সাম্প্রতিক লেখালিখি RSS feed
  • ইতিহাসবিদ সব্যসাচী ভট্টাচার্য
    আধুনিক ভারতের ইতিহাস চর্চায় সব্যসাচী ভট্টাচার্য এক উল্লেখযোগ্য নাম। গবেষক লেখক শিক্ষক এবং শিক্ষা প্রশাসক হিসেবে তাঁর অবদান বিশেষ উল্লেখযোগ্য। সবসাচীবাবুর বিদ্যালয় শিক্ষা বালিগঞ্জ গভর্মেন্ট হাই স্কুলে। তারপর পড়তে আসেন প্রেসিডেন্সি কলেজের ইতিহাস বিভাগে। ...
  • পাগল
    বিয়ের আগে শুনেছিলাম আজহারের রাজপ্রাসাদের মতো বিশাল বড় বাড়ি! তার ফুপু বিয়ে ঠিকঠাক ‌হবার পর আমাকে গর্বের সাথে বলেছিলেন, "কয়েক একর জায়গা নিয়ে আমাদের বিশাল বড় জমিদার বাড়ি আছে। অমুক জমিদারের খাস বাড়ি ছিল সেইটা। আজহারের চাচা কিনে নিয়েছিলেন।"সেইসব ...
  • অশোক দাশগুপ্ত
    তোষক আশগুপ্ত নাম দিয়ে গুরুতেই বছর দশেক আগে একটা ব্যঙ্গাত্মক লেখা লিখেছিলাম। এটা তার দোষস্খালন বলে ধরা যেতে পারে, কিন্তু দোষ কিছু করিনি ধর্মাবতার।ব্যাপারটা এই ২০১৭ সালে বসে বোঝা খুব শক্ত, কিন্ত ১৯৯২ সালে সুমন এসে বাঙলা গানের যে ওলটপালট করেছিলেন, ঠিক সেইরকম ...
  • অধিকার এবং প্রতিহিংসা
    সল্ট লেকে পূর্ত ভবনের পাশের রাস্তাটায় এমনিতেই আলো খুব কম। রাস্তাটাও খুব ছোট। তার মধ্যেই ব্যানার হাতে একটা মিছিল ভরাট আওয়াজে এ মোড় থেকে ও মোড় যাচ্ছে - আমাদের ন্যায্য দাবী মানতে হবে, প্রতিহিংসার ট্রান্সফার মানছি না, মানব না। এই শহরের উপকন্ঠে অভিনীত হয়ে ...
  • লে. জে. হু. মু. এরশাদ
    বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটা অধ্যায় শেষ হল। এমন একটা চরিত্রও যে দেশের রাজনীতিতে এত গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে থাকতে পারে তা না দেখলে বিশ্বাস করা মুশকিল ছিল, এ এক বিরল ঘটনা। মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে যুদ্ধ না করে কোন সামরিক অফিসার বাড়িতে ঘাপটি মেরে বসে ছিলেন ...
  • বেড়ানো দেশের গল্প
    তোমার নাম, আমার নামঃ ভিয়েতনাম, ভিয়েতনাম --------------------...
  • সুভাষ মুখোপাধ্যায় : সৌন্দর্যের নতুন নন্দন ও বামপন্থার দর্শন
    ১৯৪০ সালে প্রকাশিত হয়েছিল সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘পদাতিক’। এর এক বিখ্যাত কবিতার প্রথম পংক্তিটি ছিল – “কমরেড আজ নবযুগ আনবে না ?” তার আগেই গোটা পৃথিবীতে কবিতার এক বাঁকবদল হয়েছে, বদলে গেছে বাংলা কবিতাও।মূলত বিশ্বযুদ্ধের প্রভাবে সভ্যতার ...
  • মৃণাল সেনের চলচ্চিত্র ভুবন
    মৃণাল সেনের জন্ম ১৯২৩ সালের ১৪ মে, পূর্ববঙ্গে। কৈশোর কাটিয়ে চলে আসেন কোলকাতায়। স্কটিশ চার্চ কলেজ ও কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থবিদ্যায় স্নাতক ও স্নাতকোত্তর স্তরে পড়াশুনো করেন। বামপন্থী রাজনীতির সাথে বরাবর জড়িয়ে থেকেছেন, অবশ্য কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য ...
  • অলোক রায় এবং আমাদের নবজাগরণ চর্চা
    সম্প্রতি চলে গেলেন বাংলার সমাজ, সাহিত্য ও সংস্কৃতি জগতের বিশিষ্ট গবেষক অধ্যাপক অলোক রায়। গত শতাব্দীর পঞ্চাশের দশকের শেষ দিক থেকে মৃত্যুর আগে পর্যন্ত ছয় দশক জুড়ে তিনি বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতি জগতের বিভিন্ন দিক নিয়ে লেখালেখি করেছেন। এর মধ্যে বাংলা ...
  • দুই ক্রিকেটার
    ক্রিকেট মানেই যুদ্ধু। আর যুদ্ধু বলতে মনে পড়ে ষাটের দশক। এদিকে চীন, ওদিকে পাকিস্তান। কিন্তু মন পড়ে ক্রিকেট মাঠে।১৯৬৬ সাল হবে। পাকিস্তানের গোটা দুয়েক ব্যাটেলিয়ন একা কচুকাটা করে একই সঙ্গে দুটো পরমবীর চক্র পেয়ে কলকাতায় ফিরেছি। সে চক্রদুটো অবশ্য আর নেই। পাড়ার ...


বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

বকরী ঈদ

Purandar Bhat

সম্প্রতি একটি ছবি চোখে পড়ল বাংলাদেশে এক গৌরাঙ্গ মন্দিরের সামনে ঈদ আল আধাতে গরু কোরবানী দেওয়া হচ্ছে। প্রেক্ষাপট যেখানে বাংলাদেশে হিন্দুদের ক্রমাগত প্রান্তিকীকরণ সেখানে ছবিটি দেখে রাগ আর দুঃখ ছাড়া কিছুই হচ্ছে না। আমার গরু নিয়ে কোনো ধর্মীয় আবেগ নেই, জোর করে গরু খাওয়া বন্ধ করার বিরোধিতা নিজের দেওয়ালেই আগে করেছি। কিন্তু কারুর ধর্মাচরণে জোর করে আঘাত দেওয়ার পক্ষপাতিও নই।

আমার ধর্ম নিয়ে জ্ঞান সীমিত তাই ধর্ম নিয়ে আলোচনা করতে চাই না, কোনটা ধর্মে জায়েজ কোনটা নয় সেটা জানি না। আমি বরং ইতিহাস নিয়ে সা

আরও পড়ুন...

গ্রীস এবং ইউরোপের রাজনীতির মোড়বদলের ইঙ্গিৎ প্রসঙ্গে

souvik ghoshal

গ্রীস ও তার বর্তমান রাজনীতি অর্থনীতি সারা বিশ্বের চিন্তাজগতের কাছেই অন্যতম আলোচ্য বিষয়। বহু দৃষ্টিকোণ থেকে সমকালীন গ্রীস নিয়ে আজকে চর্চা হচ্ছে। আমাদের এই সময়ের বিশিষ্ট চিন্তাবিদ, রাজনীতির ভাষ্যকার বা অর্থশাস্ত্রীদের অনেকেই এই নিয়ে মননশীল আলোকপাত করেছেন। পরিস্থিতি প্রায় প্রতিদিন নতুন নতুন সমস্যা ও সম্ভাবনার দুয়ার উন্মুক্ত করছে। প্রস্তাব, প্রতিপ্রস্তাব, আপোষরফা, সফল ও নিস্ফল নানা বৈঠকের বিচিত্র চক্রের মধ্য দিয়ে ঘটনাচক্র এগিয়ে চলেছে।
গ্রীসের মধ্যে এবং বাইরে এই যে বিপুল আলোড়ন তাকে একটি বাক্যে গ্

আরও পড়ুন...

