Soumit Deb RSS feed

Soumit Debএর খেরোর খাতা।

আরও পড়ুন...
সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • কাশ্মীরের ইতিহাস : পালাবদলের ৭৫ বছর
    কাশ্মীরের ইতিহাস : পালাবদলের ৭৫ বছর - সৌভিক ঘোষালভারতভুক্তির আগে কাশ্মীর১ব্রিটিশরা যখন ভারত ছেড়ে চলে যাবে এই ব্যাপারটা নিশ্চিত হয়ে গেল, তখন দুটো প্রধান সমস্যা এসে দাঁড়ালো আমাদের স্বাধীনতার সামনে। একটি অবশ্যই দেশ ভাগ সংক্রান্ত। বহু আলাপ-আলোচনা, ...
  • গাম্বিয়া - মিয়ানমারঃ শুরু হল যুগান্তকারী মামলার শুনানি
    নেদারল্যান্ডের হেগ শহরে অবস্থিত আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস—আইসিজে) মিয়ানমারের বিরুদ্ধে করা গাম্বিয়ার মামলার শুনানি শুরু হয়েছে আজকে। শান্তি প্রাসাদে শান্তি আসবে কিনা তার আইনই লড়াই শুরু আজকে থেকে। নেদারল্যান্ডের হেগ শহরের পিস ...
  • রাতপরী (গল্প)
    ‘কপাল মানুষের সঙ্গে সঙ্গে যায়। পালানোর কি আর উপায় আছে!’- এই সপ্তাহে শরীর ‘খারাপ’ থাকার কথা। কিন্তু, কিছু টাকার খুবই দরকার। সকালে পেট-না-হওয়ার ওষুধ গিলে, সন্ধেয় লিপস্টিক পাউডার ডলে প্রস্তুত থাকলে কী হবে, খদ্দের এলে তো! রাত প্রায় একটা। এই গলির কার্যত কোনো ...
  • রাতপরী (গল্প)
    ‘কপাল মানুষের সঙ্গে সঙ্গে যায়। পালানোর কি আর উপায় আছে!’- এই সপ্তাহে শরীর ‘খারাপ’ থাকার কথা। কিন্তু, কিছু টাকার খুবই দরকার। সকালে পেট-না-হওয়ার ওষুধ গিলে, সন্ধেয় লিপস্টিক পাউডার ডলে প্রস্তুত থাকলে কী হবে, খদ্দের এলে তো! রাত প্রায় একটা। এই গলির কার্যত কোনো ...
  • বিনম্র শ্রদ্ধা অজয় রায়
    একুশে পদকপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক অজয় রায় (৮৪) আর নেই। সোমবার ( ৯ ডিসেম্বর) দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার একটি হাসপাতালে শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। অধ্যাপক অজয় দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত নানা অসুখে ভুগছিলেন।২০১৫ ...
  • আমাদের চমৎকার বড়দা প্রসঙ্গে
    ইয়ে, স-অ-অ-অ-ব দেখছে। বড়দা সব দেখছে। বড়দা স্রেফ দেখেনি ওইখানে এক দিন রাম জন্মালেন, তার পর কারা বিদেশ থেকে এসে যেন ভেঙেটেঙে মসজিদ স্থাপন করল, কেন না বড়দা তখন ঘুমোচ্ছিলেন। ঘুম ভাঙল যখন, চোখ কচলেটচলে দেখলেন মস্ত ব্যাপার এ, বড়দা বললেন, ভেঙে ফেলো মসজিদ, জমি ...
  • ধর্ষকের মৃত্যুদন্ড দিলেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে ?
    যেকোন নারকীয় ধর্ষণের ঘটনা সংবাদ মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়ে সামনে আসার পর নাগরিক হিসাবে আমাদের একটা ঈমানি দায়িত্ব থাকে। দায়িত্বটা হল অভিযুক্ত ধর্ষকের কঠোরতম শাস্তির দাবি করা। কঠোরতম শাস্তি বলতে কারোর কাছে মৃত্যুদন্ড। কেউ একটু এগিয়ে ধর্ষকের পুরুষাঙ্গ কেটে নেওয়ার ...
  • তোমার পূজার ছলে
    বাঙালি মধ্যবিত্তের মার্জিত ও পরিশীলিত হাবভাব দেখতে বেশ লাগে। অপসংস্কৃতি নিয়ে বাঙালি চিরকাল ওয়াকিবহাল ছিল। আজও আছে। বেশ লাগে। কিন্তু, বুকে হাত দিয়ে বলুন, আপনার প্রবল ক্ষোভ ও অপমানে আপনার কি খুব পরিশীলিত, গঙ্গাজলে ধোওয়া আদ্যন্ত সাত্ত্বিক শব্দ মনে পড়ে? না ...
  • The Irishman
    দা আইরিশম্যান। সিনেমা প্রেমীদের জন্য মার্টিন স্করসিসের নতুন বিস্ময়। ট্যাক্সি ড্রাইভার, গুডফেলাস, ক্যাসিনো, গ্যাংস অব নিউইয়র্ক, দা অ্যাভিয়েটর, দ্য ডিপার্টেড, শাটার আইল্যান্ড, দ্য উল্ফ অব ওয়াল স্ট্রিট, সাইলেন্টের পরের জায়গা দা আইরিশম্যান। বর্তমান সময়ের ...
  • তোকে আমরা কী দিইনি?
    পূর্ণেন্দু পত্রী মশাই মার্জনা করবেন -********তোকে আমরা কী দিইনি নরেন?আগুন জ্বালিয়ে হোলি খেলবি বলে আমরা তোকে দিয়েছি এক ট্রেন ভর্তি করসেবক। দেদার মুসলমান মারবি বলে তুলে দিয়েছি পুরো গুজরাট। তোর রাজধর্ম পালন করতে ইচ্ছে করে বলে পাঠিয়ে দিয়েছি স্বয়ং আদবানীজীকে, ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

