতে চায়। আমার দেশ যে রাষ্ট্রের অধীন, তারা দুরদর্শন থেকে ব্যাঙ্কের পাশবই থেকে সরকারী বিমানের সুরক্ষা নির্দেশ, সবখানেই হিন্দি প্রচারের মাধ্যমে তেরঙ্গা জাতীয়তাবাদ প্রচারে ব্যস্ত। ঐক্যের মধ্যে বৈচিত্রের স্লোগানের নাম যে জুয়াচুরি অ-হিন্দিভাষীদের সাথে চলেছে দেশভাগের পর থেকে, তার হিসেব কি আমরা নেব না? আমরা নিজেদের কাছে আর কত ছোট হবো? এ কোন একতা যা বজায় রাখতে আত্মসম্মান বন্ধক রাখতে হয়? একতা চাই – এমন একটা, তার পূর্বশর্ত হবে পারস্পরিক সম্মান।

প্লেনে যে ওঠে, সে শুধু বাংলা জানুক বা ইংরেজি পণ্ডিত হোক, নিখিল বাংলাদেশের নিরিখে সে একজন এলিট। সেখানেই যদি ভাষার ক্ষেত্রে এমন করে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়, একবার ভেবে দেখুন রোজকার সেই অভিজ্ঞতাগুলির কথা – যেখানে বাংলার সীমান্তের বিএসএফ, কলকাতার মেট্রোতে রেল পুলিশ, বর্ধমানে সরকারী বেঙ্কের ম্যানেজার এবং আরো অনেকে যারা নাকি আমাদের ‘পরিসেবা’ দ্যান বাংলা না জেনেই। উত্তরপ্রদেশে হিন্দি না জেনে এই কাজগুলি করতে চাইলে স্থানীয় মানুষ তাদের কি অবস্থা করত, সেটা নাই বললাম। অনেকেই এসব শুনে বলবেন – হিন্দী তো রাষ্ট্রভাষা বা জাতীয়ভাষা। তাদের জানিয়ে রাখি, হিন্দি রাষ্ট্রভাষা নয়, জাতীয় ভাষাও নয়। এগুলি রাষ্ট্র হিতার্থে চালু গুজব। গুজরাট হাইকোর্ট রায়তে জানিয়েছেন যে গুজরাটের ক্ষেত্রে হিন্দী ‘ফরেন’ বা বিদেশী ভাষা। আর রয়েছি আমরা। এমন এক জাতি, যারা কোথাও ঢুকতে গেলে দরজা খুলতে বলিনা, দরজার ফাঁক দিয়ে নিজেকে বেঁকিয়ে গলানোর চেষ্টা করি। এই বাঙালিই বাংলার মাটিতে টেক্সীকে হাত দেখিয়ে হিন্দিতে জিজ্ঞেস করে ‘যায়েগা?’। চম্পারন বা ভোজপুর জেলা কলকাতায় গতর খাটতে আশা আমার সেই টেক্সী-চালক ভাই-এর ভাষা যে হিন্দি নয়, ভোজপুরি, আমরা তাও জানিনা। এও জানিনা যে সে বাংলা বোঝে। দিল্লি-তে তো কত বাঙালি শ্রমিক কাজে যান – কোন হিন্দিভাষী সেখানে তাদেরকে বাংলায় হাঁক দ্যান?

সম্প্রতি মহারাষ্ট্র সরকার নিয়ম করেছেন যে নতুন অটো-রিক্শ পারমিট পেতে হলে মারাঠি বলতে জানতে হবে। কোন প্রতিবাদ হয়নি এ ঘোষণার কারণ এটি স্বাভাবিক। সেখানে অধিকাংশ অটো-চালকের মাতৃভাষা মারাঠি নয়। তারা বাইরে থেকে আসা। কিন্তু তারা জানে না এক্ষেত্রে যাকে পরিসেবা দেওয়া হচ্ছে, সেটাই অগ্রধিকার পায়। সেই বহিরাগতরাও মারাঠি শিখে নিয়েছে এবং সৎভাবে রোজগার করে খাচ্ছে। এটা এই বাংলায় সম্ভব না। কারণ এর জন্য লাগে আত্মসম্মান ও শিরদাঁড়া। পা চাটতে লাগে শুধু জিভ।