লেবার পার্টির দিকবদল, করবিন এবং ব্রিটেনের বাম রাজনীতি প্রসঙ্গে

souvik ghoshal

ব্রিটেনের প্রধান বিরোধী দল লেবার পার্টির দলনেতা নির্বাচিত হলেন জেরেমি কববিন এবং তাঁর নির্বাচন লেবার নীতির এক বামপন্থী ঝোঁকের দিকে পরিবর্তনের স্পষ্ট ইঙ্গিৎ দিচ্ছে। বস্তুতপক্ষে শুধু লেবার পার্টি বা ব্রিটেনের ক্ষেত্রেই নয়, ইউরোপের এক বিস্তীর্ণ ভূখণ্ড জুড়েই আমরা নতুন চেহারায়, নতুন ভাষা ও আঙ্গিকে এক নতুন ধরণের সমাজতান্ত্রিক চিন্তাধারার বিকাশ লক্ষ্য করছি। নির্বাচনের আঙিনায় এবং গণ আন্দোলনের বিস্তীর্ণ প্রেক্ষাপটে এই নয়া জাগরণ গোটা বিশ্বের বাম গণতান্ত্রিক মানুষের কাছে অবশ্যই গভীর আশা ও প্রত্যয়ের ব্যাপার।

আরও পড়ুন...

রাধার কি হইহই লো...

উদয়ন ঘোষচৌধুরি


দ্বাপরের গায়ে তখন অনেক বসন্ত কেটে গিয়ে অনেক হেমন্ত ফেঁসে গেছে। হলদেটে বিকেলে রাধারানির এক্সপ্রেশন আবার সেই ‘শোলে’-র জয়া ভাদুড়ি টাইপ। অন্তরে পুনরায় চাগাচ্ছে হরমোনাল ব্যথা। বসিয়া বিরলে থাকয়ে একলে সিনড্রোম। ড্রাই-ফ্রুটওলা চকোলেট ছাড়া ঠোঁটে তিনি কুটোটি ঠ্যাকাচ্ছেন না। প্রচুর ভেব্বে-চিন্তে চোখের মণি ঠিকরে তুলে ললিতা এক দিন বললেন, ‘‘দুককু কি আর সাধে, মা! ফুটেজ খেল রাধে মা!’’ বিশাখা ব্যালকনিতে বৈকালিক রূপচর্চা করছিলেন, সারা মুখে ধ্যাবড়া সাদা লেপে তড়বড়িয়ে বললেন, ‘‘আরে, আমি তো বলতেই ভুলে গেসলুম, সেদ

আরও পড়ুন...

মুক্তির জন্য সাংস্কৃতিক প্রয়াস

Salil Biswas

কিছুদিন আগে কয়েকটি ছেলেমেয়ে আমার কাছে জানতে চায়, প্রথা বহির্ভূত শিক্ষা নিয়ে পড়াশুনা করতে হলে কোন কোন বই দিয়ে শুরু করা উচিত। স্বভাবতই পাওলো ফ্রেইরি-র নাম মনে এসেছিল। ইতিপূর্বে ‘মুক্তির জন্য সাংস্কৃতিক প্রয়াস’ নাম দিয়ে পাহাড়ী চৌধুরি অনুবাদ করেছিলেন ‘কালচারাল অ্যাকশন ফর ফ্রিডম’। প্রকাশ করেছিলেন ‘ইন্ডিয়ান পাওলো ফ্রেইরি ইনস্টিটিউট’ যাদের আরো কিছু বই আছে ফ্রেইরি-কে নিয়ে। কিন্তু ‘মুক্তির জন্য সাংস্কৃতিক প্রয়াস’ বহুল প্রচার পায়নি।
পরিতাপের বিষয়, পাওলো ফ্রেইরি-কে নিয়ে বিশ্লেষণ-মূলক কাজ এখানে বেশি হয়

আরও পড়ুন...