ছ্যাঁৎ

Soumit Deb



লাবডুবাডব দুরন্ত স্পীডে এক্কেবারে রাইট টাইমে দৌড়বে। হাঁটু সিঁড়দাড়ার ব্যাবহারে অসম্ভব অনাত্মিয়ের আভাস। তাকাবো? তাকালো কি? আমি তাকালাম সেটা কি দেখেছে? ইশশ। হ্যাংলা ভাবলো। এ সমস্ত কষে করা হিসেবে হাবে হাবলা ভাবে অমল পালেকর হয়ে কোনো রকমে এড়িয়ে যাওয়া। অ্যাটিটিউডে আমুল ভরসা রেখে কাঁপা হাতে চা। ঝ্যালঝ্যাল করে ভীড়ের মাঝের দৈনন্দিনে টাইম মেশিন। দিনটা বর্বাদ। দুর্বল চিত্ত হলে রাতটাও। সকাল সকাল, পানসে চেহারার টুথপেস্ট দর্শন।

উপরিউক্ত ভ্যাবাচ্যাকা সমুহ যে পুরোনো প্রেম হঠাৎ দ্যাখা দেওয়ার উপসর্গ তা পোড় খাওয়া কেটে যাওয়ারা বেশ আয়েশ করে পড়েছে আর বুয়েইচে। এ শালা এক অদ্ভুত জিনিস। ছোট্ট ভয়, হাল্কা দর্দ আর ভালোলাগা। ছ্যাঁৎ ইন শর্ট। প্রত্যেকের জীবনেই বাতাস জল খাওয়ার ইত্যাদির মত একটা কেটে যাওয়া অথবা না পাওয়া প্রেম থাকে। এক্কেবারে ইতর না হলে একটা না একটা আঁকিবুকি খুঁজে পাওয়াও যায় একটা না একটা তাকে... তাকে। তাই ঝটিতি ঝড়ের ঝাপটায় চোখের কাঁকর বেরতে লেগে যায় সময়। একবার শুধু একবার যদি ফিরে যাওয়া যেত ঠিক ওই সময়টায়....ঠিক ওইখানটায়....তাহলে হয়ত...হয়ত অন্যরকম হত বর্তমান।