1785 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

শেয়ার করুন


মন্তব্যের পাতাগুলিঃ [1] [2] [3] [4]   এই পাতায় আছে 61 -- 80
Avatar: কল্লোল

Re: ভাষা, আত্মসম্মান ও অধিকার – পা চাটতে লাগে শুধু জিভ

*কাজ
Avatar: SC

Re: ভাষা, আত্মসম্মান ও অধিকার – পা চাটতে লাগে শুধু জিভ

আচ্ছা, লেখকের মতে কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ড এ দাঁড়িয়ে, এইভাবে হিন্দিভাশায় বক্তৃতা করা কি উচিত?
যারা বুঝতে পারলেননা, তাদের জন্য অল্টারনেট ব্যবস্থা করতে হবে।

https://www.youtube.com/watch?v=iJ-SpxOCTiE
Avatar: Ekak

Re: ভাষা, আত্মসম্মান ও অধিকার – পা চাটতে লাগে শুধু জিভ

ভারতের একটা রাষ্ট্রভাষা দরকার ।একটা কৃত্রিম ভাষা যা কারো নয় । সেইকারণেই সবার । এই দুদিন অন্তর ভাষা ক্যাচাল আর পোষায় না :|
Avatar: h

Re: ভাষা, আত্মসম্মান ও অধিকার – পা চাটতে লাগে শুধু জিভ

একক ঃ-))) এস্পারান্তো ফেল করেছে।।।।ঃ-))) তোমার এটাকে ক্যাচাল মনে হচ্ছে, কল্লোল দার আর আমার এটাকে ডাইভার্সিটির গণতান্ত্রিক আলোচনা পদ্ধতি মনে হচ্ছে। কেন একটা ন্যাশনাল লিঙ্গো লাগবে কেন? মানে তোমার বানানো রোবোট যদ্দিন একটা সোজা মত হিন্দী বানিয়ে দেয় ঃ-)))
Avatar: Ekak

Re: ভাষা, আত্মসম্মান ও অধিকার – পা চাটতে লাগে শুধু জিভ

কোনো ভাষা বন্ধ করতে বলছি না তো । হিন্দি -তামিল-বাংলা সবাই থাকুক । একটা কৃত্রিম ভাষার উদ্যোগ দরকার যেটা কমন ল্যন্গুএজ হিসেবে ব্যবহার হবে। যেকোনো সিস্টেমে মাঝে মাঝে ঝুঁটি বেঁধে দিলে আবার নতুন করে খুলতে সুবিধে হয় । কৃত্রিম একটা খাঁচা দেওয়া হোক। এবার সবাই সেই খাঁচায় নিজের শব্দ-রীতি গুঁজে দেওয়ার চেস্টা করুক । মজা হবে বেশ :) বোঝাতে পারছিনা বোধহয় । এস্পেরেন্ত বা ইন্লিন্গুয়া এরকম সেন্ট্রালি কন্ত্রল্ড ব্যাপর না । একটা বেসিক লুক আপ থাকবে। তারপর সবাই সেটা নিয়ে লড়বে । হিন্দি না তামিল এই আলোচনা টা ঠিক কোথাও পৌছয় না । মজা নাই :|
Avatar: Ekak

Re: ভাষা, আত্মসম্মান ও অধিকার – পা চাটতে লাগে শুধু জিভ

মানে এরকম বলা যায় হয়ত , কোনো অফিসিয়াল ভাষাই তো ন্যাচেরাল নয় , ভাষা যার ব্যকরণ ইত্যাদি আছেঃ তা কৃত্রিম , কাজের প্রয়োজন এ কোনো না কোনো সময় কেও বা কাহারা ঝুঁটি বেঁধেছে তারপর সেই কন্স্ত্রাক্ষণ আবার ভাঙ্গতে ভাঙ্গতে সো কল্ড ন্যাচেরাল হয়ে গ্যাছে , তো আবার ওরকম একটা বাঁধা গেলে এবং এবার ,যন্ত্র যেহেতু আগেচ্চে উন্নত , সবাইকেই গুঁত গুঁটির এতটা চান্স দিলে বেশ মজা হয় । বোঝন যোগ্য হলো বোধায়।
Avatar: T