প্যাসেজ টু হেভেন (পর্ব-৯)

Maskwaith Ahsan

নাত্থুবাদ
বেহেশতে তোলপাড় শুরু হয়েছে। এক পাকিস্তানের কট্টরপন্থাতেই পুরো দক্ষিণ এশিয়া অস্থির। এখন আবার ভারতে নতুন কট্টরপন্থার ঢেউ। দেবুদা চন্দ্রমুখীর এপার্টমেন্টে বসে টিভির খবর শোনে। এক কট্টর নেতা বলছে যারা রামের সন্তান নয় ঐ –দের ভারতে থাকা নিষেধ। ঠিক যেভাবে পাকিস্তানের জামাত নেতা মওদুদী থেকে আজকের চুনোপুঁটি বলে যাচ্ছে, যারা সাচ্চা মুসলমান নয় তাদের পাকিস্তানে থাকার অধিকার নাই। ভারতের আরেক বিজেপি নেতা বলছে, তাজমহলের জায়গায় আগে মন্দির ছিলো; মানে আরেক বাবরী মসজিদের কুরুক্ষেত্রের রেসিপি। পাকিস্তান

আরও পড়ুন...

hok kolorob

Vikram Pakrashi

হোক কলরব

হেমকণিকার মতো বিন্দু বিন্দু আলো মালা গেঁথে অন্ধকার কলকাতায় পিচঢালা রাস্তার ওপর দিয়ে সুদীর্ঘ পেশল সর্পিল পিচ্ছিলতায় ছড়িয়ে যায়। বিন্দু বিন্দু আলো হাতে বিন্দু বিন্দু উদ্ভাসিত মুখ অজস্র স্তব্ধদ্বার দোকান আর রুদ্ধবাক মানুষের সামনে দিয়ে পেরিয়ে যায়, তাদের মুঠো করা হাত অন্ধকার আকাশে ঘুষি পাকিয়ে গর্জন করে, যে গর্জনের ঢেউয়ের শেষে 'চাই' শব্দটি দূর দূর পর্যন্ত ধেয়ে যায়। শহরের পাণ্ডুর ত্রিফলা আলোর নিচে এলে সেই ভিড়ে খুদে খুদে বাচ্চাদের হাতে ধরা কার্ডবোর্ডের প্ল্যাকার্ডে রক্তলাল রঙে লেখা দৃশ্

আরও পড়ুন...

বিচার

dd

বিচার

বিচারক বল্লেন " তাহলে আপনার নিজের ছেলেও স্বীকার করলো? " তাঁর গলায় শ্লেষ ছিলো। আর আসন্ন বিজয়ের গৌরব।

আমি চুপ করে থাকি। বলবার মতন কথা তো কতই রয়েছে। কোথার থেকে শুরু করবো। কোথায় শেষ।

বড় ছেলে স্থির দাঁড়িয়ে। সে আমার চোখে চোখ রাখতে দ্বিধা করছে না। উন্নত শির। সা জোয়ান। মরদের বাচ্চা আমার ছেলে।

বিচারক আমার বড় ছেলের দিকে তাকায়। " আর কিছু ? আর কিছু বলার আছে?"

" না "। আমার দিকে ফিরে তাকায় বড় ছেলে। প্রত্যয়ী কন্ঠে বলে " বাবা, তুমি মেনে নেও। এতে তোমারই ভালো হব

আরও পড়ুন...