আমাদের সাচ্চা ইমাজিনারি ফ্রেন্ড বলতে কেউ যদি থেকে থাকে তাহলে সেটা হলো টাইম মেশিন। আজব মন সুখের সন্ধান দেওয়া তুখোড় মনবিলাস। এক তুড়িতে অকুস্থলে পৌঁছে ভালোবাসা সর‍্যি যুক্তি তক্কো সাজিয়ে তাবড় রবীনহুড। তখন যাযা করাছি তার জন্যে পরে যতরকম মাথা দেওয়াল সংঘর্ষ হয়েছে সেই সমস্ত এক ছোবলে ছবি।

কাউকে বলতে হবেনা, কাউকে না, শুধু নিজেকে জিজ্ঞেস করলেই দ্যাখা যাবে সারাদিনের বাস ট্রামের চেয়ে ওই মেশিনে হয়ত বেশি চড়া হয়ে যায়। বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবেন আজ অবদি এককবারও ভাবেনি আরেকবার সুযোগ পাওয়া গেলে, ফেরা গেলে, হারা গুলো মেনে নিতেন না, জেতা গুলো ছেড়ে দিতেন স্বেচ্ছায়, যুদ্ধ গুলোয় এঁকে দিতেন অভিমান, হাতে কেবল আলিঙ্গন। কিন্তু সত্যিই কি তাই? সত্যিই কি হত সেরকম যেরকম টার খেয়ালে দোকানে ভুলে আসেন টাকা অথবা বাথরুমে দেশলাই?? নাকি সেটা শুধু মনমত হয়নি তাই? শুধু নায়কের তকমা লাগেনি তাই? কেন বারে বারে ফিরে যাওয়ার মৌতাতে ভুলে যান ঠিক পরের স্টেশন আপনার?

আসলে আমরা বড় পেছন পাকা তাই পেছনের প্রতি আমাদের টান এত্ত মারাত্মক। সবকিছুকে মনের মত বেঁধে রাখা খাঁচার ওপারে যেতে তাই এত্ত আলগা রাশ। নাহলে এসমস্ত হঠাৎ দ্যাখার উপশম গুলো হত অন্য। মন শুধু ভালোই হত। যাকে ছুঁয়েছিলাম এক্কেবারে মনের আঙ্গুলে আজ তার অন্যদেশের নাগরিকত্বে আকাশ নীল ই থাকত। মেঘ জমত কেবল ঠোঁটের কোনে। এগিয়ে গিয়ে কথা হত। নাগাল হত সীমাহীন, আগল...থাকত না। থাকত কেবল সে আর আমি। আপাদের চারপাশের তারিখ অন্য, শহরের অন্য। তারপর এগিয়ে যেতাম। পিছিনে পড়ে থাকত.....কিচ্ছু না।

কিন্তু তাইলে অঞ্জন দত্তর গান বিক্রি হতনা, চন্দ্রবিন্দু জন্মাত না, সব্বাই দেরিদা আমি সত্যজিৎ রায়। মজাটাই থাকত না মন খারাপের, নিকটবর্তী বন্ধুর কাছে প্রশংশার, মাঝরাতের কবিতার, মুহুর্তের। এটা মেনে নেওয়া অসম্বভ। হয়না। পারবোনা। অতএব ছ্যাঁৎ দীর্ঘজিবী হোক। আর তুই ঘুম হয়ে যাস চোখে আমার মন খারাপের রাতে।

হ্যাশট্যাগসাধারনমানুষউইথপ্রাউড

223 বার পঠিত (সেপ্টেম্বর ২০১৮ থেকে)

শেয়ার করুন


Avatar: anandaB

Re: ছ্যাঁৎ

ব্রিলিয়ান্ট
Avatar: kk

Re: ছ্যাঁৎ

বাঃ,ভালো লাগলো।শেষ লাইনটা বড় সুন্দর।
Avatar: pi

Re: ছ্যাঁৎ

ছ্যাঁৎ ক'রে লাগলো ...


আপনার মতামত দেবার জন্য নিচের যেকোনো একটি লিংকে ক্লিক করুন