Re: ভাষা, আত্মসম্মান ও অধিকার – পা চাটতে লাগে শুধু জিভ

না, এখনো হয় নি।
Avatar: avi

Re: ভাষা, আত্মসম্মান ও অধিকার – পা চাটতে লাগে শুধু জিভ

আমার এক কেরালাইট দিদির বর উর্দূভাষী। তারা কলকাতায় থাকে। তাদের মেয়ে ৩-৪ বছর বয়সে কথা বলার সময় মালয়ালী, উর্দূ, বাংলা আর ইংরেজি একসাথে ব্যবহার করত। র‍্যান্ডমলি একটার গ্রামার, আরেকটার নাউন, অন্যের ভার্ব এইভাবে। দিদি তা নিয়ে বেশ চিন্তিত থাকতো। এই ধাঁচে কি নতুন ভাষা তৈরি হবে? লার্জ স্কেলে?
Avatar: কল্লোল

Re: ভাষা, আত্মসম্মান ও অধিকার – পা চাটতে লাগে শুধু জিভ

তৈরী করা ভাষা টেঁকে না। একক যেভাবে বলছিস, অনেকটা সেরকম "ঝুঁটি" বেঁধেই পরেকার সংষ্কৃত তৈরী হয়। শাসনের প্রয়োজনে কমন ভাষা। সে দেবভাষা বলেই রয়ে গেলো ও কালে কালে মরেও গেলো।
Avatar: lcm

Re: ভাষা, আত্মসম্মান ও অধিকার – পা চাটতে লাগে শুধু জিভ

কিন্তু সব পার্টিই তো ভোতের সময় একই ভাষায় কথা বলে। ভাষা দিয়ে ভোটে বাজিমাত - ধুস্‌, এমন হয় নাকি !
Avatar: potke

Re: ভাষা, আত্মসম্মান ও অধিকার – পা চাটতে লাগে শুধু জিভ

টি, বুঝলি না? এককের ধান্ধা একটা মডেল নামানোর ঃ)
Avatar: কল্লোল

Re: ভাষা, আত্মসম্মান ও অধিকার – পা চাটতে লাগে শুধু জিভ

লসাগু।
গ্রহনযোগ্যতার সাথে ভোটের ততো নির্দিষ্ট সম্পর্ক নেই।
ভাষা বিষয়টা শুধু কথা বা লেখার মধ্যে আটকে থাকে না। তার সাথে বক্তার কথার সুর, শব্দচয়ন, আওয়াজের স্তর, চাহনি, সব মিলিয়ে শরীরভাষাও যোগ হয়।
গতকাল ব্রিগেডে বামেরা বলছে শিল্প চাই, না হলে বাংলার উন্নয়ন হবে না। একই কথা ২০০৯-১০এও বলেছিলো। পার্থক্যটা ঐ কথার সুর, শব্দচয়ন, আওয়াজের স্তর, চাহনি, সব মিলিয়ে শরীরভাষাতে। আজ তারা অনেক বিনয়ী।
মমতাও উন্নয়নের কথা বলছে। সে বলার মধ্যে শাসকের অহমিকা ফুটে উঠছে।

গ্রহনযোগ্যতা একটা অন্য বিষয়। ৫০এর দশকে কমিউনিস্ট পার্টির কর্মীদের সমপ্র্কে সাধারণের মনোভাব ছিলো - ওরা খুব ভালো ছেলেমেয়ে, সৎ, বিনয়ী, কিন্তু বাউন্ডুলে। তাই ওদের সাথে আমার ছেলেমেয়ে মিশলে তারা গোল্লায় যাবে।
৬০এর প্রথম দিকে বিশেষ করে ৬২র চিন-ভারত যুদ্ধের পর গ্রহনযোগ্যতা কমে যায়। ঐ ছেলেমেয়েগুলো-ই চিনের দালাল, দেশদ্রোহী হয়ে যায়।
ঐ সময়ে কমিউনিস্ট কর্মীরা তাদের আচার আচরণের মধ্য দিয়ে মানুষের মনে গ্রহনযোগ্যতা ফিরিয়ে আনে। তবেই না খাদ্য আন্দোলন এতো সফল হয় সাধারণ মানুষের যোগদানে। তখন কোন ভোট ছিলো না। ভোট হয় ১৯৬২তে তারপর ১৯৬৭তে।