আমার আরব্যরজনীরা এবং

π

যখন এই ভিডিওটি আপলোড করেছিলুম, সে অনেককাল আগে, ইউটিউবে অনেক ভয় অনেক দ্বিধা কাটিয়ে আপলোডাবার দিনগুলোর একদম প্রথমদিকে, তখন কীকরে গানের ফাইল থেকে ভিডিও বানাতে হয় তাই জানতাম না, জানার খুব আগ্রহ ছিল, তাও নয়। এক বন্ধু বানিয়ে দিয়েছিল, জিগিয়েছিল, কী ছবি দেবে। আমি নিতান্ত আতান্তরে পড়েছিলুম। গানের কি ছবি হয় ?
হয়। অন্ততঃ হত, আমার কাছে। তবে সে আরো আরো অনেককাল আগে।
তবে সে ছবি গানের না, শুধু সুরের। এক একটা সুর, না না, সব সুর না, কিছু কিছু গেঁথে যাওয়া সুরের সাথে এক একটা ছবি জোড়া ছিল। একেকটা সুরের সাথে

আরও পড়ুন...

দৃশ্য শ্রাব্য বাংলা, কলকাতায়, এখন

তাপস দাশ

এবার গ্রেফতার কৌস্তভ রায়। সেই সারদা কাণ্ড। কিন্তু এই পোস্ট সারদা ইত্যাদি নিয়ে নয়। গত দু তিন বছর ধরে কলকাতার অডিও ভিস্যুয়াল নিউজ মার্কেট ধরাশায়ী হচ্ছে। ক্রমাগত পতন। এটা ঘটনা যে বাংলা ভাষায় এতো বেশি সংখ্যায় নিউজ চ্যানেল, দর্শকরাও ক্লান্ত হয়ে যাচ্ছিলেন, কারণ সব চ্যানেলেই খবর একই দেখানো হয়ে থাকে বা থাকত, শুধু নিজেদের ইন্টারপ্রিটেশনে বদল সহ। ইন্টারপ্রিটেশন বললে খুব ভারী টাইপ মনে হয়, আসলে যা হয়ে থাকে, বা থাকত, নিজেদের রাজনৈতিক মতামত, মোটা দাগে। সে যা হোক, প্রথমে, চ্যানেল টেন সহ, বেশ কয়েকটা খবর মাধ্যমে

আরও পড়ুন...

ইমফল ও কোহিমা - মহত্তম/বিস্মৃত লড়াই

dd

ইমফল ও কোহিমা - মহত্তম/বিস্মৃত লড়াই

শুরুর আগে
*********************

শুরু করতে হবে আই এন এ নিয়ে। মিলিটারী দিক দিয়ে এর ভুমিকা সামান্য হলেও কোহিমা ইমফল অভিযান নেওয়ার সিদ্ধান্তে এর অবস্থান গুরুত্বপুর্ণ ছিলো।
উত্তর আফ্রিকায় এবং পরে ইতালীতে ভারতীয় সেনারা ভালই লড়াই দিয়েছিলো। যদিও কিছু ঐতিহাসিকরা নেহাৎই ফু ফু করে উড়িয়ে দেন। জাপানীদের চোখে কিন্তু ভারতীয় সেনারা একেবারেই পাতে দেবার যোগ্য ছিলো না। কেনো না দক্ষিন পুর্ব এশিয়ায় ভারতীয় সেনাদের কীর্ত্তি কলাপ খুবই লজ্জার ছি

আরও পড়ুন...

জুনিয়র ডাক্তারঃ পেটে খেলে পিঠে সয়?

Anik Chakraborty

(ঘটনার তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় লেখাটি তৈরী। ভিন্ন মত ও সুস্থ আলোচনায় ডাক্তার-রোগী সম্পর্কের ক্রমবর্ধমান অসুস্থতায় পরবর্তীকালে আরও উপযোগী প্রেসক্রিপশন লিখতে পারবো, এই আশা রাখি

১.
অভয় দা কে আমি চিনি না। আরও যারা চেনেন না, তাদের জন্য বলি, অভয় দা S.S.K.M এ Orthopaedics এর পিজিটি। কাল এক অ্যাক্সিডেন্টের রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে শাসকদলের এক নেতার মদতপুষ্ট গুন্ডাবাহিনী তাকে ওয়ার্ডের মধ্যেই মেরে, হাত পা ভেঙে ফেলে রেখে যায়। খুব স্বাভাবিক ব্যাপার। আমরা কেউ অভয় সরকারকে চিনি না।
এবং আমি আম

আরও পড়ুন...

দুটি গান

lcm

১) এই গানের সুর চলিত, অর্থাৎ কে স্রষ্টা কেউ জানে না, দুশো বছর আগে হতে পারে, হাজার বছরও হতে পারে, দু হাজার বছরও হতে পারে। দক্ষিণ আমেরিকার আন্দেজ পর্বতমালার কোনো এক কোনে কেউ গেঁথেছিল এই মনমাতাল সুর। পেরু দেশের লোকসঙ্গীত। অসম্ভব জনপ্রিয় এই মিউজিক্যাল পিস-টাকে ২০০৪ সালে ন্যাশনাল কালচারাল হেরিটেজ বলে ঘোষনা করেছে পেরু সরকার।

১৯৬৯-এ পল আর আর্থার, দুই গায়ক বন্ধু প্যারিস গেছিল, গান গাইতে, থেটার দেলে প্যারিসিয়েনে (Théâtre de L'Est Parisienne) - প্যারিস থিয়েটার হলে সপ্তাহব্যাপী সঙ্গীতানুষ্ঠান ছি

আরও পড়ুন...

বুদ্ধদেবের ঘুমঘর *

উদয়ন ঘোষচৌধুরি




একটানা গোঁগোঁ হাওয়া আর ঘুরঘুট্টি অন্ধকার। দু জনেই একটা করে গাছের ডাল কুড়িয়েছি, ওয়াকিং স্টিকের বদলে। অন্ধের মতো হাতড়ে পা ফেলছি। রাস্তার শেষটুকু যেন উঁচু হয়ে ঠেলে উঠেছে। বরফের হাঁচোড়-পাঁচোড়ে ক্যারদানিটা কিছু বেশিই। খাদ যথেষ্ট খাড়াই। নিশ্চিত জানি, অল্প এদিক ওদিক পা রাখলেই হড়কে খাদে ঢুকে যাব। সিঙ্গালিলার জঙ্গলে ঝিঙ্গালিলা জন্তু-টন্তু বেরিয়ে আসা বিচিত্র নয়। হঠাৎ অনেকটা ওপরে একটা আলোর চলাফেরা, কিছু যেন কেউ বলছে। হ্যাঁ, ওই তো বাপির হেডটর্চ, আমাদের খুঁজছে। চেঁচিয়ে সাড়া দিই, আওয়াজ ওদিকে প

আরও পড়ুন...

উত্তর আফ্রিকা ঃ বিশ্বযুদ্ধের এক সাইড শো

dd

উত্তর আফ্রিকা ঃ বিশ্বযুদ্ধের এক সাইড শো


হাল্লা চলেছে যুদ্ধে।।।।
********************************

প্রথম বিশ্বযুদ্ধে আফ্রিকা মহাদেশে লড়াই প্রায় বিশ্বযুদ্ধের প্রথম দিন থেকেই শুরু হয়েছিলো। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে কিন্তু তেমনটা হয় নি। ইউরোপে যুদ্ধ শুরু হবার প্রায় বছর খানেক আফ্রিকা মহাদেশে, যুদ্ধের কোনো তেমন ইমপ্যাক্ট ছিলো না। উত্তর আফ্রিকায় ,লিবিয়া ছিলো ইতালীর দখলে আর ইজিপ্ট বৃটীশের অধীনে। তো দু একটা খুচখাচ সীমান্ত সংঘর্ষ হয়েছিলো কিন্তু সেগুলি নেহাতই ছোটোখাটো আঞ্চলিক লড়াই।<

আরও পড়ুন...

রবীন বাবুর নষ্ট চিঠি

সুকান্ত ঘোষ

রবীনবাবু তাঁর তুণীরে আরো একটি প্রথম সারির দৈনিক যোগ করলেন। নিজে যার সাথে প্রায় জীবনের অনেকটা সময় ছায়াযুদ্ধ করে কাটিয়েছেন, এই নতুন দৈনিকও যে সেই যুদ্ধে আরো একটি প্রতিপক্ষ সৈনিক সরাবরাহ করবে সেটা তিনি বুঝতে পারেন নি! যখন বুঝতে পারলেন, তখন বড় দেরী হয়ে গেছে, “সম্পাদক সমীপেষু – পাঠকের চিঠিপত্র” এই নতুন কাগজটায় প্রায় একপাতা জুড়ে থাকে!

এতো সময় নিয়ে রবীন বাবু কি করে উঠবেন বুঝতে পারছিলেন না। এটা অবশ্য তাঁর কাছে আচমকা নয় – অবসর নেবার আগে থেকেই অফিসে শুনতেন যে বাড়িতে সময় কাটানো খুব দুষ্কর হয়ে পড়ে

আরও পড়ুন...

বুদ্ধদেবের ঘুমঘর *

উদয়ন ঘোষচৌধুরি




শেষমেশ দশজন। উত্তরবঙ্গ এক্সপ্রেসে নিউ জলপাইগুড়ি হয়ে সিরিখোলায় পৌঁছতে বিকেল। সঙ্গে আনা মুড়ি-চানাচুর চিবিয়ে হাঁটতে বেরোই আশেপাশে। জায়গাটা এক্কেরে পকেট। ঘাড় উঁচু করলেই পাহাড়ি দেওয়াল, ঘন বন-মাখানো শরীর। খোলা, মানে, ছোট নদীটা মাঝ-বরাবর চলেছে হাসতে হাসতে। নদীর ওপর গুঁড়ি, কাঠ, দড়ি বেঁধে বানানো ব্রিজ; কেউ যাতায়াত করলে দোলে। বিশাল বিশাল পাথুরে চাঁই নদীর দু দিকে। যেটুকু অংশ মানুষ খালি করতে পেরেছে, হোটেল বানিয়ে ফেলেছে। কৃষ্ণপক্ষের অন্ধকার আকাশ, চাঁদ-চিহ্নহীন। নদী আর পাথরদের সঙ্গে আড্ডা দিয়ে

আরও পড়ুন...

..... যেন হেঁটে যেতে পারি...

শিবাংশু

".... আমি তো সুড়ঙ্গের পথ বেয়ে
কুবেরের চূড়োয় সিঁদ কাটতে চাইনি
কেবল ঘাস ফুলের শিশিরে জাজিমে
এক চিলতে আকাশের বুক ছুঁতে চেয়েছিলাম..."

বাবা'র কথা কীভাবে লিখতে হয়? নাহ, সে মডেল তো এদেশে অনেক আছে। কিন্তু সে সব কথা তো সবার আলাদা। তাঁরা কেমন হ'ন? ঠাকুরদাস, মহর্ষি, রাজনারায়ণ দত্ত, বিশ্বনাথ দত্ত, উপেন্দ্রকিশোর, তাঁরা তো সব বিখ্যাত মানুষ। নয়তো একজন হরিহর বাঁড়ুজ্যে বা সেই একজন বাবা, যিনি ছেলের কাঁধ ছুঁয়ে বলেন, দেখিস, আমরাও একদিন....

ছেলে'দের বাবা আর মেয়ে'দের বাবা কি কখনও এক রকম

আরও পড়ুন...

প্রসঙ্গ উত্তম সুচিত্রা

Parichay Patra

বিকেলের চায়ে হবে মুচমুচে নিমকি চেবানো/পুরনো দিনের কথা বলবে না দেখো একজনও/হয়ত উত্তমকুমারের প্রসঙ্গ তুলে/পারমিতা দেবে হাত মাথার লুটিয়ে পড়া চুলে/তারপর শুরু হবে কার ছেলে ফিজিক্সে ভালো...