Avatar: sm

Re: ভাষা, আত্মসম্মান ও অধিকার – পা চাটতে লাগে শুধু জিভ

The Reserve Bank of India (RBI) has blamed banks for giving huge loans to borrowers who have contributed very little capital to their business leading to surge in bad loans.
-
India's banks are grappling with more than $110 billion of corporate stressed debt, a burden that is holding back fresh loans and hampering a speedier economic recovery.
http://timesofindia.indiatimes.com/business/india-business/As-Rajan-ti
ghtens-screws-banks-can-still-hide-debts/articleshow/50104150.cms

--
খালি শিল্প পতি দরদী হলে চলবে?


Avatar: lcm

Re: ভাষা, আত্মসম্মান ও অধিকার – পা চাটতে লাগে শুধু জিভ

কল্লোলদা, সেটা ঠিক। তবে কি সেদিন আর নেই। ভদ্র সভ্য আচরণকে চারিত্রিক দুর্বলতা, বেসিক অনেষ্টিকে স্টুপিডিটি, আর, মিথ্যা কথা বলাকে যে সমাজ স্মার্টনেস বলছে সেখানে টাফ্‌।
Avatar: PT

Re: ভাষা, আত্মসম্মান ও অধিকার – পা চাটতে লাগে শুধু জিভ

বামেদের গ্রহণযোগ্যতা ও বর্জনযোগ্যতা নিয়ে এমন অতিসরলীকরণ এর আগে কেউ করেছে বলে মনে করতে পারি না। তার ওপরে "তৃণমূল হঠাও - বাংলা বাঁচাও" নাকি মমতার ঢং-এ স্লোগান!! কার কিসে পেটেন্ট নেওয়া আছে কে জানে!!

"কৃষি আমাদের ভিত্তি আর শিল্প আমাদের ভবিষ্যত"-এই শ্লোগানের মধ্যে বিশেষ অহমিকা ছিল বলে তো মনে করতে পারিনা। ঐ শ্লোগান দেওয়ার পরেই তো বুদ্ধবাবু হৈ হৈ করে জিতে ক্ষমতায় ফিরেছিলেন।

Avatar: Ekak

Re: ভাষা, আত্মসম্মান ও অধিকার – পা চাটতে লাগে শুধু জিভ

" Comment from কল্লোল on 29 December 2015 00:25:57 IST 111.63.196.185 (*) #
তৈরী করা ভাষা টেঁকে না। একক যেভাবে বলছিস, অনেকটা সেরকম "ঝুঁটি" বেঁধেই পরেকার সংষ্কৃত তৈরী হয়। শাসনের প্রয়োজনে কমন ভাষা। সে দেবভাষা বলেই রয়ে গেলো ও কালে কালে মরেও গেলো।"

"মরে গ্যালো " মানে কি ? ভাষা কি সেজ মামা নাকি ? :( ছোট ছোট গোষ্টি তে তৈরী হওয়া লোকাল ন্যাচেরাল ল্যন্গুএজ ঝুঁটি বেঁধে কন্স্ত্রাক্তেদ ল্যন্গুএজ তৈরী করা হয় । আবার এই কন্স্ত্রাক্তেদ ল্যান্গুএজ বিবর্তনের নিয়মে আলাদা আলাদা গোষ্টি তে আলাদা আলাদা রূপে মিশে যায় । সংস্কৃত ও তাই হয়েছে । "টেঁকে না" মানে কি বলছ সেটাই ক্লিয়ার হলো না । এই যে চুলে ঝুঁটি বেঁধে রাখা সে কি ঝুঁটি টিঁকবে বলে ? না, জট পাকানো যাতে কমে তাই ।