সুমনের এই প্রায় বিস্মৃত গানটার কথা আমরা শুনেইছিলাম উত্তমকুমার পড়ার প্রক্রিয়ার মধ্যেই। উত্তমকুমার-সুচিত্রা সেনের ছবি, আমাদের পরিভাষায় পঞ্চাশের দশকের বাংলা সোশ্যাল, তখন এমএ স্তরে পড়তে হচ্ছে। আমি বড় হয়েছিলাম ফিল্ম সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞা নিয়ে, বাড়িতে ফিল্ম দেখা বারণ ছিল অনেককাল। ফলে জনপ্রিয় ছবি একেবারে না দেখে ব

আরও পড়ুন...

শহরে বনধ সফল করার দশটি উপায়

Sakyajit Bhattacharya


১। একদিনের জন্য সব ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হোক। এমনকি পণ্য পরিবহণ-ও।পরিষেবার ভূত ভেগে যাবে।
২। টেলিফোন এক্সচেঞ্জের দখল নিয়ে নেওয়া হোক। বি এস এন এল-এর পরিষেবা একদিনের জন্য বন্ধ থাকলে গভর্নমেন্ট ফল করে যাবার মতন অবস্থা হবে।
৩। দালাল স্ট্রীট দখল করে পিকেটিং করে ব্লক করে দেওয়া হোক। যদি কোনোমতে শেয়ার মার্কেটে ধস নামে গোটা দেশের অর্থনীতি বিপন্ন হবে।
৪। হাসপাতাল বাদে সব বন্ধ করে দেওয়া হোক। পুলিশ হোক বা খবরের কাগজ। দরকার হলে গায়ের জোরে। দুই একটা থানা ভাংচুর করা হলেই ভয়ের চোটে সব বন্ধ

আরও পড়ুন...

বাচ্চাটা

dd

বাচ্চাটা

"একটা বাচ্চা ছেলে। বাচ্চা। চার পাঁচ বছর বয়স। সে ...সে সব সব সময়,মানে আমি তাকে সব সময় দেখি।"

ডাক্তার সামন্ত চুপ করে থাকলেন। কৈশোরের এই বয়সে হরমোনের উচ্ছ্বাসে ভরে যায় দেহ মন। হ্যালুসিনেসন । এই বয়সে খুব বিস্ময়কর কিছু নয়। রন চুপ করে থাকলে তিনি আবার প্রশ্ন করেন " কোথায় দ্যাখো? কখন ? লাস্ট কবে দেখেছো ...এই সব বলো "

"লাস্ট? লাস্ট দেখলাম স্কুলে যাবার সময়। পর্শু। চৌমাথার রাস্তা ক্রস করবার সময় পিছন ফিরে দেখি দাঁড়িয়ে আছে। এক ঝলক । রাস্তা ক্রস করে ফুটপাথে উঠে আবার দেখলা

আরও পড়ুন...

বুদ্ধদেবের ঘুমঘর *

উদয়ন ঘোষচৌধুরি




ফ্যাচাংটা তুলেছিল বাপি, ২০১৩-র নভেম্বরের গোড়ায়। মল্লাগাওানা-য় ত্রেপনজীর বাড়িতে, বারান্দায় পা দোলাতে দোলাতে। এ সব ক্ষেত্রে যেটা ও করে, ছাঁটা-গোঁফে লুকিয়ে রাখা ফিচেল একটা হাসি দ্যায় আর একদম শিশুর মতো প্রস্তাবটা ছোঁড়ে। সামনেই একমাস ওর পাহাড়-প্রবাস, মাউন্টেনিয়ারিং-এর অ্যাডভান্স কোর্স, চড়বে দ্রৌপদী-কা-দাঁড়া। সঙ্গে জুটিয়েছে বাবাই আর দেবুদাকে, বেসিক কোর্স-এর জন্যে। বাপির ফন্দি, প্রাক-কোর্সে প্র্যাকটিসের জন্যে সান্দাকফু ট্রেক, ২০১৪-র ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি। গত পনেরো বছরে বার সাতেক ও সেখানে

আরও পড়ুন...