আমি অবিশ্য়ী যেটা বলছিলুম সেটা ঠিক পুরনো অর্থে "ভাষা " নয় । ভাষা র কমন মডেল গোছের ।
Avatar: কল্লোল

Re: ভাষা, আত্মসম্মান ও অধিকার – পা চাটতে লাগে শুধু জিভ

পিটি।
একটু মনে করে বলো। ....বাঁচাও - স্লোগান বামেদের থেকে শুনেছো কখনো? এটা কংগ্রেসী ঘরানার স্লোগান। লাল হঠাও বাংলা বাঁচাও - নব-যুবদের স্লোগান ছিলো। পরে মমতা দিয়েছে, সিপিএম হঠাও বাংলা বাঁচাও। এই প্রথম বামেরা দিলো এমন স্লোগান।
জরুরী অবস্থার সময়েও বামেরা স্বৈরতন্ত্র বিরোধী স্লোগান দিয়েছে, কিন্তু ইন্দিরা হঠাও ভারত বাঁচাও স্লোগান উত্তর ভারতেই জনপ্রিয় হয়েছে - রাজনারায়ণের স্লোগান।
আর আমি তো বারবার লিখ্ছি ভাষা গ্রহনযোগ্যতা তৈরীর একটা মাপকাঠি মাত্র, তাও ছোট মাপের। বড়গুলো অবশ্যই আন্দোলন, রাজনৈতিক পরিস্থিতি ইঃ কিন্তু ভাষাও ম্যাটার করে।

একক। ভাষা সেজমামা তো বটেই। সে জম্মায় ও মরেও। পৃথিবীতে বহু ভাষা পটল তুলেছে - দুটো কারনে। ১) সে ভাষায় কথা বলা গোষ্ঠী বিলুপ্ত হয়েছে। ২)অন্য ভাষা আধিপত্য কায়েম করায় সে ভাষার ব্যবহার বন্ধ হয়ে গেছে। দ্বিতীয়টার উদাহরণ সংষ্কৃত আর ল্যাটিন।


Avatar: h

Re: ভাষা, আত্মসম্মান ও অধিকার – পা চাটতে লাগে শুধু জিভ

কল্লোল দা, দ্বিতীয়টার অন্য উদা ওয়েল্শ আর আইরিশ গেলিক।

আশা করেছিলাম, কল্লোলদা কলিম খানের লেখায় রেটোরিক ইত্যাদির ব্যাবহার নিয়ে কিসু বলবে তো দেহ ভাষা আর বডি ল্যাংগুয়েজ দিয়েই ছেড়ে দিল।

মডেল আপাতত সেজমামা হয় কিনা সেটাই যা দেখার ঃ-)
Avatar: Abhyu

Re: ভাষা, আত্মসম্মান ও অধিকার – পা চাটতে লাগে শুধু জিভ

ছ তারিখ বুধবার কলকাতা ডোমেস্টিক টার্মিনালে তিন ঘন্টা বসে ছিলাম। শুধু ইংরেজিতে ঘোষণা। মাঝে মাঝে দু একটা বাক্য হিন্দীতেও বলছে কিন্তু বাংলার নাম গন্ধ নেই। কোনো এয়ারলাইন্সেই বাংলার ব্যবহার নেই।
Avatar: Ujbuk

Re: ভাষা, আত্মসম্মান ও অধিকার – পা চাটতে লাগে শুধু জিভ

আমি যখন পড়াশুনো করতাম তখন আমার দ্যাশ এর হাল শুনে আমার এক মার্কিনি দোস্ত বলেছিল আমাদের দেশে একটা ন্যাশনাল orgy চালু করতে । দুই generation এই সব ধর্ম, জাতি, ভাষা ঘেঁটে ঘ হয়ে যাবে।

ওটা এয়ারপোর্ট থেকেই চালু করা যেতে পারে

মন্তব্যের পাতাগুলিঃ [1] [2] [3] [4]   এই পাতায় আছে 61 -- 80


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন